
০৬ মে, ২০২৬ ১৮:১৮
বরিশালের বাকেরগঞ্জে নলুয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মাদক মামলায় আজীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি কালামকে গ্রেফতার করেছে বরিশার র্যাব-৮ এর সদস্যরা। দীর্ঘ ১৮ বছর পলাতক থাকার পর আজ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে নলুয়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব জানায়, দুই বারের নির্বাচিত নলুয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য কালাম মাদক ব্যবসার সাথে দীর্ঘদিন ধরে জড়িত ছিলেন। এর আগে তিনি ঢাকায় বসবাসরত অবস্থায় ২০০৮ সালে সবুজবাগ এলাকায় বিপুল পরিমান মাদকসহ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়।
এরপর মাদক মামলায় দীর্ঘদিন আদালতে হাজির না হয়ে ইউপি সদস্য বাদল পালাতক থাকেন। ওই মামলায় আদালত রায় ঘোষণা করলে বাদলের যাবজ্জীবন সাজা হয়। আদালত কর্তৃক আজীবন সাজা ঘোষণার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
এরপর বাকেরগঞ্জের নলুয়া নিজ এলাকায় নাম পরিবর্তন করে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে ইউনিয়ন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে দুইবার ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়। তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে নলুয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মাদক মামলায় আজীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি কালামকে গ্রেফতার করেছে বরিশার র্যাব-৮ এর সদস্যরা। দীর্ঘ ১৮ বছর পলাতক থাকার পর আজ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে নলুয়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব জানায়, দুই বারের নির্বাচিত নলুয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য কালাম মাদক ব্যবসার সাথে দীর্ঘদিন ধরে জড়িত ছিলেন। এর আগে তিনি ঢাকায় বসবাসরত অবস্থায় ২০০৮ সালে সবুজবাগ এলাকায় বিপুল পরিমান মাদকসহ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়।
এরপর মাদক মামলায় দীর্ঘদিন আদালতে হাজির না হয়ে ইউপি সদস্য বাদল পালাতক থাকেন। ওই মামলায় আদালত রায় ঘোষণা করলে বাদলের যাবজ্জীবন সাজা হয়। আদালত কর্তৃক আজীবন সাজা ঘোষণার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
এরপর বাকেরগঞ্জের নলুয়া নিজ এলাকায় নাম পরিবর্তন করে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে ইউনিয়ন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে দুইবার ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়। তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

০৬ মে, ২০২৬ ১৭:২৮
বরিশাল শহর থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ শিশু শিক্ষার্থী সৌরভ দাসকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজের চারদিনের মাথায় বুধবার সকালে তাকে কক্সবাজারের ঈদগাঁও এলাকা থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। কিছুটা বিলম্বে হলেও সন্তানের উদ্ধার খবব পরিবার-পরিজনদের স্বস্তি দিয়েছে, বিশেষ করে সপ্তম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর মা-বাবা অনেকাংশে দুশ্চিন্তামুক্ত হয়েছেন। এর আগে শনিবার রাতে শহরের ভাটিখানা এলাকার বাসা থেকে বেরিয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয় শিশু সৌরভ।
