
২৫ মে, ২০২৫ ২১:১৭
অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনেই অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন জনগণ দেখতে পাবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
রবিবার রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সরকারের প্রতি গঠনমূলক সমালোচনা করার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন বা তত্ত্বাবধায়ক সরকার হোক, জনগণকে সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা জারি রাখতে হবে। সরকারের মান-অভিমান বা রাগ-বিরাগের কোনো সুযোগ নেই।
অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনেই সুষ্ঠু নির্বাচনের আশা জানিয়ে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আবারো ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। এই সরকারের মাধ্যমেই দেশের সবচেয়ে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দেখতে পাবে জনগণ। সংবিধানে জনগণের ভোটের অধিকার থাকলেও ভোট দিতে দেয়নি আওয়ামী লীগ সরকার। সে সময় জনগণের প্রতিনিধি দিয়ে সংসদ গঠিত হলে তাদের ফ্যাসিবাদী হয়ে ওঠার সুযোগ কম থাকতো।
সংস্কার ধারাবাহিক প্রক্রিয়া জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, অল্প বা বেশি সংস্কার বলে কিছু নেই। সংস্কার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। তবে সরকার বাজেটের আগে এনবিআরের সংস্কার চাপিয়ে দিয়ে অচলাবস্থার তৈরি করেছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনেই অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন জনগণ দেখতে পাবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
রবিবার রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সরকারের প্রতি গঠনমূলক সমালোচনা করার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন বা তত্ত্বাবধায়ক সরকার হোক, জনগণকে সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা জারি রাখতে হবে। সরকারের মান-অভিমান বা রাগ-বিরাগের কোনো সুযোগ নেই।
অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনেই সুষ্ঠু নির্বাচনের আশা জানিয়ে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আবারো ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। এই সরকারের মাধ্যমেই দেশের সবচেয়ে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দেখতে পাবে জনগণ। সংবিধানে জনগণের ভোটের অধিকার থাকলেও ভোট দিতে দেয়নি আওয়ামী লীগ সরকার। সে সময় জনগণের প্রতিনিধি দিয়ে সংসদ গঠিত হলে তাদের ফ্যাসিবাদী হয়ে ওঠার সুযোগ কম থাকতো।
সংস্কার ধারাবাহিক প্রক্রিয়া জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, অল্প বা বেশি সংস্কার বলে কিছু নেই। সংস্কার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। তবে সরকার বাজেটের আগে এনবিআরের সংস্কার চাপিয়ে দিয়ে অচলাবস্থার তৈরি করেছে।

১০ মার্চ, ২০২৬ ২২:০১
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় রুবিনা আক্তার নামের এক গৃহবধূকে মুখ বেঁধে খালের পানিতে ডুবিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ৯টায় ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগে ভোরে উপজেলার চম্পাপুর ইউপির চালিতাবুনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
চিকিৎসাধীন ভুক্তভোগী রুবিনা আক্তার বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে আমার স্বামীর সঙ্গে শ্বশুর শহীদ হাওলাদারসহ ভাসুর, ননদ, দেবর এবং চাচা শ্বশুরের বিরোধ চলে আসছিল। সোমবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যায় তার চাচা শ্বশুর মনির আমার স্বামী বাদলকে হত্যা করার হুমকি দেয়।
তিনি আরও বলেন, এছাড়া যেকোনো বিষয় নিয়ে স্বামীর সঙ্গে আমাকেও দোষারোপ করে তারা। আজ ভোরে সেহরি ও নামাজের জন্য অজু করতে ঘরের বাইরে বের হই। এ সময় পেছন থেকে তাকে ৪/৫ জন মিলে মুখ বেঁধে জোর করে তুলে নিয়ে খালের মধ্যে ফেলে দেয় এবং ডুবিয়ে মারার চেষ্টা করে। এতে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।
ভুক্তভোগীর স্বামী বাদল হাওলাদারের অভিযোগ, আমার স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ কাজ করেছে আমার পরিবার। বর্তমানে স্ত্রীকে বরিশালে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে এসেছি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্বশুর শহীদ হাওলাদার কালবেলাকে বলেন, আমার সব জমি লিখে দিয়েছি তাদের। কিন্তু আমার থাকার জায়গা থেকে তারা আামকে সরাতে মিথ্যা নাটক সাজানো হয়েছে। এ হত্যাচেষ্টার বিষয়টি আমি জানি না।
