
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০১ নভেম্বর, ২০২৫ ১৭:৫৪
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটের কোনো সুযোগ নেই।’ তিনি বলেন, ‘গণভোটের প্রয়োজন ছিল না। তারপরও রাজি হয়েছি। তারা এখন গণভোট আগে চায়। তাহের সাহেব বলেছেন, আমরা নির্বাচনে বাধা দিচ্ছি। এখন পর্যন্ত যত বাঁধা এসেছে, সব আপনারা দিয়েছেন। জনগণকে বোকা বানাবেন না।’
শনিবার (১ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে মুক্তিযোদ্ধা দলের এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, একটা শক্তি বাংলাদেশের যারা ১৯৭১ সালে বিরোধিতা করেছিল, তারা ১৯৭১ কে এখন নিচে নামিয়ে দিতে চায়। তারা শুধুমাত্র ২৪-এর জুলাইয়ের যে আন্দোলন তাকে বড় করে দেখাতে চায়। একদিন নয়, আমরা দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য, ফ্যাসিস্ট শক্তিকে পরাজিত করার জন্যে হাসিনাকে উৎখাত করার জন্যে আমরা কিন্তু ১৫ বছর সংগ্রাম করেছি। মুক্তিযোদ্ধারা সংগ্রাম করেছেন। আজকে যদি কেউ দাবি করেন, এককভাবে তারা নেতৃত্ব দিয়েছে— আমরা সেটা মানতে রাজি নই।
তিনি বলেন, আমাদের ৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হয়েছে। আমাদের পার্টির প্রধান ও দেশের সবচাইতে জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ৬ বছর কারাগারে থাকতে হয়েছে। মিথ্যা মামলায় সাজা হয়েছিল ১০ বছর। বিএনপির এমন একজন ব্যক্তি নাই— হাফিজ ভাইসহ এখানে যারা আছেন, তাদের নামে শত শত মামলা ছিল। আমাদের ইলিয়াস ভাইসহ ১ হাজার ৭শ মানুষকে গুম করে দেওয়া হয়েছে। ২ হাজার মানুষকে খুন করে একটা ফ্যাসিবাদী দানবীয় রাষ্ট্র কায়েম করা হয়েছিল শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। আমরা সেটার বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। আমরা বিভক্তি আনতে চাই না, কিন্তু অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে কিছু কিছু শক্তি বিভক্তি আনতে চায়। ১৯৭১ সালকে যারা ভুলিয়ে দিতে চায়, তাদের লক্ষ্য একটাই— তারা ১৯৭১ কে অস্বীকার করতে চায়।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ১৯৭১ সালে যারা আমাদের হত্যা করছিল, তাদের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে আপনারা এই দেশের মানুষকে হত্যা করেছিলেন। আমাদের বহু জ্ঞানী-ব্যক্তিকে সেদিন হত্যা করে বদ্ধভূমিতে নিয়ে ফেলে দিয়েছিলেন— আমরা এগুলো ভুলিনি। ১৯৭৫ সালের পট পরিবর্তনের পরে ৭ নভেম্বরের পর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের সংস্কার শুরু করেছিলেন। প্রথমে রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কার, একদলের শাসন ব্যবস্থা থেকে বহুদলীয় শাসন ব্যবস্থা করেছিলেন। শেখ মুজিবের সেই ভয়াবহ পাঁচ বছর দুঃশাসনের পরে জিয়াউর রহমানই আমাদের নতুন একটা স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রেসিডেন্ট ফ্রম গভর্মেন্ট থেকে পার্লামেন্টারি ফ্রর্ম গভর্মেন্ট নিয়ে গিয়েছিলেন। আমাদের আপত্তি থাকা সত্ত্বেও নতুন নির্বাচন করে তিনি সেদিন তত্ত্ববধায়ক সরকারের বিধান চালু করেছিলেন। যার অধীনে প্রায় চারটা নির্বাচন হয়েছে। অত্যন্ত সুন্দরভাবে সবাই গ্রহণ করেছিল। এই শেখ হাসিনা সেটাকে বাতিল করে মানুষের যে ভোট প্রয়োগের অধিকার সেটাকে খর্ব করে দিয়েছিল।
তিনি বলেন, বিএনপি নির্বাচনমুখী দল, প্রথম থেকে আমরা নির্বাচনের কথা বলছি। গণঅভ্যুত্থানের পর চার-পাঁচ দিনের মধ্যে সভা করে আমরা বলেছিলাম তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন চাই। কেন বলেছিলাম? নির্বাচনের মাধ্যমে একটা পার্লামেন্ট গঠিত হলে আজকে যে অপশক্তিগুলো মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে সে অপশক্তিগুলো দাঁড়ানোর কোনো সুযোগ পেত না। আপনারা যেভাবে জনগণকে বিভ্রান্ত করে, জনগণকে বোকা বানিয়ে এই সংস্কার করতে চান সেটা অবশ্যই আমাদের জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এই যে সনদ আমরা পাস করেছি, আমাদের মনে আছে— পার্লামেন্টের সামনে বৃষ্টি হচ্ছিল। ছাতা ধরে পাস করেছি, সই করেছি। ওইখানে আমরা যে বিষয়গুলো সই করেছি, সেখানে বলা হয়েছিল যে, সব রাজনৈতিক দল যেগুলোতে একমত সেগুলো সব সই হয়ে গেল। এমনকি যে সমস্ত বিষয়গুলোতে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হবে না, সেটাকে নোট অব ডিসেন্ট লিপিবদ্ধ করা হবে। আর এখন উনারা যেটা প্রস্তাব উত্থাপন করলেন প্রধান উপদেষ্টার কাছে, সেখানে নোট অব ডিসেন্টের কোনো কথাই নাই। তারপরও দেখেন, একটা দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে আমরা একটা প্রেস কনফারেন্স করে বলেছি। আমরা রাস্তায় যাইনি। আমরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে কোনো প্রতিবাদ করিনি, প্রধান উপদেষ্টার বাড়ি ঘেরাও করিনি বা নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করিনি। আমাদের কথা খুব পরিষ্কার। আমরা যেটা সই করেছি সেটার দায় দায়িত্ব অবশ্যই আমরা গ্রহণ করব। কিন্তু যেটা আমরা সই করিনি সেটার দায় দায়িত্ব আমরা গ্রহণ করব না।