গত শনিবার রাতে খিচুড়ি খেতে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ ছিল সৌরভ। এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজা-খুঁজি করা হলেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। এই ঘটনায় একদিন বাদে রোববার সংশ্লিষ্ট কাউনিয়া থানা পুলিশে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
এদিকে বাসা থেকে বের হয়ে যাওয়ার সিসি ক্যামেরা ফুটেজ বিভিন্ন ব্যক্তি বিশেষের ফেসবুক থেকে পোস্ট করা হলে তা মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়। এবং এনিয়ে স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিকগুলো একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হন্য হয়ে শিশুটির অনুসন্ধান শুরু করে।
পরিবারের লোকজনের অনুমান ছিল, শিশু সৌরভকে কেউ বা কারা অপহরণ করে নিয়ে গেছে। এবং পরবর্তীতে তারা মুক্তিপণও দাবি করতে পারে, অবশ্য এর জন্য তার পিতা-মাতা প্রস্তুত ছিলেন বলে জানা গেছে।
অবশ্য কাউনিয়া থানা পুলিশ এই বিষয়ে কোনোরূপ মন্তব্য না করে শিশুটিকে উদ্ধারের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেয়। পুলিশ জানিয়েছে, বরিশাল শহর থেকে শিশু সৌরভ কিভাবে কক্সবাজার গেল বা তাকে কারা নিয়ে যায় তা এখন রহস্যবৃত্ত।
ভুক্তভোগী শিশুটির ভাষায় পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন সৌরভ মায়ের মোবাইল ফোন নিয়ে বিকাশের মাধ্যমে টাকা তুলে খাবার অর্ডার করেছিল। পরে বাড়িতে ফেরার পথে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি তার কাছে একটি কাগজে লেখা ঠিকানা দেখিয়ে কিছু জানতে চায়। এরপর তার আর কিছু মনে নেই। সেক্ষেত্রে পুলিশের প্রাথমিক ধারনা বা অনুমান, শিশুটিকে চেতনানাশক প্রয়োগ করে প্রথমে অচেতন করা হয় এবং পরবর্তীতে তাকে নির্ধারিত কোনো গন্তব্যে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল।
কিন্তু অপরাধীদের সেই ছকে জল ঢেলে দিয়েছে ফেসবুক এবং সংবাদমাধ্যমগুলো। ভিডিও-ছবিসংবলিত লেখালেখি সরগরম হয়ে ওঠে সমাজপাতা, যা গোটা দেশের পুলিশ বাহিনীকে এক ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দেয়।
কক্সবাজারের ঈদগাঁও থানার কর্মকর্তা এটিএম শিফাতুল মজুমদার বরিশালটাইমসকে মুঠোফোনে জানান, বুধবার খুব সকালে স্থানীয়রা ঈদগাঁও এলাকার ব্রিজের নিচে অচেতন অবস্থায় শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেয়। পরক্ষণে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। শিশুটির সঙ্গে কথা বলে তার বাড়ি বরিশালে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, ইতোমধ্যে বরিশালের কাউনিয়া থানা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। এবং পরিবারের সদস্যদেরও কক্সবাজারে আসতে বলা হয়। পুলিশ এবং স্বজনেরা পৌছানোর পরেই শিশুকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে, জানান ওসি।
বরিশালের কাউনিয়া থানা পুলিশের সন্জিত চন্দ্র নাথ জানান, শিশুটিকে আনতে তাদের পুলিশ কক্সবাজার গেছে। এর আগে তার সাথে কি হয়েছে, সেই বিষয়টি এখনও পরিস্কার নয়। তবে শিশুটিকে আনার পরে তার বক্তব্য শুনলে পুরো ঘটনা বুঝতে সুবিধা হবে।’
বরিশাল শহর থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ শিশু শিক্ষার্থী সৌরভ দাসকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজের চারদিনের মাথায় বুধবার সকালে তাকে কক্সবাজারের ঈদগাঁও এলাকা থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। কিছুটা বিলম্বে হলেও সন্তানের উদ্ধার খবব পরিবার-পরিজনদের স্বস্তি দিয়েছে, বিশেষ করে সপ্তম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর মা-বাবা অনেকাংশে দুশ্চিন্তামুক্ত হয়েছেন। এর আগে শনিবার রাতে শহরের ভাটিখানা এলাকার বাসা থেকে বেরিয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয় শিশু সৌরভ।
