
১৪ আগস্ট, ২০২৫ ১৬:৪১
মাত্র একশ মিটার সড়ক পথ দীর্ঘ চার বছরেরও বেশি সময়ে সংস্কার হয়নি। সংস্কার না হওয়ায় পুরো সড়কজুড়ে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, শিক্ষক সহ প্রায় ৩০ হাজার মানুষ।
এমন অবস্থা পটুয়াখালীর বাউফলের কালাইয়া বন্ধরে অবস্থিত কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনের সড়কের। দক্ষিণাঞ্চলের বৃহৎ বানিজ্যিক বন্দর কালাইয়া হাটে অন্যতমও প্রবেশ পথও এটি।
কালাইয়া-বগি সড়কের কালাইয়া মোটরসাইকেল স্ট্যান্ড থেকে কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালের প্রধান ফটক পর্যন্ত এ সড়কের দৈর্ঘ্য মাত্র ১০০ মিটার। ২০১৮ সালে শেষবার সড়কটি সংস্কার করা হয়।
তবে ঠিকাদার নিম্ন মানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার ও শিডিউল অনুযায়ী কাজ না করায় কিছু দিনের মধ্যেই সড়কের আরসিসি ঢালাই উঠে যায়। সৃষ্টি হয় অসংখ্য ছোট বড় গর্ত। দীর্ঘ চার বছরেও সংস্কার না করায় পুরো সড়কজুড়ে বড় বড় গর্তে ভরে গেছে।
স্থানীয়রা জানান, কালাইয়া বন্দর সংলগ্ন কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কালাইয়া রাব্বানিয়ক কামিল মাদ্রাসা, কালাইয়া হায়াতুন্নেছা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আলী আকবর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কালাইয়া ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষক এই সড়ক হয়ে যাতায়াত করেন।
একই সাথে কালাইয়া বন্দর দক্ষিণাঞ্চলের বৃহৎ বানিজ্যিক বন্দর হওয়ার প্রতি সোমবার দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হাজার হাজার মানুষ বেচা কেনা করতে আসেন। সড়কটির অবস্থা বেহলায় পথচারী সহ যানবাহন চালকেরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির ছাত্রী মুনতাহা নুসরাত বলেন, বর্ষা হলেই রাস্তায় পানি জমে যায়। হেটে আসা যায় না, রিকশায় আসলে অনেক সময় রিকশাও উল্টে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে। অনেকেই আহত হয়েছে। প্রতিনিয়তই পোশাক নষ্ট হয়ে যায়।
কালাইয়া রাব্বানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের ছাত্র হুজাইয়া রাব্বি বলেন, রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। হেটে আসার পরিস্থিতি নেই। দ্রæত রাস্তাটি সংস্কার দরকার। কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মো. মেহেদী হাসান রাসেল বলেন, বিদ্যালয়ের সামনের ১০০ মিটার রাস্তার পুরোটা খানাখন্দে ভরা।
বর্ষায় পানি জমে থাকা পানি আর শুষ্ক মৌসুমি ধুলাবালির কারণে শিক্ষার্থীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের পোশাক নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। যেকারণে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী উপস্থিতি কমে যাচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি দ্রæত মেরামত করা প্রয়োজন।
কালাইয়া বন্দরের ব্যবসায়ী নেতা নুরুল ইসলাম সিদ্দিকি মাসুম বলেন, কালাইয়া বন্দর দেশের অন্যতম বৃহৎ বানিজ্যিক বন্দর। এখানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ব্যবসায়ী গরু মহিষ ও ধান কিনতে আসেন। বন্দরের অন্যতম প্রবেশদ্বার ওই রাস্তাটি।
সেটির অবস্থা খারাপ হওয়ায় বন্দরে আসা ক্রেতা বিক্রেতারা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। এতে কালাইয়া বন্দরের ঐহিত্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সড়কটির বেহাল অবস্থার কথা স্বীকার করে উপজেলা এইজিইডির উপ সহকারি প্রকৌশলী আলী ইবনে আব্বাস বলেন, সড়কটি সংস্কারের জন্য উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠিয়েছি।
বিষয়টি পটুয়াখালী জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হোসেন আলী মীরের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, খোঁজ খবর নিয়ে দ্রæত সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগে নেওয়া হবে।
মাত্র একশ মিটার সড়ক পথ দীর্ঘ চার বছরেরও বেশি সময়ে সংস্কার হয়নি। সংস্কার না হওয়ায় পুরো সড়কজুড়ে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, শিক্ষক সহ প্রায় ৩০ হাজার মানুষ।
এমন অবস্থা পটুয়াখালীর বাউফলের কালাইয়া বন্ধরে অবস্থিত কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনের সড়কের। দক্ষিণাঞ্চলের বৃহৎ বানিজ্যিক বন্দর কালাইয়া হাটে অন্যতমও প্রবেশ পথও এটি।
কালাইয়া-বগি সড়কের কালাইয়া মোটরসাইকেল স্ট্যান্ড থেকে কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালের প্রধান ফটক পর্যন্ত এ সড়কের দৈর্ঘ্য মাত্র ১০০ মিটার। ২০১৮ সালে শেষবার সড়কটি সংস্কার করা হয়।
তবে ঠিকাদার নিম্ন মানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার ও শিডিউল অনুযায়ী কাজ না করায় কিছু দিনের মধ্যেই সড়কের আরসিসি ঢালাই উঠে যায়। সৃষ্টি হয় অসংখ্য ছোট বড় গর্ত। দীর্ঘ চার বছরেও সংস্কার না করায় পুরো সড়কজুড়ে বড় বড় গর্তে ভরে গেছে।
স্থানীয়রা জানান, কালাইয়া বন্দর সংলগ্ন কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কালাইয়া রাব্বানিয়ক কামিল মাদ্রাসা, কালাইয়া হায়াতুন্নেছা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আলী আকবর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কালাইয়া ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষক এই সড়ক হয়ে যাতায়াত করেন।
