
২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২১:২১
খামার করে অতীতে সংকটে পড়া ভোলার বিপুলসংখ্যক প্রান্তিক পোল্ট্রি খামারি চুক্তিবদ্ধ ব্রয়লার ফার্মিংয়ে (সিবিএফ) যুক্ত হয়েছেন। এ ব্যবস্থায় খামারির আয় নিশ্চিত হয়েছে। তাদের সংসারে সচ্ছলতাও ফিরেছে। করোনা মহামারিতে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে বন্ধ হয়ে যাওয়া খামারগুলোও সিবিএফ সুবিধায় পুনরায় মুরগি উৎপাদনে ফিরেছে বলে জানিয়েছেন জেলার অধিকাংশ খামারি।
খামারিরা জানান, চুক্তিভিত্তিক খামার ব্যবস্থায় কম্পানি এক দিনের বাচ্চা, খাদ্য ও ওষুধসহ সব ধরনের উপকরণ খামারের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়। মেয়াদ শেষে মুরগিও বিক্রি করে দেয়। মুরগির বাজার কম থাকলে কম্পানির লোকসান হলেও খামারিদের কোনো লোকসান বহন করতে হয় না।
‘চুক্তিভিত্তিক খামার হাঁস-মুরগি পালনকে নতুন জীবন দিয়েছে। এটি মানুষের জন্য পুঁজি বিনিয়োগ ছাড়াই অর্থ উপার্জনের সুযোগ তৈরি করেছে,’ চরফ্যাশন উপজেলার জনতা রোডের হাঁস-মুরগির উপকরণ ব্যবসায়ী নুরুন্নবী মিয়া (৪৬) ১৪ ডিসেম্বর এ কথা বলেন।
১০ হাজার মুরগির খামার পরিচালনাকারী এই ব্যবসায়ী জানান, চুক্তিভিত্তিক খামারিরা কম্পানি থেকে বিনা মূল্যে সব উপকরণের পাশপাশি পরিকল্পিত খামার গড়তে কারিগরি পরামর্শ পান। এ ছাড়া কখনো কখনো বাজারদর ভালো না থাকায় কম্পানি কম দামে মুরগি বিক্রি করলেও তাতে খামারিদের ওপর কোনো প্রভাব পড়ে না। বরং চুক্তি অনুযায়ী লাভ পান।
যেহেতু কোনো পরিস্থিতিতেই উদ্যোক্তা ক্ষতির সম্মুখীন হন না, তাই যারা কখনো হাঁস-মুরগির খামার করার কথা ভাবেননি, তারাও সিবিএফ-এর খামারি হয়ে উঠছেন, তিনি আরো যোগ করেন।
বোরহানউদ্দিন উপজেলার বোরহানগঞ্জের মাহিয়া পোল্ট্রি ফিডসের স্বত্বাধিকারী আব্দুল মান্নান মোল্লা জানান, স্থানীয় ডিলারদের একটি অংশ উচ্চ মূল্যে উপকরণ বিক্রি করে মুরগি চাষিদের সুবিধা নিয়েছে, যার ফলে খামারিরা ঋণের জালে আটকে পড়েছেন। তিনি বলেন, ‘কাজী ফার্মের চুক্তিবদ্ধ খামার পোল্ট্রি ব্যবসাকে পুনরুজ্জীবিত করেছে। উত্পাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে বর্তমানে এই দ্বীপজেলায় পর্যাপ্ত ব্রয়লার মুরগি পাওয়া যায়।
তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, ‘ডিলারদের সঙ্গে ব্যবসা করাকালে একাধিকবার প্রতারিত হয়েছেন। একবার একজন ডিলার কৌশলে আমার কাছ থেকে একটি ফাঁকা চেক নিয়ে আমার বিরুদ্ধে ১২ লাখ টাকার মামলা করেছিলেন। পরে স্থানীয় সালিসের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে পেরেছি।’
চরফ্যাশনের কাশেমগঞ্জের একটি মসজিদের সাবেক ইমাম হাফেজ মোহাম্মদ ওয়াহিদ (৫৫) অতীত স্মৃতিচারণা করে জানান, ২০০৪ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে তিনি একে একে তিনজন ডিলারের সাথে ব্যবসা করেছিলেন। আর এরই মধ্যে খামারে লোকসানের কারণে ৬,০০,০০০ টাকা ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন। তখন খামার বন্ধ করতে বাধ্য হলেও ঋণের দায় মেটাতে আমার ছেলেকে একজন ডিলারের দোকানে কাজ করাতে বাধ্য হয়েছি।
তিনি বলেন ‘২০২১ সালে চুক্তিবদ্ধ খামারে যুক্ত হওয়ার পর থেকে কমিশনের টাকায় পরিবারের খরচ মিটিয়ে ডিলারদের অতীতের ঋণ পরিশোধ করছি। বর্তমানে আমার ৩,০০০ মুরগির খামার থেকে প্রতি ব্যাচে গড়ে ৮৮,০০০ টাকা পাচ্ছি।’
