
২১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৭:১৩
ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন জানিয়েছেন, দৈনিক প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কিছু ছবি ও পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, যে কোনো পরিস্থিতিতেই আইন হাতে নেওয়া বা মব জাস্টিসকে অনুমোদন দেওয়া হবে না।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের কিছু ছবি ও পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। আমরা তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করেছি। আইন হাতে নেওয়া কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ময়মনসিংহে হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক পোশাক শ্রমিককে পিটিয়ে ও আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি ধর্ম উপদেষ্টা হিসেবে এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। এটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও গর্হিত কাজ। আমরা কোনো অবস্থায় মব জাস্টিসকে অনুমোদন করব না। আইন হাতে নেওয়া রাষ্ট্রের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য বড় বাধা। আমি ইতোমধ্যেই স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে এই বিষয়ে নোটিশ পাঠিয়েছি।
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, আপনি মব জাস্টিসের কথা বলছিলেন। ১৫ মাসেও এটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। এরই মধ্যে দুটি পত্রিকা পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা প্রধান উপদেষ্টাকে কেবল দুঃখ প্রকাশ করতে দেখেছি। মব আসলেই কীভাবে বন্ধ হবে?
উপদেষ্টা বলেন, আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। সব স্থাপনার আগে পুলিশ মোতায়েন করা কঠিন। কখন কোন স্থানে হামলা হবে তা সবসময় জানা যায় না। আমরা সবসময় মব জাস্টিসকে নিরুৎসাহিত করি। প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের ছবি ও পরিচয় আমরা গোয়েন্দা রিপোর্ট থেকে শনাক্ত করেছি এবং তাদেরকে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করেছি।
ছায়ানট, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারসহ একসাথে হামলার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠান একসাথে হামলার শিকার হবে, এটা আগেভাগেই জানা মুশকিল। তবে আমরা সতর্ক এবং পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। যেমন, কাজী নজরুল ইসলামের মাজারের পাশে হাদির দাফনের সময় চারুকলা ইনস্টিটিউটে হামলার সম্ভাব্য রিপোর্ট পেয়ে আমরা আগেভাগেই পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। ফলে সেখানে কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি।
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ময়মনসিংহে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে উপস্থিত থাকলেও কেন সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি?
উপদেষ্টা জবাবে বলেন, সরকার স্থিতিশীলতা চায়। মব যদি বারবার ঘটে এবং আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি খারাপ হয়, তাহলে তা সরকার ব্যর্থতার পরিচয়। সরকার নিজে হামলা করবে না, বরং আইনশৃঙ্খলা উন্নত করতে চায়। নির্বাচনের পরিবেশ যাতে সুষ্ঠু হয়, তার জন্য সরকার সক্রিয়।
বিদেশ থেকে উস্কানির প্রসঙ্গেও তিনি বলেন, বিদেশ থেকে কেউ মন্তব্য করলে তা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। মেটা ও ইউটিউবের মতো ওপেন প্ল্যাটফর্ম সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তবে বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকার সচেষ্ট।
ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, যে কোনো অনিয়ম, হামলা বা দোষীদের আইনের আওতায় আনা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমরা চাই দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান নিরাপদ এবং নাগরিকরা সুরক্ষিত। সরকারি মদদে হামলা হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন জানিয়েছেন, দৈনিক প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কিছু ছবি ও পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, যে কোনো পরিস্থিতিতেই আইন হাতে নেওয়া বা মব জাস্টিসকে অনুমোদন দেওয়া হবে না।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের কিছু ছবি ও পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। আমরা তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করেছি। আইন হাতে নেওয়া কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ময়মনসিংহে হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক পোশাক শ্রমিককে পিটিয়ে ও আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি ধর্ম উপদেষ্টা হিসেবে এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। এটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও গর্হিত কাজ। আমরা কোনো অবস্থায় মব জাস্টিসকে অনুমোদন করব না। আইন হাতে নেওয়া রাষ্ট্রের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য বড় বাধা। আমি ইতোমধ্যেই স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে এই বিষয়ে নোটিশ পাঠিয়েছি।
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, আপনি মব জাস্টিসের কথা বলছিলেন। ১৫ মাসেও এটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। এরই মধ্যে দুটি পত্রিকা পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা প্রধান উপদেষ্টাকে কেবল দুঃখ প্রকাশ করতে দেখেছি। মব আসলেই কীভাবে বন্ধ হবে?
