
১২ জুলাই, ২০২৬ ২৩:১২
তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি",এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পটুয়াখালরি বাউফল উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬।
দিবসটি উপলক্ষে রোববার (১২ই জুলাই) উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়াম রুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত সভায় জেলা পরিবার পরিকল্পনা সহকারী পরিচালক ও বাউফল উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (আঃদাঃ) মোঃদ. আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুর রউফ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ মিলন, উপজেলা সমাজসেবা অফিসের ফিল্ড সুপারভাইজার মোঃ হুমায়ুন কবির, ব্র্যাক প্রগ্রামার অফিসার, পবিত্র চন্দ্র, বাউফল প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক প্রভাষক ডাঃ মোঃ জসীম উদ্দিন, উপ-সহকারী কমিউনিটি অফিসার সুজন কুমার পাল,দাসপাড়া ইউনিয়ন পরিদর্শক আবু মোতালেব সহ উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকর্মীরা।
আলোচনা সভা শেষে উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে কর্ম দক্ষতার ভিত্তিতে ছয়টি ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত ৬জনকে সম্মাননা স্মারক ও ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। এ বছর যারা বাউফল উপজেলায় কাজের কর্মদক্ষতায় শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হয়েছেন তারা হলেন- শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারি নির্বাচিত হয়েছেন দাসপাড়া ২/খ ইউনিটের কামরুন্নাহার, শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ পরিদশিকা দাসপাড়া ইউনিয়ন ক্লিনিকের মরিয়ম বেগম, শ্রেষ্ঠ দাসপাড়া ইউনিয়ন পরিবার কল্যান পরিদর্শক মোঃ আবু মোতালেব, শ্রেষ্ঠ নওমালা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রে উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার প্রভাকর রায় নয়ন, শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান দাসপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ, শ্রেষ্ঠ কাছিপাড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে, কাছিপাড়, বাউফল, পটুয়াখালী।
তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি",এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পটুয়াখালরি বাউফল উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬।
দিবসটি উপলক্ষে রোববার (১২ই জুলাই) উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়াম রুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত সভায় জেলা পরিবার পরিকল্পনা সহকারী পরিচালক ও বাউফল উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (আঃদাঃ) মোঃদ. আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুর রউফ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ মিলন, উপজেলা সমাজসেবা অফিসের ফিল্ড সুপারভাইজার মোঃ হুমায়ুন কবির, ব্র্যাক প্রগ্রামার অফিসার, পবিত্র চন্দ্র, বাউফল প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক প্রভাষক ডাঃ মোঃ জসীম উদ্দিন, উপ-সহকারী কমিউনিটি অফিসার সুজন কুমার পাল,দাসপাড়া ইউনিয়ন পরিদর্শক আবু মোতালেব সহ উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকর্মীরা।
আলোচনা সভা শেষে উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে কর্ম দক্ষতার ভিত্তিতে ছয়টি ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত ৬জনকে সম্মাননা স্মারক ও ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। এ বছর যারা বাউফল উপজেলায় কাজের কর্মদক্ষতায় শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হয়েছেন তারা হলেন- শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারি নির্বাচিত হয়েছেন দাসপাড়া ২/খ ইউনিটের কামরুন্নাহার, শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ পরিদশিকা দাসপাড়া ইউনিয়ন ক্লিনিকের মরিয়ম বেগম, শ্রেষ্ঠ দাসপাড়া ইউনিয়ন পরিবার কল্যান পরিদর্শক মোঃ আবু মোতালেব, শ্রেষ্ঠ নওমালা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রে উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার প্রভাকর রায় নয়ন, শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান দাসপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ, শ্রেষ্ঠ কাছিপাড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে, কাছিপাড়, বাউফল, পটুয়াখালী।

১১ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৫৬
পটুয়াখালীর বাউফলে বিয়ের মাত্র ২ মাসের মাথায় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী তার স্ত্রীকে তালাক দিয়ে চলে যেতে চাপ সৃষ্টি করায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ১০টায় বাউফল পৌরশহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দরবেশ আলী সড়কের একটি বাসা থেকে ইসরাত জাহান নিশি (২৮) নামে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ইসরাত জাহান নিশি ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার দেউলা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড পশ্চিম দেউলা গ্রামের নাসির মোল্লার মেয়ে এবং বাউফল পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দরবেশ আলী সড়কের আব্দুর রশিদ ঢালীর ছেলে আমেরিকা প্রবাসী মনিরুল ইসলাম ঢালীর স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই মাস আগে পারিবারিকভাবে মনিরুল ইসলাম ঢালীর সঙ্গে নিশির বিয়ে হয়। এর আগে মনিরুলের আরেকটি বিয়ে হলেও দাম্পত্য কলহের জেরে সেই সংসারের বিচ্ছেদ ঘটে। আনুষ্ঠানিক ভাবে নিশিকে তুলে আনা হয়নি। বিয়ের পর থেকেই মনিরুল ইসলাম মনির তাকে রাখবেনা বলে জানালে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য তৈরি হয়। একপর্যায়ে সংসার টিকিয়ে রাখার জন্য গত ১৫ দিন পূর্বে নিশি তার খালাকে নিয়ে স্বামীর বাড়িতে চলে আসেন।