কলাপাড়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১০ মার্চ, ২০২৬ ২১:৫২
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে যথাযথ মর্যাদায় ‘দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়ব, তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ব’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের উদ্যোগে র্যালি, অগ্নি নির্বাপক মহড়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়। এরপর ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে দুর্যোগকালীন করণীয় ও অগ্নি নির্বাপক বিষয়ে একটি সচেতনতামূলক বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।
র্যালি ও মহড়া শেষে উপজেলা পরিষদের কনফারেন্স রুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোসা. মলিহা খানম।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ইলিয়াস মিয়া-এর সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মজিবুর রহমান,মির্জাগঞ্জ থানার সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ শাখাওয়াত হোসেন
মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মল্লিক মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদ, মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব জিয়াউর রহমান রেজবু,ফায়ার সার্ভিস লিডার মোঃ ইব্রাহিম হোসেন। আরে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা, সামাজিক সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

১০ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৩
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের উদ্যোগে স্থানীয় গণ্যমান্য ও সাধারণ মানুষের মাঝে সুন্নাহ সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেল থেকে বাউফল পৌর শহরের তিনটি স্পটে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ বাউফল উপজেলা শাখার সভাপতি আল ইমরান বিপ্লবী-এর নেতৃত্বে পৌর শহরের উপজেলা গেট, ঐতিহাসিক পাবলিক মাঠ সংলগ্ন, থানা চত্বরে সাধারণ মানুষের হাতে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন সুন্নাহ সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
এ সময় সভাপতির বক্তব্যে আল ইমরান বিপ্লবী বলেন, "আধুনিকতার নামে আমরা যখন আমাদের শেকড় ও প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সুন্নাহ থেকে দূরে সরে যাচ্ছি, তখন তরুণ প্রজন্মের ও সাধারণ মানুষের মাঝে সুন্নাহর চর্চা ছড়িয়ে দেওয়া সময়ের দাবি। ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ কেবল একটি ছাত্র সংগঠন নয়, বরং এটি শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও আদর্শিক চরিত্র গঠনের একটি প্ল্যাটফর্ম। আমরা চাই প্রতিটি শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ সুন্নাহর আলোয় নিজের জীবনকে আলোকিত করুক।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ছাত্র সমাজকে মাদক, অশ্লীলতা ও নৈতিক অবক্ষয় থেকে বাঁচাতে হলে ইসলামী জীবন বিধান এবং সুন্নাহর অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই। বাউফল উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে এই দাওয়াহ কার্যক্রম ও সুন্নাহ সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি ঘোষণা দেন।
অনুষ্ঠানে উপজেলা শাখার অন্যান্য দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দসহ কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বিতরণকৃত সামগ্রীর মধ্যে ছিল মেসওয়াক, টুপি, তসবিহ এবং সুন্নাহ বিষয়ক সংক্ষিপ্ত নির্দেশিকা। দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় রুবিনা আক্তার নামের এক গৃহবধূকে মুখ বেঁধে খালের পানিতে ডুবিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ৯টায় ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগে ভোরে উপজেলার চম্পাপুর ইউপির চালিতাবুনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
চিকিৎসাধীন ভুক্তভোগী রুবিনা আক্তার বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে আমার স্বামীর সঙ্গে শ্বশুর শহীদ হাওলাদারসহ ভাসুর, ননদ, দেবর এবং চাচা শ্বশুরের বিরোধ চলে আসছিল। সোমবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যায় তার চাচা শ্বশুর মনির আমার স্বামী বাদলকে হত্যা করার হুমকি দেয়।
