
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:১৬
পটুয়াখালীর বাউফলে ইয়াবা ও গাঁজা সহ চার বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বাউফল থানা পুলিশ। রবিবার (১৯ এপ্রিল) রাত সোয়া ১০ টার দিকে উপজেলা আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড কাশিপুর এলাকার মোতাহার মীরের দোকানের পিছনে বালুর মাঠে বিক্রয়কালে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার রাত সোয়া ১০ টার দিকে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সিরাজুর ইসলামের নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মোঃ মনিরুজ্জামান সহ একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য বিক্রয়ের সময় আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড কাশিপুর এলাকার মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন মীরের ছেলে মোঃ খায়রুল ইসলাম মীর (২১),একই এলাকার মোঃ জামাল মীরের স্ত্রী মোসাঃ খাদিজা বেগম (৩১), পটুয়াখালী সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়নের আখই বাড়িয়া গ্রামের মোঃ আজাহার কাজীর ছেলে মোঃ সবুজ কাজী (৩০) ও বাউফল উপজেলার নওমালা ইউনিয়নের বটকাজল গ্রামের মোঃ সোবাহান আকনের ছেলে মোঃ সুমন আকনকে (৩৩) গ্রেফতার করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৫পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৪শত গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। সোমবার সকালে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। উপজেলার সমস্ত এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান জোরদার করা হয়েছে এবং এ ধরনের অপরাধের সাথে জড়ীতদের আইনের আওতায় আনা হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে ইয়াবা ও গাঁজা সহ চার বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বাউফল থানা পুলিশ। রবিবার (১৯ এপ্রিল) রাত সোয়া ১০ টার দিকে উপজেলা আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড কাশিপুর এলাকার মোতাহার মীরের দোকানের পিছনে বালুর মাঠে বিক্রয়কালে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার রাত সোয়া ১০ টার দিকে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সিরাজুর ইসলামের নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মোঃ মনিরুজ্জামান সহ একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য বিক্রয়ের সময় আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড কাশিপুর এলাকার মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন মীরের ছেলে মোঃ খায়রুল ইসলাম মীর (২১),একই এলাকার মোঃ জামাল মীরের স্ত্রী মোসাঃ খাদিজা বেগম (৩১), পটুয়াখালী সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়নের আখই বাড়িয়া গ্রামের মোঃ আজাহার কাজীর ছেলে মোঃ সবুজ কাজী (৩০) ও বাউফল উপজেলার নওমালা ইউনিয়নের বটকাজল গ্রামের মোঃ সোবাহান আকনের ছেলে মোঃ সুমন আকনকে (৩৩) গ্রেফতার করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৫পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৪শত গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। সোমবার সকালে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। উপজেলার সমস্ত এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান জোরদার করা হয়েছে এবং এ ধরনের অপরাধের সাথে জড়ীতদের আইনের আওতায় আনা হবে।

২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৯
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরে প্রধান কর্মকর্তা না থাকায় প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। এতে করে সরকারি সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি উন্নয়ন কাজের গতি কমে যাওয়ায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদটি প্রায় এক মাস ধরে শূন্য রয়েছে। সর্বশেষ ইউএনও ফরিদা সুলতানা গত ২৬ মার্চ বদলিজনিত কারণে দায়িত্ব ত্যাগ করেন। বর্তমানে পাশ্ববর্তী পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইউএনও রওজাতুন জান্নাত অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে দুমকির প্রশাসনিক কার্যক্রম তদারকি করছেন। তবে তিনি সপ্তাহে সীমিত সময় উপস্থিত থাকায় নীতিনির্ধারণী ও জরুরি অনেক কাজ বিলম্বিত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ইউএনও না থাকায় ভূমি, ভ্রাম্যমাণ আদালত, জন্মনিবন্ধনসহ বিভিন্ন জরুরি সেবা পেতে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন ও তদারকিতেও ধীরগতি দেখা দিয়েছে।
