
২৭ মে, ২০২৫ ১৫:৫০
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর গত আগস্টে ১৭ কোটি ৩০ লাখ মানুষের দেশটিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ৮৪ বছর বয়সী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এরপর থেকে নানামুখী চাপে পড়ে তার সরকার। আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা একটি অধ্যাদেশের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারীদের বিক্ষোভ চলার মধ্যে আন্দোলন শুরু করেছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা। অসন্তোষ বৃদ্ধি ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে এই বিক্ষোভ চলছে।
সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগে দেশকে একটি রূপান্তরের মধ্য দিয়ে পরিচালিত করার চেষ্টারত অধ্যাপক ড. ইউনূসের সরকার সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক, রাজনৈতিক দল ও সামরিক বাহিনীর চাপের মুখে পড়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে দীর্ঘ প্রক্রিয়া ছাড়াই অসদাচরণের জন্য সরকারি কর্মচারীদের বরখাস্ত করার সুযোগ দিয়ে রবিবার একটি অধ্যাদেশ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
সরকারি কর্মচারীরা এই অধ্যাদেশকে ‘দমনমূলক’ আখ্যা দিয়ে এবং তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবিতে সোমবার টানা তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করেন। অন্যদিকে বেতন বাড়ানোর দাবিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হাজার হাজার শিক্ষক সোমবার থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেন।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে অন্তর্বর্তী সরকার রাজস্ব সংস্থাটি ভেঙে দিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুটি বিভাগ স্থাপনের আদেশ রবিবার প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়। এরপর ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়।
রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা আরও তীব্র হয় যখন গত সপ্তাহে শীর্ষস্থানীয় এক ছাত্রনেতা বলেন, অধ্যাপক ইউনূস বলেছেন সংস্কার ও নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হতে না পারলে তিনি পদত্যাগ করতে পারেন।
তবে অধ্যাপক ইউনূস সরকারের পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ জানান, প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করছেন না। শনিবার তিনি বলেন, ‘আমাদের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা কোথাও যাচ্ছি না।’
পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, অধ্যাপক ইউনূস প্রতিবন্ধকতাগুলো স্বীকার করেছেন, কিন্তু সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছেন।
অন্তর্বর্তী সরকার দ্রুত সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং সংস্কার শেষ করা- দুই পক্ষের এই দুই দাবির মধ্যে পড়েছে। অধ্যাপক ইউনূস বলেছেন, ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে নির্বাচন হতে পারে। অন্যদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের জন্য চাপ দিচ্ছে।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান গত সপ্তাহে এক ভাষণে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ডিসেম্বরে নির্বাচন হওয়া উচিত বললে চাপ আরও বাড়ে।
অধ্যাপক ইউনূস শনিবার তার উপদেষ্টা পরিষদের অনির্ধারিত সভা করেন। ওই দিনই বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং ছাত্র নেতৃত্বাধীন জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) দেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে তিনি বৈঠক করেন। অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারাও তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম রবিবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা যুদ্ধের মতো পরিস্থিতিতে আছি।’ তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার পর বিভিন্নভাবে আমাদের অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। আমাদের এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’
শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগের নিবন্ধন এই মাসে স্থগিত করা হয়েছে। এতে কার্যত দলটি পরবর্তী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে না।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর গত আগস্টে ১৭ কোটি ৩০ লাখ মানুষের দেশটিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ৮৪ বছর বয়সী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এরপর থেকে নানামুখী চাপে পড়ে তার সরকার। আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা একটি অধ্যাদেশের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারীদের বিক্ষোভ চলার মধ্যে আন্দোলন শুরু করেছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা। অসন্তোষ বৃদ্ধি ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে এই বিক্ষোভ চলছে।
সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগে দেশকে একটি রূপান্তরের মধ্য দিয়ে পরিচালিত করার চেষ্টারত অধ্যাপক ড. ইউনূসের সরকার সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক, রাজনৈতিক দল ও সামরিক বাহিনীর চাপের মুখে পড়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে দীর্ঘ প্রক্রিয়া ছাড়াই অসদাচরণের জন্য সরকারি কর্মচারীদের বরখাস্ত করার সুযোগ দিয়ে রবিবার একটি অধ্যাদেশ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
সরকারি কর্মচারীরা এই অধ্যাদেশকে ‘দমনমূলক’ আখ্যা দিয়ে এবং তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবিতে সোমবার টানা তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করেন। অন্যদিকে বেতন বাড়ানোর দাবিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হাজার হাজার শিক্ষক সোমবার থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেন।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে অন্তর্বর্তী সরকার রাজস্ব সংস্থাটি ভেঙে দিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুটি বিভাগ স্থাপনের আদেশ রবিবার প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়। এরপর ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়।
রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা আরও তীব্র হয় যখন গত সপ্তাহে শীর্ষস্থানীয় এক ছাত্রনেতা বলেন, অধ্যাপক ইউনূস বলেছেন সংস্কার ও নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হতে না পারলে তিনি পদত্যাগ করতে পারেন।
তবে অধ্যাপক ইউনূস সরকারের পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ জানান, প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করছেন না। শনিবার তিনি বলেন, ‘আমাদের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা কোথাও যাচ্ছি না।’
পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, অধ্যাপক ইউনূস প্রতিবন্ধকতাগুলো স্বীকার করেছেন, কিন্তু সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছেন।
অন্তর্বর্তী সরকার দ্রুত সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং সংস্কার শেষ করা- দুই পক্ষের এই দুই দাবির মধ্যে পড়েছে। অধ্যাপক ইউনূস বলেছেন, ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে নির্বাচন হতে পারে। অন্যদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের জন্য চাপ দিচ্ছে।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান গত সপ্তাহে এক ভাষণে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ডিসেম্বরে নির্বাচন হওয়া উচিত বললে চাপ আরও বাড়ে।
