
১০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৪
ভোলার লালমোহন উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের রায়চাঁদবাজারে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার রাত আটটার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিদের লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ভোলা জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ‘জামায়াতকে ভোট দিলে বেহেশত পাওয়া যাবে’—এ কথাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। গতকাল সন্ধ্যার পর প্রায় এক ঘণ্টা রায়চাঁদবাজারসংলগ্ন নির্মাণাধীন সড়কে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন উভয়পক্ষের লোকজন।
নৌবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা করেন। এ সময় সংঘর্ষে অংশ নেওয়া একপক্ষ নৌবাহিনীর গাড়িতে হামলার চেষ্টা করে। সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে ৯ থেকে ১০ জনকে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চেয়ে গতকাল রাত ৯টার দিকে লালমোহন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন জামায়াত–সমর্থিত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বাংলাদেশ উন্নয়ন পার্টির (বিডিপি) মহাসচিব মুহা. নিজামুল হক। সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের আমির আবদুল হক, সেক্রেটারি জেনারেল মো. রুহুল আমিনসহ দলের স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে মুহা. নিজামুল হক বলেন, রমাগঞ্জ ইউনিয়নের রায়চাঁদবাজার এলাকায় জামায়াতের নারী কর্মীদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে বেলা ১১টার দিকে এক নারী নেত্রী বাড়ি ফেরার সময় কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে বিএনপি কর্মী রুবেল তাঁকে লাঞ্ছিত করেন এবং অশালীন ভাষায় গালাগালি করেন। ওই নারীর স্বামী মো. জসিম উদ্দিন রায়চাঁদ বাজারের ব্যবসায়ী ও জামায়াতের কর্মী। বিষয়টি স্বামীকে জানালে তিনি মুঠোফোনে রুবেলের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তাঁকেও গালাগালি, পরে এলে মারধর করা হয়। বিকেলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা করে ফিরে যান। পরে আবার ঝামেলা হলে এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
নিজামুল হক অভিযোগ করেন, তিনি স্থানীয় ৩০ থেকে ৪০ জন নেতা-কর্মী নিয়ে বাজারে জামায়াতের কার্যালয়ে যাওয়ার সময় পেছন থেকে বিএনপির দুই শতাধিক কর্মী তাদের ওপর হামলা করেন। এতে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও নৌবাহিনীকে খবর দেওয়া হলে নৌবাহিনী এসে লাঠিপেটা করে পরিস্থিতি শান্ত করে। তিনি দাবি করেন, সংঘর্ষে জামায়াতের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল বলেন, জামায়াত নেতারা ‘জামায়াতকে ভোট দিলে বেহেশত পাওয়া যাবে’—এমন বক্তব্য দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছিলেন। এ নিয়ে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। তিনি উত্তেজনা প্রশমিত করতে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা করে ফিরে আসেন। পরে আবার সংঘর্ষে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি জসিম উদ্দিন ও স্থানীয় মুরব্বি নান্নু মাস্টারসহ ১৫-১৬ জন বিএনপির নেতা-কর্মী আহত হন। এখানে তাঁর উপস্থিতিতে কিছুই হয়নি, তিনি কোনো নির্দেশও দেননি। জামায়াত বলে বেড়াচ্ছে যে তাঁর নেতৃত্বে হামলা হয়েছে, এটি মিথ্যা। এ বিষয়ে তাঁরা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও থানায় লিখিত অভিযোগ দেবেন।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, রায়চাঁদবাজারে জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির লোকজনের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ হয়েছে। সকালের দিকে জামায়াতের নারী কর্মীদের যে দাওয়াতি কাজ হয়েছে, সেটা নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়, সেটা পরে রাতে প্রশমিত হয়। তিনি বলেন, ‘আমরা শুনেছি, জামায়াতে ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যাবে—এ নিয়ে কথা-কাটাকাটি, তবে এর সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি। এ বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি ও জামায়াত রায়চাঁদবাজারে লোক জমায়েত করেছে। বাজারের ভেতর রাস্তা সংস্কারের জন্য ইট তুলে রেখেছে। দুই পক্ষ দুই পক্ষের দিকে সেই ইট ছুড়ে মারে। এতে আহত ৯ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। কেউ এখনো অভিযোগ দেয়নি, তবে অভিযোগ দেবে। ঘটনাস্থল থেকে কেউ আটক হয়নি।’
