বরিশালসহ দেশের দক্ষিণাঞ্চলের তিন বিভাগে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী সোমবার খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াও বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
নভেম্বরের শুরুতে আবহাওয়ার এমন সম্ভাব্য পরিবর্তনে বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় জনপদ, নদ-নদী ও নৌপথে চলাচলকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে নদীতে মাছ ধরতে যাওয়া জেলে এবং নৌযাত্রীদের আবহাওয়ার সর্বশেষ পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানায় আবহাওয়া অধিদপ্তর।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবার ও শনিবার দেশের অধিকাংশ এলাকায় আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় আকাশ সাময়িকভাবে আংশিক মেঘলা থাকলেও উল্লেখযোগ্য বৃষ্টির সম্ভাবনা কম।
রোববার চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পরদিন সোমবার বৃষ্টির সম্ভাব্য বিস্তৃতি বাড়তে পারে। এদিন খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এদিকে, নভেম্বর মাসের দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়া পূর্বাভাসে বঙ্গোপসাগরে একাধিক লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর মধ্যে এক বা দুটি লঘুচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে সোমবারের সম্ভাব্য বৃষ্টির সঙ্গে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাসকে এক করে দেখার সুযোগ নেই। বঙ্গোপসাগরে কোনো লঘুচাপ বা ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হলে তার গতিপথ ও প্রভাব সম্পর্কে পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত জানা যাবে।
বরিশালসহ উপকূলীয় অঞ্চলের বাসিন্দাদের আবহাওয়ার নিয়মিত বুলেটিন অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে নদীপথে চলাচলকারী নৌযান, জেলে ও উপকূলের মানুষের সতর্ক থাকা জরুরি।

০৭ নভেম্বর, ২০২৬ ১৮:১৩
ঝটিকা মিছিলের পর রাতভর পুলিশের অভিযান, কারাগারে শিক্ষক-ব্যবসায়ী ও ঢাকাফেরত চাকরিজীবী; গ্রেপ্তার নিয়ে হয়রানির অভিযোগ আওয়ামী লীগ নেতার
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের পর নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের সাত নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন একজন শিক্ষক, একজন ব্যবসায়ী ও ঢাকায় কর্মরত একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী। তাঁদের মধ্যে একজন ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে এসেই পুলিশের অভিযানে আটক হয়েছেন।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—আগৈলঝাড়া উপজেলার পূর্ব বাকাল গ্রামের মৃত সোলেমান সরদারের ছেলে বাকাল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও শিক্ষক অলিউর রহমান, মধ্য শিহিপাশা গ্রামের হালিম খলিফার ছেলে উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য রবিউল খলিফা, বাকাল গ্রামের হানিফ মৃধার ছেলে উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য রাব্বি মৃধা, পূর্ব সুজনকাঠী গ্রামের রজব আলী সরদারের ছেলে গৈলা ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি কামরুল সরদার, উত্তর শিহিপাশা গ্রামের শাহে আলম সরদারের ছেলে গৈলা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ব্যবসায়ী সাইফুল সরদার, কালুপাড়া গ্রামের মৃত আশ্রাব সরদারের ছেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সরোয়ার সরদার এবং মুড়িহার গ্রামের ইউনুস সরদারের ছেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রাজিব সরদার।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার আগৈলঝাড়া-পয়সারহাট সড়কের বাকাল-পয়সা এলাকায় নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঝটিকা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। এ ঘটনার পর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাতজনকে আটক করা হয়। পরে রাতেই থানা পুলিশের পক্ষ থেকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রাজিব সরদার ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। গত বৃহস্পতিবার তিনি ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। শুক্রবার রাতে নিজ বাড়ি থেকেই তাঁকে আটক করে পুলিশ।
তবে এই গ্রেপ্তার অভিযান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আগৈলঝাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মো. লিটন। তাঁর দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কয়েকজন দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত নন। বিশেষ করে শিক্ষক অলিউর রহমান ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতি করলেও পরবর্তী সময়ে আর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না।
আবু সালেহ মো. লিটনের অভিযোগ, ঢাকায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রাজিব সরদার এবং গৈলা বাজারের ব্যবসায়ী সাইফুল সরদারও সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন না। শুধুমাত্র আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্য হওয়ার কারণে তাঁদের হয়রানি করে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
একটি ঝটিকা মিছিলের পর সাতজনকে গ্রেপ্তার, তাঁদের মধ্যে শিক্ষক ও পেশাজীবীদের অন্তর্ভুক্তি এবং গ্রেপ্তার নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতার হয়রানির অভিযোগ—সব মিলিয়ে আগৈলঝাড়ার ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় আলোচনা তৈরি হয়েছে।