শুক্রবার (১১ জুলাই) রাতে খাবার শেষে মনিরুল ইসলাম নিশিকে তালাক দিয়ে চলে যেতে চাপ প্রয়োগ কররে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। চাপ সহ্য করতে না পেরে নিশি আলাদা একটি কক্ষে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে পরিবারের সদস্যরা ডাকাডাকি করলেও তিনি সাড়া দেননি। শনিবার সকালে আবারও ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া না পেয়ে আনুমানিক ৮টার দিকে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
বাউফল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় দরজা ভেঙে কক্ষের ভেতর থেকে বৈদ্যুতিক পাখার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় নিশির মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নেওয়া হয়।
স্বামী মনিরুল ইসলাম ঢালী বলেন, রাতে সামান্য মনোমালিন্যের পর নিশি আলাদা কক্ষে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। রাতে এবং সকালে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
নিহত নিশির মা শিক্ষিকা ছাবিনা ইয়াসমিন বলেন, মনিরুল তাকে রাত ১০টার দিকে জানিয়েছে নিশির সাখে একটু কথার কাটাকাটি হয়েছে। সে (নিশি) একা একটি কক্ষে দরজা বন্ধ করে আছে। আমি (নিশির মা) দরজা ভেঙ্গে তাকে বের করতে বলি। মনিরুল বলে দরজা অনেক মজবুত ভেঙে বের করা যাবেনা । সকালে এমনিতেই বের হবে এই বলে ফোন কেটে দেয়। এর পর থেকে তাদের কাউকেই আর ফোনে পাওয়া যায়নি। সকালে সংবাদ পাই নিশি মারা গেছে। ওকে পরিকল্পিত ভাবে মরতে বাধ্য করা হয়েছে। আমি এ হত্যাকান্ডের বিচার চাই। ঘটনার পর সহকারী পুলিশ সুপার (বাউফল সার্কেল) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
বাউফল থানা পুলিশের ওসি সিরাজুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। বর্তমানে ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে।
নিহত পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, মন্তব্য করেন ওসি।’
পটুয়াখালীর বাউফলে বিয়ের মাত্র ২ মাসের মাথায় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী তার স্ত্রীকে তালাক দিয়ে চলে যেতে চাপ সৃষ্টি করায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ১০টায় বাউফল পৌরশহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দরবেশ আলী সড়কের একটি বাসা থেকে ইসরাত জাহান নিশি (২৮) নামে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ইসরাত জাহান নিশি ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার দেউলা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড পশ্চিম দেউলা গ্রামের নাসির মোল্লার মেয়ে এবং বাউফল পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দরবেশ আলী সড়কের আব্দুর রশিদ ঢালীর ছেলে আমেরিকা প্রবাসী মনিরুল ইসলাম ঢালীর স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই মাস আগে পারিবারিকভাবে মনিরুল ইসলাম ঢালীর সঙ্গে নিশির বিয়ে হয়। এর আগে মনিরুলের আরেকটি বিয়ে হলেও দাম্পত্য কলহের জেরে সেই সংসারের বিচ্ছেদ ঘটে। আনুষ্ঠানিক ভাবে নিশিকে তুলে আনা হয়নি। বিয়ের পর থেকেই মনিরুল ইসলাম মনির তাকে রাখবেনা বলে জানালে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য তৈরি হয়। একপর্যায়ে সংসার টিকিয়ে রাখার জন্য গত ১৫ দিন পূর্বে নিশি তার খালাকে নিয়ে স্বামীর বাড়িতে চলে আসেন।
শুক্রবার (১১ জুলাই) রাতে খাবার শেষে মনিরুল ইসলাম নিশিকে তালাক দিয়ে চলে যেতে চাপ প্রয়োগ কররে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। চাপ সহ্য করতে না পেরে নিশি আলাদা একটি কক্ষে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে পরিবারের সদস্যরা ডাকাডাকি করলেও তিনি সাড়া দেননি। শনিবার সকালে আবারও ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া না পেয়ে আনুমানিক ৮টার দিকে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
বাউফল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় দরজা ভেঙে কক্ষের ভেতর থেকে বৈদ্যুতিক পাখার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় নিশির মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নেওয়া হয়।
স্বামী মনিরুল ইসলাম ঢালী বলেন, রাতে সামান্য মনোমালিন্যের পর নিশি আলাদা কক্ষে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। রাতে এবং সকালে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
নিহত নিশির মা শিক্ষিকা ছাবিনা ইয়াসমিন বলেন, মনিরুল তাকে রাত ১০টার দিকে জানিয়েছে নিশির সাখে একটু কথার কাটাকাটি হয়েছে। সে (নিশি) একা একটি কক্ষে দরজা বন্ধ করে আছে। আমি (নিশির মা) দরজা ভেঙ্গে তাকে বের করতে বলি। মনিরুল বলে দরজা অনেক মজবুত ভেঙে বের করা যাবেনা । সকালে এমনিতেই বের হবে এই বলে ফোন কেটে দেয়। এর পর থেকে তাদের কাউকেই আর ফোনে পাওয়া যায়নি। সকালে সংবাদ পাই নিশি মারা গেছে। ওকে পরিকল্পিত ভাবে মরতে বাধ্য করা হয়েছে। আমি এ হত্যাকান্ডের বিচার চাই। ঘটনার পর সহকারী পুলিশ সুপার (বাউফল সার্কেল) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