ভোলার লালমোহন উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের রায়চাঁদবাজারে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার রাত আটটার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিদের লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ভোলা জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ‘জামায়াতকে ভোট দিলে বেহেশত পাওয়া যাবে’—এ কথাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। গতকাল সন্ধ্যার পর প্রায় এক ঘণ্টা রায়চাঁদবাজারসংলগ্ন নির্মাণাধীন সড়কে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন উভয়পক্ষের লোকজন।
নৌবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা করেন। এ সময় সংঘর্ষে অংশ নেওয়া একপক্ষ নৌবাহিনীর গাড়িতে হামলার চেষ্টা করে। সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে ৯ থেকে ১০ জনকে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চেয়ে গতকাল রাত ৯টার দিকে লালমোহন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন জামায়াত–সমর্থিত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বাংলাদেশ উন্নয়ন পার্টির (বিডিপি) মহাসচিব মুহা. নিজামুল হক। সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের আমির আবদুল হক, সেক্রেটারি জেনারেল মো. রুহুল আমিনসহ দলের স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে মুহা. নিজামুল হক বলেন, রমাগঞ্জ ইউনিয়নের রায়চাঁদবাজার এলাকায় জামায়াতের নারী কর্মীদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে বেলা ১১টার দিকে এক নারী নেত্রী বাড়ি ফেরার সময় কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে বিএনপি কর্মী রুবেল তাঁকে লাঞ্ছিত করেন এবং অশালীন ভাষায় গালাগালি করেন। ওই নারীর স্বামী মো. জসিম উদ্দিন রায়চাঁদ বাজারের ব্যবসায়ী ও জামায়াতের কর্মী। বিষয়টি স্বামীকে জানালে তিনি মুঠোফোনে রুবেলের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তাঁকেও গালাগালি, পরে এলে মারধর করা হয়। বিকেলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা করে ফিরে যান। পরে আবার ঝামেলা হলে এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
নিজামুল হক অভিযোগ করেন, তিনি স্থানীয় ৩০ থেকে ৪০ জন নেতা-কর্মী নিয়ে বাজারে জামায়াতের কার্যালয়ে যাওয়ার সময় পেছন থেকে বিএনপির দুই শতাধিক কর্মী তাদের ওপর হামলা করেন। এতে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও নৌবাহিনীকে খবর দেওয়া হলে নৌবাহিনী এসে লাঠিপেটা করে পরিস্থিতি শান্ত করে। তিনি দাবি করেন, সংঘর্ষে জামায়াতের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল বলেন, জামায়াত নেতারা ‘জামায়াতকে ভোট দিলে বেহেশত পাওয়া যাবে’—এমন বক্তব্য দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছিলেন। এ নিয়ে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। তিনি উত্তেজনা প্রশমিত করতে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা করে ফিরে আসেন। পরে আবার সংঘর্ষে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি জসিম উদ্দিন ও স্থানীয় মুরব্বি নান্নু মাস্টারসহ ১৫-১৬ জন বিএনপির নেতা-কর্মী আহত হন। এখানে তাঁর উপস্থিতিতে কিছুই হয়নি, তিনি কোনো নির্দেশও দেননি। জামায়াত বলে বেড়াচ্ছে যে তাঁর নেতৃত্বে হামলা হয়েছে, এটি মিথ্যা। এ বিষয়ে তাঁরা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও থানায় লিখিত অভিযোগ দেবেন।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, রায়চাঁদবাজারে জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির লোকজনের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ হয়েছে। সকালের দিকে জামায়াতের নারী কর্মীদের যে দাওয়াতি কাজ হয়েছে, সেটা নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়, সেটা পরে রাতে প্রশমিত হয়। তিনি বলেন, ‘আমরা শুনেছি, জামায়াতে ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যাবে—এ নিয়ে কথা-কাটাকাটি, তবে এর সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি। এ বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি ও জামায়াত রায়চাঁদবাজারে লোক জমায়েত করেছে। বাজারের ভেতর রাস্তা সংস্কারের জন্য ইট তুলে রেখেছে। দুই পক্ষ দুই পক্ষের দিকে সেই ইট ছুড়ে মারে। এতে আহত ৯ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। কেউ এখনো অভিযোগ দেয়নি, তবে অভিযোগ দেবে। ঘটনাস্থল থেকে কেউ আটক হয়নি।’

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪০
