
১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:১৪
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শরীয়তউল্লাহ সৈকত মোল্লা (৩৫) মারা গেছেন। তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ।
বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
তিনি বাউফল উপজেলার কালিশুরি ইউনিয়নের মোল্লা বাড়ির মৃত লাল মোহাম্মদ লালু মোল্লার ছেলে। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বাউফল উপজেলাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। রাজনৈতিক সহকর্মী, দলীয় নেতাকর্মী, বন্ধু-বান্ধব ও এলাকাবাসী গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে তাকে কুকুরে কামড় দিয়েছিল। সে সময় যথাযথ চিকিৎসা নেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার বিকেলে হঠাৎ তীব্র কাঁপুনি ও বমি শুরু হলে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। দ্রুত তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন।
ছবি: সংগৃহীত
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শরীয়তউল্লাহ সৈকত মোল্লা (৩৫) মারা গেছেন। তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ।
বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
তিনি বাউফল উপজেলার কালিশুরি ইউনিয়নের মোল্লা বাড়ির মৃত লাল মোহাম্মদ লালু মোল্লার ছেলে। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বাউফল উপজেলাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। রাজনৈতিক সহকর্মী, দলীয় নেতাকর্মী, বন্ধু-বান্ধব ও এলাকাবাসী গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে তাকে কুকুরে কামড় দিয়েছিল। সে সময় যথাযথ চিকিৎসা নেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার বিকেলে হঠাৎ তীব্র কাঁপুনি ও বমি শুরু হলে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। দ্রুত তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন।

১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৩
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মানবিকতার এক ব্যতিক্রমী ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এক অসহায় ভিক্ষুকের কাছে কম দামে ওষুধ বিক্রি করায় ‘প্রগতি মেডিকেল হল’ নামের একটি ফার্মেসি বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগস অ্যাসোসিয়েশনের বিরুদ্ধে।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে এক ভিক্ষুক ভিটামিন সিরাপ কিনতে দোকানটিতে গেলে তার কাছে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় ফার্মেসির পরিচালক সুদীপ্ত মানবিক বিবেচনায় ৩৫০ টাকার ওষুধ মাত্র ১০০ টাকায় বিক্রি করেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে সমিতির সদস্যরা ওই দিন বিকেলে দোকানটি এক দিনের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সমিতির সভাপতি ইব্রাহিম খলিল জানান, ভেজাল ওষুধ বিক্রির অভিযোগে দোকানটি তাদের নিজ উদ্যোগেই বন্ধ রাখা হয়েছে।
এদিকে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই বলছেন, মানবিক কাজে এ ধরনের বাধা ভবিষ্যতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতাকে নিরুৎসাহিত করবে।
কয়েকজন ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, সমিতির মাধ্যমে সিন্ডিকেট করে জরিমানা ও চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, আগে সাধারণ মানুষ ওষুধে ১০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পেলেও এখন সমিতির কারণে তা বন্ধ হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসিন সাদেক বলেন, কোনো সংগঠনের এভাবে একটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার আইনগত ক্ষমতা নেই। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মানবিকতার এক ব্যতিক্রমী ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এক অসহায় ভিক্ষুকের কাছে কম দামে ওষুধ বিক্রি করায় ‘প্রগতি মেডিকেল হল’ নামের একটি ফার্মেসি বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগস অ্যাসোসিয়েশনের বিরুদ্ধে।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে এক ভিক্ষুক ভিটামিন সিরাপ কিনতে দোকানটিতে গেলে তার কাছে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় ফার্মেসির পরিচালক সুদীপ্ত মানবিক বিবেচনায় ৩৫০ টাকার ওষুধ মাত্র ১০০ টাকায় বিক্রি করেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে সমিতির সদস্যরা ওই দিন বিকেলে দোকানটি এক দিনের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সমিতির সভাপতি ইব্রাহিম খলিল জানান, ভেজাল ওষুধ বিক্রির অভিযোগে দোকানটি তাদের নিজ উদ্যোগেই বন্ধ রাখা হয়েছে।
এদিকে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই বলছেন, মানবিক কাজে এ ধরনের বাধা ভবিষ্যতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতাকে নিরুৎসাহিত করবে।
কয়েকজন ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, সমিতির মাধ্যমে সিন্ডিকেট করে জরিমানা ও চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, আগে সাধারণ মানুষ ওষুধে ১০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পেলেও এখন সমিতির কারণে তা বন্ধ হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসিন সাদেক বলেন, কোনো সংগঠনের এভাবে একটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার আইনগত ক্ষমতা নেই। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৫৭
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় দিন দিন বাড়ছে সূর্যমুখী চাষের পরিমাণ। কম খরচ, কম সেচ এবং ভালো বাজারমূল্যের আশায় কৃষকরা ঝুঁকছেন এই তেলবীজ ফসলের দিকে। এতে বদলে যাচ্ছে এলাকার কৃষিচিত্র এবং তৈরি হচ্ছে নতুন সম্ভাবনা।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিস্তীর্ণ জমিতে এখন চোখ জুড়ানো হলুদ রঙের সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ। একসময় যেখানে বোরো ধান বা অন্যান্য ফসল চাষ হতো, সেখানে এখন সূর্যমুখীর আবাদ বাড়ছে বলে স্থানীয়রা জানান।
স্থানীয় কৃষক আবুল বাশার বলেন, এই তেলবীজ চাষে খরচের তুলনায় ফলন বেশি এবং লাভজনক হওয়ায় আমি প্রতিবছর এই চাষাবাদ করি। আমি উপজেলা থেকে কোনো সার বা বীজ পাইনি। এটা এমন একটা ফসল যা করতে পারলে নিশ্চিত লাভ। আমাদের এলাকায় আস্তে আস্তে সূর্যমুখী চাষের দিকে আগ্রহী হচ্ছেন অনেক কৃষক।
আরেক কৃষক সিরাজ খান বলেন, আমি এটা চাষ করে তেল নিজেও খাই এবং বিক্রিও করি। উপজেলা থেকে আমাকে ২০ কেজি সার এবং কিছু বীজ দিয়েছে। এই তেলবীজ চাষ অত্যন্ত লাভজনক, আমি মনে করি যারা কৃষক আছেন তাদের সবার এই চাষে উদ্যোগী হওয়া উচিত।
শ্রীরামপুর ইউনিয়নের তরুন কৃষক ওলি বলেন, আমি এই বছরই প্রথম সূর্যমুখী চাষ করেছি চব্বিশ শতাংশ জমিতে, আশা করি কমপক্ষে ৪০০ কেজি ফলন হবে যা থেকে অন্তত ৩০০ কেজি তেল হবে।
আশেপাশের যত ব্লক আছে তার মধ্যে আল্লাহর রহমতে আমার ফুলগুলো বড় হয়েছে এবং ফলন ভালো হয়েছে। তবে উপজেলা থেকে যদি আমাদের একটা পাম্প ব্যবস্থা করে দিতো তাহলে আমাদের সেচের জন্য আরও সুবিধা হতো।
কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সূর্যমুখী চাষে ধানের তুলনায় খরচ কম এবং সেচের প্রয়োজনও তুলনামূলক কম। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকটের কারণে অনেক কৃষক বিকল্প হিসেবে এই ফসল বেছে নিচ্ছেন।
উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়ন ব্লকে সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে প্রায় ২০ হেক্টর জমিতে এবং পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের আলগী ব্লকে চাষ হয়েছে ১০ হেক্টর জমিতে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় মোট ৪১ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় বেশি।
