পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালিশুরী ইউনিয়নের রাজাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতায় নিমজ্জিত রয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই মাঠজুরে পানি জমে থাকে, জন্মেছে বিপুল পরিমানে কচুরিপানা ও আগাছা। ফলে মাঠটি এখন অনেকটা জলাশয়ের রুপ নিয়েছে। এতে বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী খেলাধুলা, শারীরিক শিক্ষা, সমাবেশ এবং বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
জানা গেছে, রাজাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৫০জন।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের বিশাল খেলার মাঠের অধিকাংশ অংশ পানিতে তলিয়ে রয়েছে। কোথাও কোথাও কচুরিপানা ও আগাছার বিস্তার ঘটেছে। মাঠের বিভিন্ন্ স্থানে উচু নিচু হওয়ায় মাঠ সামান্য বৃষ্টিতে মাঠ পানিতে ডুবে থাকে।বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। মাঠ ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ায় শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষা পরিবেশও ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মাঠে স্থায়ী পানি নিষ্কাশনের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টির পরও পানি দীর্ঘদিন আটকে থাকে। বছরের পর বছর এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।
অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. সায়েম ফরাজী বলে, মাঠে সব সময় পানি জমে থাকায় আমরা খেলাধুলা করতে পারি না।সংশ্লিষ্টদের কাছে দাবী বিদ্যালয়ের মাঠে পানি নিস্কাশনে যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাইমুন হোসেনের দাবী, বর্ষাকালে মাঠ পুরোপুরি পানিতে ভরে যায়। দ্রুত জলাবদ্ধতা দূর করে মাঠটি খেলার উপযোগী করার।
বিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষক মো. আশরাফুল ইসলাম খান বলেন, শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার বিকল্প নেই। কিন্তু জলাবদ্ধতার কারণে মাঠটি খেলাধুলা, সমাবেশ ও অন্যান্য শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেন বলেন, মাঠের জলাবদ্ধতার সমস্যা র্দীঘ বছরের। মাঠ নিচু হওয়ায়ার কারণে বছরের অধিকাংশ সময় মাঠে জল জমে থাকে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। স্থায়ী পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ও মাঠ সংস্কারের জন্য আবেদনও করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ বলেন, মাঠের পানি নিস্কাশনে স্থায়ী কিভাবে ব্যবস্থা নেওয়া যায়, এ বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৩২
পটুয়ালীর বাউফলে ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে একটি নামধারী এনজিওর কর্মকর্তারা পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গ্রাহক সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে বাউফল পৌরসভার মুসলিমপাড়া মোড় এলাকায় জালাল আহমেদের একটি ভবন ভাড়া নিয়ে ‘সমাজ কল্যাণ উন্নয়ন সংস্থা’ নামের একটি এনজিও কার্যক্রম শুরু করে। দুই বছর মেয়াদি ঋণ দেওয়ার কথা বলে গ্রাহকদের কাছ থেকে বিমা ও সঞ্চয়ের নামে প্রায় অর্ধকোটি টাকা সংগ্রহ করেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা।
ভুক্তভোগীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাবেয়া বেগমের কাছ থেকে ১১ হাজার টাকা, বাবুল সিপাইয়ের কাছ থেকে ১১ হাজার, মাসুদুর রহমানের কাছ থেকে ২০ হাজার, মলিন্দ্রের কাছ থেকে ২০ হাজার, মনু বেগমের কাছ থেকে ১২ হাজার, তাসলিমা বেগমের কাছ থেকে ১১ হাজার এবং আব্দুল আজিজের কাছ থেকে দুই নামে ৩৭ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আরও অনেকের কাছ থেকেও টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
ভুক্তভোগীরা জানান, দুই বছরের মেয়াদে ঋণ দেওয়ার কথা বলে রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর ৩টার দিকে সবাইকে অফিসে আসতে বলা হয়। ঋণ বিতরণের উদ্ধোধন অনুষ্ঠানের প্রস্তুুতি হিসেবে ডেকোয়ারেটর ভাড়া করে চেয়ার-টেবিলও আনা হয়। কিন্তু ভুক্তভোগীরা নির্ধারিত সময়ে অফিসে গিয়ে কাউকে দেখতে পাননি। এর আগেই কথিত সংস্থার লোকজন অফিস ছেড়ে পালিয়ে যান।
ভুক্তভোগী আব্দুল আজিজ জানান, ‘সমাজ কল্যাণ সংস্থা’ নামে একজন মাঠকর্মী তাদের ঋণ দেওয়ার কথা বলেন। রোববার সকাল ১০টার মধ্যে সঞ্চয়ের টাকা জমা দিতে এবং দুপুর ৩টায় ঋণের টাকা দেওয়ার কথা ছিল।
তিনি বলেন, চার লাখ টাকা ঋণের জন্য দুই নামে ৩৭ হাজার টাকা দিয়েছি। সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও তাদের আর খুঁজে পাইনি।
