
১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৩:০১
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী রেহা কবির সিগমা এবং আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ–মুলাদী) আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী আসাদুজ্জামান ফুয়াদ নির্বাচন কমিশনের কাছে নিজেদের ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) তারা রাজধানীর নির্বাচন ভবনে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে পৃথকভাবে লিখিত আবেদন করেন।
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী রেহা কবির সিগমা প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন, নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ এবং মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার আবেদন জমা দেন।
আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে তিনি নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ শুরু করেছেন এবং এতে ব্যাপক জনসমর্থন পাচ্ছেন। তার সঙ্গে বিপুলসংখ্যক কর্মী ও সমর্থক সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। তবে অভিযোগ করে তিনি বলেন, আইনানুগ এই গণসংযোগ কার্যক্রমে ভীতি সৃষ্টি ও বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম থানার পুলিশ ন্যাক্কারজনক তৎপরতা চালাচ্ছে।
তিনি জানান, ১৬ ডিসেম্বর দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে তার এক নিরপরাধ কর্মীকে গ্রেপ্তার করে ভুয়া মামলায় কিশোরগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে। এতে কর্মীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং তার নির্বাচনী কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
গ্রেপ্তারকৃত কর্মী মো. কিয়ামত আলী (৫০) একজন নিরীহ ও এলাকায় জনপ্রিয় ব্যক্তি উল্লেখ করে সিগমা বলেন, তার বিরুদ্ধে আগে কখনো কোনো মামলা বা অভিযোগ ছিল না। ২০২৪ সালের ৯ নভেম্বর দায়ের করা একটি মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছে, যেখানে তিনি এজাহারভুক্ত নন। অষ্টগ্রাম থানার কাছেই বসবাস করলেও গত এক বছরে পুলিশ কখনো তার খোঁজ নেয়নি। এসব বিষয় থেকে স্পষ্ট, পরিকল্পিতভাবে তার কর্মীদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তিনি অবিলম্বে বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আসন্ন নির্বাচনকে সুষ্ঠু, অবাধ ও প্রশ্নাতীত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সিইসির হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে কাজী রেহা কবির সিগমা বলেন, “পুলিশি ভীতির কারণে আমি ও আমার কর্মীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এজন্য নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছি।”
অন্যদিকে, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার নিরাপত্তা-সংক্রান্ত উদ্বেগের বিষয়টি তুলে ধরেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী রেহা কবির সিগমা এবং আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ–মুলাদী) আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী আসাদুজ্জামান ফুয়াদ নির্বাচন কমিশনের কাছে নিজেদের ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) তারা রাজধানীর নির্বাচন ভবনে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে পৃথকভাবে লিখিত আবেদন করেন।
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী রেহা কবির সিগমা প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন, নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ এবং মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার আবেদন জমা দেন।
আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে তিনি নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ শুরু করেছেন এবং এতে ব্যাপক জনসমর্থন পাচ্ছেন। তার সঙ্গে বিপুলসংখ্যক কর্মী ও সমর্থক সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। তবে অভিযোগ করে তিনি বলেন, আইনানুগ এই গণসংযোগ কার্যক্রমে ভীতি সৃষ্টি ও বাধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম থানার পুলিশ ন্যাক্কারজনক তৎপরতা চালাচ্ছে।
তিনি জানান, ১৬ ডিসেম্বর দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে তার এক নিরপরাধ কর্মীকে গ্রেপ্তার করে ভুয়া মামলায় কিশোরগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে। এতে কর্মীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং তার নির্বাচনী কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
গ্রেপ্তারকৃত কর্মী মো. কিয়ামত আলী (৫০) একজন নিরীহ ও এলাকায় জনপ্রিয় ব্যক্তি উল্লেখ করে সিগমা বলেন, তার বিরুদ্ধে আগে কখনো কোনো মামলা বা অভিযোগ ছিল না। ২০২৪ সালের ৯ নভেম্বর দায়ের করা একটি মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছে, যেখানে তিনি এজাহারভুক্ত নন। অষ্টগ্রাম থানার কাছেই বসবাস করলেও গত এক বছরে পুলিশ কখনো তার খোঁজ নেয়নি। এসব বিষয় থেকে স্পষ্ট, পরিকল্পিতভাবে তার কর্মীদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তিনি অবিলম্বে বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আসন্ন নির্বাচনকে সুষ্ঠু, অবাধ ও প্রশ্নাতীত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সিইসির হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে কাজী রেহা কবির সিগমা বলেন, “পুলিশি ভীতির কারণে আমি ও আমার কর্মীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এজন্য নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছি।”
অন্যদিকে, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার নিরাপত্তা-সংক্রান্ত উদ্বেগের বিষয়টি তুলে ধরেন।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০০
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রেখে জাতীয় সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী অধ্যাদেশ বিল ২০২৬ পাস হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে বিলটি পাস হয়।
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রেখে জাতীয় সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী অধ্যাদেশ বিল ২০২৬ পাস হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে বিলটি পাস হয়।

