
২৫ মে, ২০২৫ ২৩:৫৪
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম দাবি করেছেন, ৫ আগস্ট গণভবনে গিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ চেয়ে তার ছোট বোন শেখ রেহানা পা ধরেছিলেন।
রোববার (২৫ মে) ট্রাইব্যুনালে বিচারকদের সামনে একটি লিখিত তদন্ত প্রতিবেদন উপস্থাপনকালে তিনি এ তথ্য প্রকাশ করেন।
তাজুল ইসলাম বলেন, ‘শেখ হাসিনা ৪ আগস্ট সকাল থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য।’
চিফ প্রসিকিউটরের ভাষ্য অনুযায়ী, আন্দোলন চলাকালে ৩ আগস্ট সারা দেশে সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। রাতেই কয়েকজন উপদেষ্টা তাকে সেনাবাহিনীর হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের পরামর্শ দেন, কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করেননি।
‘৪ আগস্ট সকাল থেকে ঢাকায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে থাকে। গণভবন অভিমুখে মিছিল রওনা হলে নিরাপত্তা বাহিনী হুঁশিয়ার করে দেয়, সময় স্বল্পতার কারণে দ্রুত পদত্যাগ ছাড়া আর বিকল্প নেই।’
তিনি আরও জানান, শেখ হাসিনা যখন পদত্যাগে রাজি হচ্ছিলেন না, তখন কর্মকর্তারা শেখ রেহানার সঙ্গে আলোচনা করে তাকে বিষয়টি বোঝানোর দায়িত্ব দেন। শেখ রেহানা পরে তার বড় বোন শেখ হাসিনার কাছে গিয়ে অনুরোধ করেন এবং তার পা ধরে রাখেন। একপর্যায়ে বিদেশে অবস্থানরত সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গেও এক কর্মকর্তা ফোনে কথা বলেন। জয় নিজেও তার মাকে ফোনে পদত্যাগে রাজি করান।
পরিস্থিতির অবনতির খবর পেয়ে রেকর্ডকৃত ভাষণ প্রচারের পরিকল্পনা বাতিল করা হয়। পরে ছোট বোন শেখ রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে শেখ হাসিনা তেজগাঁও বিমানবন্দরে যান এবং সেখান থেকে সামরিক হেলিকপ্টারে করে দেশ ছাড়েন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এক প্রতিবেদনে জানায়, শেখ হাসিনা ভারতের গাজিয়াবাদে হিন্দন বিমানঘাঁটিতে স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩৬ মিনিটে পৌঁছান। সেখান থেকে তার লন্ডন গমনের সম্ভাবনার কথাও উঠে আসে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শেখ হাসিনা ২০০৮ সালের নির্বাচন থেকে টানা চতুর্থ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। এর মধ্যে ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে ২০১৮ সালের নির্বাচনকে ‘রাতের ভোট’ এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনকে ‘ডামি ভোট’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে বিরোধী দলগুলো।
চিফ প্রসিকিউটরের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে শিক্ষার্থী ও জনগণের তীব্র আন্দোলনের মুখে মাত্র সাত মাসের মাথায় শেখ হাসিনা পদত্যাগে বাধ্য হয়।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম দাবি করেছেন, ৫ আগস্ট গণভবনে গিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ চেয়ে তার ছোট বোন শেখ রেহানা পা ধরেছিলেন।
রোববার (২৫ মে) ট্রাইব্যুনালে বিচারকদের সামনে একটি লিখিত তদন্ত প্রতিবেদন উপস্থাপনকালে তিনি এ তথ্য প্রকাশ করেন।
তাজুল ইসলাম বলেন, ‘শেখ হাসিনা ৪ আগস্ট সকাল থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য।’
চিফ প্রসিকিউটরের ভাষ্য অনুযায়ী, আন্দোলন চলাকালে ৩ আগস্ট সারা দেশে সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। রাতেই কয়েকজন উপদেষ্টা তাকে সেনাবাহিনীর হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের পরামর্শ দেন, কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করেননি।
‘৪ আগস্ট সকাল থেকে ঢাকায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে থাকে। গণভবন অভিমুখে মিছিল রওনা হলে নিরাপত্তা বাহিনী হুঁশিয়ার করে দেয়, সময় স্বল্পতার কারণে দ্রুত পদত্যাগ ছাড়া আর বিকল্প নেই।’
তিনি আরও জানান, শেখ হাসিনা যখন পদত্যাগে রাজি হচ্ছিলেন না, তখন কর্মকর্তারা শেখ রেহানার সঙ্গে আলোচনা করে তাকে বিষয়টি বোঝানোর দায়িত্ব দেন। শেখ রেহানা পরে তার বড় বোন শেখ হাসিনার কাছে গিয়ে অনুরোধ করেন এবং তার পা ধরে রাখেন। একপর্যায়ে বিদেশে অবস্থানরত সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গেও এক কর্মকর্তা ফোনে কথা বলেন। জয় নিজেও তার মাকে ফোনে পদত্যাগে রাজি করান।