একটি ওষুধ কম্পানির বিপণন প্রতিনিধি চরফ্যাশনের দক্ষিণ আদর্শপাড়ায় চুক্তিবদ্ধ খামারি ইয়াকুব আলী (৪৫) তার ১,০০০ মুরগির খামার থেকে ১১টি ব্যাচে ৩,০০,০০০ টাকা লাভ করার তথ্য জানিয়ে বলেন, “ডিলারদের সঙ্গে পোল্ট্রি ব্যবসায় বেশির ভাগ খামারি ঋণেগ্রস্ত হয়ে পড়েন। তবে চুক্তিবদ্ধ খামারে ঋণের কোনো মানসিক চাপ থাকে না। যে কারণে অদূর ভবিষ্যতে আমি ১০,০০০টি মুরগি সম্প্রসারণের স্বপ্ন দেখিছি।’
একই থানার হালিমাবাদের কৃষক ওহিদুল হক (৪৫) বলেন, ডিলাররা প্রায়ই কৃষকদের জন্য ঋণের ফাঁদ তৈরি করে। ‘আমি চুক্তিবদ্ধ খামারে যুক্ত হওয়ার পর থেকে লোকসান এবং ঋণের বোঝা থেকে চাপমুক্ত হয়েছি। কোনো টেনশন নেই। সাম্প্রতিক সময়ে ৩,০০০ মুরগি পালন করে আমি ৯১,০০০ টাকা লাভ করেছি,’ তিনি উল্লেখ করেন।
জেলা সদরের কুঞ্জপট্টির প্রবাসফেরত তাজউদ্দিন (৪৯) দুই দফায় ডিলারদের সঙ্গে মুরগির খামার করে ১২ লাখ টাকা লোকসান গুনে ২০২১ সালে খামার গুটিয়েছিলেন। ২০২২ সালে সিবিএফ-এর আওতায় নতুন করে খামার শুরু করে এখন ৬,০০০ মুরগির শেড থেকে প্রতি ব্যাচে ২,৬৫,০০০ টাকা লাভ করছেন। ‘আমি আমার নিজের জমিতে ৫০,০০০ মুরগি পালনের জন্য বেশ কয়েকটি শেড স্থাপন করতে চাই,’ তিনি তার স্বপ্নের কথা বলেন।
ডিলার ও খামারিদের কাছ থেকে মুরগি সংগ্রহ করে পাইকারি বাজারে সরবরাহকারী ভোলার শশীভূষণের ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেন (৩৪) বলেন, ‘সিবিএফ পোল্ট্রি ব্যবসায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। সচেতন পুরনো খামারিদের পাশাপাশি নতুন অনেকে এ ব্যবসায় যুক্ত হচ্ছেন। ফলে আগে এই দ্বীপজেলায় মুরগির চাহিদা ও উত্পাদনে যে ঘাটতি ছিল, তা পূরণ হয়েও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সরবরাহ হচ্ছে। ফলে এই ব্যবসায় মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমেছে।’
খামার করে অতীতে সংকটে পড়া ভোলার বিপুলসংখ্যক প্রান্তিক পোল্ট্রি খামারি চুক্তিবদ্ধ ব্রয়লার ফার্মিংয়ে (সিবিএফ) যুক্ত হয়েছেন। এ ব্যবস্থায় খামারির আয় নিশ্চিত হয়েছে। তাদের সংসারে সচ্ছলতাও ফিরেছে। করোনা মহামারিতে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে বন্ধ হয়ে যাওয়া খামারগুলোও সিবিএফ সুবিধায় পুনরায় মুরগি উৎপাদনে ফিরেছে বলে জানিয়েছেন জেলার অধিকাংশ খামারি।
খামারিরা জানান, চুক্তিভিত্তিক খামার ব্যবস্থায় কম্পানি এক দিনের বাচ্চা, খাদ্য ও ওষুধসহ সব ধরনের উপকরণ খামারের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়। মেয়াদ শেষে মুরগিও বিক্রি করে দেয়। মুরগির বাজার কম থাকলে কম্পানির লোকসান হলেও খামারিদের কোনো লোকসান বহন করতে হয় না।
‘চুক্তিভিত্তিক খামার হাঁস-মুরগি পালনকে নতুন জীবন দিয়েছে। এটি মানুষের জন্য পুঁজি বিনিয়োগ ছাড়াই অর্থ উপার্জনের সুযোগ তৈরি করেছে,’ চরফ্যাশন উপজেলার জনতা রোডের হাঁস-মুরগির উপকরণ ব্যবসায়ী নুরুন্নবী মিয়া (৪৬) ১৪ ডিসেম্বর এ কথা বলেন।
১০ হাজার মুরগির খামার পরিচালনাকারী এই ব্যবসায়ী জানান, চুক্তিভিত্তিক খামারিরা কম্পানি থেকে বিনা মূল্যে সব উপকরণের পাশপাশি পরিকল্পিত খামার গড়তে কারিগরি পরামর্শ পান। এ ছাড়া কখনো কখনো বাজারদর ভালো না থাকায় কম্পানি কম দামে মুরগি বিক্রি করলেও তাতে খামারিদের ওপর কোনো প্রভাব পড়ে না। বরং চুক্তি অনুযায়ী লাভ পান।
যেহেতু কোনো পরিস্থিতিতেই উদ্যোক্তা ক্ষতির সম্মুখীন হন না, তাই যারা কখনো হাঁস-মুরগির খামার করার কথা ভাবেননি, তারাও সিবিএফ-এর খামারি হয়ে উঠছেন, তিনি আরো যোগ করেন।