এদিকে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদটি প্রায় এক বছর ধরে শূন্য রয়েছে। গত বছরের ১৬ জুলাই বদরুন নাহার ইয়াসমিনের বদলির পর থেকে মির্জাগঞ্জ উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। এতে শিক্ষা খাতে বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজ সময়মতো সম্পন্ন হচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার পদটিও গত বছরের জুন মাস থেকে শূন্য রয়েছে। সর্বশেষ কর্মকর্তা কমল গোপাল দে বিদায়ের পর থেকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার খাদ্য কর্মকর্তা জাকির হোসেন অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন। ফলে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও সরকারি খাদ্য ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়ের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে।
পরিসংখ্যান অফিসেও দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী কর্মকর্তা নেই। উজ্জ্বল কৃষ্ণ ব্যাপারীর বিদায়ের পর গত তিন বছর ধরে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মশিউর রহমান। এতে সঠিক তথ্য সংগ্রহ ও হালনাগাদ কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার পদটি গত বছরের এপ্রিল থেকে শূন্য রয়েছে। সাইফুল ইসলামের বিদায়ের পর থেকে মির্জাগঞ্জ উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে মৎস্য খাতে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ও মাঠ পর্যায়ের তদারকি ব্যাহত হচ্ছে।
উপজেলার নাসিমা কেরামত আলী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাজী মাকসুদুর রহমান বলেন, “জরুরি কাগজপত্রে স্বাক্ষরের জন্য সপ্তাহের পর সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিয়মিত না থাকায় কাজের গতি অনেক কমে গেছে।”
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকায় দাপ্তরিক সমন্বয়হীনতা তৈরি হয়েছে। এতে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং সরকারি সেবার মান উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউএনও রওজাতুন জান্নাত বলেন, “একসঙ্গে দুটি উপজেলা পরিচালনা করতে গিয়ে কিছুটা সীমাবদ্ধতা থাকলেও চেষ্টা করছি সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে।”
জেলা প্রশাসক (ডিসি) ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী জানান, “দুমকিতে ইউএনও পদ শূন্য থাকার বিষয়টি ইতোমধ্যে বিভাগীয় কমিশনারকে জানানো হয়েছে। শিগগিরই পদায়নের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধান হবে বলে আশা করছি। এছাড়া অন্যান্য দপ্তরের শূন্য পদগুলোর বিষয়েও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
এদিকে সচেতন মহল দ্রুত এসব গুরুত্বপূর্ণ পদে স্থায়ী নিয়োগ দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রমের গতি ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরে প্রধান কর্মকর্তা না থাকায় প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। এতে করে সরকারি সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি উন্নয়ন কাজের গতি কমে যাওয়ায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদটি প্রায় এক মাস ধরে শূন্য রয়েছে। সর্বশেষ ইউএনও ফরিদা সুলতানা গত ২৬ মার্চ বদলিজনিত কারণে দায়িত্ব ত্যাগ করেন। বর্তমানে পাশ্ববর্তী পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইউএনও রওজাতুন জান্নাত অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে দুমকির প্রশাসনিক কার্যক্রম তদারকি করছেন। তবে তিনি সপ্তাহে সীমিত সময় উপস্থিত থাকায় নীতিনির্ধারণী ও জরুরি অনেক কাজ বিলম্বিত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ইউএনও না থাকায় ভূমি, ভ্রাম্যমাণ আদালত, জন্মনিবন্ধনসহ বিভিন্ন জরুরি সেবা পেতে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন ও তদারকিতেও ধীরগতি দেখা দিয়েছে।
এদিকে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদটি প্রায় এক বছর ধরে শূন্য রয়েছে। গত বছরের ১৬ জুলাই বদরুন নাহার ইয়াসমিনের বদলির পর থেকে মির্জাগঞ্জ উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। এতে শিক্ষা খাতে বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজ সময়মতো সম্পন্ন হচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার পদটিও গত বছরের জুন মাস থেকে শূন্য রয়েছে। সর্বশেষ কর্মকর্তা কমল গোপাল দে বিদায়ের পর থেকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার খাদ্য কর্মকর্তা জাকির হোসেন অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন। ফলে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও সরকারি খাদ্য ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়ের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে।
