প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদের আবেদন প্রক্রিয়া আজ শনিবার (৮ নভেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে। গত বুধবার সহকারী শিক্ষকের ১০ হাজার ২১৯টি শূণ্যপদে নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। রংপুর, বরিশাল, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগের সব জেলার সব উপজেলা/শিক্ষা থানার স্থায়ী নাগরিকেরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে আবেদন করতে পারবেন। অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন আগ্রহী প্রার্থীরা।
পদসংখ্যা: ১০,২১৯টি
আবেদনে শিক্ষাগত যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ (৪ স্কেলে ন্যূনতম ২.২৫ ও ৫ স্কেলে ন্যূনতম ২.৮) স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি। শিক্ষাজীবনে কোনো স্তরে তৃতীয় বিভাগ অথবা সমমানের জিপিএ অথবা তৃতীয় শ্রেণি অথবা সমমানের সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য হবে না।
বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা
গ্রেড: ১৩
বয়সসীমা: ৩০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে আবেদনকারী প্রার্থীর বয়স সর্বনিম্ন ২১ বছর; সর্বোচ্চ ৩২ বছর।
১. আগ্রহী প্রার্থীগণকে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।
২. বিবাহিত মহিলা প্রার্থীগণ আবেদনে তাঁদের স্বামী অথবা পিতার স্থায়ী ঠিকানার যেকোনো একটিতে আবেদন করতে পারবেন।
৩. উপজেলা/শিক্ষা থানাভিত্তিক নিয়োগ করা হবে। প্রার্থী যে উপজেলা/শিক্ষা থানার বাসিন্দা তিনি সে উপজেলা/শিক্ষা থানার শূন্য পদে নিয়োগের জন্য বিবেচিত হবে।
৪. প্রার্থীকে নিজ উপজেলা/শিক্ষা থানায় চাকরি করতে হবে। তার বদলি নিজ উপজেলা/শিক্ষা থানার বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সীমিত থাকবে।
৫. ধূমপানসহ যেকোনো ধরনের মাদক গ্রহণের অভ্যাস থাকলে আবেদন করার প্রয়োজন নেই।
৬. প্রার্থীর সনদপত্র ও ছবি সত্যায়নকারী কর্মকর্তার (৯ম বা তদূর্ধ্ব গ্রেডের গেজেটেড কর্মকর্তা) স্বাক্ষরের নিচে নামসহ সিল থাকতে হবে।
ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণের নির্দেশনা পাওয়া যাবে। নির্দেশনা অনুসরণ করে অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করে সাবমিট করতে হবে।
আবেদন করতে যা যা অবশ্যই লাগবে–
প্রাথীর এসএসসি/সমমান, এইচএসসি/সমমান, উচ্চ ডিগ্রী সম্পর্কিত তথ্য।
প্রার্থীর ছবি সাইজ (৩০০ x ৩০০ পিক্সেল) এবং স্বাক্ষর সাইজ (৩০০ x ৮০ পিক্সেল)।
প্রার্থীর ছবি রঙ্গিন (কালার ফটো) আবশ্যক।
আবেদন ফরম পূরণ—
যোগ্য প্রার্থীরা http://dpe.teletalk.com.bd ওয়েব পোর্টালে প্রবেশ করে Application Form লিঙ্কে-এ Assistant Teacher Post সিলেক্ট করে Next বাটনে ক্লিক করে ভেরিফিকেশন পেজে দৃশ্যমান নির্দেশনা অনুযায়ী তথ্য দেবেন। প্রার্থীর প্রযোজ্য তথ্য দিয়ে সাবমিট বাটনে ক্লিক করলে যোগ্য প্রার্থীরা আবেদন করার জন্য Application Form পাবেন।
প্রার্থীর বাছাই কার্যক্রম উপজেলা ভিত্তিক হবে। স্থায়ী ঠিকানায় উল্লিখিত উপজেলা অনুযায়ী মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। Application Form পূরণে স্থায়ী ঠিকানার জেলা ও উপজেলা/থানা সর্তকতার সাথে নির্বাচন করতে হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়ার পরবর্তী পর্যায়ে স্থায়ী ঠিকানার স্বপক্ষে গ্রহণযোগ্য প্রমাণ দাখিল করতে হবে। বিবাহিত নারী প্রাথী নিজের অথবা স্বামীর স্থায়ী ঠিকানায় আবেদন করতে পারবেন।