পিআর হবে কিনা, সেটা আগামী পার্লামেন্ট সিদ্ধান্ত নেবে জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, যেটা ঘোষণা করেছেন (প্রধান উপদেষ্টা) ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে, তখনই নির্বাচন হতে হবে। পিআর হবে কি হবে না, ওটা আগামী পার্লামেন্ট সিদ্ধান্ত নেবে। গণভটের কথা বলেছে, আমরা রাজি হয়েছি। গণভটের কোনো প্রয়োজন ছিল না, তারপর আমরা রাজি হয়েছি। আমরা বলেছি, নির্বাচনের দিনই গণভোট করতে হবে। আলাদাভাবে গণভোট করতে হলে প্রায় হাজার কোটি টাকার উপরে খরচ হবে। নির্বাচনে দুটো ব্যালট থাকবে। একটি ব্যালটে গণভোটের কথা থাকবে। আরেকটি সংসদ নির্বাচন হবে। এটা একটা সুন্দর কথা। এটা না করে এখন আবার তারা বলছে গণভোট আগে হতে হবে। তারপরে নির্বাচন হবে। এটা আপনারাই বলছেন। আমরা নির্বাচনের পেছানোর কথা একবারও বলিনি। আমরা বারবার বলছি, নির্বাচনটা অতি দ্রুত করতে হবে। মানুষকে মিথ্যা কথা বলে প্রতারণা করবেন না।
শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ভারতে বসে বিভিন্ন মিডিয়াকে শেখ হাসিনা ইন্টারভিউ দিচ্ছেন। শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য ভারত সরকারকে অনুরোধ করতে চাই। কারণ তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।’
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটের কোনো সুযোগ নেই।’ তিনি বলেন, ‘গণভোটের প্রয়োজন ছিল না। তারপরও রাজি হয়েছি। তারা এখন গণভোট আগে চায়। তাহের সাহেব বলেছেন, আমরা নির্বাচনে বাধা দিচ্ছি। এখন পর্যন্ত যত বাঁধা এসেছে, সব আপনারা দিয়েছেন। জনগণকে বোকা বানাবেন না।’
শনিবার (১ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে মুক্তিযোদ্ধা দলের এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, একটা শক্তি বাংলাদেশের যারা ১৯৭১ সালে বিরোধিতা করেছিল, তারা ১৯৭১ কে এখন নিচে নামিয়ে দিতে চায়। তারা শুধুমাত্র ২৪-এর জুলাইয়ের যে আন্দোলন তাকে বড় করে দেখাতে চায়। একদিন নয়, আমরা দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য, ফ্যাসিস্ট শক্তিকে পরাজিত করার জন্যে হাসিনাকে উৎখাত করার জন্যে আমরা কিন্তু ১৫ বছর সংগ্রাম করেছি। মুক্তিযোদ্ধারা সংগ্রাম করেছেন। আজকে যদি কেউ দাবি করেন, এককভাবে তারা নেতৃত্ব দিয়েছে— আমরা সেটা মানতে রাজি নই।
তিনি বলেন, আমাদের ৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হয়েছে। আমাদের পার্টির প্রধান ও দেশের সবচাইতে জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ৬ বছর কারাগারে থাকতে হয়েছে। মিথ্যা মামলায় সাজা হয়েছিল ১০ বছর। বিএনপির এমন একজন ব্যক্তি নাই— হাফিজ ভাইসহ এখানে যারা আছেন, তাদের নামে শত শত মামলা ছিল। আমাদের ইলিয়াস ভাইসহ ১ হাজার ৭শ মানুষকে গুম করে দেওয়া হয়েছে। ২ হাজার মানুষকে খুন করে একটা ফ্যাসিবাদী দানবীয় রাষ্ট্র কায়েম করা হয়েছিল শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। আমরা সেটার বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। আমরা বিভক্তি আনতে চাই না, কিন্তু অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে কিছু কিছু শক্তি বিভক্তি আনতে চায়। ১৯৭১ সালকে যারা ভুলিয়ে দিতে চায়, তাদের লক্ষ্য একটাই— তারা ১৯৭১ কে অস্বীকার করতে চায়।