
২৫ মে, ২০২৫ ২১:১৭
অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনেই অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন জনগণ দেখতে পাবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
রবিবার রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সরকারের প্রতি গঠনমূলক সমালোচনা করার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন বা তত্ত্বাবধায়ক সরকার হোক, জনগণকে সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা জারি রাখতে হবে। সরকারের মান-অভিমান বা রাগ-বিরাগের কোনো সুযোগ নেই।
অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনেই সুষ্ঠু নির্বাচনের আশা জানিয়ে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আবারো ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। এই সরকারের মাধ্যমেই দেশের সবচেয়ে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দেখতে পাবে জনগণ। সংবিধানে জনগণের ভোটের অধিকার থাকলেও ভোট দিতে দেয়নি আওয়ামী লীগ সরকার। সে সময় জনগণের প্রতিনিধি দিয়ে সংসদ গঠিত হলে তাদের ফ্যাসিবাদী হয়ে ওঠার সুযোগ কম থাকতো।
সংস্কার ধারাবাহিক প্রক্রিয়া জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, অল্প বা বেশি সংস্কার বলে কিছু নেই। সংস্কার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। তবে সরকার বাজেটের আগে এনবিআরের সংস্কার চাপিয়ে দিয়ে অচলাবস্থার তৈরি করেছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনেই অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন জনগণ দেখতে পাবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
রবিবার রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সরকারের প্রতি গঠনমূলক সমালোচনা করার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন বা তত্ত্বাবধায়ক সরকার হোক, জনগণকে সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা জারি রাখতে হবে। সরকারের মান-অভিমান বা রাগ-বিরাগের কোনো সুযোগ নেই।
অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনেই সুষ্ঠু নির্বাচনের আশা জানিয়ে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আবারো ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। এই সরকারের মাধ্যমেই দেশের সবচেয়ে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দেখতে পাবে জনগণ। সংবিধানে জনগণের ভোটের অধিকার থাকলেও ভোট দিতে দেয়নি আওয়ামী লীগ সরকার। সে সময় জনগণের প্রতিনিধি দিয়ে সংসদ গঠিত হলে তাদের ফ্যাসিবাদী হয়ে ওঠার সুযোগ কম থাকতো।
সংস্কার ধারাবাহিক প্রক্রিয়া জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, অল্প বা বেশি সংস্কার বলে কিছু নেই। সংস্কার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। তবে সরকার বাজেটের আগে এনবিআরের সংস্কার চাপিয়ে দিয়ে অচলাবস্থার তৈরি করেছে।

১৭ জুলাই, ২০২৬ ২০:৩৭
তাবিজ দেওয়ার কথা বলে বাড়িতে ডেকে নেওয়া। এরপর ঘরের ভেতরে আটকে এক নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা—এমন অভিযোগে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার এক জামায়াত নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে উপজেলার মাধবখালি ইউনিয়নের উত্তর চৈতা গ্রাম থেকে মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুব (৪৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি মাধবখালি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি, উত্তর চৈতা গ্রামের মৃত জয়নাল মৌলভীর ছেলে এবং পেশায় একজন পল্লী চিকিৎসক। বাড়ির পাশেই তার একটি ফার্মেসি রয়েছে।
ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তার ভাইয়ের ছেলেকে তাবিজ দেওয়ার কথা বলে মাহাবুব তাকে নিজের বাড়িতে ডেকে নেন। সেখানে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পারিবারিক সমস্যার কারণে ওই নারীর সঙ্গে মাহাবুবের পরিচয় হয়েছিল। বিভিন্ন সময় তিনি তাবিজ নিতে তার কাছে যেতেন। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার দিন সকালে মাহাবুব তার স্ত্রী ও সন্তানদের শ্বশুরবাড়িতে পাঠিয়ে দেন। পরে সন্ধ্যায় ওই নারীকে বাড়িতে নিয়ে যান। প্রায় দুই ঘণ্টা পর ঘরের ভেতর থেকে নারীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মাহাবুবকে আটক করে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে মির্জাগঞ্জ থানায় ধর্ষণচেষ্টার মামলা দায়ের করেছেন।
উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা সিরাজুল ইসলাম বলেন, "বিষয়টি এখনও আমার জানা নেই। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, "ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।"

১৭ জুলাই, ২০২৬ ০০:৪৪
পটুয়াখালীর বাউফল পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিন স্থানীয় সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজসংলগ্ন একটি বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তাদের হেফাজত থেকে বেশকিছু দেশীয় অস্ত্র, মাদক এবং মাদক সেবনের উপহরণ উদ্ধার করেছে এসআই মু. ফরাদুজ্জামানের নেতৃত্বতাধীন টিম।
পুলিশ জানিয়েছে, আটক তিন যুবক কালাইয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের আক্কেল আলী ভূঁইয়ার ছেলে মোহন ভূঁইয়া (৩৫), একই গ্রামের আব্দুল কালামের ছেলে নুর ইসলাম (২৫) এবং পার্শ্ববর্তী দশমিনা উপজেলার চর হোসনাবাদের শাহ আলমের ছেলে শাকি (২৪) দীর্ঘদিন ধরে একত্রিত হয়ে এলাকাভিত্তিক সন্ত্রাস করাসহ মাদক ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাউফলের কালাইয়া ইউনিয়নের ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজসংলগ্ন একটি বাসা তাদের আটক করা হয়, স্থানটিকে মাদকের ডেরা হিসেবে বিবেচিত করে পুলিশ।
অভিযানে নেতৃত্বদানকারী বাউফল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মু. ফরহাদুজ্জামান নবীন এবং এসআই ইব্রাহিম মোল্লা বরিশালটাইমসকে জানান, চিহ্নিত তিন সন্ত্রাসীর কাছ থেকে দুটি দেশীয় দা, দুটি ধারালো রামদা, তিনটি কাঁচি, দুটি হাতুড়ি, ২৫ গ্রাম গাঁজা, ২০ পিস ইয়াবা এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধার করা হয়। তবে তাদের মধ্যেকার মোহন ভূঁইয়া মাদক বিক্রেতা এবং বাকি দুজন নুর ইসলাম, শাকিল তার কাছ থেকে মাদক সংগ্রহের উদ্দেশে এসেছিলেন।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বাউফল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলছেন, তিন যুবকই মাদক ক্রয়-বিক্রয়সহ বহুমুখী অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত এবং তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগও ছিল। বৃহস্পতিবার গোপন সংবাদে তাদের আটক করা হয়। এই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেছেন।’

১৫ জুলাই, ২০২৬ ১৮:১৮
তাবিজ দেওয়ার কথা বলে বাড়িতে ডেকে নেওয়া। এরপর ঘরের ভেতরে আটকে এক নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা—এমন অভিযোগে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার এক জামায়াত নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে উপজেলার মাধবখালি ইউনিয়নের উত্তর চৈতা গ্রাম থেকে মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুব (৪৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি মাধবখালি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি, উত্তর চৈতা গ্রামের মৃত জয়নাল মৌলভীর ছেলে এবং পেশায় একজন পল্লী চিকিৎসক। বাড়ির পাশেই তার একটি ফার্মেসি রয়েছে।
ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তার ভাইয়ের ছেলেকে তাবিজ দেওয়ার কথা বলে মাহাবুব তাকে নিজের বাড়িতে ডেকে নেন। সেখানে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পারিবারিক সমস্যার কারণে ওই নারীর সঙ্গে মাহাবুবের পরিচয় হয়েছিল। বিভিন্ন সময় তিনি তাবিজ নিতে তার কাছে যেতেন। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার দিন সকালে মাহাবুব তার স্ত্রী ও সন্তানদের শ্বশুরবাড়িতে পাঠিয়ে দেন। পরে সন্ধ্যায় ওই নারীকে বাড়িতে নিয়ে যান। প্রায় দুই ঘণ্টা পর ঘরের ভেতর থেকে নারীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মাহাবুবকে আটক করে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে মির্জাগঞ্জ থানায় ধর্ষণচেষ্টার মামলা দায়ের করেছেন।
উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা সিরাজুল ইসলাম বলেন, "বিষয়টি এখনও আমার জানা নেই। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, "ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।"
পটুয়াখালীর বাউফল পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিন স্থানীয় সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজসংলগ্ন একটি বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তাদের হেফাজত থেকে বেশকিছু দেশীয় অস্ত্র, মাদক এবং মাদক সেবনের উপহরণ উদ্ধার করেছে এসআই মু. ফরাদুজ্জামানের নেতৃত্বতাধীন টিম।
পুলিশ জানিয়েছে, আটক তিন যুবক কালাইয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের আক্কেল আলী ভূঁইয়ার ছেলে মোহন ভূঁইয়া (৩৫), একই গ্রামের আব্দুল কালামের ছেলে নুর ইসলাম (২৫) এবং পার্শ্ববর্তী দশমিনা উপজেলার চর হোসনাবাদের শাহ আলমের ছেলে শাকি (২৪) দীর্ঘদিন ধরে একত্রিত হয়ে এলাকাভিত্তিক সন্ত্রাস করাসহ মাদক ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাউফলের কালাইয়া ইউনিয়নের ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজসংলগ্ন একটি বাসা তাদের আটক করা হয়, স্থানটিকে মাদকের ডেরা হিসেবে বিবেচিত করে পুলিশ।
অভিযানে নেতৃত্বদানকারী বাউফল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মু. ফরহাদুজ্জামান নবীন এবং এসআই ইব্রাহিম মোল্লা বরিশালটাইমসকে জানান, চিহ্নিত তিন সন্ত্রাসীর কাছ থেকে দুটি দেশীয় দা, দুটি ধারালো রামদা, তিনটি কাঁচি, দুটি হাতুড়ি, ২৫ গ্রাম গাঁজা, ২০ পিস ইয়াবা এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধার করা হয়। তবে তাদের মধ্যেকার মোহন ভূঁইয়া মাদক বিক্রেতা এবং বাকি দুজন নুর ইসলাম, শাকিল তার কাছ থেকে মাদক সংগ্রহের উদ্দেশে এসেছিলেন।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বাউফল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলছেন, তিন যুবকই মাদক ক্রয়-বিক্রয়সহ বহুমুখী অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত এবং তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগও ছিল। বৃহস্পতিবার গোপন সংবাদে তাদের আটক করা হয়। এই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেছেন।’
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের রেকর্ডভুক্ত জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নুরুজ্জামান কাফির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় রাস্তা নির্মাণে বাধা দেওয়ায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর রহিমকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে, এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নুরুজ্জামান কাফি।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা গেছে, প্রায় এক সপ্তাহ আগে নিজের কেনা জমিতে প্রবেশের জন্য কাফি ওই রাস্তা নির্মাণ করেন। নুরুজ্জামান কাফি ২০২৬ সালের ২৪ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেন। তিনি উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের রজপাড়া গ্রামের শিক্ষক হাবিবুর রহমানের ছেলে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৫৪ সালে রজপাড়া মৌজার খঞ্জন আলী হাওলাদারের কাছ থেকে ৩ একর ৩৩ শতাংশ, ১৯৫৯ সালে মোবারক আলীর কাছ থেকে ৩ একর ৩৩ শতাংশ, ১৯৬৭ সালে এডিএফসি ব্যাংকের নিলাম থেকে ২৯ একর ১৮ শতাংশ এবং পরবর্তী সময়ে আরও কয়েকজন মালিকের কাছ থেকে ৪ একর ৮০ শতাংশ জমি ক্রয় করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এসব জমি দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয় ভোগদখল করে আসছে।
