
২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২১:২১
খামার করে অতীতে সংকটে পড়া ভোলার বিপুলসংখ্যক প্রান্তিক পোল্ট্রি খামারি চুক্তিবদ্ধ ব্রয়লার ফার্মিংয়ে (সিবিএফ) যুক্ত হয়েছেন। এ ব্যবস্থায় খামারির আয় নিশ্চিত হয়েছে। তাদের সংসারে সচ্ছলতাও ফিরেছে। করোনা মহামারিতে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে বন্ধ হয়ে যাওয়া খামারগুলোও সিবিএফ সুবিধায় পুনরায় মুরগি উৎপাদনে ফিরেছে বলে জানিয়েছেন জেলার অধিকাংশ খামারি।
খামারিরা জানান, চুক্তিভিত্তিক খামার ব্যবস্থায় কম্পানি এক দিনের বাচ্চা, খাদ্য ও ওষুধসহ সব ধরনের উপকরণ খামারের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়। মেয়াদ শেষে মুরগিও বিক্রি করে দেয়। মুরগির বাজার কম থাকলে কম্পানির লোকসান হলেও খামারিদের কোনো লোকসান বহন করতে হয় না।
‘চুক্তিভিত্তিক খামার হাঁস-মুরগি পালনকে নতুন জীবন দিয়েছে। এটি মানুষের জন্য পুঁজি বিনিয়োগ ছাড়াই অর্থ উপার্জনের সুযোগ তৈরি করেছে,’ চরফ্যাশন উপজেলার জনতা রোডের হাঁস-মুরগির উপকরণ ব্যবসায়ী নুরুন্নবী মিয়া (৪৬) ১৪ ডিসেম্বর এ কথা বলেন।
১০ হাজার মুরগির খামার পরিচালনাকারী এই ব্যবসায়ী জানান, চুক্তিভিত্তিক খামারিরা কম্পানি থেকে বিনা মূল্যে সব উপকরণের পাশপাশি পরিকল্পিত খামার গড়তে কারিগরি পরামর্শ পান। এ ছাড়া কখনো কখনো বাজারদর ভালো না থাকায় কম্পানি কম দামে মুরগি বিক্রি করলেও তাতে খামারিদের ওপর কোনো প্রভাব পড়ে না। বরং চুক্তি অনুযায়ী লাভ পান।
যেহেতু কোনো পরিস্থিতিতেই উদ্যোক্তা ক্ষতির সম্মুখীন হন না, তাই যারা কখনো হাঁস-মুরগির খামার করার কথা ভাবেননি, তারাও সিবিএফ-এর খামারি হয়ে উঠছেন, তিনি আরো যোগ করেন।
বোরহানউদ্দিন উপজেলার বোরহানগঞ্জের মাহিয়া পোল্ট্রি ফিডসের স্বত্বাধিকারী আব্দুল মান্নান মোল্লা জানান, স্থানীয় ডিলারদের একটি অংশ উচ্চ মূল্যে উপকরণ বিক্রি করে মুরগি চাষিদের সুবিধা নিয়েছে, যার ফলে খামারিরা ঋণের জালে আটকে পড়েছেন। তিনি বলেন, ‘কাজী ফার্মের চুক্তিবদ্ধ খামার পোল্ট্রি ব্যবসাকে পুনরুজ্জীবিত করেছে। উত্পাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে বর্তমানে এই দ্বীপজেলায় পর্যাপ্ত ব্রয়লার মুরগি পাওয়া যায়।
তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, ‘ডিলারদের সঙ্গে ব্যবসা করাকালে একাধিকবার প্রতারিত হয়েছেন। একবার একজন ডিলার কৌশলে আমার কাছ থেকে একটি ফাঁকা চেক নিয়ে আমার বিরুদ্ধে ১২ লাখ টাকার মামলা করেছিলেন। পরে স্থানীয় সালিসের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে পেরেছি।’
চরফ্যাশনের কাশেমগঞ্জের একটি মসজিদের সাবেক ইমাম হাফেজ মোহাম্মদ ওয়াহিদ (৫৫) অতীত স্মৃতিচারণা করে জানান, ২০০৪ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে তিনি একে একে তিনজন ডিলারের সাথে ব্যবসা করেছিলেন। আর এরই মধ্যে খামারে লোকসানের কারণে ৬,০০,০০০ টাকা ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন। তখন খামার বন্ধ করতে বাধ্য হলেও ঋণের দায় মেটাতে আমার ছেলেকে একজন ডিলারের দোকানে কাজ করাতে বাধ্য হয়েছি।
তিনি বলেন ‘২০২১ সালে চুক্তিবদ্ধ খামারে যুক্ত হওয়ার পর থেকে কমিশনের টাকায় পরিবারের খরচ মিটিয়ে ডিলারদের অতীতের ঋণ পরিশোধ করছি। বর্তমানে আমার ৩,০০০ মুরগির খামার থেকে প্রতি ব্যাচে গড়ে ৮৮,০০০ টাকা পাচ্ছি।’