Application Form-এ প্রার্থীর কিছু তথ্য আগে থেকেই পূরণকৃত থাকবে যা পরিবর্তন যোগ্য না। এছাড়া অন্য তথ্য প্রার্থী নিজেই পূরণ করবেন। প্রার্থীর বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ অন্য তথ্য থাকলে Application Form সাবমিট করে প্রিভিউ দেখতে পারবেন। প্রার্থীর প্রদত্ত তথ্য প্রিভিউ পেজে ভুল অথবা অপর্যাপ্ত পরিলক্ষিত হলে সঠিক তথ্য দিয়ে পুনরায় নতুন আরেকটি Application Form পূরণ করবেন। পূরণকৃত Application Form সাবমিট করে প্রার্থী তা ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করতে পারবেন। প্রার্থীর ডাউনলোডকৃত Applicant's Copy-তে একটি ইউজার আইডি সরবরাহ করা হবে এবং আবেদনের জন্য ফি জমা প্রদানের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা থাকবে।
আবেদন ফি জমা দেয়ার পর প্রার্থীর আবেদনপত্র চূড়ান্তভাবে গৃহীত হবে।
পরীক্ষার তারিখ, আসন বিন্যাস ও প্রবেশপত্র ডাউনলোড বিষয়ে যথাসময়ে Application Form-এ আপনার প্রদত্ত মোবাইল নাম্বারে এসএমএস এবং www.dpe.gov.bd অথবা http://dpe.teletalk.com.bd ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে জানানো হবে।
আবেদন ফি: আবেদন ফি ১০০ টাকা ও টেলিটকের সার্ভিস চার্জ ১২ টাকাসহ মোট ১১২ টাকা।
Applicant's Copy -তে উল্লেখিত ইউজার আইডি ব্যবহার করে টেলিটকের প্রি-পেইড মোবাইল দিয়ে এসএমএস–এর মাধ্যমে ফি প্রদান করতে হবে।
ফি জমা দিতে টেলিটকের প্রি-পেইড নাম্বার থেকে এসএমএস করুন।
1st SMS: DPER<space>user ID & send to 16222
2nd SMS: DPER<space>Yes<space>PIN & send to 16222
ফি প্রদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে প্রার্থীর Application Form-এ প্রদত্ত মোবাইল নম্বরে একটি কনফার্মেশন এসএমএস পাবে।
কনফার্মেশন এসএমএসে প্রাপ্ত ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রার্থী পুনরায় Applicant's Copy ডাউনলোড করতে পারবেন।
হেল্প ট্যাব—
প্রার্থী আবেদন সংক্রান্ত যেকোন তথ্য বা ফরম পূরণে সহায়তা প্রয়োজন হলে এর হেল্প ট্যাব–এ ক্লিক করে আপনার নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার-এ যোগাযোগ করবেন। এছাড়া হেল্প ট্যাব-এ উল্লিখিত অন্যান্য হেল্প অপশন ব্যবহার করতে পারবেন।
২১ নভেম্বর ২০২৫ (রাত ১১:৫৯টা)

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৫
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’

০৮ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:৫০
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদের আবেদন প্রক্রিয়া আজ শনিবার (৮ নভেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে। গত বুধবার সহকারী শিক্ষকের ১০ হাজার ২১৯টি শূণ্যপদে নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। রংপুর, বরিশাল, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগের সব জেলার সব উপজেলা/শিক্ষা থানার স্থায়ী নাগরিকেরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে আবেদন করতে পারবেন। অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন আগ্রহী প্রার্থীরা।
পদসংখ্যা: ১০,২১৯টি
আবেদনে শিক্ষাগত যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ (৪ স্কেলে ন্যূনতম ২.২৫ ও ৫ স্কেলে ন্যূনতম ২.৮) স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি। শিক্ষাজীবনে কোনো স্তরে তৃতীয় বিভাগ অথবা সমমানের জিপিএ অথবা তৃতীয় শ্রেণি অথবা সমমানের সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য হবে না।
বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা
গ্রেড: ১৩
বয়সসীমা: ৩০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে আবেদনকারী প্রার্থীর বয়স সর্বনিম্ন ২১ বছর; সর্বোচ্চ ৩২ বছর।
১. আগ্রহী প্রার্থীগণকে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।
২. বিবাহিত মহিলা প্রার্থীগণ আবেদনে তাঁদের স্বামী অথবা পিতার স্থায়ী ঠিকানার যেকোনো একটিতে আবেদন করতে পারবেন।
৩. উপজেলা/শিক্ষা থানাভিত্তিক নিয়োগ করা হবে। প্রার্থী যে উপজেলা/শিক্ষা থানার বাসিন্দা তিনি সে উপজেলা/শিক্ষা থানার শূন্য পদে নিয়োগের জন্য বিবেচিত হবে।
৪. প্রার্থীকে নিজ উপজেলা/শিক্ষা থানায় চাকরি করতে হবে। তার বদলি নিজ উপজেলা/শিক্ষা থানার বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সীমিত থাকবে।
৫. ধূমপানসহ যেকোনো ধরনের মাদক গ্রহণের অভ্যাস থাকলে আবেদন করার প্রয়োজন নেই।
৬. প্রার্থীর সনদপত্র ও ছবি সত্যায়নকারী কর্মকর্তার (৯ম বা তদূর্ধ্ব গ্রেডের গেজেটেড কর্মকর্তা) স্বাক্ষরের নিচে নামসহ সিল থাকতে হবে।
ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণের নির্দেশনা পাওয়া যাবে। নির্দেশনা অনুসরণ করে অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করে সাবমিট করতে হবে।
আবেদন করতে যা যা অবশ্যই লাগবে–
প্রাথীর এসএসসি/সমমান, এইচএসসি/সমমান, উচ্চ ডিগ্রী সম্পর্কিত তথ্য।
প্রার্থীর ছবি সাইজ (৩০০ x ৩০০ পিক্সেল) এবং স্বাক্ষর সাইজ (৩০০ x ৮০ পিক্সেল)।
প্রার্থীর ছবি রঙ্গিন (কালার ফটো) আবশ্যক।
আবেদন ফরম পূরণ—
যোগ্য প্রার্থীরা http://dpe.teletalk.com.bd ওয়েব পোর্টালে প্রবেশ করে Application Form লিঙ্কে-এ Assistant Teacher Post সিলেক্ট করে Next বাটনে ক্লিক করে ভেরিফিকেশন পেজে দৃশ্যমান নির্দেশনা অনুযায়ী তথ্য দেবেন। প্রার্থীর প্রযোজ্য তথ্য দিয়ে সাবমিট বাটনে ক্লিক করলে যোগ্য প্রার্থীরা আবেদন করার জন্য Application Form পাবেন।
প্রার্থীর বাছাই কার্যক্রম উপজেলা ভিত্তিক হবে। স্থায়ী ঠিকানায় উল্লিখিত উপজেলা অনুযায়ী মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। Application Form পূরণে স্থায়ী ঠিকানার জেলা ও উপজেলা/থানা সর্তকতার সাথে নির্বাচন করতে হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়ার পরবর্তী পর্যায়ে স্থায়ী ঠিকানার স্বপক্ষে গ্রহণযোগ্য প্রমাণ দাখিল করতে হবে। বিবাহিত নারী প্রাথী নিজের অথবা স্বামীর স্থায়ী ঠিকানায় আবেদন করতে পারবেন।
Application Form-এ প্রার্থীর কিছু তথ্য আগে থেকেই পূরণকৃত থাকবে যা পরিবর্তন যোগ্য না। এছাড়া অন্য তথ্য প্রার্থী নিজেই পূরণ করবেন। প্রার্থীর বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ অন্য তথ্য থাকলে Application Form সাবমিট করে প্রিভিউ দেখতে পারবেন। প্রার্থীর প্রদত্ত তথ্য প্রিভিউ পেজে ভুল অথবা অপর্যাপ্ত পরিলক্ষিত হলে সঠিক তথ্য দিয়ে পুনরায় নতুন আরেকটি Application Form পূরণ করবেন। পূরণকৃত Application Form সাবমিট করে প্রার্থী তা ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করতে পারবেন। প্রার্থীর ডাউনলোডকৃত Applicant's Copy-তে একটি ইউজার আইডি সরবরাহ করা হবে এবং আবেদনের জন্য ফি জমা প্রদানের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা থাকবে।
আবেদন ফি জমা দেয়ার পর প্রার্থীর আবেদনপত্র চূড়ান্তভাবে গৃহীত হবে।
পরীক্ষার তারিখ, আসন বিন্যাস ও প্রবেশপত্র ডাউনলোড বিষয়ে যথাসময়ে Application Form-এ আপনার প্রদত্ত মোবাইল নাম্বারে এসএমএস এবং www.dpe.gov.bd অথবা http://dpe.teletalk.com.bd ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে জানানো হবে।
আবেদন ফি: আবেদন ফি ১০০ টাকা ও টেলিটকের সার্ভিস চার্জ ১২ টাকাসহ মোট ১১২ টাকা।
Applicant's Copy -তে উল্লেখিত ইউজার আইডি ব্যবহার করে টেলিটকের প্রি-পেইড মোবাইল দিয়ে এসএমএস–এর মাধ্যমে ফি প্রদান করতে হবে।
ফি জমা দিতে টেলিটকের প্রি-পেইড নাম্বার থেকে এসএমএস করুন।
1st SMS: DPER<space>user ID & send to 16222
2nd SMS: DPER<space>Yes<space>PIN & send to 16222
ফি প্রদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে প্রার্থীর Application Form-এ প্রদত্ত মোবাইল নম্বরে একটি কনফার্মেশন এসএমএস পাবে।
কনফার্মেশন এসএমএসে প্রাপ্ত ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রার্থী পুনরায় Applicant's Copy ডাউনলোড করতে পারবেন।
হেল্প ট্যাব—
প্রার্থী আবেদন সংক্রান্ত যেকোন তথ্য বা ফরম পূরণে সহায়তা প্রয়োজন হলে এর হেল্প ট্যাব–এ ক্লিক করে আপনার নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার-এ যোগাযোগ করবেন। এছাড়া হেল্প ট্যাব-এ উল্লিখিত অন্যান্য হেল্প অপশন ব্যবহার করতে পারবেন।
২১ নভেম্বর ২০২৫ (রাত ১১:৫৯টা)
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। তিনি বলেন, ‘অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে।’
আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের বন্দর থানা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্সে আছি। বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অতীতে সংঘটিত দুর্নীতির বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো কাজে যাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর।’
মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলায় সভা হয়েছে জানিয়ে আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভা করা হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরে প্রতিমন্ত্রী বরিশাল বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তার সরকারি উন্নয়ন কাজের তদারকিতে গাফেলতিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্ত ও বিচারের দাবিতে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে মো. মাছুম হাওলাদার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ লিখিত আভিযোগ দিয়েছেন।
এতে তিনি আভিযোগ করেন উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় উজিরপুরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থেকে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি সংক্রান্ত অপকর্মের সাথে জড়িত হয়ে পড়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারসহ বিভিন্ন কাজে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজসে সরকারের অর্থের অপচয়সহ নানা দুর্নীতি মূলক কর্মকান্ডের সাথে লিপ্ত রয়েছেন। যা তদন্ত করলেই প্রমান মিলবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সেগুন বাগিচাস্থ দুদকের প্রধান কর্য্যলয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগটি করা হয়।
অভিযোগকারী মাছুম হাওলাদার বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দাপটের সাথে চাকুরি করা সুব্রত রায় তার তদারকিতে থাকা বিভিন্ন সড়ক, ব্রিজ ও কালর্ভাট নির্মাণে ঠিকাদারদের ব্যাপক অনিয়মকে অর্থের বিনিময়ে সহয়াতা করেন ।
বর্তমান সরকারের আমলেও তিনি উজিরপুরে একই ভাবে চাকুরি করছেন। তার কারনে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে। যা দুর্নীতির শামিল। উপজেলার ধামুরা এলাকার বেশ কয়েকটি ব্রিজের পুরাতন মালপত্র নিয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তার তদারকিতে থাকা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এসব অভিযোগ সত্য নয়, ভিত্তিহীন দাবি করে উজিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুব্রত রায় বলেন, উপজেলার ধামুরা এলাকায়।নির্মিত একটি ব্রিজের সম্প্রতি সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে কিছু সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে মাছুম হাওলাদার কাজে বাধা দেন। কাগজপত্রে দেখা যায় ওটা খাস সম্পত্তি।
তারপরেও বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই অংশের কাজ আপাতত বন্ধ রাখা হয়। ব্রিজের সংযোগ সড়কের এ সম্পত্তি নিয়ে ক্ষিপ্ত মাছুম হাওলাদার তাকে হয়রাণি ও তার পেশাগত ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুদকে এ অভিযোগ দিয়েছেন।’
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:০৬
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৫৪