ছবি: সংগ্রহীত
গ্যাস না পেয়ে ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে ময়মনসিংহের ভালুকা ও ত্রিশালে দুইবার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেছেন সিএনজি চালকেরা। এতে আধাঘণ্টা করে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে ভালুকা পৌর শহরের এসএনএস সিএনজি পাম্পের সামনে এবং আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ত্রিশালে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন সিএনজি চালকেরা।
ভরাডোবা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলম বলেন, ভালুকা পৌর শহরের এসএনএস সিএনজি পাম্পে গ্যাস না পেয়ে সিএনজি চালকেরা গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি।
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, রাত ১০টার দিকে খবর আসে, গ্যাস না পেয়ে এসএনএস সিএনজি পাম্পের সামনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেছেন সিএনজি চালকেরা। এমন খবরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি, ২০-২৫ জন সিএনজি চালক মহাসড়কের মাঝখানে একটি সিএনজি দাঁড় করিয়ে সড়ক অবরোধ করে রেখেছেন। পরে আমি জানতে চাই—কারা সড়ক অবরোধ করেছেন? তখন কেউ কোনো কথা বলেননি। এমতাবস্থায় আমি ও পুলিশের অন্যান্য সদস্যরা সিএনজিটি সড়ক থেকে সরিয়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, এসএনএস পাম্পে গ্যাস ছিল না। তাই সিএনজি চালকেরা মহাসড়ক অবরোধ করেন।
এদিকে, আজ বুধবার সকাল ১০টার দিকে জেলার ত্রিশাল উপজেলায় সিএনজি চালকেরা নিরবচ্ছিন্ন গ্যাসের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন। এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে আধাঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের কাকচর রোডের মাথায় গাড়ি থামিয়ে সড়ক অবরোধ করেন সিএনজি চালকেরা। ফলে মহাসড়কের পূর্ব পাশে সব যানবাহন আটকে যায় এবং যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
সিএনজি চালকেরা জানান, সিএনজিতে নামমাত্র গ্যাস দেওয়া হচ্ছে। এক থেকে দুই ট্রিপ মারার পর আবার গ্যাস শেষ হয়ে যায়। অথচ একবার গ্যাস নিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। এমতাবস্থায় আমাদের পরিবারের খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এক বেলা খাই তো, আরেক বেলা না খেয়ে থাকতে হয়।
এ বিষয়ে ত্রিশাল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. তালেব বলেন, মাত্র কিছুক্ষণ যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরে আমি এবং টিআই সাইফুল ইসলাম মিলে যান চলাচল স্বাভাবিক করি।

০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:১৩
দেশের গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বর্তমান সংকটকে দীর্ঘস্থায়ী হতে দেওয়া হবে না। বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে তৈরি হওয়া এই সংকট মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আগামী এক থেকে দেড় সপ্তাহের মধ্যে মিল-কারখানাগুলোতে পর্যাপ্ত গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে তিনি এ কথা জানান।
রিজভী বলেন, বর্তমান জ্বালানি সংকট কেবল সরকারের কারণে সৃষ্টি হয়নি, এর পেছনে বৈশ্বিক বিভিন্ন কারণ রয়েছে। তবে সংকট নিরসনে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে শিল্পকারখানাগুলোতে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, মহেশখালীর গ্যাস টার্মিনালের পরিস্থিতি ইতোমধ্যে অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। শিগগিরই দেশের গ্যাস সংকটেরও নিরসন হবে। শিল্প ও কলকারখানাগুলো যাতে পর্যাপ্ত জ্বালানি পায়, সেই বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, আশা করছি, এর ফলে শিল্প উৎপাদন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে বিদ্যমান সংকটও ধীরে ধীরে কমে আসবে।
রিজভী বলেন, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার জন্য সরকার ৪০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ ও কার্যক্রম গ্রহণ করছে।
দেশের গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বর্তমান সংকটকে দীর্ঘস্থায়ী হতে দেওয়া হবে না। বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে তৈরি হওয়া এই সংকট মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আগামী এক থেকে দেড় সপ্তাহের মধ্যে মিল-কারখানাগুলোতে পর্যাপ্ত গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে তিনি এ কথা জানান।
রিজভী বলেন, বর্তমান জ্বালানি সংকট কেবল সরকারের কারণে সৃষ্টি হয়নি, এর পেছনে বৈশ্বিক বিভিন্ন কারণ রয়েছে। তবে সংকট নিরসনে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে শিল্পকারখানাগুলোতে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, মহেশখালীর গ্যাস টার্মিনালের পরিস্থিতি ইতোমধ্যে অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। শিগগিরই দেশের গ্যাস সংকটেরও নিরসন হবে। শিল্প ও কলকারখানাগুলো যাতে পর্যাপ্ত জ্বালানি পায়, সেই বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, আশা করছি, এর ফলে শিল্প উৎপাদন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে বিদ্যমান সংকটও ধীরে ধীরে কমে আসবে।
রিজভী বলেন, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার জন্য সরকার ৪০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ ও কার্যক্রম গ্রহণ করছে।

০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২৫
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে পুলিশের ওসিসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শ্রীনগর জমজম টাওয়ার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় জমজম টাওয়ার এলাকা থেকে একপক্ষের পূর্বনির্ধারিত আনন্দ মিছিলের কর্মসূচি ছিল। সকালে সেখানে নেতাকর্মীরা জড়ো হতে শুরু করেন। এ সময় আরেকপক্ষের কয়েকজন অনুসারী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় মোটরসাইকেল ভাঙচুর, ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে শ্রীনগর থানার ওসি (তদন্ত) মিল্টন দত্তসহ ১০ জন আহত হন।
আরও জানা যায়, দলটির কেন্দ্রীয় বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু ও মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) শেখ আব্দুল্লাহর অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় আহতদের মধ্যে ৪ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা ভর্তি রয়েছেন।
জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার পারভেজ বলেন, দুপক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও উত্তেজনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পরে দুপক্ষকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের সময় ওসি (তদন্ত) মিল্টন দত্ত চোখে আঘাত পেয়েছেন।
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে পুলিশের ওসিসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শ্রীনগর জমজম টাওয়ার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় জমজম টাওয়ার এলাকা থেকে একপক্ষের পূর্বনির্ধারিত আনন্দ মিছিলের কর্মসূচি ছিল। সকালে সেখানে নেতাকর্মীরা জড়ো হতে শুরু করেন। এ সময় আরেকপক্ষের কয়েকজন অনুসারী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় মোটরসাইকেল ভাঙচুর, ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে শ্রীনগর থানার ওসি (তদন্ত) মিল্টন দত্তসহ ১০ জন আহত হন।
আরও জানা যায়, দলটির কেন্দ্রীয় বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু ও মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) শেখ আব্দুল্লাহর অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় আহতদের মধ্যে ৪ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা ভর্তি রয়েছেন।
জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার পারভেজ বলেন, দুপক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও উত্তেজনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পরে দুপক্ষকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের সময় ওসি (তদন্ত) মিল্টন দত্ত চোখে আঘাত পেয়েছেন।

২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২১:১৫
২০১০ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশে ১৯ হাজার ৬৪১ জনকে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সংসদে জামালপুর-৫ আসনের সরকারি দলের সদস্য শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন জানতে চান, ২০১০ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কতজনকে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে এবং এর বছরওয়ারী হিসাব কী।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ওই সময়ে মোট ১৯ হাজার ৬৪১ জনকে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে শটগানের লাইসেন্স ৭ হাজার ৩০৮টি, পিস্তলের ৫ হাজার ৩৪৭টি, রিভলবারের ৫৯৪টি, রাইফেলের ৯৪৮টি এবং অন্যান্য ধরনের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স রয়েছে ৫ হাজার ৪৪৪টি।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ২০১০ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রদানের বছরওয়ারী হিসাব দেশের ৬৪টি জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কার্যালয় থেকে সংগ্রহ করে পাঠাতে হবে। এ কারণে প্রয়োজনীয় সময় লাগায় বর্তমানে প্রশ্নটির আংশিক উত্তর দেওয়া হয়েছে।