পরিস্থিতির অবনতির খবর পেয়ে রেকর্ডকৃত ভাষণ প্রচারের পরিকল্পনা বাতিল করা হয়। পরে ছোট বোন শেখ রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে শেখ হাসিনা তেজগাঁও বিমানবন্দরে যান এবং সেখান থেকে সামরিক হেলিকপ্টারে করে দেশ ছাড়েন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এক প্রতিবেদনে জানায়, শেখ হাসিনা ভারতের গাজিয়াবাদে হিন্দন বিমানঘাঁটিতে স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩৬ মিনিটে পৌঁছান। সেখান থেকে তার লন্ডন গমনের সম্ভাবনার কথাও উঠে আসে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শেখ হাসিনা ২০০৮ সালের নির্বাচন থেকে টানা চতুর্থ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। এর মধ্যে ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে ২০১৮ সালের নির্বাচনকে ‘রাতের ভোট’ এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনকে ‘ডামি ভোট’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে বিরোধী দলগুলো।
চিফ প্রসিকিউটরের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে শিক্ষার্থী ও জনগণের তীব্র আন্দোলনের মুখে মাত্র সাত মাসের মাথায় শেখ হাসিনা পদত্যাগে বাধ্য হয়।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৫৫
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার মধ্যেও জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এপ্রিল মাসেও দেশে বর্তমান দামেই বিক্রি হবে জ্বালানি তেল। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে, সোমবার (৩০ মার্চ) সচিবালয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। ৩০ মার্চ পর্যন্ত সরকারি ভাণ্ডারে ১ লাখ ৩৩ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল মজুদ আছে। এ ছাড়া এপ্রিল মাসে আরো প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ফলে আসন্ন মাসে দেশে জ্বালানি সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই।
তিনি বলেন, ডিজেলের তুলনায় দেশে অকটেন ও পেট্রোলের ব্যবহার অনেকটা কম, যা ব্যবস্থাপনাকে সহজ করছে। জ্বালানি বিভাগের তথ্যমতে, দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৬৩ শতাংশই হলো ডিজেল। এই বিপুল পরিমাণ ডিজেল মূলত কৃষি সেচ ও গণপরিবহন খাতে ব্যবহৃত হয়। তাই ডিজেলের দাম ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার মধ্যেও জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এপ্রিল মাসেও দেশে বর্তমান দামেই বিক্রি হবে জ্বালানি তেল। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে, সোমবার (৩০ মার্চ) সচিবালয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। ৩০ মার্চ পর্যন্ত সরকারি ভাণ্ডারে ১ লাখ ৩৩ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল মজুদ আছে। এ ছাড়া এপ্রিল মাসে আরো প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ফলে আসন্ন মাসে দেশে জ্বালানি সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই।
তিনি বলেন, ডিজেলের তুলনায় দেশে অকটেন ও পেট্রোলের ব্যবহার অনেকটা কম, যা ব্যবস্থাপনাকে সহজ করছে। জ্বালানি বিভাগের তথ্যমতে, দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৬৩ শতাংশই হলো ডিজেল। এই বিপুল পরিমাণ ডিজেল মূলত কৃষি সেচ ও গণপরিবহন খাতে ব্যবহৃত হয়। তাই ডিজেলের দাম ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:০৪
পদত্যাগ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান। সোমবার (৩০ মার্চ) তিনি সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। সুপ্রিম কোর্ট সূত্র পদত্যাগপত্রটি গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বঙ্গভবনে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এর আগে বিচারপতি মো. রেজাউল হাসানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অসদাচরণসহ কয়েকটি বিষয় সামনে এনে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগ করেন শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম মজিবুল হক।
সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে বিষয়টি তদন্তের অনুরোধের পাশাপাশি অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংবিধানের আওতায় এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ারও সুপারিশ চাওয়া হয়।