উপদেষ্টা বলেন, আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। সব স্থাপনার আগে পুলিশ মোতায়েন করা কঠিন। কখন কোন স্থানে হামলা হবে তা সবসময় জানা যায় না। আমরা সবসময় মব জাস্টিসকে নিরুৎসাহিত করি। প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের ছবি ও পরিচয় আমরা গোয়েন্দা রিপোর্ট থেকে শনাক্ত করেছি এবং তাদেরকে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করেছি।
ছায়ানট, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারসহ একসাথে হামলার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠান একসাথে হামলার শিকার হবে, এটা আগেভাগেই জানা মুশকিল। তবে আমরা সতর্ক এবং পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। যেমন, কাজী নজরুল ইসলামের মাজারের পাশে হাদির দাফনের সময় চারুকলা ইনস্টিটিউটে হামলার সম্ভাব্য রিপোর্ট পেয়ে আমরা আগেভাগেই পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। ফলে সেখানে কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি।
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ময়মনসিংহে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে উপস্থিত থাকলেও কেন সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি?
উপদেষ্টা জবাবে বলেন, সরকার স্থিতিশীলতা চায়। মব যদি বারবার ঘটে এবং আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি খারাপ হয়, তাহলে তা সরকার ব্যর্থতার পরিচয়। সরকার নিজে হামলা করবে না, বরং আইনশৃঙ্খলা উন্নত করতে চায়। নির্বাচনের পরিবেশ যাতে সুষ্ঠু হয়, তার জন্য সরকার সক্রিয়।
বিদেশ থেকে উস্কানির প্রসঙ্গেও তিনি বলেন, বিদেশ থেকে কেউ মন্তব্য করলে তা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। মেটা ও ইউটিউবের মতো ওপেন প্ল্যাটফর্ম সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তবে বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকার সচেষ্ট।
ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, যে কোনো অনিয়ম, হামলা বা দোষীদের আইনের আওতায় আনা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমরা চাই দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান নিরাপদ এবং নাগরিকরা সুরক্ষিত। সরকারি মদদে হামলা হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন জানিয়েছেন, দৈনিক প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কিছু ছবি ও পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, যে কোনো পরিস্থিতিতেই আইন হাতে নেওয়া বা মব জাস্টিসকে অনুমোদন দেওয়া হবে না।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের কিছু ছবি ও পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। আমরা তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করেছি। আইন হাতে নেওয়া কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ময়মনসিংহে হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক পোশাক শ্রমিককে পিটিয়ে ও আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি ধর্ম উপদেষ্টা হিসেবে এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। এটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও গর্হিত কাজ। আমরা কোনো অবস্থায় মব জাস্টিসকে অনুমোদন করব না। আইন হাতে নেওয়া রাষ্ট্রের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য বড় বাধা। আমি ইতোমধ্যেই স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে এই বিষয়ে নোটিশ পাঠিয়েছি।
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, আপনি মব জাস্টিসের কথা বলছিলেন। ১৫ মাসেও এটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। এরই মধ্যে দুটি পত্রিকা পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা প্রধান উপদেষ্টাকে কেবল দুঃখ প্রকাশ করতে দেখেছি। মব আসলেই কীভাবে বন্ধ হবে?
