
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:২৮
নির্বাচনি পরীক্ষায় (টেস্ট) সব বিষয়ে ফেল তারপরও এসএসসি পরীক্ষায় ফরম পূর্ণ না করে ২০২৬ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে আসিকুর রহমান। এ রকম একটি ঘটনা ঘটেছে গলাচিপা উপজেলার উলানিয়া হাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে।
নির্বাচনী পরীক্ষায় অকৃতকার্য ৪৫ জন ছাত্র-ছাত্রীর ফরমপূর্ণ করেনি স্কুল কর্তৃপক্ষ। কিন্ত শিক্ষা বোর্ড কিভাবে স্কুল কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া শুধুমাত্র আশিকুর রহমানের প্রবেশপত্র ছাড় করলেন এ মর্মে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে লিখিত অভিযোগ দিলেন অধ্যক্ষ মাহফুজুর রহমান।
জানা গেছে, গলাচিপা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে (৩৫১) উলানিয়া হাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০৩ জন ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। নির্বাচনী পরীক্ষায় ১৪৭ জন ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষা দিলে কৃতকার্যের সাথে ফরম পূর্ণ করে ১০২ জন।
যার মধ্যে আসিকুর রহমানের নাম নেই। বাবার নাম : জামাল হোসেন, মাতার নাম : নার্গিস পারভিন। বোর্ডের অনলাইন চালু থাকার পর কিভাবে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে ম্যানুয়ালে পদ্ধতিতে ফরম পূর্ণ করে আসিক তা অধ্যক্ষের বোধগম্য নয় এবং তিনি কাগজপত্র দেননি তা বোর্ডের অভিযোগে উল্লেখ করেন।
আসিকুর রহমান যখন বোর্ড থেকে হাতে হাতে প্রবেশপত্র আনে তখন আ: লতিফ মিয়াসহ ৪৪ জন অকৃতকার্যের অভিভাবকরা বলেন, আমাদের ছেলে-মেয়েদের পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। এতে তোপের মুখে পড়েন অধ্যক্ষ মাহফুজুর রহমান।
এ ব্যাপারে গলাচিপা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্রের সচিব ও প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আলমগীর হোসেন জানান, উলানিয়া হাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে আসিকুর রহমান মানবিক শাখা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। তার রোল নম্বর ৯৯০০৩২, তার রেজি : ২৩১৫১৯৪৭১৪, বোর্ড থেকে নামের হাজিরা সিটে তার নাম নাই। কিন্তু তার প্রবেশপত্র ও রেজিষ্ট্রশন কার্ড আছে বিধায় হাজিরা সীট তৈরী করে স্বাক্ষর নিচ্ছি।
উলানিয়া হাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো: মাহফুজুর রহমান বলেন, বোর্ডে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। ওই ছাত্রকে নিয়ে আগামী সোমবার বোর্ডে উপস্থিত থাকতে বলেছে।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জি এম সহিদুল ইসলাম জানান, পরীক্ষার্থীর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র খতিয়ে দেখার জন্য অভিভাবকসহ আগামী সোমবার বোর্ডে উপস্থিত থাকতে বলেছি। অপরাধ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নির্বাচনি পরীক্ষায় (টেস্ট) সব বিষয়ে ফেল তারপরও এসএসসি পরীক্ষায় ফরম পূর্ণ না করে ২০২৬ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে আসিকুর রহমান। এ রকম একটি ঘটনা ঘটেছে গলাচিপা উপজেলার উলানিয়া হাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে।
নির্বাচনী পরীক্ষায় অকৃতকার্য ৪৫ জন ছাত্র-ছাত্রীর ফরমপূর্ণ করেনি স্কুল কর্তৃপক্ষ। কিন্ত শিক্ষা বোর্ড কিভাবে স্কুল কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া শুধুমাত্র আশিকুর রহমানের প্রবেশপত্র ছাড় করলেন এ মর্মে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে লিখিত অভিযোগ দিলেন অধ্যক্ষ মাহফুজুর রহমান।
জানা গেছে, গলাচিপা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে (৩৫১) উলানিয়া হাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০৩ জন ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। নির্বাচনী পরীক্ষায় ১৪৭ জন ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষা দিলে কৃতকার্যের সাথে ফরম পূর্ণ করে ১০২ জন।