মোট ৪০ একর ৬৪ শতাংশ জমির মধ্যে রজপাড়া মৌজার জেএল নম্বর-৯-এর বিএস ১২ নম্বর খতিয়ানভুক্ত ২১ একর ৭৬ শতাংশ জমির খাজনা ১৪৩২ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত পরিশোধ করা হয়েছে। ২০১৮ সালে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণের পর সরকারি বিধি অনুযায়ী এসব জমি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের নামে দলিল করা হয়।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, গত সপ্তাহে ওই জমির মধ্যে সিক্স লেন সড়কের উত্তর পাশে প্রায় ৬ শতাংশ জমি দখল করে নুরুজ্জামান কাফি রাস্তা নির্মাণ করেন। ওই জমির পাশেই কাফির মালিকানাধীন জমি রয়েছে। সেখানে যাতায়াতের পথ না থাকায় তিনি রাস্তা নির্মাণ করেন বলে জানা গেছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর রহিম বলেন, প্রায় এক সপ্তাহ আগে রাতের আঁধারে নুরুজ্জামান কাফি বিদ্যালয়ের জমির প্রায় ৬ শতাংশ অংশ দখল করে রাস্তা নির্মাণ করেন। আমরা বাধা দিতে গেলে আমাদের জীবননাশের হুমকি দেওয়া হয়। জমি উদ্ধারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
অভিযোগ অস্বীকার করে নুরুজ্জামান কাফি সাংবাদিকদের বলেন, সবাই বলে ওই জমি খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এবং দীর্ঘদিন ধরে তারা ভোগদখলে আছে। আমার কেনা জমিটি ওই জমির পেছনে, কিন্তু সেখানে যাওয়ার কোনো রাস্তা নেই। তাই প্রথমে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর রহিম স্যারের কাছে জমিটি কেনার প্রস্তাব দিই। তিনি জানান, বিদ্যালয়ের জমি বিক্রির এখতিয়ার তার নেই এবং শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।
তিনি আরও বলেন, পরে জানতে পারি, মোবারক পঞ্চায়েতের নাতি সালাউদ্দিন নয়ন পাহলানসহ উত্তরাধিকারীরা মামলায় উচ্চ আদালত থেকে রায় পেয়েছেন। এরপর তাদের কাছ থেকে ৬ শতাংশ জমি বায়না চুক্তির মাধ্যমে কিনে দখল বুঝে নিই। পরে ওই জমিতে রাস্তা নির্মাণ করি। আমি কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি নই যে অন্যের জমি দখল করব। প্রকৃত মালিকের কাছ থেকেই জমি কিনেছি। আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে।
এ বিষয়ে সালাউদ্দিন নয়ন পাহলান সাংবাদিকদের বলেন, আমার দাদা মোবারক পঞ্চায়েতের ২৯ একর জমি নিয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রায় ৩০ বছর ধরে মামলা চলছিল। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মালিকানা দাবি করলেও আদালতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করতে পারেনি। পরে পটুয়াখালী আদালত এবং ২০২৫ সালের জুনে সুপ্রিম কোর্ট আমাদের পক্ষে রায় দেন।
তিনি দাবি করেন, পরবর্তীতে নুরুজ্জামান কাফির যাতায়াতের জন্য ৬ শতাংশ জমি বায়না চুক্তির মাধ্যমে তার কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর তিনি সেখানে রাস্তা নির্মাণ করেন। আদালতের রায় অনুযায়ী ওই জমির প্রকৃত মালিক আমরা উত্তরাধিকারীরা। তাই রাস্তা নির্মাণে বাধা দেওয়ার আইনগত ভিত্তি নেই।
তথ্যসূত্র: বাংলাভিশন।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের রেকর্ডভুক্ত জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নুরুজ্জামান কাফির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় রাস্তা নির্মাণে বাধা দেওয়ায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর রহিমকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে, এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নুরুজ্জামান কাফি।