
০৮ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:৫২
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের কয়েক শ পরিবার অভিযোগ করেছেন, তাদের পূর্বপুরুষদের জমি দখল করেছে দেশের বড় ওষুধ কোম্পানি অপসোনিন ফার্মা লিমিটেড। কীর্তনখোলা নদীর ভাঙনে হারানো জমি জেগে উঠলেও প্রতিষ্ঠানটি সেটি কংক্রিট দিয়ে ঢেকে দিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, কীর্তনখোলা নদীর তীরে আগে দাঁড়ালে যেখানে প্রাকৃতিক পরিবেশ দেখা যেত, সেখানে এখন কংক্রিটের প্রাচীর ও শিল্প-কারখানার ভবন বসানো হয়েছে। নদীর স্রোত কংক্রিটের ব্লকে আটকে যাওয়ায় পানির শব্দও শোনা যায় না।
স্থানীয় রমজান আকন বলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম আল্লাহ আমাদের হারানো জমি ফেরত দিয়েছেন। কিন্তু জমি আবারও কংক্রিটে ঢেকে গেছে।’ আরেক বাসিন্দা হাসান জানান, শুধু জমি নয়, নদীর অংশও দখল করেছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিবাদ করলে হামলার ভয় থাকায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া যায়নি।
প্রশাসনের কাছে সহায়তা চাওয়ার পরও জমি উদ্ধার হয়নি।
নদীর ছোট চরগুলো শিল্প প্রাঙ্গণের সঙ্গে মিলিত হয়ে গেছে। জাহাজ চলাচলের জায়গা এখন সংকুচিত হয়ে শুধু ছোট নৌকা চলাচল করতে পারে। এ কারণে কীর্তনখোলার নলছিটির অংশ এখন বৃত্তাকার নৌপথে পরিণত হয়েছে।
প্রশাসনের কাছে সহায়তা চাওয়ার পরও জমি উদ্ধার হয়নি।
নদীর ছোট চরগুলো শিল্প প্রাঙ্গণের সঙ্গে মিলিত হয়ে গেছে। জাহাজ চলাচলের জায়গা এখন সংকুচিত হয়ে শুধু ছোট নৌকা চলাচল করতে পারে। এ কারণে কীর্তনখোলার নলছিটির অংশ এখন বৃত্তাকার নৌপথে পরিণত হয়েছে।
ফেরি চলাচল বন্ধ হলেও খেয়াঘাট এখনো সচল। ট্রলারের চালকরা বলেন, মাসের পর মাস নদীতে ব্লক ফেলার কারণে নদীর প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে, চর ও চাষের জমি হারিয়েছে।
প্রশাসনের পদক্ষেপ হিসেবে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসন অভিযোগ প্রমাণের জন্য কোম্পানির বিরুদ্ধে শুনানির নোটিশ জারি করেছিল। ২২ জুলাই নির্ধারিত শুনানিতে অভিযোগকারীরা উপস্থিত থাকলেও অপসোনিনের কোনো প্রতিনিধি হাজির হননি। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অন্তরা হালদার পরবর্তী সময়ে কোম্পানির অনুপস্থিতির কারণ জানতে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেন।
ওয়ারিশরা জানিয়েছেন, তাদের পরিবারের ২৯ জনের নামে থাকা প্রায় ১৮ একর জমির মধ্যে ৪ একর ৭০ শতাংশ এখন কোম্পানির দখলে। প্রধান অভিযোগকারী মো. হাসান খান বলেন, কোম্পানি তাদের জমিতে জোর করে ভবন তুলেছে, বাধা দিলে হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন। অপসোনিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) বরিশালের সমন্বয়কারী রফিকুল আলম বলেন, কীর্তনখোলা নদীর তীরের চরগুলো অপসোনিনের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে এবং কোম্পানি নদীর ভেতর ব্লক ফেলেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নলছিটির সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিজভী আহমেদ সবুজ জানিয়েছেন, সরকারি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি অপসোনিনের দখলে রয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে। মাঠ পর্যায়ের জরিপের মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্ট হবে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ২২ জুলাই শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে; কিন্তু সিদ্ধান্ত এখনো প্রকাশ করা সম্ভব নয়। জেলা প্রশাসক আশরাফুর রহমান বিষয়টি পরবর্তী সময়ে মন্তব্য করবেন বলে জানিয়েছেন।
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের কয়েক শ পরিবার অভিযোগ করেছেন, তাদের পূর্বপুরুষদের জমি দখল করেছে দেশের বড় ওষুধ কোম্পানি অপসোনিন ফার্মা লিমিটেড। কীর্তনখোলা নদীর ভাঙনে হারানো জমি জেগে উঠলেও প্রতিষ্ঠানটি সেটি কংক্রিট দিয়ে ঢেকে দিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, কীর্তনখোলা নদীর তীরে আগে দাঁড়ালে যেখানে প্রাকৃতিক পরিবেশ দেখা যেত, সেখানে এখন কংক্রিটের প্রাচীর ও শিল্প-কারখানার ভবন বসানো হয়েছে। নদীর স্রোত কংক্রিটের ব্লকে আটকে যাওয়ায় পানির শব্দও শোনা যায় না।
