আওয়ামী লীগ গত ১৭ বছরে দেশের অর্থনীতির কোমর ভেঙে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। আজ (বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভোলায় নতুন বাজার চত্বরে আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
আন্দালিব রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন সময়ে দেশের দায়িত্ব নিয়েছেন। এ সংকট থেকে দেশকে ঘুরে দাঁড় করাতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’
ভোলা-বরিশাল সেতু প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘ভোলা-বরিশাল সেতু ভোলার প্রত্যেক মানুষের দাবি। এ দাবিতে আমরা সবাই আন্দোলন করেছি এবং সংসদেও সেতুর দাবি তুলেছি। সরকার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। কিছু মানুষ বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। তারা বলতে চাচ্ছেন, আমরা সেতু চাই না। বাস্তবতা তা নয়। ভোলার মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না, বিভক্তি সৃষ্টি করবেন না।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার হিজলা-মুলাদী হয়ে শরীয়তপুর দিয়ে সরাসরি ঢাকা যাওয়ার বিকল্প পথটিও বিবেচনা করছে। এতে প্রায় ৪০ মিনিট সময় কম লাগতে পারে। ভোলার জন্য কোনটি ভালো হবে, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে ভোলার মানুষের দাবিও আমরা তুলে ধরতে থাকবো।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিকল্প সড়ক নির্মাণেও প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। শুধু ভোলার জন্যই প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিতে হচ্ছে। গত ছয় মাসে ৩০০ আসনের মধ্যে এমন একটি আসন দেখান, যেখানে ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ আনা সম্ভব হয়েছে।’
নিজের দায়িত্ব প্রসঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, আমি সততার সঙ্গে সেই দায়িত্ব পালন করবো, ইনশা আল্লাহ।’
গণসংবর্ধনায় মন্ত্রী জানান, গত ১৮ বছরে তিনি কীভাবে রাজনীতি করেছেন, তা ভোলার মানুষ দেখেছেন। চাইলেও তিনি অনেক সুযোগ-সুবিধা নিতে পারতেন, কিন্তু কোনো লোভ-লালসায় পা দেননি। জীবনের প্রতিটি বিপদে ভোলার মানুষ তার পাশে ছিলেন।
তিনি বলেন, ‘বিগত নির্বাচনে অনেকে আমাকে ভোট দিয়েছেন, অনেকে দেননি। সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে ভোলার উন্নয়নে আপনারা সবাই আমাকে সহযোগিতা করুন। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ভোলার উন্নয়ন এগিয়ে নিতে হবে।’
অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে পার্থ বলেন, ‘এমপি হিসেবে গত ছয় মাসে তিনি কোনো অনিয়ম-দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেননি এবং ভবিষ্যতেও দেবেন না।’
তিনি বলেন, ‘আমার দল বা আমার নাম ব্যবহার করে কেউ অন্যায়, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলবাজি বা অনিয়ম করলে তারা আমার দলের লোক নয়। আমি টেন্ডারবাজি করি না, করার প্রশ্নই আসে না। টিআর-কাবিখা নিয়ে কেউ অনিয়ম করলে ইউএনও অফিসে লিখিত অভিযোগ করবেন। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
এসময় জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।’

২৪ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:২০
ভোলার লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজারে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে বাজারজাতকরণের উদ্দেশে মজুত করা বিপুল পরিমাণ অবৈধ সিগারেট জব্দ করেছে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের সদস্যরা।
সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. মো. সালমান বিন শওকত এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ভোলার লালমোহন উপজেলার পশ্চিম চর উম্মেদ ইউনিয়নের গজারিয়া বাজার সংলগ্ন এলাকার দুইটি গোডাউনে তল্লাশি করে ৩০ হাজার ৪০০ শলাকা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়।
লে. মো. সালমান বিন শওকত জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজার সংলগ্ন এলাকায় রবিবার রাত ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সন্দেহজনক দুইটি গোডাউন তল্লাশি করে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে বাজারজাতকরণের উদ্দেশ্যে মজুতকৃত প্রায় ৩ লক্ষ ৪৩ হাজার ২০০ টাকা মূল্যের ৩০ হাজার ৪০০ শলাকা, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি সিগারেট ও গাঁজা সেবন কাজে ব্যবহৃত প্রায় ৫২ হাজার ২০০ টাকা মূল্যের ৩৪৮ বান্ডেল রোলিং পেপার জব্দ করা হয়।
তিনি আরও জানান, এর সঙ্গে জড়িতরা কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়, তাদের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জব্দকৃত সিগারেট ও রোলিং পেপারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
ভোলার লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজারে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে বাজারজাতকরণের উদ্দেশে মজুত করা বিপুল পরিমাণ অবৈধ সিগারেট জব্দ করেছে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের সদস্যরা।
সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. মো. সালমান বিন শওকত এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ভোলার লালমোহন উপজেলার পশ্চিম চর উম্মেদ ইউনিয়নের গজারিয়া বাজার সংলগ্ন এলাকার দুইটি গোডাউনে তল্লাশি করে ৩০ হাজার ৪০০ শলাকা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়।
লে. মো. সালমান বিন শওকত জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজার সংলগ্ন এলাকায় রবিবার রাত ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সন্দেহজনক দুইটি গোডাউন তল্লাশি করে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে বাজারজাতকরণের উদ্দেশ্যে মজুতকৃত প্রায় ৩ লক্ষ ৪৩ হাজার ২০০ টাকা মূল্যের ৩০ হাজার ৪০০ শলাকা, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি সিগারেট ও গাঁজা সেবন কাজে ব্যবহৃত প্রায় ৫২ হাজার ২০০ টাকা মূল্যের ৩৪৮ বান্ডেল রোলিং পেপার জব্দ করা হয়।
তিনি আরও জানান, এর সঙ্গে জড়িতরা কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়, তাদের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জব্দকৃত সিগারেট ও রোলিং পেপারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বরিশাল টাইমস

১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:১২
ভোলার লালমোহন পৌরসভার ময়লা ফেলার স্থান নিয়ে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, হেলিকপ্টার ওঠানামার জন্য ব্যবহৃত লালমোহন হেলিপ্যাডের উপরেই এখন ময়লা ফেলা হচ্ছে। পৌর প্রশাসকের নির্দেশেই এই কাজ হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
সরেজমিনে দেখা যায়, হেলিপ্যাডের পুরো এলাকাজুড়ে স্তূপ হয়ে আছে ময়লা। তীব্র দুর্গন্ধে আশপাশের বাসা-বাড়ি ও পথচারীদের নাভিশ্বাস উঠেছে। ময়লার আকর্ষণে প্রতিদিন কয়েক দল কুকুর জড়ো হচ্ছে। গত কয়েকদিনে কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছেন ৩ জন। আক্রান্ত হচ্ছে এলাকার গরু, ছাগল ও হাঁস-মুরগীও।
হেলিপ্যাড এলাকার বাসিন্দা মো. শফিউল্যাহ, হাছানোজ্জামান ও রাশেদা বেগম বলেন, যেখানে জরুরি প্রয়োজনে হেলিকপ্টার নামে, সেখানে ময়লা ফেলা কতটা যৌক্তিক? গন্ধে থাকা যায় না। কুকুরের ভয়ে ঘর থেকে বের হওয়া দায়।
স্থানীয় বাসিন্দা সাজু চৌধুরী জানান, "ফজরের নামাজে মসজিদে যেতেও কুকুরের ভয়ে আতঙ্কে থাকতে হয়।"
তারা আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে কয়েকবার লালমোহন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসকের কাছে লিখিত-মৌখিক অনুরোধ করা হলেও কোনো প্রতিকার মেলেনি।
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেও পৌরসভা হেলিপ্যাডের পাশের ব্যস্ত মহাসড়কে ময়লা ফেলছিল। তখন সংবাদ প্রকাশের পর তা বন্ধ হয়।
এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, হেলিপ্যাডে ময়লা ফেলার সুযোগ নেই। আমরাও চাই না। কিন্তু পৌরসভার নিজস্ব ডাম্পিং স্টেশন নেই। বাধ্য হয়ে সাময়িকভাবে এখানে ফেলতে হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, ময়লা ফেলার জন্য জমি ক্রয় ও ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের প্রস্তাব গত মাসে মন্ত্রণালয় থেকে বাতিল হয়েছে। সরকারি খাসজমি চিহ্নিত করে পুনরায় প্রস্তাব পাঠানোর কাজ চলছে।
প্রথম শ্রেণির লালমোহন পৌরসভার ময়লা ফেলার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নির্দিষ্ট ডাম্পিং স্টেশনের দাবি জানিয়ে আসছে পৌরবাসী। সাবেক প্রশাসক মো. শাহ আজিজ এ বিষয়ে জমি কেনার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে হেলিপ্যাডে ময়লা ফেলা বন্ধ ও স্তূপকৃত ময়লা অপসারণ এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে পৌরসভার জন্য স্থায়ী ডাম্পিং স্টেশন নির্ধারণ করা জরুরি ।
ভোলার লালমোহন পৌরসভার ময়লা ফেলার স্থান নিয়ে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, হেলিকপ্টার ওঠানামার জন্য ব্যবহৃত লালমোহন হেলিপ্যাডের উপরেই এখন ময়লা ফেলা হচ্ছে। পৌর প্রশাসকের নির্দেশেই এই কাজ হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
সরেজমিনে দেখা যায়, হেলিপ্যাডের পুরো এলাকাজুড়ে স্তূপ হয়ে আছে ময়লা। তীব্র দুর্গন্ধে আশপাশের বাসা-বাড়ি ও পথচারীদের নাভিশ্বাস উঠেছে। ময়লার আকর্ষণে প্রতিদিন কয়েক দল কুকুর জড়ো হচ্ছে। গত কয়েকদিনে কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছেন ৩ জন। আক্রান্ত হচ্ছে এলাকার গরু, ছাগল ও হাঁস-মুরগীও।
হেলিপ্যাড এলাকার বাসিন্দা মো. শফিউল্যাহ, হাছানোজ্জামান ও রাশেদা বেগম বলেন, যেখানে জরুরি প্রয়োজনে হেলিকপ্টার নামে, সেখানে ময়লা ফেলা কতটা যৌক্তিক? গন্ধে থাকা যায় না। কুকুরের ভয়ে ঘর থেকে বের হওয়া দায়।
স্থানীয় বাসিন্দা সাজু চৌধুরী জানান, "ফজরের নামাজে মসজিদে যেতেও কুকুরের ভয়ে আতঙ্কে থাকতে হয়।"
তারা আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে কয়েকবার লালমোহন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসকের কাছে লিখিত-মৌখিক অনুরোধ করা হলেও কোনো প্রতিকার মেলেনি।
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেও পৌরসভা হেলিপ্যাডের পাশের ব্যস্ত মহাসড়কে ময়লা ফেলছিল। তখন সংবাদ প্রকাশের পর তা বন্ধ হয়।
এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, হেলিপ্যাডে ময়লা ফেলার সুযোগ নেই। আমরাও চাই না। কিন্তু পৌরসভার নিজস্ব ডাম্পিং স্টেশন নেই। বাধ্য হয়ে সাময়িকভাবে এখানে ফেলতে হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, ময়লা ফেলার জন্য জমি ক্রয় ও ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের প্রস্তাব গত মাসে মন্ত্রণালয় থেকে বাতিল হয়েছে। সরকারি খাসজমি চিহ্নিত করে পুনরায় প্রস্তাব পাঠানোর কাজ চলছে।
প্রথম শ্রেণির লালমোহন পৌরসভার ময়লা ফেলার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নির্দিষ্ট ডাম্পিং স্টেশনের দাবি জানিয়ে আসছে পৌরবাসী। সাবেক প্রশাসক মো. শাহ আজিজ এ বিষয়ে জমি কেনার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে হেলিপ্যাডে ময়লা ফেলা বন্ধ ও স্তূপকৃত ময়লা অপসারণ এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে পৌরসভার জন্য স্থায়ী ডাম্পিং স্টেশন নির্ধারণ করা জরুরি ।

১৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৪০
