
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৮:১৮
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি দীর্ঘদিন ধরে চলছে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা নিশ্চিতে স্থাপিত হলেও এখানে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই চলছে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম।
মূল ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়ায় পার্শ্ববর্তী একটি পরিত্যক্ত ঘরে সীমিত সেবা দেয়া হচ্ছে। ফলে স্বাস্থ্যসেবার জন্য আসা রোগীদের নানামুখী ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত।
সরেজমিনে দেখা যায়, ভবনের অধিকাংশ জায়গায় পলেস্তারা খসে পড়েছে, ছাদ দিয়ে চুইয়ে পড়ছে বৃষ্টির পানি। এতে ভিজে যাচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র আর নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান ওষুধপত্র।
দেয়ালের বিভিন্ন অংশে ফাটল ধরায় ভবনটি যেকোনো সময় ধসে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। এ অবস্থায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করছেন একমাত্র উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার।
উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ৫ নং চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে।
এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার লিখিত চিঠি দিয়েছি এবং মৌখিকভাবেও জানিয়েছি। কিন্তু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। শুধু আশ্বাসেই সীমাবদ্ধ থেকেছে কর্তৃপক্ষ।
চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের অভিযোগ, প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে তাদের। স্থানীয় বাসিন্দা সালমা বেগম বলেন, বৃষ্টির সময় ভেতরে পানি পড়ে, তখন চিকিৎসা নিতে খুব কষ্ট হয়।
ওষুধও ভিজে যায়। নতুন ভবন হলে আমাদের অনেক সুবিধা হবে। রোগীর স্বজন রহিম মিয়া বলেন, এমন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চিকিৎসা নিতে ভয় লাগে। কিন্তু এই ইউনিয়নের মানুষের আর কোনো বিকল্প নেই।
স্থানীয়রা আরও জানান, শুধু ভবন নয়, পর্যাপ্ত জনবল আর আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামও প্রয়োজন এই দ্বীপ ইউনিয়নে। তারা আশা করছেন, দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ হলে চিকিৎসা সেবার মান যেমন বাড়বে, তেমনি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ভোগান্তিও কমবে।
এ বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ খালেদুর রহমান মিয়া বলেন, চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি আমরা সরেজমিন পরিদর্শন করেছি। ভবনটি সত্যিই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। নতুন ভবন নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় সব ডকুমেন্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই দ্রুত নির্মাণকাজ শুরু হবে।
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি দীর্ঘদিন ধরে চলছে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা নিশ্চিতে স্থাপিত হলেও এখানে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই চলছে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম।
মূল ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়ায় পার্শ্ববর্তী একটি পরিত্যক্ত ঘরে সীমিত সেবা দেয়া হচ্ছে। ফলে স্বাস্থ্যসেবার জন্য আসা রোগীদের নানামুখী ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত।
সরেজমিনে দেখা যায়, ভবনের অধিকাংশ জায়গায় পলেস্তারা খসে পড়েছে, ছাদ দিয়ে চুইয়ে পড়ছে বৃষ্টির পানি। এতে ভিজে যাচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র আর নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান ওষুধপত্র।
দেয়ালের বিভিন্ন অংশে ফাটল ধরায় ভবনটি যেকোনো সময় ধসে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। এ অবস্থায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করছেন একমাত্র উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার।
উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ৫ নং চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে।
এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার লিখিত চিঠি দিয়েছি এবং মৌখিকভাবেও জানিয়েছি। কিন্তু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। শুধু আশ্বাসেই সীমাবদ্ধ থেকেছে কর্তৃপক্ষ।
চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের অভিযোগ, প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে তাদের। স্থানীয় বাসিন্দা সালমা বেগম বলেন, বৃষ্টির সময় ভেতরে পানি পড়ে, তখন চিকিৎসা নিতে খুব কষ্ট হয়।
ওষুধও ভিজে যায়। নতুন ভবন হলে আমাদের অনেক সুবিধা হবে। রোগীর স্বজন রহিম মিয়া বলেন, এমন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চিকিৎসা নিতে ভয় লাগে। কিন্তু এই ইউনিয়নের মানুষের আর কোনো বিকল্প নেই।
স্থানীয়রা আরও জানান, শুধু ভবন নয়, পর্যাপ্ত জনবল আর আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামও প্রয়োজন এই দ্বীপ ইউনিয়নে। তারা আশা করছেন, দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ হলে চিকিৎসা সেবার মান যেমন বাড়বে, তেমনি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ভোগান্তিও কমবে।
এ বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ খালেদুর রহমান মিয়া বলেন, চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি আমরা সরেজমিন পরিদর্শন করেছি। ভবনটি সত্যিই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। নতুন ভবন নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় সব ডকুমেন্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই দ্রুত নির্মাণকাজ শুরু হবে।