পরিসংখ্যান অফিসেও দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী কর্মকর্তা নেই। উজ্জ্বল কৃষ্ণ ব্যাপারীর বিদায়ের পর গত তিন বছর ধরে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মশিউর রহমান। এতে সঠিক তথ্য সংগ্রহ ও হালনাগাদ কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার পদটি গত বছরের এপ্রিল থেকে শূন্য রয়েছে। সাইফুল ইসলামের বিদায়ের পর থেকে মির্জাগঞ্জ উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে মৎস্য খাতে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ও মাঠ পর্যায়ের তদারকি ব্যাহত হচ্ছে।
উপজেলার নাসিমা কেরামত আলী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাজী মাকসুদুর রহমান বলেন, “জরুরি কাগজপত্রে স্বাক্ষরের জন্য সপ্তাহের পর সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিয়মিত না থাকায় কাজের গতি অনেক কমে গেছে।”
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকায় দাপ্তরিক সমন্বয়হীনতা তৈরি হয়েছে। এতে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং সরকারি সেবার মান উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউএনও রওজাতুন জান্নাত বলেন, “একসঙ্গে দুটি উপজেলা পরিচালনা করতে গিয়ে কিছুটা সীমাবদ্ধতা থাকলেও চেষ্টা করছি সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে।”
জেলা প্রশাসক (ডিসি) ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী জানান, “দুমকিতে ইউএনও পদ শূন্য থাকার বিষয়টি ইতোমধ্যে বিভাগীয় কমিশনারকে জানানো হয়েছে। শিগগিরই পদায়নের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধান হবে বলে আশা করছি। এছাড়া অন্যান্য দপ্তরের শূন্য পদগুলোর বিষয়েও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
এদিকে সচেতন মহল দ্রুত এসব গুরুত্বপূর্ণ পদে স্থায়ী নিয়োগ দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রমের গতি ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।

২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫০
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে চাঁদা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে মামুন খাঁ নামের এক যুবকের ওপর হামলা ও অ্যাসিড নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) পটুয়াখালী প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মামুন খাঁর বাবা মো. আ. গনি খাঁ। তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় একটি চক্র তার ছেলের কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত ৩০ মার্চ রাতে কাকড়াবুনিয়া এলাকায় তার ওপর হামলা চালানো হয়।
এ সময় তাকে মারধর করে আহত করা হয় এবং তার কাছ থেকে নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলেও দাবি করা হয়। পরে অ্যাসিড জাতীয় পদার্থ নিক্ষেপে তিনি গুরুতর আহত হন।
আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়।
বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীর পরিবার হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানান।
এ ঘটনায় অভিযুক্তদের তালিকায় মো. কামাল হোসেন (৫০), মো. হানিফ মৃধা (৪৪), আবু সালেহ মুছা (৩৮), মো. মাসকুর হাওলাদার (৪৫), মো. ছগির মল্লিক (৩২), মো. সিয়াম (৪০), আ. রহিম খান (৪৫), মো. আলমগীর হাওলাদার (৫০) ও প্রাণতোষ (৪০) এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
এ ছাড়া তাদের সঙ্গে আরও ১০-১২ জন অজ্ঞাতনামা ভাড়াটে সন্ত্রাসী জড়িত রয়েছে বলেও দাবি করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত কামাল হোসেনের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে চাঁদা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে মামুন খাঁ নামের এক যুবকের ওপর হামলা ও অ্যাসিড নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) পটুয়াখালী প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মামুন খাঁর বাবা মো. আ. গনি খাঁ। তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় একটি চক্র তার ছেলের কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত ৩০ মার্চ রাতে কাকড়াবুনিয়া এলাকায় তার ওপর হামলা চালানো হয়।
এ সময় তাকে মারধর করে আহত করা হয় এবং তার কাছ থেকে নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলেও দাবি করা হয়। পরে অ্যাসিড জাতীয় পদার্থ নিক্ষেপে তিনি গুরুতর আহত হন।
আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়।
বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীর পরিবার হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানান।
এ ঘটনায় অভিযুক্তদের তালিকায় মো. কামাল হোসেন (৫০), মো. হানিফ মৃধা (৪৪), আবু সালেহ মুছা (৩৮), মো. মাসকুর হাওলাদার (৪৫), মো. ছগির মল্লিক (৩২), মো. সিয়াম (৪০), আ. রহিম খান (৪৫), মো. আলমগীর হাওলাদার (৫০) ও প্রাণতোষ (৪০) এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
এ ছাড়া তাদের সঙ্গে আরও ১০-১২ জন অজ্ঞাতনামা ভাড়াটে সন্ত্রাসী জড়িত রয়েছে বলেও দাবি করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত কামাল হোসেনের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৫৩
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় এক জেলেকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ আব্বাস গাজী অজ্ঞাত অনেকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে ধুলাসার ইউনিয়নের চর ধুলাসার গ্রামে নিজ বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী জেলে মিজান হাওলাদারের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার চাচাতো ভাই রাজিব। বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, গত ১৪ এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে মদ্যপানে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়। নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট আব্বাস গাজীর নেতৃত্বে ছিদ্দিক ও জাবেদ গাজীসহ ২০-৩০ জনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়।
অভিযোগে বলা হয়, হামলাকারীরা বাড়ির উঠানে থাকা মিজান হাওলাদারকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এসময় তার বাবা শাহ আলম হাওলাদারকে বেধড়ক মারধর করে হাত ভেঙে দেওয়া হয়। তাদের রক্ষা করতে এগিয়ে এলে মেশকাত, লিমন ও বসারসহ আরও কয়েকজন আহত হন। গুরুতর আহত মিজান হাওলাদার বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করে, হত্যার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে। তারা জানান, ঘটনার পর থেকে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। তবে সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আব্বাস গাজী।
এ ঘটনায় মিজানের বাবা শাহ আলম হাওলাদার কলাপাড়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি বর্তমানে পিবিআই-এর তদন্তাধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্বাস গাজী বলেন, মিজান সহ অনেকেই আমার ছেলেকে মারধর করছে। আমার ছেলের হাতের কবজি ভেঙ্গে গেছে। খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেছি আমি কাউকে মারধর করিনি।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় এক জেলেকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ আব্বাস গাজী অজ্ঞাত অনেকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে ধুলাসার ইউনিয়নের চর ধুলাসার গ্রামে নিজ বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী জেলে মিজান হাওলাদারের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার চাচাতো ভাই রাজিব। বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, গত ১৪ এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে মদ্যপানে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়। নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট আব্বাস গাজীর নেতৃত্বে ছিদ্দিক ও জাবেদ গাজীসহ ২০-৩০ জনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়।
অভিযোগে বলা হয়, হামলাকারীরা বাড়ির উঠানে থাকা মিজান হাওলাদারকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এসময় তার বাবা শাহ আলম হাওলাদারকে বেধড়ক মারধর করে হাত ভেঙে দেওয়া হয়। তাদের রক্ষা করতে এগিয়ে এলে মেশকাত, লিমন ও বসারসহ আরও কয়েকজন আহত হন। গুরুতর আহত মিজান হাওলাদার বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করে, হত্যার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে। তারা জানান, ঘটনার পর থেকে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। তবে সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আব্বাস গাজী।
এ ঘটনায় মিজানের বাবা শাহ আলম হাওলাদার কলাপাড়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি বর্তমানে পিবিআই-এর তদন্তাধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্বাস গাজী বলেন, মিজান সহ অনেকেই আমার ছেলেকে মারধর করছে। আমার ছেলের হাতের কবজি ভেঙ্গে গেছে। খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেছি আমি কাউকে মারধর করিনি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.