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ১৯৭১ সালে যারা আমাদের হত্যা করছিল, তাদের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে আপনারা এই দেশের মানুষকে হত্যা করেছিলেন। আমাদের বহু জ্ঞানী-ব্যক্তিকে সেদিন হত্যা করে বদ্ধভূমিতে নিয়ে ফেলে দিয়েছিলেন— আমরা এগুলো ভুলিনি। ১৯৭৫ সালের পট পরিবর্তনের পরে ৭ নভেম্বরের পর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের সংস্কার শুরু করেছিলেন। প্রথমে রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কার, একদলের শাসন ব্যবস্থা থেকে বহুদলীয় শাসন ব্যবস্থা করেছিলেন। শেখ মুজিবের সেই ভয়াবহ পাঁচ বছর দুঃশাসনের পরে জিয়াউর রহমানই আমাদের নতুন একটা স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রেসিডেন্ট ফ্রম গভর্মেন্ট থেকে পার্লামেন্টারি ফ্রর্ম গভর্মেন্ট নিয়ে গিয়েছিলেন। আমাদের আপত্তি থাকা সত্ত্বেও নতুন নির্বাচন করে তিনি সেদিন তত্ত্ববধায়ক সরকারের বিধান চালু করেছিলেন। যার অধীনে প্রায় চারটা নির্বাচন হয়েছে। অত্যন্ত সুন্দরভাবে সবাই গ্রহণ করেছিল। এই শেখ হাসিনা সেটাকে বাতিল করে মানুষের যে ভোট প্রয়োগের অধিকার সেটাকে খর্ব করে দিয়েছিল।
তিনি বলেন, বিএনপি নির্বাচনমুখী দল, প্রথম থেকে আমরা নির্বাচনের কথা বলছি। গণঅভ্যুত্থানের পর চার-পাঁচ দিনের মধ্যে সভা করে আমরা বলেছিলাম তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন চাই। কেন বলেছিলাম? নির্বাচনের মাধ্যমে একটা পার্লামেন্ট গঠিত হলে আজকে যে অপশক্তিগুলো মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে সে অপশক্তিগুলো দাঁড়ানোর কোনো সুযোগ পেত না। আপনারা যেভাবে জনগণকে বিভ্রান্ত করে, জনগণকে বোকা বানিয়ে এই সংস্কার করতে চান সেটা অবশ্যই আমাদের জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এই যে সনদ আমরা পাস করেছি, আমাদের মনে আছে— পার্লামেন্টের সামনে বৃষ্টি হচ্ছিল। ছাতা ধরে পাস করেছি, সই করেছি। ওইখানে আমরা যে বিষয়গুলো সই করেছি, সেখানে বলা হয়েছিল যে, সব রাজনৈতিক দল যেগুলোতে একমত সেগুলো সব সই হয়ে গেল। এমনকি যে সমস্ত বিষয়গুলোতে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হবে না, সেটাকে নোট অব ডিসেন্ট লিপিবদ্ধ করা হবে। আর এখন উনারা যেটা প্রস্তাব উত্থাপন করলেন প্রধান উপদেষ্টার কাছে, সেখানে নোট অব ডিসেন্টের কোনো কথাই নাই। তারপরও দেখেন, একটা দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে আমরা একটা প্রেস কনফারেন্স করে বলেছি। আমরা রাস্তায় যাইনি। আমরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে কোনো প্রতিবাদ করিনি, প্রধান উপদেষ্টার বাড়ি ঘেরাও করিনি বা নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করিনি। আমাদের কথা খুব পরিষ্কার। আমরা যেটা সই করেছি সেটার দায় দায়িত্ব অবশ্যই আমরা গ্রহণ করব। কিন্তু যেটা আমরা সই করিনি সেটার দায় দায়িত্ব আমরা গ্রহণ করব না।
পিআর হবে কিনা, সেটা আগামী পার্লামেন্ট সিদ্ধান্ত নেবে জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, যেটা ঘোষণা করেছেন (প্রধান উপদেষ্টা) ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে, তখনই নির্বাচন হতে হবে। পিআর হবে কি হবে না, ওটা আগামী পার্লামেন্ট সিদ্ধান্ত নেবে। গণভটের কথা বলেছে, আমরা রাজি হয়েছি। গণভটের কোনো প্রয়োজন ছিল না, তারপর আমরা রাজি হয়েছি। আমরা বলেছি, নির্বাচনের দিনই গণভোট করতে হবে। আলাদাভাবে গণভোট করতে হলে প্রায় হাজার কোটি টাকার উপরে খরচ হবে। নির্বাচনে দুটো ব্যালট থাকবে। একটি ব্যালটে গণভোটের কথা থাকবে। আরেকটি সংসদ নির্বাচন হবে। এটা একটা সুন্দর কথা। এটা না করে এখন আবার তারা বলছে গণভোট আগে হতে হবে। তারপরে নির্বাচন হবে। এটা আপনারাই বলছেন। আমরা নির্বাচনের পেছানোর কথা একবারও বলিনি। আমরা বারবার বলছি, নির্বাচনটা অতি দ্রুত করতে হবে। মানুষকে মিথ্যা কথা বলে প্রতারণা করবেন না।
শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ভারতে বসে বিভিন্ন মিডিয়াকে শেখ হাসিনা ইন্টারভিউ দিচ্ছেন। শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য ভারত সরকারকে অনুরোধ করতে চাই। কারণ তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।’

১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৮:৪৭
বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) সংসদীয় আসনে মনোনয়ন পুনর্বিবেচনা করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমানকে দেওয়ার দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে মশাল মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেছে বিএনপি একাংশের নেতাকর্মীরা। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) উপজেলার রহমতপুরে বরিশাল বিমানবন্দর মোড় এলাকায় সন্ধ্যা সোয়া ৬টা থেকে প্রায় ৪০ মিনিট মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। এসময় রাস্তার উভয় দিকে শতশত যানবাহন আটকা পড়ে।