বোরহানউদ্দিন উপজেলার বোরহানগঞ্জের মাহিয়া পোল্ট্রি ফিডসের স্বত্বাধিকারী আব্দুল মান্নান মোল্লা জানান, স্থানীয় ডিলারদের একটি অংশ উচ্চ মূল্যে উপকরণ বিক্রি করে মুরগি চাষিদের সুবিধা নিয়েছে, যার ফলে খামারিরা ঋণের জালে আটকে পড়েছেন। তিনি বলেন, ‘কাজী ফার্মের চুক্তিবদ্ধ খামার পোল্ট্রি ব্যবসাকে পুনরুজ্জীবিত করেছে। উত্পাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে বর্তমানে এই দ্বীপজেলায় পর্যাপ্ত ব্রয়লার মুরগি পাওয়া যায়।
তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, ‘ডিলারদের সঙ্গে ব্যবসা করাকালে একাধিকবার প্রতারিত হয়েছেন। একবার একজন ডিলার কৌশলে আমার কাছ থেকে একটি ফাঁকা চেক নিয়ে আমার বিরুদ্ধে ১২ লাখ টাকার মামলা করেছিলেন। পরে স্থানীয় সালিসের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে পেরেছি।’
চরফ্যাশনের কাশেমগঞ্জের একটি মসজিদের সাবেক ইমাম হাফেজ মোহাম্মদ ওয়াহিদ (৫৫) অতীত স্মৃতিচারণা করে জানান, ২০০৪ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে তিনি একে একে তিনজন ডিলারের সাথে ব্যবসা করেছিলেন। আর এরই মধ্যে খামারে লোকসানের কারণে ৬,০০,০০০ টাকা ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন। তখন খামার বন্ধ করতে বাধ্য হলেও ঋণের দায় মেটাতে আমার ছেলেকে একজন ডিলারের দোকানে কাজ করাতে বাধ্য হয়েছি।
তিনি বলেন ‘২০২১ সালে চুক্তিবদ্ধ খামারে যুক্ত হওয়ার পর থেকে কমিশনের টাকায় পরিবারের খরচ মিটিয়ে ডিলারদের অতীতের ঋণ পরিশোধ করছি। বর্তমানে আমার ৩,০০০ মুরগির খামার থেকে প্রতি ব্যাচে গড়ে ৮৮,০০০ টাকা পাচ্ছি।’
একটি ওষুধ কম্পানির বিপণন প্রতিনিধি চরফ্যাশনের দক্ষিণ আদর্শপাড়ায় চুক্তিবদ্ধ খামারি ইয়াকুব আলী (৪৫) তার ১,০০০ মুরগির খামার থেকে ১১টি ব্যাচে ৩,০০,০০০ টাকা লাভ করার তথ্য জানিয়ে বলেন, “ডিলারদের সঙ্গে পোল্ট্রি ব্যবসায় বেশির ভাগ খামারি ঋণেগ্রস্ত হয়ে পড়েন। তবে চুক্তিবদ্ধ খামারে ঋণের কোনো মানসিক চাপ থাকে না। যে কারণে অদূর ভবিষ্যতে আমি ১০,০০০টি মুরগি সম্প্রসারণের স্বপ্ন দেখিছি।’
একই থানার হালিমাবাদের কৃষক ওহিদুল হক (৪৫) বলেন, ডিলাররা প্রায়ই কৃষকদের জন্য ঋণের ফাঁদ তৈরি করে। ‘আমি চুক্তিবদ্ধ খামারে যুক্ত হওয়ার পর থেকে লোকসান এবং ঋণের বোঝা থেকে চাপমুক্ত হয়েছি। কোনো টেনশন নেই। সাম্প্রতিক সময়ে ৩,০০০ মুরগি পালন করে আমি ৯১,০০০ টাকা লাভ করেছি,’ তিনি উল্লেখ করেন।
জেলা সদরের কুঞ্জপট্টির প্রবাসফেরত তাজউদ্দিন (৪৯) দুই দফায় ডিলারদের সঙ্গে মুরগির খামার করে ১২ লাখ টাকা লোকসান গুনে ২০২১ সালে খামার গুটিয়েছিলেন। ২০২২ সালে সিবিএফ-এর আওতায় নতুন করে খামার শুরু করে এখন ৬,০০০ মুরগির শেড থেকে প্রতি ব্যাচে ২,৬৫,০০০ টাকা লাভ করছেন। ‘আমি আমার নিজের জমিতে ৫০,০০০ মুরগি পালনের জন্য বেশ কয়েকটি শেড স্থাপন করতে চাই,’ তিনি তার স্বপ্নের কথা বলেন।
ডিলার ও খামারিদের কাছ থেকে মুরগি সংগ্রহ করে পাইকারি বাজারে সরবরাহকারী ভোলার শশীভূষণের ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেন (৩৪) বলেন, ‘সিবিএফ পোল্ট্রি ব্যবসায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। সচেতন পুরনো খামারিদের পাশাপাশি নতুন অনেকে এ ব্যবসায় যুক্ত হচ্ছেন। ফলে আগে এই দ্বীপজেলায় মুরগির চাহিদা ও উত্পাদনে যে ঘাটতি ছিল, তা পূরণ হয়েও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সরবরাহ হচ্ছে। ফলে এই ব্যবসায় মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমেছে।’

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০৯
ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থীর নারী কর্মীদের ওপর একই আসনের জামায়াত প্রার্থীর কর্মীদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী কামাল উদ্দিনের তিন কর্মী আহত হয়েছেন।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় চরফ্যাশন পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণা চলাকালে এ হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা আহত তিনজনকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। এই ঘটনায় ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার বরাবর একটি অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত হাতা পাখা প্রতীকের প্রার্থী কামাল উদ্দিনের মেয়ে মারিয়া কামাল ও তার দুই ভাইসহ কয়েকজন নারী কর্মীদের নিয়ে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সকাল ৯টার দিকে তার বাবার পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণা চালান।
এ সময় জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী মোস্তফা কামালের কর্মী সোহেল ও আলাউদ্দিন তাদের নির্বাচনি প্রচারণায় বাঁধা দেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে সোহেল ও আলাউদ্দিন দলবদ্ধ হয়ে হাত পাখার কর্মীদের ওপর হামলা চালায়।
ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী কামাল উদ্দিনের মেয়ে মারিয়া কামাল চরফ্যাশন প্রেসক্লাবে লিখিত বক্তব্যে জানান, তিনি তার দুই ভাই ফয়সাল আহমেদ ও তাহজিবসহ ৭/৮ জন নারী কর্মীকে নিয়ে সকাল ৯টায় পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচনি প্রচারণা চালায়।
এ সময় জামায়াত ইসলামীর কর্মী সোহেল ও আলাউদ্দিন তাদের প্রচারণায় বাধা দেন এবং এলাকা ছেড়ে যেতে হুমকি দেন। এ নিয়ে তাদের সাথে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এ সময় জামায়াত ইসলামীর কর্মীরা দলবদ্ধভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছেন।
ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী কামাল উদ্দিন জানান, জামায়াত ইসলামীর কর্মীরা আমাদের নারী কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তারা বিভিন্নভাবে আমার নির্বাচনি প্রচারণা বানচাল করতে চায়। এতে নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। তারা স্থানীয়দের মধ্যে আতংক সৃষ্টি করছে।
ঘটনার পরপরই জামায়াত কর্মী আলাউদ্দিন ও সোহেল মোবাইল ফোন বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় তাদের বক্তব্য নেওয়া যায়নি। তবে চরফ্যাশন উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমীর অধ্যক্ষ মীর মো. শরিফ জানান, যদি আমাদের কর্মী এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. লোকমান হোসেন জানান, ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে আমাকে ঘটনাটি অবগত করেছে। তবে তারা নিজেরাই সমঝোতা করবে বলেও জানিয়েছে।
ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থীর নারী কর্মীদের ওপর একই আসনের জামায়াত প্রার্থীর কর্মীদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী কামাল উদ্দিনের তিন কর্মী আহত হয়েছেন।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় চরফ্যাশন পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণা চলাকালে এ হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা আহত তিনজনকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। এই ঘটনায় ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার বরাবর একটি অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত হাতা পাখা প্রতীকের প্রার্থী কামাল উদ্দিনের মেয়ে মারিয়া কামাল ও তার দুই ভাইসহ কয়েকজন নারী কর্মীদের নিয়ে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সকাল ৯টার দিকে তার বাবার পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণা চালান।
এ সময় জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী মোস্তফা কামালের কর্মী সোহেল ও আলাউদ্দিন তাদের নির্বাচনি প্রচারণায় বাঁধা দেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে সোহেল ও আলাউদ্দিন দলবদ্ধ হয়ে হাত পাখার কর্মীদের ওপর হামলা চালায়।
ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী কামাল উদ্দিনের মেয়ে মারিয়া কামাল চরফ্যাশন প্রেসক্লাবে লিখিত বক্তব্যে জানান, তিনি তার দুই ভাই ফয়সাল আহমেদ ও তাহজিবসহ ৭/৮ জন নারী কর্মীকে নিয়ে সকাল ৯টায় পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচনি প্রচারণা চালায়।
এ সময় জামায়াত ইসলামীর কর্মী সোহেল ও আলাউদ্দিন তাদের প্রচারণায় বাধা দেন এবং এলাকা ছেড়ে যেতে হুমকি দেন। এ নিয়ে তাদের সাথে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এ সময় জামায়াত ইসলামীর কর্মীরা দলবদ্ধভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছেন।
ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী কামাল উদ্দিন জানান, জামায়াত ইসলামীর কর্মীরা আমাদের নারী কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তারা বিভিন্নভাবে আমার নির্বাচনি প্রচারণা বানচাল করতে চায়। এতে নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। তারা স্থানীয়দের মধ্যে আতংক সৃষ্টি করছে।
ঘটনার পরপরই জামায়াত কর্মী আলাউদ্দিন ও সোহেল মোবাইল ফোন বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় তাদের বক্তব্য নেওয়া যায়নি। তবে চরফ্যাশন উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমীর অধ্যক্ষ মীর মো. শরিফ জানান, যদি আমাদের কর্মী এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. লোকমান হোসেন জানান, ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে আমাকে ঘটনাটি অবগত করেছে। তবে তারা নিজেরাই সমঝোতা করবে বলেও জানিয়েছে।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৩
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার শাসনামল ছিল বাংলাদেশের জন্য স্বর্ণযুগ। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশে সুশাসন ফিরে আসবে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ একটি শান্তিপূর্ণ দেশে পরিনত হবে। সোমবার (২৬ জানুয়ারী) বিকেলে লালমোহন পৌরসভার বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মেজর হাফিজ আরো বলেন, প্রফেসর ইউনুসের সরকারের সময় দেশে সুবিচার কায়েম শুরু হয়েছে। যে বিচারের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় বিনা বিচারে ঘুম খুন করে মানুষ হত্যাকারী, সন্ত্রাসী, দূর্ণীতিবাজদের ফাসির রায় হচ্ছে, আশা করি তা দ্রুত বাস্তবায়নও হবে। বাংলাদেশে ৯৫% মুসলমান ইসলাম ধর্মের অনুসারী । সে দেশে ইসলামের নিয়মমুযায়ী দেশ পরিচালনা হবে এটাই স্বাভাবিক। বিএনপি এমন একটি দল যারা সন্ত্রাসী লালন করেনা। বিএনপি এমন রাস্ট্র কায়েম করতে চায় যে রাস্ট্রে মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।
