Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৭:১৩
ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন জানিয়েছেন, দৈনিক প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কিছু ছবি ও পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, যে কোনো পরিস্থিতিতেই আইন হাতে নেওয়া বা মব জাস্টিসকে অনুমোদন দেওয়া হবে না।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের কিছু ছবি ও পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। আমরা তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করেছি। আইন হাতে নেওয়া কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ময়মনসিংহে হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক পোশাক শ্রমিককে পিটিয়ে ও আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি ধর্ম উপদেষ্টা হিসেবে এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। এটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও গর্হিত কাজ। আমরা কোনো অবস্থায় মব জাস্টিসকে অনুমোদন করব না। আইন হাতে নেওয়া রাষ্ট্রের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য বড় বাধা। আমি ইতোমধ্যেই স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে এই বিষয়ে নোটিশ পাঠিয়েছি।
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, আপনি মব জাস্টিসের কথা বলছিলেন। ১৫ মাসেও এটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। এরই মধ্যে দুটি পত্রিকা পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা প্রধান উপদেষ্টাকে কেবল দুঃখ প্রকাশ করতে দেখেছি। মব আসলেই কীভাবে বন্ধ হবে?
উপদেষ্টা বলেন, আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। সব স্থাপনার আগে পুলিশ মোতায়েন করা কঠিন। কখন কোন স্থানে হামলা হবে তা সবসময় জানা যায় না। আমরা সবসময় মব জাস্টিসকে নিরুৎসাহিত করি। প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের ছবি ও পরিচয় আমরা গোয়েন্দা রিপোর্ট থেকে শনাক্ত করেছি এবং তাদেরকে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করেছি।
ছায়ানট, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারসহ একসাথে হামলার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠান একসাথে হামলার শিকার হবে, এটা আগেভাগেই জানা মুশকিল। তবে আমরা সতর্ক এবং পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। যেমন, কাজী নজরুল ইসলামের মাজারের পাশে হাদির দাফনের সময় চারুকলা ইনস্টিটিউটে হামলার সম্ভাব্য রিপোর্ট পেয়ে আমরা আগেভাগেই পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। ফলে সেখানে কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি।
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ময়মনসিংহে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে উপস্থিত থাকলেও কেন সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি?
উপদেষ্টা জবাবে বলেন, সরকার স্থিতিশীলতা চায়। মব যদি বারবার ঘটে এবং আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি খারাপ হয়, তাহলে তা সরকার ব্যর্থতার পরিচয়। সরকার নিজে হামলা করবে না, বরং আইনশৃঙ্খলা উন্নত করতে চায়। নির্বাচনের পরিবেশ যাতে সুষ্ঠু হয়, তার জন্য সরকার সক্রিয়।
বিদেশ থেকে উস্কানির প্রসঙ্গেও তিনি বলেন, বিদেশ থেকে কেউ মন্তব্য করলে তা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। মেটা ও ইউটিউবের মতো ওপেন প্ল্যাটফর্ম সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তবে বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকার সচেষ্ট।
ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, যে কোনো অনিয়ম, হামলা বা দোষীদের আইনের আওতায় আনা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমরা চাই দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান নিরাপদ এবং নাগরিকরা সুরক্ষিত। সরকারি মদদে হামলা হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন জানিয়েছেন, দৈনিক প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কিছু ছবি ও পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, যে কোনো পরিস্থিতিতেই আইন হাতে নেওয়া বা মব জাস্টিসকে অনুমোদন দেওয়া হবে না।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের কিছু ছবি ও পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। আমরা তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করেছি। আইন হাতে নেওয়া কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ময়মনসিংহে হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক পোশাক শ্রমিককে পিটিয়ে ও আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি ধর্ম উপদেষ্টা হিসেবে এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। এটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও গর্হিত কাজ। আমরা কোনো অবস্থায় মব জাস্টিসকে অনুমোদন করব না। আইন হাতে নেওয়া রাষ্ট্রের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য বড় বাধা। আমি ইতোমধ্যেই স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে এই বিষয়ে নোটিশ পাঠিয়েছি।
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, আপনি মব জাস্টিসের কথা বলছিলেন। ১৫ মাসেও এটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। এরই মধ্যে দুটি পত্রিকা পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা প্রধান উপদেষ্টাকে কেবল দুঃখ প্রকাশ করতে দেখেছি। মব আসলেই কীভাবে বন্ধ হবে?