সোমবার বিকেল থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে সেলিমা রহমান সমর্থিত বিএনপি নেতাকর্মীরা রহমতপুর ব্রিজের ঢালে এসে জড়ো হয়। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে সহস্রাধিক নেতাকর্মীরা মশাল মিছিল নিয়ে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের রহমতপুর ব্রিজ থেকে বরিশাল বিমানবন্দর মোড়ে এসে সড়ক অবরোধ করে। মহাসড়ক অবরোধ করে সেখানে এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বরিশাল জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ও বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আওলাদ হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক সেলিম সরদার, কামাল সরদার, সদস্য মনিরুজ্জামান মিল্টন, পারভেজ মৃধা, রিপন খান, দেহেরগতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিলন খান, বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, বরিশাল জেলা ছাত্র দলের সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান রবিন, বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক রিয়াজ হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক আবদুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রায় ৪০ মিনিট মহাসড়ক অবরোধ করে মিছিল-সমাবেশ করে বিএনপির বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। এসময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দেয় এবং অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের মনোনয়ন বাতিল করে সেলিমা রহমানকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানায়। বরিশাল জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ও বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. আওলাদ হোসেন বলেন, 'বিএনপির দুঃসময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় থাকা ত্যাগী নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন না করেই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এতে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। যিনি মনোনয়ন পেয়েছেন, তাঁর চেয়েও জ্যেষ্ঠ ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান দলের দুঃসময়ে বাবুগঞ্জে নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন। বাবুগঞ্জ-মুলাদী এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। তাঁকে মনোনয়নবঞ্চিত করা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা আশা করি কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারকেরা বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবেন।'
উল্লেখ্য গত ৪ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় ৩৬ আসনে মনোনয়ন ঘোষণা করে বিএনপি। এতে বরিশাল-৩ আসনে মনোনয়ন পান বিএনপি কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। এদিকে এই আসনে প্রথম থেকেই অপর মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমানকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিল বিএনপির একাংশ। গত ২৮ নভেম্বর একই দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের রহমতপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছিল উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি তালুকদারের নেতৃত্বে সহস্রাধিক নেতাকর্মীরা। #
বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) সংসদীয় আসনে মনোনয়ন পুনর্বিবেচনা করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমানকে দেওয়ার দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে মশাল মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেছে বিএনপি একাংশের নেতাকর্মীরা। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) উপজেলার রহমতপুরে বরিশাল বিমানবন্দর মোড় এলাকায় সন্ধ্যা সোয়া ৬টা থেকে প্রায় ৪০ মিনিট মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। এসময় রাস্তার উভয় দিকে শতশত যানবাহন আটকা পড়ে।