তবে সম্ভাবনার পাশাপাশি কিছু সমস্যার কথাও তুলে ধরছেন কৃষকরা। তারা জানান, বাজারজাতকরণ, ন্যায্য মূল্য এবং তেল প্রক্রিয়াজাতকরণ সুবিধার অভাব বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ইসমিতা আক্তার সোনিয়া বলেন, আমাদের দুমকি উপজেলায় সূর্যমুখীর আবাদ এবার বৃদ্ধি পেয়েছে। আমার লক্ষমাত্রা ছিলো ৩৫ হেক্টর, তবে আবাদ হয়েছে ৪১ হেক্টর জমিতে।
বাংলাদেশ সরকার প্রতি বছর ভোজ্য তেল আমদানি করতে অনেক বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে থাকে, আমরা এই আমদানি ব্যয় হ্রাস করার জন্যে আমরা কৃষকদের এই তেলজাতীয় ফসলের আবাদ বৃদ্ধির জন্য। এজন্যে কৃষি প্রনোদনার আওতায় কৃষকদের সার এবং বিভিন্ন প্রকল্প থেকে বীজ,কীটনাশক দিয়ে থাকি।
তিনি আরও বলেন, আমরা আশা করি এবছরের চেয়েও আগামী বছর দুমকিতে আরও বেশি সূর্যমুখী আবাদ বাড়বে এবং সরকারি সরবরাহ অনুযায়ী কৃষকদের যথাসাধ্য সহায়তা অব্যাহত থাকবে। এদিকে, সূর্যমুখী ক্ষেতের সৌন্দর্য দেখতে অনেক দর্শনার্থীও ভিড় করছেন বিভিন্ন এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দা গোলাম কিবরিয়া বলেন, আমাদের এলাকায় সূর্যমুখী ফুলের চাষীদের এমন সফলতা দেখে আরও অনেক তরুন উদ্যোক্তা কৃষকেরাও আগ্রহী হচ্ছেন এই তেলবীজ চাষে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে আরও সুযোগ সুবিধা বাড়িয়ে দিলে আমাদের উপজেলা ব্যপক আকারে ছড়িয়ে যাবে লাভজনক এই ফসলের আবাদ।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা, প্রশিক্ষণ এবং বাজার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে দুমকিতে সূর্যমুখী চাষ দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় দিন দিন বাড়ছে সূর্যমুখী চাষের পরিমাণ। কম খরচ, কম সেচ এবং ভালো বাজারমূল্যের আশায় কৃষকরা ঝুঁকছেন এই তেলবীজ ফসলের দিকে। এতে বদলে যাচ্ছে এলাকার কৃষিচিত্র এবং তৈরি হচ্ছে নতুন সম্ভাবনা।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিস্তীর্ণ জমিতে এখন চোখ জুড়ানো হলুদ রঙের সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ। একসময় যেখানে বোরো ধান বা অন্যান্য ফসল চাষ হতো, সেখানে এখন সূর্যমুখীর আবাদ বাড়ছে বলে স্থানীয়রা জানান।
স্থানীয় কৃষক আবুল বাশার বলেন, এই তেলবীজ চাষে খরচের তুলনায় ফলন বেশি এবং লাভজনক হওয়ায় আমি প্রতিবছর এই চাষাবাদ করি। আমি উপজেলা থেকে কোনো সার বা বীজ পাইনি। এটা এমন একটা ফসল যা করতে পারলে নিশ্চিত লাভ। আমাদের এলাকায় আস্তে আস্তে সূর্যমুখী চাষের দিকে আগ্রহী হচ্ছেন অনেক কৃষক।
আরেক কৃষক সিরাজ খান বলেন, আমি এটা চাষ করে তেল নিজেও খাই এবং বিক্রিও করি। উপজেলা থেকে আমাকে ২০ কেজি সার এবং কিছু বীজ দিয়েছে। এই তেলবীজ চাষ অত্যন্ত লাভজনক, আমি মনে করি যারা কৃষক আছেন তাদের সবার এই চাষে উদ্যোগী হওয়া উচিত।
শ্রীরামপুর ইউনিয়নের তরুন কৃষক ওলি বলেন, আমি এই বছরই প্রথম সূর্যমুখী চাষ করেছি চব্বিশ শতাংশ জমিতে, আশা করি কমপক্ষে ৪০০ কেজি ফলন হবে যা থেকে অন্তত ৩০০ কেজি তেল হবে।
আশেপাশের যত ব্লক আছে তার মধ্যে আল্লাহর রহমতে আমার ফুলগুলো বড় হয়েছে এবং ফলন ভালো হয়েছে। তবে উপজেলা থেকে যদি আমাদের একটা পাম্প ব্যবস্থা করে দিতো তাহলে আমাদের সেচের জন্য আরও সুবিধা হতো।
কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সূর্যমুখী চাষে ধানের তুলনায় খরচ কম এবং সেচের প্রয়োজনও তুলনামূলক কম। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকটের কারণে অনেক কৃষক বিকল্প হিসেবে এই ফসল বেছে নিচ্ছেন।
উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়ন ব্লকে সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে প্রায় ২০ হেক্টর জমিতে এবং পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের আলগী ব্লকে চাষ হয়েছে ১০ হেক্টর জমিতে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় মোট ৪১ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় বেশি।