ভরা মৌসুমেও ভোলার তজুমদ্দিনে মেঘনা নদীতে আশানুরূপ ইলিশ না পাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন উপজেলার কয়েক হাজার জেলে। দিনের পর দিন নদীতে জাল ফেলেও কাক্সিক্ষত মাছ না পাওয়ায় অনেক জেলে পরিবারে দেখা দিয়েছে অভাব-অনটন। আয়-রোজগার কমে যাওয়ায় অনেকের দিন কাটছে অর্ধাহার-অনাহারে।
উপজেলার শশীগঞ্জ, চৌমুহনী, গুরিন্দা ও মেঘনা তীরবর্তী বিভিন্ন ঘাট ঘুরে জেলে ও মাছ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্ষার শুরু থেকেই নদীতে ইলিশের সরবরাহ অনেক কম। যে অল্প কিছু মাছ ধরা পড়ছে, তা দিয়ে ট্রলারের জ্বালানি, বরফ ও নৌকার মাল্লাদের খরচই উঠছে না। ফলে ধার-দেনা করে সংসার চালাতে বাধ্য হচ্ছেন উপজেলার অধিকাংশ জেলে পরিবার।
শশীগঞ্জ এলাকার জেলে নাসির উদ্দিন, মজির উদ্দিন, জেবল হকসহ কয়েকজন বলেন, সারাদিন নদীতে থেকেও জালে তেমন ইলিশ উঠছে না। যা পাই, তা বিক্রি করে নৌকার খরচও ওঠে না। পরিবারের খাবার জোগাড় করতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। মহাজনের কাছ থেকে দাদন নিয়ে নদীতে নামছি। কিন্তু মাছ না পাওয়ায় ঋণ শোধ করতে পারছি না। সংসারে অভাব লেগেই আছে। এমতাবস্থায় পেশা পরিবর্তন করা ছাড়া আর কোন পথ দেখছি না।
শশীগঞ্জ মাছঘাটের আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রুহুল আমিন খোকন বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ঘাটে ইলিশের আমদানি কম। এতে জেলে, আড়তদার ও ব্যবসায়ীÑসবাই ক্ষতির মুখে পড়েছেন। প্রতিদিন আড়তের খরচ পর্যন্ত হচ্ছে না মাছ বেচা-কেনা করে।
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আমির হোসেন বলেন, নদীর পরিবেশগত পরিবর্তন, স্রোতের তারতম্য ও আবহাওয়ার প্রভাবের কারণে অনেক সময় ইলিশের বিচরণে পরিবর্তন আসে। প্রচুর বর্ষা ও অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হলে আগামী দিনগুলোতে মেঘনা নদীতে ইলিশের আহরণ বাড়তে পারে।
ক্ষতিগ্রস্ত জেলেদের দাবি, দুর্দিনে নিবন্ধিত ও প্রকৃত জেলে পরিবারগুলোর জন্য দ্রুত খাদ্য সহায়তা, সহজ শর্তে ঋণ এবং বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। তা না হলে মেঘনাপাড়ের হাজারো জেলে পরিবারের জীবিকা আরও অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে।
ভরা মৌসুমেও ভোলার তজুমদ্দিনে মেঘনা নদীতে আশানুরূপ ইলিশ না পাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন উপজেলার কয়েক হাজার জেলে। দিনের পর দিন নদীতে জাল ফেলেও কাক্সিক্ষত মাছ না পাওয়ায় অনেক জেলে পরিবারে দেখা দিয়েছে অভাব-অনটন। আয়-রোজগার কমে যাওয়ায় অনেকের দিন কাটছে অর্ধাহার-অনাহারে।
উপজেলার শশীগঞ্জ, চৌমুহনী, গুরিন্দা ও মেঘনা তীরবর্তী বিভিন্ন ঘাট ঘুরে জেলে ও মাছ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্ষার শুরু থেকেই নদীতে ইলিশের সরবরাহ অনেক কম। যে অল্প কিছু মাছ ধরা পড়ছে, তা দিয়ে ট্রলারের জ্বালানি, বরফ ও নৌকার মাল্লাদের খরচই উঠছে না। ফলে ধার-দেনা করে সংসার চালাতে বাধ্য হচ্ছেন উপজেলার অধিকাংশ জেলে পরিবার।
শশীগঞ্জ এলাকার জেলে নাসির উদ্দিন, মজির উদ্দিন, জেবল হকসহ কয়েকজন বলেন, সারাদিন নদীতে থেকেও জালে তেমন ইলিশ উঠছে না। যা পাই, তা বিক্রি করে নৌকার খরচও ওঠে না। পরিবারের খাবার জোগাড় করতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। মহাজনের কাছ থেকে দাদন নিয়ে নদীতে নামছি। কিন্তু মাছ না পাওয়ায় ঋণ শোধ করতে পারছি না। সংসারে অভাব লেগেই আছে। এমতাবস্থায় পেশা পরিবর্তন করা ছাড়া আর কোন পথ দেখছি না।
শশীগঞ্জ মাছঘাটের আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রুহুল আমিন খোকন বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ঘাটে ইলিশের আমদানি কম। এতে জেলে, আড়তদার ও ব্যবসায়ীÑসবাই ক্ষতির মুখে পড়েছেন। প্রতিদিন আড়তের খরচ পর্যন্ত হচ্ছে না মাছ বেচা-কেনা করে।
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আমির হোসেন বলেন, নদীর পরিবেশগত পরিবর্তন, স্রোতের তারতম্য ও আবহাওয়ার প্রভাবের কারণে অনেক সময় ইলিশের বিচরণে পরিবর্তন আসে। প্রচুর বর্ষা ও অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হলে আগামী দিনগুলোতে মেঘনা নদীতে ইলিশের আহরণ বাড়তে পারে।
ক্ষতিগ্রস্ত জেলেদের দাবি, দুর্দিনে নিবন্ধিত ও প্রকৃত জেলে পরিবারগুলোর জন্য দ্রুত খাদ্য সহায়তা, সহজ শর্তে ঋণ এবং বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। তা না হলে মেঘনাপাড়ের হাজারো জেলে পরিবারের জীবিকা আরও অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে।

০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:০৩
আওয়ামী লীগ গত ১৭ বছরে দেশের অর্থনীতির কোমর ভেঙে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। আজ (বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভোলায় নতুন বাজার চত্বরে আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
আন্দালিব রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন সময়ে দেশের দায়িত্ব নিয়েছেন। এ সংকট থেকে দেশকে ঘুরে দাঁড় করাতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’
ভোলা-বরিশাল সেতু প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘ভোলা-বরিশাল সেতু ভোলার প্রত্যেক মানুষের দাবি। এ দাবিতে আমরা সবাই আন্দোলন করেছি এবং সংসদেও সেতুর দাবি তুলেছি। সরকার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। কিছু মানুষ বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। তারা বলতে চাচ্ছেন, আমরা সেতু চাই না। বাস্তবতা তা নয়। ভোলার মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না, বিভক্তি সৃষ্টি করবেন না।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার হিজলা-মুলাদী হয়ে শরীয়তপুর দিয়ে সরাসরি ঢাকা যাওয়ার বিকল্প পথটিও বিবেচনা করছে। এতে প্রায় ৪০ মিনিট সময় কম লাগতে পারে। ভোলার জন্য কোনটি ভালো হবে, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে ভোলার মানুষের দাবিও আমরা তুলে ধরতে থাকবো।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিকল্প সড়ক নির্মাণেও প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। শুধু ভোলার জন্যই প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিতে হচ্ছে। গত ছয় মাসে ৩০০ আসনের মধ্যে এমন একটি আসন দেখান, যেখানে ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ আনা সম্ভব হয়েছে।’
নিজের দায়িত্ব প্রসঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, আমি সততার সঙ্গে সেই দায়িত্ব পালন করবো, ইনশা আল্লাহ।’
গণসংবর্ধনায় মন্ত্রী জানান, গত ১৮ বছরে তিনি কীভাবে রাজনীতি করেছেন, তা ভোলার মানুষ দেখেছেন। চাইলেও তিনি অনেক সুযোগ-সুবিধা নিতে পারতেন, কিন্তু কোনো লোভ-লালসায় পা দেননি। জীবনের প্রতিটি বিপদে ভোলার মানুষ তার পাশে ছিলেন।
তিনি বলেন, ‘বিগত নির্বাচনে অনেকে আমাকে ভোট দিয়েছেন, অনেকে দেননি। সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে ভোলার উন্নয়নে আপনারা সবাই আমাকে সহযোগিতা করুন। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ভোলার উন্নয়ন এগিয়ে নিতে হবে।’
অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে পার্থ বলেন, ‘এমপি হিসেবে গত ছয় মাসে তিনি কোনো অনিয়ম-দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেননি এবং ভবিষ্যতেও দেবেন না।’
তিনি বলেন, ‘আমার দল বা আমার নাম ব্যবহার করে কেউ অন্যায়, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলবাজি বা অনিয়ম করলে তারা আমার দলের লোক নয়। আমি টেন্ডারবাজি করি না, করার প্রশ্নই আসে না। টিআর-কাবিখা নিয়ে কেউ অনিয়ম করলে ইউএনও অফিসে লিখিত অভিযোগ করবেন। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
এসময় জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।’