
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২১
‘মুজিব কোট আমার ঘরে আছে, আয়রন করে তুলে রেখেছি। কাল যদি আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে, তাহলে আবার আওয়ামী লীগে যাব। কিন্তু এখন তো আওয়ামী লীগ নেই। ভোট তো এক জায়গায় দিতে হবে, ঘরে বসে থাকলে চলবে না। তাই এবার ধানের শীষে ভোট দেবো।’
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় বিএনপি আয়োজিত এক দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক কর্মী ও এলাকার মাতব্বর কাজী আতিয়ার রহমান রবি। তবে তিনি বর্তমানে বিএনপির সঙ্গে আছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ১ মিনিট ১৮ সেকেন্ডের এই বক্তব্যটি ভাইরাল হয়েছে।আওয়ামী লীগ কর্মী কাজী আতিয়ার রহমান রবি ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার কদমী গ্রামের বাসিন্দা।
গত শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার রূপাপাত এলাকায় এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির সাবেক চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। সেখানেই সভাপতির বক্তব্যে কাজী আতিয়ার রহমান রবি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, অনেকে বলে আপনিতো আওয়ামী লীগ করতেন তাহলে এখন বিএনপিতে কেন আসলেন? আমি ময়রার মাঠে মুশা মিয়ার (বোয়ালমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি) হাত ধরে আওয়ামী লীগে যোগদান করি। এখনতো আওয়ামী লীগের কেউ নাই। আমাদের ভোট তো দিতে হবে। ঘরে বসে থাকলে তো হবে না। দীর্ঘ ১৭-১৮ বছর তো অনেক দেখলাম। আমরা যারা গ্রামে আছি আমাদের একসাথেই থাকতে হবে।
ওই দোয়া মাহফিলে ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী আলফাডাঙ্গা ও মধুখালি উপজেলা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী খন্দকার নাসিরুল ইসলামের স্ত্রী আনজুমান বানু উপস্থিত ছিলেন। তার এই বক্তব্য চলাকালীন মঞ্চে বসা অতিথিদের অনেকে এবং দর্শকসাড়িতে বসে থাকা বিএনপি কর্মীরাও হাসাহাসি করেন।
কাজী আতিউর রহমান রবির সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির সহ-কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হাসিবুজ্জামান শাহিন, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক জহুর ইকবাল পিন্টু ঠাকুর, জেসমিন খান, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক শেখ মৌসুমী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে কাজী আতিয়ার রহমান রবি বলেন, আমি আগে আওয়ামী লীগ করতাম এটা সবারই জানা। তবে বর্তমানে বিএনপির সাথে আছি। সেদিন জনসম্মুখে যেভাবে বলেছি সেভাবে বলাটা ঠিক হয়নি। এখন তো আর কিছু করার নেই।
উপজেলা বিএনপির সহ-কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহমান বলেন, এ ব্যাপারে আমার কাছে নানান জায়গা থেকে ফোন আসতেছে। বিষয়টি একটু বিব্রতকরই হয়ে গেছে। উনি (কাজী আতিয়ার) তো আমাদের বিএনপির কোনো পদধারী নেতা নন। এলাকার সম্মানিত মুরব্বি হিসেবে বক্তব্য দিয়েছিলেন সেদিন।