যার মধ্যে আসিকুর রহমানের নাম নেই। বাবার নাম : জামাল হোসেন, মাতার নাম : নার্গিস পারভিন। বোর্ডের অনলাইন চালু থাকার পর কিভাবে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে ম্যানুয়ালে পদ্ধতিতে ফরম পূর্ণ করে আসিক তা অধ্যক্ষের বোধগম্য নয় এবং তিনি কাগজপত্র দেননি তা বোর্ডের অভিযোগে উল্লেখ করেন।
আসিকুর রহমান যখন বোর্ড থেকে হাতে হাতে প্রবেশপত্র আনে তখন আ: লতিফ মিয়াসহ ৪৪ জন অকৃতকার্যের অভিভাবকরা বলেন, আমাদের ছেলে-মেয়েদের পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। এতে তোপের মুখে পড়েন অধ্যক্ষ মাহফুজুর রহমান।
এ ব্যাপারে গলাচিপা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্রের সচিব ও প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আলমগীর হোসেন জানান, উলানিয়া হাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে আসিকুর রহমান মানবিক শাখা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। তার রোল নম্বর ৯৯০০৩২, তার রেজি : ২৩১৫১৯৪৭১৪, বোর্ড থেকে নামের হাজিরা সিটে তার নাম নাই। কিন্তু তার প্রবেশপত্র ও রেজিষ্ট্রশন কার্ড আছে বিধায় হাজিরা সীট তৈরী করে স্বাক্ষর নিচ্ছি।
উলানিয়া হাট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো: মাহফুজুর রহমান বলেন, বোর্ডে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। ওই ছাত্রকে নিয়ে আগামী সোমবার বোর্ডে উপস্থিত থাকতে বলেছে।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জি এম সহিদুল ইসলাম জানান, পরীক্ষার্থীর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র খতিয়ে দেখার জন্য অভিভাবকসহ আগামী সোমবার বোর্ডে উপস্থিত থাকতে বলেছি। অপরাধ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৩
পটুয়াখালীর বাউফলে নিখোঁজের দুই দিন পর এক ব্যবসায়ীর ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ভোরে বগা ফেরিঘাট এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মো.জহির মুন্সি (৬০) উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের মোতাহার মুন্সির ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী এক মৃত ব্যক্তির জানাযার নামাজে অংশ নেওয়ার জন্য গত মঙ্গলবার ঢাকা থেকে বাসযোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন জহির মুন্সি।
রাত ১০টার দিকে বাউফলের বগা ফেরিঘাটে তাকে বহনকারী বাসটি পারাপারের জন্য অপেক্ষা করছিল। সে সময় জহির মুন্সি বাস থেকে নেমে ফেরির গ্যাং ওয়েতে হাটাহাটি করছিলেন।
কিছুক্ষণ পর বাসটি ফেরি পারাপার হলেও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না জহির মুন্সির। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বৃহস্পতিবার ভোরে ফজরের নামাজের পর ফেরি ঘাটের শ্রমিকরা ভাসমান লাশ দেখে জহির মুন্সির আত্মীয়-স্বজনদের খবর দেন।
তারা জানান, গত মঙ্গলবার প্রতিবেশী এক ব্যক্তি মারা যান। এ খবর পেয়ে ওই মৃত ব্যক্তির জানাজার নামাজে অংশগ্রহণ করার জন্য জহির মুন্সি ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি আসছিলেন। এখন নিজেই লাশ হয়ে গেলেন।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, 'ধারণা করা হচ্ছে- ফেরির গ্যাংওয়ে থেকে পা পিছলে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন ব্যবসায়ী জহির মুন্সি। তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে নিখোঁজের দুই দিন পর এক ব্যবসায়ীর ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ভোরে বগা ফেরিঘাট এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মো.জহির মুন্সি (৬০) উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের মোতাহার মুন্সির ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী এক মৃত ব্যক্তির জানাযার নামাজে অংশ নেওয়ার জন্য গত মঙ্গলবার ঢাকা থেকে বাসযোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন জহির মুন্সি।
রাত ১০টার দিকে বাউফলের বগা ফেরিঘাটে তাকে বহনকারী বাসটি পারাপারের জন্য অপেক্ষা করছিল। সে সময় জহির মুন্সি বাস থেকে নেমে ফেরির গ্যাং ওয়েতে হাটাহাটি করছিলেন।
কিছুক্ষণ পর বাসটি ফেরি পারাপার হলেও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না জহির মুন্সির। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বৃহস্পতিবার ভোরে ফজরের নামাজের পর ফেরি ঘাটের শ্রমিকরা ভাসমান লাশ দেখে জহির মুন্সির আত্মীয়-স্বজনদের খবর দেন।
তারা জানান, গত মঙ্গলবার প্রতিবেশী এক ব্যক্তি মারা যান। এ খবর পেয়ে ওই মৃত ব্যক্তির জানাজার নামাজে অংশগ্রহণ করার জন্য জহির মুন্সি ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি আসছিলেন। এখন নিজেই লাশ হয়ে গেলেন।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, 'ধারণা করা হচ্ছে- ফেরির গ্যাংওয়ে থেকে পা পিছলে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন ব্যবসায়ী জহির মুন্সি। তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৫৩
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে উফশী আউশ ধানের বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় খরিপ-১ মৌসুমে আউশ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল ১১টায় উপজেলা কৃষি অফিসের হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কৃষি উপকরণ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর উপজেলার মোট ৩৭৫০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে এই প্রণোদনার আওতায় রেখে প্রত্যেক কৃষককে সরকারি সহায়তা হিসেবে ব্রি ধান ৯৮ জাতের উফশী আউশ বীজ ৫ কেজি,ডিএপি সার ১০ কেজি এবং এমওপি সার ১০ কেজি করে দেওয়া হচ্ছে।
বিতরণ কার্যক্রম সুশৃঙ্খল রাখতে প্রতি ১০ জন কৃষকের সমন্বয়ে একটি করে গ্রুপ গঠন করে সার ও বীজ সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে শর্ত হিসেবে জানানো হয়েছে, প্রত্যেক কৃষককে প্রাপ্ত বীজ ও সার ব্যবহার করে কমপক্ষে ৩৩ শতাংশ বা ১ বিঘা জমিতে আবাদ করতে হবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শেখ মোঃ রাসেল।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় সাংবাদিক এবং সুবিধাভোগী কৃষকগণ।
বিনামূল্যে উন্নত জাতের বীজ ও সার হাতে পেয়ে স্থানীয় কৃষকরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা জানান, সঠিক সময়ে এই সরকারি সহায়তা আউশ চাষে তাদের অনেক উৎসাহিত করবে।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে উফশী আউশ ধানের বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় খরিপ-১ মৌসুমে আউশ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল ১১টায় উপজেলা কৃষি অফিসের হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কৃষি উপকরণ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর উপজেলার মোট ৩৭৫০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে এই প্রণোদনার আওতায় রেখে প্রত্যেক কৃষককে সরকারি সহায়তা হিসেবে ব্রি ধান ৯৮ জাতের উফশী আউশ বীজ ৫ কেজি,ডিএপি সার ১০ কেজি এবং এমওপি সার ১০ কেজি করে দেওয়া হচ্ছে।
বিতরণ কার্যক্রম সুশৃঙ্খল রাখতে প্রতি ১০ জন কৃষকের সমন্বয়ে একটি করে গ্রুপ গঠন করে সার ও বীজ সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে শর্ত হিসেবে জানানো হয়েছে, প্রত্যেক কৃষককে প্রাপ্ত বীজ ও সার ব্যবহার করে কমপক্ষে ৩৩ শতাংশ বা ১ বিঘা জমিতে আবাদ করতে হবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শেখ মোঃ রাসেল।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় সাংবাদিক এবং সুবিধাভোগী কৃষকগণ।
বিনামূল্যে উন্নত জাতের বীজ ও সার হাতে পেয়ে স্থানীয় কৃষকরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা জানান, সঠিক সময়ে এই সরকারি সহায়তা আউশ চাষে তাদের অনেক উৎসাহিত করবে।

২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৯
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরে প্রধান কর্মকর্তা না থাকায় প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। এতে করে সরকারি সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি উন্নয়ন কাজের গতি কমে যাওয়ায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদটি প্রায় এক মাস ধরে শূন্য রয়েছে। সর্বশেষ ইউএনও ফরিদা সুলতানা গত ২৬ মার্চ বদলিজনিত কারণে দায়িত্ব ত্যাগ করেন। বর্তমানে পাশ্ববর্তী পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইউএনও রওজাতুন জান্নাত অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে দুমকির প্রশাসনিক কার্যক্রম তদারকি করছেন। তবে তিনি সপ্তাহে সীমিত সময় উপস্থিত থাকায় নীতিনির্ধারণী ও জরুরি অনেক কাজ বিলম্বিত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ইউএনও না থাকায় ভূমি, ভ্রাম্যমাণ আদালত, জন্মনিবন্ধনসহ বিভিন্ন জরুরি সেবা পেতে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন ও তদারকিতেও ধীরগতি দেখা দিয়েছে।
এদিকে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদটি প্রায় এক বছর ধরে শূন্য রয়েছে। গত বছরের ১৬ জুলাই বদরুন নাহার ইয়াসমিনের বদলির পর থেকে মির্জাগঞ্জ উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। এতে শিক্ষা খাতে বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজ সময়মতো সম্পন্ন হচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার পদটিও গত বছরের জুন মাস থেকে শূন্য রয়েছে। সর্বশেষ কর্মকর্তা কমল গোপাল দে বিদায়ের পর থেকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার খাদ্য কর্মকর্তা জাকির হোসেন অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন। ফলে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও সরকারি খাদ্য ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়ের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে।
পরিসংখ্যান অফিসেও দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী কর্মকর্তা নেই। উজ্জ্বল কৃষ্ণ ব্যাপারীর বিদায়ের পর গত তিন বছর ধরে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মশিউর রহমান। এতে সঠিক তথ্য সংগ্রহ ও হালনাগাদ কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার পদটি গত বছরের এপ্রিল থেকে শূন্য রয়েছে। সাইফুল ইসলামের বিদায়ের পর থেকে মির্জাগঞ্জ উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে মৎস্য খাতে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ও মাঠ পর্যায়ের তদারকি ব্যাহত হচ্ছে।
উপজেলার নাসিমা কেরামত আলী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাজী মাকসুদুর রহমান বলেন, “জরুরি কাগজপত্রে স্বাক্ষরের জন্য সপ্তাহের পর সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিয়মিত না থাকায় কাজের গতি অনেক কমে গেছে।”
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকায় দাপ্তরিক সমন্বয়হীনতা তৈরি হয়েছে। এতে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং সরকারি সেবার মান উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউএনও রওজাতুন জান্নাত বলেন, “একসঙ্গে দুটি উপজেলা পরিচালনা করতে গিয়ে কিছুটা সীমাবদ্ধতা থাকলেও চেষ্টা করছি সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে।”
জেলা প্রশাসক (ডিসি) ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী জানান, “দুমকিতে ইউএনও পদ শূন্য থাকার বিষয়টি ইতোমধ্যে বিভাগীয় কমিশনারকে জানানো হয়েছে। শিগগিরই পদায়নের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধান হবে বলে আশা করছি। এছাড়া অন্যান্য দপ্তরের শূন্য পদগুলোর বিষয়েও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
