বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলায় এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে চাকরির প্রলোভনে সাত লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে। এনিয়ে আদালতে মামলা করায় হুমকির মুখে নিরাপত্তা শঙ্কায় আছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী। অভিযুক্ত সাহীফুল ইসলাম বুলবুল উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমন্বয়ক।
বৃহস্পতিবার (১২ জুন) সারিয়াকান্দি থানা ও সেনাবাহিনীর ক্যাম্প কমান্ডার বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হয়। তবে আইনজীবীর লিগ্যাল নোটিশে তথ্য গড়মিল পাওয়া গেছে। বাদী আব্দুল মান্নান উপজেলার ফুলবাড়ী (বালুচড়া) দক্ষিণপাড়ার জামাল আকন্দের ছেলে। তিনিও এনসিপি সমর্থক বলে জানা গেছে।
অভিযোগে বলা হয়, কয়েকমাস আগে চাকরির প্রলোভনে আব্দুল মান্নানের কাছ থেকে সাত লাখ টাকা নেন এনসিপি নেতা বুলবুল। তিনি সারিয়াকান্দি উপজেলার চর-গোদাগাড়ী এলাকার মোস্তাফিজার রহমানের ছেলে এবং অভিযোগকারীর নিকটাত্মীয়।
চাকরি না হলে এক সপ্তাহের মধ্যে ফেরত দেওয়ার শর্তে তিনি জমি ও গরু বিক্রি করে টাকা দেন। চাকরি না হওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে একটি ব্যাংক চেক দেন এনসিপি নেতা। ব্যাংকে যাওয়ার পর চেক ডিজঅনার হলে বগুড়ার আদালতে অর্থ আত্মসাৎ (প্রতারণা) মামলা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুকমি দিচ্ছেন বুলবুল।
ভুক্তভোগী আব্দুল মান্নান অভিযোগ করেন, মামলা করার কারণে তিনি নিরাপত্তা শঙ্কায় আছেন। বুলবুল এনসিপির উপজেলা প্রধান সমন্বয়ক হওয়ায় প্রশাসন নাকি কিছুই করতে পারবে না। মামলা তুলে না নিলে বড় ধরনের ক্ষতি করার হুমকি দিয়েছে।
এদিকে থানা এবং সেনাবাহিনীর কাছে দেওয়া অভিযোগের সঙ্গে লিগ্যাল নোটিশে তথ্য গড়মিল ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠেছে। নোটিশে চাকরি নয়, ব্যবসায়িক লেনদেনের কথা উল্লেখ করেন মান্নানের আইনজীবী মো. মাসুদ রানা। বলা হয়, বুলবুলের সঙ্গে তার ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল। সাত লাখ টাকা লেনদেন সংক্রান্তে চেক ডিজঅনার হয়েছে।
টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত এনসিপি নেতা সাহীফুল ইসলাম বুলবুল। তার দাবি, চাকরি প্রলোভনের বিষয়টি মিথ্যা, ভিত্তিহীন। ধান-চালের চাতাল ব্যবসার অংশীদার হিসেবে তিন লাখ টাকা নিয়ে মান্নানকে একটি ফাঁকা চেক দিয়েছিলেন। টাকা দিতে দেরি হওয়ায় সাত লাখ টাকা লিখে তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে।
সারিয়াকান্দি থানার ওসি মো. জামিরুল ইসলাম জানান, চাকরির প্রলোভনে টাকা আত্মসাৎ ও আদালতে মামলা করায় হুমকির লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতা ডা. আব্দুল্লাহ আল সানী বলেন, আমাদের সংগঠনে প্রতারক, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস বা অন্যায়কারীর ঠাঁই নেই। বিষয়টি জেনেই সারিয়াকান্দি উপজেলার সমন্বয়ক বুলবুলকে মৌখিকভাবে শোকজ করেছি। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনা মিথ্যা হলে বাদীর বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ এবং সহযোগিতা করব।

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৪৪
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. আলমগীর হোসেন ফরাজী (৪৫) নামে জামায়াতে ইসলামীর এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আলমগীর শরীফপুর ইউনিয়নের পশ্চিম খানপুর গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় বাজারে কবিরাজি ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি ঝাড়ফুঁক করতেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি শরীফপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক, সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি দলের কোনো কার্যক্রমে সক্রিয় নন বলে জানিয়েছে স্থানীয় জামায়াত।
মামলার এজাহার ও শিশুটির পরিবারের বরাতে জানা যায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মাথাব্যথা নিয়ে আলমগীরের দোকানে যায় শিশুটি। এ সময় ঝাড়ফুঁক করার কথা বলে তাকে বলাৎকার করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা জানায়। এরপর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ গত রাতে নিজ বাড়ি থেকে আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে।
বেগমগঞ্জ মডেল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মো. শামসুজ্জামান জানান, আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদালতের জিআরও মো. সাইফুল ইসলাম জানান, শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর একই আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করার কথা রয়েছে।