একটি ওষুধ কম্পানির বিপণন প্রতিনিধি চরফ্যাশনের দক্ষিণ আদর্শপাড়ায় চুক্তিবদ্ধ খামারি ইয়াকুব আলী (৪৫) তার ১,০০০ মুরগির খামার থেকে ১১টি ব্যাচে ৩,০০,০০০ টাকা লাভ করার তথ্য জানিয়ে বলেন, “ডিলারদের সঙ্গে পোল্ট্রি ব্যবসায় বেশির ভাগ খামারি ঋণেগ্রস্ত হয়ে পড়েন। তবে চুক্তিবদ্ধ খামারে ঋণের কোনো মানসিক চাপ থাকে না। যে কারণে অদূর ভবিষ্যতে আমি ১০,০০০টি মুরগি সম্প্রসারণের স্বপ্ন দেখিছি।’
একই থানার হালিমাবাদের কৃষক ওহিদুল হক (৪৫) বলেন, ডিলাররা প্রায়ই কৃষকদের জন্য ঋণের ফাঁদ তৈরি করে। ‘আমি চুক্তিবদ্ধ খামারে যুক্ত হওয়ার পর থেকে লোকসান এবং ঋণের বোঝা থেকে চাপমুক্ত হয়েছি। কোনো টেনশন নেই। সাম্প্রতিক সময়ে ৩,০০০ মুরগি পালন করে আমি ৯১,০০০ টাকা লাভ করেছি,’ তিনি উল্লেখ করেন।
জেলা সদরের কুঞ্জপট্টির প্রবাসফেরত তাজউদ্দিন (৪৯) দুই দফায় ডিলারদের সঙ্গে মুরগির খামার করে ১২ লাখ টাকা লোকসান গুনে ২০২১ সালে খামার গুটিয়েছিলেন। ২০২২ সালে সিবিএফ-এর আওতায় নতুন করে খামার শুরু করে এখন ৬,০০০ মুরগির শেড থেকে প্রতি ব্যাচে ২,৬৫,০০০ টাকা লাভ করছেন। ‘আমি আমার নিজের জমিতে ৫০,০০০ মুরগি পালনের জন্য বেশ কয়েকটি শেড স্থাপন করতে চাই,’ তিনি তার স্বপ্নের কথা বলেন।
ডিলার ও খামারিদের কাছ থেকে মুরগি সংগ্রহ করে পাইকারি বাজারে সরবরাহকারী ভোলার শশীভূষণের ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেন (৩৪) বলেন, ‘সিবিএফ পোল্ট্রি ব্যবসায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। সচেতন পুরনো খামারিদের পাশাপাশি নতুন অনেকে এ ব্যবসায় যুক্ত হচ্ছেন। ফলে আগে এই দ্বীপজেলায় মুরগির চাহিদা ও উত্পাদনে যে ঘাটতি ছিল, তা পূরণ হয়েও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সরবরাহ হচ্ছে। ফলে এই ব্যবসায় মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমেছে।’
খামার করে অতীতে সংকটে পড়া ভোলার বিপুলসংখ্যক প্রান্তিক পোল্ট্রি খামারি চুক্তিবদ্ধ ব্রয়লার ফার্মিংয়ে (সিবিএফ) যুক্ত হয়েছেন। এ ব্যবস্থায় খামারির আয় নিশ্চিত হয়েছে। তাদের সংসারে সচ্ছলতাও ফিরেছে। করোনা মহামারিতে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে বন্ধ হয়ে যাওয়া খামারগুলোও সিবিএফ সুবিধায় পুনরায় মুরগি উৎপাদনে ফিরেছে বলে জানিয়েছেন জেলার অধিকাংশ খামারি।
খামারিরা জানান, চুক্তিভিত্তিক খামার ব্যবস্থায় কম্পানি এক দিনের বাচ্চা, খাদ্য ও ওষুধসহ সব ধরনের উপকরণ খামারের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়। মেয়াদ শেষে মুরগিও বিক্রি করে দেয়। মুরগির বাজার কম থাকলে কম্পানির লোকসান হলেও খামারিদের কোনো লোকসান বহন করতে হয় না।
‘চুক্তিভিত্তিক খামার হাঁস-মুরগি পালনকে নতুন জীবন দিয়েছে। এটি মানুষের জন্য পুঁজি বিনিয়োগ ছাড়াই অর্থ উপার্জনের সুযোগ তৈরি করেছে,’ চরফ্যাশন উপজেলার জনতা রোডের হাঁস-মুরগির উপকরণ ব্যবসায়ী নুরুন্নবী মিয়া (৪৬) ১৪ ডিসেম্বর এ কথা বলেন।
১০ হাজার মুরগির খামার পরিচালনাকারী এই ব্যবসায়ী জানান, চুক্তিভিত্তিক খামারিরা কম্পানি থেকে বিনা মূল্যে সব উপকরণের পাশপাশি পরিকল্পিত খামার গড়তে কারিগরি পরামর্শ পান। এ ছাড়া কখনো কখনো বাজারদর ভালো না থাকায় কম্পানি কম দামে মুরগি বিক্রি করলেও তাতে খামারিদের ওপর কোনো প্রভাব পড়ে না। বরং চুক্তি অনুযায়ী লাভ পান।
যেহেতু কোনো পরিস্থিতিতেই উদ্যোক্তা ক্ষতির সম্মুখীন হন না, তাই যারা কখনো হাঁস-মুরগির খামার করার কথা ভাবেননি, তারাও সিবিএফ-এর খামারি হয়ে উঠছেন, তিনি আরো যোগ করেন।
