
১০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৪
ভোলার লালমোহন উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের রায়চাঁদবাজারে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার রাত আটটার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিদের লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ভোলা জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ‘জামায়াতকে ভোট দিলে বেহেশত পাওয়া যাবে’—এ কথাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। গতকাল সন্ধ্যার পর প্রায় এক ঘণ্টা রায়চাঁদবাজারসংলগ্ন নির্মাণাধীন সড়কে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন উভয়পক্ষের লোকজন।
নৌবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা করেন। এ সময় সংঘর্ষে অংশ নেওয়া একপক্ষ নৌবাহিনীর গাড়িতে হামলার চেষ্টা করে। সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে ৯ থেকে ১০ জনকে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চেয়ে গতকাল রাত ৯টার দিকে লালমোহন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন জামায়াত–সমর্থিত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বাংলাদেশ উন্নয়ন পার্টির (বিডিপি) মহাসচিব মুহা. নিজামুল হক। সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের আমির আবদুল হক, সেক্রেটারি জেনারেল মো. রুহুল আমিনসহ দলের স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে মুহা. নিজামুল হক বলেন, রমাগঞ্জ ইউনিয়নের রায়চাঁদবাজার এলাকায় জামায়াতের নারী কর্মীদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে বেলা ১১টার দিকে এক নারী নেত্রী বাড়ি ফেরার সময় কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে বিএনপি কর্মী রুবেল তাঁকে লাঞ্ছিত করেন এবং অশালীন ভাষায় গালাগালি করেন। ওই নারীর স্বামী মো. জসিম উদ্দিন রায়চাঁদ বাজারের ব্যবসায়ী ও জামায়াতের কর্মী। বিষয়টি স্বামীকে জানালে তিনি মুঠোফোনে রুবেলের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তাঁকেও গালাগালি, পরে এলে মারধর করা হয়। বিকেলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা করে ফিরে যান। পরে আবার ঝামেলা হলে এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
নিজামুল হক অভিযোগ করেন, তিনি স্থানীয় ৩০ থেকে ৪০ জন নেতা-কর্মী নিয়ে বাজারে জামায়াতের কার্যালয়ে যাওয়ার সময় পেছন থেকে বিএনপির দুই শতাধিক কর্মী তাদের ওপর হামলা করেন। এতে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও নৌবাহিনীকে খবর দেওয়া হলে নৌবাহিনী এসে লাঠিপেটা করে পরিস্থিতি শান্ত করে। তিনি দাবি করেন, সংঘর্ষে জামায়াতের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল বলেন, জামায়াত নেতারা ‘জামায়াতকে ভোট দিলে বেহেশত পাওয়া যাবে’—এমন বক্তব্য দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছিলেন। এ নিয়ে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। তিনি উত্তেজনা প্রশমিত করতে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা করে ফিরে আসেন। পরে আবার সংঘর্ষে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি জসিম উদ্দিন ও স্থানীয় মুরব্বি নান্নু মাস্টারসহ ১৫-১৬ জন বিএনপির নেতা-কর্মী আহত হন। এখানে তাঁর উপস্থিতিতে কিছুই হয়নি, তিনি কোনো নির্দেশও দেননি। জামায়াত বলে বেড়াচ্ছে যে তাঁর নেতৃত্বে হামলা হয়েছে, এটি মিথ্যা। এ বিষয়ে তাঁরা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও থানায় লিখিত অভিযোগ দেবেন।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, রায়চাঁদবাজারে জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির লোকজনের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ হয়েছে। সকালের দিকে জামায়াতের নারী কর্মীদের যে দাওয়াতি কাজ হয়েছে, সেটা নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়, সেটা পরে রাতে প্রশমিত হয়। তিনি বলেন, ‘আমরা শুনেছি, জামায়াতে ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যাবে—এ নিয়ে কথা-কাটাকাটি, তবে এর সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি। এ বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি ও জামায়াত রায়চাঁদবাজারে লোক জমায়েত করেছে। বাজারের ভেতর রাস্তা সংস্কারের জন্য ইট তুলে রেখেছে। দুই পক্ষ দুই পক্ষের দিকে সেই ইট ছুড়ে মারে। এতে আহত ৯ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। কেউ এখনো অভিযোগ দেয়নি, তবে অভিযোগ দেবে। ঘটনাস্থল থেকে কেউ আটক হয়নি।’
ভোলার লালমোহন উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের রায়চাঁদবাজারে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার রাত আটটার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিদের লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ভোলা জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ‘জামায়াতকে ভোট দিলে বেহেশত পাওয়া যাবে’—এ কথাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। গতকাল সন্ধ্যার পর প্রায় এক ঘণ্টা রায়চাঁদবাজারসংলগ্ন নির্মাণাধীন সড়কে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন উভয়পক্ষের লোকজন।
নৌবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা করেন। এ সময় সংঘর্ষে অংশ নেওয়া একপক্ষ নৌবাহিনীর গাড়িতে হামলার চেষ্টা করে। সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে ৯ থেকে ১০ জনকে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চেয়ে গতকাল রাত ৯টার দিকে লালমোহন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন জামায়াত–সমর্থিত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বাংলাদেশ উন্নয়ন পার্টির (বিডিপি) মহাসচিব মুহা. নিজামুল হক। সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের আমির আবদুল হক, সেক্রেটারি জেনারেল মো. রুহুল আমিনসহ দলের স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে মুহা. নিজামুল হক বলেন, রমাগঞ্জ ইউনিয়নের রায়চাঁদবাজার এলাকায় জামায়াতের নারী কর্মীদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে বেলা ১১টার দিকে এক নারী নেত্রী বাড়ি ফেরার সময় কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে বিএনপি কর্মী রুবেল তাঁকে লাঞ্ছিত করেন এবং অশালীন ভাষায় গালাগালি করেন। ওই নারীর স্বামী মো. জসিম উদ্দিন রায়চাঁদ বাজারের ব্যবসায়ী ও জামায়াতের কর্মী। বিষয়টি স্বামীকে জানালে তিনি মুঠোফোনে রুবেলের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তাঁকেও গালাগালি, পরে এলে মারধর করা হয়। বিকেলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা করে ফিরে যান। পরে আবার ঝামেলা হলে এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
নিজামুল হক অভিযোগ করেন, তিনি স্থানীয় ৩০ থেকে ৪০ জন নেতা-কর্মী নিয়ে বাজারে জামায়াতের কার্যালয়ে যাওয়ার সময় পেছন থেকে বিএনপির দুই শতাধিক কর্মী তাদের ওপর হামলা করেন। এতে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও নৌবাহিনীকে খবর দেওয়া হলে নৌবাহিনী এসে লাঠিপেটা করে পরিস্থিতি শান্ত করে। তিনি দাবি করেন, সংঘর্ষে জামায়াতের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল বলেন, জামায়াত নেতারা ‘জামায়াতকে ভোট দিলে বেহেশত পাওয়া যাবে’—এমন বক্তব্য দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছিলেন। এ নিয়ে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। তিনি উত্তেজনা প্রশমিত করতে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা করে ফিরে আসেন। পরে আবার সংঘর্ষে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি জসিম উদ্দিন ও স্থানীয় মুরব্বি নান্নু মাস্টারসহ ১৫-১৬ জন বিএনপির নেতা-কর্মী আহত হন। এখানে তাঁর উপস্থিতিতে কিছুই হয়নি, তিনি কোনো নির্দেশও দেননি। জামায়াত বলে বেড়াচ্ছে যে তাঁর নেতৃত্বে হামলা হয়েছে, এটি মিথ্যা। এ বিষয়ে তাঁরা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও থানায় লিখিত অভিযোগ দেবেন।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, রায়চাঁদবাজারে জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির লোকজনের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ হয়েছে। সকালের দিকে জামায়াতের নারী কর্মীদের যে দাওয়াতি কাজ হয়েছে, সেটা নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়, সেটা পরে রাতে প্রশমিত হয়। তিনি বলেন, ‘আমরা শুনেছি, জামায়াতে ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যাবে—এ নিয়ে কথা-কাটাকাটি, তবে এর সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি। এ বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি ও জামায়াত রায়চাঁদবাজারে লোক জমায়েত করেছে। বাজারের ভেতর রাস্তা সংস্কারের জন্য ইট তুলে রেখেছে। দুই পক্ষ দুই পক্ষের দিকে সেই ইট ছুড়ে মারে। এতে আহত ৯ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। কেউ এখনো অভিযোগ দেয়নি, তবে অভিযোগ দেবে। ঘটনাস্থল থেকে কেউ আটক হয়নি।’

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৭
ভোলার মনপুরা উপজেলায় ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করা হয়। বুধবার (০৮ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ ভবন গ্রাউন্ডে এ বিজ্ঞান মেলা অনুৃষ্ঠিত হয়।
উক্ত মেলার উদ্বোধনের পর মেলায় অংশগ্রহনকারি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্টল ঘুরে দেখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু মুছা।
মেলায় উপজেলার ৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ২টি কলেজ অংশ নেয়।
অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবিত বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক ডিভাইস ও গবেষণামূলক প্রজেক্ট প্রদর্শন করেন। শিক্ষার্থীদের তৈরী প্রজেক্টগুলো দর্শনার্থীদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করে।
মেলায় আগত দর্শনার্থীরা জানান, মেলায় শিক্ষার্থীদের উপস্থাপিত বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর ডিভাইস ও প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু মুছা বলেন,“একটি দেশকে এগিয়ে নিতে হলে তথ্যপ্রযুক্তিকে গুরুত্ব দিতে হবে। ছোটবেলা থেকেই স্কুল-কলেজে বিজ্ঞানমনস্কতা গড়ে তুলতে পারলে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে দেশের বিভিন্ন সমস্যার সহজ সমাধান দিতে পারবে।”