এদিকে শরীফপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোজাম্মেল হোসেন জানান, আলমগীর ২০২২ সাল পর্যন্ত দলীয় বিভিন্ন পদে থাকলেও বর্তমানে তিনি নিষ্ক্রিয় এবং দলের কার্যক্রমের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. আলমগীর হোসেন ফরাজী (৪৫) নামে জামায়াতে ইসলামীর এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আলমগীর শরীফপুর ইউনিয়নের পশ্চিম খানপুর গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় বাজারে কবিরাজি ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি ঝাড়ফুঁক করতেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি শরীফপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক, সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি দলের কোনো কার্যক্রমে সক্রিয় নন বলে জানিয়েছে স্থানীয় জামায়াত।
মামলার এজাহার ও শিশুটির পরিবারের বরাতে জানা যায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মাথাব্যথা নিয়ে আলমগীরের দোকানে যায় শিশুটি। এ সময় ঝাড়ফুঁক করার কথা বলে তাকে বলাৎকার করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা জানায়। এরপর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ গত রাতে নিজ বাড়ি থেকে আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে।
বেগমগঞ্জ মডেল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মো. শামসুজ্জামান জানান, আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদালতের জিআরও মো. সাইফুল ইসলাম জানান, শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর একই আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করার কথা রয়েছে।
এদিকে শরীফপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোজাম্মেল হোসেন জানান, আলমগীর ২০২২ সাল পর্যন্ত দলীয় বিভিন্ন পদে থাকলেও বর্তমানে তিনি নিষ্ক্রিয় এবং দলের কার্যক্রমের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৩১
চলতি বছরের প্রথম আট মাসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নিখোঁজ ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু। শিশু নিখোঁজ ও হত্যার ধারাবাহিক ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে।
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনায় মোট ১৫৫ শিশু নিহত হয়েছে। এর মধ্যে শারীরিক নির্যাতনে ৬৮, পারিবারিক পরিসরে নির্যাতনে ৪৯, ধর্ষণের পর ২৬ এবং ধর্ষণচেষ্টার পর চার শিশু নিহত হয়েছে।
এ ছাড়া গুলিতে তিন, গৃহকর্মী হিসেবে নির্যাতনে দুই, উত্ত্যক্তকারীর হাতে দুই এবং অপহরণের পর একজন শিশুকে হত্যা করা হয়েছে।
সম্প্রতি কুমিল্লায় নিখোঁজের পর ১৩ বছরের শিশু ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শিশু নিখোঁজ ও হত্যার বিষয়টি ফের আলোচনায় এসেছে। এর আগেও নিখোঁজ শিশুদের কারও মরদেহ মাটিচাপা অবস্থায়, আবার কারও মরদেহ নদী বা ডোবা থেকে উদ্ধার হয়েছে।
শুধু হত্যাই নয়, শিশু নিখোঁজের সংখ্যাও উদ্বেগজনক। পুলিশ সদরদপ্তরের ৩ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। সেই হিসাবে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু, যা মোট নিখোঁজের প্রায় ১৩ শতাংশ।
আসকের হিসাবে, একই সময়ে আত্মহত্যা, রহস্যজনক মৃত্যু ও মরদেহ উদ্ধারের আরও ৯৯টি ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে।
চলতি বছরের প্রথম আট মাসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নিখোঁজ ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু। শিশু নিখোঁজ ও হত্যার ধারাবাহিক ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে।
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনায় মোট ১৫৫ শিশু নিহত হয়েছে। এর মধ্যে শারীরিক নির্যাতনে ৬৮, পারিবারিক পরিসরে নির্যাতনে ৪৯, ধর্ষণের পর ২৬ এবং ধর্ষণচেষ্টার পর চার শিশু নিহত হয়েছে।
এ ছাড়া গুলিতে তিন, গৃহকর্মী হিসেবে নির্যাতনে দুই, উত্ত্যক্তকারীর হাতে দুই এবং অপহরণের পর একজন শিশুকে হত্যা করা হয়েছে।
সম্প্রতি কুমিল্লায় নিখোঁজের পর ১৩ বছরের শিশু ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শিশু নিখোঁজ ও হত্যার বিষয়টি ফের আলোচনায় এসেছে। এর আগেও নিখোঁজ শিশুদের কারও মরদেহ মাটিচাপা অবস্থায়, আবার কারও মরদেহ নদী বা ডোবা থেকে উদ্ধার হয়েছে।
শুধু হত্যাই নয়, শিশু নিখোঁজের সংখ্যাও উদ্বেগজনক। পুলিশ সদরদপ্তরের ৩ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। সেই হিসাবে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু, যা মোট নিখোঁজের প্রায় ১৩ শতাংশ।
আসকের হিসাবে, একই সময়ে আত্মহত্যা, রহস্যজনক মৃত্যু ও মরদেহ উদ্ধারের আরও ৯৯টি ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে।
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:১২
