
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৩:৫৭
আগামী ফেব্রুয়ারিতে পবিত্র রমজানের আগেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোটের পর নিজ কাজে ফিরে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল- আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভার সাথে ভিডিও কলে কথা বলার সময় এ মন্তব্য করেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা, ব্যাংকিং খাতে পুনর্গঠন প্রচেষ্টা এবং রাজস্ব সংগ্রহ বৃদ্ধির উদ্যোগসহ তার সরকারের গৃহীত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপগুলো তুলে ধরেন। এ সময় আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ডক্টর ইউনূসের নেয়া পদক্ষেপের প্রশংসা করেন।
অর্থনীতির সংকটকালীন পরিস্থিতি স্মরণ করে আইএমএফ প্রধান বলেন, ‘আপনার (ড. ইউনূসের) অর্জন আমাকে মুগ্ধ করেছে। অল্প সময়ে আপনি অনেক কিছু করেছেন। যখন অবনতির ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি ছিল, তখন আপনি দেশের দায়িত্ব নিয়েছেন। আপনি সঠিক সময়ে সঠিক ব্যক্তি।’
ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা বিশেষভাবে বৈদেশিক মুদ্রা বাজারের স্থিতিশীলতা এবং রিজার্ভ পুনরুদ্ধারের জন্য সরকারের সাহসী পদক্ষেপ, বাজারভিত্তিক বিনিময় হার প্রবর্তনের প্রশংসা করেন।
অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশের এক সংকটময় সময়ে আইএমএফ প্রধানের অবিচল সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ‘চমৎকার সহায়তার জন্য ধন্যবাদ।’ তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, গত বছর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তাদের প্রথম সাক্ষাৎ বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের পথ সুগম করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
কথোপকথনে আইএমএফ প্রধান অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আয় বৃদ্ধি এবং ব্যাংকিং খাতে গভীর সংস্কার বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ‘শক্ত অবস্থানে থাকতে হলে সংস্কার অনিবার্য। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অমূল্য মুহূর্ত।’
প্রধান উপদেষ্টা জানান, তার সরকার ইতিমধ্যে ব্যাংকিং খাত পুনর্গঠন এবং রাজস্ব সংগ্রহ জোরদারের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা এক বিধ্বস্ত ও সম্পূর্ণ ভেঙে পড়া অর্থনীতি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি। কিছু ব্যক্তি আক্ষরিক অর্থে ব্যাগভর্তি টাকা ব্যাংক থেকে নিয়ে পালিয়ে গেছে।’
এ ছাড়া আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নেপালে চলমান যুব আন্দোলন এবং আসিয়ানভুক্তির জন্য বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা। অধ্যাপক ইউনূস আঞ্চলিক কানেক্টিভিটি জোরদারের লক্ষ্যে ঢাকার বৃহৎ অবকাঠামো উদ্যোগ—যেমন নতুন বন্দর ও টার্মিনাল প্রকল্প—সম্পর্কেও অবহিত করেন।
আগামী ফেব্রুয়ারিতে পবিত্র রমজানের আগেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোটের পর নিজ কাজে ফিরে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল- আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভার সাথে ভিডিও কলে কথা বলার সময় এ মন্তব্য করেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা, ব্যাংকিং খাতে পুনর্গঠন প্রচেষ্টা এবং রাজস্ব সংগ্রহ বৃদ্ধির উদ্যোগসহ তার সরকারের গৃহীত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপগুলো তুলে ধরেন। এ সময় আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ডক্টর ইউনূসের নেয়া পদক্ষেপের প্রশংসা করেন।
অর্থনীতির সংকটকালীন পরিস্থিতি স্মরণ করে আইএমএফ প্রধান বলেন, ‘আপনার (ড. ইউনূসের) অর্জন আমাকে মুগ্ধ করেছে। অল্প সময়ে আপনি অনেক কিছু করেছেন। যখন অবনতির ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি ছিল, তখন আপনি দেশের দায়িত্ব নিয়েছেন। আপনি সঠিক সময়ে সঠিক ব্যক্তি।’
ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা বিশেষভাবে বৈদেশিক মুদ্রা বাজারের স্থিতিশীলতা এবং রিজার্ভ পুনরুদ্ধারের জন্য সরকারের সাহসী পদক্ষেপ, বাজারভিত্তিক বিনিময় হার প্রবর্তনের প্রশংসা করেন।
অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশের এক সংকটময় সময়ে আইএমএফ প্রধানের অবিচল সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ‘চমৎকার সহায়তার জন্য ধন্যবাদ।’ তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, গত বছর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তাদের প্রথম সাক্ষাৎ বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের পথ সুগম করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
কথোপকথনে আইএমএফ প্রধান অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আয় বৃদ্ধি এবং ব্যাংকিং খাতে গভীর সংস্কার বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ‘শক্ত অবস্থানে থাকতে হলে সংস্কার অনিবার্য। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অমূল্য মুহূর্ত।’
প্রধান উপদেষ্টা জানান, তার সরকার ইতিমধ্যে ব্যাংকিং খাত পুনর্গঠন এবং রাজস্ব সংগ্রহ জোরদারের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা এক বিধ্বস্ত ও সম্পূর্ণ ভেঙে পড়া অর্থনীতি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি। কিছু ব্যক্তি আক্ষরিক অর্থে ব্যাগভর্তি টাকা ব্যাংক থেকে নিয়ে পালিয়ে গেছে।’
এ ছাড়া আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নেপালে চলমান যুব আন্দোলন এবং আসিয়ানভুক্তির জন্য বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা। অধ্যাপক ইউনূস আঞ্চলিক কানেক্টিভিটি জোরদারের লক্ষ্যে ঢাকার বৃহৎ অবকাঠামো উদ্যোগ—যেমন নতুন বন্দর ও টার্মিনাল প্রকল্প—সম্পর্কেও অবহিত করেন।

০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২২:৪৫
প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের অন্যতম আহ্বায়ক মোহাম্মদ সামছুদ্দীনকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। তিনি সহকারী শিক্ষক হিসেবে নোয়াখালীর কৃপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) রাতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক অফিস আদেশে তাকে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার দক্ষিণ চরলক্ষ্মী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়।
অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (পলিসি ও অপারেশন) মাহফুজা খাতুনের সই করা ওই অফিস আদেশে জানানো হয়েছে, বিদ্যমান শূন্য পদে প্রশাসনিক কারণে নিজ বেতনস্কেলে নোয়াখালী সদরের কৃপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ সামছুদ্দীনকে তার বর্তমান কর্মস্থল থেকে রিলিজ দেওয়া হয়েছে। তার বদলিকৃত বিদ্যালয়ের নাম রায়পুর লক্ষ্মীপুরের দক্ষিণ চরলক্ষ্মী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
অফিস আদেশে আরও বলা হয়, বদলির বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন রয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, হিসাবরক্ষণ অফিস, আইএমডি এবং মহাপরিচালকের পিএসহ মোট নয়টি দপ্তরে অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ৩ দফা দাবিতে গত ২৭ নভেম্বর থেকে কর্মবিরতি পালন করছেন দেশের ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকরা৷ এরমধ্যে গত ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে অনির্দিষ্টকালের কমপ্লিট শাটডাউন ও বিদ্যালয় তালাবদ্ধ কর্মসূচি। শিক্ষক সামছুদ্দীন এই আন্দোলনের মাঠপর্যায়ের অন্যতম নেতা হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের অন্যতম আহ্বায়ক মোহাম্মদ সামছুদ্দীনকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। তিনি সহকারী শিক্ষক হিসেবে নোয়াখালীর কৃপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) রাতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক অফিস আদেশে তাকে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার দক্ষিণ চরলক্ষ্মী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়।
অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (পলিসি ও অপারেশন) মাহফুজা খাতুনের সই করা ওই অফিস আদেশে জানানো হয়েছে, বিদ্যমান শূন্য পদে প্রশাসনিক কারণে নিজ বেতনস্কেলে নোয়াখালী সদরের কৃপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ সামছুদ্দীনকে তার বর্তমান কর্মস্থল থেকে রিলিজ দেওয়া হয়েছে। তার বদলিকৃত বিদ্যালয়ের নাম রায়পুর লক্ষ্মীপুরের দক্ষিণ চরলক্ষ্মী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
অফিস আদেশে আরও বলা হয়, বদলির বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন রয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, হিসাবরক্ষণ অফিস, আইএমডি এবং মহাপরিচালকের পিএসহ মোট নয়টি দপ্তরে অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ৩ দফা দাবিতে গত ২৭ নভেম্বর থেকে কর্মবিরতি পালন করছেন দেশের ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকরা৷ এরমধ্যে গত ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে অনির্দিষ্টকালের কমপ্লিট শাটডাউন ও বিদ্যালয় তালাবদ্ধ কর্মসূচি। শিক্ষক সামছুদ্দীন এই আন্দোলনের মাঠপর্যায়ের অন্যতম নেতা হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২২:২৯
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে সুকিরাম (২৫) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের মুরইছড়া সীমান্তের দশটেকি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুকিরাম ওই এলাকার মুরইছড়া বস্তির দাসনু উরাংয়ের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মুরইছড়া সীমান্ত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৪৬ ব্যাটালিয়নের আওতাভুক্ত। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবারও সুকিরামসহ কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি ১ হাজার ৮৪৪ ও ১ হাজার ৮৪৫ নম্বর সীমান্ত খুঁটির কাছে গরু চরাচ্ছিলেন।
এ সময় সুকিরামের একটি গরু ভারতের ১৯৯ নম্বর হিরাছড়া বিএসএফ ক্যাম্প এলাকায় ঢুকে পড়ে। গরুটি আনতে সীমান্তের দিকে এগোতেই বিএসএফ সদস্যরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে সুকিরাম পিঠে গুলিবিদ্ধ হন।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. শারমিন ফারহানা জেরিন তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চিকিৎসক শারমিন ফারহানা জানান, হাসপাতালে আনার আগেই সুকিরামের মৃত্যু হয়েছিল। তার পিঠে গুলির চিহ্ন ছিল।
কুলাউড়া থানার ওসি মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘সুকিরাম গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলছে।’
বিজিবির ৪৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ এস এম জাকারিয়া জানান, সীমান্তের শূন্যরেখা অতিক্রমের সময় বিএসএফের গুলিতে সুকিরাম নিহত হয়ে থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে সুকিরাম (২৫) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের মুরইছড়া সীমান্তের দশটেকি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুকিরাম ওই এলাকার মুরইছড়া বস্তির দাসনু উরাংয়ের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মুরইছড়া সীমান্ত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৪৬ ব্যাটালিয়নের আওতাভুক্ত। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবারও সুকিরামসহ কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি ১ হাজার ৮৪৪ ও ১ হাজার ৮৪৫ নম্বর সীমান্ত খুঁটির কাছে গরু চরাচ্ছিলেন।
এ সময় সুকিরামের একটি গরু ভারতের ১৯৯ নম্বর হিরাছড়া বিএসএফ ক্যাম্প এলাকায় ঢুকে পড়ে। গরুটি আনতে সীমান্তের দিকে এগোতেই বিএসএফ সদস্যরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে সুকিরাম পিঠে গুলিবিদ্ধ হন।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. শারমিন ফারহানা জেরিন তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চিকিৎসক শারমিন ফারহানা জানান, হাসপাতালে আনার আগেই সুকিরামের মৃত্যু হয়েছিল। তার পিঠে গুলির চিহ্ন ছিল।
কুলাউড়া থানার ওসি মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘সুকিরাম গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলছে।’
বিজিবির ৪৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ এস এম জাকারিয়া জানান, সীমান্তের শূন্যরেখা অতিক্রমের সময় বিএসএফের গুলিতে সুকিরাম নিহত হয়ে থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২২:২৩
অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, দেশের সম্পদ চুরি করে যারা বিদেশে পাচার করে তারা দেশপ্রেমিক নয়। আমরা দেশপ্রেমিক তৈরি করতে চাই। বাংলাদেশ আমাদের সবার।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) রাতে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সম্মেলন–২০২৫ এর প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিভেদ থাকতে পারে কিন্তু ইসলামের বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। বিভেদ মানুষকে ধ্বংস করে। তবে ঐক্যবদ্ধ থাকলে ইসলাম বহুদূর এগিয়ে যাবে। রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে প্রভাব ফেলতে পারবে ইসলাম। বিচ্ছিন্ন থাকলে তা সম্ভব হবে না। সব সূচকে বাংলাদেশ পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।
উপদেষ্টা বলেন, দেশে দুর্নীতি লুটপাট অর্থপাচার বন্ধ করতে পারলে বাংলাদেশ পৃথিবীর বহু দেশকে ছাড়িয়ে যাবে। বাংলাদেশে আমি দুটি বড় জেলখানা ভিজিট করেছি। কারাগারের ভেতরে কুরআন পড়ার ব্যবস্থা ছিল আমরা তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছি। আরও বাড়াব। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা কুরআনের তালিম চালু করেছি। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ওই কুরআনের তালিমে ৩৫ জন শিক্ষার্থী আছেন। তারা যদি সাহাবায়ে কেরামদের জীবনী পড়েন তাহলে তাদের মাঝে পরিবর্তন আসবে।
তিনি বলেন, আমরা গীবত করব না। মানুষ বলে ফেসবুক বলে কিন্তু আমরা নিজেরা তা বলব না। নিজেকে প্রশ্ন করুন। পরে আরেকজনকে বলুন। ঘৃণা থেকে সন্ত্রাস ছড়ায়।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের কারি শাইখ আহমাদ বিন ইউসুফ আযহারী, মিসরের শাইখ আহমাদ আল জাওহারী, পাকিস্তানের কারি আনওয়ারুল হাসান শাহ বুখারী, ইরানের কারি মাহদী গোলাম নেযাদ, ফিলিপাইনের কারি মুহাম্মাদ নাযীর আসগার তাদের তিলওয়াত পরিবেশন করেন।
কুমিল্লা ঈদগাহ ময়দানে এই প্রথম আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সম্মেলন আল-কুরআন একাডেমি, কুমিল্লার উদ্যোগে সম্মেলন আয়োজন করা হয়।
আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সম্মেলন-কুমিল্লা আল কুরআন একাডেমি সভাপতি মু. নূরুদ্দিন আহমাদের সভাপতিত্বে সেক্রেটারি ড. মুজাহিদুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সর্ববৃহৎ আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, ইনসাফ গ্রুপের চেয়ারম্যান অধ্যাপক একেএম এমদাদুল হক মামুন, মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি মাহবুবর রহমান, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ভিপি আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, এবি পার্টির কুমিল্লা জেলা সভাপতি মিয়া মোহাম্মদ তৌফিক, আল কুরআন একাডেমির অর্থ সম্পাদক ফয়েজ আহম্মেদ, গোমতী হসপিটালের চেয়ারম্যান ডা. মজিবুর রহমান, ভিক্টোরিয়া কলেজের জিএস সানাউল্লাহ মজুমদার, সম্মেলন পরিচালনা কমিটির সদস্য আবু সায়েম, গোলাম সামদানি, মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সবুজসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
অনুষ্ঠানের শেষদিকে ক্বিরাত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের পুরস্কার বিতরণের পর দোয়া করার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, দেশের সম্পদ চুরি করে যারা বিদেশে পাচার করে তারা দেশপ্রেমিক নয়। আমরা দেশপ্রেমিক তৈরি করতে চাই। বাংলাদেশ আমাদের সবার।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) রাতে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সম্মেলন–২০২৫ এর প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিভেদ থাকতে পারে কিন্তু ইসলামের বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। বিভেদ মানুষকে ধ্বংস করে। তবে ঐক্যবদ্ধ থাকলে ইসলাম বহুদূর এগিয়ে যাবে। রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে প্রভাব ফেলতে পারবে ইসলাম। বিচ্ছিন্ন থাকলে তা সম্ভব হবে না। সব সূচকে বাংলাদেশ পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।
উপদেষ্টা বলেন, দেশে দুর্নীতি লুটপাট অর্থপাচার বন্ধ করতে পারলে বাংলাদেশ পৃথিবীর বহু দেশকে ছাড়িয়ে যাবে। বাংলাদেশে আমি দুটি বড় জেলখানা ভিজিট করেছি। কারাগারের ভেতরে কুরআন পড়ার ব্যবস্থা ছিল আমরা তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছি। আরও বাড়াব। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা কুরআনের তালিম চালু করেছি। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ওই কুরআনের তালিমে ৩৫ জন শিক্ষার্থী আছেন। তারা যদি সাহাবায়ে কেরামদের জীবনী পড়েন তাহলে তাদের মাঝে পরিবর্তন আসবে।
তিনি বলেন, আমরা গীবত করব না। মানুষ বলে ফেসবুক বলে কিন্তু আমরা নিজেরা তা বলব না। নিজেকে প্রশ্ন করুন। পরে আরেকজনকে বলুন। ঘৃণা থেকে সন্ত্রাস ছড়ায়।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের কারি শাইখ আহমাদ বিন ইউসুফ আযহারী, মিসরের শাইখ আহমাদ আল জাওহারী, পাকিস্তানের কারি আনওয়ারুল হাসান শাহ বুখারী, ইরানের কারি মাহদী গোলাম নেযাদ, ফিলিপাইনের কারি মুহাম্মাদ নাযীর আসগার তাদের তিলওয়াত পরিবেশন করেন।
কুমিল্লা ঈদগাহ ময়দানে এই প্রথম আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সম্মেলন আল-কুরআন একাডেমি, কুমিল্লার উদ্যোগে সম্মেলন আয়োজন করা হয়।
আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সম্মেলন-কুমিল্লা আল কুরআন একাডেমি সভাপতি মু. নূরুদ্দিন আহমাদের সভাপতিত্বে সেক্রেটারি ড. মুজাহিদুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সর্ববৃহৎ আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের আমির কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, ইনসাফ গ্রুপের চেয়ারম্যান অধ্যাপক একেএম এমদাদুল হক মামুন, মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি মাহবুবর রহমান, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ভিপি আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, এবি পার্টির কুমিল্লা জেলা সভাপতি মিয়া মোহাম্মদ তৌফিক, আল কুরআন একাডেমির অর্থ সম্পাদক ফয়েজ আহম্মেদ, গোমতী হসপিটালের চেয়ারম্যান ডা. মজিবুর রহমান, ভিক্টোরিয়া কলেজের জিএস সানাউল্লাহ মজুমদার, সম্মেলন পরিচালনা কমিটির সদস্য আবু সায়েম, গোলাম সামদানি, মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সবুজসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
অনুষ্ঠানের শেষদিকে ক্বিরাত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের পুরস্কার বিতরণের পর দোয়া করার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.