বোরহানউদ্দিন উপজেলার বোরহানগঞ্জের মাহিয়া পোল্ট্রি ফিডসের স্বত্বাধিকারী আব্দুল মান্নান মোল্লা জানান, স্থানীয় ডিলারদের একটি অংশ উচ্চ মূল্যে উপকরণ বিক্রি করে মুরগি চাষিদের সুবিধা নিয়েছে, যার ফলে খামারিরা ঋণের জালে আটকে পড়েছেন। তিনি বলেন, ‘কাজী ফার্মের চুক্তিবদ্ধ খামার পোল্ট্রি ব্যবসাকে পুনরুজ্জীবিত করেছে। উত্পাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে বর্তমানে এই দ্বীপজেলায় পর্যাপ্ত ব্রয়লার মুরগি পাওয়া যায়।
তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, ‘ডিলারদের সঙ্গে ব্যবসা করাকালে একাধিকবার প্রতারিত হয়েছেন। একবার একজন ডিলার কৌশলে আমার কাছ থেকে একটি ফাঁকা চেক নিয়ে আমার বিরুদ্ধে ১২ লাখ টাকার মামলা করেছিলেন। পরে স্থানীয় সালিসের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে পেরেছি।’
চরফ্যাশনের কাশেমগঞ্জের একটি মসজিদের সাবেক ইমাম হাফেজ মোহাম্মদ ওয়াহিদ (৫৫) অতীত স্মৃতিচারণা করে জানান, ২০০৪ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে তিনি একে একে তিনজন ডিলারের সাথে ব্যবসা করেছিলেন। আর এরই মধ্যে খামারে লোকসানের কারণে ৬,০০,০০০ টাকা ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন। তখন খামার বন্ধ করতে বাধ্য হলেও ঋণের দায় মেটাতে আমার ছেলেকে একজন ডিলারের দোকানে কাজ করাতে বাধ্য হয়েছি।
তিনি বলেন ‘২০২১ সালে চুক্তিবদ্ধ খামারে যুক্ত হওয়ার পর থেকে কমিশনের টাকায় পরিবারের খরচ মিটিয়ে ডিলারদের অতীতের ঋণ পরিশোধ করছি। বর্তমানে আমার ৩,০০০ মুরগির খামার থেকে প্রতি ব্যাচে গড়ে ৮৮,০০০ টাকা পাচ্ছি।’
একটি ওষুধ কম্পানির বিপণন প্রতিনিধি চরফ্যাশনের দক্ষিণ আদর্শপাড়ায় চুক্তিবদ্ধ খামারি ইয়াকুব আলী (৪৫) তার ১,০০০ মুরগির খামার থেকে ১১টি ব্যাচে ৩,০০,০০০ টাকা লাভ করার তথ্য জানিয়ে বলেন, “ডিলারদের সঙ্গে পোল্ট্রি ব্যবসায় বেশির ভাগ খামারি ঋণেগ্রস্ত হয়ে পড়েন। তবে চুক্তিবদ্ধ খামারে ঋণের কোনো মানসিক চাপ থাকে না। যে কারণে অদূর ভবিষ্যতে আমি ১০,০০০টি মুরগি সম্প্রসারণের স্বপ্ন দেখিছি।’
একই থানার হালিমাবাদের কৃষক ওহিদুল হক (৪৫) বলেন, ডিলাররা প্রায়ই কৃষকদের জন্য ঋণের ফাঁদ তৈরি করে। ‘আমি চুক্তিবদ্ধ খামারে যুক্ত হওয়ার পর থেকে লোকসান এবং ঋণের বোঝা থেকে চাপমুক্ত হয়েছি। কোনো টেনশন নেই। সাম্প্রতিক সময়ে ৩,০০০ মুরগি পালন করে আমি ৯১,০০০ টাকা লাভ করেছি,’ তিনি উল্লেখ করেন।
জেলা সদরের কুঞ্জপট্টির প্রবাসফেরত তাজউদ্দিন (৪৯) দুই দফায় ডিলারদের সঙ্গে মুরগির খামার করে ১২ লাখ টাকা লোকসান গুনে ২০২১ সালে খামার গুটিয়েছিলেন। ২০২২ সালে সিবিএফ-এর আওতায় নতুন করে খামার শুরু করে এখন ৬,০০০ মুরগির শেড থেকে প্রতি ব্যাচে ২,৬৫,০০০ টাকা লাভ করছেন। ‘আমি আমার নিজের জমিতে ৫০,০০০ মুরগি পালনের জন্য বেশ কয়েকটি শেড স্থাপন করতে চাই,’ তিনি তার স্বপ্নের কথা বলেন।
ডিলার ও খামারিদের কাছ থেকে মুরগি সংগ্রহ করে পাইকারি বাজারে সরবরাহকারী ভোলার শশীভূষণের ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেন (৩৪) বলেন, ‘সিবিএফ পোল্ট্রি ব্যবসায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। সচেতন পুরনো খামারিদের পাশাপাশি নতুন অনেকে এ ব্যবসায় যুক্ত হচ্ছেন। ফলে আগে এই দ্বীপজেলায় মুরগির চাহিদা ও উত্পাদনে যে ঘাটতি ছিল, তা পূরণ হয়েও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সরবরাহ হচ্ছে। ফলে এই ব্যবসায় মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমেছে।’

১১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:২২