একই সাথে কালাইয়া বন্দর দক্ষিণাঞ্চলের বৃহৎ বানিজ্যিক বন্দর হওয়ার প্রতি সোমবার দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হাজার হাজার মানুষ বেচা কেনা করতে আসেন। সড়কটির অবস্থা বেহলায় পথচারী সহ যানবাহন চালকেরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির ছাত্রী মুনতাহা নুসরাত বলেন, বর্ষা হলেই রাস্তায় পানি জমে যায়। হেটে আসা যায় না, রিকশায় আসলে অনেক সময় রিকশাও উল্টে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে। অনেকেই আহত হয়েছে। প্রতিনিয়তই পোশাক নষ্ট হয়ে যায়।
কালাইয়া রাব্বানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের ছাত্র হুজাইয়া রাব্বি বলেন, রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। হেটে আসার পরিস্থিতি নেই। দ্রæত রাস্তাটি সংস্কার দরকার। কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মো. মেহেদী হাসান রাসেল বলেন, বিদ্যালয়ের সামনের ১০০ মিটার রাস্তার পুরোটা খানাখন্দে ভরা।
বর্ষায় পানি জমে থাকা পানি আর শুষ্ক মৌসুমি ধুলাবালির কারণে শিক্ষার্থীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের পোশাক নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। যেকারণে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী উপস্থিতি কমে যাচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি দ্রæত মেরামত করা প্রয়োজন।
কালাইয়া বন্দরের ব্যবসায়ী নেতা নুরুল ইসলাম সিদ্দিকি মাসুম বলেন, কালাইয়া বন্দর দেশের অন্যতম বৃহৎ বানিজ্যিক বন্দর। এখানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ব্যবসায়ী গরু মহিষ ও ধান কিনতে আসেন। বন্দরের অন্যতম প্রবেশদ্বার ওই রাস্তাটি।
সেটির অবস্থা খারাপ হওয়ায় বন্দরে আসা ক্রেতা বিক্রেতারা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। এতে কালাইয়া বন্দরের ঐহিত্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সড়কটির বেহাল অবস্থার কথা স্বীকার করে উপজেলা এইজিইডির উপ সহকারি প্রকৌশলী আলী ইবনে আব্বাস বলেন, সড়কটি সংস্কারের জন্য উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠিয়েছি।
বিষয়টি পটুয়াখালী জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হোসেন আলী মীরের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, খোঁজ খবর নিয়ে দ্রæত সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগে নেওয়া হবে।

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০৯
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৯
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বুধবারও থেমে থেমে মুষলধারে বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাস অব্যাহত রয়েছে। এতে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় উপজেলায় ১১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
পায়রা সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল থাকায় কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর এখনও উত্তাল রয়েছে। তবে সাগরে মাছ শিকার বন্ধ থাকায় বড় কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের সলিমপুর, নবাবপুর, চাকামইয়া, ডালবুগঞ্জ ও বালিয়াতলী এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে বহু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। বজ্রপাতে আটটি গরু মারা গেছে এবং শত শত গাছপালা উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বৃষ্টির মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি হারানো চারটি অসহায় পরিবারকে দুই বান্ডিল করে ঢেউটিন ও এক প্যাকেট করে খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া চাকামইয়ায় ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত একটি মাদ্রাসা মেরামতের জন্য এক বান্ডিল ঢেউটিন ও দুই প্যাকেট খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ের সহযোগিতায় এই সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কলাপাড়ার সব পরিবারকে পর্যায়ক্রমে সরকারি সহায়তার আওতায় আনা হবে।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বুধবারও থেমে থেমে মুষলধারে বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাস অব্যাহত রয়েছে। এতে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় উপজেলায় ১১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
পায়রা সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল থাকায় কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর এখনও উত্তাল রয়েছে। তবে সাগরে মাছ শিকার বন্ধ থাকায় বড় কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের সলিমপুর, নবাবপুর, চাকামইয়া, ডালবুগঞ্জ ও বালিয়াতলী এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে বহু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। বজ্রপাতে আটটি গরু মারা গেছে এবং শত শত গাছপালা উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বৃষ্টির মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি হারানো চারটি অসহায় পরিবারকে দুই বান্ডিল করে ঢেউটিন ও এক প্যাকেট করে খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া চাকামইয়ায় ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত একটি মাদ্রাসা মেরামতের জন্য এক বান্ডিল ঢেউটিন ও দুই প্যাকেট খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ের সহযোগিতায় এই সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কলাপাড়ার সব পরিবারকে পর্যায়ক্রমে সরকারি সহায়তার আওতায় আনা হবে।
