
১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ০০:০৯
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) বলেছেন, বাংলাদেশের মধ্যে ভোলা জেলা একটি খাদ্য উদ্ধৃত্ত সমৃদ্ধিশালী জেলা, এখানে প্রাকৃতিক ভাণ্ডার এবং ভাল রিজার্ভ রয়েছে। ভোলার মানুষের প্রাণের দাবি, ভোলা-বরিশাল সেতু শিগগিরই বাস্তবায়ন হবে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ভোলা সার্কিট হাউজে প্রেস ব্রিফিং কালে এ কথা বলেন তিনি।
স্পিকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী বরিশালে নির্বাচনোত্তর জনসভায় ভোলা-বরিশাল সেতুর বিষয়ে কমিটমেন্ট করেছেন। জাতীয় সংসদে সেতু মন্ত্রীও বলেছেন যত শিগগিরই সম্ভব তা বাস্তবায়ন করবেন।
স্পিকার আরও বলেন, এখানে গ্যাসভিত্তিক সার কারখানাসহ বিভিন্ন শিল্প কারখানা হতে পারে। আরও ভালো হয় যদি বিদেশি কোনো দেশ এখানে শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলে তাহলে ভোলাবাসী উপকৃত হবে। হাজারো বেকার মানুষ কাজ করলে বেকারত্ব দূর হবে। পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিরও উন্নতি হবে।
ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে বালু উত্তোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নদী থেকে বালু উত্তোলনের কারণে নদী ভাঙন হয় তা আমি পানিসম্পদ মন্ত্রীকে বলেছি। তারা এসব বিষয়ে কাজ করবে। জ্বালানী তেল ও বালু উত্তোলনের ফলে নদী ভাঙন নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে মিটিং করব যাতে জ্বালানী তেলের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম না হয়। সাধারণ জনগণ যেন জ্বালানি থেকে বঞ্চিত না হয়।
এসময় ভোলা জেলার প্রশাসকসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।’
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) বলেছেন, বাংলাদেশের মধ্যে ভোলা জেলা একটি খাদ্য উদ্ধৃত্ত সমৃদ্ধিশালী জেলা, এখানে প্রাকৃতিক ভাণ্ডার এবং ভাল রিজার্ভ রয়েছে। ভোলার মানুষের প্রাণের দাবি, ভোলা-বরিশাল সেতু শিগগিরই বাস্তবায়ন হবে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ভোলা সার্কিট হাউজে প্রেস ব্রিফিং কালে এ কথা বলেন তিনি।
স্পিকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী বরিশালে নির্বাচনোত্তর জনসভায় ভোলা-বরিশাল সেতুর বিষয়ে কমিটমেন্ট করেছেন। জাতীয় সংসদে সেতু মন্ত্রীও বলেছেন যত শিগগিরই সম্ভব তা বাস্তবায়ন করবেন।
স্পিকার আরও বলেন, এখানে গ্যাসভিত্তিক সার কারখানাসহ বিভিন্ন শিল্প কারখানা হতে পারে। আরও ভালো হয় যদি বিদেশি কোনো দেশ এখানে শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলে তাহলে ভোলাবাসী উপকৃত হবে। হাজারো বেকার মানুষ কাজ করলে বেকারত্ব দূর হবে। পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিরও উন্নতি হবে।
ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে বালু উত্তোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নদী থেকে বালু উত্তোলনের কারণে নদী ভাঙন হয় তা আমি পানিসম্পদ মন্ত্রীকে বলেছি। তারা এসব বিষয়ে কাজ করবে। জ্বালানী তেল ও বালু উত্তোলনের ফলে নদী ভাঙন নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে মিটিং করব যাতে জ্বালানী তেলের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম না হয়। সাধারণ জনগণ যেন জ্বালানি থেকে বঞ্চিত না হয়।
এসময় ভোলা জেলার প্রশাসকসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।’
১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ০০:০৯
১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৫৭
১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৯
১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১৬

১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৯
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম) বলেছেন, বাংলাদেশে আমরা বহু বছর পর প্রকৃত গণতন্ত্রের স্বাদ পেয়েছি। গত ১২ ফেব্রুয়ারি আপনারা বহু বছর পর একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দেখেছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে ভোলার লালমোহন উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে নাগরিক ফোরামের আয়োজনে এক নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, মাফিয়া সরকারের আমলে বিএনপির নেতা-কর্মীরা বাড়িতে থাকতে পারেনি। মিথ্যা মামলায় জেল খেটেছে। গায়েবি মামলার আসামিও ছিলেন। অবশেষে অনেক ত্যাগ ও তিতিক্ষার পর বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসেছে। তাই কেউ প্রতিহিংসার রাজনীতি করবেন না। এটা জিয়াউর রহমানের দল।
তিনি আরও বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতু এ অঞ্চলের মানুষের ন্যায্য ও প্রাণের দাবি। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। এছাড়া ভোলায় একটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে। ওই মেডিকেল কলেজটি যাতে লালমোহনে হয় তার জন্য প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য মন্ত্রীকে অনুরোধ করবো।
লালমোহন নাগরিক ফোরামের সভাপতি মাওলানা আব্দুল আউয়ালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নাগরিক সংবর্ধনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সত্যজিৎ কুমার ঘোষ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম বাবুল, পৌরসভা বিএনপির সভাপতি ছাদেক মিয়া জান্টু, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান বাবুল পাটোয়ারী, উপজেলা জামায়াতে ইসলামির আমির মাওলানা আব্দুল হকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষজন উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম) বলেছেন, বাংলাদেশে আমরা বহু বছর পর প্রকৃত গণতন্ত্রের স্বাদ পেয়েছি। গত ১২ ফেব্রুয়ারি আপনারা বহু বছর পর একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দেখেছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে ভোলার লালমোহন উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে নাগরিক ফোরামের আয়োজনে এক নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, মাফিয়া সরকারের আমলে বিএনপির নেতা-কর্মীরা বাড়িতে থাকতে পারেনি। মিথ্যা মামলায় জেল খেটেছে। গায়েবি মামলার আসামিও ছিলেন। অবশেষে অনেক ত্যাগ ও তিতিক্ষার পর বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসেছে। তাই কেউ প্রতিহিংসার রাজনীতি করবেন না। এটা জিয়াউর রহমানের দল।