রাবেয়া বেগম জানান, দুই বছর মেয়াদে ঋণ দেওয়ার কথা বলে প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা তাদের বাড়িতে যান। এক লাখ টাকা ঋণ দিলে মাসে পাঁচ হাজার টাকা করে পরিশোধ করতে হবে বলে জানানো হয়। এ জন্য ১১ হাজার টাকা দিতে বলা হয়। এর মধ্যে ১ হাজার টাকা বিমা এবং ১০ হাজার টাকা সঞ্চয় হিসেবে নেওয়া হয়। অফিস উদ্বোধনের দিনই ঋণের টাকা দেওয়া হবে বলে তাদের জানানো হয়েছিল।
রাবেয়া বলেন, আমার গাড়ি নষ্ট। তাই গাড়ি কেনার জন্য ঋণের টাকা প্রয়োজন ছিল। এ কারণে আমিও টাকা দিয়েছি। রবিবার বিকেলে ঋণের টাকা নিতে গেলে জানতে পারি, তারা পালিয়ে গেছে।
ভবনের মালিক জালাল আহমেদের স্ত্রী সৈয়দা শৈলী বলেন, মৌখিক চুক্তিতে মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাড়া এবং দুই লাখ টাকা অগ্রিম দেওয়ার শর্তে তাদের অফিস ভাড়া দেওয়া হয়েছিল।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়ালীর বাউফলে ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে একটি নামধারী এনজিওর কর্মকর্তারা পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গ্রাহক সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে বাউফল পৌরসভার মুসলিমপাড়া মোড় এলাকায় জালাল আহমেদের একটি ভবন ভাড়া নিয়ে ‘সমাজ কল্যাণ উন্নয়ন সংস্থা’ নামের একটি এনজিও কার্যক্রম শুরু করে। দুই বছর মেয়াদি ঋণ দেওয়ার কথা বলে গ্রাহকদের কাছ থেকে বিমা ও সঞ্চয়ের নামে প্রায় অর্ধকোটি টাকা সংগ্রহ করেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা।
ভুক্তভোগীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাবেয়া বেগমের কাছ থেকে ১১ হাজার টাকা, বাবুল সিপাইয়ের কাছ থেকে ১১ হাজার, মাসুদুর রহমানের কাছ থেকে ২০ হাজার, মলিন্দ্রের কাছ থেকে ২০ হাজার, মনু বেগমের কাছ থেকে ১২ হাজার, তাসলিমা বেগমের কাছ থেকে ১১ হাজার এবং আব্দুল আজিজের কাছ থেকে দুই নামে ৩৭ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আরও অনেকের কাছ থেকেও টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
ভুক্তভোগীরা জানান, দুই বছরের মেয়াদে ঋণ দেওয়ার কথা বলে রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর ৩টার দিকে সবাইকে অফিসে আসতে বলা হয়। ঋণ বিতরণের উদ্ধোধন অনুষ্ঠানের প্রস্তুুতি হিসেবে ডেকোয়ারেটর ভাড়া করে চেয়ার-টেবিলও আনা হয়। কিন্তু ভুক্তভোগীরা নির্ধারিত সময়ে অফিসে গিয়ে কাউকে দেখতে পাননি। এর আগেই কথিত সংস্থার লোকজন অফিস ছেড়ে পালিয়ে যান।
ভুক্তভোগী আব্দুল আজিজ জানান, ‘সমাজ কল্যাণ সংস্থা’ নামে একজন মাঠকর্মী তাদের ঋণ দেওয়ার কথা বলেন। রোববার সকাল ১০টার মধ্যে সঞ্চয়ের টাকা জমা দিতে এবং দুপুর ৩টায় ঋণের টাকা দেওয়ার কথা ছিল।
তিনি বলেন, চার লাখ টাকা ঋণের জন্য দুই নামে ৩৭ হাজার টাকা দিয়েছি। সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও তাদের আর খুঁজে পাইনি।
রাবেয়া বেগম জানান, দুই বছর মেয়াদে ঋণ দেওয়ার কথা বলে প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা তাদের বাড়িতে যান। এক লাখ টাকা ঋণ দিলে মাসে পাঁচ হাজার টাকা করে পরিশোধ করতে হবে বলে জানানো হয়। এ জন্য ১১ হাজার টাকা দিতে বলা হয়। এর মধ্যে ১ হাজার টাকা বিমা এবং ১০ হাজার টাকা সঞ্চয় হিসেবে নেওয়া হয়। অফিস উদ্বোধনের দিনই ঋণের টাকা দেওয়া হবে বলে তাদের জানানো হয়েছিল।
রাবেয়া বলেন, আমার গাড়ি নষ্ট। তাই গাড়ি কেনার জন্য ঋণের টাকা প্রয়োজন ছিল। এ কারণে আমিও টাকা দিয়েছি। রবিবার বিকেলে ঋণের টাকা নিতে গেলে জানতে পারি, তারা পালিয়ে গেছে।
ভবনের মালিক জালাল আহমেদের স্ত্রী সৈয়দা শৈলী বলেন, মৌখিক চুক্তিতে মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাড়া এবং দুই লাখ টাকা অগ্রিম দেওয়ার শর্তে তাদের অফিস ভাড়া দেওয়া হয়েছিল।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৪ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৩৪
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাহিন নামে এক মালয়েশিয়া প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ওই প্রবাসীর ছেলে নাইমের (২২) পায়ে গুলি করে ডাকাত দল। এছাড়া নাইমের মা রুমা বেগম (৪০) এবং তার স্ত্রীর হাত পা বেঁধে মারধর করা হয়। শিশু তাসফির (২) মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ২ লাখ টাকা ও একটি আইফোন লুট করা হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের পশ্চিম বাদুরতলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম এ তথ্য সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর পরই স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য সবাইকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
