
২৭ মে, ২০২৫ ১৫:৫০
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর গত আগস্টে ১৭ কোটি ৩০ লাখ মানুষের দেশটিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ৮৪ বছর বয়সী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এরপর থেকে নানামুখী চাপে পড়ে তার সরকার। আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা একটি অধ্যাদেশের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারীদের বিক্ষোভ চলার মধ্যে আন্দোলন শুরু করেছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা। অসন্তোষ বৃদ্ধি ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে এই বিক্ষোভ চলছে।
সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগে দেশকে একটি রূপান্তরের মধ্য দিয়ে পরিচালিত করার চেষ্টারত অধ্যাপক ড. ইউনূসের সরকার সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক, রাজনৈতিক দল ও সামরিক বাহিনীর চাপের মুখে পড়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে দীর্ঘ প্রক্রিয়া ছাড়াই অসদাচরণের জন্য সরকারি কর্মচারীদের বরখাস্ত করার সুযোগ দিয়ে রবিবার একটি অধ্যাদেশ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
সরকারি কর্মচারীরা এই অধ্যাদেশকে ‘দমনমূলক’ আখ্যা দিয়ে এবং তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবিতে সোমবার টানা তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করেন। অন্যদিকে বেতন বাড়ানোর দাবিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হাজার হাজার শিক্ষক সোমবার থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেন।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে অন্তর্বর্তী সরকার রাজস্ব সংস্থাটি ভেঙে দিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুটি বিভাগ স্থাপনের আদেশ রবিবার প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়। এরপর ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়।
রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা আরও তীব্র হয় যখন গত সপ্তাহে শীর্ষস্থানীয় এক ছাত্রনেতা বলেন, অধ্যাপক ইউনূস বলেছেন সংস্কার ও নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হতে না পারলে তিনি পদত্যাগ করতে পারেন।
তবে অধ্যাপক ইউনূস সরকারের পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ জানান, প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করছেন না। শনিবার তিনি বলেন, ‘আমাদের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা কোথাও যাচ্ছি না।’
পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, অধ্যাপক ইউনূস প্রতিবন্ধকতাগুলো স্বীকার করেছেন, কিন্তু সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছেন।
অন্তর্বর্তী সরকার দ্রুত সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং সংস্কার শেষ করা- দুই পক্ষের এই দুই দাবির মধ্যে পড়েছে। অধ্যাপক ইউনূস বলেছেন, ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে নির্বাচন হতে পারে। অন্যদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের জন্য চাপ দিচ্ছে।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান গত সপ্তাহে এক ভাষণে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ডিসেম্বরে নির্বাচন হওয়া উচিত বললে চাপ আরও বাড়ে।
অধ্যাপক ইউনূস শনিবার তার উপদেষ্টা পরিষদের অনির্ধারিত সভা করেন। ওই দিনই বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং ছাত্র নেতৃত্বাধীন জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) দেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে তিনি বৈঠক করেন। অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারাও তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম রবিবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা যুদ্ধের মতো পরিস্থিতিতে আছি।’ তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার পর বিভিন্নভাবে আমাদের অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। আমাদের এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’
শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগের নিবন্ধন এই মাসে স্থগিত করা হয়েছে। এতে কার্যত দলটি পরবর্তী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে না।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর গত আগস্টে ১৭ কোটি ৩০ লাখ মানুষের দেশটিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ৮৪ বছর বয়সী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এরপর থেকে নানামুখী চাপে পড়ে তার সরকার। আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা একটি অধ্যাদেশের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারীদের বিক্ষোভ চলার মধ্যে আন্দোলন শুরু করেছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা। অসন্তোষ বৃদ্ধি ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে এই বিক্ষোভ চলছে।
সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগে দেশকে একটি রূপান্তরের মধ্য দিয়ে পরিচালিত করার চেষ্টারত অধ্যাপক ড. ইউনূসের সরকার সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক, রাজনৈতিক দল ও সামরিক বাহিনীর চাপের মুখে পড়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে দীর্ঘ প্রক্রিয়া ছাড়াই অসদাচরণের জন্য সরকারি কর্মচারীদের বরখাস্ত করার সুযোগ দিয়ে রবিবার একটি অধ্যাদেশ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
সরকারি কর্মচারীরা এই অধ্যাদেশকে ‘দমনমূলক’ আখ্যা দিয়ে এবং তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবিতে সোমবার টানা তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করেন। অন্যদিকে বেতন বাড়ানোর দাবিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হাজার হাজার শিক্ষক সোমবার থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেন।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে অন্তর্বর্তী সরকার রাজস্ব সংস্থাটি ভেঙে দিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুটি বিভাগ স্থাপনের আদেশ রবিবার প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়। এরপর ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়।
রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা আরও তীব্র হয় যখন গত সপ্তাহে শীর্ষস্থানীয় এক ছাত্রনেতা বলেন, অধ্যাপক ইউনূস বলেছেন সংস্কার ও নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হতে না পারলে তিনি পদত্যাগ করতে পারেন।
তবে অধ্যাপক ইউনূস সরকারের পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ জানান, প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করছেন না। শনিবার তিনি বলেন, ‘আমাদের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা কোথাও যাচ্ছি না।’
পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, অধ্যাপক ইউনূস প্রতিবন্ধকতাগুলো স্বীকার করেছেন, কিন্তু সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছেন।
অন্তর্বর্তী সরকার দ্রুত সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং সংস্কার শেষ করা- দুই পক্ষের এই দুই দাবির মধ্যে পড়েছে। অধ্যাপক ইউনূস বলেছেন, ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে নির্বাচন হতে পারে। অন্যদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের জন্য চাপ দিচ্ছে।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান গত সপ্তাহে এক ভাষণে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ডিসেম্বরে নির্বাচন হওয়া উচিত বললে চাপ আরও বাড়ে।