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় এইচএসসি পরীক্ষায় নকলের সুযোগ না পেয়ে কেন্দ্রে হামলা-ভাঙচুর করা হয়েছে। শনিবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) পরীক্ষা শেষে উপজেলার ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রের মূল ফটক ভাঙচুর করে শতাধিক পরীক্ষার্থী। এবং কলেজ অধ্যক্ষের কক্ষের জানালার গ্লাস ভাঙচুর করা হয়। এ সময় শিক্ষক-কর্মচারীসহ অন্তত কলেজ সভাপতিসহ ১০/১৫ জন আহত হন। পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ওই কেন্দ্রে মোট ৮৮৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।
অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন বাচ্চু বলেন, এমসিকিউ পরীক্ষার সময় কিছু পরীক্ষার্থী নকলের সুযোগ চেয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী তাদের সে সুযোগ দেওয়া হয়নি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে পরীক্ষা শেষে তারা হামলা ও ভাঙচুর চালায়। তবে আমরা এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র নিরাপদে সংরক্ষণ করতে সক্ষম হয়েছি। হামলায় কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সিকদার হুমায়ুন কবির ইটের আঘাতে আহত হয়েছেন।
কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সিকদার হুমায়ুন কবির বলেন, শুধু পরীক্ষার্থীরাই নয় তাদের সঙ্গে বহিরাগতরাও হামলায় অংশ নেয়।
ঘটনার পর চরফ্যাশন সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক জসিম উদ্দিন ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজে এলেও সাংবাদিকদের এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ সাংবাদিকদের বলেন, চরফ্যাশন সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। শুনেছি প্রশ্ন কঠিন হওয়া এবং নকল করতে না দেওয়াকে কেন্দ্র করে পরীক্ষা শেষে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় এইচএসসি পরীক্ষায় নকলের সুযোগ না পেয়ে কেন্দ্রে হামলা-ভাঙচুর করা হয়েছে। শনিবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) পরীক্ষা শেষে উপজেলার ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রের মূল ফটক ভাঙচুর করে শতাধিক পরীক্ষার্থী। এবং কলেজ অধ্যক্ষের কক্ষের জানালার গ্লাস ভাঙচুর করা হয়। এ সময় শিক্ষক-কর্মচারীসহ অন্তত কলেজ সভাপতিসহ ১০/১৫ জন আহত হন। পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ওই কেন্দ্রে মোট ৮৮৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।
অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন বাচ্চু বলেন, এমসিকিউ পরীক্ষার সময় কিছু পরীক্ষার্থী নকলের সুযোগ চেয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী তাদের সে সুযোগ দেওয়া হয়নি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে পরীক্ষা শেষে তারা হামলা ও ভাঙচুর চালায়। তবে আমরা এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র নিরাপদে সংরক্ষণ করতে সক্ষম হয়েছি। হামলায় কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সিকদার হুমায়ুন কবির ইটের আঘাতে আহত হয়েছেন।
কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সিকদার হুমায়ুন কবির বলেন, শুধু পরীক্ষার্থীরাই নয় তাদের সঙ্গে বহিরাগতরাও হামলায় অংশ নেয়।
ঘটনার পর চরফ্যাশন সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক জসিম উদ্দিন ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজে এলেও সাংবাদিকদের এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ সাংবাদিকদের বলেন, চরফ্যাশন সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। শুনেছি প্রশ্ন কঠিন হওয়া এবং নকল করতে না দেওয়াকে কেন্দ্র করে পরীক্ষা শেষে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

