
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩৬
বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটকের পর জেলার জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর মৃত্যুর ঘটনায় ক্যাম্প কমান্ডার ও অভিযানে অংশ নেওয়া সব সেনা সদস্যকে সেনানিবাসে প্রত্যাহারের কথা জানিয়েছে আইএসপিআর।
জেলা বিএনপি এই ঘটনার পর অভিযোগ করেছিল যে, আটকের পর অতিরিক্ত নির্যাতনে ওই বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার রাতে সেনাবাহিনীর একটি দল জীবননগরে অভিযান চালায় এবং এ সময় ওই বিএনপি নেতাকে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে আটক করা হয়।
পরে রাতেই তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করলে বিএনপি নেতাকর্মীরা তখনই রাস্তায় নেমে এসে বিক্ষোভ করে।
পুলিশ অবশ্য জানিয়েছে, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা তাদের জানিয়েছে যে জিজ্ঞাসাবাদের সময় অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন ওই বিএনপি নেতা।
আইএসপিআর আজ জানিয়েছে, ঘটনার সঠিক কারণ উদঘাটনের উদ্দেশ্যে একটি উচ্চপদস্থ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তদন্তে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সেনা আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “জীবননগরে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে যৌথ বাহিনী কর্তৃক একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে, জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন একটি ফার্মেসি দোকান থেকে অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগে মোঃ শামসুজ্জামান ওরফে ডাবলু (৫০)'কে আটক করা হয়”।
এতে আরও বলা হয়, আটক হওয়া ব্যক্তির তথ্যের ভিত্তিতে ওই ফার্মেসি থেকে পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
“অভিযান শেষে আটককৃত ব্যক্তি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে অচেতন হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে, আনুমানিক রাত ১২টা ২৫ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন,” বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেছেন যে, শামসুজ্জামান ডাবলুকে নিরাপত্তা বাহিনীর কতিপয় সদস্য অস্ত্র উদ্ধারের নামে ধরে নিয়ে গিয়ে চালায়, এতে তার মৃত্যু হয়।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “অস্ত্র উদ্ধারের নামে তাকে ধরে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা কখনোই দেশের মানুষের নিকট সমর্থনযোগ্য নয়। আমি ধরনের লোমহর্ষক ও মর্মান্তিক ঘটনার বিষয়ে সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ কামনা করছি”।
মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে শামসুজ্জামান ডাবলুর মৃত্যুর ঘনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।
“নিহতের পরিবার দাবি করছে যে, সেনাবাহিনী সদস্যরা শামসুজ্জামান ডাবলুকে নির্যাতন করে হত্যা করেছে। অন্যদিকে সেনাবাহিনী জানিয়েছে জিজ্ঞাসাবাদের সময় ভয়ে স্ট্রোকে তার মৃত্যু হয়েছে। এক্ষেত্রে শামসুজ্জামান ডাবলুর মৃত্যু যে ভাবেই হোক না কেনো সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে অনতিবিলম্বে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠূ তদন্ত নিশ্চিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি,” এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে বেসরকারি এই সংস্থাটি।
বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটকের পর জেলার জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর মৃত্যুর ঘটনায় ক্যাম্প কমান্ডার ও অভিযানে অংশ নেওয়া সব সেনা সদস্যকে সেনানিবাসে প্রত্যাহারের কথা জানিয়েছে আইএসপিআর।
জেলা বিএনপি এই ঘটনার পর অভিযোগ করেছিল যে, আটকের পর অতিরিক্ত নির্যাতনে ওই বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার রাতে সেনাবাহিনীর একটি দল জীবননগরে অভিযান চালায় এবং এ সময় ওই বিএনপি নেতাকে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে আটক করা হয়।
পরে রাতেই তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করলে বিএনপি নেতাকর্মীরা তখনই রাস্তায় নেমে এসে বিক্ষোভ করে।
পুলিশ অবশ্য জানিয়েছে, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা তাদের জানিয়েছে যে জিজ্ঞাসাবাদের সময় অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন ওই বিএনপি নেতা।
আইএসপিআর আজ জানিয়েছে, ঘটনার সঠিক কারণ উদঘাটনের উদ্দেশ্যে একটি উচ্চপদস্থ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তদন্তে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সেনা আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “জীবননগরে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে যৌথ বাহিনী কর্তৃক একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে, জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন একটি ফার্মেসি দোকান থেকে অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগে মোঃ শামসুজ্জামান ওরফে ডাবলু (৫০)'কে আটক করা হয়”।
এতে আরও বলা হয়, আটক হওয়া ব্যক্তির তথ্যের ভিত্তিতে ওই ফার্মেসি থেকে পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
“অভিযান শেষে আটককৃত ব্যক্তি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে অচেতন হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে, আনুমানিক রাত ১২টা ২৫ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন,” বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেছেন যে, শামসুজ্জামান ডাবলুকে নিরাপত্তা বাহিনীর কতিপয় সদস্য অস্ত্র উদ্ধারের নামে ধরে নিয়ে গিয়ে চালায়, এতে তার মৃত্যু হয়।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “অস্ত্র উদ্ধারের নামে তাকে ধরে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা কখনোই দেশের মানুষের নিকট সমর্থনযোগ্য নয়। আমি ধরনের লোমহর্ষক ও মর্মান্তিক ঘটনার বিষয়ে সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ কামনা করছি”।
মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে শামসুজ্জামান ডাবলুর মৃত্যুর ঘনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।
“নিহতের পরিবার দাবি করছে যে, সেনাবাহিনী সদস্যরা শামসুজ্জামান ডাবলুকে নির্যাতন করে হত্যা করেছে। অন্যদিকে সেনাবাহিনী জানিয়েছে জিজ্ঞাসাবাদের সময় ভয়ে স্ট্রোকে তার মৃত্যু হয়েছে। এক্ষেত্রে শামসুজ্জামান ডাবলুর মৃত্যু যে ভাবেই হোক না কেনো সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে অনতিবিলম্বে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠূ তদন্ত নিশ্চিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি,” এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে বেসরকারি এই সংস্থাটি।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৫৫
ময়মনসিংহের ফুলপুর থানায় ওসির চেয়ারে বসা স্থানীয় সংসদ সদস্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে চেয়ারে বসা নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়েছেন এমপি ও ওসি।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ফুলপুর থানার ওসি মো. রাশেদুল হাসান রাশেদ সংসদ সদস্য মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহর তার চেয়ারে বসার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। সংসদ সদস্য মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহও ওসির চেয়ারে বসার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
জানা যায়, গত ৫ এপ্রিল সকালে ফুলপুর থানার ওসি মো. রাশেদুল হাসান রাশেদ ময়মনসিংহ পুলিশ লাইনে একটি প্যারেডে অংশ নিতে থানার বাইরে ছিলেন। এ সময় সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ করেই থানায় উপস্থিত হন ময়মনসিংহ-২ আসনের সংসদ সদস্য মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহ।
ৎ
থানায় প্রবেশ করে ওসির কক্ষে গিয়ে তিনি ওসির ব্যবহৃত চেয়ারে বসেন, যদিও পাশে অন্যান্য চেয়ার খালি ছিল। কিছু সময় সেখানে অবস্থান করে উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং পরে চলে যান।
ঘটনার ভিডিওটি সেদিন প্রকাশ না পেলেও কয়েকদিন পর হঠাৎ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, এমপি ওসির চেয়ারে বসে আছেন এবং সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এক পুলিশ কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দিচ্ছেন। পাশে বসে আছেন থানার অন্য কর্মকর্তারাও।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় তীব্র আলোচনা-সমালোচনা। একটি রাজনৈতিক দলের আঞ্চলিক ফেসবুক পেজ থেকে ভিডিওটি পোস্ট করে প্রশ্ন তোলা হয় প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে। সেখানে বলা হয়, একজন এমপি যদি থানায় গিয়ে ওসির চেয়ারে বসেন আর ওসি অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে প্রশাসনের অবস্থান কোথায়- এ নিয়ে জনমনে সন্দেহ তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক।
এ বিষয়ে ফুলপুর থানার ওসি মো. রাশেদুল হাসান রাশেদ বলেন, ‘সেদিন আমার পূর্বনির্ধারিত মাস্টার প্যারেড ছিল, তাই সকালেই থানার বাইরে চলে যাই। এমপি সাহেবের থানায় আসার বিষয়ে আগে থেকে কোনো তথ্য ছিল না। তিনি থানায় আসার পর জানতে পারেন আমি নেই, তারপরও তিনি কক্ষে প্রবেশ করেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রথমে তিনি আমার চেয়ারে বসতে কিছুটা দ্বিধায় ছিলেন। তবে সঙ্গে থাকা লোকজন তাকে বসতে অনুরোধ করেন। পরে তিনি কিছুক্ষণ বসে কথা বলে চলে যান। তবে নিয়ম অনুযায়ী ওসির চেয়ার অন্য কারও ব্যবহারের বিষয় নয়।’
অন্যদিকে সংসদ সদস্য মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহ এ বিষয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ‘আমি থানায় পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। গিয়ে দেখি ওসি নেই। তখন চলে আসতে চাইলেও সেখানে থাকা কর্মকর্তারা আমাকে জোর করে বসান। আমি কিছুক্ষণ বসে তাদের সঙ্গে কথা বলে চলে আসি। এতে কোনো অপরাধ হয়েছে বলে আমি মনে করি না।’
ঘটনাটি সামনে আসার পর স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ এটিকে প্রোটোকল ভঙ্গ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বলছেন এটি পরিস্থিতির স্বাভাবিক ফল। তবে ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি এখন ফুলপুরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
ময়মনসিংহের ফুলপুর থানায় ওসির চেয়ারে বসা স্থানীয় সংসদ সদস্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে চেয়ারে বসা নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়েছেন এমপি ও ওসি।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ফুলপুর থানার ওসি মো. রাশেদুল হাসান রাশেদ সংসদ সদস্য মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহর তার চেয়ারে বসার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। সংসদ সদস্য মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহও ওসির চেয়ারে বসার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
জানা যায়, গত ৫ এপ্রিল সকালে ফুলপুর থানার ওসি মো. রাশেদুল হাসান রাশেদ ময়মনসিংহ পুলিশ লাইনে একটি প্যারেডে অংশ নিতে থানার বাইরে ছিলেন। এ সময় সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ করেই থানায় উপস্থিত হন ময়মনসিংহ-২ আসনের সংসদ সদস্য মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহ।
ৎ
থানায় প্রবেশ করে ওসির কক্ষে গিয়ে তিনি ওসির ব্যবহৃত চেয়ারে বসেন, যদিও পাশে অন্যান্য চেয়ার খালি ছিল। কিছু সময় সেখানে অবস্থান করে উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং পরে চলে যান।
ঘটনার ভিডিওটি সেদিন প্রকাশ না পেলেও কয়েকদিন পর হঠাৎ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, এমপি ওসির চেয়ারে বসে আছেন এবং সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এক পুলিশ কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দিচ্ছেন। পাশে বসে আছেন থানার অন্য কর্মকর্তারাও।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় তীব্র আলোচনা-সমালোচনা। একটি রাজনৈতিক দলের আঞ্চলিক ফেসবুক পেজ থেকে ভিডিওটি পোস্ট করে প্রশ্ন তোলা হয় প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে। সেখানে বলা হয়, একজন এমপি যদি থানায় গিয়ে ওসির চেয়ারে বসেন আর ওসি অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে প্রশাসনের অবস্থান কোথায়- এ নিয়ে জনমনে সন্দেহ তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক।
এ বিষয়ে ফুলপুর থানার ওসি মো. রাশেদুল হাসান রাশেদ বলেন, ‘সেদিন আমার পূর্বনির্ধারিত মাস্টার প্যারেড ছিল, তাই সকালেই থানার বাইরে চলে যাই। এমপি সাহেবের থানায় আসার বিষয়ে আগে থেকে কোনো তথ্য ছিল না। তিনি থানায় আসার পর জানতে পারেন আমি নেই, তারপরও তিনি কক্ষে প্রবেশ করেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রথমে তিনি আমার চেয়ারে বসতে কিছুটা দ্বিধায় ছিলেন। তবে সঙ্গে থাকা লোকজন তাকে বসতে অনুরোধ করেন। পরে তিনি কিছুক্ষণ বসে কথা বলে চলে যান। তবে নিয়ম অনুযায়ী ওসির চেয়ার অন্য কারও ব্যবহারের বিষয় নয়।’
অন্যদিকে সংসদ সদস্য মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহ এ বিষয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ‘আমি থানায় পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। গিয়ে দেখি ওসি নেই। তখন চলে আসতে চাইলেও সেখানে থাকা কর্মকর্তারা আমাকে জোর করে বসান। আমি কিছুক্ষণ বসে তাদের সঙ্গে কথা বলে চলে আসি। এতে কোনো অপরাধ হয়েছে বলে আমি মনে করি না।’
ঘটনাটি সামনে আসার পর স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ এটিকে প্রোটোকল ভঙ্গ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বলছেন এটি পরিস্থিতির স্বাভাবিক ফল। তবে ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি এখন ফুলপুরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:২৩
নীলফামারী সদর উপজেলায় জমি লিখে না দেওয়ায় নিজের মায়ের ঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নুর আলম (৪০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার টুপামারী ইউনিয়নের মোজামের মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত নুর আলম ওই এলাকার জয়নাল হোসেন ও নূরজাহান দম্পতির ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নুর আলম দীর্ঘদিন ধরে অনলাইন জুয়ায় আসক্ত। জুয়ার টাকার জন্য তিনি বাড়ির বিভিন্ন জিনিসপত্র বিক্রি করে আসছিলেন। বাবার সূত্রে পাওয়া মা ও বোনের অংশের জমি লিখে নেওয়ার জন্য তিনি দীর্ঘদিন ধরে তাদের চাপ দিয়ে আসছিলেন।
মঙ্গলবার সকালে ফের জমি লিখে দিতে বললে মা নূরজাহান বেগম অস্বীকৃতি জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বিকেলে নুর আলম তার মায়ের ঘরে আগুন ধরিয়ে দেন। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে ঘরসহ যাবতীয় আসবাবপত্র ভস্মীভূত হয়। পরে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
নুরজাহান বেগম বলেন, আমার ছেলে নুর আলম দীর্ঘদিন ধরে অনলাইন জুয়া খেলায় আসক্ত। সে লম্পট টাইপের ছেলে, জুয়ায় আসক্ত হয়ে সবকিছু বিক্রি করে দিয়েছে। এখন সে আমার কাছে আমার জমির অংশ এবং আমার মেয়ের জমির অংশ লিখে চায়।
সেটি না দেওয়ার কারণে দীর্ঘদিন ধরে আমাদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছে। সকালে জমি লিখে নেওয়ার জন্য চাপ দিয়েছে, না দেওয়ার কারণে বিকেলে আমার ঘর পুড়ে দিলো আগুন দিয়েছে।
নীলফামারী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক বাদশা মাউদস আলম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে, তদন্ত শেষে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা যাবে।
এ বিষয়ে সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বলেন, আগুনে ঘর পুড়িয়ে দেওয়ার একটি খবর পেয়েছি। সেখানে পুলিশের একটি টিম গেছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
নীলফামারী সদর উপজেলায় জমি লিখে না দেওয়ায় নিজের মায়ের ঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নুর আলম (৪০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার টুপামারী ইউনিয়নের মোজামের মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত নুর আলম ওই এলাকার জয়নাল হোসেন ও নূরজাহান দম্পতির ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নুর আলম দীর্ঘদিন ধরে অনলাইন জুয়ায় আসক্ত। জুয়ার টাকার জন্য তিনি বাড়ির বিভিন্ন জিনিসপত্র বিক্রি করে আসছিলেন। বাবার সূত্রে পাওয়া মা ও বোনের অংশের জমি লিখে নেওয়ার জন্য তিনি দীর্ঘদিন ধরে তাদের চাপ দিয়ে আসছিলেন।
মঙ্গলবার সকালে ফের জমি লিখে দিতে বললে মা নূরজাহান বেগম অস্বীকৃতি জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বিকেলে নুর আলম তার মায়ের ঘরে আগুন ধরিয়ে দেন। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে ঘরসহ যাবতীয় আসবাবপত্র ভস্মীভূত হয়। পরে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
নুরজাহান বেগম বলেন, আমার ছেলে নুর আলম দীর্ঘদিন ধরে অনলাইন জুয়া খেলায় আসক্ত। সে লম্পট টাইপের ছেলে, জুয়ায় আসক্ত হয়ে সবকিছু বিক্রি করে দিয়েছে। এখন সে আমার কাছে আমার জমির অংশ এবং আমার মেয়ের জমির অংশ লিখে চায়।
সেটি না দেওয়ার কারণে দীর্ঘদিন ধরে আমাদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছে। সকালে জমি লিখে নেওয়ার জন্য চাপ দিয়েছে, না দেওয়ার কারণে বিকেলে আমার ঘর পুড়ে দিলো আগুন দিয়েছে।
নীলফামারী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক বাদশা মাউদস আলম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে, তদন্ত শেষে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা যাবে।
এ বিষয়ে সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বলেন, আগুনে ঘর পুড়িয়ে দেওয়ার একটি খবর পেয়েছি। সেখানে পুলিশের একটি টিম গেছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০২
নরসিংদীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বিপুল শিক্ষা উপকরণ ও মালামাল চুরি করে নিয়েছে চোর চক্র। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) গভীর রাতে সদর উপজেলার মেহেরপাড়া ইউনিয়নের ভগীরথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ চুরির ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, চোর চক্র বিদ্যালয়ের বারান্দার গ্রিল কেটে শিশুদের অনলাইন শিক্ষাদানের জন্য ল্যাপটপ, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, স্পিকার, এলইডি মনিটর, চারটি সিলিংফ্যান, টেবিল ফ্যান, সিসি ক্যামেরা, ছুটির কাজে ব্যবহৃত পিতলের ঘণ্টা চুরির পাশাপাশি বিদ্যালয়টির জরুরি কাগজপত্র তছনছ করে।
এছাড়াও স্কুলের নিরাপত্তার জন্য লাগানো সিসি ক্যামেরা ও সিসি ক্যামেরার ডিভিআরও নিয়ে যায়। ফলে বিদ্যালয়ের প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিক সাবিকুন্নাহার বলেন, ভগীরথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টিতে ১৮২ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। সুনামের সঙ্গেই শিশু শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে আসছে এ প্রতিষ্ঠান। ফলে সরকারি এ প্রতিষ্ঠানে পাঠদানের জন্য ল্যাপটপ, প্রজেক্টরসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সামগ্রী ব্যবহৃত হতো। পাশাপাশি সিলিং ফ্যান, টেবিল ফ্যান ছিল ক্লাসরুমসহ প্রধান শিক্ষকের কক্ষে। বুধবার নির্ধারিত সময়ে বিদ্যালয়ে এসে দেখতে পাই মঙ্গলবার রাতের কোনো এক সময় দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে।
তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয়টির অবস্থান মহাসড়কের পাশে হওয়ায় সিসিটিভি ক্যামেরাও স্থাপন করা ছিল, চোর চক্রটি চুরির পাশাপাশি বিদ্যালয়ে স্থাপন করা সিসি ক্যামেরাও খুলে নিয়ে গেছে। এতে করে বিদ্যালয়ের প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। মাধবদী থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
মাধবদী থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, চুরির ঘটনায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। চোর চক্রটিকে ধরতে পুলিশ কাজ করছে।
নরসিংদীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বিপুল শিক্ষা উপকরণ ও মালামাল চুরি করে নিয়েছে চোর চক্র। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) গভীর রাতে সদর উপজেলার মেহেরপাড়া ইউনিয়নের ভগীরথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ চুরির ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, চোর চক্র বিদ্যালয়ের বারান্দার গ্রিল কেটে শিশুদের অনলাইন শিক্ষাদানের জন্য ল্যাপটপ, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, স্পিকার, এলইডি মনিটর, চারটি সিলিংফ্যান, টেবিল ফ্যান, সিসি ক্যামেরা, ছুটির কাজে ব্যবহৃত পিতলের ঘণ্টা চুরির পাশাপাশি বিদ্যালয়টির জরুরি কাগজপত্র তছনছ করে।
এছাড়াও স্কুলের নিরাপত্তার জন্য লাগানো সিসি ক্যামেরা ও সিসি ক্যামেরার ডিভিআরও নিয়ে যায়। ফলে বিদ্যালয়ের প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিক সাবিকুন্নাহার বলেন, ভগীরথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টিতে ১৮২ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। সুনামের সঙ্গেই শিশু শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে আসছে এ প্রতিষ্ঠান। ফলে সরকারি এ প্রতিষ্ঠানে পাঠদানের জন্য ল্যাপটপ, প্রজেক্টরসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সামগ্রী ব্যবহৃত হতো। পাশাপাশি সিলিং ফ্যান, টেবিল ফ্যান ছিল ক্লাসরুমসহ প্রধান শিক্ষকের কক্ষে। বুধবার নির্ধারিত সময়ে বিদ্যালয়ে এসে দেখতে পাই মঙ্গলবার রাতের কোনো এক সময় দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে।
তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয়টির অবস্থান মহাসড়কের পাশে হওয়ায় সিসিটিভি ক্যামেরাও স্থাপন করা ছিল, চোর চক্রটি চুরির পাশাপাশি বিদ্যালয়ে স্থাপন করা সিসি ক্যামেরাও খুলে নিয়ে গেছে। এতে করে বিদ্যালয়ের প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। মাধবদী থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
মাধবদী থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, চুরির ঘটনায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। চোর চক্রটিকে ধরতে পুলিশ কাজ করছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.