বরিশাল টাইমস

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৬
বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে পাম্পে ইটপাটকেল নিক্ষেপ
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় প্লাস্টিকের বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে পেট্রোল পাম্পে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার পৌর বাসটার্মিনাল এলাকায় লাবনী ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর থেকে লাবনী ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বিতরণ করা হচ্ছিল। জ্বালানি তেলের জন্য প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, ট্রাক, মিনিট্রাক ও স্থানীয় কৃষকরা দীর্ঘক্ষণ লাইনে অপেক্ষা করছিলেন।
এ সময় এক ব্যক্তি পাম্প থেকে প্লাস্টিকের বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় লাইনে অপেক্ষমান লোকজন প্রতিবাদ করে। এক পর্যায়ে বাগবিতণ্ডা সৃষ্টি হয় এবং লোকজন উত্তেজিত হয়ে ফিলিং স্টেশন লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে বেশ কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং গাড়ির মালিকদের সঙ্গে মারামারি বেঁধে যায়। এ সময় মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি শান্ত করেন। তবে এ ঘটনায় কেউ গুরুতর আহত হয়নি।
মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী ঢাকা পোস্টকে বলেন, গ্রাহকরাই ঝামেলা সৃষ্টি করেছে এবং কিছু মানুষ রাস্তার বিপরীত দিক থেকে ঢিল ছুড়েছে। আজ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল।
ধুলাসার ইউপির ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক দেলোয়ার হাওলাদার জানান, গতকাল বজ্রপাতে তার দুটি গাভীন গরুর মৃত্যু হয়েছে। বড় জাতের দুটি গরুর বাজারমূল্য প্রায় এক লাখ টাকা ছিল। তিনি এখন দুশ্চিন্তায় আছেন বলেও জানান এই কৃষক।
কলাপাড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মারুফ বিল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত ২৩ জন কৃষকের তালিকা পেয়েছি। তাদের ২৯টি গরু বজ্রপাতে মাঠে ও খামারে নিহত হয়েছে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে এর সংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অনেক কৃষকের গরুর মৃত্যুর খবর পাচ্ছি, কিন্তু এখনো তাদের নাম পাইনি।’
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কাউছার হামিদ বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক ব্যক্তিকে সরকারিভাবে নগদ অর্থ, খাদ্য সহায়তা ও ঢেউটিন প্রদান করা হবে। আমরা সঠিকভাবে তালিকা প্রণয়ন করছি।’
বরিশাল টাইমস
বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে পাম্পে ইটপাটকেল নিক্ষেপ
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় প্লাস্টিকের বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে পেট্রোল পাম্পে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার পৌর বাসটার্মিনাল এলাকায় লাবনী ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর থেকে লাবনী ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বিতরণ করা হচ্ছিল। জ্বালানি তেলের জন্য প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, ট্রাক, মিনিট্রাক ও স্থানীয় কৃষকরা দীর্ঘক্ষণ লাইনে অপেক্ষা করছিলেন।
এ সময় এক ব্যক্তি পাম্প থেকে প্লাস্টিকের বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় লাইনে অপেক্ষমান লোকজন প্রতিবাদ করে। এক পর্যায়ে বাগবিতণ্ডা সৃষ্টি হয় এবং লোকজন উত্তেজিত হয়ে ফিলিং স্টেশন লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে বেশ কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং গাড়ির মালিকদের সঙ্গে মারামারি বেঁধে যায়। এ সময় মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি শান্ত করেন। তবে এ ঘটনায় কেউ গুরুতর আহত হয়নি।
মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী ঢাকা পোস্টকে বলেন, গ্রাহকরাই ঝামেলা সৃষ্টি করেছে এবং কিছু মানুষ রাস্তার বিপরীত দিক থেকে ঢিল ছুড়েছে। আজ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল।
ধুলাসার ইউপির ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক দেলোয়ার হাওলাদার জানান, গতকাল বজ্রপাতে তার দুটি গাভীন গরুর মৃত্যু হয়েছে। বড় জাতের দুটি গরুর বাজারমূল্য প্রায় এক লাখ টাকা ছিল। তিনি এখন দুশ্চিন্তায় আছেন বলেও জানান এই কৃষক।
কলাপাড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মারুফ বিল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত ২৩ জন কৃষকের তালিকা পেয়েছি। তাদের ২৯টি গরু বজ্রপাতে মাঠে ও খামারে নিহত হয়েছে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে এর সংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অনেক কৃষকের গরুর মৃত্যুর খবর পাচ্ছি, কিন্তু এখনো তাদের নাম পাইনি।’
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কাউছার হামিদ বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক ব্যক্তিকে সরকারিভাবে নগদ অর্থ, খাদ্য সহায়তা ও ঢেউটিন প্রদান করা হবে। আমরা সঠিকভাবে তালিকা প্রণয়ন করছি।’
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.