
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৫০
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ছাদের পলেস্তারা ধসে দুই শিক্ষার্থী আহত হওয়ার ঘটনার পরদিনই নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কায় হেলমেট পরে পরীক্ষায় বসলেন শিক্ষার্থী।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাঈম এবং নয়ন হেলমেট পরে মিডটার্ম পরীক্ষায় অংশ নেন। এদিকে তাদের এ অভিনব প্রতিবাদের চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
শিক্ষার্থীরা জানান, সকাল বেলা ক্লাস শুরুর আগে দুইজন শিক্ষার্থী মোটরসাইকেলের হেলমেট মাথায় দিয়ে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করেন। প্রথমে বিষয়টি অনেকেই মজা হিসেবে নিলেও পরে জানা যায়, এটি মূলত নিরাপত্তাহীনতার বিরুদ্ধে এক ধরনের প্রতীকী প্রতিবাদ।
এ বিষয়ে শিক্ষার্থী নাঈম বলেন, গতকাল আমাদের সহপাঠীদের ওপর ছাদের পলেস্তারা পড়ায় গুরুতর আহত হয়েছেন। আজ আমি ক্লাসে বসে নিরাপদ বোধ করছি না। তাই নিজের নিরাপত্তার জন্যই হেলমেট পরে এসেছি, একই সঙ্গে এটি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণের একটি চেষ্টা।
তিনি আরও বলেন, যদি ক্লাসরুমেই জীবন ঝুঁকিতে থাকে, তাহলে আমরা কোথায় নিরাপদ? দ্রুত স্থায়ী সমাধান না হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক আরও বাড়বে।
জানতে চাইলে বিভাগীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক মিজানুর রহমান বলেন, এই বিষয়ে প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। তারা জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। সেই সঙ্গে ১১৯, ২০, ২১ নম্বর কক্ষসমূহ তুলনামূলক কম ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সেখানে পরীক্ষা ও ক্লাস নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, আমি যে রুমে বসে আছি সেটি অনেক ঝুঁকিপূর্ণ, দায়িত্ববোধ থেকে এখনো অবস্থান করছি।
বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সেমিনার কক্ষে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে দুই শিক্ষার্থী আহত হন। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত ঝুঁকি ও প্রশাসনিক অবহেলা নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ছাদের পলেস্তারা ধসে দুই শিক্ষার্থী আহত হওয়ার ঘটনার পরদিনই নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কায় হেলমেট পরে পরীক্ষায় বসলেন শিক্ষার্থী।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাঈম এবং নয়ন হেলমেট পরে মিডটার্ম পরীক্ষায় অংশ নেন। এদিকে তাদের এ অভিনব প্রতিবাদের চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
শিক্ষার্থীরা জানান, সকাল বেলা ক্লাস শুরুর আগে দুইজন শিক্ষার্থী মোটরসাইকেলের হেলমেট মাথায় দিয়ে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করেন। প্রথমে বিষয়টি অনেকেই মজা হিসেবে নিলেও পরে জানা যায়, এটি মূলত নিরাপত্তাহীনতার বিরুদ্ধে এক ধরনের প্রতীকী প্রতিবাদ।
এ বিষয়ে শিক্ষার্থী নাঈম বলেন, গতকাল আমাদের সহপাঠীদের ওপর ছাদের পলেস্তারা পড়ায় গুরুতর আহত হয়েছেন। আজ আমি ক্লাসে বসে নিরাপদ বোধ করছি না। তাই নিজের নিরাপত্তার জন্যই হেলমেট পরে এসেছি, একই সঙ্গে এটি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণের একটি চেষ্টা।
তিনি আরও বলেন, যদি ক্লাসরুমেই জীবন ঝুঁকিতে থাকে, তাহলে আমরা কোথায় নিরাপদ? দ্রুত স্থায়ী সমাধান না হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক আরও বাড়বে।
জানতে চাইলে বিভাগীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক মিজানুর রহমান বলেন, এই বিষয়ে প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। তারা জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। সেই সঙ্গে ১১৯, ২০, ২১ নম্বর কক্ষসমূহ তুলনামূলক কম ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সেখানে পরীক্ষা ও ক্লাস নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, আমি যে রুমে বসে আছি সেটি অনেক ঝুঁকিপূর্ণ, দায়িত্ববোধ থেকে এখনো অবস্থান করছি।
বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সেমিনার কক্ষে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে দুই শিক্ষার্থী আহত হন। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত ঝুঁকি ও প্রশাসনিক অবহেলা নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়।
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪২
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৪
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১৫
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১১

০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১৮
দেশে হামের কারণে ৪৭ শিশু মৃত্যুর ঘটনায় উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। সেইসঙ্গে হামের প্রকোপ না কমা পর্যন্ত স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করা হয়েছে। বিবাদীদের ব্যর্থতার নিয়ে রুলও চাওয়া হয়েছে রিটে। হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চে এর শুনানি হতে পারে আজ।
রিটে বিবাদীদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর জন্য রুল জারিরও আবেদন করা হয়েছে, যাতে জানতে চাওয়া হয়—হাম প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে তাদের নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতা কেন অবৈধ, স্বেচ্ছাচারী এবং আইনগত কর্তৃত্ববিহীন ঘোষণা করা হবে না।
রিটে আরও বলা হয়, সময়মতো টিকাদান নিশ্চিত করতে ব্যর্থতা, টিকার প্রাপ্যতা বজায় রাখতে না পারা, স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা ও জরুরি সাড়া প্রদানে ঘাটতি—এসবই সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
এছাড়া বিবাদীদের অবিলম্বে দেশব্যাপী জরুরি হাম টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ, টিকা, সিরিঞ্জ ও প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং সারা দেশে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সুবিধা, বিশেষায়িত ইউনিট ও আইসিইউসহ কার্যকর জরুরি প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা গড়ে তোলার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