উপদেষ্টা বলেন, আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। সব স্থাপনার আগে পুলিশ মোতায়েন করা কঠিন। কখন কোন স্থানে হামলা হবে তা সবসময় জানা যায় না। আমরা সবসময় মব জাস্টিসকে নিরুৎসাহিত করি। প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের ছবি ও পরিচয় আমরা গোয়েন্দা রিপোর্ট থেকে শনাক্ত করেছি এবং তাদেরকে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করেছি।
ছায়ানট, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারসহ একসাথে হামলার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠান একসাথে হামলার শিকার হবে, এটা আগেভাগেই জানা মুশকিল। তবে আমরা সতর্ক এবং পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। যেমন, কাজী নজরুল ইসলামের মাজারের পাশে হাদির দাফনের সময় চারুকলা ইনস্টিটিউটে হামলার সম্ভাব্য রিপোর্ট পেয়ে আমরা আগেভাগেই পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। ফলে সেখানে কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি।
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ময়মনসিংহে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে উপস্থিত থাকলেও কেন সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি?
উপদেষ্টা জবাবে বলেন, সরকার স্থিতিশীলতা চায়। মব যদি বারবার ঘটে এবং আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি খারাপ হয়, তাহলে তা সরকার ব্যর্থতার পরিচয়। সরকার নিজে হামলা করবে না, বরং আইনশৃঙ্খলা উন্নত করতে চায়। নির্বাচনের পরিবেশ যাতে সুষ্ঠু হয়, তার জন্য সরকার সক্রিয়।
বিদেশ থেকে উস্কানির প্রসঙ্গেও তিনি বলেন, বিদেশ থেকে কেউ মন্তব্য করলে তা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। মেটা ও ইউটিউবের মতো ওপেন প্ল্যাটফর্ম সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তবে বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকার সচেষ্ট।
ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, যে কোনো অনিয়ম, হামলা বা দোষীদের আইনের আওতায় আনা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমরা চাই দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান নিরাপদ এবং নাগরিকরা সুরক্ষিত। সরকারি মদদে হামলা হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন জানিয়েছেন, দৈনিক প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কিছু ছবি ও পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, যে কোনো পরিস্থিতিতেই আইন হাতে নেওয়া বা মব জাস্টিসকে অনুমোদন দেওয়া হবে না।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের কিছু ছবি ও পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। আমরা তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করেছি। আইন হাতে নেওয়া কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ময়মনসিংহে হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক পোশাক শ্রমিককে পিটিয়ে ও আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি ধর্ম উপদেষ্টা হিসেবে এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। এটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও গর্হিত কাজ। আমরা কোনো অবস্থায় মব জাস্টিসকে অনুমোদন করব না। আইন হাতে নেওয়া রাষ্ট্রের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য বড় বাধা। আমি ইতোমধ্যেই স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে এই বিষয়ে নোটিশ পাঠিয়েছি।
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, আপনি মব জাস্টিসের কথা বলছিলেন। ১৫ মাসেও এটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। এরই মধ্যে দুটি পত্রিকা পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা প্রধান উপদেষ্টাকে কেবল দুঃখ প্রকাশ করতে দেখেছি। মব আসলেই কীভাবে বন্ধ হবে?