‘মুজিব কোট আমার ঘরে আছে, আয়রন করে তুলে রেখেছি। কাল যদি আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে, তাহলে আবার আওয়ামী লীগে যাব। কিন্তু এখন তো আওয়ামী লীগ নেই। ভোট তো এক জায়গায় দিতে হবে, ঘরে বসে থাকলে চলবে না। তাই এবার ধানের শীষে ভোট দেবো।’
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় বিএনপি আয়োজিত এক দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক কর্মী ও এলাকার মাতব্বর কাজী আতিয়ার রহমান রবি। তবে তিনি বর্তমানে বিএনপির সঙ্গে আছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ১ মিনিট ১৮ সেকেন্ডের এই বক্তব্যটি ভাইরাল হয়েছে।আওয়ামী লীগ কর্মী কাজী আতিয়ার রহমান রবি ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার কদমী গ্রামের বাসিন্দা।
গত শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার রূপাপাত এলাকায় এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির সাবেক চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। সেখানেই সভাপতির বক্তব্যে কাজী আতিয়ার রহমান রবি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, অনেকে বলে আপনিতো আওয়ামী লীগ করতেন তাহলে এখন বিএনপিতে কেন আসলেন? আমি ময়রার মাঠে মুশা মিয়ার (বোয়ালমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি) হাত ধরে আওয়ামী লীগে যোগদান করি। এখনতো আওয়ামী লীগের কেউ নাই। আমাদের ভোট তো দিতে হবে। ঘরে বসে থাকলে তো হবে না। দীর্ঘ ১৭-১৮ বছর তো অনেক দেখলাম। আমরা যারা গ্রামে আছি আমাদের একসাথেই থাকতে হবে।
ওই দোয়া মাহফিলে ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী আলফাডাঙ্গা ও মধুখালি উপজেলা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী খন্দকার নাসিরুল ইসলামের স্ত্রী আনজুমান বানু উপস্থিত ছিলেন। তার এই বক্তব্য চলাকালীন মঞ্চে বসা অতিথিদের অনেকে এবং দর্শকসাড়িতে বসে থাকা বিএনপি কর্মীরাও হাসাহাসি করেন।
কাজী আতিউর রহমান রবির সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির সহ-কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হাসিবুজ্জামান শাহিন, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক জহুর ইকবাল পিন্টু ঠাকুর, জেসমিন খান, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক শেখ মৌসুমী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে কাজী আতিয়ার রহমান রবি বলেন, আমি আগে আওয়ামী লীগ করতাম এটা সবারই জানা। তবে বর্তমানে বিএনপির সাথে আছি। সেদিন জনসম্মুখে যেভাবে বলেছি সেভাবে বলাটা ঠিক হয়নি। এখন তো আর কিছু করার নেই।
উপজেলা বিএনপির সহ-কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহমান বলেন, এ ব্যাপারে আমার কাছে নানান জায়গা থেকে ফোন আসতেছে। বিষয়টি একটু বিব্রতকরই হয়ে গেছে। উনি (কাজী আতিয়ার) তো আমাদের বিএনপির কোনো পদধারী নেতা নন। এলাকার সম্মানিত মুরব্বি হিসেবে বক্তব্য দিয়েছিলেন সেদিন।

০৩ মার্চ, ২০২৬ ২৩:২১