রাজধানীর ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে তার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ইবনে মিজান।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি জানান, মরদেহ তখনও ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। ঘটনাস্থলে সিআইডির ফরেনসিক টিম পাঠানো হচ্ছে।
ডিসি তেজগাঁও বলেন, “লাশ এখনও ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। সিআইডির ফরেনসিক টিম আসছে। আমরা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফরেনসিক পরীক্ষা ও তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
রাজধানীর ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে তার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ইবনে মিজান।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি জানান, মরদেহ তখনও ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। ঘটনাস্থলে সিআইডির ফরেনসিক টিম পাঠানো হচ্ছে।
ডিসি তেজগাঁও বলেন, “লাশ এখনও ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। সিআইডির ফরেনসিক টিম আসছে। আমরা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফরেনসিক পরীক্ষা ও তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

১৫ জুন, ২০২৫ ১১:৩৬
বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলায় এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে চাকরির প্রলোভনে সাত লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে। এনিয়ে আদালতে মামলা করায় হুমকির মুখে নিরাপত্তা শঙ্কায় আছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী। অভিযুক্ত সাহীফুল ইসলাম বুলবুল উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমন্বয়ক।
বৃহস্পতিবার (১২ জুন) সারিয়াকান্দি থানা ও সেনাবাহিনীর ক্যাম্প কমান্ডার বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হয়। তবে আইনজীবীর লিগ্যাল নোটিশে তথ্য গড়মিল পাওয়া গেছে। বাদী আব্দুল মান্নান উপজেলার ফুলবাড়ী (বালুচড়া) দক্ষিণপাড়ার জামাল আকন্দের ছেলে। তিনিও এনসিপি সমর্থক বলে জানা গেছে।
অভিযোগে বলা হয়, কয়েকমাস আগে চাকরির প্রলোভনে আব্দুল মান্নানের কাছ থেকে সাত লাখ টাকা নেন এনসিপি নেতা বুলবুল। তিনি সারিয়াকান্দি উপজেলার চর-গোদাগাড়ী এলাকার মোস্তাফিজার রহমানের ছেলে এবং অভিযোগকারীর নিকটাত্মীয়।
চাকরি না হলে এক সপ্তাহের মধ্যে ফেরত দেওয়ার শর্তে তিনি জমি ও গরু বিক্রি করে টাকা দেন। চাকরি না হওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে একটি ব্যাংক চেক দেন এনসিপি নেতা। ব্যাংকে যাওয়ার পর চেক ডিজঅনার হলে বগুড়ার আদালতে অর্থ আত্মসাৎ (প্রতারণা) মামলা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুকমি দিচ্ছেন বুলবুল।
ভুক্তভোগী আব্দুল মান্নান অভিযোগ করেন, মামলা করার কারণে তিনি নিরাপত্তা শঙ্কায় আছেন। বুলবুল এনসিপির উপজেলা প্রধান সমন্বয়ক হওয়ায় প্রশাসন নাকি কিছুই করতে পারবে না। মামলা তুলে না নিলে বড় ধরনের ক্ষতি করার হুমকি দিয়েছে।
এদিকে থানা এবং সেনাবাহিনীর কাছে দেওয়া অভিযোগের সঙ্গে লিগ্যাল নোটিশে তথ্য গড়মিল ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠেছে। নোটিশে চাকরি নয়, ব্যবসায়িক লেনদেনের কথা উল্লেখ করেন মান্নানের আইনজীবী মো. মাসুদ রানা। বলা হয়, বুলবুলের সঙ্গে তার ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল। সাত লাখ টাকা লেনদেন সংক্রান্তে চেক ডিজঅনার হয়েছে।
টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত এনসিপি নেতা সাহীফুল ইসলাম বুলবুল। তার দাবি, চাকরি প্রলোভনের বিষয়টি মিথ্যা, ভিত্তিহীন। ধান-চালের চাতাল ব্যবসার অংশীদার হিসেবে তিন লাখ টাকা নিয়ে মান্নানকে একটি ফাঁকা চেক দিয়েছিলেন। টাকা দিতে দেরি হওয়ায় সাত লাখ টাকা লিখে তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে।
সারিয়াকান্দি থানার ওসি মো. জামিরুল ইসলাম জানান, চাকরির প্রলোভনে টাকা আত্মসাৎ ও আদালতে মামলা করায় হুমকির লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতা ডা. আব্দুল্লাহ আল সানী বলেন, আমাদের সংগঠনে প্রতারক, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস বা অন্যায়কারীর ঠাঁই নেই। বিষয়টি জেনেই সারিয়াকান্দি উপজেলার সমন্বয়ক বুলবুলকে মৌখিকভাবে শোকজ করেছি। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনা মিথ্যা হলে বাদীর বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ এবং সহযোগিতা করব।
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:১৬
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২৩:৩৪
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৪৬
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:১৬