উপদেষ্টা বলেন, আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। সব স্থাপনার আগে পুলিশ মোতায়েন করা কঠিন। কখন কোন স্থানে হামলা হবে তা সবসময় জানা যায় না। আমরা সবসময় মব জাস্টিসকে নিরুৎসাহিত করি। প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের ছবি ও পরিচয় আমরা গোয়েন্দা রিপোর্ট থেকে শনাক্ত করেছি এবং তাদেরকে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করেছি।
ছায়ানট, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারসহ একসাথে হামলার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠান একসাথে হামলার শিকার হবে, এটা আগেভাগেই জানা মুশকিল। তবে আমরা সতর্ক এবং পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। যেমন, কাজী নজরুল ইসলামের মাজারের পাশে হাদির দাফনের সময় চারুকলা ইনস্টিটিউটে হামলার সম্ভাব্য রিপোর্ট পেয়ে আমরা আগেভাগেই পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। ফলে সেখানে কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি।
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ময়মনসিংহে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে উপস্থিত থাকলেও কেন সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি?
উপদেষ্টা জবাবে বলেন, সরকার স্থিতিশীলতা চায়। মব যদি বারবার ঘটে এবং আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি খারাপ হয়, তাহলে তা সরকার ব্যর্থতার পরিচয়। সরকার নিজে হামলা করবে না, বরং আইনশৃঙ্খলা উন্নত করতে চায়। নির্বাচনের পরিবেশ যাতে সুষ্ঠু হয়, তার জন্য সরকার সক্রিয়।
বিদেশ থেকে উস্কানির প্রসঙ্গেও তিনি বলেন, বিদেশ থেকে কেউ মন্তব্য করলে তা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। মেটা ও ইউটিউবের মতো ওপেন প্ল্যাটফর্ম সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তবে বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকার সচেষ্ট।
ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, যে কোনো অনিয়ম, হামলা বা দোষীদের আইনের আওতায় আনা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমরা চাই দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান নিরাপদ এবং নাগরিকরা সুরক্ষিত। সরকারি মদদে হামলা হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন জানিয়েছেন, দৈনিক প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কিছু ছবি ও পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, যে কোনো পরিস্থিতিতেই আইন হাতে নেওয়া বা মব জাস্টিসকে অনুমোদন দেওয়া হবে না।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের কিছু ছবি ও পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। আমরা তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করেছি। আইন হাতে নেওয়া কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ময়মনসিংহে হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক পোশাক শ্রমিককে পিটিয়ে ও আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি ধর্ম উপদেষ্টা হিসেবে এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। এটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও গর্হিত কাজ। আমরা কোনো অবস্থায় মব জাস্টিসকে অনুমোদন করব না। আইন হাতে নেওয়া রাষ্ট্রের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য বড় বাধা। আমি ইতোমধ্যেই স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে এই বিষয়ে নোটিশ পাঠিয়েছি।
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, আপনি মব জাস্টিসের কথা বলছিলেন। ১৫ মাসেও এটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। এরই মধ্যে দুটি পত্রিকা পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা প্রধান উপদেষ্টাকে কেবল দুঃখ প্রকাশ করতে দেখেছি। মব আসলেই কীভাবে বন্ধ হবে?
উপদেষ্টা বলেন, আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। সব স্থাপনার আগে পুলিশ মোতায়েন করা কঠিন। কখন কোন স্থানে হামলা হবে তা সবসময় জানা যায় না। আমরা সবসময় মব জাস্টিসকে নিরুৎসাহিত করি। প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারে আগুন দেওয়া ব্যক্তিদের ছবি ও পরিচয় আমরা গোয়েন্দা রিপোর্ট থেকে শনাক্ত করেছি এবং তাদেরকে আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করেছি।
ছায়ানট, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারসহ একসাথে হামলার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠান একসাথে হামলার শিকার হবে, এটা আগেভাগেই জানা মুশকিল। তবে আমরা সতর্ক এবং পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। যেমন, কাজী নজরুল ইসলামের মাজারের পাশে হাদির দাফনের সময় চারুকলা ইনস্টিটিউটে হামলার সম্ভাব্য রিপোর্ট পেয়ে আমরা আগেভাগেই পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। ফলে সেখানে কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি।
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ময়মনসিংহে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে উপস্থিত থাকলেও কেন সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি?