তবে পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগ রয়েছে।
ঝটিকা মিছিলের পর রাতভর পুলিশের অভিযান, কারাগারে শিক্ষক-ব্যবসায়ী ও ঢাকাফেরত চাকরিজীবী; গ্রেপ্তার নিয়ে হয়রানির অভিযোগ আওয়ামী লীগ নেতার
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের পর নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের সাত নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন একজন শিক্ষক, একজন ব্যবসায়ী ও ঢাকায় কর্মরত একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী। তাঁদের মধ্যে একজন ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে এসেই পুলিশের অভিযানে আটক হয়েছেন।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—আগৈলঝাড়া উপজেলার পূর্ব বাকাল গ্রামের মৃত সোলেমান সরদারের ছেলে বাকাল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও শিক্ষক অলিউর রহমান, মধ্য শিহিপাশা গ্রামের হালিম খলিফার ছেলে উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য রবিউল খলিফা, বাকাল গ্রামের হানিফ মৃধার ছেলে উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য রাব্বি মৃধা, পূর্ব সুজনকাঠী গ্রামের রজব আলী সরদারের ছেলে গৈলা ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি কামরুল সরদার, উত্তর শিহিপাশা গ্রামের শাহে আলম সরদারের ছেলে গৈলা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ব্যবসায়ী সাইফুল সরদার, কালুপাড়া গ্রামের মৃত আশ্রাব সরদারের ছেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সরোয়ার সরদার এবং মুড়িহার গ্রামের ইউনুস সরদারের ছেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রাজিব সরদার।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার আগৈলঝাড়া-পয়সারহাট সড়কের বাকাল-পয়সা এলাকায় নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঝটিকা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। এ ঘটনার পর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাতজনকে আটক করা হয়। পরে রাতেই থানা পুলিশের পক্ষ থেকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রাজিব সরদার ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। গত বৃহস্পতিবার তিনি ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। শুক্রবার রাতে নিজ বাড়ি থেকেই তাঁকে আটক করে পুলিশ।
তবে এই গ্রেপ্তার অভিযান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আগৈলঝাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মো. লিটন। তাঁর দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কয়েকজন দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত নন। বিশেষ করে শিক্ষক অলিউর রহমান ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতি করলেও পরবর্তী সময়ে আর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না।
আবু সালেহ মো. লিটনের অভিযোগ, ঢাকায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রাজিব সরদার এবং গৈলা বাজারের ব্যবসায়ী সাইফুল সরদারও সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন না। শুধুমাত্র আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্য হওয়ার কারণে তাঁদের হয়রানি করে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
একটি ঝটিকা মিছিলের পর সাতজনকে গ্রেপ্তার, তাঁদের মধ্যে শিক্ষক ও পেশাজীবীদের অন্তর্ভুক্তি এবং গ্রেপ্তার নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতার হয়রানির অভিযোগ—সব মিলিয়ে আগৈলঝাড়ার ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় আলোচনা তৈরি হয়েছে।
তবে পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগ রয়েছে।

০৭ নভেম্বর, ২০২৬ ১৫:৪৭
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বরিশালে বিএনপির সমাবেশ চলাকালে হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ সময় মো. আতিকুল ইসলাম রাব্বি নামে যুবদলের এক সাবেক সদস্যকে মারধর করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে নগরীর সদর রোডে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত হওয়ার অভিযোগ ওঠা আতিকুল ইসলাম রাব্বি বরিশাল মহানগরীর ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সদস্য।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশ চলছিল। এ সময় সমাবেশস্থলে হঠাৎ হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে রাব্বিকে মারধর করে আহত করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
দলীয় কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা তৈরি হয়। তবে কী কারণে এ ঘটনার সূত্রপাত, কারা মারধরের সঙ্গে জড়িত এবং কোনো পূর্ববিরোধ থেকে এ ঘটনা ঘটেছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে আহত রাব্বির শারীরিক অবস্থা এবং এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ বা আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বরিশালে বিএনপির সমাবেশ চলাকালে হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ সময় মো. আতিকুল ইসলাম রাব্বি নামে যুবদলের এক সাবেক সদস্যকে মারধর করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে নগরীর সদর রোডে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত হওয়ার অভিযোগ ওঠা আতিকুল ইসলাম রাব্বি বরিশাল মহানগরীর ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সদস্য।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশ চলছিল। এ সময় সমাবেশস্থলে হঠাৎ হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে রাব্বিকে মারধর করে আহত করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