সোমবার বিকেল থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে সেলিমা রহমান সমর্থিত বিএনপি নেতাকর্মীরা রহমতপুর ব্রিজের ঢালে এসে জড়ো হয়। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে সহস্রাধিক নেতাকর্মীরা মশাল মিছিল নিয়ে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের রহমতপুর ব্রিজ থেকে বরিশাল বিমানবন্দর মোড়ে এসে সড়ক অবরোধ করে। মহাসড়ক অবরোধ করে সেখানে এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বরিশাল জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ও বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আওলাদ হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক সেলিম সরদার, কামাল সরদার, সদস্য মনিরুজ্জামান মিল্টন, পারভেজ মৃধা, রিপন খান, দেহেরগতি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিলন খান, বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, বরিশাল জেলা ছাত্র দলের সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান রবিন, বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক রিয়াজ হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক আবদুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রায় ৪০ মিনিট মহাসড়ক অবরোধ করে মিছিল-সমাবেশ করে বিএনপির বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। এসময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দেয় এবং অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের মনোনয়ন বাতিল করে সেলিমা রহমানকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানায়। বরিশাল জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ও বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. আওলাদ হোসেন বলেন, 'বিএনপির দুঃসময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় থাকা ত্যাগী নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন না করেই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এতে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। যিনি মনোনয়ন পেয়েছেন, তাঁর চেয়েও জ্যেষ্ঠ ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান দলের দুঃসময়ে বাবুগঞ্জে নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন। বাবুগঞ্জ-মুলাদী এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। তাঁকে মনোনয়নবঞ্চিত করা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা আশা করি কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারকেরা বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবেন।'
উল্লেখ্য গত ৪ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দফায় ৩৬ আসনে মনোনয়ন ঘোষণা করে বিএনপি। এতে বরিশাল-৩ আসনে মনোনয়ন পান বিএনপি কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। এদিকে এই আসনে প্রথম থেকেই অপর মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমানকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিল বিএনপির একাংশ। গত ২৮ নভেম্বর একই দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের রহমতপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছিল উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি তালুকদারের নেতৃত্বে সহস্রাধিক নেতাকর্মীরা। #

১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৮:২২
রাজধানীর ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি চালানো ব্যক্তি এবং তার সহযোগী ও মোটাসাইকেল চালককে শনাক্তের তথ্য জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। রোববার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার নজরুল ইসলাম এ তথ্য জানান। তার দেওয়া তথ্যমতে, শনাক্তরা হলেন, ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর শেখ।
নজরুল ইসলাম বলেন, ‘মোটরসাইকেলের পেছনে বসা ফয়সাল গুলি চালিয়েছে এবং আলমগীর মোটরসাইকেলের চালকের আসনে ছিলেন।’
সংবাদ সম্মেলনে চিহ্নিত দুইজনকে গ্রেপ্তারের সর্বাত্মক চেষ্টা চালানোর কথা জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার। তিনি বলেন, ‘তাদের দেশের বাইরে পালিয়ে যাওয়ার কোনো তথ্য নেই। তবে তারা যেন পালিয়ে যেতে না পারে, সেজন্য বিজিবি এবং সব বন্দরকে সতর্ক করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘হাদির ওপর হামলার ঘটনায় সীমান্ত পারাপার করার কাজে জড়িত, এমন দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের থেকে তথ্য নিয়ে আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। এ ছাড়া সন্দেহভাজনদের পাসপোর্ট ব্লক করে দেওয়া হয়েছে। কেউ দেশত্যাগ করেছে, এখন পর্যন্ত এমন কোনো তথ্যও আমরা পাইনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে যদি আজ বাদী হয়ে মামলা না করা হয়, তাহলে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করবে।’