উপদেষ্টা জবাবে বলেন, সরকার স্থিতিশীলতা চায়। মব যদি বারবার ঘটে এবং আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি খারাপ হয়, তাহলে তা সরকার ব্যর্থতার পরিচয়। সরকার নিজে হামলা করবে না, বরং আইনশৃঙ্খলা উন্নত করতে চায়। নির্বাচনের পরিবেশ যাতে সুষ্ঠু হয়, তার জন্য সরকার সক্রিয়।
বিদেশ থেকে উস্কানির প্রসঙ্গেও তিনি বলেন, বিদেশ থেকে কেউ মন্তব্য করলে তা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। মেটা ও ইউটিউবের মতো ওপেন প্ল্যাটফর্ম সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তবে বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকার সচেষ্ট।
ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, যে কোনো অনিয়ম, হামলা বা দোষীদের আইনের আওতায় আনা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমরা চাই দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান নিরাপদ এবং নাগরিকরা সুরক্ষিত। সরকারি মদদে হামলা হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৩:২২
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করবে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সবাইকে সম্পৃক্ত করেই সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, “প্রথমবারের মতো গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে আনা সম্ভব হয়েছে। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব থাকবে। আমাদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। এখন আমরা লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট পথরেখা তৈরি করতে পারব।”
জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ খাতের সংস্কারে অংশীজনদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
কর্মশালায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নন। তাই দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরা প্রয়োজন, যাতে সেগুলো সংশোধনের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
তিনি বলেন, সমালোচনা হতে হবে তথ্যভিত্তিক এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট। এর মাধ্যমে সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে জবাবদিহিতা ও আস্থার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
কর্মশালায় গণমাধ্যম সংস্কার, সম্পাদকীয় স্বাধীনতা, জবাবদিহিতা এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের সম্ভাব্য কাঠামো নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীরা।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৭:১২
আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহণে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ডিভাইস সংযুক্ত করা এবং তা সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। বাংলাদেশ অর্থনীতি
সোমবার (১৫ জুন) এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিআরটিএ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণপরিবহণ ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশের সব গণপরিবহণে ১ আগস্ট থেকে জিপিএস সংযুক্ত ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিআরটিএ জানায়, এ বিষয়ে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১১ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি বিবরণ (স্পেসিফিকেশন) বিআরটিএর স্থানীয় কার্যালয় থেকে সরাসরি অথবা বিআরটিএর ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট গণপরিবহণে জিপিএস সংযুক্ত করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার পর রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে। গণপরিবহণ মালিক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে বিআরটিএ।

১৪ জুন, ২০২৬ ১৫:৫৪
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করবে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সবাইকে সম্পৃক্ত করেই সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, “প্রথমবারের মতো গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে আনা সম্ভব হয়েছে। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব থাকবে। আমাদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। এখন আমরা লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট পথরেখা তৈরি করতে পারব।”
জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ খাতের সংস্কারে অংশীজনদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
কর্মশালায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নন। তাই দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরা প্রয়োজন, যাতে সেগুলো সংশোধনের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
তিনি বলেন, সমালোচনা হতে হবে তথ্যভিত্তিক এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট। এর মাধ্যমে সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে জবাবদিহিতা ও আস্থার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
কর্মশালায় গণমাধ্যম সংস্কার, সম্পাদকীয় স্বাধীনতা, জবাবদিহিতা এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের সম্ভাব্য কাঠামো নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীরা।
আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহণে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ডিভাইস সংযুক্ত করা এবং তা সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। বাংলাদেশ অর্থনীতি
সোমবার (১৫ জুন) এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিআরটিএ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণপরিবহণ ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশের সব গণপরিবহণে ১ আগস্ট থেকে জিপিএস সংযুক্ত ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিআরটিএ জানায়, এ বিষয়ে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১১ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি বিবরণ (স্পেসিফিকেশন) বিআরটিএর স্থানীয় কার্যালয় থেকে সরাসরি অথবা বিআরটিএর ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট গণপরিবহণে জিপিএস সংযুক্ত করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার পর রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে। গণপরিবহণ মালিক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে বিআরটিএ।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়।
১৯ জুন, ২০২৬ ১৬:১১
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১