১০ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪০
ভোলার লালমোহন উপজেলায় মুরগির খামারে প্রবেশ করায় পাখি মারার অভিযোগ উঠেছে মো. জামাল হাওলাদার নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চৌমুহনী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এ যেন পাখি মেরে পৈশাচিক আনন্দের বহিঃপ্রকাশ। এই পাখি মারার ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। হত্যার শিকার পাখির মধ্যে অধিকাংশই দেশীয় প্রজাতির শালিক ও দোয়েল।
স্থানীয় বাবুল চৌকিদার নামে এক ব্যক্তি জানান, চৌমুহনি বাজারের পাশে পূর্বরমাগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পেছনে জামাল হাওলাদারের মুরগির খামার রয়েছে। ওই খামারে পাখি ঢুকে বয়লার খাওয়ার কারণে পাখিগুলোকে মেরে ফেলেন জামাল হাওলাদার।
চৌমুহনী বাজারের ব্যবসায়ী মো. মাকসুদ বলেন, বয়লার খাবার খেতে আসা পাখিগুলোকে মেরে ঝুলিয়ে রাখেন জামাল হাওলাদার। পরে পাখিগুলো পুকুরে ফেলে দেন তিনি। ঘটনাটি জানার পর গিয়ে দেখি প্রায় ১৬ থেকে ১৭টি পাখি মারা গেছে। আর জীবিত আটকিয়ে রাখা হয়েছে ২০ থেকে ২৫টি পাখি। আমরা জীবিত পাখিগুলোকে ছেড়ে দিয়েছি।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় আরও কয়েকজন জানান, জামাল হাওলাদার প্রতিদিন মুরগীর খামারে এসে খামারের জাল উঠিয়ে দেন। জাল ওঠানোর পর পাখিগুলো বয়লার খেতে খামারে প্রবেশ করলে তিনি জাল নামিয়ে দেন। এরপর তিনি পাখিগুলোকে পিটিয়ে মেরে পৈশাচিক আনন্দ উপভোগ করেন। মরা পাখিগুলোকে কখনো মাটিতে পুতে ফেলেন এবং কখনো কচুরিওয়ালা পকুরে ফেলে দেন। পাখির প্রতি এমন নির্মিম আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। পাখির প্রতি নিষ্ঠুর আচরণের জন্য পরিবশে ও বন্য আইনে খামার মালিক জামাল হাওলাদারের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
এদিকে এ ব্যাপারে জানতে খামার মালিক মো. জামাল হাওলাদারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি কল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।
এ বিষয়ে ভোলা উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আরিফুল হক বেলাল বরিশালটাইমসকে বলেন, বন্য পাখি মারার সুযোগ নেই। এ ব্যাপারে আমাদের লালমোহনের প্রতিনিধিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলবো।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় মুরগির খামারে প্রবেশ করায় পাখি মারার অভিযোগ উঠেছে মো. জামাল হাওলাদার নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চৌমুহনী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এ যেন পাখি মেরে পৈশাচিক আনন্দের বহিঃপ্রকাশ। এই পাখি মারার ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। হত্যার শিকার পাখির মধ্যে অধিকাংশই দেশীয় প্রজাতির শালিক ও দোয়েল।
স্থানীয় বাবুল চৌকিদার নামে এক ব্যক্তি জানান, চৌমুহনি বাজারের পাশে পূর্বরমাগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পেছনে জামাল হাওলাদারের মুরগির খামার রয়েছে। ওই খামারে পাখি ঢুকে বয়লার খাওয়ার কারণে পাখিগুলোকে মেরে ফেলেন জামাল হাওলাদার।