অভিযোগে বলা হয়, বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ২০১০ ও ২০১১ সালের দুটি কম্পানি মামলার কার্যধারায় পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন। এক মামলায় সংশ্লিষ্ট সিনিয়র আইনজীবী উপস্থিত না থাকলেও রায়ে তার নামে যুক্তিতর্ক উল্লেখ করা হয়, যা পরে আপিল বিভাগে বাতিল হয়। অন্য মামলায় আবেদনকারীর স্ত্রীকে পক্ষ না করেই তার ১৩ লাখ শেয়ার বাতিল হয়, যা আবেদনকারীর দৃষ্টিতে ন্যায়বিচারের নীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থি।
পদত্যাগ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান। সোমবার (৩০ মার্চ) তিনি সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। সুপ্রিম কোর্ট সূত্র পদত্যাগপত্রটি গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বঙ্গভবনে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এর আগে বিচারপতি মো. রেজাউল হাসানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অসদাচরণসহ কয়েকটি বিষয় সামনে এনে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগ করেন শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম মজিবুল হক।
সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে বিষয়টি তদন্তের অনুরোধের পাশাপাশি অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংবিধানের আওতায় এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ারও সুপারিশ চাওয়া হয়।
অভিযোগে বলা হয়, বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ২০১০ ও ২০১১ সালের দুটি কম্পানি মামলার কার্যধারায় পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন। এক মামলায় সংশ্লিষ্ট সিনিয়র আইনজীবী উপস্থিত না থাকলেও রায়ে তার নামে যুক্তিতর্ক উল্লেখ করা হয়, যা পরে আপিল বিভাগে বাতিল হয়। অন্য মামলায় আবেদনকারীর স্ত্রীকে পক্ষ না করেই তার ১৩ লাখ শেয়ার বাতিল হয়, যা আবেদনকারীর দৃষ্টিতে ন্যায়বিচারের নীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থি।

৩০ মার্চ, ২০২৬ ১১:৪৮
প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই)-এর সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বরখাস্ত) মো. আফজাল নাছেরকে (৬১) গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
সোমবার (৩০ মার্চ) ভোরে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস-এর একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আফজাল নাছের ২০০৭ সালের এক-এগারো সরকারের সময় ডিজিএফআইয়ের প্রভাবশালী কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
ডিবির একটি সূত্র গণমাধ্যমকে জানায়, এক-এগারোর অন্যতম প্রধান কুশীলব হিসেবে পরিচিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে জিজ্ঞাসাবাদের সূত্র ধরে আফজাল নাছেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে ওয়ান-ইলেভেনের সময় সরকারের দুই কুশীলব, বিতর্কিত সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে গ্রেপ্তার করে ডিবি।
তারা বর্তমানে ডিবির রিমান্ডে রয়েছেন। গ্রেপ্তার মো. আফজাল নাছের ২০০৭ সালের জুন থেকে ২০০৮ সালের মার্চ পর্যন্ত ডিজিএফআইয়ে দায়িত্বরত ছিলেন।
প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই)-এর সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বরখাস্ত) মো. আফজাল নাছেরকে (৬১) গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
সোমবার (৩০ মার্চ) ভোরে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস-এর একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আফজাল নাছের ২০০৭ সালের এক-এগারো সরকারের সময় ডিজিএফআইয়ের প্রভাবশালী কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
ডিবির একটি সূত্র গণমাধ্যমকে জানায়, এক-এগারোর অন্যতম প্রধান কুশীলব হিসেবে পরিচিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে জিজ্ঞাসাবাদের সূত্র ধরে আফজাল নাছেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে ওয়ান-ইলেভেনের সময় সরকারের দুই কুশীলব, বিতর্কিত সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে গ্রেপ্তার করে ডিবি।
তারা বর্তমানে ডিবির রিমান্ডে রয়েছেন। গ্রেপ্তার মো. আফজাল নাছের ২০০৭ সালের জুন থেকে ২০০৮ সালের মার্চ পর্যন্ত ডিজিএফআইয়ে দায়িত্বরত ছিলেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:০৫
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫১
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৯
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৬