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা গেছে, প্রায় এক সপ্তাহ আগে নিজের কেনা জমিতে প্রবেশের জন্য কাফি ওই রাস্তা নির্মাণ করেন। নুরুজ্জামান কাফি ২০২৬ সালের ২৪ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেন। তিনি উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের রজপাড়া গ্রামের শিক্ষক হাবিবুর রহমানের ছেলে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৫৪ সালে রজপাড়া মৌজার খঞ্জন আলী হাওলাদারের কাছ থেকে ৩ একর ৩৩ শতাংশ, ১৯৫৯ সালে মোবারক আলীর কাছ থেকে ৩ একর ৩৩ শতাংশ, ১৯৬৭ সালে এডিএফসি ব্যাংকের নিলাম থেকে ২৯ একর ১৮ শতাংশ এবং পরবর্তী সময়ে আরও কয়েকজন মালিকের কাছ থেকে ৪ একর ৮০ শতাংশ জমি ক্রয় করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এসব জমি দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয় ভোগদখল করে আসছে।
মোট ৪০ একর ৬৪ শতাংশ জমির মধ্যে রজপাড়া মৌজার জেএল নম্বর-৯-এর বিএস ১২ নম্বর খতিয়ানভুক্ত ২১ একর ৭৬ শতাংশ জমির খাজনা ১৪৩২ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত পরিশোধ করা হয়েছে। ২০১৮ সালে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণের পর সরকারি বিধি অনুযায়ী এসব জমি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের নামে দলিল করা হয়।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, গত সপ্তাহে ওই জমির মধ্যে সিক্স লেন সড়কের উত্তর পাশে প্রায় ৬ শতাংশ জমি দখল করে নুরুজ্জামান কাফি রাস্তা নির্মাণ করেন। ওই জমির পাশেই কাফির মালিকানাধীন জমি রয়েছে। সেখানে যাতায়াতের পথ না থাকায় তিনি রাস্তা নির্মাণ করেন বলে জানা গেছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর রহিম বলেন, প্রায় এক সপ্তাহ আগে রাতের আঁধারে নুরুজ্জামান কাফি বিদ্যালয়ের জমির প্রায় ৬ শতাংশ অংশ দখল করে রাস্তা নির্মাণ করেন। আমরা বাধা দিতে গেলে আমাদের জীবননাশের হুমকি দেওয়া হয়। জমি উদ্ধারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
অভিযোগ অস্বীকার করে নুরুজ্জামান কাফি সাংবাদিকদের বলেন, সবাই বলে ওই জমি খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এবং দীর্ঘদিন ধরে তারা ভোগদখলে আছে। আমার কেনা জমিটি ওই জমির পেছনে, কিন্তু সেখানে যাওয়ার কোনো রাস্তা নেই। তাই প্রথমে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর রহিম স্যারের কাছে জমিটি কেনার প্রস্তাব দিই। তিনি জানান, বিদ্যালয়ের জমি বিক্রির এখতিয়ার তার নেই এবং শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।
তিনি আরও বলেন, পরে জানতে পারি, মোবারক পঞ্চায়েতের নাতি সালাউদ্দিন নয়ন পাহলানসহ উত্তরাধিকারীরা মামলায় উচ্চ আদালত থেকে রায় পেয়েছেন। এরপর তাদের কাছ থেকে ৬ শতাংশ জমি বায়না চুক্তির মাধ্যমে কিনে দখল বুঝে নিই। পরে ওই জমিতে রাস্তা নির্মাণ করি। আমি কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি নই যে অন্যের জমি দখল করব। প্রকৃত মালিকের কাছ থেকেই জমি কিনেছি। আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে।
এ বিষয়ে সালাউদ্দিন নয়ন পাহলান সাংবাদিকদের বলেন, আমার দাদা মোবারক পঞ্চায়েতের ২৯ একর জমি নিয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রায় ৩০ বছর ধরে মামলা চলছিল। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মালিকানা দাবি করলেও আদালতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করতে পারেনি। পরে পটুয়াখালী আদালত এবং ২০২৫ সালের জুনে সুপ্রিম কোর্ট আমাদের পক্ষে রায় দেন।
তিনি দাবি করেন, পরবর্তীতে নুরুজ্জামান কাফির যাতায়াতের জন্য ৬ শতাংশ জমি বায়না চুক্তির মাধ্যমে তার কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর তিনি সেখানে রাস্তা নির্মাণ করেন। আদালতের রায় অনুযায়ী ওই জমির প্রকৃত মালিক আমরা উত্তরাধিকারীরা। তাই রাস্তা নির্মাণে বাধা দেওয়ার আইনগত ভিত্তি নেই।
তথ্যসূত্র: বাংলাভিশন।
১৮ জুলাই, ২০২৬ ০২:৩৩
১৭ জুলাই, ২০২৬ ২০:৩৭
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১৮:০৮
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১৪:১৭