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় কালবৈশাখীর তীব্র ঝড়ে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আকস্মিক ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টিতে বিদ্যালয়টির টিনের ছাউনি উড়ে যায়। ফলে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দুর্গম চর জহিরউদ্দিন এলাকায় অবস্থিত ৬৩ নম্বর মরিয়ম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি বিকেলে কালবৈশাখীর ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়। ঝড়ের তীব্রতায় বিদ্যালয় ভবনের পুরো চাল উপড়ে গিয়ে দূরে ছিটকে পড়ে। এতে বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদান অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম জানান, হঠাৎ আকাশ কালো হয়ে ঝড় শুরু হলে আমরা দ্রুত শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে দিই। সৌভাগ্যবশত, ঝড়ের সময় কোনো শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে না থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে। তবে বিদ্যালয়ের ভেতরের আসবাবপত্র ব্যাপকভাবে নষ্ট হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত বিদ্যালয়টি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রিয়াজ আলম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়ের ছবি সংযুক্ত করে জরুরি বরাদ্দের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত বিদ্যালয়টি মেরামত করে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে।
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় কালবৈশাখীর তীব্র ঝড়ে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আকস্মিক ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টিতে বিদ্যালয়টির টিনের ছাউনি উড়ে যায়। ফলে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দুর্গম চর জহিরউদ্দিন এলাকায় অবস্থিত ৬৩ নম্বর মরিয়ম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি বিকেলে কালবৈশাখীর ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়। ঝড়ের তীব্রতায় বিদ্যালয় ভবনের পুরো চাল উপড়ে গিয়ে দূরে ছিটকে পড়ে। এতে বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদান অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম জানান, হঠাৎ আকাশ কালো হয়ে ঝড় শুরু হলে আমরা দ্রুত শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে দিই। সৌভাগ্যবশত, ঝড়ের সময় কোনো শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে না থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে। তবে বিদ্যালয়ের ভেতরের আসবাবপত্র ব্যাপকভাবে নষ্ট হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত বিদ্যালয়টি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রিয়াজ আলম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়ের ছবি সংযুক্ত করে জরুরি বরাদ্দের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত বিদ্যালয়টি মেরামত করে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০২
টেলিগ্রামভিত্তিক পর্নোগ্রাফি কনটেন্ট বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত একটি সাইবার অপরাধ চক্রের পাঁচ সদস্যকে ভোলা জেলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮, বরিশাল।
র্যাব জানায়, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া মেয়েদের ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করে আসছিল একটি সংঘবদ্ধ চক্র। তারা মূলত টেলিগ্রাম প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রাইভেট চ্যানেলের মাধ্যমে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও সরবরাহ করত।
র্যাব-৮ সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে টেলিগ্রাম অ্যাপের অপব্যবহার, সাইবার ব্ল্যাকমেইল এবং গোপন ছবি-ভিডিও ফাঁসের ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করে র্যাব।
অনুসন্ধানে জানা যায়, চক্রটি ফেসবুক ও ব্যক্তিগত ডিভাইস হ্যাকিং, ব্রেকআপের পর প্রাক্তন প্রেমিকদের কাছ থেকে ছবি-ভিডিও সংগ্রহ এবং ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে গোপন ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে তা অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করত।
র্যাব জানায়, অভিযুক্তদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে প্রায় দেড় লাখ নগ্ন ও স্পর্শকাতর ছবি-ভিডিও এবং প্রায় ৩৫০টি গ্রুপ ও চ্যানেলের সন্ধান পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় গত ২৬ এপ্রিল রাতে র্যাব-৮-এর একটি আভিযানিক দল ভোলা ও বরিশাল জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মেরাজুর রহমান আরমান (২১), বিল্লাল হোসেন অন্তর (২১), রবি আলম মমিন (২১), আল আমিন ইসলাম মাহি (১৯) এবং মো. হাসিব (২৩)।
এ সময় তাদের কাছ থেকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত ১২টি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়।
র্যাব-৮-এর কোম্পানি অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান বলেন, আইনের শাসন সমুন্নত রাখা, মানবাধিকার রক্ষা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপরাধ দমনে আরও কঠোরভাবে অভিযান পরিচালনা করবে।
