
১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:১৩
মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শ্মশান ঘাট থেকে মাথার খুলি চুরির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন— উপজেলার ধূকশুড়া ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের নিতাই চন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে রাজেশ বিশ্বাস (৩৪), বাবুরহাটি গ্রামের সুশীল সরকারের ছেলে শিশির সরকার (২১) ও একই গ্রামের প্রতিত বিশ্বাসের ছেলে দীপক বিশ্বাস (২২)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পহেলা বৈশাখ মঙ্গলবার মধ্যরাতে ধূলশুড়া ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মহাশ্মশান থেকে খুলি চুরি হয়।
এ ঘটনায় শ্মশানের সভাপতি দ্বিজেন হালদার বাদী হয়ে বুধবার হরিরামপুর থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় গ্রেপ্তার তিনজনের নামই উল্লেখ করা হয়েছিল। পরে ওই দিন বিকেলেই বোয়ালিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
হরিরামপুর থানার ওসি মুহাম্মাদ আফজাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতসহ খুলি চুরির অভিযোগে মামলা করেন শ্মশান ঘাটের সভাপতি। সে মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয় এবং বৃহস্পতিবার সকালে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শ্মশান ঘাট থেকে মাথার খুলি চুরির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন— উপজেলার ধূকশুড়া ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের নিতাই চন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে রাজেশ বিশ্বাস (৩৪), বাবুরহাটি গ্রামের সুশীল সরকারের ছেলে শিশির সরকার (২১) ও একই গ্রামের প্রতিত বিশ্বাসের ছেলে দীপক বিশ্বাস (২২)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পহেলা বৈশাখ মঙ্গলবার মধ্যরাতে ধূলশুড়া ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মহাশ্মশান থেকে খুলি চুরি হয়।
এ ঘটনায় শ্মশানের সভাপতি দ্বিজেন হালদার বাদী হয়ে বুধবার হরিরামপুর থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় গ্রেপ্তার তিনজনের নামই উল্লেখ করা হয়েছিল। পরে ওই দিন বিকেলেই বোয়ালিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
হরিরামপুর থানার ওসি মুহাম্মাদ আফজাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতসহ খুলি চুরির অভিযোগে মামলা করেন শ্মশান ঘাটের সভাপতি। সে মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয় এবং বৃহস্পতিবার সকালে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৫৭
তীব্র গরমের মধ্যে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় লাগামহীন লোডশেডিং জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। একই সঙ্গে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোলট্রি জোন হিসেবে পরিচিত এই অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা পড়েছেন মারাত্মক সংকটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে গোয়ালন্দে বিদ্যুতের সরবরাহ অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। একের পর এক লোডশেডিংয়ের কারণে দিনের পাশাপাশি রাতেও জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) বেলা ২টা ৩০ মিনিটে লোডশেডিং শুরু হয়ে বিদ্যুৎ আসে বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে। এরপর সন্ধ্যা, রাত ও গভীর রাতেও একাধিকবার বিদ্যুৎ বন্ধ ও চালু হয়। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত কয়েক দফা লোডশেডিংয়ের পর সকাল ও দিনের বিভিন্ন সময়ও একই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) ও একই চিত্র দেখা যায়-দিনের শুরু থেকে রাত পর্যন্ত একাধিকবার বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে স্থানীয়রা।