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২৩
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড় ও টানা ভারি বৃষ্টিতে মুগ ডালসহ বিভিন্ন রবি ফসলের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে উপজেলার শতাধিক কৃষক চরম ক্ষতির আশঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার বিকেলে কালবৈশাখী ঝড়ের পর টানা দুই দিনের ভারি বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় উপজেলার নিচু জমিগুলোতে পানি জমে যায়। ফলে মুগ ডালের ক্ষেত সম্পূর্ণ ডুবে যায়।
পাশাপাশি মরিচ, আলু, চিনাবাদাম ও অন্যান্য রবি ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক ক্ষেতেই গাছ নষ্ট হওয়ার উপক্রম হওয়ায় ফলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
উত্তর শ্রীরামপুর গ্রামের কৃষক গোলাম মস্তফা, আমির হোসেন মৃধা ও সোহরাব মৃধা জানান, মৌসুমের শুরুতে ভালো ফলনের আশায় মুগ ডালের আবাদ করেছিলেন। কিছু কৃষক আংশিক ফসল তুলতে পারলেও অধিকাংশ ক্ষেতেই ফসল মাঠেই রয়ে গেছে। আকস্মিক দুর্যোগে তাদের সেই আশা ভেস্তে যেতে বসেছে। দ্রুত পানি না নামলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
গাবতলী এলাকার কৃষক গাফফার হোসেন বলেন, “আমাদের এলাকায় এমন কোনো কৃষক নেই, যার অন্তত ৫০ হাজার টাকার মুগডাল নষ্ট হয়নি। গ্রামের সবাই এখন দিশেহারা।”
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার বিস্তীর্ণ জমি পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। কৃষকরা নালা কেটে পানি নামানোর চেষ্টা করছেন। তবে স্লুইস গেট খোলা থাকায় জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন জানান, একটি স্লুইস গেটের কপাট খোলা থাকায় বৃষ্টির পানির সঙ্গে জোয়ারের পানি ঢুকে কৃষিজমি প্লাবিত হয়েছে।
মুগ ডালের ক্ষতি সবচেয়ে বেশি হলেও সূর্যমুখী ক্ষেতেও আংশিক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড় ও টানা ভারি বৃষ্টিতে মুগ ডালসহ বিভিন্ন রবি ফসলের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে উপজেলার শতাধিক কৃষক চরম ক্ষতির আশঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার বিকেলে কালবৈশাখী ঝড়ের পর টানা দুই দিনের ভারি বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় উপজেলার নিচু জমিগুলোতে পানি জমে যায়। ফলে মুগ ডালের ক্ষেত সম্পূর্ণ ডুবে যায়।
পাশাপাশি মরিচ, আলু, চিনাবাদাম ও অন্যান্য রবি ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক ক্ষেতেই গাছ নষ্ট হওয়ার উপক্রম হওয়ায় ফলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
উত্তর শ্রীরামপুর গ্রামের কৃষক গোলাম মস্তফা, আমির হোসেন মৃধা ও সোহরাব মৃধা জানান, মৌসুমের শুরুতে ভালো ফলনের আশায় মুগ ডালের আবাদ করেছিলেন। কিছু কৃষক আংশিক ফসল তুলতে পারলেও অধিকাংশ ক্ষেতেই ফসল মাঠেই রয়ে গেছে। আকস্মিক দুর্যোগে তাদের সেই আশা ভেস্তে যেতে বসেছে। দ্রুত পানি না নামলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
গাবতলী এলাকার কৃষক গাফফার হোসেন বলেন, “আমাদের এলাকায় এমন কোনো কৃষক নেই, যার অন্তত ৫০ হাজার টাকার মুগডাল নষ্ট হয়নি। গ্রামের সবাই এখন দিশেহারা।”
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার বিস্তীর্ণ জমি পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। কৃষকরা নালা কেটে পানি নামানোর চেষ্টা করছেন। তবে স্লুইস গেট খোলা থাকায় জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন জানান, একটি স্লুইস গেটের কপাট খোলা থাকায় বৃষ্টির পানির সঙ্গে জোয়ারের পানি ঢুকে কৃষিজমি প্লাবিত হয়েছে।
মুগ ডালের ক্ষতি সবচেয়ে বেশি হলেও সূর্যমুখী ক্ষেতেও আংশিক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হবে।

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:১৭
দীর্ঘ ১০৪ বছর পর কলাপাড়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে যুগ্ম জেলা জজ ও যুগ্ম জেলা দায়রা জজ আদালতের কার্যক্রম।
বৃহস্পতিবার সকালে কলাপাড়ার চৌকি আদালত ভবনে আদালত দুটির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ভারপ্রাপ্ত বিচারক মেহেদী হাসান।
এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আদালত দুটি পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়ায় স্থানান্তর করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপজেলার সকল আইনজীবী ও সাধারণ বিচারপ্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আইনজীবীরা জানান, কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবের লক্ষ্যে এই দুটি আদালত স্থাপন করা হয়েছে। এখন থেকে এই দুই উপজেলার দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার বিচারকার্য এই আদালতেই নিষ্পত্তি হবে। ফলে বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষকে আর দূরে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হবে না। এই উদ্যোগে এলাকার মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের সঞ্চার হয়েছে।
দীর্ঘ ১০৪ বছর পর কলাপাড়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে যুগ্ম জেলা জজ ও যুগ্ম জেলা দায়রা জজ আদালতের কার্যক্রম।
বৃহস্পতিবার সকালে কলাপাড়ার চৌকি আদালত ভবনে আদালত দুটির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ভারপ্রাপ্ত বিচারক মেহেদী হাসান।
এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আদালত দুটি পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়ায় স্থানান্তর করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপজেলার সকল আইনজীবী ও সাধারণ বিচারপ্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আইনজীবীরা জানান, কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবের লক্ষ্যে এই দুটি আদালত স্থাপন করা হয়েছে। এখন থেকে এই দুই উপজেলার দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার বিচারকার্য এই আদালতেই নিষ্পত্তি হবে। ফলে বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষকে আর দূরে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হবে না। এই উদ্যোগে এলাকার মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের সঞ্চার হয়েছে।

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০৯
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২৩
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৬
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩৩
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:১৭