সরকারি ডিউটি ফাঁকি দিয়ে বেসরকারি চেম্বারে রোগী দেখার অভিযোগে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেন, অভিযুক্ত চিকিৎসকের লাইসেন্স ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাও শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে অবহেলা বন্ধ করতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, জেলা সদর হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু) ডা. রাজেশ মজুমদার সরকারি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় গত ২৬ ফেব্রুয়ারি পার্শ্ববর্তী একটি বেসরকারি চেম্বারে রোগী দেখতে যান। এ সময় এক সাংবাদিকের ক্যামেরায় বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে সাংবাদিকের প্রশ্নের মুখে সরকারি দায়িত্ব পালন না করে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করার বিষয়টি সামনে আসে। ঘটনাটি সরকারের উচ্চপর্যায়ের নজরে আসার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে তিন ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, প্রথমত, সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা বিধিমালা অনুযায়ী কেন তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হবে না— সে বিষয়ে তিন দিনের মধ্যে জবাব দিতে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয়ত, চিকিৎসা সেবা প্রদান থেকে তাকে বিরত রাখতে তার চিকিৎসা লাইসেন্স ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। তৃতীয়ত, বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।
এখন থেকে যদি কোন সরকারি চিকিৎসক সরকারি সময়ে, বেসরকারিভাবে চিকিৎসা দেয় সেক্ষেত্রে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেম আমরা একই ধরনের ব্যবস্থা সবার জন্য গ্রহণ করব। সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় কোনো চিকিৎসক যদি ডিউটি ফাঁকি দিয়ে বাইরে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ধরনের কাজের নজরদারি করার জন্য কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ধরনের অনিয়ম ঠেকাতে বিভিন্ন স্থানে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। আমরা উদ্যোগ নিয়েছি, সব জায়গায় এটা কিছু গোপন ব্যাপারে আছে, কীভাবে উদ্যোগ নিচ্ছি এটা ডিসকাস করবো না। আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে উদ্যোগ নিয়েছি। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে গোয়েন্দা কার্যক্রমও চালানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, এর উদ্দেশ্য হচ্ছে সরকারি হাসপাতালে রোগীদের সেবা নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসকদের দায়িত্বশীলতা বাড়ানো। এ ঘটনা থেকে অন্যরা শিক্ষা নেবেন এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে অবহেলা করবেন না।
সরকারি হাসপাতালের আশপাশেই বেসরকারি হাসপাতাল গড়ে উঠছে এবং প্রতিনিয়ত সরকারি হাসপাতালে কর্মচারীরা রোগী ভাগিয়ে (তাড়িয়ে) দেয়। এক্ষেত্রে ডাক্তারদের সঙ্গে তাদের একটা সংযোগ আছে। এগুলো বন্ধে আপনারা কোনো উদ্যোগ নেবেন কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, আমি কারো ব্যক্তিগত প্র্যাকটিস বন্ধ করতে পারবো না। আমরা চিন্তা করতেছি কি করা যায়, কর্মচারীদের দৌরাত্ম্য কীভাবে বন্ধ করা যায়। এজন্য আমাদের সার্ভিসটা বেটার করে কীভাবে রোগী আটকে রাখা যায়, অল্প খরচে সেবা দেওয়া যায়।
সরকারি হাসপাতালের অবকাঠামো ও জনবল সংকটের কথাও তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীর তুলনায় চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ানের সংখ্যা এখনো কম। এই সংকট কাটাতে সরকার পর্যায়ক্রমে নতুন চিকিৎসক নিয়োগ দিচ্ছে এবং আরও জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে।

১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ২৩:২৪
অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। আজ শনিবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ওই অভিযানের একটি ভিডিও আপলোড করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে পরে সামাজিকমাধ্যমে আলোচনা তৈরি হয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, নিজের নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-৬ আসনের গেন্ডারিয়া থানার ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের রেললাইন-সংলগ্ন বস্তিতে আকস্মিক অভিযানে যান প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। এ সময় আগ্নেয়াস্ত্র হাতে গাড়ি থেকে নেমে চিৎকার করে বলেন, ‘এই ধর ধর ধর...।’ পাশ থেকে আরেকজনকে বলতে শোনা যায়, ‘একেবারে গুলি করে দেব।’ প্রতিমন্ত্রীর দেহরক্ষীরা তখন দৌঁড়ে কয়েকজনকে ধরার চেষ্টা করেন। একজনকে লাথি মারেন এক দেহরক্ষী।
গেন্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান মনির সমকালকে জানান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ছয়জনকে আটক করে থানায় ফোন দেন। পরে পুলিশ সদস্যরা গিয়ে তাদের নিয়ে আসে। ওসি আরও বলেন, আটক ব্যক্তিদের কাছে সাদা পাউডারজাতীয় পদার্থ পাওয়া গেছে। সেগুলো হেরোইন কিনা, তা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
প্রদর্শিত পিস্তলটির লাইসেন্স আছে কীনা জানতে চাইলে ইশরাক হোসেনের এপিএস আরিফুল ইসলাম সমকালকে বলেন, ‘পিস্তল নয়, তিনি লাঠি নিয়ে অভিযানে গেছেন।’
অস্ত্রহাতে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে আলোচনা চলছে। লাইসেন্স থাকলেও নিজের অস্ত্র এভাবে প্রদর্শন করা যায় কিনা সেই প্রশ্ন তোলেন কেউ কেউ। আইনজ্ঞরা বলছেন, একজন মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী নির্বাহী বিভাগের প্রধান বা নীতিনির্ধারক। মাঠপর্যায়ে তাদের সরাসরি অভিযান পরিচালনা বা আইন হাতে তুলে নেওয়ার বিশেষ ক্ষমতা সংবিধান বা ফৌজদারি কার্যবিধিতে নেই। তাছাড়া, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রদান, নবায়ন ও ব্যবহার নীতিমালা অনুযায়ী বৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে কাউকে ভয়ভীতি প্রদর্শন, প্রদর্শনীবাজি বা হয়রানি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
উচ্চ আদালতের আইনজীবী তাওহীদুল ইসলাম সমকালকে বলেন, আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স প্রদান, নবায়ন ও ব্যবহার নীতিমালা-২০২৫’-এর ২৫ (ক) ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি নিজের লাইসেন্সের বিপরীতে নেওয়া অস্ত্র শুধু আত্মরক্ষার জন্য বহন ও ব্যবহার করতে পারবেন। অন্যের ভীতি বা বিরক্তি তৈরি হতে পারে এমন ক্ষেত্রে অস্ত্র প্রদর্শন করা যাবে না। ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ২১ ধারা অনুযায়ী, লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গের অপরাধে অনূর্ধ্ব ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা অনূর্ধ্ব ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মুহাম্মদ নুরুল হুদা সমকালকে বলেন, আইন অনুযায়ী মূলত আত্মরক্ষার প্রয়োজনে বৈধ অস্ত্র প্রদর্শন করা যেতে পারে। কোনো অভিযানে গিয়ে একজন প্রতিমন্ত্রীর অস্ত্র প্রদর্শন না করাই ভালো। কারণ, তার নিরাপত্তার জন্য তো পুলিশ থাকার কথা। সেক্ষেত্রে নিজের অস্ত্র প্রদর্শনের প্রয়োজনীয়তা দেখি না।
এসব বিষয়ে জানার জন্য প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে ফোন করা হয়, হোয়াটসআপে ম্যাসেজ পাঠানো হয়, তবে তাতে তিনি সাড়া দেননি।
নিজের ফেসবুক পেজে আপলোড করা ভিডিওতে দেখা যায়, অভিযান শেষে ইশরাক বলেন- ঢাকা-৬ আসনকে মাদকমুক্ত না করা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত রাখা হবে। মাদক কারবারিরা যে দলেরই হোক, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। এমনকি তার নিজ দলের কেউ মাদক কারবারে জড়িত থাকলে তার শাস্তি আরও বড় হবে।
এলাকাবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, এলাকায় যারা মাদক বিক্রি করে, তাদের স্থান আমার এই ঢাকা-৬ আসনে নেই। আমার এই এলাকা থেকে মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। সারা বাংলাদেশে অভিযান চলবে, দেশের কোথাও মাদকের জায়গা হবে না।
আসনটি মাদকমুক্ত করতে অভিযান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি এলাকাবাসীর সহযোগিতা চান প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।
অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। আজ শনিবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ওই অভিযানের একটি ভিডিও আপলোড করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে পরে সামাজিকমাধ্যমে আলোচনা তৈরি হয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, নিজের নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-৬ আসনের গেন্ডারিয়া থানার ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের রেললাইন-সংলগ্ন বস্তিতে আকস্মিক অভিযানে যান প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। এ সময় আগ্নেয়াস্ত্র হাতে গাড়ি থেকে নেমে চিৎকার করে বলেন, ‘এই ধর ধর ধর...।’ পাশ থেকে আরেকজনকে বলতে শোনা যায়, ‘একেবারে গুলি করে দেব।’ প্রতিমন্ত্রীর দেহরক্ষীরা তখন দৌঁড়ে কয়েকজনকে ধরার চেষ্টা করেন। একজনকে লাথি মারেন এক দেহরক্ষী।
গেন্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান মনির সমকালকে জানান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ছয়জনকে আটক করে থানায় ফোন দেন। পরে পুলিশ সদস্যরা গিয়ে তাদের নিয়ে আসে। ওসি আরও বলেন, আটক ব্যক্তিদের কাছে সাদা পাউডারজাতীয় পদার্থ পাওয়া গেছে। সেগুলো হেরোইন কিনা, তা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
প্রদর্শিত পিস্তলটির লাইসেন্স আছে কীনা জানতে চাইলে ইশরাক হোসেনের এপিএস আরিফুল ইসলাম সমকালকে বলেন, ‘পিস্তল নয়, তিনি লাঠি নিয়ে অভিযানে গেছেন।’
অস্ত্রহাতে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে আলোচনা চলছে। লাইসেন্স থাকলেও নিজের অস্ত্র এভাবে প্রদর্শন করা যায় কিনা সেই প্রশ্ন তোলেন কেউ কেউ। আইনজ্ঞরা বলছেন, একজন মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী নির্বাহী বিভাগের প্রধান বা নীতিনির্ধারক। মাঠপর্যায়ে তাদের সরাসরি অভিযান পরিচালনা বা আইন হাতে তুলে নেওয়ার বিশেষ ক্ষমতা সংবিধান বা ফৌজদারি কার্যবিধিতে নেই। তাছাড়া, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রদান, নবায়ন ও ব্যবহার নীতিমালা অনুযায়ী বৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে কাউকে ভয়ভীতি প্রদর্শন, প্রদর্শনীবাজি বা হয়রানি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
উচ্চ আদালতের আইনজীবী তাওহীদুল ইসলাম সমকালকে বলেন, আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স প্রদান, নবায়ন ও ব্যবহার নীতিমালা-২০২৫’-এর ২৫ (ক) ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি নিজের লাইসেন্সের বিপরীতে নেওয়া অস্ত্র শুধু আত্মরক্ষার জন্য বহন ও ব্যবহার করতে পারবেন। অন্যের ভীতি বা বিরক্তি তৈরি হতে পারে এমন ক্ষেত্রে অস্ত্র প্রদর্শন করা যাবে না। ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ২১ ধারা অনুযায়ী, লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গের অপরাধে অনূর্ধ্ব ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা অনূর্ধ্ব ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মুহাম্মদ নুরুল হুদা সমকালকে বলেন, আইন অনুযায়ী মূলত আত্মরক্ষার প্রয়োজনে বৈধ অস্ত্র প্রদর্শন করা যেতে পারে। কোনো অভিযানে গিয়ে একজন প্রতিমন্ত্রীর অস্ত্র প্রদর্শন না করাই ভালো। কারণ, তার নিরাপত্তার জন্য তো পুলিশ থাকার কথা। সেক্ষেত্রে নিজের অস্ত্র প্রদর্শনের প্রয়োজনীয়তা দেখি না।
এসব বিষয়ে জানার জন্য প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে ফোন করা হয়, হোয়াটসআপে ম্যাসেজ পাঠানো হয়, তবে তাতে তিনি সাড়া দেননি।
নিজের ফেসবুক পেজে আপলোড করা ভিডিওতে দেখা যায়, অভিযান শেষে ইশরাক বলেন- ঢাকা-৬ আসনকে মাদকমুক্ত না করা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত রাখা হবে। মাদক কারবারিরা যে দলেরই হোক, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। এমনকি তার নিজ দলের কেউ মাদক কারবারে জড়িত থাকলে তার শাস্তি আরও বড় হবে।
এলাকাবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, এলাকায় যারা মাদক বিক্রি করে, তাদের স্থান আমার এই ঢাকা-৬ আসনে নেই। আমার এই এলাকা থেকে মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। সারা বাংলাদেশে অভিযান চলবে, দেশের কোথাও মাদকের জায়গা হবে না।
আসনটি মাদকমুক্ত করতে অভিযান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি এলাকাবাসীর সহযোগিতা চান প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।