ভোলার মনপুরা উপজেলায় ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করা হয়। বুধবার (০৮ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ ভবন গ্রাউন্ডে এ বিজ্ঞান মেলা অনুৃষ্ঠিত হয়।
উক্ত মেলার উদ্বোধনের পর মেলায় অংশগ্রহনকারি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্টল ঘুরে দেখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু মুছা।
মেলায় উপজেলার ৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ২টি কলেজ অংশ নেয়।
অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবিত বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক ডিভাইস ও গবেষণামূলক প্রজেক্ট প্রদর্শন করেন। শিক্ষার্থীদের তৈরী প্রজেক্টগুলো দর্শনার্থীদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করে।
মেলায় আগত দর্শনার্থীরা জানান, মেলায় শিক্ষার্থীদের উপস্থাপিত বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর ডিভাইস ও প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু মুছা বলেন,“একটি দেশকে এগিয়ে নিতে হলে তথ্যপ্রযুক্তিকে গুরুত্ব দিতে হবে। ছোটবেলা থেকেই স্কুল-কলেজে বিজ্ঞানমনস্কতা গড়ে তুলতে পারলে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে দেশের বিভিন্ন সমস্যার সহজ সমাধান দিতে পারবে।”

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৩৮
ভোলার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালের তৃতীয় তলার একটি নির্জন স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আরিফ নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। আটক ব্যক্তি বেসরকারি ক্লিনিকের প্রতিনিধি (দালাল) হিসেবে কাজ করেন বলে জানা গেছে।
হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই নারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি ওষুধ দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাকে কৌশলে হাসপাতালের তৃতীয় তলার একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।
এ সময় ভুক্তভোগী নারীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ও অন্যান্য রোগীর স্বজনরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং অভিযুক্ত আরিফকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
সরকারি হাসপাতালের ভেতর এমন সুরক্ষিত স্থানে এ ধরনের ঘটনায় সাধারণ মানুষ ও কর্মরতদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. তৈয়বুর রহমান বলেন, ‘হাসপাতালে এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।’
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
ভোলার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালের তৃতীয় তলার একটি নির্জন স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আরিফ নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। আটক ব্যক্তি বেসরকারি ক্লিনিকের প্রতিনিধি (দালাল) হিসেবে কাজ করেন বলে জানা গেছে।
হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই নারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি ওষুধ দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাকে কৌশলে হাসপাতালের তৃতীয় তলার একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।
এ সময় ভুক্তভোগী নারীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ও অন্যান্য রোগীর স্বজনরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং অভিযুক্ত আরিফকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
সরকারি হাসপাতালের ভেতর এমন সুরক্ষিত স্থানে এ ধরনের ঘটনায় সাধারণ মানুষ ও কর্মরতদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. তৈয়বুর রহমান বলেন, ‘হাসপাতালে এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।’
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২২
গ্রেপ্তার জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের কর্মী বিবি সাওদার জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তার জামিন আদেশ প্রদান করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, বোন সাওদা সুমি মুক্ত।
’গত ৫ এপ্রিল দিবাগত রাত ১১টায় ভোলা পৌরসভার নিজ বাসভবন থেকে বিবি সাওদাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার সকালে ভোলা আদালতে তাকে তোলা হয়।
এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে ফেসবুক পোস্টে তার মুক্তি দাবি করেছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।
গ্রেপ্তার জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের কর্মী বিবি সাওদার জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তার জামিন আদেশ প্রদান করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, বোন সাওদা সুমি মুক্ত।
’গত ৫ এপ্রিল দিবাগত রাত ১১টায় ভোলা পৌরসভার নিজ বাসভবন থেকে বিবি সাওদাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার সকালে ভোলা আদালতে তাকে তোলা হয়।
এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে ফেসবুক পোস্টে তার মুক্তি দাবি করেছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.