উপদেষ্টা বলেন, আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। সব স্থাপনার আগে পুলিশ মোতায়েন করা কঠিন। কখন কোন স্থানে হামলা হবে তা সবসময় জানা যায় না। আমরা সবসময় মব জাস্টিসকে নিরুৎসাহিত করি। প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের ছবি ও পরিচয় আমরা গোয়েন্দা রিপোর্ট থেকে শনাক্ত করেছি এবং তাদেরকে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করেছি।
ছায়ানট, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারসহ একসাথে হামলার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠান একসাথে হামলার শিকার হবে, এটা আগেভাগেই জানা মুশকিল। তবে আমরা সতর্ক এবং পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। যেমন, কাজী নজরুল ইসলামের মাজারের পাশে হাদির দাফনের সময় চারুকলা ইনস্টিটিউটে হামলার সম্ভাব্য রিপোর্ট পেয়ে আমরা আগেভাগেই পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। ফলে সেখানে কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি।
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ময়মনসিংহে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে উপস্থিত থাকলেও কেন সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি?
উপদেষ্টা জবাবে বলেন, সরকার স্থিতিশীলতা চায়। মব যদি বারবার ঘটে এবং আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি খারাপ হয়, তাহলে তা সরকার ব্যর্থতার পরিচয়। সরকার নিজে হামলা করবে না, বরং আইনশৃঙ্খলা উন্নত করতে চায়। নির্বাচনের পরিবেশ যাতে সুষ্ঠু হয়, তার জন্য সরকার সক্রিয়।
বিদেশ থেকে উস্কানির প্রসঙ্গেও তিনি বলেন, বিদেশ থেকে কেউ মন্তব্য করলে তা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। মেটা ও ইউটিউবের মতো ওপেন প্ল্যাটফর্ম সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তবে বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকার সচেষ্ট।
ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, যে কোনো অনিয়ম, হামলা বা দোষীদের আইনের আওতায় আনা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমরা চাই দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান নিরাপদ এবং নাগরিকরা সুরক্ষিত। সরকারি মদদে হামলা হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন জানিয়েছেন, দৈনিক প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কিছু ছবি ও পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, যে কোনো পরিস্থিতিতেই আইন হাতে নেওয়া বা মব জাস্টিসকে অনুমোদন দেওয়া হবে না।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের কিছু ছবি ও পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। আমরা তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করেছি। আইন হাতে নেওয়া কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ময়মনসিংহে হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক পোশাক শ্রমিককে পিটিয়ে ও আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি ধর্ম উপদেষ্টা হিসেবে এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। এটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও গর্হিত কাজ। আমরা কোনো অবস্থায় মব জাস্টিসকে অনুমোদন করব না। আইন হাতে নেওয়া রাষ্ট্রের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য বড় বাধা। আমি ইতোমধ্যেই স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে এই বিষয়ে নোটিশ পাঠিয়েছি।
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, আপনি মব জাস্টিসের কথা বলছিলেন। ১৫ মাসেও এটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। এরই মধ্যে দুটি পত্রিকা পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা প্রধান উপদেষ্টাকে কেবল দুঃখ প্রকাশ করতে দেখেছি। মব আসলেই কীভাবে বন্ধ হবে?
উপদেষ্টা বলেন, আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। সব স্থাপনার আগে পুলিশ মোতায়েন করা কঠিন। কখন কোন স্থানে হামলা হবে তা সবসময় জানা যায় না। আমরা সবসময় মব জাস্টিসকে নিরুৎসাহিত করি। প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের ছবি ও পরিচয় আমরা গোয়েন্দা রিপোর্ট থেকে শনাক্ত করেছি এবং তাদেরকে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করেছি।
ছায়ানট, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারসহ একসাথে হামলার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠান একসাথে হামলার শিকার হবে, এটা আগেভাগেই জানা মুশকিল। তবে আমরা সতর্ক এবং পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। যেমন, কাজী নজরুল ইসলামের মাজারের পাশে হাদির দাফনের সময় চারুকলা ইনস্টিটিউটে হামলার সম্ভাব্য রিপোর্ট পেয়ে আমরা আগেভাগেই পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। ফলে সেখানে কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি।
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ময়মনসিংহে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে উপস্থিত থাকলেও কেন সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি?