অধ্যাপক ইউনূস শনিবার তার উপদেষ্টা পরিষদের অনির্ধারিত সভা করেন। ওই দিনই বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং ছাত্র নেতৃত্বাধীন জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) দেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে তিনি বৈঠক করেন। অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারাও তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম রবিবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা যুদ্ধের মতো পরিস্থিতিতে আছি।’ তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার পর বিভিন্নভাবে আমাদের অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। আমাদের এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’
শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগের নিবন্ধন এই মাসে স্থগিত করা হয়েছে। এতে কার্যত দলটি পরবর্তী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে না।

২২ মে, ২০২৬ ২১:৩৬
৯০ দশকের শুরুতে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করেন প্রযোজক, টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব ও খিলাড়িখ্যাত অভিনেতা অক্ষয় কুমার। তিনি এখন পর্যন্ত ১০০টিরও বেশি হিন্দি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। দীর্ঘ তিন দশকের ক্যারিয়ারে অ্যাকশন, কমেডি ও সামাজিক সচেতনতামূলক সিনেমায় অভিনয়ের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বলিউড অঙ্গনে তাকে 'খিলাড়ি কুমার' হিসেবে ডাকা হয়।
এর আগে কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী একটি সরকারি স্কুলে এক কোটি রুপি অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন অক্ষয় কুমার। সম্প্রতি সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ দিয়েছেন তিনি। এ অনুদানের মাধ্যমে স্কুলটিতে আধুনিক শিক্ষা ভবন, নতুন ক্লাশরুম, লাইব্রেরি ও কম্পিউটার ল্যাব নির্মাণ করা হয়েছে, যার ফলে সেখানকার শিক্ষার্থীরা দারুণ উপকৃত হচ্ছে।
জম্মু ও কাশ্মীরের বান্দিপোরা জেলার গুরেজ উপত্যকার প্রত্যন্ত সীমান্ত গ্রাম নেরো তুলাইলে অবস্থিত এ সরকারি স্কুল একসময় জোরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। শিক্ষা উপকরণের অভাবে পাঠদানে ভাটা পড়েছিল। অভিনেতা অক্ষয় কুমারের উদারতায় আজ সেই স্কুলের শিক্ষার্থীদের মুখে হাসির ফোয়ারা ফুটেছে।
যদিও এ খিলাড়িখ্যাত অভিনেতার এ মানবিক গুণাবলির পরিচয় এর আগেও পেয়েছে বলিউড। বিভিন্ন সময় তিনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। সেই তালিকায় যোগ হলো নতুন উদাহরণ। কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী গ্রাম নেরো তুলাইলে সরকারি স্কুলে এক কোটি টাকা অনুদান দিলেন অক্ষয় কুমার।
অভিনেতার দেওয়া অনুদানেই স্কুলের নতুন ভবন তৈরি হয়েছে। ২০২১ সালে অক্ষয় বিএসএফের আমন্ত্রণে সীমান্তে কর্মরত জওয়ানদের সঙ্গে দেখা করতে কাশ্মীরে গিয়েছিলেন। সেই সময় তিনি উত্তর কাশ্মীরের এই নেরো গ্রামে যান। সেখানে গিয়ে স্কুলের বেহাল অবস্থা এবং পড়ুয়াদের সমস্যার কথা দেখে তিনি এক কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
পাঁচ বছর পর কথা রাখলেন অভিনেতা। অক্ষয়ের অনুদানে তৈরি হওয়া নতুন ভবনের নাম রাখা হয়েছে 'শ্রী হরি ওম ভাটিয়া এডুকেশন ব্লক'। অক্ষয়ের বাবা প্রয়াত হরি ওম ভাটিয়ার স্মৃতিতে তৈরি করা হয়েছে এ নতুন ভবন।
সেই ভবনে রয়েছে আধুনিক শ্রেণিকক্ষ, কম্পিউটার ল্যাব, লাইব্রেরি এবং শিক্ষকদের জন্য আলাদা অফিস স্পেস। পাশাপাশি মিড-ডে মিল প্রকল্পের সুবিধাও উন্নত করা হয়েছে।
৯০ দশকের শুরুতে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করেন প্রযোজক, টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব ও খিলাড়িখ্যাত অভিনেতা অক্ষয় কুমার। তিনি এখন পর্যন্ত ১০০টিরও বেশি হিন্দি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। দীর্ঘ তিন দশকের ক্যারিয়ারে অ্যাকশন, কমেডি ও সামাজিক সচেতনতামূলক সিনেমায় অভিনয়ের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বলিউড অঙ্গনে তাকে 'খিলাড়ি কুমার' হিসেবে ডাকা হয়।
এর আগে কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী একটি সরকারি স্কুলে এক কোটি রুপি অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন অক্ষয় কুমার। সম্প্রতি সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ দিয়েছেন তিনি। এ অনুদানের মাধ্যমে স্কুলটিতে আধুনিক শিক্ষা ভবন, নতুন ক্লাশরুম, লাইব্রেরি ও কম্পিউটার ল্যাব নির্মাণ করা হয়েছে, যার ফলে সেখানকার শিক্ষার্থীরা দারুণ উপকৃত হচ্ছে।
জম্মু ও কাশ্মীরের বান্দিপোরা জেলার গুরেজ উপত্যকার প্রত্যন্ত সীমান্ত গ্রাম নেরো তুলাইলে অবস্থিত এ সরকারি স্কুল একসময় জোরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। শিক্ষা উপকরণের অভাবে পাঠদানে ভাটা পড়েছিল। অভিনেতা অক্ষয় কুমারের উদারতায় আজ সেই স্কুলের শিক্ষার্থীদের মুখে হাসির ফোয়ারা ফুটেছে।
যদিও এ খিলাড়িখ্যাত অভিনেতার এ মানবিক গুণাবলির পরিচয় এর আগেও পেয়েছে বলিউড। বিভিন্ন সময় তিনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। সেই তালিকায় যোগ হলো নতুন উদাহরণ। কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী গ্রাম নেরো তুলাইলে সরকারি স্কুলে এক কোটি টাকা অনুদান দিলেন অক্ষয় কুমার।
অভিনেতার দেওয়া অনুদানেই স্কুলের নতুন ভবন তৈরি হয়েছে। ২০২১ সালে অক্ষয় বিএসএফের আমন্ত্রণে সীমান্তে কর্মরত জওয়ানদের সঙ্গে দেখা করতে কাশ্মীরে গিয়েছিলেন। সেই সময় তিনি উত্তর কাশ্মীরের এই নেরো গ্রামে যান। সেখানে গিয়ে স্কুলের বেহাল অবস্থা এবং পড়ুয়াদের সমস্যার কথা দেখে তিনি এক কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
পাঁচ বছর পর কথা রাখলেন অভিনেতা। অক্ষয়ের অনুদানে তৈরি হওয়া নতুন ভবনের নাম রাখা হয়েছে 'শ্রী হরি ওম ভাটিয়া এডুকেশন ব্লক'। অক্ষয়ের বাবা প্রয়াত হরি ওম ভাটিয়ার স্মৃতিতে তৈরি করা হয়েছে এ নতুন ভবন।
সেই ভবনে রয়েছে আধুনিক শ্রেণিকক্ষ, কম্পিউটার ল্যাব, লাইব্রেরি এবং শিক্ষকদের জন্য আলাদা অফিস স্পেস। পাশাপাশি মিড-ডে মিল প্রকল্পের সুবিধাও উন্নত করা হয়েছে।

২২ মে, ২০২৬ ২১:১৪
উন্নত জীবন আর ভালো বেতনের আশায় মাদারীপুর সদরের এক যুবক রাশিয়া গিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই যুবকের এক বন্ধু হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে দেশে থাকা স্বজনদের মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন বলে জানান মাদারীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আল-নোমান।
নিহত সুরুজ কাজী (৩০) সদর উপজেলার দক্ষিণ খাগছড়া গ্রামের শাহাবুদ্দিন কাজীর ছেলে। দালালের মাধ্যমে সুরুজ রাশিয়ায় গিয়ে দেশটির সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য হন বলে দাবি স্বজনদের।
শুক্রবার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বলেন, “রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধ করতে গিয়ে সুরুজ নামের এক যুবক মারা গেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তার লাশ দেশে কীভাবে আনা যায়, সে বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ সহযোগিতা করব।”
সুরুজের বড় বোন শারমিন আক্তার বলেন, “প্রায় ১০ মাস আগে সুরুজকে রাশিয়ার একটি কোম্পানিতে ভালো বেতনের চাকরি দেওয়ার কথা বলেন একই গ্রামের দিলু মাতুব্বর ও ঢাকার জাফর মাতুব্বর। তাদের আশ্বাসে ও চুক্তির ভিত্তিতে আট লাখ টাকা দালালদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর জাফর মাতুব্বরের এজেন্সির মাধ্যমে রাশিয়ায় পাড়ি জমান সুরুজ।
“সেখানে পৌঁছানোর পর সুরুজ জানতে পারে, সে দালালের প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে চুক্তিতে সই করে রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে যোগ দেয় সুরুজ। পরে তাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সম্মুখ সারিতে।”
তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে রাশিয়া থেকে হোয়াটসঅ্যাপে একটি ভিডিও বার্তায় সুরুজের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন একই গ্রামের বাসিন্দা ও তার সহপাঠী সাব্বির মাতুব্বর। ভিডিওতে যুদ্ধক্ষেত্রের ভয়াবহতার পাশাপাশি ড্রোন হামলা ও মাইন বিস্ফোরণে সুরুজের মৃত্যুর বিষয়টি জানানো হয়।
শারমিন আক্তার ক্ষোভ ও আহাজারি করে বলেন, “আমার ভাইরে দিলু দালাল আর ঢাকার জাফর দালাল মিল্লা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে সেনাবাহিনীর কাছে বেইচ্চা হালাইছে। আমি ওই দালালদের ফাঁসি চাই, আমার ভাইরে ফেরত চাই।”
এ বিষয়ে জানতে দিলু মাতুব্বর ও জাফর মাতুব্বরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি। এমনকি তাদের মোবাইল নম্বরও বন্ধ পাওয়া যায়।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আল-নোমান বলেন, “নিহত যুবক কীভাবে রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে যোগ দিলেন তা আমাদের জানা নেই। প্রবাসী অধ্যুষিত ওই এলাকা থেকে অনেকেই রাশিয়ায় গিয়ে যুদ্ধে জড়িয়েছেন। আমরা মনে করি এটি একটি ফাঁদ।”
এ ফাঁদে না পড়তে অভিবাসন প্রত্যাশীদের সর্তক থাকতে অনুরোধ জানান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক।
বরিশাল টাইমস
উন্নত জীবন আর ভালো বেতনের আশায় মাদারীপুর সদরের এক যুবক রাশিয়া গিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই যুবকের এক বন্ধু হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে দেশে থাকা স্বজনদের মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন বলে জানান মাদারীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আল-নোমান।
নিহত সুরুজ কাজী (৩০) সদর উপজেলার দক্ষিণ খাগছড়া গ্রামের শাহাবুদ্দিন কাজীর ছেলে। দালালের মাধ্যমে সুরুজ রাশিয়ায় গিয়ে দেশটির সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য হন বলে দাবি স্বজনদের।
শুক্রবার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বলেন, “রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধ করতে গিয়ে সুরুজ নামের এক যুবক মারা গেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তার লাশ দেশে কীভাবে আনা যায়, সে বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ সহযোগিতা করব।”
সুরুজের বড় বোন শারমিন আক্তার বলেন, “প্রায় ১০ মাস আগে সুরুজকে রাশিয়ার একটি কোম্পানিতে ভালো বেতনের চাকরি দেওয়ার কথা বলেন একই গ্রামের দিলু মাতুব্বর ও ঢাকার জাফর মাতুব্বর। তাদের আশ্বাসে ও চুক্তির ভিত্তিতে আট লাখ টাকা দালালদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর জাফর মাতুব্বরের এজেন্সির মাধ্যমে রাশিয়ায় পাড়ি জমান সুরুজ।
“সেখানে পৌঁছানোর পর সুরুজ জানতে পারে, সে দালালের প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে চুক্তিতে সই করে রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে যোগ দেয় সুরুজ। পরে তাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সম্মুখ সারিতে।”
তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে রাশিয়া থেকে হোয়াটসঅ্যাপে একটি ভিডিও বার্তায় সুরুজের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন একই গ্রামের বাসিন্দা ও তার সহপাঠী সাব্বির মাতুব্বর। ভিডিওতে যুদ্ধক্ষেত্রের ভয়াবহতার পাশাপাশি ড্রোন হামলা ও মাইন বিস্ফোরণে সুরুজের মৃত্যুর বিষয়টি জানানো হয়।
শারমিন আক্তার ক্ষোভ ও আহাজারি করে বলেন, “আমার ভাইরে দিলু দালাল আর ঢাকার জাফর দালাল মিল্লা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে সেনাবাহিনীর কাছে বেইচ্চা হালাইছে। আমি ওই দালালদের ফাঁসি চাই, আমার ভাইরে ফেরত চাই।”
এ বিষয়ে জানতে দিলু মাতুব্বর ও জাফর মাতুব্বরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি। এমনকি তাদের মোবাইল নম্বরও বন্ধ পাওয়া যায়।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আল-নোমান বলেন, “নিহত যুবক কীভাবে রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে যোগ দিলেন তা আমাদের জানা নেই। প্রবাসী অধ্যুষিত ওই এলাকা থেকে অনেকেই রাশিয়ায় গিয়ে যুদ্ধে জড়িয়েছেন। আমরা মনে করি এটি একটি ফাঁদ।”
এ ফাঁদে না পড়তে অভিবাসন প্রত্যাশীদের সর্তক থাকতে অনুরোধ জানান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক।
বরিশাল টাইমস

০১ মে, ২০২৬ ১৪:৪৫
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ শেষে এক্সিট পোল প্রকাশ ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতেই তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইভিএম স্ট্রং রুমে কারচুপির গুরুতর অভিযোগ তুলে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে ইভিএম নিয়ে অনিয়ম হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘স্ট্রং রুমে ইভিএম রাখা হয়েছে। আমরা সিসিটিভিতে নজর রেখে দেখেছি, অনেক জায়গায় কারচুপি হচ্ছে। তাই আমারও সেখানে যাওয়া উচিত মনে হয়েছে।’
তিনি আরও দাবি করেন, প্রথমে কেন্দ্রীয় বাহিনী তাকে স্ট্রং রুমে প্রবেশ করতে বাধা দেয়। তবে নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী প্রার্থী ও এজেন্টদের সেখানে যাওয়ার অধিকার রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মমতার অভিযোগ, ‘আমাদের এজেন্টদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একপেশে আচরণ চলছে। তারপরও যদি কেউ ইভিএম মেশিন বা ভোট গণনায় কারচুপির চেষ্টা করে, তাহলে আমরা প্রাণ দিয়ে লড়াই করব।’
এদিকে, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল এই অভিযোগ খারিজ করে জানিয়েছেন, স্ট্রং রুমে কোনও কারচুপি হয়নি। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুরের প্রার্থী হিসেবে দক্ষিণ কলকাতার স্ট্রং রুমে যেতে পারেন, তবে উত্তর কলকাতার ক্ষেত্রে সেই অধিকার প্রযোজ্য নয়।
উল্লেখ্য, কলকাতার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে ভোট গণনার প্রস্তুতি চলছে এবং আগামী ৪ মে ফল ঘোষণা করা হবে। এর মধ্যেই স্ট্রং রুম পরিদর্শন ও অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে।
স্টেডিয়ামের সামনে তৃণমূল নেতাদের সমাগম এবং ধারাবাহিক অভিযোগে পরিস্থিতি উত্তপ্ত রয়েছে।
অন্যদিকে দলীয় কর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ‘ভোট চুরি করার চেষ্টা হলে আমরা কোনোভাবেই চুপ করে থাকব না।’
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ শেষে এক্সিট পোল প্রকাশ ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতেই তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইভিএম স্ট্রং রুমে কারচুপির গুরুতর অভিযোগ তুলে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে ইভিএম নিয়ে অনিয়ম হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘স্ট্রং রুমে ইভিএম রাখা হয়েছে। আমরা সিসিটিভিতে নজর রেখে দেখেছি, অনেক জায়গায় কারচুপি হচ্ছে। তাই আমারও সেখানে যাওয়া উচিত মনে হয়েছে।’
তিনি আরও দাবি করেন, প্রথমে কেন্দ্রীয় বাহিনী তাকে স্ট্রং রুমে প্রবেশ করতে বাধা দেয়। তবে নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী প্রার্থী ও এজেন্টদের সেখানে যাওয়ার অধিকার রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মমতার অভিযোগ, ‘আমাদের এজেন্টদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একপেশে আচরণ চলছে। তারপরও যদি কেউ ইভিএম মেশিন বা ভোট গণনায় কারচুপির চেষ্টা করে, তাহলে আমরা প্রাণ দিয়ে লড়াই করব।’
এদিকে, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল এই অভিযোগ খারিজ করে জানিয়েছেন, স্ট্রং রুমে কোনও কারচুপি হয়নি। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুরের প্রার্থী হিসেবে দক্ষিণ কলকাতার স্ট্রং রুমে যেতে পারেন, তবে উত্তর কলকাতার ক্ষেত্রে সেই অধিকার প্রযোজ্য নয়।
উল্লেখ্য, কলকাতার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে ভোট গণনার প্রস্তুতি চলছে এবং আগামী ৪ মে ফল ঘোষণা করা হবে। এর মধ্যেই স্ট্রং রুম পরিদর্শন ও অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে।
স্টেডিয়ামের সামনে তৃণমূল নেতাদের সমাগম এবং ধারাবাহিক অভিযোগে পরিস্থিতি উত্তপ্ত রয়েছে।
অন্যদিকে দলীয় কর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ‘ভোট চুরি করার চেষ্টা হলে আমরা কোনোভাবেই চুপ করে থাকব না।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.