বাউফল থানা পুলিশের ওসি সিরাজুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। বর্তমানে ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে।
নিহত পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, মন্তব্য করেন ওসি।’

১১ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৫৩
পটুয়াখালীর গলাচিপায় একাধিক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার (১০ জুলাই) মধ্যরাতে উপজেলার গোলখালী ইউনিয়ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আমির হোসেন ফকিরের ছেলে সাহারুল ফকির এবং একই ইউনিয়নের পূর্ব গোলখালী গ্রামের মোখলেসুর রহমান মোল্লার ছেলে মহিবুল্লাহ মোল্লা। পুলিশ জানিয়েছে, তারা দুজনেই দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।
গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে—সাহারুল ফকিরের বিরুদ্ধে ৪টি মামলা ও ৩টি ওয়ারেন্ট রয়েছে এবং মহিবুল্লাহ মোল্লার বিরুদ্ধে ৫টি মামলা ও ১টি ওয়ারেন্ট রয়েছে।
আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক কারবার চালিয়ে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওয়ারেন্ট মূলে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ শনিবার বিধি মোতাবেক তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পটুয়াখালীর গলাচিপায় একাধিক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার (১০ জুলাই) মধ্যরাতে উপজেলার গোলখালী ইউনিয়ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আমির হোসেন ফকিরের ছেলে সাহারুল ফকির এবং একই ইউনিয়নের পূর্ব গোলখালী গ্রামের মোখলেসুর রহমান মোল্লার ছেলে মহিবুল্লাহ মোল্লা। পুলিশ জানিয়েছে, তারা দুজনেই দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।
গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে—সাহারুল ফকিরের বিরুদ্ধে ৪টি মামলা ও ৩টি ওয়ারেন্ট রয়েছে এবং মহিবুল্লাহ মোল্লার বিরুদ্ধে ৫টি মামলা ও ১টি ওয়ারেন্ট রয়েছে।
আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক কারবার চালিয়ে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওয়ারেন্ট মূলে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ শনিবার বিধি মোতাবেক তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।

১১ জুলাই, ২০২৬ ১১:০৯
পটুয়াখালীর বাউফলে এশার নামাজ আদায় করতে যাওয়ার পথে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় মো. মুসা (৫৫) নামে এক গণিত শিক্ষকের মর্মান্তি মৃত্যুর মাধ্যমে জীবন থেমে গেল। শুক্রবার (১০ জুলাই) রাত ৯টার দিকে উপজেলার সূর্যমনি ইউনিয়নের নুরাইনপুর বাজার সংলগ্ন ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মো. মুসা উপজেলার নুরাইনপুর অগ্রাণী বিদ্যাপীঠের গনিত বিষয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। তার এই আকস্মিক মৃত্যুতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নুরাইনপুর বাজার এলাকায় বসবাসকারী মো. মুসা প্রতিদিনের মতো শুক্রবার রাতে এশার নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে নুরাইনপুর বাজার জামে মসজিদে যাচ্ছিলেন। পথে পিছন দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। অটোরিকশার ধাক্কায় তিনি পাকা সড়কে ছিটকে পড়ে মাথা ও মুখমন্ডলে গুরুতর আঘাত পান।
দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আবদুর রউফ জানান, পাকারাস্তায় পড়ে মাথা ও মুখমন্ডলে মারাত্মক আঘাত পাওয়ায় এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে হাসপাতালে আনার পরপরই চিকিৎসা শুরু করা হলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, এই সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে এশার নামাজ আদায় করতে যাওয়ার পথে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় মো. মুসা (৫৫) নামে এক গণিত শিক্ষকের মর্মান্তি মৃত্যুর মাধ্যমে জীবন থেমে গেল। শুক্রবার (১০ জুলাই) রাত ৯টার দিকে উপজেলার সূর্যমনি ইউনিয়নের নুরাইনপুর বাজার সংলগ্ন ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মো. মুসা উপজেলার নুরাইনপুর অগ্রাণী বিদ্যাপীঠের গনিত বিষয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। তার এই আকস্মিক মৃত্যুতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নুরাইনপুর বাজার এলাকায় বসবাসকারী মো. মুসা প্রতিদিনের মতো শুক্রবার রাতে এশার নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে নুরাইনপুর বাজার জামে মসজিদে যাচ্ছিলেন। পথে পিছন দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। অটোরিকশার ধাক্কায় তিনি পাকা সড়কে ছিটকে পড়ে মাথা ও মুখমন্ডলে গুরুতর আঘাত পান।
দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আবদুর রউফ জানান, পাকারাস্তায় পড়ে মাথা ও মুখমন্ডলে মারাত্মক আঘাত পাওয়ায় এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে হাসপাতালে আনার পরপরই চিকিৎসা শুরু করা হলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, এই সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।