দেশে হামের কারণে ৪৭ শিশু মৃত্যুর ঘটনায় উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। সেইসঙ্গে হামের প্রকোপ না কমা পর্যন্ত স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করা হয়েছে। বিবাদীদের ব্যর্থতার নিয়ে রুলও চাওয়া হয়েছে রিটে। হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চে এর শুনানি হতে পারে আজ।
রিটে বিবাদীদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর জন্য রুল জারিরও আবেদন করা হয়েছে, যাতে জানতে চাওয়া হয়—হাম প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে তাদের নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতা কেন অবৈধ, স্বেচ্ছাচারী এবং আইনগত কর্তৃত্ববিহীন ঘোষণা করা হবে না।
রিটে আরও বলা হয়, সময়মতো টিকাদান নিশ্চিত করতে ব্যর্থতা, টিকার প্রাপ্যতা বজায় রাখতে না পারা, স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা ও জরুরি সাড়া প্রদানে ঘাটতি—এসবই সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
এছাড়া বিবাদীদের অবিলম্বে দেশব্যাপী জরুরি হাম টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ, টিকা, সিরিঞ্জ ও প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং সারা দেশে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সুবিধা, বিশেষায়িত ইউনিট ও আইসিইউসহ কার্যকর জরুরি প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা গড়ে তোলার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৫৮
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ শিশুকে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সরাসরি সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তিনি এ কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা ভোট দিয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। যারা ভোট দেননি তাদের জন্য কাজ করাও আমার দায়িত্ব। ইশতেহার অনুযায়ী সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। চলতি বর্ষা মৌসুমে দেড় কোটি বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপণ করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড দেওয়ার কারণে মূল্যস্ফীতির শঙ্কা নেই। এতে উল্টো প্রান্তিকের অর্থনীতি সচল হবে। আগামী ৩ মাসে আরও ৩০ হাজার ও ৪ বছরে আরও ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে।’
সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজকের কার্যসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্দিষ্ট ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর জন্য সংসদে একটি নির্দিষ্ট দিনে প্রশ্নোত্তর পর্ব আয়োজনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। বুধবার সংসদের মুলতবি অধিবেশনে বক্তব্যকালে এক সংসদ সদস্য এই প্রস্তাব দেন।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ শিশুকে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সরাসরি সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তিনি এ কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা ভোট দিয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। যারা ভোট দেননি তাদের জন্য কাজ করাও আমার দায়িত্ব। ইশতেহার অনুযায়ী সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। চলতি বর্ষা মৌসুমে দেড় কোটি বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপণ করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড দেওয়ার কারণে মূল্যস্ফীতির শঙ্কা নেই। এতে উল্টো প্রান্তিকের অর্থনীতি সচল হবে। আগামী ৩ মাসে আরও ৩০ হাজার ও ৪ বছরে আরও ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে।’
সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজকের কার্যসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্দিষ্ট ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর জন্য সংসদে একটি নির্দিষ্ট দিনে প্রশ্নোত্তর পর্ব আয়োজনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। বুধবার সংসদের মুলতবি অধিবেশনে বক্তব্যকালে এক সংসদ সদস্য এই প্রস্তাব দেন।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৫৫
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার মধ্যেও জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এপ্রিল মাসেও দেশে বর্তমান দামেই বিক্রি হবে জ্বালানি তেল। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে, সোমবার (৩০ মার্চ) সচিবালয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। ৩০ মার্চ পর্যন্ত সরকারি ভাণ্ডারে ১ লাখ ৩৩ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল মজুদ আছে। এ ছাড়া এপ্রিল মাসে আরো প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ফলে আসন্ন মাসে দেশে জ্বালানি সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই।
তিনি বলেন, ডিজেলের তুলনায় দেশে অকটেন ও পেট্রোলের ব্যবহার অনেকটা কম, যা ব্যবস্থাপনাকে সহজ করছে। জ্বালানি বিভাগের তথ্যমতে, দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৬৩ শতাংশই হলো ডিজেল। এই বিপুল পরিমাণ ডিজেল মূলত কৃষি সেচ ও গণপরিবহন খাতে ব্যবহৃত হয়। তাই ডিজেলের দাম ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার মধ্যেও জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এপ্রিল মাসেও দেশে বর্তমান দামেই বিক্রি হবে জ্বালানি তেল। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে, সোমবার (৩০ মার্চ) সচিবালয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। ৩০ মার্চ পর্যন্ত সরকারি ভাণ্ডারে ১ লাখ ৩৩ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল মজুদ আছে। এ ছাড়া এপ্রিল মাসে আরো প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ফলে আসন্ন মাসে দেশে জ্বালানি সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই।
তিনি বলেন, ডিজেলের তুলনায় দেশে অকটেন ও পেট্রোলের ব্যবহার অনেকটা কম, যা ব্যবস্থাপনাকে সহজ করছে। জ্বালানি বিভাগের তথ্যমতে, দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৬৩ শতাংশই হলো ডিজেল। এই বিপুল পরিমাণ ডিজেল মূলত কৃষি সেচ ও গণপরিবহন খাতে ব্যবহৃত হয়। তাই ডিজেলের দাম ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.