গত শনিবার রাতে খিচুড়ি খেতে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ ছিল সৌরভ। এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজা-খুঁজি করা হলেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। এই ঘটনায় একদিন বাদে রোববার সংশ্লিষ্ট কাউনিয়া থানা পুলিশে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
এদিকে বাসা থেকে বের হয়ে যাওয়ার সিসি ক্যামেরা ফুটেজ বিভিন্ন ব্যক্তি বিশেষের ফেসবুক থেকে পোস্ট করা হলে তা মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়। এবং এনিয়ে স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিকগুলো একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হন্য হয়ে শিশুটির অনুসন্ধান শুরু করে।
পরিবারের লোকজনের অনুমান ছিল, শিশু সৌরভকে কেউ বা কারা অপহরণ করে নিয়ে গেছে। এবং পরবর্তীতে তারা মুক্তিপণও দাবি করতে পারে, অবশ্য এর জন্য তার পিতা-মাতা প্রস্তুত ছিলেন বলে জানা গেছে।
অবশ্য কাউনিয়া থানা পুলিশ এই বিষয়ে কোনোরূপ মন্তব্য না করে শিশুটিকে উদ্ধারের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেয়। পুলিশ জানিয়েছে, বরিশাল শহর থেকে শিশু সৌরভ কিভাবে কক্সবাজার গেল বা তাকে কারা নিয়ে যায় তা এখন রহস্যবৃত্ত।
ভুক্তভোগী শিশুটির ভাষায় পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন সৌরভ মায়ের মোবাইল ফোন নিয়ে বিকাশের মাধ্যমে টাকা তুলে খাবার অর্ডার করেছিল। পরে বাড়িতে ফেরার পথে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি তার কাছে একটি কাগজে লেখা ঠিকানা দেখিয়ে কিছু জানতে চায়। এরপর তার আর কিছু মনে নেই। সেক্ষেত্রে পুলিশের প্রাথমিক ধারনা বা অনুমান, শিশুটিকে চেতনানাশক প্রয়োগ করে প্রথমে অচেতন করা হয় এবং পরবর্তীতে তাকে নির্ধারিত কোনো গন্তব্যে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল।
কিন্তু অপরাধীদের সেই ছকে জল ঢেলে দিয়েছে ফেসবুক এবং সংবাদমাধ্যমগুলো। ভিডিও-ছবিসংবলিত লেখালেখি সরগরম হয়ে ওঠে সমাজপাতা, যা গোটা দেশের পুলিশ বাহিনীকে এক ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দেয়।
কক্সবাজারের ঈদগাঁও থানার কর্মকর্তা এটিএম শিফাতুল মজুমদার বরিশালটাইমসকে মুঠোফোনে জানান, বুধবার খুব সকালে স্থানীয়রা ঈদগাঁও এলাকার ব্রিজের নিচে অচেতন অবস্থায় শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেয়। পরক্ষণে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। শিশুটির সঙ্গে কথা বলে তার বাড়ি বরিশালে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, ইতোমধ্যে বরিশালের কাউনিয়া থানা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। এবং পরিবারের সদস্যদেরও কক্সবাজারে আসতে বলা হয়। পুলিশ এবং স্বজনেরা পৌছানোর পরেই শিশুকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে, জানান ওসি।
বরিশালের কাউনিয়া থানা পুলিশের সন্জিত চন্দ্র নাথ জানান, শিশুটিকে আনতে তাদের পুলিশ কক্সবাজার গেছে। এর আগে তার সাথে কি হয়েছে, সেই বিষয়টি এখনও পরিস্কার নয়। তবে শিশুটিকে আনার পরে তার বক্তব্য শুনলে পুরো ঘটনা বুঝতে সুবিধা হবে।’

০৬ মে, ২০২৬ ১৩:৫৩