স্থানীয় রমজান আকন বলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম আল্লাহ আমাদের হারানো জমি ফেরত দিয়েছেন। কিন্তু জমি আবারও কংক্রিটে ঢেকে গেছে।’ আরেক বাসিন্দা হাসান জানান, শুধু জমি নয়, নদীর অংশও দখল করেছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিবাদ করলে হামলার ভয় থাকায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া যায়নি।
প্রশাসনের কাছে সহায়তা চাওয়ার পরও জমি উদ্ধার হয়নি।
নদীর ছোট চরগুলো শিল্প প্রাঙ্গণের সঙ্গে মিলিত হয়ে গেছে। জাহাজ চলাচলের জায়গা এখন সংকুচিত হয়ে শুধু ছোট নৌকা চলাচল করতে পারে। এ কারণে কীর্তনখোলার নলছিটির অংশ এখন বৃত্তাকার নৌপথে পরিণত হয়েছে।
প্রশাসনের কাছে সহায়তা চাওয়ার পরও জমি উদ্ধার হয়নি।
নদীর ছোট চরগুলো শিল্প প্রাঙ্গণের সঙ্গে মিলিত হয়ে গেছে। জাহাজ চলাচলের জায়গা এখন সংকুচিত হয়ে শুধু ছোট নৌকা চলাচল করতে পারে। এ কারণে কীর্তনখোলার নলছিটির অংশ এখন বৃত্তাকার নৌপথে পরিণত হয়েছে।
ফেরি চলাচল বন্ধ হলেও খেয়াঘাট এখনো সচল। ট্রলারের চালকরা বলেন, মাসের পর মাস নদীতে ব্লক ফেলার কারণে নদীর প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে, চর ও চাষের জমি হারিয়েছে।
প্রশাসনের পদক্ষেপ হিসেবে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসন অভিযোগ প্রমাণের জন্য কোম্পানির বিরুদ্ধে শুনানির নোটিশ জারি করেছিল। ২২ জুলাই নির্ধারিত শুনানিতে অভিযোগকারীরা উপস্থিত থাকলেও অপসোনিনের কোনো প্রতিনিধি হাজির হননি। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অন্তরা হালদার পরবর্তী সময়ে কোম্পানির অনুপস্থিতির কারণ জানতে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেন।
ওয়ারিশরা জানিয়েছেন, তাদের পরিবারের ২৯ জনের নামে থাকা প্রায় ১৮ একর জমির মধ্যে ৪ একর ৭০ শতাংশ এখন কোম্পানির দখলে। প্রধান অভিযোগকারী মো. হাসান খান বলেন, কোম্পানি তাদের জমিতে জোর করে ভবন তুলেছে, বাধা দিলে হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন। অপসোনিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) বরিশালের সমন্বয়কারী রফিকুল আলম বলেন, কীর্তনখোলা নদীর তীরের চরগুলো অপসোনিনের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে এবং কোম্পানি নদীর ভেতর ব্লক ফেলেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নলছিটির সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিজভী আহমেদ সবুজ জানিয়েছেন, সরকারি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি অপসোনিনের দখলে রয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে। মাঠ পর্যায়ের জরিপের মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্ট হবে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ২২ জুলাই শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে; কিন্তু সিদ্ধান্ত এখনো প্রকাশ করা সম্ভব নয়। জেলা প্রশাসক আশরাফুর রহমান বিষয়টি পরবর্তী সময়ে মন্তব্য করবেন বলে জানিয়েছেন।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:১০
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #

বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #


১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৭
মধুমাস জ্যৈষ্ঠ অত্যাসন্ন। ফলের মৌসুমের শুরুতে চৈত্রেই গাছে গাছে ঝুঁলছে আম, কাঁঠাল, জাম্বুরা, লিচু,কলা,পেয়ারাসহ নানা রসাঁলো ফল। ক্ষেতে তরমুজ ফুটি/ভাঙ্গিসহ প্রভৃতি ফল জানান দিচ্ছে এসেছে ফলের মৌসুম।
এ বছর আম-কাঁঠালের বাম্পার ফলণের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। দেশের প্রতিটি বাড়িতে,বাগানে আম,কাঁঠাল, জাম্বুরার ফলণ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ক্ষেতের তরমুজ, ফুটি-ভাঙ্গি সেই রমজান থেকেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
আগাম কাঁচা-পাকা আমেরও দেখা মিলছে হাট-বাজারে। বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরের আঙিনায় সাইদুর রহমানের এক গাছে শতাধিক কাঁঠাল যেন দেশজুড়ে কাঁঠালের বাম্পার ফলণেরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
মাত্র ৪ বছর বয়সী এ গাছটির গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত থোকায় থোকায় ঝুলে আছে সুস্বাদু রসালো ফল কাঁঠাল। সাইদুর রহমান বলেন, আল্লাহর রহমতে কাঁঠালগুলো পরিপক্ব হয়ে পাকার পরে নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশীসহ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বিতরণ করবেন।
মধুমাস জ্যৈষ্ঠ অত্যাসন্ন। ফলের মৌসুমের শুরুতে চৈত্রেই গাছে গাছে ঝুঁলছে আম, কাঁঠাল, জাম্বুরা, লিচু,কলা,পেয়ারাসহ নানা রসাঁলো ফল। ক্ষেতে তরমুজ ফুটি/ভাঙ্গিসহ প্রভৃতি ফল জানান দিচ্ছে এসেছে ফলের মৌসুম।
এ বছর আম-কাঁঠালের বাম্পার ফলণের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। দেশের প্রতিটি বাড়িতে,বাগানে আম,কাঁঠাল, জাম্বুরার ফলণ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ক্ষেতের তরমুজ, ফুটি-ভাঙ্গি সেই রমজান থেকেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
আগাম কাঁচা-পাকা আমেরও দেখা মিলছে হাট-বাজারে। বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরের আঙিনায় সাইদুর রহমানের এক গাছে শতাধিক কাঁঠাল যেন দেশজুড়ে কাঁঠালের বাম্পার ফলণেরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
মাত্র ৪ বছর বয়সী এ গাছটির গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত থোকায় থোকায় ঝুলে আছে সুস্বাদু রসালো ফল কাঁঠাল। সাইদুর রহমান বলেন, আল্লাহর রহমতে কাঁঠালগুলো পরিপক্ব হয়ে পাকার পরে নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশীসহ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বিতরণ করবেন।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৪৭
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে অবৈধভাবে গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে এক স্থানীয় ডিলারকে জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে আলম কমিশনার বাড়িতে পরিচালিত এক অভিযানে স্থানীয় ডিলার মোঃ শামসুল আলম শিমুকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ৩ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই), বরিশাল জেলা’র গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ বাইজিদুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
এসময় জেলা এনএসআইয়ের কর্মকর্তা ও বানারীপাড়া থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুসন্ধানে জানা যায়, শামসুল আলম শিমুর সর্বোচ্চ ৪০টি গ্যাস সিলিন্ডার মজুদের অনুমতি থাকলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ২০০০ থেকে ২৫০০টি গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার নিজ বাড়িতে মজুদ করে রাখেন।
পরবর্তীতে এসব সিলিন্ডার তিনি উপজেলা সদরের বন্দর বাজারের ফেরিঘাট সংলগ্ন তার দোকান ‘বৈশাখী প্লাস’ থেকে বেশি দামে বিক্রি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এনএসআই সদস্যদের দীর্ঘদিনের নজরদারিতে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে উপজেলা প্রশাসন তার বাড়ি ও দোকানে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা আরোপ করে।
পাশাপাশি মজুদকৃত সিলিন্ডার দ্রুত সরবরাহ এবং অনুমতিপত্র অনুযায়ী ব্যবসা পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এছাড়া তাকে ১ হাজার টাকার মুচলেকা নিয়ে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে অবৈধভাবে গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে এক স্থানীয় ডিলারকে জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে আলম কমিশনার বাড়িতে পরিচালিত এক অভিযানে স্থানীয় ডিলার মোঃ শামসুল আলম শিমুকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ৩ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই), বরিশাল জেলা’র গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ বাইজিদুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
এসময় জেলা এনএসআইয়ের কর্মকর্তা ও বানারীপাড়া থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুসন্ধানে জানা যায়, শামসুল আলম শিমুর সর্বোচ্চ ৪০টি গ্যাস সিলিন্ডার মজুদের অনুমতি থাকলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ২০০০ থেকে ২৫০০টি গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার নিজ বাড়িতে মজুদ করে রাখেন।
পরবর্তীতে এসব সিলিন্ডার তিনি উপজেলা সদরের বন্দর বাজারের ফেরিঘাট সংলগ্ন তার দোকান ‘বৈশাখী প্লাস’ থেকে বেশি দামে বিক্রি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এনএসআই সদস্যদের দীর্ঘদিনের নজরদারিতে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে উপজেলা প্রশাসন তার বাড়ি ও দোকানে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা আরোপ করে।
পাশাপাশি মজুদকৃত সিলিন্ডার দ্রুত সরবরাহ এবং অনুমতিপত্র অনুযায়ী ব্যবসা পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এছাড়া তাকে ১ হাজার টাকার মুচলেকা নিয়ে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.