এর আগে শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাজধানীর পল্টনে বক্স কালভার্ট রোড দিয়ে রিকশায় যাওয়ার সময়ে মোটরসাইকেল থেকে হাদিকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। তিনি বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছেন।
রাজধানীর ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি চালানো ব্যক্তি এবং তার সহযোগী ও মোটাসাইকেল চালককে শনাক্তের তথ্য জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। রোববার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার নজরুল ইসলাম এ তথ্য জানান। তার দেওয়া তথ্যমতে, শনাক্তরা হলেন, ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর শেখ।
নজরুল ইসলাম বলেন, ‘মোটরসাইকেলের পেছনে বসা ফয়সাল গুলি চালিয়েছে এবং আলমগীর মোটরসাইকেলের চালকের আসনে ছিলেন।’
সংবাদ সম্মেলনে চিহ্নিত দুইজনকে গ্রেপ্তারের সর্বাত্মক চেষ্টা চালানোর কথা জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার। তিনি বলেন, ‘তাদের দেশের বাইরে পালিয়ে যাওয়ার কোনো তথ্য নেই। তবে তারা যেন পালিয়ে যেতে না পারে, সেজন্য বিজিবি এবং সব বন্দরকে সতর্ক করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘হাদির ওপর হামলার ঘটনায় সীমান্ত পারাপার করার কাজে জড়িত, এমন দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের থেকে তথ্য নিয়ে আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। এ ছাড়া সন্দেহভাজনদের পাসপোর্ট ব্লক করে দেওয়া হয়েছে। কেউ দেশত্যাগ করেছে, এখন পর্যন্ত এমন কোনো তথ্যও আমরা পাইনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে যদি আজ বাদী হয়ে মামলা না করা হয়, তাহলে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করবে।’
এর আগে শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাজধানীর পল্টনে বক্স কালভার্ট রোড দিয়ে রিকশায় যাওয়ার সময়ে মোটরসাইকেল থেকে হাদিকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। তিনি বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছেন।

১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:০৯
বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেছেন, 'বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ১৭ বছরে আমাদের নেতাকর্মীরা মামলা খেয়ে জঙ্গলে ঘুমিয়েছে, ধানক্ষেতে ঘুমিয়েছে। অনেক অত্যাচার জুলুম সহ্য করেছে। কিন্তু ক্ষমতায় গেলে আমরা কারো উপরে প্রতিশোধ নেব না। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নন। তিনি উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন। আমরা সবাইকে নিয়ে মিলেমিশে একসাথে কাজ করতে চাই।' শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বরিশালের বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় অনুষ্ঠিত দোয়া মোনাজাত পূর্ব এক বিশাল জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
গত ৪ ডিসেম্বর বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে বিএনপির মনোনয়ন লাভ করেন তিনি। মনোনয়ন লাভের পরে বাবুগঞ্জে এটাই তার প্রথম সফর ছিল। এসময় অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন আরো বলেন, 'বিএনপি ক্ষমতায় গেলে তরুণ-যুবকদের জন্য কাজের ব্যবস্থা করা হবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। বেকারত্বের অভিশাপ থাকবে না। প্রত্যেক পরিবারের জন্য ফ্যামিলি কার্ডের ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়াও দেশের আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন করা হবে। রাস্তাঘাটের উন্নয়ন করা হবে।'
বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সুলতান আহমেদ খানের সভাপতিত্বে ওই দোয়ানুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী রবী, বরিশাল জেলা দক্ষিণ যুবদলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচ.এম তসলিম উদ্দিন, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মাহফুজুল আলম মিঠু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ওয়াহিদুল ইসলাম প্রিন্স।