চৌমুহনী বাজারের ব্যবসায়ী মো. মাকসুদ বলেন, বয়লার খাবার খেতে আসা পাখিগুলোকে মেরে ঝুলিয়ে রাখেন জামাল হাওলাদার। পরে পাখিগুলো পুকুরে ফেলে দেন তিনি। ঘটনাটি জানার পর গিয়ে দেখি প্রায় ১৬ থেকে ১৭টি পাখি মারা গেছে। আর জীবিত আটকিয়ে রাখা হয়েছে ২০ থেকে ২৫টি পাখি। আমরা জীবিত পাখিগুলোকে ছেড়ে দিয়েছি।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় আরও কয়েকজন জানান, জামাল হাওলাদার প্রতিদিন মুরগীর খামারে এসে খামারের জাল উঠিয়ে দেন। জাল ওঠানোর পর পাখিগুলো বয়লার খেতে খামারে প্রবেশ করলে তিনি জাল নামিয়ে দেন। এরপর তিনি পাখিগুলোকে পিটিয়ে মেরে পৈশাচিক আনন্দ উপভোগ করেন। মরা পাখিগুলোকে কখনো মাটিতে পুতে ফেলেন এবং কখনো কচুরিওয়ালা পকুরে ফেলে দেন। পাখির প্রতি এমন নির্মিম আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। পাখির প্রতি নিষ্ঠুর আচরণের জন্য পরিবশে ও বন্য আইনে খামার মালিক জামাল হাওলাদারের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
এদিকে এ ব্যাপারে জানতে খামার মালিক মো. জামাল হাওলাদারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি কল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।
এ বিষয়ে ভোলা উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আরিফুল হক বেলাল বরিশালটাইমসকে বলেন, বন্য পাখি মারার সুযোগ নেই। এ ব্যাপারে আমাদের লালমোহনের প্রতিনিধিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলবো।’

১০ জুলাই, ২০২৬ ০১:১০
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদ্যস হলেন ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম। বুধবার (৮ জুলাই) সংসদ অধিবেশনে সংসদ নেতার পক্ষে চিফ হুইপ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম এই কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে কণ্ঠভোটের মাধ্যমে প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলে তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসীন হওয়ায় সংসদীয় এলাকায় তার অনুগত বিএনপি নেতাকর্মী নেতাকর্মীরা বিশেষ করে দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিনবাসী অভিনন্দন জানিয়েছে।
সংসদীয় এই কমিটি মূলত সরকারি বিভিন্ন হিসাব-নিকাশ এবং ব্যয়ের স্বচ্ছতা তদারকির দায়িত্ব পালন করবে বলে কার্যপ্রণালী বিধিতে উল্লেখ রয়েছে।
ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদ্যস নির্বাচিত হওয়ায় দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ শুভেচ্ছা জানান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদ্যস হলেন ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম। বুধবার (৮ জুলাই) সংসদ অধিবেশনে সংসদ নেতার পক্ষে চিফ হুইপ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম এই কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে কণ্ঠভোটের মাধ্যমে প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলে তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসীন হওয়ায় সংসদীয় এলাকায় তার অনুগত বিএনপি নেতাকর্মী নেতাকর্মীরা বিশেষ করে দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিনবাসী অভিনন্দন জানিয়েছে।
সংসদীয় এই কমিটি মূলত সরকারি বিভিন্ন হিসাব-নিকাশ এবং ব্যয়ের স্বচ্ছতা তদারকির দায়িত্ব পালন করবে বলে কার্যপ্রণালী বিধিতে উল্লেখ রয়েছে।
ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদ্যস নির্বাচিত হওয়ায় দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ শুভেচ্ছা জানান।
১৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:৪৫
১৩ জুলাই, ২০২৬ ২৩:৫৮
১৩ জুলাই, ২০২৬ ২১:৫১
১৩ জুলাই, ২০২৬ ২১:১৩