অধ্যাপক ইউনূস শনিবার তার উপদেষ্টা পরিষদের অনির্ধারিত সভা করেন। ওই দিনই বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং ছাত্র নেতৃত্বাধীন জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) দেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে তিনি বৈঠক করেন। অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারাও তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম রবিবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা যুদ্ধের মতো পরিস্থিতিতে আছি।’ তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার পর বিভিন্নভাবে আমাদের অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। আমাদের এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’
শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগের নিবন্ধন এই মাসে স্থগিত করা হয়েছে। এতে কার্যত দলটি পরবর্তী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে না।
১৮ জুলাই, ২০২৬ ০২:৩৩
১৭ জুলাই, ২০২৬ ২০:৩৭
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১৮:০৮
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১৪:১৭

১১ জুলাই, ২০২৬ ১৩:৫৮
ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের রাঙ্গা রেড্ডি জেলায় লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। জামিনে বেরিয়ে ৩৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার পর তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তোলা কিশোরীকেও নির্মমভাবে খুন করেছে।
অভিযুক্ত রাজকুমার শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে শাবাদের নিজ বাড়িতে তার ৩০ বছর বয়সী স্ত্রী পার্বতী সরিতা এবং তাদের ৪ ও ১ বছর বয়সী দুই ছেলেকে হত্যা করে। এরপর সে ১৭ বছর বয়সী সেই কিশোরীর বাড়িতে যায়। গত ১৬ মে তার বিরুদ্ধে পকসো আইনে অভিযোগ দায়ের করেছিল ওই কিশোরী।
রাজকুমার মেয়েটিকে গাড়িতে করে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে। পরে সে মেয়েটির ৪৫ বছর বয়সী মা ও ৬৫ বছর বয়সী নানিকেও খুন করে। ওই বাড়িতে মেয়েটির ২০ বছর বয়সী এক শারীরিক প্রতিবন্ধী বোনও উপস্থিত ছিল, তবে তাকে অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেছে।
হত্যাকাণ্ডের পর রাজকুমার তার বাবাকে ফোন করে খুনের কথা স্বীকার করে। জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা তরুণ যোশি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে জানান, ‘সে তার বাবাকে ফোন করে বলেছিল, আমি এটা করেছি। আমি তাদের হত্যা করেছি। এরপর সে ফোন বন্ধ করে দেয়। সে আত্মহত্যার কথাও বলেছিল, তবে তার কোনও সত্যতা এখনও মেলেনি।’
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, ‘অভিযুক্ত বর্তমানে পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে।’
জানা গেছে, ২০১৮ সালে রাজকুমার ও পার্বতীর বিয়ে হয়। তাদের তিনটি সন্তান ছিল, যার মধ্যে প্রথম কন্যাশিশু শৈশবেই মারা যায়। গত মে মাসে এক কিশোরীকে উত্ত্যক্ত ও যৌন হয়রানির অভিযোগে রাজকুমার গ্রেপ্তার হয়েছিল। যোশি জানান, ‘অভিযুক্ত রাজকুমার মেয়েটিকে কোচিং সেন্টার থেকে বাড়ি ফেরার পথে অনুসরণ করত এবং প্রেমের প্রস্তাব গ্রহণ করতে চাপ দিত।’
পুলিশ জানায়, ওই মামলার পর রাজকুমার পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। তবে মামলার ধারাগুলোতে সাত বছরের কম সাজার বিধান থাকায় গত সপ্তাহে আদালত তাকে ২০ হাজার টাকার বন্ডে আগাম জামিন দেয়। ঘটনার পর জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রাজকুমারের আচরণে সমস্যা ছিল। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তাকে কাউন্সেলিংয়ের জন্য দু-তিনবার ডেকেছিলাম। তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছে যে তার মানসিক অবস্থা স্থিতিশীল ছিল না। এছাড়া জুয়া খেলার অভ্যাস ছিল এবং তার অনেক ঋণও ছিল।’
নিহতের আত্মীয়রা জানান, বাড়িতে পার্বতীর লাশের পাশে ধস্তাধস্তির চিহ্ন পাওয়া গেলেও দুই শিশুকে সম্ভবত ঘুমের মধ্যেই হত্যা করা হয়েছে। ঘরগুলোর দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল এবং ফ্যান, এসি ও কুলার চালু অবস্থায় পাওয়া যায়। পরিবারের সদস্যদের দাবি, ঘটনার আগে তাদের মধ্যে কোনো বড় বিবাদ হয়নি। আগের দিন সন্ধ্যায়ও পার্বতী আত্মীয়দের সঙ্গে স্বাভাবিক কথা বলেছিল।’
ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের রাঙ্গা রেড্ডি জেলায় লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। জামিনে বেরিয়ে ৩৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার পর তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তোলা কিশোরীকেও নির্মমভাবে খুন করেছে।
অভিযুক্ত রাজকুমার শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে শাবাদের নিজ বাড়িতে তার ৩০ বছর বয়সী স্ত্রী পার্বতী সরিতা এবং তাদের ৪ ও ১ বছর বয়সী দুই ছেলেকে হত্যা করে। এরপর সে ১৭ বছর বয়সী সেই কিশোরীর বাড়িতে যায়। গত ১৬ মে তার বিরুদ্ধে পকসো আইনে অভিযোগ দায়ের করেছিল ওই কিশোরী।
রাজকুমার মেয়েটিকে গাড়িতে করে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে। পরে সে মেয়েটির ৪৫ বছর বয়সী মা ও ৬৫ বছর বয়সী নানিকেও খুন করে। ওই বাড়িতে মেয়েটির ২০ বছর বয়সী এক শারীরিক প্রতিবন্ধী বোনও উপস্থিত ছিল, তবে তাকে অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেছে।
হত্যাকাণ্ডের পর রাজকুমার তার বাবাকে ফোন করে খুনের কথা স্বীকার করে। জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা তরুণ যোশি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে জানান, ‘সে তার বাবাকে ফোন করে বলেছিল, আমি এটা করেছি। আমি তাদের হত্যা করেছি। এরপর সে ফোন বন্ধ করে দেয়। সে আত্মহত্যার কথাও বলেছিল, তবে তার কোনও সত্যতা এখনও মেলেনি।’
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, ‘অভিযুক্ত বর্তমানে পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে।’
জানা গেছে, ২০১৮ সালে রাজকুমার ও পার্বতীর বিয়ে হয়। তাদের তিনটি সন্তান ছিল, যার মধ্যে প্রথম কন্যাশিশু শৈশবেই মারা যায়। গত মে মাসে এক কিশোরীকে উত্ত্যক্ত ও যৌন হয়রানির অভিযোগে রাজকুমার গ্রেপ্তার হয়েছিল। যোশি জানান, ‘অভিযুক্ত রাজকুমার মেয়েটিকে কোচিং সেন্টার থেকে বাড়ি ফেরার পথে অনুসরণ করত এবং প্রেমের প্রস্তাব গ্রহণ করতে চাপ দিত।’
পুলিশ জানায়, ওই মামলার পর রাজকুমার পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। তবে মামলার ধারাগুলোতে সাত বছরের কম সাজার বিধান থাকায় গত সপ্তাহে আদালত তাকে ২০ হাজার টাকার বন্ডে আগাম জামিন দেয়। ঘটনার পর জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রাজকুমারের আচরণে সমস্যা ছিল। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তাকে কাউন্সেলিংয়ের জন্য দু-তিনবার ডেকেছিলাম। তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছে যে তার মানসিক অবস্থা স্থিতিশীল ছিল না। এছাড়া জুয়া খেলার অভ্যাস ছিল এবং তার অনেক ঋণও ছিল।’
নিহতের আত্মীয়রা জানান, বাড়িতে পার্বতীর লাশের পাশে ধস্তাধস্তির চিহ্ন পাওয়া গেলেও দুই শিশুকে সম্ভবত ঘুমের মধ্যেই হত্যা করা হয়েছে। ঘরগুলোর দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল এবং ফ্যান, এসি ও কুলার চালু অবস্থায় পাওয়া যায়। পরিবারের সদস্যদের দাবি, ঘটনার আগে তাদের মধ্যে কোনো বড় বিবাদ হয়নি। আগের দিন সন্ধ্যায়ও পার্বতী আত্মীয়দের সঙ্গে স্বাভাবিক কথা বলেছিল।’

২২ জুন, ২০২৬ ১৪:৪৬
বলিউডের বহুল আলোচিত সিনেমা ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ ঘিরে জটিলতা যেন কাটছেই না। নানা কারণে শুটিং পিছিয়ে যাওয়ার পর এবার রণবীর-আলিয়া জুটি অভিনীত ছবিটির সেটে ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। এতে একজন কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুম্বাইয়ের গোরেগাঁওয়ের রয়্যাল পাম্প স্টুডিওতে শুটিং চলাকালে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত চন্দ্রধারী যাদব পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি ছিলেন। তবে তার মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিটের কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটতে পারে।
চন্দ্রধারীর মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে শ্রমিক সংগঠনগুলো। তারা প্রযোজনা সংস্থার কাছে নিহতের পরিবারের জন্য অর্ধ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোনো অর্থই প্রিয়জন হারানোর শূন্যতা পূরণ করতে পারবে না। তবে নিহতের স্ত্রী ও দুই মেয়ের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে পর্যাপ্ত আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন।
এই ঘটনার পর আবারও চলচ্চিত্রের শুটিং সেটে কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শ্রমিক সংগঠনগুলোর দাবি, বড় বাজেটের প্রকল্পে কাজ করলেও অনেক ক্ষেত্রেই কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় না।
সঞ্জয় লীলা বানসালি পরিচালিত ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ ছবিতে অভিনয় করছেন রণবীর কাপুর, আলিয়া ভাট ও ভিকি কৌশল। আগামী বছর সিনেমাটি মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে।
বলিউডের বহুল আলোচিত সিনেমা ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ ঘিরে জটিলতা যেন কাটছেই না। নানা কারণে শুটিং পিছিয়ে যাওয়ার পর এবার রণবীর-আলিয়া জুটি অভিনীত ছবিটির সেটে ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। এতে একজন কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুম্বাইয়ের গোরেগাঁওয়ের রয়্যাল পাম্প স্টুডিওতে শুটিং চলাকালে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত চন্দ্রধারী যাদব পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি ছিলেন। তবে তার মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিটের কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটতে পারে।
চন্দ্রধারীর মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে শ্রমিক সংগঠনগুলো। তারা প্রযোজনা সংস্থার কাছে নিহতের পরিবারের জন্য অর্ধ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোনো অর্থই প্রিয়জন হারানোর শূন্যতা পূরণ করতে পারবে না। তবে নিহতের স্ত্রী ও দুই মেয়ের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে পর্যাপ্ত আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন।
এই ঘটনার পর আবারও চলচ্চিত্রের শুটিং সেটে কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শ্রমিক সংগঠনগুলোর দাবি, বড় বাজেটের প্রকল্পে কাজ করলেও অনেক ক্ষেত্রেই কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় না।
সঞ্জয় লীলা বানসালি পরিচালিত ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ ছবিতে অভিনয় করছেন রণবীর কাপুর, আলিয়া ভাট ও ভিকি কৌশল। আগামী বছর সিনেমাটি মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে।

২২ মে, ২০২৬ ২১:৩৬
৯০ দশকের শুরুতে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করেন প্রযোজক, টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব ও খিলাড়িখ্যাত অভিনেতা অক্ষয় কুমার। তিনি এখন পর্যন্ত ১০০টিরও বেশি হিন্দি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। দীর্ঘ তিন দশকের ক্যারিয়ারে অ্যাকশন, কমেডি ও সামাজিক সচেতনতামূলক সিনেমায় অভিনয়ের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বলিউড অঙ্গনে তাকে 'খিলাড়ি কুমার' হিসেবে ডাকা হয়।
এর আগে কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী একটি সরকারি স্কুলে এক কোটি রুপি অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন অক্ষয় কুমার। সম্প্রতি সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ দিয়েছেন তিনি। এ অনুদানের মাধ্যমে স্কুলটিতে আধুনিক শিক্ষা ভবন, নতুন ক্লাশরুম, লাইব্রেরি ও কম্পিউটার ল্যাব নির্মাণ করা হয়েছে, যার ফলে সেখানকার শিক্ষার্থীরা দারুণ উপকৃত হচ্ছে।