উপদেষ্টা জবাবে বলেন, সরকার স্থিতিশীলতা চায়। মব যদি বারবার ঘটে এবং আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি খারাপ হয়, তাহলে তা সরকার ব্যর্থতার পরিচয়। সরকার নিজে হামলা করবে না, বরং আইনশৃঙ্খলা উন্নত করতে চায়। নির্বাচনের পরিবেশ যাতে সুষ্ঠু হয়, তার জন্য সরকার সক্রিয়।
বিদেশ থেকে উস্কানির প্রসঙ্গেও তিনি বলেন, বিদেশ থেকে কেউ মন্তব্য করলে তা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। মেটা ও ইউটিউবের মতো ওপেন প্ল্যাটফর্ম সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তবে বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকার সচেষ্ট।
ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, যে কোনো অনিয়ম, হামলা বা দোষীদের আইনের আওতায় আনা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমরা চাই দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান নিরাপদ এবং নাগরিকরা সুরক্ষিত। সরকারি মদদে হামলা হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫০
পাবনার ঈশ্বরদীতে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি লোডিং শুরু হয়েছে। এর মাধমে পারমানবিক শক্তি ব্যবহারকারীর আন্তর্জাতিক দেশের তালিকায় ৩৩তম দেশ হলো বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুর ৩ টার দিকে পদ্মার তীর ঘেষা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। এর থেকে আগামী আগস্ট মাসের মাঝামাঝিতে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হবে জাতীয় গ্রীডে। পরবর্তীতে নানা ধাপ পেরিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার পর আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে পূর্ণাঙ্গ বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেতে পারে রূপপুরের প্রথম ইউনিট।
ফকির মাহবুব আনাম বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। কারণ নিরাপত্তাই বাংলাদেশের প্রথম অগ্রাধিকার। এই পারমাণবিক কেন্দ্র ঢাকা ও মস্কোর মধ্যকার ঐতিহাসিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেবে।
প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, আজকের দিনটি বাংলাদেশের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে বাংলাদেশ আরও একধাপ এগিয়ে গেল।
রুশ পরমাণু শক্তি করপোরেশনের (রোসাটম) মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ বলেন, পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে বাংলাদেশকে যেভাবে সহযোগিতা করা হয়েছে, ভবিষ্যতেও সেভাবে পাশে থাকবে। বাংলাদেশের মানুষকে আশ্বস্থ করতে চাই নিরাপত্তা নিয়ে। সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও সর্বোচ্চ মানদন্ড বজায় রাখা হয়েছে। নিরাপদ পারমানবিক কেন্দ্র থেকেই সরবরাহ করা হবে বিদ্যুৎ। এমনকি বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ ভবিষ্যতের প্রয়োজনে সহযোগিতা থাকবে রোসাটমের।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের সচিব আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রযুক্তিগত রূপান্তরের সুযোগ এনে দিয়েছে রূপপুর। এই কেন্দ্র বাংলাদেশের বিজ্ঞান প্রযুক্তিকে আরও এগিয়ে নিবে।
অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি। এই জ্বালানি লোডিংয়ের মধ্য দিয়েই মূলত এই কেন্দ্র থেকে ধাপে ধাপে শুরু হবে বহুল কাঙ্ক্ষিত সেই বিদ্যুৎ উৎপাদন।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর আকাশপথে রাশিয়া থেকে ঢাকায় পৌঁছায় পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালান। এরপর আসে আরও কয়েকটি চালান। বিশেষ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সড়কপথে অক্টোবরে রূপপুরে নিয়ে যাওয়া হয় জ্বালানি। এরপর এটি মজুত করে রাখা হয়েছে রূপপুরে। অতিরিক্ত একটিসহ মোট ১৬৪টি বান্ডিল দেশে আনা হয়। রূপপুরে ব্যবহৃত প্রতিটি বান্ডিলে ৩১২টি জ্বালানি রড আছে ।
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি মূলত ইউরেনিয়াম থেকে তৈরি হয়। প্রথমে ইউরেনিয়াম অক্সাইড দিয়ে ছোট ট্যাবলেটের মতো জ্বালানি দানা (প্যালেট) বানানো হয়। এগুলোর ব্যাস সাধারণত ৮ থেকে ১৫ মিলিমিটার এবং দৈর্ঘ্য ১০ থেকে ১৫ মিলিমিটার। এমন অনেক জ্বালানি দানা প্রায় চার মিটার দীর্ঘ ধাতব নলের ভেতরে সাজিয়ে তৈরি হয় জ্বালানি রড। আবার নির্দিষ্ট কাঠামোতে অনেকগুলো রড একসঙ্গে যুক্ত করলে তৈরি হয় জ্বালানি বান্ডিল বা ফুয়েল অ্যাসেম্বলি।