১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:৪৮
রাজধানীর রমনায় অবস্থিত অফিসার্স ক্লাবের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. মোশাররফ হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে ভবনটির নিচতলায় সিঁড়ির পাশ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ভবনটির তৃতীয় তলা থেকে নিচে পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
অফিসার্স ক্লাব সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ছোট মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে ক্লাবে প্রবেশ করেন মোশাররফ হোসেন। পরে মেয়েকে সুইমিংপুলের কাছে রেখে তিনি ক্লাবের ভেতরে থাকা নির্মাণাধীন ভবনটিতে যান।
প্রায় এক ঘণ্টা পর ভবনটির নিচতলায় সিঁড়ির পাশে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম জানান, মোশাররফ হোসেনের দৃষ্টিশক্তি কিছুটা কম ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নির্মাণাধীন ভবনটির তৃতীয় তলা থেকে নিচতলার ফাঁকা অংশে পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনাস্থলে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মোশাররফ হোসেন অফিসার্স ক্লাবের সদস্য ছিলেন। তিনি পরিবারের সঙ্গে রাজধানীর বনানী এলাকায় বসবাস করতেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তাঁর বড় মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। তিনি দেশে ফেরার পর বাবার দাফন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্তে অনিচ্ছা প্রকাশ করায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তরের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
সূত্র: বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও পুলিশের বক্তব্য।
রাজধানীর রমনায় অবস্থিত অফিসার্স ক্লাবের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. মোশাররফ হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে ভবনটির নিচতলায় সিঁড়ির পাশ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ভবনটির তৃতীয় তলা থেকে নিচে পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
অফিসার্স ক্লাব সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ছোট মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে ক্লাবে প্রবেশ করেন মোশাররফ হোসেন। পরে মেয়েকে সুইমিংপুলের কাছে রেখে তিনি ক্লাবের ভেতরে থাকা নির্মাণাধীন ভবনটিতে যান।
প্রায় এক ঘণ্টা পর ভবনটির নিচতলায় সিঁড়ির পাশে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম জানান, মোশাররফ হোসেনের দৃষ্টিশক্তি কিছুটা কম ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নির্মাণাধীন ভবনটির তৃতীয় তলা থেকে নিচতলার ফাঁকা অংশে পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনাস্থলে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মোশাররফ হোসেন অফিসার্স ক্লাবের সদস্য ছিলেন। তিনি পরিবারের সঙ্গে রাজধানীর বনানী এলাকায় বসবাস করতেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তাঁর বড় মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। তিনি দেশে ফেরার পর বাবার দাফন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্তে অনিচ্ছা প্রকাশ করায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তরের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
সূত্র: বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও পুলিশের বক্তব্য।

০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:৪৪
কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নূর ইসলামের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে এনবিআর কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে উল্লেখ করা ‘ফু-ওয়াং বোলিং অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড’সহ ঢাকার চারটি বার ও রেস্তোরাঁয় বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বিভিন্ন সংস্থা।
শনিবার সন্ধ্যায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি) জানিয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানে ‘অবৈধ উৎস’ থেকে অ্যালকোহল সংগ্রহ, শুল্ক-মূসক ও আয়কর ফাঁকি এবং ‘অননুমোদিত’ গ্রাহকের কাছে অ্যালকোহল সরবরাহের অভিযোগ অনুসন্ধানে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