জম্মু ও কাশ্মীরের বান্দিপোরা জেলার গুরেজ উপত্যকার প্রত্যন্ত সীমান্ত গ্রাম নেরো তুলাইলে অবস্থিত এ সরকারি স্কুল একসময় জোরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। শিক্ষা উপকরণের অভাবে পাঠদানে ভাটা পড়েছিল। অভিনেতা অক্ষয় কুমারের উদারতায় আজ সেই স্কুলের শিক্ষার্থীদের মুখে হাসির ফোয়ারা ফুটেছে।
যদিও এ খিলাড়িখ্যাত অভিনেতার এ মানবিক গুণাবলির পরিচয় এর আগেও পেয়েছে বলিউড। বিভিন্ন সময় তিনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। সেই তালিকায় যোগ হলো নতুন উদাহরণ। কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী গ্রাম নেরো তুলাইলে সরকারি স্কুলে এক কোটি টাকা অনুদান দিলেন অক্ষয় কুমার।
অভিনেতার দেওয়া অনুদানেই স্কুলের নতুন ভবন তৈরি হয়েছে। ২০২১ সালে অক্ষয় বিএসএফের আমন্ত্রণে সীমান্তে কর্মরত জওয়ানদের সঙ্গে দেখা করতে কাশ্মীরে গিয়েছিলেন। সেই সময় তিনি উত্তর কাশ্মীরের এই নেরো গ্রামে যান। সেখানে গিয়ে স্কুলের বেহাল অবস্থা এবং পড়ুয়াদের সমস্যার কথা দেখে তিনি এক কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
পাঁচ বছর পর কথা রাখলেন অভিনেতা। অক্ষয়ের অনুদানে তৈরি হওয়া নতুন ভবনের নাম রাখা হয়েছে 'শ্রী হরি ওম ভাটিয়া এডুকেশন ব্লক'। অক্ষয়ের বাবা প্রয়াত হরি ওম ভাটিয়ার স্মৃতিতে তৈরি করা হয়েছে এ নতুন ভবন।
সেই ভবনে রয়েছে আধুনিক শ্রেণিকক্ষ, কম্পিউটার ল্যাব, লাইব্রেরি এবং শিক্ষকদের জন্য আলাদা অফিস স্পেস। পাশাপাশি মিড-ডে মিল প্রকল্পের সুবিধাও উন্নত করা হয়েছে।
৯০ দশকের শুরুতে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করেন প্রযোজক, টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব ও খিলাড়িখ্যাত অভিনেতা অক্ষয় কুমার। তিনি এখন পর্যন্ত ১০০টিরও বেশি হিন্দি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। দীর্ঘ তিন দশকের ক্যারিয়ারে অ্যাকশন, কমেডি ও সামাজিক সচেতনতামূলক সিনেমায় অভিনয়ের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। বলিউড অঙ্গনে তাকে 'খিলাড়ি কুমার' হিসেবে ডাকা হয়।
এর আগে কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী একটি সরকারি স্কুলে এক কোটি রুপি অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন অক্ষয় কুমার। সম্প্রতি সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ দিয়েছেন তিনি। এ অনুদানের মাধ্যমে স্কুলটিতে আধুনিক শিক্ষা ভবন, নতুন ক্লাশরুম, লাইব্রেরি ও কম্পিউটার ল্যাব নির্মাণ করা হয়েছে, যার ফলে সেখানকার শিক্ষার্থীরা দারুণ উপকৃত হচ্ছে।
জম্মু ও কাশ্মীরের বান্দিপোরা জেলার গুরেজ উপত্যকার প্রত্যন্ত সীমান্ত গ্রাম নেরো তুলাইলে অবস্থিত এ সরকারি স্কুল একসময় জোরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। শিক্ষা উপকরণের অভাবে পাঠদানে ভাটা পড়েছিল। অভিনেতা অক্ষয় কুমারের উদারতায় আজ সেই স্কুলের শিক্ষার্থীদের মুখে হাসির ফোয়ারা ফুটেছে।
যদিও এ খিলাড়িখ্যাত অভিনেতার এ মানবিক গুণাবলির পরিচয় এর আগেও পেয়েছে বলিউড। বিভিন্ন সময় তিনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। সেই তালিকায় যোগ হলো নতুন উদাহরণ। কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী গ্রাম নেরো তুলাইলে সরকারি স্কুলে এক কোটি টাকা অনুদান দিলেন অক্ষয় কুমার।
অভিনেতার দেওয়া অনুদানেই স্কুলের নতুন ভবন তৈরি হয়েছে। ২০২১ সালে অক্ষয় বিএসএফের আমন্ত্রণে সীমান্তে কর্মরত জওয়ানদের সঙ্গে দেখা করতে কাশ্মীরে গিয়েছিলেন। সেই সময় তিনি উত্তর কাশ্মীরের এই নেরো গ্রামে যান। সেখানে গিয়ে স্কুলের বেহাল অবস্থা এবং পড়ুয়াদের সমস্যার কথা দেখে তিনি এক কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
পাঁচ বছর পর কথা রাখলেন অভিনেতা। অক্ষয়ের অনুদানে তৈরি হওয়া নতুন ভবনের নাম রাখা হয়েছে 'শ্রী হরি ওম ভাটিয়া এডুকেশন ব্লক'। অক্ষয়ের বাবা প্রয়াত হরি ওম ভাটিয়ার স্মৃতিতে তৈরি করা হয়েছে এ নতুন ভবন।
সেই ভবনে রয়েছে আধুনিক শ্রেণিকক্ষ, কম্পিউটার ল্যাব, লাইব্রেরি এবং শিক্ষকদের জন্য আলাদা অফিস স্পেস। পাশাপাশি মিড-ডে মিল প্রকল্পের সুবিধাও উন্নত করা হয়েছে।