পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালিশুরী ইউনিয়নের রাজাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতায় নিমজ্জিত রয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই মাঠজুরে পানি জমে থাকে, জন্মেছে বিপুল পরিমানে কচুরিপানা ও আগাছা। ফলে মাঠটি এখন অনেকটা জলাশয়ের রুপ নিয়েছে। এতে বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী খেলাধুলা, শারীরিক শিক্ষা, সমাবেশ এবং বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
জানা গেছে, রাজাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৫০জন।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের বিশাল খেলার মাঠের অধিকাংশ অংশ পানিতে তলিয়ে রয়েছে। কোথাও কোথাও কচুরিপানা ও আগাছার বিস্তার ঘটেছে। মাঠের বিভিন্ন্ স্থানে উচু নিচু হওয়ায় মাঠ সামান্য বৃষ্টিতে মাঠ পানিতে ডুবে থাকে।বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। মাঠ ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ায় শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষা পরিবেশও ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মাঠে স্থায়ী পানি নিষ্কাশনের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টির পরও পানি দীর্ঘদিন আটকে থাকে। বছরের পর বছর এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।
অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. সায়েম ফরাজী বলে, মাঠে সব সময় পানি জমে থাকায় আমরা খেলাধুলা করতে পারি না।সংশ্লিষ্টদের কাছে দাবী বিদ্যালয়ের মাঠে পানি নিস্কাশনে যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাইমুন হোসেনের দাবী, বর্ষাকালে মাঠ পুরোপুরি পানিতে ভরে যায়। দ্রুত জলাবদ্ধতা দূর করে মাঠটি খেলার উপযোগী করার।
বিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষক মো. আশরাফুল ইসলাম খান বলেন, শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার বিকল্প নেই। কিন্তু জলাবদ্ধতার কারণে মাঠটি খেলাধুলা, সমাবেশ ও অন্যান্য শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেন বলেন, মাঠের জলাবদ্ধতার সমস্যা র্দীঘ বছরের। মাঠ নিচু হওয়ায়ার কারণে বছরের অধিকাংশ সময় মাঠে জল জমে থাকে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। স্থায়ী পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ও মাঠ সংস্কারের জন্য আবেদনও করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ বলেন, মাঠের পানি নিস্কাশনে স্থায়ী কিভাবে ব্যবস্থা নেওয়া যায়, এ বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪২
পটুয়াখালীর বাউফলে একটি সড়কের নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নির্মাণের এক জেতে না যেতেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে গিয়ে গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উপজেলা সদর ইউনিয়নের নওমালা-বাউফল সড়কের অলিপুরা বাজার থেকে পৌরসভার হাওলাদার বাড়ি পর্যন্ত ভাঙা অংশ মেরামতের উদ্যোগ নেয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। দরপত্রের মাধ্যমে ৬৮ লাখ টাকায় কাজটি পায় তৌফিক ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দার অভিযোগ, কার্যাদেশ পাওয়ার মাত্র সাত দিনের মধ্যে ট্যাক কোট দিয়ে তড়িঘড়ি করে কার্পেটিংয়ের কাজ শেষ করা হয়। কাজটি নির্ধারিত স্পেসিফিকেশন (সিডিউল) অনুযায়ী না হওয়ায় মাত্র ২৫ দিনের মাথায় কার্পেটিং উঠে গিয়ে বিভিন্ন স্থানে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
তাদের দাবি, নির্মাণকাজে নির্ধারিত মানের উপকরণ ব্যবহার করা হয়নি। কাজ শেষে বিপুল পরিমাণ বিটুমিন ও সিলকোট সাইট থেকে ফেরত নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে সাব-ঠিকাদার হিসেবে সড়কটির নির্মাণকাজ করেন বাউফল উপজেলা বিএনপির সদস্য ও বাউফল সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান ওরফে কামরুল হাওলাদার।
তবে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কামরুজ্জামান। তিনি বলেন, "নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এভাবে অপপ্রচার করে আমার জনপ্রিয়তা কমানো যাবে না। আমি সিডিউল মেনেই কাজ করেছি। কোথাও কোনো ত্রুটি থাকলে প্রয়োজনীয় মেরামতের ব্যবস্থা করা হবে।"