পথে পথে চাঁদাবাজি যেন সবজির দাম নিয়ন্ত্রণ করছে। যে বেগুন উৎপাদনে আড়ত পর্যায়ে ৩৭ টাকা, ঢাকায় এসে তা হয়ে যাচ্ছে ১শ’ টাকা। সব-ই যেন একটি চাঁদাবাজির শৃঙ্খলে আবদ্ধ।
৩শ’ বছরের ঐতিহ্যবাহী উত্তরের সবচেয়ে বড় সবজির বাজার বগুড়ার মহাস্থান হাটে সবজি আর কাঁচা তরকারি নিয়ে আসেন কৃষক। এখানেই ঠিক হয় দর। ধরণভেদে এক মন বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১৪ থেকে ১৫শ’ টাকায়। কেজির হিসাব ধরলে তা ৩৫ থেকে ৩৭ টাকা। শসার দামও কেজিতে ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা।
কৃষকের বিক্রি করা সবজি পাইকারি আর খুচরা বাজারে না গিয়ে খোদ হাটেই ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে একটি স্লিপ। প্রতি মণের জন্য দিতে হচ্ছে ২০ টাকা চাঁদা। খাজনার নামে এই চাঁদা থেকে বাঁচতে কেউ কেউ সরাসরি মাঠ থেকে কৃষিপণ্য ট্রাকে তোলেন। তাতেও যেন রক্ষা নেই। এখানেও হাজির চাঁদা আদায়কারীরা।
একজন ব্যবসায়ী বলেন, বাজারের যে খরচটা দিবো এর থেকে চাঁদার পরিমাণটা বেশি। বাজারে পণ্য খালাস করার খরচ ৫শ’ টাকা কিন্ত চাঁদা দিতে হচ্ছে ১০০০ টাকা।
সবজি পরিবহনের কাজে নিয়োজিত ভোক্তভোগী ট্রাক চালক কাশেম বলেন, পথে পথে হুট করে ট্রাক দাঁড় করিয়ে একটি স্লিপ ধরিয়ে দিয়ে টাকা নেয়া হয়। তা না হলে কেউ যেতে পারে না।
শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ইজারাদার তাহেরুল ইসলামের নামে স্লিপে নেওয়া হচ্ছে টাকা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চাঁদার বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি জানান, কোথায় সেটা? আমাদের লোকজন কোনো খাজনা আদায় করে না। আমার নামে কুৎসা রটাতে স্লিপ বানিয়ে এটা করা হতে পারে।
একই চিত্র সিরাজগঞ্জে-ও। ব্যবসায়ী কিংবা ট্রাক চালক, সকলের কাছ থেকেই নেওয়া হচ্ছে স্লিপ দিয়ে চাঁদা। এটি কী সমঝোতার চাঁদা, এই প্রশ্নের কোনো উত্তর মেলেনি।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম বলেন, এখানে কোনো সমঝোতার বিষয় নেই। আমাদের কাছে এ বিষয়ে কেউ কোনো কিছু বলে নাই। আমরা এগুলোকে প্রশ্রয়ও দিচ্ছি না। আমাদের কথা হচ্ছে চাঁদাবাজি হলেই সেটা বন্ধ। এখানে সমঝোতা বলে কিছু নাই। যারা রাস্তায় বিভিন্ন জায়গায় টাকা সংগ্রহ করছে তারা চাঁদাবাজি করছে।
পথের চিত্র লক্ষ্য করতে গেলে দেখা যায়, সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী সবজির ট্রাক হতে গাজীপুর পার হতেই ব্রিজের দোহাই দিয়ে নেয়া হচ্ছে ট্রাক প্রতি দুইশ টাকা। সড়ক ও জনপদের টোল নামে ম্যানুয়ালি এ চাঁদা নেয়া হয় একেক সময় একেক স্পট থেকে।
ঢাকার পাইকারি আড়তে আসার পর নগরবাসীর জন্য পণ্যের দর ঠিক করেন আড়তদাররা। পথে পথে সমঝোতার চাঁদাবাজির ফলে সবজির দাম বেড়ে দ্বিগুণ, তিনগুণ।
প্রশ্ন আসে, হাটে-বাজারে-আড়তে-সড়কে আর মহাসড়কে চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য কি কমেছে আদৌ? সমঝোতায় নেয়া টাকাকে চাঁদা বলতে না চাইলেও এর প্রভাব কি পণ্যমূল্যে পড়ে না? কতটা পড়ে?