০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৭
বগুড়ার শিবগঞ্জে জানাজায় অংশ নিতে গিয়ে চুরির কবলে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেতা। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার শিবগঞ্জ ইউনিয়নের গুজিয়া বালা বত্রিশ গ্রামে জানাজা চলাকালীন তার ব্যবহৃত পালসার মোটরসাইকেলটি চুরি হয়।
ভুক্তভোগী ইঞ্জিনিয়ার এমএসএ মাহমুদ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বগুড়া জেলা শাখার আহ্বায়ক। এ ঘটনায় তিনি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিবগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ইঞ্জিনিয়ার এমএসএ মাহমুদ তার দুলাভাই ফারুক হোসেনের একটি কালো রঙের ‘পালসার ডাবল ডিস্ক’ মোটরসাইকেল নিয়ে বালা বত্রিশ গ্রামে এক আত্মীয়ের জানাজায় অংশ নিতে যান। মসজিদের পাশে মোটরসাইকেলটি রেখে তিনি নামাজে দাঁড়ান। নামাজ শেষ করে এসে দেখেন নির্ধারিত স্থানে মোটরসাইকেলটি নেই। দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজি করেও সেটির কোনো সন্ধান মেলেনি।
এ বিষয়ে এনসিপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার এমএসএ মাহমুদ বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত চুরি বলে আমার ধারণা। চোর চক্র সম্ভবত আগে থেকেই আমাকে লক্ষ করছিল। দিনের আলোতে জনসমাগমের মধ্যে এমন চুরির ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুজ্জামান শাহীন জানান, মোটরসাইকেল চুরির বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ আমরা পেয়েছি। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং মোটরসাইকেলটি উদ্ধারসহ চোর চক্রকে শনাক্ত করতে অভিযান শুরু হয়েছে।
বগুড়ার শিবগঞ্জে জানাজায় অংশ নিতে গিয়ে চুরির কবলে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেতা। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার শিবগঞ্জ ইউনিয়নের গুজিয়া বালা বত্রিশ গ্রামে জানাজা চলাকালীন তার ব্যবহৃত পালসার মোটরসাইকেলটি চুরি হয়।
ভুক্তভোগী ইঞ্জিনিয়ার এমএসএ মাহমুদ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বগুড়া জেলা শাখার আহ্বায়ক। এ ঘটনায় তিনি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিবগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ইঞ্জিনিয়ার এমএসএ মাহমুদ তার দুলাভাই ফারুক হোসেনের একটি কালো রঙের ‘পালসার ডাবল ডিস্ক’ মোটরসাইকেল নিয়ে বালা বত্রিশ গ্রামে এক আত্মীয়ের জানাজায় অংশ নিতে যান। মসজিদের পাশে মোটরসাইকেলটি রেখে তিনি নামাজে দাঁড়ান। নামাজ শেষ করে এসে দেখেন নির্ধারিত স্থানে মোটরসাইকেলটি নেই। দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজি করেও সেটির কোনো সন্ধান মেলেনি।
এ বিষয়ে এনসিপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার এমএসএ মাহমুদ বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত চুরি বলে আমার ধারণা। চোর চক্র সম্ভবত আগে থেকেই আমাকে লক্ষ করছিল। দিনের আলোতে জনসমাগমের মধ্যে এমন চুরির ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুজ্জামান শাহীন জানান, মোটরসাইকেল চুরির বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ আমরা পেয়েছি। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং মোটরসাইকেলটি উদ্ধারসহ চোর চক্রকে শনাক্ত করতে অভিযান শুরু হয়েছে।

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৩
রাজধানীর মিরপুর চিড়িয়াখানা এলাকা থেকে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিমকে আটক করেছে একদল শিক্ষার্থী। রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে চিড়িয়াখানার সামনে অবস্থানকালে তাকে শিক্ষার্থীরা ঘিরে ধরেন এবং সেখান থেকেই তাকে আটকে রাখা হয়। পরে তাকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহ আলী থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর আলম।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা বলেন, আর এস ফাহিমের বিতর্কিত বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও বিগত সময়ে ছাত্র আন্দোলনের বিপক্ষ অবস্থান বা উসকানিমূলক ভূমিকার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে। আটকের পর শিক্ষার্থীরা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করেন। পরে সেখানে পুলিশের একটি গাড়ি উপস্থিত হয়।
তারা বলেন, তারা ফাহিমকে নিজেদের হেফাজতে রেখে পুলিশকে খবর দিয়েছেন। পুলিশ আসার পর তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শাহ আলী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘মিরপুর চিড়িয়াখানার সামনে থেকে স্থানীয় জনতা তাকে আটকে রেখেছিল। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তার বিরুদ্ধে জুলাইয়ের ঘটনাবলি নিয়ে বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। সেগুলো আমরা খোঁজ নিচ্ছি।’
রাজধানীর মিরপুর চিড়িয়াখানা এলাকা থেকে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিমকে আটক করেছে একদল শিক্ষার্থী। রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে চিড়িয়াখানার সামনে অবস্থানকালে তাকে শিক্ষার্থীরা ঘিরে ধরেন এবং সেখান থেকেই তাকে আটকে রাখা হয়। পরে তাকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহ আলী থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর আলম।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা বলেন, আর এস ফাহিমের বিতর্কিত বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও বিগত সময়ে ছাত্র আন্দোলনের বিপক্ষ অবস্থান বা উসকানিমূলক ভূমিকার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে। আটকের পর শিক্ষার্থীরা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করেন। পরে সেখানে পুলিশের একটি গাড়ি উপস্থিত হয়।
তারা বলেন, তারা ফাহিমকে নিজেদের হেফাজতে রেখে পুলিশকে খবর দিয়েছেন। পুলিশ আসার পর তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শাহ আলী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘মিরপুর চিড়িয়াখানার সামনে থেকে স্থানীয় জনতা তাকে আটকে রেখেছিল। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তার বিরুদ্ধে জুলাইয়ের ঘটনাবলি নিয়ে বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। সেগুলো আমরা খোঁজ নিচ্ছি।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.