রুমা বেগম জানান, তার স্বামী মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন। রাতের খাবার খেয়ে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। রাত আড়াইটা থেকে ৩টার দিকে পাঁচ-ছয় জনের ডাকাতদল জানালার গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করে। বাইরে ডাকাতদলের আরও কয়েকজন সদস্য ছিল। পরে সবাইকে হাত ও পা বেঁধে বেধড়ক মারধর করে এবং নাইমের স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় নাইম বাধা দিলে তার পায়ের হাটুর ওপরে গুলি করে। এরপর তার শিশু সন্তান তাসফির মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ২ লাখ টাকা ও একটি আইফোন লুট করে নিয়ে যায়।
ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। দুষ্কৃতকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাহিন নামে এক মালয়েশিয়া প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ওই প্রবাসীর ছেলে নাইমের (২২) পায়ে গুলি করে ডাকাত দল। এছাড়া নাইমের মা রুমা বেগম (৪০) এবং তার স্ত্রীর হাত পা বেঁধে মারধর করা হয়। শিশু তাসফির (২) মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ২ লাখ টাকা ও একটি আইফোন লুট করা হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের পশ্চিম বাদুরতলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম এ তথ্য সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর পরই স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য সবাইকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
রুমা বেগম জানান, তার স্বামী মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন। রাতের খাবার খেয়ে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। রাত আড়াইটা থেকে ৩টার দিকে পাঁচ-ছয় জনের ডাকাতদল জানালার গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করে। বাইরে ডাকাতদলের আরও কয়েকজন সদস্য ছিল। পরে সবাইকে হাত ও পা বেঁধে বেধড়ক মারধর করে এবং নাইমের স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় নাইম বাধা দিলে তার পায়ের হাটুর ওপরে গুলি করে। এরপর তার শিশু সন্তান তাসফির মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ২ লাখ টাকা ও একটি আইফোন লুট করে নিয়ে যায়।
ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। দুষ্কৃতকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

১৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:২৭
পটুয়াখালীর বাউফলে গভীর রাতে এক গৃহবধূর ঘর থেকে আপত্তিকর অবস্থায় আতিকুল ইসলাম নামে এক যুব জামায়াত নেতাকে আটক করেছেন স্থানীয়রা। বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে উপজেলার পূর্ব ইন্দ্রকূল গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে। অভিযুক্ত আতিকুল ইসলাম উপজেলার সূর্যমণি ইউনিয়ন যুব জামায়াতেরমসেক্রেটারি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী ওই গৃহবধূর স্বামী বুধবার তার শ্বশুরবাড়িতে যান। গভীর রাতে ওই গৃহবধূর ঘরে প্রবেশ করেন যুব জামায়াত নেতা আতিক। এ সময় ওই গৃহবধূর শ্বশুর টের পেয়ে চিৎকার দেন। তখন আশেপাশের লোকজন এসে তাদের আটক করেন। খবর পেয়ে আতিকের স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসে চড়-থাপ্পড় মেরে তাকে নিয়ে যান।
গৃহবধূর শ্বশুর আমির হোসেন হাওলাদার বলেন,‘আতিক কিছুদিন আগে আমার পুত্রবধূর সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন। বুধবার রাতে আমার চিৎকার শুনে পুত্রবধূর ঘর থেকে বের হয়ে কাঁপতে থাকেন আতিক। এরপর লুঙ্গি পরিবর্তন করে দ্রুত প্যান্ট পরেন। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাদের আটক করেন।’এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত আতিকুল ইসলামের মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
সূর্যমণি ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ ইউসুফ হাওলাদার বলেন, ‘আতিক দলের কোন পদে আছেন তা আমি জানি না। তবে তিনি জামায়াত করেন, এটা সঠিক। বুধবার রাতে আতিককে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেছে গ্রামবাসী।’
এ বিষয়ে উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি আমাকে একজন অবহিত করেন। বিস্তারিত না জেনে কোনো কিছু বলতে পারছি না।’