তিনি আরও বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতু এ অঞ্চলের মানুষের ন্যায্য ও প্রাণের দাবি। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। এছাড়া ভোলায় একটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে। ওই মেডিকেল কলেজটি যাতে লালমোহনে হয় তার জন্য প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য মন্ত্রীকে অনুরোধ করবো।
লালমোহন নাগরিক ফোরামের সভাপতি মাওলানা আব্দুল আউয়ালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নাগরিক সংবর্ধনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সত্যজিৎ কুমার ঘোষ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম বাবুল, পৌরসভা বিএনপির সভাপতি ছাদেক মিয়া জান্টু, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান বাবুল পাটোয়ারী, উপজেলা জামায়াতে ইসলামির আমির মাওলানা আব্দুল হকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষজন উপস্থিত ছিলেন।

১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:৫৬
তিন দিনের সরকারি সফরে ভোলায় আসছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ঢাকা থেকে সড়ক পথে বরিশাল হয়ে বিকেলে ভোলায় আসার কথা রয়েছে তাঁর।
জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার পর এটিই তাঁর নির্বাচনী এলাকা ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসনে প্রথম সফর হওয়ায় দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সফর ঘিরে সরকারি-বেসরকারিভাবে নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
সরকারি সফরসূচি থেকে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা থেকে সড়ক পথে রওনা দিয়ে বিকেল ৩টার দিকে তিনি ভোলা সার্কিট হাউজে উপস্থিত হবেন। একই দিন বিকেল ৫টায় তার নির্বাচনী এলাকা লালমোহন উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিবেন তিনি।
পরদিন শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকাল ৯টায় লালমোহন উপজেলার কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করবেন। একই দিন বিকেল ৩টায় তজুমদ্দিন উপজেলার কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করার কথা রয়েছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ১০টায় ভোলা সার্কিট হাউজে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন। ওই দিন বেলা ১১টার দিকে পুনরায় সড়ক পথে ঢাকায় ফিরবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।’
তিন দিনের সরকারি সফরে ভোলায় আসছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ঢাকা থেকে সড়ক পথে বরিশাল হয়ে বিকেলে ভোলায় আসার কথা রয়েছে তাঁর।
জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার পর এটিই তাঁর নির্বাচনী এলাকা ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসনে প্রথম সফর হওয়ায় দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সফর ঘিরে সরকারি-বেসরকারিভাবে নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
সরকারি সফরসূচি থেকে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা থেকে সড়ক পথে রওনা দিয়ে বিকেল ৩টার দিকে তিনি ভোলা সার্কিট হাউজে উপস্থিত হবেন। একই দিন বিকেল ৫টায় তার নির্বাচনী এলাকা লালমোহন উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিবেন তিনি।
পরদিন শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকাল ৯টায় লালমোহন উপজেলার কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করবেন। একই দিন বিকেল ৩টায় তজুমদ্দিন উপজেলার কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করার কথা রয়েছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ১০টায় ভোলা সার্কিট হাউজে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও জেলা পরিষদ প্রশাসকের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন। ওই দিন বেলা ১১টার দিকে পুনরায় সড়ক পথে ঢাকায় ফিরবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।’

১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২৩
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিফ-১ মৌসুমে কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। উফশী আউশ ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে এ কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার মোট ৭ হাজার কৃষককে এ সহায়তা প্রদান করা হবে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত হয়ে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হাফিজ ইব্রাহিম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কৃষকদের হাতে বীজ ও সার তুলে দেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাফরুজা সুলতানা।