
০৮ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩০
চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানার আমবাগান আনসার ক্লাব এলাকায় পুলিশের অভিযানের সময় গ্রেপ্তার এড়াতে ইয়াবা চিবিয়ে খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে দিদারুল আলম নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
পুলিশ দাবি করেছে, অতিরিক্ত ইয়াবা সেবনের কারণে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, নগর পুলিশের চলমান ‘এস ড্রাইভ’ বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) রাত ১২টার দিকে খুলশী থানার আমবাগান আনসার ক্লাব এলাকায় অভিযান চালানো হয়।
এ সময় মাদক ও খুনের মামলার আসামি দিদারুল আলমকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হলে তিনি বিষয়টি টের পেয়ে নিজের কাছে থাকা ইয়াবা বড়ি চিবিয়ে খেয়ে ফেলেন বলেছে, পুলিশ।
পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাকে প্রথমে নগরের আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এদিকে, রোববার (৮ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া প্রায় ৩৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এক যুবক যন্ত্রণায় মাটিতে গড়াগড়ি করছেন।
জামাবিহীন অবস্থায় তিনি এপাশ-ওপাশ ঘুরতে ঘুরতে মাটি চাপড়াচ্ছিলেন এবং অসংলগ্নভাবে কথা বলছিলেন। একপর্যায়ে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমার দুইটা বাচ্চা আছে, স্যার’। পরে জানা যায়, ভিডিওতে দেখা যুবকই দিদারুল আলম।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (গণমাধ্যম) আমিনুর রশিদ বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত ইয়াবা চিবিয়ে খাওয়ার কারণেই দিদারুল আলমের মৃত্যু হয়েছে।
খুলশী থানার ওসি জাহিদুল ইসলাম জানান, দিদারুল আলমের মৃত্যুর ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তবে প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত ইয়াবা সেবনের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, দিদারুল আলমের বিরুদ্ধে খুন ও মাদক সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানার আমবাগান আনসার ক্লাব এলাকায় পুলিশের অভিযানের সময় গ্রেপ্তার এড়াতে ইয়াবা চিবিয়ে খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে দিদারুল আলম নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
পুলিশ দাবি করেছে, অতিরিক্ত ইয়াবা সেবনের কারণে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, নগর পুলিশের চলমান ‘এস ড্রাইভ’ বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) রাত ১২টার দিকে খুলশী থানার আমবাগান আনসার ক্লাব এলাকায় অভিযান চালানো হয়।
এ সময় মাদক ও খুনের মামলার আসামি দিদারুল আলমকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হলে তিনি বিষয়টি টের পেয়ে নিজের কাছে থাকা ইয়াবা বড়ি চিবিয়ে খেয়ে ফেলেন বলেছে, পুলিশ।
পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাকে প্রথমে নগরের আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এদিকে, রোববার (৮ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া প্রায় ৩৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এক যুবক যন্ত্রণায় মাটিতে গড়াগড়ি করছেন।
জামাবিহীন অবস্থায় তিনি এপাশ-ওপাশ ঘুরতে ঘুরতে মাটি চাপড়াচ্ছিলেন এবং অসংলগ্নভাবে কথা বলছিলেন। একপর্যায়ে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমার দুইটা বাচ্চা আছে, স্যার’। পরে জানা যায়, ভিডিওতে দেখা যুবকই দিদারুল আলম।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (গণমাধ্যম) আমিনুর রশিদ বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত ইয়াবা চিবিয়ে খাওয়ার কারণেই দিদারুল আলমের মৃত্যু হয়েছে।
খুলশী থানার ওসি জাহিদুল ইসলাম জানান, দিদারুল আলমের মৃত্যুর ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তবে প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত ইয়াবা সেবনের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, দিদারুল আলমের বিরুদ্ধে খুন ও মাদক সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে।
বরিশাল টাইমস

২১ জুন, ২০২৬ ১৭:০১
সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।রোববার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রু সই করা এক আদেশে তাকে প্রত্যাহার করা হয়। তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে।
গত বছরের ২১ আগস্ট সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যোগদান করেছিলেন সারওয়ার আলম। মাজারগুলোতে যেন মদ-গাঁজার আসর না বসে: সিলেটের ডিসি সারওয়ার
২৭তম বিসিএসের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা সারওয়ার আলম র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আলোচিত ছিলেন। সিনিয়র সহকারী সচিব পদে থাকাকালীন র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে তিন শতাধিক ভেজালবিরোধী অভিযান চালিয়ে ব্যাপক প্রশংসিত ছিলেন তিনি। ভেজাল, অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে আলোচিত এবং মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
