
২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২১:২১
খামার করে অতীতে সংকটে পড়া ভোলার বিপুলসংখ্যক প্রান্তিক পোল্ট্রি খামারি চুক্তিবদ্ধ ব্রয়লার ফার্মিংয়ে (সিবিএফ) যুক্ত হয়েছেন। এ ব্যবস্থায় খামারির আয় নিশ্চিত হয়েছে। তাদের সংসারে সচ্ছলতাও ফিরেছে। করোনা মহামারিতে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে বন্ধ হয়ে যাওয়া খামারগুলোও সিবিএফ সুবিধায় পুনরায় মুরগি উৎপাদনে ফিরেছে বলে জানিয়েছেন জেলার অধিকাংশ খামারি।
খামারিরা জানান, চুক্তিভিত্তিক খামার ব্যবস্থায় কম্পানি এক দিনের বাচ্চা, খাদ্য ও ওষুধসহ সব ধরনের উপকরণ খামারের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়। মেয়াদ শেষে মুরগিও বিক্রি করে দেয়। মুরগির বাজার কম থাকলে কম্পানির লোকসান হলেও খামারিদের কোনো লোকসান বহন করতে হয় না।
‘চুক্তিভিত্তিক খামার হাঁস-মুরগি পালনকে নতুন জীবন দিয়েছে। এটি মানুষের জন্য পুঁজি বিনিয়োগ ছাড়াই অর্থ উপার্জনের সুযোগ তৈরি করেছে,’ চরফ্যাশন উপজেলার জনতা রোডের হাঁস-মুরগির উপকরণ ব্যবসায়ী নুরুন্নবী মিয়া (৪৬) ১৪ ডিসেম্বর এ কথা বলেন।
১০ হাজার মুরগির খামার পরিচালনাকারী এই ব্যবসায়ী জানান, চুক্তিভিত্তিক খামারিরা কম্পানি থেকে বিনা মূল্যে সব উপকরণের পাশপাশি পরিকল্পিত খামার গড়তে কারিগরি পরামর্শ পান। এ ছাড়া কখনো কখনো বাজারদর ভালো না থাকায় কম্পানি কম দামে মুরগি বিক্রি করলেও তাতে খামারিদের ওপর কোনো প্রভাব পড়ে না। বরং চুক্তি অনুযায়ী লাভ পান।
যেহেতু কোনো পরিস্থিতিতেই উদ্যোক্তা ক্ষতির সম্মুখীন হন না, তাই যারা কখনো হাঁস-মুরগির খামার করার কথা ভাবেননি, তারাও সিবিএফ-এর খামারি হয়ে উঠছেন, তিনি আরো যোগ করেন।
বোরহানউদ্দিন উপজেলার বোরহানগঞ্জের মাহিয়া পোল্ট্রি ফিডসের স্বত্বাধিকারী আব্দুল মান্নান মোল্লা জানান, স্থানীয় ডিলারদের একটি অংশ উচ্চ মূল্যে উপকরণ বিক্রি করে মুরগি চাষিদের সুবিধা নিয়েছে, যার ফলে খামারিরা ঋণের জালে আটকে পড়েছেন। তিনি বলেন, ‘কাজী ফার্মের চুক্তিবদ্ধ খামার পোল্ট্রি ব্যবসাকে পুনরুজ্জীবিত করেছে। উত্পাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে বর্তমানে এই দ্বীপজেলায় পর্যাপ্ত ব্রয়লার মুরগি পাওয়া যায়।
তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, ‘ডিলারদের সঙ্গে ব্যবসা করাকালে একাধিকবার প্রতারিত হয়েছেন। একবার একজন ডিলার কৌশলে আমার কাছ থেকে একটি ফাঁকা চেক নিয়ে আমার বিরুদ্ধে ১২ লাখ টাকার মামলা করেছিলেন। পরে স্থানীয় সালিসের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে পেরেছি।’
চরফ্যাশনের কাশেমগঞ্জের একটি মসজিদের সাবেক ইমাম হাফেজ মোহাম্মদ ওয়াহিদ (৫৫) অতীত স্মৃতিচারণা করে জানান, ২০০৪ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে তিনি একে একে তিনজন ডিলারের সাথে ব্যবসা করেছিলেন। আর এরই মধ্যে খামারে লোকসানের কারণে ৬,০০,০০০ টাকা ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন। তখন খামার বন্ধ করতে বাধ্য হলেও ঋণের দায় মেটাতে আমার ছেলেকে একজন ডিলারের দোকানে কাজ করাতে বাধ্য হয়েছি।
তিনি বলেন ‘২০২১ সালে চুক্তিবদ্ধ খামারে যুক্ত হওয়ার পর থেকে কমিশনের টাকায় পরিবারের খরচ মিটিয়ে ডিলারদের অতীতের ঋণ পরিশোধ করছি। বর্তমানে আমার ৩,০০০ মুরগির খামার থেকে প্রতি ব্যাচে গড়ে ৮৮,০০০ টাকা পাচ্ছি।’
একটি ওষুধ কম্পানির বিপণন প্রতিনিধি চরফ্যাশনের দক্ষিণ আদর্শপাড়ায় চুক্তিবদ্ধ খামারি ইয়াকুব আলী (৪৫) তার ১,০০০ মুরগির খামার থেকে ১১টি ব্যাচে ৩,০০,০০০ টাকা লাভ করার তথ্য জানিয়ে বলেন, “ডিলারদের সঙ্গে পোল্ট্রি ব্যবসায় বেশির ভাগ খামারি ঋণেগ্রস্ত হয়ে পড়েন। তবে চুক্তিবদ্ধ খামারে ঋণের কোনো মানসিক চাপ থাকে না। যে কারণে অদূর ভবিষ্যতে আমি ১০,০০০টি মুরগি সম্প্রসারণের স্বপ্ন দেখিছি।’