তিনি আরও বলেন, এছাড়া যেকোনো বিষয় নিয়ে স্বামীর সঙ্গে আমাকেও দোষারোপ করে তারা। আজ ভোরে সেহরি ও নামাজের জন্য অজু করতে ঘরের বাইরে বের হই। এ সময় পেছন থেকে তাকে ৪/৫ জন মিলে মুখ বেঁধে জোর করে তুলে নিয়ে খালের মধ্যে ফেলে দেয় এবং ডুবিয়ে মারার চেষ্টা করে। এতে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।
ভুক্তভোগীর স্বামী বাদল হাওলাদারের অভিযোগ, আমার স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ কাজ করেছে আমার পরিবার। বর্তমানে স্ত্রীকে বরিশালে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে এসেছি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্বশুর শহীদ হাওলাদার কালবেলাকে বলেন, আমার সব জমি লিখে দিয়েছি তাদের। কিন্তু আমার থাকার জায়গা থেকে তারা আামকে সরাতে মিথ্যা নাটক সাজানো হয়েছে। এ হত্যাচেষ্টার বিষয়টি আমি জানি না।
কলাপাড়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে যথাযথ মর্যাদায় ‘দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়ব, তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ব’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের উদ্যোগে র্যালি, অগ্নি নির্বাপক মহড়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হয়। এরপর ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে দুর্যোগকালীন করণীয় ও অগ্নি নির্বাপক বিষয়ে একটি সচেতনতামূলক বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।
র্যালি ও মহড়া শেষে উপজেলা পরিষদের কনফারেন্স রুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোসা. মলিহা খানম।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ইলিয়াস মিয়া-এর সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মজিবুর রহমান,মির্জাগঞ্জ থানার সাব-ইন্সপেক্টর মোঃ শাখাওয়াত হোসেন
মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মল্লিক মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদ, মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব জিয়াউর রহমান রেজবু,ফায়ার সার্ভিস লিডার মোঃ ইব্রাহিম হোসেন। আরে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা, সামাজিক সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের উদ্যোগে স্থানীয় গণ্যমান্য ও সাধারণ মানুষের মাঝে সুন্নাহ সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেল থেকে বাউফল পৌর শহরের তিনটি স্পটে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ বাউফল উপজেলা শাখার সভাপতি আল ইমরান বিপ্লবী-এর নেতৃত্বে পৌর শহরের উপজেলা গেট, ঐতিহাসিক পাবলিক মাঠ সংলগ্ন, থানা চত্বরে সাধারণ মানুষের হাতে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন সুন্নাহ সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
এ সময় সভাপতির বক্তব্যে আল ইমরান বিপ্লবী বলেন, "আধুনিকতার নামে আমরা যখন আমাদের শেকড় ও প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সুন্নাহ থেকে দূরে সরে যাচ্ছি, তখন তরুণ প্রজন্মের ও সাধারণ মানুষের মাঝে সুন্নাহর চর্চা ছড়িয়ে দেওয়া সময়ের দাবি। ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ কেবল একটি ছাত্র সংগঠন নয়, বরং এটি শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও আদর্শিক চরিত্র গঠনের একটি প্ল্যাটফর্ম। আমরা চাই প্রতিটি শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ সুন্নাহর আলোয় নিজের জীবনকে আলোকিত করুক।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ছাত্র সমাজকে মাদক, অশ্লীলতা ও নৈতিক অবক্ষয় থেকে বাঁচাতে হলে ইসলামী জীবন বিধান এবং সুন্নাহর অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই। বাউফল উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে এই দাওয়াহ কার্যক্রম ও সুন্নাহ সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি ঘোষণা দেন।
অনুষ্ঠানে উপজেলা শাখার অন্যান্য দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দসহ কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বিতরণকৃত সামগ্রীর মধ্যে ছিল মেসওয়াক, টুপি, তসবিহ এবং সুন্নাহ বিষয়ক সংক্ষিপ্ত নির্দেশিকা। দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়