ভালো জীবনের আশায় লিবিয়ায় পাড়ি জমানো বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার এক যুবক এখন মানবপাচারকারী চক্রের হাতে জিম্মি। দুই মাস ধরে নির্যাতনের শিকার এই যুবকের নাম আসাদুল বক্তিয়ার।
পরিবার জানায়, আগৈলঝাড়া উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের চাত্রিশিরা গ্রামের আবু বক্তিয়ারের ছেলে আসাদুল ২০২২ সালের ১১ অক্টোবর ভিজিট ভিসায় আত্মীয়ের মাধ্যমে লিবিয়ায় যান। সেখানে একটি দোকানে টেইলারিং কাজ করে মাসে ২০-২৫ হাজার টাকা দেশে পাঠাতেন।
গত রমজানের ৯ তারিখ ভোরে ৫-৬ জনের একটি সশস্ত্র চক্র তাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তাকে একটি অজ্ঞাতস্থানে আটকে রেখে মারধর ও নির্যাতন করা হচ্ছে বলে আসাদুলের পরিবার অভিযোগ করেন।
পরিবারের সদস্যদের কাছে ভিডিও কলের মাধ্যমে আসাদুলের ওপর নির্যাতনের দৃশ্য দেখিয়ে ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ধারদেনা করে ৪ লাখ টাকা পাঠানো হলেও বাকি টাকা দুই দিনের মধ্যে না দিলে তাকে হত্যা করে মরুভূমিতে ফেলে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে অপহরণকারীরা।
লিবিয়ায় থাকা তার শ্যালক বিষয়টি স্থানীয় থানায় জানালে তাকেও হুমকি দেওয়া হয়। নিরাপত্তার কারণে তিনি দেশে ফিরে এসে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এরপর থেকে আসাদুলের ওপর নির্যাতন আরও বাড়ানো হয়েছে বলে জানান স্বজনরা।
আসাদুলের বাবা আবু বক্তিয়ার বলেন, ভিডিও ফোনে নির্যাতনের দৃশ্য দেখিয়ে ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ধারদেনা করে ৪ লাখ টাকা পাঠানো হয়েছে।
বাকি টাকা দুই দিনের মধ্যে না দিলে আসাদুলকে হত্যা করে মরদেহ ৪ টুকরা করে মরুভূমিতে ফেলে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে অপহরণকারীরা।
আমরা গরিব মানুষ। এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব না। আমার ছেলেকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সহযোগিতা চাই। মা বকুল বেগম ও স্ত্রী নিপা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রমের দাবি জানিয়েছেন। পরিবারের দাবি, দুই মাস ধরে তারা চরম দুশ্চিন্তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিখন বনিক বলেন, বিষয়টি লিখিত আকারে জানানো হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভালো জীবনের আশায় লিবিয়ায় পাড়ি জমানো বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার এক যুবক এখন মানবপাচারকারী চক্রের হাতে জিম্মি। দুই মাস ধরে নির্যাতনের শিকার এই যুবকের নাম আসাদুল বক্তিয়ার।
পরিবার জানায়, আগৈলঝাড়া উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের চাত্রিশিরা গ্রামের আবু বক্তিয়ারের ছেলে আসাদুল ২০২২ সালের ১১ অক্টোবর ভিজিট ভিসায় আত্মীয়ের মাধ্যমে লিবিয়ায় যান। সেখানে একটি দোকানে টেইলারিং কাজ করে মাসে ২০-২৫ হাজার টাকা দেশে পাঠাতেন।
গত রমজানের ৯ তারিখ ভোরে ৫-৬ জনের একটি সশস্ত্র চক্র তাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তাকে একটি অজ্ঞাতস্থানে আটকে রেখে মারধর ও নির্যাতন করা হচ্ছে বলে আসাদুলের পরিবার অভিযোগ করেন।
পরিবারের সদস্যদের কাছে ভিডিও কলের মাধ্যমে আসাদুলের ওপর নির্যাতনের দৃশ্য দেখিয়ে ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ধারদেনা করে ৪ লাখ টাকা পাঠানো হলেও বাকি টাকা দুই দিনের মধ্যে না দিলে তাকে হত্যা করে মরুভূমিতে ফেলে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে অপহরণকারীরা।
লিবিয়ায় থাকা তার শ্যালক বিষয়টি স্থানীয় থানায় জানালে তাকেও হুমকি দেওয়া হয়। নিরাপত্তার কারণে তিনি দেশে ফিরে এসে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এরপর থেকে আসাদুলের ওপর নির্যাতন আরও বাড়ানো হয়েছে বলে জানান স্বজনরা।
আসাদুলের বাবা আবু বক্তিয়ার বলেন, ভিডিও ফোনে নির্যাতনের দৃশ্য দেখিয়ে ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ধারদেনা করে ৪ লাখ টাকা পাঠানো হয়েছে।
বাকি টাকা দুই দিনের মধ্যে না দিলে আসাদুলকে হত্যা করে মরদেহ ৪ টুকরা করে মরুভূমিতে ফেলে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে অপহরণকারীরা।
আমরা গরিব মানুষ। এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব না। আমার ছেলেকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সহযোগিতা চাই। মা বকুল বেগম ও স্ত্রী নিপা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রমের দাবি জানিয়েছেন। পরিবারের দাবি, দুই মাস ধরে তারা চরম দুশ্চিন্তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিখন বনিক বলেন, বিষয়টি লিখিত আকারে জানানো হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৬ মে, ২০২৬ ১৩:৩৯
বরিশালে অভিযান চালিয়ে নেশাজাতীয় ইনজেকশনসহ দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৯৮৩ অ্যাম্পুল নেশাজাতীয় ইনজেকশন।
মঙ্গলবার (০৫ মে) সন্ধ্যায় নগরীর ফরেস্টারবাড়ি রোড এলাকার বাদামতলা এলাকার একটি বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন ওই নগরীর বগুড়া রোড মুন্সী গ্যারেজ পীর সাহেবের বাড়ির বাসিন্দা মতিউর রহমানের ছেলে হানিফুর রহমান হৃদয় রিদু (৩২) ও তার স্ত্রী ফাবিহা মিনহা রেখা (২৬)।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বরিশাল জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক তানভীর হোসেন খান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদককারবারি দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ সময় তাদের কাছ থেকে নেশাজাতীয় ইনজেকশন ১০৩ অ্যাম্পুল জি-মরফিন, ১৫৫ অ্যাম্পুল ডায়াজিয়াম বা ইজিয়াম, ৪৫ অ্যাম্পুল সিভিল এবং ২৪০ অ্যাম্পুল ফ্যানারেক্স জব্দ করা হয়।
তিনি আরও বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে। পাশাপাশি দুজনকে থানায় হস্তান্তর করেছি।
বরিশালে অভিযান চালিয়ে নেশাজাতীয় ইনজেকশনসহ দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৯৮৩ অ্যাম্পুল নেশাজাতীয় ইনজেকশন।
মঙ্গলবার (০৫ মে) সন্ধ্যায় নগরীর ফরেস্টারবাড়ি রোড এলাকার বাদামতলা এলাকার একটি বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন ওই নগরীর বগুড়া রোড মুন্সী গ্যারেজ পীর সাহেবের বাড়ির বাসিন্দা মতিউর রহমানের ছেলে হানিফুর রহমান হৃদয় রিদু (৩২) ও তার স্ত্রী ফাবিহা মিনহা রেখা (২৬)।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বরিশাল জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক তানভীর হোসেন খান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদককারবারি দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ সময় তাদের কাছ থেকে নেশাজাতীয় ইনজেকশন ১০৩ অ্যাম্পুল জি-মরফিন, ১৫৫ অ্যাম্পুল ডায়াজিয়াম বা ইজিয়াম, ৪৫ অ্যাম্পুল সিভিল এবং ২৪০ অ্যাম্পুল ফ্যানারেক্স জব্দ করা হয়।
তিনি আরও বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে। পাশাপাশি দুজনকে থানায় হস্তান্তর করেছি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৬ মে, ২০২৬ ১৯:২২
০৬ মে, ২০২৬ ১৮:৩১
০৬ মে, ২০২৬ ১৮:১৮
০৬ মে, ২০২৬ ১৮:১০