এদিকে সচেতন মহল দ্রুত এসব গুরুত্বপূর্ণ পদে স্থায়ী নিয়োগ দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রমের গতি ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরে প্রধান কর্মকর্তা না থাকায় প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। এতে করে সরকারি সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি উন্নয়ন কাজের গতি কমে যাওয়ায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদটি প্রায় এক মাস ধরে শূন্য রয়েছে। সর্বশেষ ইউএনও ফরিদা সুলতানা গত ২৬ মার্চ বদলিজনিত কারণে দায়িত্ব ত্যাগ করেন। বর্তমানে পাশ্ববর্তী পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইউএনও রওজাতুন জান্নাত অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে দুমকির প্রশাসনিক কার্যক্রম তদারকি করছেন। তবে তিনি সপ্তাহে সীমিত সময় উপস্থিত থাকায় নীতিনির্ধারণী ও জরুরি অনেক কাজ বিলম্বিত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ইউএনও না থাকায় ভূমি, ভ্রাম্যমাণ আদালত, জন্মনিবন্ধনসহ বিভিন্ন জরুরি সেবা পেতে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন ও তদারকিতেও ধীরগতি দেখা দিয়েছে।
এদিকে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদটি প্রায় এক বছর ধরে শূন্য রয়েছে। গত বছরের ১৬ জুলাই বদরুন নাহার ইয়াসমিনের বদলির পর থেকে মির্জাগঞ্জ উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। এতে শিক্ষা খাতে বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজ সময়মতো সম্পন্ন হচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার পদটিও গত বছরের জুন মাস থেকে শূন্য রয়েছে। সর্বশেষ কর্মকর্তা কমল গোপাল দে বিদায়ের পর থেকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার খাদ্য কর্মকর্তা জাকির হোসেন অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন। ফলে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও সরকারি খাদ্য ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়ের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে।
পরিসংখ্যান অফিসেও দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী কর্মকর্তা নেই। উজ্জ্বল কৃষ্ণ ব্যাপারীর বিদায়ের পর গত তিন বছর ধরে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মশিউর রহমান। এতে সঠিক তথ্য সংগ্রহ ও হালনাগাদ কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার পদটি গত বছরের এপ্রিল থেকে শূন্য রয়েছে। সাইফুল ইসলামের বিদায়ের পর থেকে মির্জাগঞ্জ উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে মৎস্য খাতে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ও মাঠ পর্যায়ের তদারকি ব্যাহত হচ্ছে।
উপজেলার নাসিমা কেরামত আলী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাজী মাকসুদুর রহমান বলেন, “জরুরি কাগজপত্রে স্বাক্ষরের জন্য সপ্তাহের পর সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নিয়মিত না থাকায় কাজের গতি অনেক কমে গেছে।”
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকায় দাপ্তরিক সমন্বয়হীনতা তৈরি হয়েছে। এতে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং সরকারি সেবার মান উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউএনও রওজাতুন জান্নাত বলেন, “একসঙ্গে দুটি উপজেলা পরিচালনা করতে গিয়ে কিছুটা সীমাবদ্ধতা থাকলেও চেষ্টা করছি সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে।”
জেলা প্রশাসক (ডিসি) ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী জানান, “দুমকিতে ইউএনও পদ শূন্য থাকার বিষয়টি ইতোমধ্যে বিভাগীয় কমিশনারকে জানানো হয়েছে। শিগগিরই পদায়নের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধান হবে বলে আশা করছি। এছাড়া অন্যান্য দপ্তরের শূন্য পদগুলোর বিষয়েও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
এদিকে সচেতন মহল দ্রুত এসব গুরুত্বপূর্ণ পদে স্থায়ী নিয়োগ দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রমের গতি ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.