এসময় উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক আবদুল করিম হাওলাদার, সামসুল আলম ফকির, নজরুল ইসলাম বাদশা, আরিফুর রহমান শিমুল সিকদার, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবদুল মালেক সিকদার, মাধবপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অহিদুল ইসলাম খান, দেহেরগতি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ফারুক, রহমতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রাজন সিকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক মহসিন উদ্দিন শামীম, বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রকিবুল হাসান খান রাকিব, সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিল, সদস্য সচিব ওবায়দুল হক, মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আতিকুর রহমান আল-আমিন, সদস্য সচিব ইয়াসির আরাফাত মৃধা প্রমুখ নেতারা ছাড়াও বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। পরে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠে এক দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। #
বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেছেন, 'বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ১৭ বছরে আমাদের নেতাকর্মীরা মামলা খেয়ে জঙ্গলে ঘুমিয়েছে, ধানক্ষেতে ঘুমিয়েছে। অনেক অত্যাচার জুলুম সহ্য করেছে। কিন্তু ক্ষমতায় গেলে আমরা কারো উপরে প্রতিশোধ নেব না। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নন। তিনি উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন। আমরা সবাইকে নিয়ে মিলেমিশে একসাথে কাজ করতে চাই।' শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বরিশালের বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় অনুষ্ঠিত দোয়া মোনাজাত পূর্ব এক বিশাল জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
গত ৪ ডিসেম্বর বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে বিএনপির মনোনয়ন লাভ করেন তিনি। মনোনয়ন লাভের পরে বাবুগঞ্জে এটাই তার প্রথম সফর ছিল। এসময় অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন আরো বলেন, 'বিএনপি ক্ষমতায় গেলে তরুণ-যুবকদের জন্য কাজের ব্যবস্থা করা হবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। বেকারত্বের অভিশাপ থাকবে না। প্রত্যেক পরিবারের জন্য ফ্যামিলি কার্ডের ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়াও দেশের আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন করা হবে। রাস্তাঘাটের উন্নয়ন করা হবে।'
বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সুলতান আহমেদ খানের সভাপতিত্বে ওই দোয়ানুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী রবী, বরিশাল জেলা দক্ষিণ যুবদলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচ.এম তসলিম উদ্দিন, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মাহফুজুল আলম মিঠু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ওয়াহিদুল ইসলাম প্রিন্স।
এসময় উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক আবদুল করিম হাওলাদার, সামসুল আলম ফকির, নজরুল ইসলাম বাদশা, আরিফুর রহমান শিমুল সিকদার, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবদুল মালেক সিকদার, মাধবপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অহিদুল ইসলাম খান, দেহেরগতি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ফারুক, রহমতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রাজন সিকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক মহসিন উদ্দিন শামীম, বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রকিবুল হাসান খান রাকিব, সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিল, সদস্য সচিব ওবায়দুল হক, মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আতিকুর রহমান আল-আমিন, সদস্য সচিব ইয়াসির আরাফাত মৃধা প্রমুখ নেতারা ছাড়াও বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। পরে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠে এক দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। #