বরিশাল টাইমস
পথে পথে চাঁদাবাজি যেন সবজির দাম নিয়ন্ত্রণ করছে। যে বেগুন উৎপাদনে আড়ত পর্যায়ে ৩৭ টাকা, ঢাকায় এসে তা হয়ে যাচ্ছে ১শ’ টাকা। সব-ই যেন একটি চাঁদাবাজির শৃঙ্খলে আবদ্ধ।
৩শ’ বছরের ঐতিহ্যবাহী উত্তরের সবচেয়ে বড় সবজির বাজার বগুড়ার মহাস্থান হাটে সবজি আর কাঁচা তরকারি নিয়ে আসেন কৃষক। এখানেই ঠিক হয় দর। ধরণভেদে এক মন বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১৪ থেকে ১৫শ’ টাকায়। কেজির হিসাব ধরলে তা ৩৫ থেকে ৩৭ টাকা। শসার দামও কেজিতে ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা।
কৃষকের বিক্রি করা সবজি পাইকারি আর খুচরা বাজারে না গিয়ে খোদ হাটেই ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে একটি স্লিপ। প্রতি মণের জন্য দিতে হচ্ছে ২০ টাকা চাঁদা। খাজনার নামে এই চাঁদা থেকে বাঁচতে কেউ কেউ সরাসরি মাঠ থেকে কৃষিপণ্য ট্রাকে তোলেন। তাতেও যেন রক্ষা নেই। এখানেও হাজির চাঁদা আদায়কারীরা।
একজন ব্যবসায়ী বলেন, বাজারের যে খরচটা দিবো এর থেকে চাঁদার পরিমাণটা বেশি। বাজারে পণ্য খালাস করার খরচ ৫শ’ টাকা কিন্ত চাঁদা দিতে হচ্ছে ১০০০ টাকা।
সবজি পরিবহনের কাজে নিয়োজিত ভোক্তভোগী ট্রাক চালক কাশেম বলেন, পথে পথে হুট করে ট্রাক দাঁড় করিয়ে একটি স্লিপ ধরিয়ে দিয়ে টাকা নেয়া হয়। তা না হলে কেউ যেতে পারে না।
শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ইজারাদার তাহেরুল ইসলামের নামে স্লিপে নেওয়া হচ্ছে টাকা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে চাঁদার বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি জানান, কোথায় সেটা? আমাদের লোকজন কোনো খাজনা আদায় করে না। আমার নামে কুৎসা রটাতে স্লিপ বানিয়ে এটা করা হতে পারে।
একই চিত্র সিরাজগঞ্জে-ও। ব্যবসায়ী কিংবা ট্রাক চালক, সকলের কাছ থেকেই নেওয়া হচ্ছে স্লিপ দিয়ে চাঁদা। এটি কী সমঝোতার চাঁদা, এই প্রশ্নের কোনো উত্তর মেলেনি।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম বলেন, এখানে কোনো সমঝোতার বিষয় নেই। আমাদের কাছে এ বিষয়ে কেউ কোনো কিছু বলে নাই। আমরা এগুলোকে প্রশ্রয়ও দিচ্ছি না। আমাদের কথা হচ্ছে চাঁদাবাজি হলেই সেটা বন্ধ। এখানে সমঝোতা বলে কিছু নাই। যারা রাস্তায় বিভিন্ন জায়গায় টাকা সংগ্রহ করছে তারা চাঁদাবাজি করছে।
পথের চিত্র লক্ষ্য করতে গেলে দেখা যায়, সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী সবজির ট্রাক হতে গাজীপুর পার হতেই ব্রিজের দোহাই দিয়ে নেয়া হচ্ছে ট্রাক প্রতি দুইশ টাকা। সড়ক ও জনপদের টোল নামে ম্যানুয়ালি এ চাঁদা নেয়া হয় একেক সময় একেক স্পট থেকে।
ঢাকার পাইকারি আড়তে আসার পর নগরবাসীর জন্য পণ্যের দর ঠিক করেন আড়তদাররা। পথে পথে সমঝোতার চাঁদাবাজির ফলে সবজির দাম বেড়ে দ্বিগুণ, তিনগুণ।
প্রশ্ন আসে, হাটে-বাজারে-আড়তে-সড়কে আর মহাসড়কে চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য কি কমেছে আদৌ? সমঝোতায় নেয়া টাকাকে চাঁদা বলতে না চাইলেও এর প্রভাব কি পণ্যমূল্যে পড়ে না? কতটা পড়ে?