একই থানার হালিমাবাদের কৃষক ওহিদুল হক (৪৫) বলেন, ডিলাররা প্রায়ই কৃষকদের জন্য ঋণের ফাঁদ তৈরি করে। ‘আমি চুক্তিবদ্ধ খামারে যুক্ত হওয়ার পর থেকে লোকসান এবং ঋণের বোঝা থেকে চাপমুক্ত হয়েছি। কোনো টেনশন নেই। সাম্প্রতিক সময়ে ৩,০০০ মুরগি পালন করে আমি ৯১,০০০ টাকা লাভ করেছি,’ তিনি উল্লেখ করেন।
জেলা সদরের কুঞ্জপট্টির প্রবাসফেরত তাজউদ্দিন (৪৯) দুই দফায় ডিলারদের সঙ্গে মুরগির খামার করে ১২ লাখ টাকা লোকসান গুনে ২০২১ সালে খামার গুটিয়েছিলেন। ২০২২ সালে সিবিএফ-এর আওতায় নতুন করে খামার শুরু করে এখন ৬,০০০ মুরগির শেড থেকে প্রতি ব্যাচে ২,৬৫,০০০ টাকা লাভ করছেন। ‘আমি আমার নিজের জমিতে ৫০,০০০ মুরগি পালনের জন্য বেশ কয়েকটি শেড স্থাপন করতে চাই,’ তিনি তার স্বপ্নের কথা বলেন।
ডিলার ও খামারিদের কাছ থেকে মুরগি সংগ্রহ করে পাইকারি বাজারে সরবরাহকারী ভোলার শশীভূষণের ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেন (৩৪) বলেন, ‘সিবিএফ পোল্ট্রি ব্যবসায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। সচেতন পুরনো খামারিদের পাশাপাশি নতুন অনেকে এ ব্যবসায় যুক্ত হচ্ছেন। ফলে আগে এই দ্বীপজেলায় মুরগির চাহিদা ও উত্পাদনে যে ঘাটতি ছিল, তা পূরণ হয়েও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সরবরাহ হচ্ছে। ফলে এই ব্যবসায় মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমেছে।’
খামার করে অতীতে সংকটে পড়া ভোলার বিপুলসংখ্যক প্রান্তিক পোল্ট্রি খামারি চুক্তিবদ্ধ ব্রয়লার ফার্মিংয়ে (সিবিএফ) যুক্ত হয়েছেন। এ ব্যবস্থায় খামারির আয় নিশ্চিত হয়েছে। তাদের সংসারে সচ্ছলতাও ফিরেছে। করোনা মহামারিতে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে বন্ধ হয়ে যাওয়া খামারগুলোও সিবিএফ সুবিধায় পুনরায় মুরগি উৎপাদনে ফিরেছে বলে জানিয়েছেন জেলার অধিকাংশ খামারি।
খামারিরা জানান, চুক্তিভিত্তিক খামার ব্যবস্থায় কম্পানি এক দিনের বাচ্চা, খাদ্য ও ওষুধসহ সব ধরনের উপকরণ খামারের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়। মেয়াদ শেষে মুরগিও বিক্রি করে দেয়। মুরগির বাজার কম থাকলে কম্পানির লোকসান হলেও খামারিদের কোনো লোকসান বহন করতে হয় না।
‘চুক্তিভিত্তিক খামার হাঁস-মুরগি পালনকে নতুন জীবন দিয়েছে। এটি মানুষের জন্য পুঁজি বিনিয়োগ ছাড়াই অর্থ উপার্জনের সুযোগ তৈরি করেছে,’ চরফ্যাশন উপজেলার জনতা রোডের হাঁস-মুরগির উপকরণ ব্যবসায়ী নুরুন্নবী মিয়া (৪৬) ১৪ ডিসেম্বর এ কথা বলেন।
১০ হাজার মুরগির খামার পরিচালনাকারী এই ব্যবসায়ী জানান, চুক্তিভিত্তিক খামারিরা কম্পানি থেকে বিনা মূল্যে সব উপকরণের পাশপাশি পরিকল্পিত খামার গড়তে কারিগরি পরামর্শ পান। এ ছাড়া কখনো কখনো বাজারদর ভালো না থাকায় কম্পানি কম দামে মুরগি বিক্রি করলেও তাতে খামারিদের ওপর কোনো প্রভাব পড়ে না। বরং চুক্তি অনুযায়ী লাভ পান।
যেহেতু কোনো পরিস্থিতিতেই উদ্যোক্তা ক্ষতির সম্মুখীন হন না, তাই যারা কখনো হাঁস-মুরগির খামার করার কথা ভাবেননি, তারাও সিবিএফ-এর খামারি হয়ে উঠছেন, তিনি আরো যোগ করেন।
বোরহানউদ্দিন উপজেলার বোরহানগঞ্জের মাহিয়া পোল্ট্রি ফিডসের স্বত্বাধিকারী আব্দুল মান্নান মোল্লা জানান, স্থানীয় ডিলারদের একটি অংশ উচ্চ মূল্যে উপকরণ বিক্রি করে মুরগি চাষিদের সুবিধা নিয়েছে, যার ফলে খামারিরা ঋণের জালে আটকে পড়েছেন। তিনি বলেন, ‘কাজী ফার্মের চুক্তিবদ্ধ খামার পোল্ট্রি ব্যবসাকে পুনরুজ্জীবিত করেছে। উত্পাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে বর্তমানে এই দ্বীপজেলায় পর্যাপ্ত ব্রয়লার মুরগি পাওয়া যায়।
তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, ‘ডিলারদের সঙ্গে ব্যবসা করাকালে একাধিকবার প্রতারিত হয়েছেন। একবার একজন ডিলার কৌশলে আমার কাছ থেকে একটি ফাঁকা চেক নিয়ে আমার বিরুদ্ধে ১২ লাখ টাকার মামলা করেছিলেন। পরে স্থানীয় সালিসের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে পেরেছি।’
চরফ্যাশনের কাশেমগঞ্জের একটি মসজিদের সাবেক ইমাম হাফেজ মোহাম্মদ ওয়াহিদ (৫৫) অতীত স্মৃতিচারণা করে জানান, ২০০৪ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে তিনি একে একে তিনজন ডিলারের সাথে ব্যবসা করেছিলেন। আর এরই মধ্যে খামারে লোকসানের কারণে ৬,০০,০০০ টাকা ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন। তখন খামার বন্ধ করতে বাধ্য হলেও ঋণের দায় মেটাতে আমার ছেলেকে একজন ডিলারের দোকানে কাজ করাতে বাধ্য হয়েছি।
তিনি বলেন ‘২০২১ সালে চুক্তিবদ্ধ খামারে যুক্ত হওয়ার পর থেকে কমিশনের টাকায় পরিবারের খরচ মিটিয়ে ডিলারদের অতীতের ঋণ পরিশোধ করছি। বর্তমানে আমার ৩,০০০ মুরগির খামার থেকে প্রতি ব্যাচে গড়ে ৮৮,০০০ টাকা পাচ্ছি।’
একটি ওষুধ কম্পানির বিপণন প্রতিনিধি চরফ্যাশনের দক্ষিণ আদর্শপাড়ায় চুক্তিবদ্ধ খামারি ইয়াকুব আলী (৪৫) তার ১,০০০ মুরগির খামার থেকে ১১টি ব্যাচে ৩,০০,০০০ টাকা লাভ করার তথ্য জানিয়ে বলেন, “ডিলারদের সঙ্গে পোল্ট্রি ব্যবসায় বেশির ভাগ খামারি ঋণেগ্রস্ত হয়ে পড়েন। তবে চুক্তিবদ্ধ খামারে ঋণের কোনো মানসিক চাপ থাকে না। যে কারণে অদূর ভবিষ্যতে আমি ১০,০০০টি মুরগি সম্প্রসারণের স্বপ্ন দেখিছি।’
একই থানার হালিমাবাদের কৃষক ওহিদুল হক (৪৫) বলেন, ডিলাররা প্রায়ই কৃষকদের জন্য ঋণের ফাঁদ তৈরি করে। ‘আমি চুক্তিবদ্ধ খামারে যুক্ত হওয়ার পর থেকে লোকসান এবং ঋণের বোঝা থেকে চাপমুক্ত হয়েছি। কোনো টেনশন নেই। সাম্প্রতিক সময়ে ৩,০০০ মুরগি পালন করে আমি ৯১,০০০ টাকা লাভ করেছি,’ তিনি উল্লেখ করেন।
জেলা সদরের কুঞ্জপট্টির প্রবাসফেরত তাজউদ্দিন (৪৯) দুই দফায় ডিলারদের সঙ্গে মুরগির খামার করে ১২ লাখ টাকা লোকসান গুনে ২০২১ সালে খামার গুটিয়েছিলেন। ২০২২ সালে সিবিএফ-এর আওতায় নতুন করে খামার শুরু করে এখন ৬,০০০ মুরগির শেড থেকে প্রতি ব্যাচে ২,৬৫,০০০ টাকা লাভ করছেন। ‘আমি আমার নিজের জমিতে ৫০,০০০ মুরগি পালনের জন্য বেশ কয়েকটি শেড স্থাপন করতে চাই,’ তিনি তার স্বপ্নের কথা বলেন।
ডিলার ও খামারিদের কাছ থেকে মুরগি সংগ্রহ করে পাইকারি বাজারে সরবরাহকারী ভোলার শশীভূষণের ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেন (৩৪) বলেন, ‘সিবিএফ পোল্ট্রি ব্যবসায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। সচেতন পুরনো খামারিদের পাশাপাশি নতুন অনেকে এ ব্যবসায় যুক্ত হচ্ছেন। ফলে আগে এই দ্বীপজেলায় মুরগির চাহিদা ও উত্পাদনে যে ঘাটতি ছিল, তা পূরণ হয়েও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সরবরাহ হচ্ছে। ফলে এই ব্যবসায় মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমেছে।’
১৭ জুন, ২০২৬ ১৬:৪১
১৭ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৪
১৭ জুন, ২০২৬ ১৬:০৯
১৭ জুন, ২০২৬ ১৫:৫২

১৭ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৪