২০১০ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশে ১৯ হাজার ৬৪১ জনকে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সংসদে জামালপুর-৫ আসনের সরকারি দলের সদস্য শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন জানতে চান, ২০১০ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কতজনকে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে এবং এর বছরওয়ারী হিসাব কী।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ওই সময়ে মোট ১৯ হাজার ৬৪১ জনকে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে শটগানের লাইসেন্স ৭ হাজার ৩০৮টি, পিস্তলের ৫ হাজার ৩৪৭টি, রিভলবারের ৫৯৪টি, রাইফেলের ৯৪৮টি এবং অন্যান্য ধরনের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স রয়েছে ৫ হাজার ৪৪৪টি।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ২০১০ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রদানের বছরওয়ারী হিসাব দেশের ৬৪টি জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কার্যালয় থেকে সংগ্রহ করে পাঠাতে হবে। এ কারণে প্রয়োজনীয় সময় লাগায় বর্তমানে প্রশ্নটির আংশিক উত্তর দেওয়া হয়েছে।

০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:৩৫
গ্যাস না পেয়ে ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে ময়মনসিংহের ভালুকা ও ত্রিশালে দুইবার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেছেন সিএনজি চালকেরা। এতে আধাঘণ্টা করে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে ভালুকা পৌর শহরের এসএনএস সিএনজি পাম্পের সামনে এবং আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ত্রিশালে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন সিএনজি চালকেরা।
ভরাডোবা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলম বলেন, ভালুকা পৌর শহরের এসএনএস সিএনজি পাম্পে গ্যাস না পেয়ে সিএনজি চালকেরা গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি।
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, রাত ১০টার দিকে খবর আসে, গ্যাস না পেয়ে এসএনএস সিএনজি পাম্পের সামনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেছেন সিএনজি চালকেরা। এমন খবরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি, ২০-২৫ জন সিএনজি চালক মহাসড়কের মাঝখানে একটি সিএনজি দাঁড় করিয়ে সড়ক অবরোধ করে রেখেছেন। পরে আমি জানতে চাই—কারা সড়ক অবরোধ করেছেন? তখন কেউ কোনো কথা বলেননি। এমতাবস্থায় আমি ও পুলিশের অন্যান্য সদস্যরা সিএনজিটি সড়ক থেকে সরিয়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, এসএনএস পাম্পে গ্যাস ছিল না। তাই সিএনজি চালকেরা মহাসড়ক অবরোধ করেন।
এদিকে, আজ বুধবার সকাল ১০টার দিকে জেলার ত্রিশাল উপজেলায় সিএনজি চালকেরা নিরবচ্ছিন্ন গ্যাসের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন। এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে আধাঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের কাকচর রোডের মাথায় গাড়ি থামিয়ে সড়ক অবরোধ করেন সিএনজি চালকেরা। ফলে মহাসড়কের পূর্ব পাশে সব যানবাহন আটকে যায় এবং যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
সিএনজি চালকেরা জানান, সিএনজিতে নামমাত্র গ্যাস দেওয়া হচ্ছে। এক থেকে দুই ট্রিপ মারার পর আবার গ্যাস শেষ হয়ে যায়। অথচ একবার গ্যাস নিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। এমতাবস্থায় আমাদের পরিবারের খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এক বেলা খাই তো, আরেক বেলা না খেয়ে থাকতে হয়।
এ বিষয়ে ত্রিশাল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. তালেব বলেন, মাত্র কিছুক্ষণ যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরে আমি এবং টিআই সাইফুল ইসলাম মিলে যান চলাচল স্বাভাবিক করি।