বরিশাল টাইমস

০৩ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৭
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা বাইপাস সড়ক সংলগ্ন একটি বাড়ির সীমানার বাইরে ঝোপঝাড় থেকে এক নারীর মাথার খুলি ও কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২ মার্চ) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এগুলো উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাস্তার পাশের ঘন ঝোপের মধ্যে মানুষের দেহাবশেষ পড়ে থাকতে দেখে তাদের সন্দেহ হয়। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে কঙ্কালটি উদ্ধার করেন।
উদ্ধারকৃত কঙ্কালের পাশে লম্বা চুল পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীর দেহাবশেষ এবং দীর্ঘদিন আগে সেখানে ফেলে রাখা হয়েছিল। কঙ্কালটি আংশিকভাবে মাটির সঙ্গে মিশে ছিল বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন, ‘কঙ্কালটি বেশ পুরোনো মনে হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।’
বিশ্বনাথ থানার ওসি গাজী মাহবুবুর রহমান জানান, ‘সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে কঙ্কালটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা কি না এবং কতদিন আগে মৃত্যু হয়েছে তা ফরেনসিক রিপোর্ট পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে।’
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা বাইপাস সড়ক সংলগ্ন একটি বাড়ির সীমানার বাইরে ঝোপঝাড় থেকে এক নারীর মাথার খুলি ও কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২ মার্চ) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এগুলো উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাস্তার পাশের ঘন ঝোপের মধ্যে মানুষের দেহাবশেষ পড়ে থাকতে দেখে তাদের সন্দেহ হয়। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে কঙ্কালটি উদ্ধার করেন।
উদ্ধারকৃত কঙ্কালের পাশে লম্বা চুল পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীর দেহাবশেষ এবং দীর্ঘদিন আগে সেখানে ফেলে রাখা হয়েছিল। কঙ্কালটি আংশিকভাবে মাটির সঙ্গে মিশে ছিল বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন, ‘কঙ্কালটি বেশ পুরোনো মনে হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।’
বিশ্বনাথ থানার ওসি গাজী মাহবুবুর রহমান জানান, ‘সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে কঙ্কালটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা কি না এবং কতদিন আগে মৃত্যু হয়েছে তা ফরেনসিক রিপোর্ট পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে।’

০২ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৫৮
সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে বসতবাড়ির আঙিনায় ১২ ফুট উচ্চতার ৫ কেজি ওজনের গাঁজার গাছসহ মাহবুবুর রহমান (৪৫) নামে এক যুবদল নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (১ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার চালিতাডাঙ্গা দক্ষিণপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মাহবুবুর রহমান ওই গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে ও উপজেলা উপজেলা যুবদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক। বর্তমানে তিনি স্থানীয় একটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সিনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে কর্মরত রয়েছেন বলে জানা গেছে। কাজীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু সাইদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, বাড়ির আঙিনায় গাঁজার চাষ করা করা হয় এমন এক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ১২ ফুট উচ্চতার ৫ কেজি ওজনের গাঁজার গাছটি মাহবুবুর রহমান পরিচর্যার মাধ্যমে বড় করেছেন।
তিনি আরও বলেন, অপরাধ স্বীকার করায় নিয়মিত মামলায় সোমবার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অভিযানকালে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নজরুল ইসলাম ও পরিদর্শক নিজাম উদ্দিন খান উপস্থিত ছিলেন।
সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে বসতবাড়ির আঙিনায় ১২ ফুট উচ্চতার ৫ কেজি ওজনের গাঁজার গাছসহ মাহবুবুর রহমান (৪৫) নামে এক যুবদল নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (১ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার চালিতাডাঙ্গা দক্ষিণপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মাহবুবুর রহমান ওই গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে ও উপজেলা উপজেলা যুবদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক। বর্তমানে তিনি স্থানীয় একটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সিনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে কর্মরত রয়েছেন বলে জানা গেছে। কাজীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু সাইদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, বাড়ির আঙিনায় গাঁজার চাষ করা করা হয় এমন এক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ১২ ফুট উচ্চতার ৫ কেজি ওজনের গাঁজার গাছটি মাহবুবুর রহমান পরিচর্যার মাধ্যমে বড় করেছেন।
তিনি আরও বলেন, অপরাধ স্বীকার করায় নিয়মিত মামলায় সোমবার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অভিযানকালে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নজরুল ইসলাম ও পরিদর্শক নিজাম উদ্দিন খান উপস্থিত ছিলেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.