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনোরঞ্জন বর্মনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ গোবিন্দ মন্ডল। তিনি বলেন, সরকারের কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচি কৃষকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উদ্যোগ। এর মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকরা বিনামূল্যে উন্নতমানের বীজ ও সার পেয়ে আবাদ খরচ কমাতে পারবেন এবং উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবেন। তিনি আরও জানান, সময়মতো এসব উপকরণ সরবরাহের ফলে চলতি মৌসুমে আউশ ধানের আবাদ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মো. হাফিজ ইব্রাহিম বলেন, কৃষিই দেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি। কৃষকদের সহায়তা করতে সরকার ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ কৃষকদের জন্য একটি বড় সহায়তা, যা খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবে। তিনি কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে অধিক ফলন অর্জনের আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথি মাফরুজা সুলতানা তার বক্তব্যে বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই দেশে সবুজ বিপ্লবের সূচনা হয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান নেতৃত্ব কৃষকদের উন্নয়নে কাজ করছে। তিনি উল্লেখ করেন, কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড প্রকল্প চালু করা একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ, যা কৃষকদের সরাসরি সহায়তা পৌঁছে দিতে সহায়ক হবে। তিনি কৃষকদের কল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান এবং কৃষিখাতে আরও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির দাবি জানান।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কৃষকদের মধ্যে এ সহায়তা বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে পৌরসভায় ১০০ জন, কাচিয়া ৮৫০ জন, গঙ্গাপুরে ৭৫০ জন, সাচরায় ৮০০ জন, দেউলায় ৮০০ জন, হাসাননগরে ৪০০ জন, টবগীতে ৮৫০ জন, পক্ষীয়ায় ৮০০ জন, বড়মানিকা ৮৫০ জন এবং কুতুবায় ৮০০ জন কৃষক এ সুবিধা পাবেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানা, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মনোজ কুমার সাহা, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার আলম খান, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি ইদ্রিস মিয়া প্রমুখ।
অনুষ্ঠান শেষে কৃষকদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়। কৃষকরা এই সহায়তা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বলেন, এতে তাদের উৎপাদন ব্যয় কমবে এবং তারা অধিক জমিতে আবাদ করতে উৎসাহিত হবেন।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে চলতি মৌসুমে আউশ ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষকদের আর্থিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটবে। পাশাপাশি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিফ-১ মৌসুমে কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। উফশী আউশ ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে এ কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার মোট ৭ হাজার কৃষককে এ সহায়তা প্রদান করা হবে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত হয়ে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হাফিজ ইব্রাহিম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কৃষকদের হাতে বীজ ও সার তুলে দেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাফরুজা সুলতানা।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনোরঞ্জন বর্মনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ গোবিন্দ মন্ডল। তিনি বলেন, সরকারের কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচি কৃষকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উদ্যোগ। এর মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকরা বিনামূল্যে উন্নতমানের বীজ ও সার পেয়ে আবাদ খরচ কমাতে পারবেন এবং উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবেন। তিনি আরও জানান, সময়মতো এসব উপকরণ সরবরাহের ফলে চলতি মৌসুমে আউশ ধানের আবাদ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মো. হাফিজ ইব্রাহিম বলেন, কৃষিই দেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি। কৃষকদের সহায়তা করতে সরকার ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ কৃষকদের জন্য একটি বড় সহায়তা, যা খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবে। তিনি কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে অধিক ফলন অর্জনের আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথি মাফরুজা সুলতানা তার বক্তব্যে বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই দেশে সবুজ বিপ্লবের সূচনা হয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান নেতৃত্ব কৃষকদের উন্নয়নে কাজ করছে। তিনি উল্লেখ করেন, কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড প্রকল্প চালু করা একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ, যা কৃষকদের সরাসরি সহায়তা পৌঁছে দিতে সহায়ক হবে। তিনি কৃষকদের কল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান এবং কৃষিখাতে আরও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির দাবি জানান।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কৃষকদের মধ্যে এ সহায়তা বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে পৌরসভায় ১০০ জন, কাচিয়া ৮৫০ জন, গঙ্গাপুরে ৭৫০ জন, সাচরায় ৮০০ জন, দেউলায় ৮০০ জন, হাসাননগরে ৪০০ জন, টবগীতে ৮৫০ জন, পক্ষীয়ায় ৮০০ জন, বড়মানিকা ৮৫০ জন এবং কুতুবায় ৮০০ জন কৃষক এ সুবিধা পাবেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানা, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মনোজ কুমার সাহা, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার আলম খান, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি ইদ্রিস মিয়া প্রমুখ।
অনুষ্ঠান শেষে কৃষকদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়। কৃষকরা এই সহায়তা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বলেন, এতে তাদের উৎপাদন ব্যয় কমবে এবং তারা অধিক জমিতে আবাদ করতে উৎসাহিত হবেন।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে চলতি মৌসুমে আউশ ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষকদের আর্থিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটবে। পাশাপাশি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.