Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১০ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:৩৫
আশুলিয়ায় ছিনতাইকারী চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথবাহিনী। গতকাল রবিবার (৯ নভেম্বর) রাতে জামগড়া আর্মি ক্যাম্পের সদস্যরা মধ্য গাজিরচট এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে।
অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। আজ সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে আশুলিয়ার জামগড়া আর্মি ক্যাম্প বিষয়টি নিশ্চিত করে।
অভিযান শেষে গ্রেপ্তারদের ও উদ্ধার করা অস্ত্রসমূহ আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জামগড়া আর্মি ক্যাম্পের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানের ফলে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করা এসব ছিনতাইকারী চক্রের কার্যক্রম বন্ধ হয়েছে। ফলে মধ্য গাজীরচট এলাকায় সাধারণ জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
গ্রেপ্তাররা হলেন- ঢাকা জেলার আশুলিয়ার মধ্য গাজীরচট এলাকার ওহিদুলের ছেলে আফজাল (২৯), একই এলাকার আজহার (৩২), রকিবুল (২৩), জুঁই (২৬), আরিফুল ইসলাম (২৩) এবং উত্তর গাজীরচট এলাকার কাওসার (২৪)।
যৌথবাহিনী জানায়, আশুলিয়ার ইউনিক বাস স্ট্যান্ড এলাকায় একটি সঙ্ঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্র দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল ও অর্থ ছিনতাইসহ পথচারীদের ও যাত্রীদের শারীরিকভাবে জখম করে আসছিল। ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলের বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ ও স্থানীয়দের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এর ভিত্তিতে গতকাল রবিবার রাতভর অভিযান পরিচালনা করে যৌথ বাহিনী। অভিযানে ৫টি স্থানে একযোগে তল্লাশি চালিয়ে কুখ্যাত ছিনতাইকারী চক্রের ৬ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ সময় ৯টি চাপাতি, ১টি চাইনিজ কুড়াল, ২টি ছুরি এবং ৯টি অপরাধমূলক প্রমাণ সম্বলিত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে আশুলিয়া-বাইপাইল সড়ক এলাকায় ছিনতাই কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। তাদের স্বীকারোক্তিতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে চাইনিজ কুড়াল, চাপাতি, ছুরিসহ দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
আশুলিয়ায় ছিনতাইকারী চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথবাহিনী। গতকাল রবিবার (৯ নভেম্বর) রাতে জামগড়া আর্মি ক্যাম্পের সদস্যরা মধ্য গাজিরচট এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে।
অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। আজ সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে আশুলিয়ার জামগড়া আর্মি ক্যাম্প বিষয়টি নিশ্চিত করে।
অভিযান শেষে গ্রেপ্তারদের ও উদ্ধার করা অস্ত্রসমূহ আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জামগড়া আর্মি ক্যাম্পের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানের ফলে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করা এসব ছিনতাইকারী চক্রের কার্যক্রম বন্ধ হয়েছে। ফলে মধ্য গাজীরচট এলাকায় সাধারণ জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
গ্রেপ্তাররা হলেন- ঢাকা জেলার আশুলিয়ার মধ্য গাজীরচট এলাকার ওহিদুলের ছেলে আফজাল (২৯), একই এলাকার আজহার (৩২), রকিবুল (২৩), জুঁই (২৬), আরিফুল ইসলাম (২৩) এবং উত্তর গাজীরচট এলাকার কাওসার (২৪)।
যৌথবাহিনী জানায়, আশুলিয়ার ইউনিক বাস স্ট্যান্ড এলাকায় একটি সঙ্ঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্র দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল ও অর্থ ছিনতাইসহ পথচারীদের ও যাত্রীদের শারীরিকভাবে জখম করে আসছিল। ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলের বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ ও স্থানীয়দের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এর ভিত্তিতে গতকাল রবিবার রাতভর অভিযান পরিচালনা করে যৌথ বাহিনী। অভিযানে ৫টি স্থানে একযোগে তল্লাশি চালিয়ে কুখ্যাত ছিনতাইকারী চক্রের ৬ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ সময় ৯টি চাপাতি, ১টি চাইনিজ কুড়াল, ২টি ছুরি এবং ৯টি অপরাধমূলক প্রমাণ সম্বলিত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে আশুলিয়া-বাইপাইল সড়ক এলাকায় ছিনতাই কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। তাদের স্বীকারোক্তিতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে চাইনিজ কুড়াল, চাপাতি, ছুরিসহ দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় নারী সেজে অশ্লীল ও আপত্তিকর ভিডিও তৈরি এবং সেগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা রেদোয়ান ইসলামকে থানায় ডেকে সতর্ক করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে তিনি কসবা থানায় হাজির হয়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না মর্মে লিখিত মুচলেকা দেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ এপ্রিল ‘তৌহিদী জনতা’ ব্যানারে রেদোয়ান ইসলাম ও রিংকু সরকার রবিনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, তাদের নেতৃত্বে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে নারী সেজে বিভিন্ন আপত্তিকর কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে, যা এলাকার সামাজিক পরিবেশ ও শৃঙ্খলার জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠেছে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, তারা প্রকাশ্যে ও অনলাইনে অশালীন কনটেন্ট প্রচার করছেন, যা বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের নৈতিকতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করলে পুলিশ দুজনকেই থানায় তলব করে।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে রেদোয়ান ইসলামকে ডাকা হয়েছিল। তিনি স্বীকার করেছেন যে তিনি একজন পুরুষ এবং ভবিষ্যতে নারী সেজে কোনো ধরনের অশালীন কনটেন্ট তৈরি বা প্রচার করবেন না এ মর্মে লিখিত অঙ্গীকার দিয়েছেন। এ সময় এলাকার কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, কসবা উপজেলার সৈয়দাবাদ আদর্শ মহাবিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের পূর্বের পাঁচ সদস্যের কমিটির পরিবর্তে সম্প্রতি ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়, যেখানে রেদোয়ান ইসলাম সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পান। তবে এ ঘটনার পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৫৩
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ফুটবল খেলতে গিয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে আপন দুই ভাইয়ের করুণ মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল প্রায় ১১টার দিকে উপজেলার কাঁচপুর রায়েরটেক এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলো- আদনান ও আব্রাহাম। তারা কুষ্টিয়ার পিরোজপুর গ্রামের বাসিন্দা জিয়াউর রহমানের দুই ছেলে। পরিবারসহ তারা রায়েরটেক খান বাড়ির নিজাম উদ্দিন খানের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
প্রত্যক্ষদর্শী রনি মিয়া জানান, দুই ভাই পুকুরপাড়ে ফুটবল খেলছিল। এক পর্যায়ে বলটি পুকুরে পড়ে গেলে তারা হয়ত সেটি তুলতে পানিতে নামে। এরপর দীর্ঘ সময় তাদের দেখা না গেলে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। পরে এক নারীর কান্নাকাটি শুনে স্থানীয়রা পুকুরে নেমে খোঁজাখুঁজি শুরু করে এবং একে একে দুই ভাইকে উদ্ধার করে।
উদ্ধারের পর দ্রুত তাদের স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহিবুল্লাহ জানান, পানিতে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন।
নিহতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা এমন দুর্ঘটনা এড়াতে শিশুদের প্রতি অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩৩
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় আসামি ধরতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন এক পুলিশ সদস্য। লোহার রডের আঘাতে বনমালী রায় নামের ওই পুলিশ সদস্য আহত হয়ে বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের হাগুড়াগছ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পালিয়ে যাওয়া আসামি হলেন উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের লোহাকাচি গ্রামের রাসেল ইসলাম (৩৩)। তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ভ্যান ও গরু চুরির একাধিক অভিযোগ রয়েছে। আহত পুলিশ সদস্য বনমালী রায় তেঁতুলিয়া মডেল থানায় কর্মরত।
এর আগে বুধবার রাতে একই এলাকার শরিফ উদ্দিনের গোয়াল থেকে দুটি গরু চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গরুর মালিক রাসেলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে তেঁতুলিয়া থানার এসআই বদিউজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বৃহস্পতিবার বিকেলে রাসেলকে গ্রেপ্তারে তার বাড়ি ঘেরাও করে।
পুলিশ সদস্যরা নিশ্চিত হন যে আসামি ঘরের ভেতরে অবস্থান করছেন। পরে বনমালী রায় দরজার সামনে গেলে রাসেল হঠাৎ দরজা খুলে রড দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে পালিয়ে যান।
পরে সহকর্মী পুলিশ সদস্যরা আহত বনমালীকে উদ্ধার করে তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মাহফুজা মুনির পূর্বা জানান, আহত পুলিশ সদস্যের মাথায় চারটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন।
তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলাম বলেন, আসামি রাসেলের বিরুদ্ধে ভ্যান ও গরু চুরির একাধিক মামলা রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছিল। সর্বশেষ একটি গরু চুরির মামলার ভিত্তিতে অভিযান চলাকালে তিনি হামলা চালিয়ে পালিয়ে যান। আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় নারী সেজে অশ্লীল ও আপত্তিকর ভিডিও তৈরি এবং সেগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা রেদোয়ান ইসলামকে থানায় ডেকে সতর্ক করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে তিনি কসবা থানায় হাজির হয়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না মর্মে লিখিত মুচলেকা দেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ এপ্রিল ‘তৌহিদী জনতা’ ব্যানারে রেদোয়ান ইসলাম ও রিংকু সরকার রবিনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, তাদের নেতৃত্বে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে নারী সেজে বিভিন্ন আপত্তিকর কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে, যা এলাকার সামাজিক পরিবেশ ও শৃঙ্খলার জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠেছে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, তারা প্রকাশ্যে ও অনলাইনে অশালীন কনটেন্ট প্রচার করছেন, যা বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের নৈতিকতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করলে পুলিশ দুজনকেই থানায় তলব করে।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে রেদোয়ান ইসলামকে ডাকা হয়েছিল। তিনি স্বীকার করেছেন যে তিনি একজন পুরুষ এবং ভবিষ্যতে নারী সেজে কোনো ধরনের অশালীন কনটেন্ট তৈরি বা প্রচার করবেন না এ মর্মে লিখিত অঙ্গীকার দিয়েছেন। এ সময় এলাকার কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, কসবা উপজেলার সৈয়দাবাদ আদর্শ মহাবিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের পূর্বের পাঁচ সদস্যের কমিটির পরিবর্তে সম্প্রতি ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়, যেখানে রেদোয়ান ইসলাম সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পান। তবে এ ঘটনার পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়।
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ফুটবল খেলতে গিয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে আপন দুই ভাইয়ের করুণ মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল প্রায় ১১টার দিকে উপজেলার কাঁচপুর রায়েরটেক এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলো- আদনান ও আব্রাহাম। তারা কুষ্টিয়ার পিরোজপুর গ্রামের বাসিন্দা জিয়াউর রহমানের দুই ছেলে। পরিবারসহ তারা রায়েরটেক খান বাড়ির নিজাম উদ্দিন খানের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
প্রত্যক্ষদর্শী রনি মিয়া জানান, দুই ভাই পুকুরপাড়ে ফুটবল খেলছিল। এক পর্যায়ে বলটি পুকুরে পড়ে গেলে তারা হয়ত সেটি তুলতে পানিতে নামে। এরপর দীর্ঘ সময় তাদের দেখা না গেলে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। পরে এক নারীর কান্নাকাটি শুনে স্থানীয়রা পুকুরে নেমে খোঁজাখুঁজি শুরু করে এবং একে একে দুই ভাইকে উদ্ধার করে।
উদ্ধারের পর দ্রুত তাদের স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহিবুল্লাহ জানান, পানিতে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন।
নিহতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা এমন দুর্ঘটনা এড়াতে শিশুদের প্রতি অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় আসামি ধরতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন এক পুলিশ সদস্য। লোহার রডের আঘাতে বনমালী রায় নামের ওই পুলিশ সদস্য আহত হয়ে বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের হাগুড়াগছ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পালিয়ে যাওয়া আসামি হলেন উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের লোহাকাচি গ্রামের রাসেল ইসলাম (৩৩)। তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ভ্যান ও গরু চুরির একাধিক অভিযোগ রয়েছে। আহত পুলিশ সদস্য বনমালী রায় তেঁতুলিয়া মডেল থানায় কর্মরত।
এর আগে বুধবার রাতে একই এলাকার শরিফ উদ্দিনের গোয়াল থেকে দুটি গরু চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গরুর মালিক রাসেলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে তেঁতুলিয়া থানার এসআই বদিউজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বৃহস্পতিবার বিকেলে রাসেলকে গ্রেপ্তারে তার বাড়ি ঘেরাও করে।
পুলিশ সদস্যরা নিশ্চিত হন যে আসামি ঘরের ভেতরে অবস্থান করছেন। পরে বনমালী রায় দরজার সামনে গেলে রাসেল হঠাৎ দরজা খুলে রড দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে পালিয়ে যান।
পরে সহকর্মী পুলিশ সদস্যরা আহত বনমালীকে উদ্ধার করে তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মাহফুজা মুনির পূর্বা জানান, আহত পুলিশ সদস্যের মাথায় চারটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন।
তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলাম বলেন, আসামি রাসেলের বিরুদ্ধে ভ্যান ও গরু চুরির একাধিক মামলা রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছিল। সর্বশেষ একটি গরু চুরির মামলার ভিত্তিতে অভিযান চলাকালে তিনি হামলা চালিয়ে পালিয়ে যান। আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৫
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২১
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৫৩
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৭