বরিশাল টাইমস
টেলিগ্রামভিত্তিক পর্নোগ্রাফি কনটেন্ট বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত একটি সাইবার অপরাধ চক্রের পাঁচ সদস্যকে ভোলা জেলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮, বরিশাল।
র্যাব জানায়, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া মেয়েদের ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করে আসছিল একটি সংঘবদ্ধ চক্র। তারা মূলত টেলিগ্রাম প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রাইভেট চ্যানেলের মাধ্যমে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও সরবরাহ করত।
র্যাব-৮ সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে টেলিগ্রাম অ্যাপের অপব্যবহার, সাইবার ব্ল্যাকমেইল এবং গোপন ছবি-ভিডিও ফাঁসের ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করে র্যাব।
অনুসন্ধানে জানা যায়, চক্রটি ফেসবুক ও ব্যক্তিগত ডিভাইস হ্যাকিং, ব্রেকআপের পর প্রাক্তন প্রেমিকদের কাছ থেকে ছবি-ভিডিও সংগ্রহ এবং ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে গোপন ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে তা অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করত।
র্যাব জানায়, অভিযুক্তদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে প্রায় দেড় লাখ নগ্ন ও স্পর্শকাতর ছবি-ভিডিও এবং প্রায় ৩৫০টি গ্রুপ ও চ্যানেলের সন্ধান পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় গত ২৬ এপ্রিল রাতে র্যাব-৮-এর একটি আভিযানিক দল ভোলা ও বরিশাল জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মেরাজুর রহমান আরমান (২১), বিল্লাল হোসেন অন্তর (২১), রবি আলম মমিন (২১), আল আমিন ইসলাম মাহি (১৯) এবং মো. হাসিব (২৩)।
এ সময় তাদের কাছ থেকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত ১২টি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়।
র্যাব-৮-এর কোম্পানি অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান বলেন, আইনের শাসন সমুন্নত রাখা, মানবাধিকার রক্ষা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপরাধ দমনে আরও কঠোরভাবে অভিযান পরিচালনা করবে।
বরিশাল টাইমস

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১২
ভোলার মনপুরা উপজেলায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয়রা। এ সময় ওয়েস্টার্ন সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অফিস ঘেরাও করে কর্মচারীদের অবরুদ্ধ করার ঘটনাও ঘটে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত ওয়েস্টার্ন সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা আজাদ খলিফা, জসিম মিজি ও মো. ফরহাদ অভিযোগ করেন, ওয়েস্টার্ন রিনিউএবল এনার্জি পরিচালিত সোলার মিনি গ্রিড কোম্পানি নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যর্থ হচ্ছে।
তাদের দাবি, দিনে মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ দেওয়া হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তারা আরও অভিযোগ করেন, সরেজমিনে ডিজেল মজুদ থাকার পরও কর্তৃপক্ষ “ডিজেল সংকট” দেখিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখছে, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের লাইনম্যান এনায়েত হোসেন বলেন, দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের কারণে নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি বিক্ষোভকারীদের দাবিকে যৌক্তিক বলে উল্লেখ করে জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
ভোলার মনপুরা উপজেলায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয়রা। এ সময় ওয়েস্টার্ন সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অফিস ঘেরাও করে কর্মচারীদের অবরুদ্ধ করার ঘটনাও ঘটে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত ওয়েস্টার্ন সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা আজাদ খলিফা, জসিম মিজি ও মো. ফরহাদ অভিযোগ করেন, ওয়েস্টার্ন রিনিউএবল এনার্জি পরিচালিত সোলার মিনি গ্রিড কোম্পানি নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যর্থ হচ্ছে।
তাদের দাবি, দিনে মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ দেওয়া হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তারা আরও অভিযোগ করেন, সরেজমিনে ডিজেল মজুদ থাকার পরও কর্তৃপক্ষ “ডিজেল সংকট” দেখিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখছে, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের লাইনম্যান এনায়েত হোসেন বলেন, দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের কারণে নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি বিক্ষোভকারীদের দাবিকে যৌক্তিক বলে উল্লেখ করে জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.