হঠাৎ ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর তাকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে বদলি করা হয়।তিনবার বঞ্চিত হওয়ার পর ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট উপসচিব পদে পদোন্নতি পান তিনি। এর আগে তিনি বঞ্চিত হলে নিজের ক্ষোভ জানিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন।
স্ট্যাটাস দেওয়ার বিষয়টিকে অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করে আওয়ামী লীগ সরকার তাকে লঘুদণ্ড হিসেবে ‘তিরস্কার’র শাস্তি দেয়। ২০২২ সালের মে মাসে তাকে শাস্তি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।রোববার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রু সই করা এক আদেশে তাকে প্রত্যাহার করা হয়। তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে।
গত বছরের ২১ আগস্ট সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যোগদান করেছিলেন সারওয়ার আলম। মাজারগুলোতে যেন মদ-গাঁজার আসর না বসে: সিলেটের ডিসি সারওয়ার
২৭তম বিসিএসের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা সারওয়ার আলম র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আলোচিত ছিলেন। সিনিয়র সহকারী সচিব পদে থাকাকালীন র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে তিন শতাধিক ভেজালবিরোধী অভিযান চালিয়ে ব্যাপক প্রশংসিত ছিলেন তিনি। ভেজাল, অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে আলোচিত এবং মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
হঠাৎ ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর তাকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে বদলি করা হয়।তিনবার বঞ্চিত হওয়ার পর ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট উপসচিব পদে পদোন্নতি পান তিনি। এর আগে তিনি বঞ্চিত হলে নিজের ক্ষোভ জানিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন।
স্ট্যাটাস দেওয়ার বিষয়টিকে অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করে আওয়ামী লীগ সরকার তাকে লঘুদণ্ড হিসেবে ‘তিরস্কার’র শাস্তি দেয়। ২০২২ সালের মে মাসে তাকে শাস্তি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

২১ জুন, ২০২৬ ১৬:১৫
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাছ ধরতে গিয়ে ডোবার পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) দুপুরে উপজেলার মহিপুর ইউনিয়নের বিপিনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত দুই শিশু হলো বিপিনপুর গ্রামের মো. আলম হাওলাদারের মেয়ে মেহেরিমা (৮) এবং একই এলাকার ভাড়াটিয়া আল-আমিনের মেয়ে নাজিয়া (৭)। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে দুই শিশু মাছ ধরার বড়শি নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়।
দীর্ঘ সময় পার হলেও তারা বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পূর্বপাশে একটি ডোবার পানিতে মাছ ধরার ছিপ ভাসতে দেখে সন্দেহ হয়।
পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ডোবায় তল্লাশি চালিয়ে দুই শিশুকে উদ্ধার করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাছ ধরার সময় অসাবধানতাবশত তারা ডোবার পানিতে পড়ে যায়। সাঁতার না জানার কারণে পানিতে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়েছে। কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুল বাতেন জানান, দুপুর ২টার দিকে দুই শিশুকে হাসপাতালে আনা হয়।
পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছিল। এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে এটি পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা বলে জানা গেছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাছ ধরতে গিয়ে ডোবার পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) দুপুরে উপজেলার মহিপুর ইউনিয়নের বিপিনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত দুই শিশু হলো বিপিনপুর গ্রামের মো. আলম হাওলাদারের মেয়ে মেহেরিমা (৮) এবং একই এলাকার ভাড়াটিয়া আল-আমিনের মেয়ে নাজিয়া (৭)। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে দুই শিশু মাছ ধরার বড়শি নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়।
দীর্ঘ সময় পার হলেও তারা বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পূর্বপাশে একটি ডোবার পানিতে মাছ ধরার ছিপ ভাসতে দেখে সন্দেহ হয়।
পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ডোবায় তল্লাশি চালিয়ে দুই শিশুকে উদ্ধার করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাছ ধরার সময় অসাবধানতাবশত তারা ডোবার পানিতে পড়ে যায়। সাঁতার না জানার কারণে পানিতে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়েছে। কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুল বাতেন জানান, দুপুর ২টার দিকে দুই শিশুকে হাসপাতালে আনা হয়।
পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছিল। এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে এটি পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা বলে জানা গেছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

২১ জুন, ২০২৬ ১৫:০২
সম্প্রতি নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে গাইবান্ধায় ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট জাহাঙ্গীরকে ক্লোজ করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। এরপর সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে তাকে ক্লোজ করা হয়।
শনিবার (২০ জুন) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে গাইবান্ধার ট্রাফিক বিভাগের ইন্সপেক্টর (টিআই) আলতাব হোসেন। গত ১৭ জুন রাতের একটি ঘটনায় গতকাল শুক্রবার (১৯ জুন) তাকে ক্লোজ করা হয়।
স্থানীয় ও ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ট্রাফিকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ে ফেসবুকে কন্টেন্ট বানাচ্ছিলেন সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর।
এর সূত্র ধরে নিঝুম নামের এক নারী কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের সাথে তার সখ্যতা তৈরি হয়। গত ১৭ জুন রাতে পলাশবাড়ী পৌরসভার হরিণমারী এলাকার একটি ভাড়া বাসায় নিঝুম নামের ওই নারী কন্টেন্ট ক্রিয়েটরসহ স্থানীয়দের হাতে অবরুদ্ধ হয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠে।
সেই রাতে, ওই বাসায় সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর ও নিঝুমের অবস্থান টের পেয়ে, স্থানীয় লোকজন বাসাটি ঘিরে ফেলেন এবং তাদের বের হতে বাধা দেন। পরে তাদের কাছ থেকে মাদক (ইয়াবা) উদ্ধার হয়েছে বলেও জানা যায়।
ঘটনার পর পরই মোটা অঙ্কের আর্থিক লেনদেন ও একটি প্রভাবশালী মহলের হস্তক্ষেপে ওই রাতেই অভিযুক্তদের ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
এসব বিষয় ঘটনার দিন প্রকাশ না পেলেও গতকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরবভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এর পরেই তাকে ক্লোজ করে পুলিশের সংশ্লিষ্ট বিভাগ।
ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) আলতাব হোসেন বলেন, পলাশবাড়ির ওই ঘটনায় সার্জেন্ট জাহাঙ্গীরকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। একই সাথে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ বিভাগ।
সম্প্রতি নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে গাইবান্ধায় ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট জাহাঙ্গীরকে ক্লোজ করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। এরপর সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে তাকে ক্লোজ করা হয়।
শনিবার (২০ জুন) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে গাইবান্ধার ট্রাফিক বিভাগের ইন্সপেক্টর (টিআই) আলতাব হোসেন। গত ১৭ জুন রাতের একটি ঘটনায় গতকাল শুক্রবার (১৯ জুন) তাকে ক্লোজ করা হয়।
স্থানীয় ও ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ট্রাফিকের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ে ফেসবুকে কন্টেন্ট বানাচ্ছিলেন সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর।
এর সূত্র ধরে নিঝুম নামের এক নারী কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের সাথে তার সখ্যতা তৈরি হয়। গত ১৭ জুন রাতে পলাশবাড়ী পৌরসভার হরিণমারী এলাকার একটি ভাড়া বাসায় নিঝুম নামের ওই নারী কন্টেন্ট ক্রিয়েটরসহ স্থানীয়দের হাতে অবরুদ্ধ হয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠে।
সেই রাতে, ওই বাসায় সার্জেন্ট জাহাঙ্গীর ও নিঝুমের অবস্থান টের পেয়ে, স্থানীয় লোকজন বাসাটি ঘিরে ফেলেন এবং তাদের বের হতে বাধা দেন। পরে তাদের কাছ থেকে মাদক (ইয়াবা) উদ্ধার হয়েছে বলেও জানা যায়।
ঘটনার পর পরই মোটা অঙ্কের আর্থিক লেনদেন ও একটি প্রভাবশালী মহলের হস্তক্ষেপে ওই রাতেই অভিযুক্তদের ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
এসব বিষয় ঘটনার দিন প্রকাশ না পেলেও গতকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরবভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এর পরেই তাকে ক্লোজ করে পুলিশের সংশ্লিষ্ট বিভাগ।
ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) আলতাব হোসেন বলেন, পলাশবাড়ির ওই ঘটনায় সার্জেন্ট জাহাঙ্গীরকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। একই সাথে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ বিভাগ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২১ জুন, ২০২৬ ১৮:৩৫
২১ জুন, ২০২৬ ১৮:১৭
২১ জুন, ২০২৬ ১৭:৫০
২১ জুন, ২০২৬ ১৭:০৯