বরিশাল টাইমস
পাবনার ঈশ্বরদীতে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি লোডিং শুরু হয়েছে। এর মাধমে পারমানবিক শক্তি ব্যবহারকারীর আন্তর্জাতিক দেশের তালিকায় ৩৩তম দেশ হলো বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুর ৩ টার দিকে পদ্মার তীর ঘেষা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। এর থেকে আগামী আগস্ট মাসের মাঝামাঝিতে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হবে জাতীয় গ্রীডে। পরবর্তীতে নানা ধাপ পেরিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার পর আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে পূর্ণাঙ্গ বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেতে পারে রূপপুরের প্রথম ইউনিট।
ফকির মাহবুব আনাম বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। কারণ নিরাপত্তাই বাংলাদেশের প্রথম অগ্রাধিকার। এই পারমাণবিক কেন্দ্র ঢাকা ও মস্কোর মধ্যকার ঐতিহাসিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেবে।
প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, আজকের দিনটি বাংলাদেশের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে বাংলাদেশ আরও একধাপ এগিয়ে গেল।
রুশ পরমাণু শক্তি করপোরেশনের (রোসাটম) মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ বলেন, পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে বাংলাদেশকে যেভাবে সহযোগিতা করা হয়েছে, ভবিষ্যতেও সেভাবে পাশে থাকবে। বাংলাদেশের মানুষকে আশ্বস্থ করতে চাই নিরাপত্তা নিয়ে। সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও সর্বোচ্চ মানদন্ড বজায় রাখা হয়েছে। নিরাপদ পারমানবিক কেন্দ্র থেকেই সরবরাহ করা হবে বিদ্যুৎ। এমনকি বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ ভবিষ্যতের প্রয়োজনে সহযোগিতা থাকবে রোসাটমের।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের সচিব আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রযুক্তিগত রূপান্তরের সুযোগ এনে দিয়েছে রূপপুর। এই কেন্দ্র বাংলাদেশের বিজ্ঞান প্রযুক্তিকে আরও এগিয়ে নিবে।
অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি। এই জ্বালানি লোডিংয়ের মধ্য দিয়েই মূলত এই কেন্দ্র থেকে ধাপে ধাপে শুরু হবে বহুল কাঙ্ক্ষিত সেই বিদ্যুৎ উৎপাদন।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর আকাশপথে রাশিয়া থেকে ঢাকায় পৌঁছায় পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালান। এরপর আসে আরও কয়েকটি চালান। বিশেষ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সড়কপথে অক্টোবরে রূপপুরে নিয়ে যাওয়া হয় জ্বালানি। এরপর এটি মজুত করে রাখা হয়েছে রূপপুরে। অতিরিক্ত একটিসহ মোট ১৬৪টি বান্ডিল দেশে আনা হয়। রূপপুরে ব্যবহৃত প্রতিটি বান্ডিলে ৩১২টি জ্বালানি রড আছে ।
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি মূলত ইউরেনিয়াম থেকে তৈরি হয়। প্রথমে ইউরেনিয়াম অক্সাইড দিয়ে ছোট ট্যাবলেটের মতো জ্বালানি দানা (প্যালেট) বানানো হয়। এগুলোর ব্যাস সাধারণত ৮ থেকে ১৫ মিলিমিটার এবং দৈর্ঘ্য ১০ থেকে ১৫ মিলিমিটার। এমন অনেক জ্বালানি দানা প্রায় চার মিটার দীর্ঘ ধাতব নলের ভেতরে সাজিয়ে তৈরি হয় জ্বালানি রড। আবার নির্দিষ্ট কাঠামোতে অনেকগুলো রড একসঙ্গে যুক্ত করলে তৈরি হয় জ্বালানি বান্ডিল বা ফুয়েল অ্যাসেম্বলি।
বরিশাল টাইমস

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১৮
চলমান এপ্রিল মাসের প্রথম ২৬ দিনেই দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে ২৭১ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৩ হাজার ১৫৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসেবে)।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রোববার প্রবাসী আয় এসেছে এক হাজার ৬৯৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা। গত বছরের এপ্রিল মাসের প্রথম ২৬ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ২২৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৯ দশমিক ৬০ শতাংশ।
চলতি অর্থবছরের (১ জুলাই থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত) সামগ্রিক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত দেশে দুই হাজার ৮৯২ কোটি ৬০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল দুই হাজার ৪০৫ কোটি ৬০ লাখ ডলার। অর্থাৎ গত অর্থবছরের তুলনায় এ বছর একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২০ দশমিক ২০ শতাংশ