তবে সম্ভাবনার পাশাপাশি কিছু সমস্যার কথাও তুলে ধরছেন কৃষকরা। তারা জানান, বাজারজাতকরণ, ন্যায্য মূল্য এবং তেল প্রক্রিয়াজাতকরণ সুবিধার অভাব বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ইসমিতা আক্তার সোনিয়া বলেন, আমাদের দুমকি উপজেলায় সূর্যমুখীর আবাদ এবার বৃদ্ধি পেয়েছে। আমার লক্ষমাত্রা ছিলো ৩৫ হেক্টর, তবে আবাদ হয়েছে ৪১ হেক্টর জমিতে।
বাংলাদেশ সরকার প্রতি বছর ভোজ্য তেল আমদানি করতে অনেক বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে থাকে, আমরা এই আমদানি ব্যয় হ্রাস করার জন্যে আমরা কৃষকদের এই তেলজাতীয় ফসলের আবাদ বৃদ্ধির জন্য। এজন্যে কৃষি প্রনোদনার আওতায় কৃষকদের সার এবং বিভিন্ন প্রকল্প থেকে বীজ,কীটনাশক দিয়ে থাকি।
তিনি আরও বলেন, আমরা আশা করি এবছরের চেয়েও আগামী বছর দুমকিতে আরও বেশি সূর্যমুখী আবাদ বাড়বে এবং সরকারি সরবরাহ অনুযায়ী কৃষকদের যথাসাধ্য সহায়তা অব্যাহত থাকবে। এদিকে, সূর্যমুখী ক্ষেতের সৌন্দর্য দেখতে অনেক দর্শনার্থীও ভিড় করছেন বিভিন্ন এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দা গোলাম কিবরিয়া বলেন, আমাদের এলাকায় সূর্যমুখী ফুলের চাষীদের এমন সফলতা দেখে আরও অনেক তরুন উদ্যোক্তা কৃষকেরাও আগ্রহী হচ্ছেন এই তেলবীজ চাষে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে আরও সুযোগ সুবিধা বাড়িয়ে দিলে আমাদের উপজেলা ব্যপক আকারে ছড়িয়ে যাবে লাভজনক এই ফসলের আবাদ।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা, প্রশিক্ষণ এবং বাজার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে দুমকিতে সূর্যমুখী চাষ দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৪৩
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালিশুরি ইউনিয়নের সিংহেরাকাঠী গ্রামের এক ছোট্ট ঘরে একসাথে ভেসে উঠেছিল পাঁচটি নবজাতকের কান্না।
আনন্দের সেই মুহূর্তের সাথে মিশে ছিল অনিশ্চয়তা আর দুশ্চিন্তার দীর্ঘশ্বাস। একসাথে তিন ছেলে ও দুই মেয়ের জন্ম যেন আশীর্বাদ, আবার একইসঙ্গে কঠিন বাস্তবতার এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় দরিদ্র পিতা সোহেল হাওলাদারের পরিবারের জন্য।
গত ৬ অক্টোবর ২০২৫ সালে জন্ম নেওয়া এই পাঁচ নবজাতকের লালন-পালনের ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে পরিবারটি। নিত্যদিনের খাবার, চিকিৎসা, পোশাক— সবকিছুই যেন এক বিশাল বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের জন্য।
এমন কঠিন সময়ে শুরু থেকেই এই অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়েছেন বাউফলের গণমানুষের প্রিয় নেতা ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি। তিনি ব্যক্তিগতভাবে পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছেন এবং নিয়মিত আর্থিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন, যা এই পরিবারটির জন্য এক বড় ভরসা হয়ে উঠেছে।
এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ড. মাসুদ এমপির পক্ষ থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বাউফল উপজেলা শাখার দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ সোহেল হাওলাদারের বাড়িতে যান। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভারপ্রাপ্ত আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম এবং সহকারী সেক্রেটারি এটিএম নজরুল ইসলাম। তারা পরিবারটির সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং তাদের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।
মানবিক দায়বদ্ধতা ও ইসলামী মূল্যবোধ থেকেই ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি ও বাউফল উপজেলা জামায়াতে ইসলামী এই পরিবারটির পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তাদের এই সহমর্মিতা এলাকাবাসীর মাঝেও প্রশংসিত হয়েছে।