তীব্র গরমে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পোলট্রি খাত। বিদ্যুৎ না থাকায় খামারগুলোতে বাধ্য হয়ে জেনারেটরের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। এতে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে কয়েকগুণ। পাশাপাশি অতিরিক্ত গরমে অনেক মুরগি অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়ার ঘটনাও ঘটছে বলে জানান খামারিরা।
গোয়ালন্দ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রহমান কালবেলাকে বলেন, ‘নিয়মিত লোডশেডিং ও তীব্র গরমে পোলট্রি খামারিরা চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন। জেনারেটর চালিয়ে খরচ সামলানো অসম্ভব হয়ে উঠছে। অনেক খামার বন্ধ হওয়ার পথে।’
এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলা শহরের কিছু এলাকায় বিশেষ দিনে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও গ্রামাঞ্চলে পরিস্থিতি ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত। এতে বৈষম্য নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে।
গোয়ালন্দ পহেলা বৈশাখ উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক মো. শহিদুল ইসলাম জানান, নববর্ষের আয়োজনের সময় বিদ্যুৎ পরিস্থিতি তুলনামূলক ভালো থাকলেও আগের রাতে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে তাদের কর্মসূচি বিঘ্নিত হয়।
ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো) গোয়ালন্দ কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক প্রকৌশলী তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘গোয়ালন্দে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ৭ মেগাওয়াট, কিন্তু সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে সাড়ে ৩ মেগাওয়াট। চাহিদা ও সরবরাহের ঘাটতির কারণে বাধ্য হয়েই লোডশেডিং করে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করতে হচ্ছে।’
তীব্র গরমের মধ্যে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় লাগামহীন লোডশেডিং জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। একই সঙ্গে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোলট্রি জোন হিসেবে পরিচিত এই অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা পড়েছেন মারাত্মক সংকটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে গোয়ালন্দে বিদ্যুতের সরবরাহ অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। একের পর এক লোডশেডিংয়ের কারণে দিনের পাশাপাশি রাতেও জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্ভোগ।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) বেলা ২টা ৩০ মিনিটে লোডশেডিং শুরু হয়ে বিদ্যুৎ আসে বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে। এরপর সন্ধ্যা, রাত ও গভীর রাতেও একাধিকবার বিদ্যুৎ বন্ধ ও চালু হয়। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত কয়েক দফা লোডশেডিংয়ের পর সকাল ও দিনের বিভিন্ন সময়ও একই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) ও একই চিত্র দেখা যায়-দিনের শুরু থেকে রাত পর্যন্ত একাধিকবার বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে স্থানীয়রা।
তীব্র গরমে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পোলট্রি খাত। বিদ্যুৎ না থাকায় খামারগুলোতে বাধ্য হয়ে জেনারেটরের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। এতে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে কয়েকগুণ। পাশাপাশি অতিরিক্ত গরমে অনেক মুরগি অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়ার ঘটনাও ঘটছে বলে জানান খামারিরা।
গোয়ালন্দ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রহমান কালবেলাকে বলেন, ‘নিয়মিত লোডশেডিং ও তীব্র গরমে পোলট্রি খামারিরা চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন। জেনারেটর চালিয়ে খরচ সামলানো অসম্ভব হয়ে উঠছে। অনেক খামার বন্ধ হওয়ার পথে।’
এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলা শহরের কিছু এলাকায় বিশেষ দিনে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও গ্রামাঞ্চলে পরিস্থিতি ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত। এতে বৈষম্য নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে।
গোয়ালন্দ পহেলা বৈশাখ উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক মো. শহিদুল ইসলাম জানান, নববর্ষের আয়োজনের সময় বিদ্যুৎ পরিস্থিতি তুলনামূলক ভালো থাকলেও আগের রাতে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে তাদের কর্মসূচি বিঘ্নিত হয়।
ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো) গোয়ালন্দ কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক প্রকৌশলী তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘গোয়ালন্দে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ৭ মেগাওয়াট, কিন্তু সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে সাড়ে ৩ মেগাওয়াট। চাহিদা ও সরবরাহের ঘাটতির কারণে বাধ্য হয়েই লোডশেডিং করে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করতে হচ্ছে।’

১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১৬
কুমিল্লার হোমনায় অটোরিকশায় করে বাসায় ফেরার পথে এক দম্পতির পথ রোধ করে গৃহবধূকে (১৮) তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদি হয়ে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেছেন।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাতে হোমনা কৃষি কলেজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হোমনা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টমাস বড়ুয়া ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলায় ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করেন, ভুক্তভোগী আর তার স্বামী হোমনা পৌর এলাকার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। বুধবার রাতে তারা একটি অটোরিকশায়যোগে ভুক্তভোগীর বাবার বাড়ি তিতাসে যাচ্ছিলেন।
হোমনা কৃষি কলেজ এলাকা পার হওয়ার পর ওপারচর গ্রামের আশিকুর রহমান (২৪) ও তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন তাদের পথরোধ করেন। এসময় দম্পতিসহ অটোরিকশাটিকে জোরপূর্বক একটি নির্জন ইটের রাস্তায় নিয়ে যান।
সেখানে আশিকুর রহমান ও তার দুই সহযোগী ওই নারীকে আটকে রাখেন। অন্যরা তার স্বামী ও অটোরিকশার চালককে দূরে সরিয়ে নিয়ে যান। এ সময় আশিকুর রহমান ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন। পরে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ওই দম্পতিকে ছেড়ে দিলে তারা প্রথমে হাসপাতালে এবং পরে থানায় যান।
ওসি টমাস বড়ুয়া বলেন, ভুক্তভোগী নারী ভোর ৪টার দিকে তার স্বামীসহ থানায় এসে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে জানান। পরে আমি ওই দম্পতিকে সঙ্গে নিয়ে অভিযানে যাই।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা গা ঢাকা দিয়েছেন। ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা মামলা নিয়েছি। তার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এজাহারে একজনের নাম উল্লেখ করেছেন। তাকেসহ ঘটনায় জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।
কুমিল্লার হোমনায় অটোরিকশায় করে বাসায় ফেরার পথে এক দম্পতির পথ রোধ করে গৃহবধূকে (১৮) তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদি হয়ে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেছেন।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাতে হোমনা কৃষি কলেজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হোমনা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টমাস বড়ুয়া ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলায় ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করেন, ভুক্তভোগী আর তার স্বামী হোমনা পৌর এলাকার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। বুধবার রাতে তারা একটি অটোরিকশায়যোগে ভুক্তভোগীর বাবার বাড়ি তিতাসে যাচ্ছিলেন।
হোমনা কৃষি কলেজ এলাকা পার হওয়ার পর ওপারচর গ্রামের আশিকুর রহমান (২৪) ও তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন তাদের পথরোধ করেন। এসময় দম্পতিসহ অটোরিকশাটিকে জোরপূর্বক একটি নির্জন ইটের রাস্তায় নিয়ে যান।
সেখানে আশিকুর রহমান ও তার দুই সহযোগী ওই নারীকে আটকে রাখেন। অন্যরা তার স্বামী ও অটোরিকশার চালককে দূরে সরিয়ে নিয়ে যান। এ সময় আশিকুর রহমান ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন। পরে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ওই দম্পতিকে ছেড়ে দিলে তারা প্রথমে হাসপাতালে এবং পরে থানায় যান।
ওসি টমাস বড়ুয়া বলেন, ভুক্তভোগী নারী ভোর ৪টার দিকে তার স্বামীসহ থানায় এসে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে জানান। পরে আমি ওই দম্পতিকে সঙ্গে নিয়ে অভিযানে যাই।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা গা ঢাকা দিয়েছেন। ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা মামলা নিয়েছি। তার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এজাহারে একজনের নাম উল্লেখ করেছেন। তাকেসহ ঘটনায় জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০০
ভালোবাসা শুধু কথায় নয়, কখনো কখনো জীবনের ঝুঁকি নিয়েও প্রমাণ করা যায়। শরীয়তপুরের জসিম উদ্দিন যেন সেই সত্যকেই নতুন করে সামনে আনলেন।
দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের সঙ্গী মিনারা বেগমের জীবন সংকটে নিজের একটি কিডনি দিয়ে তিনি সৃষ্টি করেছেন মানবিকতা ও ভালোবাসার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এমন মানবিক ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর শরীয়তপুরজুড়ে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। অনেকেই এটিকে ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ ও ত্যাগের বিরল উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।
পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২ বছর আগে উচ্চ রক্তচাপসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগতে শুরু করেন ৩২ বছর বয়সী মিনারা বেগম। চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যায় তার দুটি কিডনিই বিকল হয়ে গেছে।
পাশাপাশি পেটের ভেতরে একটি টিউমারও ধরা পড়ে। পরিবারের ওপর যেন নেমে আসে অন্ধকারের ছায়া। পরবর্তীতে মিনারাকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
কিছুদিন চিকিৎসার পরে টিউমারের চিকিৎসা সম্পন্ন হয়। কিন্তু টাকার অভাবে কিডনি স্থাপন করাতে পারেননি স্বামী জসিম উদ্দীন। ধীরে ধীরে মিনারা বেগমের অসুস্থতা বাড়লে শুরু হয় কিডনি ডোনার খোঁজার দীর্ঘ চেষ্টা।
একপর্যায়ে মিনারা বেগমের মা কিডনি দিতে রাজি হন। কিন্তু নিয়তির নিষ্ঠুরতায় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরে হার্টের রোগ ধরা পড়ে মিনারা বেগমের মায়ের। এমন অবস্থায় দুশ্চিন্তায় ভেঙে পড়েন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি জসিম উদ্দীন (৩৬)।
সেই সময় স্ত্রীর পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে যান জসিম। এক মুহূর্ত দেরি না করে নিজের একটি কিডনি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা শেষে গত ৫ মার্চ ঢাকার শ্যামলী সিকেডি আ্যন্ড ইউরোলজি হাসপাতালে তার কিডনি মিনারার শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়।
সফল অস্ত্রোপচারের পর ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন মিনারা বেগম। বর্তমানে স্বামী ও ছেলে সন্তান নিয়ে ঢাকার শ্যামলীতে ভাড়া বাসায় থেকে চিকিৎসকদের পরামর্শে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আশায় দিন গুনছেন তিনি।
শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার কুচাইপট্টি ইউনিয়নের বসকাঠি গ্রামের বাসিন্দা মো. জসিম উদ্দিন ও মিনারা বেগমের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় ২০০৭ সালে। দাম্পত্য জীবনের এক বছর ছয় মাস পর তাদের ঘর আলো করে জন্ম নেয় একমাত্র সন্তান তামিম আল মারুফ।
বর্তমানে সে ঢাকায় নবম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। চাকরির সুবাদে দীর্ঘদিন ধরেই জসিম ঢাকায় বসবাস করছেন। স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়েই চলছিল তাদের সুখের সংসার। তবে ২০২৪ সালের শুরুতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন মিনারা বেগম। তখনই ধরা পড়ে তার জটিল কিডনি রোগ।
এরপর থেকে বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। কিন্তু ধীরে ধীরে কিডনির সমস্যায় মিনারা বেগমের অবস্থা আরও গুরুতর হতে থাকে। জীবনের কঠিন মুহূর্তে এসে স্বামীর এই আত্মত্যাগ শুধু একটি জীবনই বাঁচায়নি, নতুন করে প্রমাণ করেছে সত্যিকারের ভালোবাসা এখনো বেঁচে আছে মানুষের হৃদয়ে।
মুঠোফোনে মিনারা বেগম বলেন, আমার কিডনির সমস্যার কথা জানার পর থেকেই আমরা ভীষণ দুশ্চিন্তায় পড়ে যাই। স্বামীর অল্প আয়ের একটি চাকরি, তার মধ্যে ছেলের পড়াশোনা সবমিলিয়ে মনে হচ্ছিল কীভাবে এই কঠিন সময় পার করব। তখন আমার মা তার একটি কিডনি দিতে চেয়েছিলেন।
কিন্তু চিকিৎসক পরীক্ষা করার পর তার হার্টের সমস্যার কারণে সেটি সম্ভব হয়নি। ঠিক সেই সময় আমার স্বামী এগিয়ে এসে বললেন, আমরা যদি বাঁচি, একসঙ্গেই বাঁচব, আর যদি মরতে হয়, তাও একসঙ্গেই মরব। আমি অনেকবার তাকে বারণ করেছি।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার দেওয়া একটি কিডনি আমার শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়। আল্লাহর রহমতে এখন আমরা দুজনেই ভালো আছি। সত্যি বলতে আমার মতো ভাগ্যবতী মানুষ পৃথিবীতে খুব বেশি আছে বলে মনে হয় না। আমাদের জন্য সবাই দোয়া করবেন।
অপরদিকে স্বামী মো. জসিম উদ্দিন মুঠোফোনে বলেন, স্ত্রীর এমন কঠিন অসুস্থতার সময় কী করব বুঝে উঠতে পারছিলাম না। তখন শুধু একটা সিদ্ধান্তই নিয়েছিলাম বাঁচলে দুজনেই বাঁচব, আর মরলেও দুজনেই একসঙ্গে মরব।
চিকিৎসকদের পরামর্শে প্রয়োজনীয় সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে আমি নিজের ইচ্ছাতেই একটি কিডনি দিয়েছি। স্ত্রীকে নিজের কিডনি দিতে পেরে আমার খুব ভালো লাগছে। সবচেয়ে বড় কথা, আমার স্ত্রী কখনোই আমাকে বলেনি তোমার কিডনি আমাকে দাও। এটা সম্পূর্ণ আমার নিজের সিদ্ধান্ত ছিল।
কুচাইপট্টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিএম নাসির উদ্দিন স্বপন বলেন, স্ত্রীর জীবন বাঁচাতে নিজের একটি কিডনি দান করে জসিম উদ্দিন সত্যিই একটি অনন্য ও বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এটি ভালোবাসা ও আত্মত্যাগের অসাধারণ উদাহরণ। আমি মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করি, তিনি যেন এই দম্পতিকে সুস্থ ও ভালো রাখেন।
ভালোবাসা শুধু কথায় নয়, কখনো কখনো জীবনের ঝুঁকি নিয়েও প্রমাণ করা যায়। শরীয়তপুরের জসিম উদ্দিন যেন সেই সত্যকেই নতুন করে সামনে আনলেন।
দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের সঙ্গী মিনারা বেগমের জীবন সংকটে নিজের একটি কিডনি দিয়ে তিনি সৃষ্টি করেছেন মানবিকতা ও ভালোবাসার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এমন মানবিক ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর শরীয়তপুরজুড়ে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। অনেকেই এটিকে ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ ও ত্যাগের বিরল উদাহরণ হিসেবে দেখছেন।
পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২ বছর আগে উচ্চ রক্তচাপসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগতে শুরু করেন ৩২ বছর বয়সী মিনারা বেগম। চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যায় তার দুটি কিডনিই বিকল হয়ে গেছে।
পাশাপাশি পেটের ভেতরে একটি টিউমারও ধরা পড়ে। পরিবারের ওপর যেন নেমে আসে অন্ধকারের ছায়া। পরবর্তীতে মিনারাকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
কিছুদিন চিকিৎসার পরে টিউমারের চিকিৎসা সম্পন্ন হয়। কিন্তু টাকার অভাবে কিডনি স্থাপন করাতে পারেননি স্বামী জসিম উদ্দীন। ধীরে ধীরে মিনারা বেগমের অসুস্থতা বাড়লে শুরু হয় কিডনি ডোনার খোঁজার দীর্ঘ চেষ্টা।
একপর্যায়ে মিনারা বেগমের মা কিডনি দিতে রাজি হন। কিন্তু নিয়তির নিষ্ঠুরতায় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরে হার্টের রোগ ধরা পড়ে মিনারা বেগমের মায়ের। এমন অবস্থায় দুশ্চিন্তায় ভেঙে পড়েন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি জসিম উদ্দীন (৩৬)।
সেই সময় স্ত্রীর পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে যান জসিম। এক মুহূর্ত দেরি না করে নিজের একটি কিডনি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা শেষে গত ৫ মার্চ ঢাকার শ্যামলী সিকেডি আ্যন্ড ইউরোলজি হাসপাতালে তার কিডনি মিনারার শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়।
সফল অস্ত্রোপচারের পর ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন মিনারা বেগম। বর্তমানে স্বামী ও ছেলে সন্তান নিয়ে ঢাকার শ্যামলীতে ভাড়া বাসায় থেকে চিকিৎসকদের পরামর্শে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আশায় দিন গুনছেন তিনি।
শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার কুচাইপট্টি ইউনিয়নের বসকাঠি গ্রামের বাসিন্দা মো. জসিম উদ্দিন ও মিনারা বেগমের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় ২০০৭ সালে। দাম্পত্য জীবনের এক বছর ছয় মাস পর তাদের ঘর আলো করে জন্ম নেয় একমাত্র সন্তান তামিম আল মারুফ।
বর্তমানে সে ঢাকায় নবম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। চাকরির সুবাদে দীর্ঘদিন ধরেই জসিম ঢাকায় বসবাস করছেন। স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়েই চলছিল তাদের সুখের সংসার। তবে ২০২৪ সালের শুরুতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন মিনারা বেগম। তখনই ধরা পড়ে তার জটিল কিডনি রোগ।
এরপর থেকে বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। কিন্তু ধীরে ধীরে কিডনির সমস্যায় মিনারা বেগমের অবস্থা আরও গুরুতর হতে থাকে। জীবনের কঠিন মুহূর্তে এসে স্বামীর এই আত্মত্যাগ শুধু একটি জীবনই বাঁচায়নি, নতুন করে প্রমাণ করেছে সত্যিকারের ভালোবাসা এখনো বেঁচে আছে মানুষের হৃদয়ে।
মুঠোফোনে মিনারা বেগম বলেন, আমার কিডনির সমস্যার কথা জানার পর থেকেই আমরা ভীষণ দুশ্চিন্তায় পড়ে যাই। স্বামীর অল্প আয়ের একটি চাকরি, তার মধ্যে ছেলের পড়াশোনা সবমিলিয়ে মনে হচ্ছিল কীভাবে এই কঠিন সময় পার করব। তখন আমার মা তার একটি কিডনি দিতে চেয়েছিলেন।
কিন্তু চিকিৎসক পরীক্ষা করার পর তার হার্টের সমস্যার কারণে সেটি সম্ভব হয়নি। ঠিক সেই সময় আমার স্বামী এগিয়ে এসে বললেন, আমরা যদি বাঁচি, একসঙ্গেই বাঁচব, আর যদি মরতে হয়, তাও একসঙ্গেই মরব। আমি অনেকবার তাকে বারণ করেছি।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার দেওয়া একটি কিডনি আমার শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়। আল্লাহর রহমতে এখন আমরা দুজনেই ভালো আছি। সত্যি বলতে আমার মতো ভাগ্যবতী মানুষ পৃথিবীতে খুব বেশি আছে বলে মনে হয় না। আমাদের জন্য সবাই দোয়া করবেন।
অপরদিকে স্বামী মো. জসিম উদ্দিন মুঠোফোনে বলেন, স্ত্রীর এমন কঠিন অসুস্থতার সময় কী করব বুঝে উঠতে পারছিলাম না। তখন শুধু একটা সিদ্ধান্তই নিয়েছিলাম বাঁচলে দুজনেই বাঁচব, আর মরলেও দুজনেই একসঙ্গে মরব।
চিকিৎসকদের পরামর্শে প্রয়োজনীয় সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে আমি নিজের ইচ্ছাতেই একটি কিডনি দিয়েছি। স্ত্রীকে নিজের কিডনি দিতে পেরে আমার খুব ভালো লাগছে। সবচেয়ে বড় কথা, আমার স্ত্রী কখনোই আমাকে বলেনি তোমার কিডনি আমাকে দাও। এটা সম্পূর্ণ আমার নিজের সিদ্ধান্ত ছিল।
কুচাইপট্টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিএম নাসির উদ্দিন স্বপন বলেন, স্ত্রীর জীবন বাঁচাতে নিজের একটি কিডনি দান করে জসিম উদ্দিন সত্যিই একটি অনন্য ও বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এটি ভালোবাসা ও আত্মত্যাগের অসাধারণ উদাহরণ। আমি মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করি, তিনি যেন এই দম্পতিকে সুস্থ ও ভালো রাখেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ০০:০৯
১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৫৭
১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৯
১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১৬