চলমান এপ্রিল মাসের প্রথম ২৬ দিনেই দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে ২৭১ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৩ হাজার ১৫৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসেবে)।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রোববার প্রবাসী আয় এসেছে এক হাজার ৬৯৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা। গত বছরের এপ্রিল মাসের প্রথম ২৬ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ২২৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৯ দশমিক ৬০ শতাংশ।
চলতি অর্থবছরের (১ জুলাই থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত) সামগ্রিক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত দেশে দুই হাজার ৮৯২ কোটি ৬০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল দুই হাজার ৪০৫ কোটি ৬০ লাখ ডলার। অর্থাৎ গত অর্থবছরের তুলনায় এ বছর একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২০ দশমিক ২০ শতাংশ

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫২
হত্যা মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক পরিচালক ও ইউনাইটেড গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক (অ্যাডমিন) অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আফজাল নাছের ভূঁইয়াকে দ্বিতীয় দফায় দুদিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চারদিনের রিমান্ড শেষে তাকে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আরও সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন আসামির দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ২৩ এপ্রিল ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ একই মামলায় তার চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জুলাই আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানাধীন আজমপুর এলাকায় ছাত্র-জনতার একটি মিছিলে হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এসময় মাহমুদুল হাসান (২৬) নামের একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর উত্তরা পূর্ব থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, গত ৩০ মার্চ রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে আফজাল নাছের ভূঁইয়াকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরপর থেকে মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে তাকে দফায় দফায় রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
হত্যা মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক পরিচালক ও ইউনাইটেড গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক (অ্যাডমিন) অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আফজাল নাছের ভূঁইয়াকে দ্বিতীয় দফায় দুদিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চারদিনের রিমান্ড শেষে তাকে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আরও সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন আসামির দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ২৩ এপ্রিল ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ একই মামলায় তার চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জুলাই আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানাধীন আজমপুর এলাকায় ছাত্র-জনতার একটি মিছিলে হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এসময় মাহমুদুল হাসান (২৬) নামের একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর উত্তরা পূর্ব থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, গত ৩০ মার্চ রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে আফজাল নাছের ভূঁইয়াকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরপর থেকে মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে তাকে দফায় দফায় রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৩
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:২৬
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:১২
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪০