
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৩৯
সরকারি ডিউটি ফাঁকি দিয়ে বেসরকারি চেম্বারে রোগী দেখার অভিযোগে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেন, অভিযুক্ত চিকিৎসকের লাইসেন্স ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাও শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে অবহেলা বন্ধ করতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, জেলা সদর হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু) ডা. রাজেশ মজুমদার সরকারি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় গত ২৬ ফেব্রুয়ারি পার্শ্ববর্তী একটি বেসরকারি চেম্বারে রোগী দেখতে যান। এ সময় এক সাংবাদিকের ক্যামেরায় বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে সাংবাদিকের প্রশ্নের মুখে সরকারি দায়িত্ব পালন না করে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করার বিষয়টি সামনে আসে। ঘটনাটি সরকারের উচ্চপর্যায়ের নজরে আসার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে তিন ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, প্রথমত, সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা বিধিমালা অনুযায়ী কেন তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হবে না— সে বিষয়ে তিন দিনের মধ্যে জবাব দিতে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয়ত, চিকিৎসা সেবা প্রদান থেকে তাকে বিরত রাখতে তার চিকিৎসা লাইসেন্স ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। তৃতীয়ত, বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।
এখন থেকে যদি কোন সরকারি চিকিৎসক সরকারি সময়ে, বেসরকারিভাবে চিকিৎসা দেয় সেক্ষেত্রে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেম আমরা একই ধরনের ব্যবস্থা সবার জন্য গ্রহণ করব। সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় কোনো চিকিৎসক যদি ডিউটি ফাঁকি দিয়ে বাইরে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ধরনের কাজের নজরদারি করার জন্য কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ধরনের অনিয়ম ঠেকাতে বিভিন্ন স্থানে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। আমরা উদ্যোগ নিয়েছি, সব জায়গায় এটা কিছু গোপন ব্যাপারে আছে, কীভাবে উদ্যোগ নিচ্ছি এটা ডিসকাস করবো না। আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে উদ্যোগ নিয়েছি। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে গোয়েন্দা কার্যক্রমও চালানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, এর উদ্দেশ্য হচ্ছে সরকারি হাসপাতালে রোগীদের সেবা নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসকদের দায়িত্বশীলতা বাড়ানো। এ ঘটনা থেকে অন্যরা শিক্ষা নেবেন এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে অবহেলা করবেন না।
সরকারি হাসপাতালের আশপাশেই বেসরকারি হাসপাতাল গড়ে উঠছে এবং প্রতিনিয়ত সরকারি হাসপাতালে কর্মচারীরা রোগী ভাগিয়ে (তাড়িয়ে) দেয়। এক্ষেত্রে ডাক্তারদের সঙ্গে তাদের একটা সংযোগ আছে। এগুলো বন্ধে আপনারা কোনো উদ্যোগ নেবেন কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, আমি কারো ব্যক্তিগত প্র্যাকটিস বন্ধ করতে পারবো না। আমরা চিন্তা করতেছি কি করা যায়, কর্মচারীদের দৌরাত্ম্য কীভাবে বন্ধ করা যায়। এজন্য আমাদের সার্ভিসটা বেটার করে কীভাবে রোগী আটকে রাখা যায়, অল্প খরচে সেবা দেওয়া যায়।
সরকারি হাসপাতালের অবকাঠামো ও জনবল সংকটের কথাও তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীর তুলনায় চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ানের সংখ্যা এখনো কম। এই সংকট কাটাতে সরকার পর্যায়ক্রমে নতুন চিকিৎসক নিয়োগ দিচ্ছে এবং আরও জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে।
সরকারি ডিউটি ফাঁকি দিয়ে বেসরকারি চেম্বারে রোগী দেখার অভিযোগে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেন, অভিযুক্ত চিকিৎসকের লাইসেন্স ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাও শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে অবহেলা বন্ধ করতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, জেলা সদর হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু) ডা. রাজেশ মজুমদার সরকারি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় গত ২৬ ফেব্রুয়ারি পার্শ্ববর্তী একটি বেসরকারি চেম্বারে রোগী দেখতে যান। এ সময় এক সাংবাদিকের ক্যামেরায় বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে সাংবাদিকের প্রশ্নের মুখে সরকারি দায়িত্ব পালন না করে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করার বিষয়টি সামনে আসে। ঘটনাটি সরকারের উচ্চপর্যায়ের নজরে আসার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে তিন ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, প্রথমত, সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা বিধিমালা অনুযায়ী কেন তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হবে না— সে বিষয়ে তিন দিনের মধ্যে জবাব দিতে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয়ত, চিকিৎসা সেবা প্রদান থেকে তাকে বিরত রাখতে তার চিকিৎসা লাইসেন্স ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। তৃতীয়ত, বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।
এখন থেকে যদি কোন সরকারি চিকিৎসক সরকারি সময়ে, বেসরকারিভাবে চিকিৎসা দেয় সেক্ষেত্রে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেম আমরা একই ধরনের ব্যবস্থা সবার জন্য গ্রহণ করব। সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় কোনো চিকিৎসক যদি ডিউটি ফাঁকি দিয়ে বাইরে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ধরনের কাজের নজরদারি করার জন্য কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ধরনের অনিয়ম ঠেকাতে বিভিন্ন স্থানে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। আমরা উদ্যোগ নিয়েছি, সব জায়গায় এটা কিছু গোপন ব্যাপারে আছে, কীভাবে উদ্যোগ নিচ্ছি এটা ডিসকাস করবো না। আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে উদ্যোগ নিয়েছি। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে গোয়েন্দা কার্যক্রমও চালানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, এর উদ্দেশ্য হচ্ছে সরকারি হাসপাতালে রোগীদের সেবা নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসকদের দায়িত্বশীলতা বাড়ানো। এ ঘটনা থেকে অন্যরা শিক্ষা নেবেন এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে অবহেলা করবেন না।
সরকারি হাসপাতালের আশপাশেই বেসরকারি হাসপাতাল গড়ে উঠছে এবং প্রতিনিয়ত সরকারি হাসপাতালে কর্মচারীরা রোগী ভাগিয়ে (তাড়িয়ে) দেয়। এক্ষেত্রে ডাক্তারদের সঙ্গে তাদের একটা সংযোগ আছে। এগুলো বন্ধে আপনারা কোনো উদ্যোগ নেবেন কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, আমি কারো ব্যক্তিগত প্র্যাকটিস বন্ধ করতে পারবো না। আমরা চিন্তা করতেছি কি করা যায়, কর্মচারীদের দৌরাত্ম্য কীভাবে বন্ধ করা যায়। এজন্য আমাদের সার্ভিসটা বেটার করে কীভাবে রোগী আটকে রাখা যায়, অল্প খরচে সেবা দেওয়া যায়।
সরকারি হাসপাতালের অবকাঠামো ও জনবল সংকটের কথাও তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীর তুলনায় চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ানের সংখ্যা এখনো কম। এই সংকট কাটাতে সরকার পর্যায়ক্রমে নতুন চিকিৎসক নিয়োগ দিচ্ছে এবং আরও জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে।

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৫৮
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ শিশুকে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সরাসরি সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তিনি এ কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা ভোট দিয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। যারা ভোট দেননি তাদের জন্য কাজ করাও আমার দায়িত্ব। ইশতেহার অনুযায়ী সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। চলতি বর্ষা মৌসুমে দেড় কোটি বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপণ করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড দেওয়ার কারণে মূল্যস্ফীতির শঙ্কা নেই। এতে উল্টো প্রান্তিকের অর্থনীতি সচল হবে। আগামী ৩ মাসে আরও ৩০ হাজার ও ৪ বছরে আরও ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে।’
সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজকের কার্যসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্দিষ্ট ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর জন্য সংসদে একটি নির্দিষ্ট দিনে প্রশ্নোত্তর পর্ব আয়োজনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। বুধবার সংসদের মুলতবি অধিবেশনে বক্তব্যকালে এক সংসদ সদস্য এই প্রস্তাব দেন।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ শিশুকে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সরাসরি সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তিনি এ কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা ভোট দিয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। যারা ভোট দেননি তাদের জন্য কাজ করাও আমার দায়িত্ব। ইশতেহার অনুযায়ী সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। চলতি বর্ষা মৌসুমে দেড় কোটি বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপণ করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড দেওয়ার কারণে মূল্যস্ফীতির শঙ্কা নেই। এতে উল্টো প্রান্তিকের অর্থনীতি সচল হবে। আগামী ৩ মাসে আরও ৩০ হাজার ও ৪ বছরে আরও ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে।’
সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজকের কার্যসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্দিষ্ট ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর জন্য সংসদে একটি নির্দিষ্ট দিনে প্রশ্নোত্তর পর্ব আয়োজনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। বুধবার সংসদের মুলতবি অধিবেশনে বক্তব্যকালে এক সংসদ সদস্য এই প্রস্তাব দেন।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৫৫