এ বিষয়ে পাঁচ নবজাতকের পিতা সোহেল হাওলাদার বলেন, ‘একসাথে পাঁচ সন্তান জন্ম নেওয়ার পর আমি দিশেহারা হয়ে পড়েছিলাম। কীভাবে তাদের লালন-পালন করবো বুঝতে পারছিলাম না। ড. মাসুদ এমপি ও জামায়াতের নেতৃবৃন্দ শুরু থেকে যেভাবে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তা আমাদের জন্য আল্লাহর রহমত স্বরূপ।’
বাউফল উপজেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মানবতার ফেরিওয়ালা বাউফলের সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি মহোদয় শুরু থেকে এই পরিবারের পাশে ছিলেন। এখনো পরিবারটির পাশে আছেন। ভবিষ্যতেও থাকবেন। মানুষের কল্যাণে কাজ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।’
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালিশুরি ইউনিয়নের সিংহেরাকাঠী গ্রামের এক ছোট্ট ঘরে একসাথে ভেসে উঠেছিল পাঁচটি নবজাতকের কান্না।
আনন্দের সেই মুহূর্তের সাথে মিশে ছিল অনিশ্চয়তা আর দুশ্চিন্তার দীর্ঘশ্বাস। একসাথে তিন ছেলে ও দুই মেয়ের জন্ম যেন আশীর্বাদ, আবার একইসঙ্গে কঠিন বাস্তবতার এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় দরিদ্র পিতা সোহেল হাওলাদারের পরিবারের জন্য।
গত ৬ অক্টোবর ২০২৫ সালে জন্ম নেওয়া এই পাঁচ নবজাতকের লালন-পালনের ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে পরিবারটি। নিত্যদিনের খাবার, চিকিৎসা, পোশাক— সবকিছুই যেন এক বিশাল বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের জন্য।
এমন কঠিন সময়ে শুরু থেকেই এই অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়েছেন বাউফলের গণমানুষের প্রিয় নেতা ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি। তিনি ব্যক্তিগতভাবে পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছেন এবং নিয়মিত আর্থিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন, যা এই পরিবারটির জন্য এক বড় ভরসা হয়ে উঠেছে।
এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ড. মাসুদ এমপির পক্ষ থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বাউফল উপজেলা শাখার দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ সোহেল হাওলাদারের বাড়িতে যান। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভারপ্রাপ্ত আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম এবং সহকারী সেক্রেটারি এটিএম নজরুল ইসলাম। তারা পরিবারটির সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং তাদের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।
মানবিক দায়বদ্ধতা ও ইসলামী মূল্যবোধ থেকেই ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি ও বাউফল উপজেলা জামায়াতে ইসলামী এই পরিবারটির পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তাদের এই সহমর্মিতা এলাকাবাসীর মাঝেও প্রশংসিত হয়েছে।
এ বিষয়ে পাঁচ নবজাতকের পিতা সোহেল হাওলাদার বলেন, ‘একসাথে পাঁচ সন্তান জন্ম নেওয়ার পর আমি দিশেহারা হয়ে পড়েছিলাম। কীভাবে তাদের লালন-পালন করবো বুঝতে পারছিলাম না। ড. মাসুদ এমপি ও জামায়াতের নেতৃবৃন্দ শুরু থেকে যেভাবে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তা আমাদের জন্য আল্লাহর রহমত স্বরূপ।’
বাউফল উপজেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মানবতার ফেরিওয়ালা বাউফলের সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি মহোদয় শুরু থেকে এই পরিবারের পাশে ছিলেন। এখনো পরিবারটির পাশে আছেন। ভবিষ্যতেও থাকবেন। মানুষের কল্যাণে কাজ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৩০
১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:২৪
১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৪
১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৩