ভোলায় ভাড়া বাসায় সুমাইয়া আক্তার মিতু (২১) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় মামলা দায়েরের পর চট্রগ্রামে অভিযান চালিয়ে আত্নগোপনে থাকা তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছেন র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র্যাব)।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—মামলার প্রধান আসামি ও গৃহবধূর স্বামী মো. সোহাগ, শাশুড়ি কোহিনুর বেগম এবং ননদ মুক্তা আক্তার।
বুধবার (১৭ জুন) দুপুর ১২টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-৮-এর ভোলা ক্যাম্প কমান্ডার মেজর রওনক জাহান শুভ। এর আগে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মেজর রওনক জাহান শুভ বলেন, র্যাব-৮ ভোলা ক্যাম্পের সার্বিক দিক নির্দেশনায় এবং র্যাব-৭ চট্টগ্রামের একটি চৌকস আভিযানিক দলের সহযোগিতায় চট্টগ্রামে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ঘটনার দিনই র্যাব-৮-এর ভোলা ক্যাম্পের একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করে এবং ছায়া তদন্ত শুরু করে।
দীর্ঘ তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারির পর র্যাব-৮ এবং র্যাব-৭-এর যৌথ অভিযানে আসামিরা গ্রেপ্তার হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের ভোলায় আনা হচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভোলা সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে।
প্রসঙ্গত, গত ৪ জুন দুপুরে ভোলা শহরের উকিলপাড়ায় গোরস্থান মাদরাসা-সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসা থেকে মিতুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
তিনি ভোলার দৌলতখান উপজেলার দক্ষিণ জয়নগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. বশির ও আয়েশা খাতুন দম্পতির বড় মেয়ে।
পরেরদিন মিতুর বাবা মো. বশির আহমেদ বাদী হয়ে ভোলা সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় গৃহবধূর স্বামী ব্যবসায়ী মো. সোহাগ, শাশুড়ি কোহিনূর বেগম, ননদ লিজা ও মুক্তা বেগমসহ আরও চার-পাঁচজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকেই আত্নগোপনে রয়েছেন তারা সবাই।
ভোলায় ভাড়া বাসায় সুমাইয়া আক্তার মিতু (২১) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় মামলা দায়েরের পর চট্রগ্রামে অভিযান চালিয়ে আত্নগোপনে থাকা তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছেন র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র্যাব)।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—মামলার প্রধান আসামি ও গৃহবধূর স্বামী মো. সোহাগ, শাশুড়ি কোহিনুর বেগম এবং ননদ মুক্তা আক্তার।
বুধবার (১৭ জুন) দুপুর ১২টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-৮-এর ভোলা ক্যাম্প কমান্ডার মেজর রওনক জাহান শুভ। এর আগে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মেজর রওনক জাহান শুভ বলেন, র্যাব-৮ ভোলা ক্যাম্পের সার্বিক দিক নির্দেশনায় এবং র্যাব-৭ চট্টগ্রামের একটি চৌকস আভিযানিক দলের সহযোগিতায় চট্টগ্রামে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ঘটনার দিনই র্যাব-৮-এর ভোলা ক্যাম্পের একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করে এবং ছায়া তদন্ত শুরু করে।
দীর্ঘ তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারির পর র্যাব-৮ এবং র্যাব-৭-এর যৌথ অভিযানে আসামিরা গ্রেপ্তার হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের ভোলায় আনা হচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভোলা সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে।
প্রসঙ্গত, গত ৪ জুন দুপুরে ভোলা শহরের উকিলপাড়ায় গোরস্থান মাদরাসা-সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসা থেকে মিতুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
তিনি ভোলার দৌলতখান উপজেলার দক্ষিণ জয়নগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. বশির ও আয়েশা খাতুন দম্পতির বড় মেয়ে।
পরেরদিন মিতুর বাবা মো. বশির আহমেদ বাদী হয়ে ভোলা সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় গৃহবধূর স্বামী ব্যবসায়ী মো. সোহাগ, শাশুড়ি কোহিনূর বেগম, ননদ লিজা ও মুক্তা বেগমসহ আরও চার-পাঁচজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকেই আত্নগোপনে রয়েছেন তারা সবাই।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৬:১৩
ভোলার তজুমদ্দিনে সমুদ্রগামী জেলে ও ভিজিডি’র সরকারি বরাদ্দের চাল উত্তোলনের জন্য ডেলিভারি অর্ডার (ডিও) ইস্যু করা হলেও মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও বিপুল পরিমাণ। চাল খাদ্যগুদামে পড়ে থাকার ঘটনায় নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
নির্ধারিত সময়ে চাল উত্তোলন না হওয়ায় একদিকে সরকারি খাদ্য ব্যবস্থাপনা ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে প্রকৃত উপকারভোগীরা সময়মতো খাদ্য সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় প্রতিমাসে ভিজিডির সরকারি বরাদ্দকৃত কর্মসূচির আওতায় বরাদ্দকৃত চাল উত্তোলনের জন্য ডিও ইস্যু করেন।
কিন্তু ডিওর নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হলেও ১৫৫টন চাল পড়ে আছে গোডাউনে। গোডাউনের একটি সুত্রে জানায়, ভিজিডির ডিওর মেয়াদ উত্তীর্ণ চলের মধ্যে চাঁদপুর ইউনিয়নের ৫মাসের বরাদ্দের চাল, চাচড়ার ৩মাস, বড়মলংচাড় ইউনিয়নের ৪মাস, সোনাপুর ইউনিয়নের ১মাস ও শম্ভুপুর ইউনিয়নের ২ মাসের চাল গোডাউনের পড়ে রয়েছে। তার বাহিরে জুন মাসের ডিও হয়ে আছে।
এছাড়াও সমুদ্রগামী জেলেদের বরাদ্দ রয়েছে, চাঁদপুরে ১০টন, সোনাপুরে ৭৫টন, চাঁচড়ায় ১৪টন, বড়মলংচড়ায় ৬.৫০টন ও শম্ভপুরে ৪টন সর্ব মোট ৩৪০টন ৫শ কেজি চাল গোডাউনে পড়ে রয়েছে।
সমুদ্রগামী জেলেদের চাল মে মাসের ৩১ তারিখে বিতরণের শেষ সময়সীমা থাকলেও তাও এখনো গোডাউন থেকেই নেয়া হয়নি। এমতাবস্থায় সরকারি নতুন বরাদ্দের চাল ও ধান সংগ্রহ কার্যক্রম নিয়ে গুদাম কর্তৃপক্ষ দিশেহারা।
স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, ডিও ইস্যুর পর চাল উত্তোলনে অস্বাভাবিক বিলম্ব হলেও বিষয়টি নিয়ে কার্যকর তদারকি দেখা যায়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। ফলে সরকারি খাদ্যশস্য দীর্ঘদিন গুদামে পড়ে রয়েছে।
এতে নতুন খাদ্যশস্য সংরক্ষণেও চাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মানবেতর জীবন যাপন করছে উপকারভোগী গবীর অসহায় মানুষ। সচেতন মহল মনে করছেন, ডিও ইস্যুর মূল উদ্দেশ্য হলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খাদ্যশস্য উত্তোলন ও উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণ নিশ্চিত করা। কিন্তু মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যদি চাল অনুত্তোলিত অবস্থায় পড়ে থাকে, তাহলে এর কারণ, দায় এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত সম্পর্কে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা থাকা প্রয়োজন।
উপকারভোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, পুরো উপজেলায় বরাদ্দের চাল বিতরণ না হওয়ায় অনেক উপকারভোগী অপেক্ষায় রয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কাগজে-কলমে বরাদ্দ থাকলেও বাস্তবে তারা চাল হাতে পাননি।
ফলে সরকারের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির সুফল প্রত্যাশিতভাবে পৌঁছাচ্ছে না। এ বিষয়ে চাঁদপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ শাজাহান মিয়া বলেন, ভিজিডি চাল পরিবহনের জন্য সরকার টনপ্রতি ৪৮০ টাকা দেয়।
এটাকায় চাল পরিবহন করা যায়না। টন প্রতি খরচ লাগে ৬শ থেকে ১২ টাকা। টাকার সমন্বয় না হওয়ায় আমরা গোডাউন থেকে চাল আনতে পারিনি। আশা করি খুব শিগ্রই একটি সুরাহা হবে।
উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কানিজ মার্জিয়া বলেন, আমার জানমতে সকল ডিও হওয়া সকল চাল বিতরণ শেষ। তবুও যদি পরিবহনের খরচের জন্য কোন ইউনিয়ন চাল নিতে না পারে আমাদের সাথে যোগাযোগ করলে আমরা কাছাকাছি চাল বিতরণের ব্যবস্থা করে দিবো যেখানে তারা চাল বিতরণ করতে পারবে।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুল মালেক বলেন, আমরা ডিও হওয়া চাল নিতে প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে প্রতিনিয়তই চাপ দিচ্ছি। তার চাল না নিলে আমারতো আর চাল ফেলে দিতে পারিনা।
ডিওর মেয়াদ শেষ হওয়া চাল সরকারি গোডাউনে রাখার নীতিমালার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন এ বিষয়ে কোন সুষ্পষ্ট নীতিমালা নেই। উপজেলা নির্বাহি কর্তকর্তা মোঃ বনি আমিন বলেন, ডিও হওয়া সকল চাল যতদ্রুত সম্ভব গোডাউন থেকে বের করে বিতরণের ব্যবস্থা করা হবে।
ভোলার তজুমদ্দিনে সমুদ্রগামী জেলে ও ভিজিডি’র সরকারি বরাদ্দের চাল উত্তোলনের জন্য ডেলিভারি অর্ডার (ডিও) ইস্যু করা হলেও মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও বিপুল পরিমাণ। চাল খাদ্যগুদামে পড়ে থাকার ঘটনায় নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
নির্ধারিত সময়ে চাল উত্তোলন না হওয়ায় একদিকে সরকারি খাদ্য ব্যবস্থাপনা ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে প্রকৃত উপকারভোগীরা সময়মতো খাদ্য সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় প্রতিমাসে ভিজিডির সরকারি বরাদ্দকৃত কর্মসূচির আওতায় বরাদ্দকৃত চাল উত্তোলনের জন্য ডিও ইস্যু করেন।
কিন্তু ডিওর নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হলেও ১৫৫টন চাল পড়ে আছে গোডাউনে। গোডাউনের একটি সুত্রে জানায়, ভিজিডির ডিওর মেয়াদ উত্তীর্ণ চলের মধ্যে চাঁদপুর ইউনিয়নের ৫মাসের বরাদ্দের চাল, চাচড়ার ৩মাস, বড়মলংচাড় ইউনিয়নের ৪মাস, সোনাপুর ইউনিয়নের ১মাস ও শম্ভুপুর ইউনিয়নের ২ মাসের চাল গোডাউনের পড়ে রয়েছে। তার বাহিরে জুন মাসের ডিও হয়ে আছে।
এছাড়াও সমুদ্রগামী জেলেদের বরাদ্দ রয়েছে, চাঁদপুরে ১০টন, সোনাপুরে ৭৫টন, চাঁচড়ায় ১৪টন, বড়মলংচড়ায় ৬.৫০টন ও শম্ভপুরে ৪টন সর্ব মোট ৩৪০টন ৫শ কেজি চাল গোডাউনে পড়ে রয়েছে।
সমুদ্রগামী জেলেদের চাল মে মাসের ৩১ তারিখে বিতরণের শেষ সময়সীমা থাকলেও তাও এখনো গোডাউন থেকেই নেয়া হয়নি। এমতাবস্থায় সরকারি নতুন বরাদ্দের চাল ও ধান সংগ্রহ কার্যক্রম নিয়ে গুদাম কর্তৃপক্ষ দিশেহারা।
স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, ডিও ইস্যুর পর চাল উত্তোলনে অস্বাভাবিক বিলম্ব হলেও বিষয়টি নিয়ে কার্যকর তদারকি দেখা যায়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। ফলে সরকারি খাদ্যশস্য দীর্ঘদিন গুদামে পড়ে রয়েছে।
এতে নতুন খাদ্যশস্য সংরক্ষণেও চাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মানবেতর জীবন যাপন করছে উপকারভোগী গবীর অসহায় মানুষ। সচেতন মহল মনে করছেন, ডিও ইস্যুর মূল উদ্দেশ্য হলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খাদ্যশস্য উত্তোলন ও উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণ নিশ্চিত করা। কিন্তু মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যদি চাল অনুত্তোলিত অবস্থায় পড়ে থাকে, তাহলে এর কারণ, দায় এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত সম্পর্কে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা থাকা প্রয়োজন।
উপকারভোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, পুরো উপজেলায় বরাদ্দের চাল বিতরণ না হওয়ায় অনেক উপকারভোগী অপেক্ষায় রয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কাগজে-কলমে বরাদ্দ থাকলেও বাস্তবে তারা চাল হাতে পাননি।
ফলে সরকারের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির সুফল প্রত্যাশিতভাবে পৌঁছাচ্ছে না। এ বিষয়ে চাঁদপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ শাজাহান মিয়া বলেন, ভিজিডি চাল পরিবহনের জন্য সরকার টনপ্রতি ৪৮০ টাকা দেয়।
এটাকায় চাল পরিবহন করা যায়না। টন প্রতি খরচ লাগে ৬শ থেকে ১২ টাকা। টাকার সমন্বয় না হওয়ায় আমরা গোডাউন থেকে চাল আনতে পারিনি। আশা করি খুব শিগ্রই একটি সুরাহা হবে।
উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কানিজ মার্জিয়া বলেন, আমার জানমতে সকল ডিও হওয়া সকল চাল বিতরণ শেষ। তবুও যদি পরিবহনের খরচের জন্য কোন ইউনিয়ন চাল নিতে না পারে আমাদের সাথে যোগাযোগ করলে আমরা কাছাকাছি চাল বিতরণের ব্যবস্থা করে দিবো যেখানে তারা চাল বিতরণ করতে পারবে।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুল মালেক বলেন, আমরা ডিও হওয়া চাল নিতে প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে প্রতিনিয়তই চাপ দিচ্ছি। তার চাল না নিলে আমারতো আর চাল ফেলে দিতে পারিনা।
ডিওর মেয়াদ শেষ হওয়া চাল সরকারি গোডাউনে রাখার নীতিমালার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন এ বিষয়ে কোন সুষ্পষ্ট নীতিমালা নেই। উপজেলা নির্বাহি কর্তকর্তা মোঃ বনি আমিন বলেন, ডিও হওয়া সকল চাল যতদ্রুত সম্ভব গোডাউন থেকে বের করে বিতরণের ব্যবস্থা করা হবে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৫:২৭
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার সাচড়া ইউনিয়নে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে টানা চার দিন ধরে অনশন করছেন এক তরুণী। প্রেমিকের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে রোববার বিষের বোতল সঙ্গে নিয়ে অনশন চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি আত্মহত্যার হুমকিও দিয়েছেন তিনি।
প্রেমিক হুমায়ুন একই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নুরনবী বাড়ির মো. নুরনবীর ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হুমায়ুনের দোকানে নিয়মিত কেনাকাটার সূত্রে তরুণীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে তারা বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করেন এবং বিয়ের আশ্বাসে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয় বলে দাবি করেছেন তরুণী।
তরুণী অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের পর হুমায়ুন তাকে বিয়ের আশ্বাস দিলেও এখন বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন। আমি হুমায়ুনকেই বিয়ে করব। বিয়ে ছাড়া আমি এখান থেকে ফিরে যাব না।
স্থানীয় বাসিন্দা হৃদয় বলেন, আমি চরফ্যাশনের জ্যাকব টাওয়ার এলাকায় তাদের দুজনকে একসঙ্গে দেখেছি। পরিচয় জানতে চাইলে তারা নিজেদের স্বামী-স্ত্রী বলে পরিচয় দিয়েছিল। এখন মেয়েটিকে অনশন করতে দেখে বিষয়টি দুঃখজনক মনে হচ্ছে। যদি তাদের মধ্যে এমন সম্পর্ক থেকে থাকে, তাহলে বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান হওয়া উচিত।
স্থানীয়দের ভাষ্য, রোববার অনশন চলাকালে তরুণী বিষের একটি বোতল সঙ্গে নিয়ে আসেন। পরে প্রেমিকের পরিবারের সদস্যরা সেটি ছিনিয়ে নেন। এরপরও তিনি অনশন অব্যাহত রাখেন এবং আত্মহত্যার হুমকি দেন বলে জানা গেছে।
এদিকে বর্তমানে অভিযুক্ত হুমায়ুন ঢাকায় অবস্থান করছেন বলে জানিয়েছে তার পরিবার। পরিবারের দাবি, তিনি গত ৭-৮ মাস ধরে ঢাকায় চাকরি করছেন।হুমায়ুনের মা বলেন, এই মেয়েটির সঙ্গে যদি আমার ছেলের সম্পর্ক থেকে থাকে, তাহলে এতদিন আমাদের জানানো হয়নি কেন? আমরা তো কোনো দিন শুনিনি তাদের মধ্যে এমন কোনো সম্পর্ক আছে। আপনারা ছেলের সঙ্গে কথা বলে দেখেন, ছেলে যদি রাজি হয় তাহলে আমাদেরও আপত্তি নেই।
বোরহানউদ্দিন থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি। আমরা বিষয়টি সম্পর্কে কিছুই জানি না। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার সাচড়া ইউনিয়নে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে টানা চার দিন ধরে অনশন করছেন এক তরুণী। প্রেমিকের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে রোববার বিষের বোতল সঙ্গে নিয়ে অনশন চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি আত্মহত্যার হুমকিও দিয়েছেন তিনি।
প্রেমিক হুমায়ুন একই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নুরনবী বাড়ির মো. নুরনবীর ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হুমায়ুনের দোকানে নিয়মিত কেনাকাটার সূত্রে তরুণীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে তারা বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করেন এবং বিয়ের আশ্বাসে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয় বলে দাবি করেছেন তরুণী।
তরুণী অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের পর হুমায়ুন তাকে বিয়ের আশ্বাস দিলেও এখন বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন। আমি হুমায়ুনকেই বিয়ে করব। বিয়ে ছাড়া আমি এখান থেকে ফিরে যাব না।
স্থানীয় বাসিন্দা হৃদয় বলেন, আমি চরফ্যাশনের জ্যাকব টাওয়ার এলাকায় তাদের দুজনকে একসঙ্গে দেখেছি। পরিচয় জানতে চাইলে তারা নিজেদের স্বামী-স্ত্রী বলে পরিচয় দিয়েছিল। এখন মেয়েটিকে অনশন করতে দেখে বিষয়টি দুঃখজনক মনে হচ্ছে। যদি তাদের মধ্যে এমন সম্পর্ক থেকে থাকে, তাহলে বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান হওয়া উচিত।
স্থানীয়দের ভাষ্য, রোববার অনশন চলাকালে তরুণী বিষের একটি বোতল সঙ্গে নিয়ে আসেন। পরে প্রেমিকের পরিবারের সদস্যরা সেটি ছিনিয়ে নেন। এরপরও তিনি অনশন অব্যাহত রাখেন এবং আত্মহত্যার হুমকি দেন বলে জানা গেছে।
এদিকে বর্তমানে অভিযুক্ত হুমায়ুন ঢাকায় অবস্থান করছেন বলে জানিয়েছে তার পরিবার। পরিবারের দাবি, তিনি গত ৭-৮ মাস ধরে ঢাকায় চাকরি করছেন।হুমায়ুনের মা বলেন, এই মেয়েটির সঙ্গে যদি আমার ছেলের সম্পর্ক থেকে থাকে, তাহলে এতদিন আমাদের জানানো হয়নি কেন? আমরা তো কোনো দিন শুনিনি তাদের মধ্যে এমন কোনো সম্পর্ক আছে। আপনারা ছেলের সঙ্গে কথা বলে দেখেন, ছেলে যদি রাজি হয় তাহলে আমাদেরও আপত্তি নেই।
বোরহানউদ্দিন থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি। আমরা বিষয়টি সম্পর্কে কিছুই জানি না। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.