লালমোহন পৌরসভা বিএনপির সভাপতি সাদেক মিয়া জান্টু‘র সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শফিউল্যাহ হাওলাদার, সোহেল আজিজ শাহীন, পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবুল পাটোয়ারী, উপজেলা যুবদলের সভাপতি শাহিনুল ইসলাম কবির হাওলাদার, পৌর যুবদলের সভাপতি জাকির ইমরান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম হাওলাদারসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী মেজর অব. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার শাসনামল ছিল বাংলাদেশের জন্য স্বর্ণযুগ। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশে সুশাসন ফিরে আসবে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ একটি শান্তিপূর্ণ দেশে পরিনত হবে। সোমবার (২৬ জানুয়ারী) বিকেলে লালমোহন পৌরসভার বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মেজর হাফিজ আরো বলেন, প্রফেসর ইউনুসের সরকারের সময় দেশে সুবিচার কায়েম শুরু হয়েছে। যে বিচারের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় বিনা বিচারে ঘুম খুন করে মানুষ হত্যাকারী, সন্ত্রাসী, দূর্ণীতিবাজদের ফাসির রায় হচ্ছে, আশা করি তা দ্রুত বাস্তবায়নও হবে। বাংলাদেশে ৯৫% মুসলমান ইসলাম ধর্মের অনুসারী । সে দেশে ইসলামের নিয়মমুযায়ী দেশ পরিচালনা হবে এটাই স্বাভাবিক। বিএনপি এমন একটি দল যারা সন্ত্রাসী লালন করেনা। বিএনপি এমন রাস্ট্র কায়েম করতে চায় যে রাস্ট্রে মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।
লালমোহন পৌরসভা বিএনপির সভাপতি সাদেক মিয়া জান্টু‘র সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শফিউল্যাহ হাওলাদার, সোহেল আজিজ শাহীন, পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবুল পাটোয়ারী, উপজেলা যুবদলের সভাপতি শাহিনুল ইসলাম কবির হাওলাদার, পৌর যুবদলের সভাপতি জাকির ইমরান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম হাওলাদারসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৪১
ভোলার লালমোহন ও বোরহানউদ্দিনে পৃথক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে লালমোহনে বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষে এক নারীসহ তিনজন এবং বোরহানউদ্দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এক যুবক নিহত হয়েছেন। তারা হলেন, শিল্পী রানী দাস, তুষার দাস ও মো. সোহাগ। অপরজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক পৌনে ৩টার দিকে লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজার সংলগ্ন ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে ভোলা–চরফ্যাশন সড়কে এবং বোরহানউদ্দিন উপজেলার উদয়পুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন কামাল চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, অটোরিকশাটি যাত্রী নিয়ে গজারিয়া বাজার এলাকায় যাওয়ার সময় ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে আসলে ভোলা থেকে চরফ্যাশনগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় এক নারীসহ অটোরিকশার তিন যাত্রী ঘটনাস্থলে নিহত হন। এছাড়া বাসটি রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এ ঘটনায় বাস ও অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী আহত হন। অপরদিকে ভোলার বোরহানউদ্দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মো. সোহাগ হোসেন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরের দিকে সোহাগ ও তার বন্ধু সিয়াম কুঞ্জেরহাট থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বোরহানউদ্দিন যাচ্ছিলেন। পরে উদয়পুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন কামাল চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে ভোলা–চরফ্যাশন সড়কে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার বাইরে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে সোহাগ নিহত হন এবং তার বন্ধু সিয়াম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলিউল ইসলাম ও বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ভোলার লালমোহন ও বোরহানউদ্দিনে পৃথক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে লালমোহনে বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষে এক নারীসহ তিনজন এবং বোরহানউদ্দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এক যুবক নিহত হয়েছেন। তারা হলেন, শিল্পী রানী দাস, তুষার দাস ও মো. সোহাগ। অপরজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক পৌনে ৩টার দিকে লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজার সংলগ্ন ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে ভোলা–চরফ্যাশন সড়কে এবং বোরহানউদ্দিন উপজেলার উদয়পুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন কামাল চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, অটোরিকশাটি যাত্রী নিয়ে গজারিয়া বাজার এলাকায় যাওয়ার সময় ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে আসলে ভোলা থেকে চরফ্যাশনগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় এক নারীসহ অটোরিকশার তিন যাত্রী ঘটনাস্থলে নিহত হন। এছাড়া বাসটি রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এ ঘটনায় বাস ও অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী আহত হন। অপরদিকে ভোলার বোরহানউদ্দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মো. সোহাগ হোসেন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরের দিকে সোহাগ ও তার বন্ধু সিয়াম কুঞ্জেরহাট থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বোরহানউদ্দিন যাচ্ছিলেন। পরে উদয়পুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন কামাল চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে ভোলা–চরফ্যাশন সড়কে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার বাইরে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে সোহাগ নিহত হন এবং তার বন্ধু সিয়াম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলিউল ইসলাম ও বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.