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠাই। পুলিশ যাওয়ার আগেই বিষয়টি নিস্পত্তি হয়ে গেছে। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে গভীর রাতে এক গৃহবধূর ঘর থেকে আপত্তিকর অবস্থায় আতিকুল ইসলাম নামে এক যুব জামায়াত নেতাকে আটক করেছেন স্থানীয়রা। বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে উপজেলার পূর্ব ইন্দ্রকূল গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে। অভিযুক্ত আতিকুল ইসলাম উপজেলার সূর্যমণি ইউনিয়ন যুব জামায়াতেরমসেক্রেটারি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী ওই গৃহবধূর স্বামী বুধবার তার শ্বশুরবাড়িতে যান। গভীর রাতে ওই গৃহবধূর ঘরে প্রবেশ করেন যুব জামায়াত নেতা আতিক। এ সময় ওই গৃহবধূর শ্বশুর টের পেয়ে চিৎকার দেন। তখন আশেপাশের লোকজন এসে তাদের আটক করেন। খবর পেয়ে আতিকের স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসে চড়-থাপ্পড় মেরে তাকে নিয়ে যান।
গৃহবধূর শ্বশুর আমির হোসেন হাওলাদার বলেন,‘আতিক কিছুদিন আগে আমার পুত্রবধূর সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন। বুধবার রাতে আমার চিৎকার শুনে পুত্রবধূর ঘর থেকে বের হয়ে কাঁপতে থাকেন আতিক। এরপর লুঙ্গি পরিবর্তন করে দ্রুত প্যান্ট পরেন। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাদের আটক করেন।’এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত আতিকুল ইসলামের মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
সূর্যমণি ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ ইউসুফ হাওলাদার বলেন, ‘আতিক দলের কোন পদে আছেন তা আমি জানি না। তবে তিনি জামায়াত করেন, এটা সঠিক। বুধবার রাতে আতিককে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেছে গ্রামবাসী।’
এ বিষয়ে উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি আমাকে একজন অবহিত করেন। বিস্তারিত না জেনে কোনো কিছু বলতে পারছি না।’
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠাই। পুলিশ যাওয়ার আগেই বিষয়টি নিস্পত্তি হয়ে গেছে। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০২ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৪৮
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালিশুরী ইউনিয়নের রাজাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতায় নিমজ্জিত রয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই মাঠজুরে পানি জমে থাকে, জন্মেছে বিপুল পরিমানে কচুরিপানা ও আগাছা। ফলে মাঠটি এখন অনেকটা জলাশয়ের রুপ নিয়েছে। এতে বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী খেলাধুলা, শারীরিক শিক্ষা, সমাবেশ এবং বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
জানা গেছে, রাজাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৫০জন।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের বিশাল খেলার মাঠের অধিকাংশ অংশ পানিতে তলিয়ে রয়েছে। কোথাও কোথাও কচুরিপানা ও আগাছার বিস্তার ঘটেছে। মাঠের বিভিন্ন্ স্থানে উচু নিচু হওয়ায় মাঠ সামান্য বৃষ্টিতে মাঠ পানিতে ডুবে থাকে।বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। মাঠ ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ায় শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষা পরিবেশও ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মাঠে স্থায়ী পানি নিষ্কাশনের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টির পরও পানি দীর্ঘদিন আটকে থাকে। বছরের পর বছর এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।
অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. সায়েম ফরাজী বলে, মাঠে সব সময় পানি জমে থাকায় আমরা খেলাধুলা করতে পারি না।সংশ্লিষ্টদের কাছে দাবী বিদ্যালয়ের মাঠে পানি নিস্কাশনে যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাইমুন হোসেনের দাবী, বর্ষাকালে মাঠ পুরোপুরি পানিতে ভরে যায়। দ্রুত জলাবদ্ধতা দূর করে মাঠটি খেলার উপযোগী করার।
বিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষক মো. আশরাফুল ইসলাম খান বলেন, শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার বিকল্প নেই। কিন্তু জলাবদ্ধতার কারণে মাঠটি খেলাধুলা, সমাবেশ ও অন্যান্য শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেন বলেন, মাঠের জলাবদ্ধতার সমস্যা র্দীঘ বছরের। মাঠ নিচু হওয়ায়ার কারণে বছরের অধিকাংশ সময় মাঠে জল জমে থাকে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। স্থায়ী পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ও মাঠ সংস্কারের জন্য আবেদনও করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ বলেন, মাঠের পানি নিস্কাশনে স্থায়ী কিভাবে ব্যবস্থা নেওয়া যায়, এ বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।