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার মধ্যেও জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এপ্রিল মাসেও দেশে বর্তমান দামেই বিক্রি হবে জ্বালানি তেল। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে, সোমবার (৩০ মার্চ) সচিবালয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। ৩০ মার্চ পর্যন্ত সরকারি ভাণ্ডারে ১ লাখ ৩৩ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল মজুদ আছে। এ ছাড়া এপ্রিল মাসে আরো প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ফলে আসন্ন মাসে দেশে জ্বালানি সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই।
তিনি বলেন, ডিজেলের তুলনায় দেশে অকটেন ও পেট্রোলের ব্যবহার অনেকটা কম, যা ব্যবস্থাপনাকে সহজ করছে। জ্বালানি বিভাগের তথ্যমতে, দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৬৩ শতাংশই হলো ডিজেল। এই বিপুল পরিমাণ ডিজেল মূলত কৃষি সেচ ও গণপরিবহন খাতে ব্যবহৃত হয়। তাই ডিজেলের দাম ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার মধ্যেও জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এপ্রিল মাসেও দেশে বর্তমান দামেই বিক্রি হবে জ্বালানি তেল। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে, সোমবার (৩০ মার্চ) সচিবালয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। ৩০ মার্চ পর্যন্ত সরকারি ভাণ্ডারে ১ লাখ ৩৩ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল মজুদ আছে। এ ছাড়া এপ্রিল মাসে আরো প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ফলে আসন্ন মাসে দেশে জ্বালানি সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই।
তিনি বলেন, ডিজেলের তুলনায় দেশে অকটেন ও পেট্রোলের ব্যবহার অনেকটা কম, যা ব্যবস্থাপনাকে সহজ করছে। জ্বালানি বিভাগের তথ্যমতে, দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৬৩ শতাংশই হলো ডিজেল। এই বিপুল পরিমাণ ডিজেল মূলত কৃষি সেচ ও গণপরিবহন খাতে ব্যবহৃত হয়। তাই ডিজেলের দাম ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:০৪
পদত্যাগ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান। সোমবার (৩০ মার্চ) তিনি সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। সুপ্রিম কোর্ট সূত্র পদত্যাগপত্রটি গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বঙ্গভবনে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এর আগে বিচারপতি মো. রেজাউল হাসানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অসদাচরণসহ কয়েকটি বিষয় সামনে এনে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগ করেন শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম মজিবুল হক।
সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে বিষয়টি তদন্তের অনুরোধের পাশাপাশি অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংবিধানের আওতায় এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ারও সুপারিশ চাওয়া হয়।
অভিযোগে বলা হয়, বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ২০১০ ও ২০১১ সালের দুটি কম্পানি মামলার কার্যধারায় পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন। এক মামলায় সংশ্লিষ্ট সিনিয়র আইনজীবী উপস্থিত না থাকলেও রায়ে তার নামে যুক্তিতর্ক উল্লেখ করা হয়, যা পরে আপিল বিভাগে বাতিল হয়। অন্য মামলায় আবেদনকারীর স্ত্রীকে পক্ষ না করেই তার ১৩ লাখ শেয়ার বাতিল হয়, যা আবেদনকারীর দৃষ্টিতে ন্যায়বিচারের নীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থি।
পদত্যাগ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান। সোমবার (৩০ মার্চ) তিনি সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। সুপ্রিম কোর্ট সূত্র পদত্যাগপত্রটি গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বঙ্গভবনে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এর আগে বিচারপতি মো. রেজাউল হাসানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অসদাচরণসহ কয়েকটি বিষয় সামনে এনে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগ করেন শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম মজিবুল হক।
সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে বিষয়টি তদন্তের অনুরোধের পাশাপাশি অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংবিধানের আওতায় এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ারও সুপারিশ চাওয়া হয়।
অভিযোগে বলা হয়, বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ২০১০ ও ২০১১ সালের দুটি কম্পানি মামলার কার্যধারায় পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন। এক মামলায় সংশ্লিষ্ট সিনিয়র আইনজীবী উপস্থিত না থাকলেও রায়ে তার নামে যুক্তিতর্ক উল্লেখ করা হয়, যা পরে আপিল বিভাগে বাতিল হয়। অন্য মামলায় আবেদনকারীর স্ত্রীকে পক্ষ না করেই তার ১৩ লাখ শেয়ার বাতিল হয়, যা আবেদনকারীর দৃষ্টিতে ন্যায়বিচারের নীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪০
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩২
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৫