প্রকল্পটির তদারকির দায়িত্বে থাকা বাউফল এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী আলী ইবনে আব্বাস বলেন, "টানা বৃষ্টির কারণে সড়কের কার্পেটিং উঠে যেতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা করা হবে।’
পটুয়াখালীর বাউফলে একটি সড়কের নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নির্মাণের এক জেতে না যেতেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে গিয়ে গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উপজেলা সদর ইউনিয়নের নওমালা-বাউফল সড়কের অলিপুরা বাজার থেকে পৌরসভার হাওলাদার বাড়ি পর্যন্ত ভাঙা অংশ মেরামতের উদ্যোগ নেয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। দরপত্রের মাধ্যমে ৬৮ লাখ টাকায় কাজটি পায় তৌফিক ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দার অভিযোগ, কার্যাদেশ পাওয়ার মাত্র সাত দিনের মধ্যে ট্যাক কোট দিয়ে তড়িঘড়ি করে কার্পেটিংয়ের কাজ শেষ করা হয়। কাজটি নির্ধারিত স্পেসিফিকেশন (সিডিউল) অনুযায়ী না হওয়ায় মাত্র ২৫ দিনের মাথায় কার্পেটিং উঠে গিয়ে বিভিন্ন স্থানে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
তাদের দাবি, নির্মাণকাজে নির্ধারিত মানের উপকরণ ব্যবহার করা হয়নি। কাজ শেষে বিপুল পরিমাণ বিটুমিন ও সিলকোট সাইট থেকে ফেরত নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে সাব-ঠিকাদার হিসেবে সড়কটির নির্মাণকাজ করেন বাউফল উপজেলা বিএনপির সদস্য ও বাউফল সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান ওরফে কামরুল হাওলাদার।
তবে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কামরুজ্জামান। তিনি বলেন, "নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এভাবে অপপ্রচার করে আমার জনপ্রিয়তা কমানো যাবে না। আমি সিডিউল মেনেই কাজ করেছি। কোথাও কোনো ত্রুটি থাকলে প্রয়োজনীয় মেরামতের ব্যবস্থা করা হবে।"
প্রকল্পটির তদারকির দায়িত্বে থাকা বাউফল এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী আলী ইবনে আব্বাস বলেন, "টানা বৃষ্টির কারণে সড়কের কার্পেটিং উঠে যেতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা করা হবে।’

০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪০
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নের হাজিরহাট এলাকার কথিত মাদক কারবারি, চাঁদাবাজ ও হানিট্র্যাপ চক্রের মূলহোতা হিসেবে অভিযুক্ত আজাহার উদ্দিন খানের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে মানবন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের সচেতন নাগরিকরা।
শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে হাজিরহাট এলাকায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন। পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া আজাহার উদ্দিনের বিরুদ্ধে হানিট্র্যাপের মাধ্যমে ব্ল্যাকমেইল করে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায়ের অভিযোগ করেন বক্তারা।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাবেক আদাবাড়িয়া ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি শাহিন রেজা, ইসলামি আন্দোলন আদাবাড়িয়া ইউনিয়ন শাখার সভাপতি ওমর ফারুক ডাকুয়া, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মাহাবুব আলম বিপ্লব, ইত্তেহাদুল উম্মাহ ইনস্টিটিউটের প্রধান পরিচালক মাওলানা মুজাম্মেল হোসেন রিয়াদ, সাবেক ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম সিকদার ও কাশিপুর প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রধান শিক্ষক মারুফ মুর্তুজা।
বক্তারা বলেন, মাদক, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও হানিট্র্যাপের মতো অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক পরিচয় থাকতে পারে না। অপরাধী যে-ই হোক, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা চরম হুমকির মুখে পড়বে।
মানবন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল হাজিরহাট থেকে কাশিপুর বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিল চলাকালে বিক্ষোভকারীরা লাল কাপড় ও ঝাড়ু প্রদর্শন করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। একই সাথে প্রশাসনের প্রতি হানিট্র্যাপ চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান তারা।’
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নের হাজিরহাট এলাকার কথিত মাদক কারবারি, চাঁদাবাজ ও হানিট্র্যাপ চক্রের মূলহোতা হিসেবে অভিযুক্ত আজাহার উদ্দিন খানের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে মানবন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের সচেতন নাগরিকরা।
শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে হাজিরহাট এলাকায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন। পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া আজাহার উদ্দিনের বিরুদ্ধে হানিট্র্যাপের মাধ্যমে ব্ল্যাকমেইল করে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায়ের অভিযোগ করেন বক্তারা।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাবেক আদাবাড়িয়া ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি শাহিন রেজা, ইসলামি আন্দোলন আদাবাড়িয়া ইউনিয়ন শাখার সভাপতি ওমর ফারুক ডাকুয়া, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মাহাবুব আলম বিপ্লব, ইত্তেহাদুল উম্মাহ ইনস্টিটিউটের প্রধান পরিচালক মাওলানা মুজাম্মেল হোসেন রিয়াদ, সাবেক ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম সিকদার ও কাশিপুর প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রধান শিক্ষক মারুফ মুর্তুজা।
বক্তারা বলেন, মাদক, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও হানিট্র্যাপের মতো অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক পরিচয় থাকতে পারে না। অপরাধী যে-ই হোক, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা চরম হুমকির মুখে পড়বে।
মানবন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল হাজিরহাট থেকে কাশিপুর বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিল চলাকালে বিক্ষোভকারীরা লাল কাপড় ও ঝাড়ু প্রদর্শন করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। একই সাথে প্রশাসনের প্রতি হানিট্র্যাপ চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান তারা।’

৩০ জুলাই, ২০২৬ ১৩:২৫
পটুয়াখালীর বাউফলে এক গৃহবধূকে উত্ত্যক্তের অভিযোগে দাসপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি ফারুক হোসেন প্যাদাকে (৪০) মারধর করার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নে খেজুরবাড়ীয়া গ্রমে এ ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত ৮টার দিকে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ফারুক হোসেন প্যাদার বিরুদ্ধে এক গৃহবধূকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ এনে ওই গৃহবধূর স্বামী পারভেজ সহ কয়েকজন তাকে জিজ্ঞাসা করলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা আহত ফারুককে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফারুক হোসেন প্যাদা বলেন, স্থানীয় সাইদুল, পারভেজ মৃধা সহ তাদের বাড়ির ৪-৫ জন আমাকে মারধর করেছে। তারা আমার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে। অতীতে তাদের সঙ্গে আমার বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে আমার বিরুদ্ধে এক নারীর সম্পর্ক রয়েছে বলে গুজব ছড়াচ্ছে। আমি তাদের এ ধরনের মিথ্যা অপবাদ না ছড়ানোর অনুরোধ করি। আমি কোনো নারীকে উত্ত্যক্ত করিনি। তারপরও কথিত অভিযোগে আমাকে মারধর করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ওই গৃহবধূর পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, ফারুক দীর্ঘদিন ধরে আমার পুত্রবধূকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করত। তাকে টাকা-পয়সার প্রলোভন দিত। একপর্যায়ে সে আমাদের পরিবারের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় কানাঘুষা চলছিল। প্রথমে আমরা তা বিশ্বাস করিনি। পরে কিছু ছবি দেখানোর পর বিষয়টি বিশ্বাস করি। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশও হয়েছিল। এরপরও সে আমার পুত্রবধূকে কুপ্রস্তাব দিত।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, মারধরের ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে এক গৃহবধূকে উত্ত্যক্তের অভিযোগে দাসপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি ফারুক হোসেন প্যাদাকে (৪০) মারধর করার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নে খেজুরবাড়ীয়া গ্রমে এ ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত ৮টার দিকে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ফারুক হোসেন প্যাদার বিরুদ্ধে এক গৃহবধূকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ এনে ওই গৃহবধূর স্বামী পারভেজ সহ কয়েকজন তাকে জিজ্ঞাসা করলে উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা আহত ফারুককে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফারুক হোসেন প্যাদা বলেন, স্থানীয় সাইদুল, পারভেজ মৃধা সহ তাদের বাড়ির ৪-৫ জন আমাকে মারধর করেছে। তারা আমার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে। অতীতে তাদের সঙ্গে আমার বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে আমার বিরুদ্ধে এক নারীর সম্পর্ক রয়েছে বলে গুজব ছড়াচ্ছে। আমি তাদের এ ধরনের মিথ্যা অপবাদ না ছড়ানোর অনুরোধ করি। আমি কোনো নারীকে উত্ত্যক্ত করিনি। তারপরও কথিত অভিযোগে আমাকে মারধর করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ওই গৃহবধূর পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, ফারুক দীর্ঘদিন ধরে আমার পুত্রবধূকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করত। তাকে টাকা-পয়সার প্রলোভন দিত। একপর্যায়ে সে আমাদের পরিবারের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় কানাঘুষা চলছিল। প্রথমে আমরা তা বিশ্বাস করিনি। পরে কিছু ছবি দেখানোর পর বিষয়টি বিশ্বাস করি। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশও হয়েছিল। এরপরও সে আমার পুত্রবধূকে কুপ্রস্তাব দিত।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, মারধরের ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০২ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৪৮
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালিশুরী ইউনিয়নের রাজাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতায় নিমজ্জিত রয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই মাঠজুরে পানি জমে থাকে, জন্মেছে বিপুল পরিমানে কচুরিপানা ও আগাছা। ফলে মাঠটি এখন অনেকটা জলাশয়ের রুপ নিয়েছে। এতে বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী খেলাধুলা, শারীরিক শিক্ষা, সমাবেশ এবং বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
জানা গেছে, রাজাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৫০জন।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের বিশাল খেলার মাঠের অধিকাংশ অংশ পানিতে তলিয়ে রয়েছে। কোথাও কোথাও কচুরিপানা ও আগাছার বিস্তার ঘটেছে। মাঠের বিভিন্ন্ স্থানে উচু নিচু হওয়ায় মাঠ সামান্য বৃষ্টিতে মাঠ পানিতে ডুবে থাকে।বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। মাঠ ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ায় শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষা পরিবেশও ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মাঠে স্থায়ী পানি নিষ্কাশনের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টির পরও পানি দীর্ঘদিন আটকে থাকে। বছরের পর বছর এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।
অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. সায়েম ফরাজী বলে, মাঠে সব সময় পানি জমে থাকায় আমরা খেলাধুলা করতে পারি না।সংশ্লিষ্টদের কাছে দাবী বিদ্যালয়ের মাঠে পানি নিস্কাশনে যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাইমুন হোসেনের দাবী, বর্ষাকালে মাঠ পুরোপুরি পানিতে ভরে যায়। দ্রুত জলাবদ্ধতা দূর করে মাঠটি খেলার উপযোগী করার।
বিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষক মো. আশরাফুল ইসলাম খান বলেন, শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার বিকল্প নেই। কিন্তু জলাবদ্ধতার কারণে মাঠটি খেলাধুলা, সমাবেশ ও অন্যান্য শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেন বলেন, মাঠের জলাবদ্ধতার সমস্যা র্দীঘ বছরের। মাঠ নিচু হওয়ায়ার কারণে বছরের অধিকাংশ সময় মাঠে জল জমে থাকে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। স্থায়ী পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ও মাঠ সংস্কারের জন্য আবেদনও করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ বলেন, মাঠের পানি নিস্কাশনে স্থায়ী কিভাবে ব্যবস্থা নেওয়া যায়, এ বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৪৮
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:২৫
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:০০
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:২৩