অভিযানের আওতায় থাকা অন্য তিন প্রতিষ্ঠান হলো—ক্যানভাস রেস্টুরেন্ট, হাবিব হোটেল ইন্টারন্যাশনাল ও মার্গারিটা লাউঞ্জ।
সিআইআইডির সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অভিযোগ তদন্তে চারটি দল গঠন করা হয়েছে। অভিযানে সিআইআইডির পাশাপাশি এনবিআরের আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি), ভ্যাট গোয়েন্দা এবং ঢাকা উত্তর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দক্ষিণ গুলশানের বন্ডেড ওয়্যারহাউজ টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেডে যৌথ অভিযান চালায় সিআইআইডি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করা মদ ‘অননুমোদিত’ দুটি গুদামে মজুত রাখার অভিযোগে সেগুলোসহ প্রতিষ্ঠানটির দুটি বৈধ গুদামও সিলগালা করা হয়।
এনবিআর কর্মকর্তারা শেখ নূর ইসলামকে টস বন্ডের মালিক হিসেবে উল্লেখ করলেও ফু-ওয়াং কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে শেখ নূর ইসলাম বা তাঁর পরিবারের কোনো সম্পর্ক নেই।
ফু-ওয়াংয়ের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, সালমান মুক্তাদিরের সঙ্গে শেখ নূর ইসলামের মেয়ে দিশা ইসলামের বিয়ে তাঁর পরিবার মেনে নেয়নি। বিয়ের পর থেকেই শেখ নূর ইসলাম ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সামাজিক ও পারিবারিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন রয়েছে বলে দাবি প্রতিষ্ঠানটির।
এদিকে দেশে মদ ও বার ব্যবসায় কথিত অনিয়মের পাশাপাশি কানাডায় শেখ নূর ইসলাম ও তাঁর পরিবারের নাগরিকত্ব এবং সম্পদের বিষয়ে তথ্য পাওয়ার পর কর-সংক্রান্ত গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তদন্ত করছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নূর ইসলামের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে এনবিআর কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে উল্লেখ করা ‘ফু-ওয়াং বোলিং অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড’সহ ঢাকার চারটি বার ও রেস্তোরাঁয় বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বিভিন্ন সংস্থা।
শনিবার সন্ধ্যায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি) জানিয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানে ‘অবৈধ উৎস’ থেকে অ্যালকোহল সংগ্রহ, শুল্ক-মূসক ও আয়কর ফাঁকি এবং ‘অননুমোদিত’ গ্রাহকের কাছে অ্যালকোহল সরবরাহের অভিযোগ অনুসন্ধানে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
অভিযানের আওতায় থাকা অন্য তিন প্রতিষ্ঠান হলো—ক্যানভাস রেস্টুরেন্ট, হাবিব হোটেল ইন্টারন্যাশনাল ও মার্গারিটা লাউঞ্জ।
সিআইআইডির সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অভিযোগ তদন্তে চারটি দল গঠন করা হয়েছে। অভিযানে সিআইআইডির পাশাপাশি এনবিআরের আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি), ভ্যাট গোয়েন্দা এবং ঢাকা উত্তর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দক্ষিণ গুলশানের বন্ডেড ওয়্যারহাউজ টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেডে যৌথ অভিযান চালায় সিআইআইডি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করা মদ ‘অননুমোদিত’ দুটি গুদামে মজুত রাখার অভিযোগে সেগুলোসহ প্রতিষ্ঠানটির দুটি বৈধ গুদামও সিলগালা করা হয়।
এনবিআর কর্মকর্তারা শেখ নূর ইসলামকে টস বন্ডের মালিক হিসেবে উল্লেখ করলেও ফু-ওয়াং কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে শেখ নূর ইসলাম বা তাঁর পরিবারের কোনো সম্পর্ক নেই।
ফু-ওয়াংয়ের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, সালমান মুক্তাদিরের সঙ্গে শেখ নূর ইসলামের মেয়ে দিশা ইসলামের বিয়ে তাঁর পরিবার মেনে নেয়নি। বিয়ের পর থেকেই শেখ নূর ইসলাম ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সামাজিক ও পারিবারিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন রয়েছে বলে দাবি প্রতিষ্ঠানটির।
এদিকে দেশে মদ ও বার ব্যবসায় কথিত অনিয়মের পাশাপাশি কানাডায় শেখ নূর ইসলাম ও তাঁর পরিবারের নাগরিকত্ব এবং সম্পদের বিষয়ে তথ্য পাওয়ার পর কর-সংক্রান্ত গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তদন্ত করছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