দলীয় কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা তৈরি হয়। তবে কী কারণে এ ঘটনার সূত্রপাত, কারা মারধরের সঙ্গে জড়িত এবং কোনো পূর্ববিরোধ থেকে এ ঘটনা ঘটেছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে আহত রাব্বির শারীরিক অবস্থা এবং এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ বা আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।

০৭ নভেম্বর, ২০২৬ ১৫:১৫
বরিশাল নগরীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে কামরুল ইসলাম (৫২) নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বজনদের বিরুদ্ধে। শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে নগরীর কাউনিয়া থানাধীন পূর্ব পুরানপাড়া বটতলা এলাকার হাওলাদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত পরিবারের তিন সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহতের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে কামরুল ইসলামের সঙ্গে তার সৎ মামাতো ভাই সুরুজের বিরোধ চলছিল। শনিবার সকালে নিজের জমিতে দেয়াল নির্মাণ করতে গেলে সুরুজের সঙ্গে তাঁর কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সুরুজ, তাঁর বাবা আনোয়ার হোসেন ও ছেলে মিরাজ মিলে কামরুলকে মাটিতে ফেলে মারধর করেন। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর পিঠে কোপ দেওয়া হয়।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় কামরুলকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় পুলিশ সুরুজের বাবা আনোয়ার হোসেন, স্ত্রী খাদিজা ও ছেলে মিরাজকে আটক করেছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউনিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মামা-ভাগিনার মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
বরিশাল নগরীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে কামরুল ইসলাম (৫২) নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বজনদের বিরুদ্ধে। শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে নগরীর কাউনিয়া থানাধীন পূর্ব পুরানপাড়া বটতলা এলাকার হাওলাদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত পরিবারের তিন সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহতের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে কামরুল ইসলামের সঙ্গে তার সৎ মামাতো ভাই সুরুজের বিরোধ চলছিল। শনিবার সকালে নিজের জমিতে দেয়াল নির্মাণ করতে গেলে সুরুজের সঙ্গে তাঁর কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সুরুজ, তাঁর বাবা আনোয়ার হোসেন ও ছেলে মিরাজ মিলে কামরুলকে মাটিতে ফেলে মারধর করেন। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর পিঠে কোপ দেওয়া হয়।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় কামরুলকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় পুলিশ সুরুজের বাবা আনোয়ার হোসেন, স্ত্রী খাদিজা ও ছেলে মিরাজকে আটক করেছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউনিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মামা-ভাগিনার মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

০৬ নভেম্বর, ২০২৬ ০০:৩৩
বরিশালসহ দেশের দক্ষিণাঞ্চলের তিন বিভাগে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী সোমবার খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াও বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
নভেম্বরের শুরুতে আবহাওয়ার এমন সম্ভাব্য পরিবর্তনে বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় জনপদ, নদ-নদী ও নৌপথে চলাচলকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে নদীতে মাছ ধরতে যাওয়া জেলে এবং নৌযাত্রীদের আবহাওয়ার সর্বশেষ পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানায় আবহাওয়া অধিদপ্তর।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবার ও শনিবার দেশের অধিকাংশ এলাকায় আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় আকাশ সাময়িকভাবে আংশিক মেঘলা থাকলেও উল্লেখযোগ্য বৃষ্টির সম্ভাবনা কম।
রোববার চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পরদিন সোমবার বৃষ্টির সম্ভাব্য বিস্তৃতি বাড়তে পারে। এদিন খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এদিকে, নভেম্বর মাসের দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়া পূর্বাভাসে বঙ্গোপসাগরে একাধিক লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর মধ্যে এক বা দুটি লঘুচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে সোমবারের সম্ভাব্য বৃষ্টির সঙ্গে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাসকে এক করে দেখার সুযোগ নেই। বঙ্গোপসাগরে কোনো লঘুচাপ বা ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হলে তার গতিপথ ও প্রভাব সম্পর্কে পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত জানা যাবে।
বরিশালসহ উপকূলীয় অঞ্চলের বাসিন্দাদের আবহাওয়ার নিয়মিত বুলেটিন অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে নদীপথে চলাচলকারী নৌযান, জেলে ও উপকূলের মানুষের সতর্ক থাকা জরুরি।
০৭ নভেম্বর, ২০২৬ ২৩:৩৩
০৭ নভেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৮
০৭ নভেম্বর, ২০২৬ ২১:৫১
০৭ নভেম্বর, ২০২৬ ১৯:৪২