০৫ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৩৯
সরকারি ডিউটি ফাঁকি দিয়ে বেসরকারি চেম্বারে রোগী দেখার অভিযোগে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেন, অভিযুক্ত চিকিৎসকের লাইসেন্স ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাও শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে অবহেলা বন্ধ করতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, জেলা সদর হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু) ডা. রাজেশ মজুমদার সরকারি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় গত ২৬ ফেব্রুয়ারি পার্শ্ববর্তী একটি বেসরকারি চেম্বারে রোগী দেখতে যান। এ সময় এক সাংবাদিকের ক্যামেরায় বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে সাংবাদিকের প্রশ্নের মুখে সরকারি দায়িত্ব পালন না করে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করার বিষয়টি সামনে আসে। ঘটনাটি সরকারের উচ্চপর্যায়ের নজরে আসার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে তিন ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, প্রথমত, সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা বিধিমালা অনুযায়ী কেন তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হবে না— সে বিষয়ে তিন দিনের মধ্যে জবাব দিতে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয়ত, চিকিৎসা সেবা প্রদান থেকে তাকে বিরত রাখতে তার চিকিৎসা লাইসেন্স ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। তৃতীয়ত, বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।
এখন থেকে যদি কোন সরকারি চিকিৎসক সরকারি সময়ে, বেসরকারিভাবে চিকিৎসা দেয় সেক্ষেত্রে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেম আমরা একই ধরনের ব্যবস্থা সবার জন্য গ্রহণ করব। সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় কোনো চিকিৎসক যদি ডিউটি ফাঁকি দিয়ে বাইরে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই ধরনের কাজের নজরদারি করার জন্য কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ধরনের অনিয়ম ঠেকাতে বিভিন্ন স্থানে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। আমরা উদ্যোগ নিয়েছি, সব জায়গায় এটা কিছু গোপন ব্যাপারে আছে, কীভাবে উদ্যোগ নিচ্ছি এটা ডিসকাস করবো না। আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে উদ্যোগ নিয়েছি। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে গোয়েন্দা কার্যক্রমও চালানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, এর উদ্দেশ্য হচ্ছে সরকারি হাসপাতালে রোগীদের সেবা নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসকদের দায়িত্বশীলতা বাড়ানো। এ ঘটনা থেকে অন্যরা শিক্ষা নেবেন এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে অবহেলা করবেন না।
সরকারি হাসপাতালের আশপাশেই বেসরকারি হাসপাতাল গড়ে উঠছে এবং প্রতিনিয়ত সরকারি হাসপাতালে কর্মচারীরা রোগী ভাগিয়ে (তাড়িয়ে) দেয়। এক্ষেত্রে ডাক্তারদের সঙ্গে তাদের একটা সংযোগ আছে। এগুলো বন্ধে আপনারা কোনো উদ্যোগ নেবেন কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, আমি কারো ব্যক্তিগত প্র্যাকটিস বন্ধ করতে পারবো না। আমরা চিন্তা করতেছি কি করা যায়, কর্মচারীদের দৌরাত্ম্য কীভাবে বন্ধ করা যায়। এজন্য আমাদের সার্ভিসটা বেটার করে কীভাবে রোগী আটকে রাখা যায়, অল্প খরচে সেবা দেওয়া যায়।
সরকারি হাসপাতালের অবকাঠামো ও জনবল সংকটের কথাও তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীর তুলনায় চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ানের সংখ্যা এখনো কম। এই সংকট কাটাতে সরকার পর্যায়ক্রমে নতুন চিকিৎসক নিয়োগ দিচ্ছে এবং আরও জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে।
২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:৩৯
২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:২৮
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৩১
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৩১