
১১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০১:০৪
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষকে জেতানোর মাধ্যমে দেশকে রক্ষা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গতকাল বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বিকেলে বিএনপির আয়োজিত ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক আলোচনায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এ মন্তব্য করেন।
রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির আয়োজনে ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনার কর্মসূচি’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠান হয়। যুবদল ও কৃষকদলের নেতারা এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
তিনি বলেন, ‘ধানের শীষকে জিতাতে হবে… এর কোনো বিকল্প নাই। ধানের শীষকে জিতানোর মাধ্যমে জনগণের যে পরিকল্পনা, জনগণের পক্ষের যে পরিকল্পনা সেটিকে বাস্তবায়ন করতে হবে… এর কোনো বিকল্প নাই। ধানের শীষকে জেতানোর মাধ্যমে দেশকে রক্ষা করতে হবে। প্রথম বাংলাদেশ, আমার শেষ বাংলাদেশ এবং সবার আগে বাংলাদেশ। নো কমপ্রোমাইজ।’
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘আপনার দল আপনার সামনে যে স্ট্রেইটকাট প্ল্যান উপস্থাপন করল দেখান তো আর কোনো রাজনৈতিক বাংলাদেশে আছে এ রকম প্ল্যানিং দিয়েছে কিনা। ইয়েস, কোনো রাজনৈতিক দল এ রকম প্ল্যান দিতে পারে নাই। দেশের মানুষকে কোনো পরিকল্পনা দিতে পারে নাই, দেশকে আমরা কীভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব। একমাত্র আপনার দল বিএনপি এই প্ল্যান দিয়েছে। কাজেই এখন আপনার বসে থাকার সময় নেই।’
তিনি বলেন, ‘আপনাকে যুদ্ধে নেমে পড়তে হবে… দিস ইজ এ ওয়ার, দিস ইজ এ ব্যাটেল। মানুষের পক্ষে মানুষের জন্য, দেশের পক্ষে দেশের জন্য। আমাদের কাছে সবার আগে বাংলাদেশ… এই যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে আমাদের।’
তারেক রহমান বলেন, ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা শুধু পরিকল্পনার মধ্যে রাখলে হবে না। বাংলাদেশে বহু পরিকল্পনা হয়েছে সেই পরিকল্পনা পরিকল্পনাতেই রয়ে গেছে। আমরা আমাদের প্লান বাস্তবায়ন করতে চাই। জনগণকে সাথে নিয়ে যেমন আমরা আন্দোলন করেছি, জনগণকে সাথে নিয়ে আমরা এই প্ল্যানিং বাস্তবায়ন করতে চাই। আমরা এই কাজটা শুরু করব, পরবর্তী জেনারেশন সেটা কনটিনিউ করবে। এটার শেষ নেই।’
দলে পরিকল্পনা ঘরে ঘরে গিয়ে জনগণের কাছে পৌঁছিয়ে দিতে হবে এমন নির্দেশনা দিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘দলের পরিকল্পনা মানুষের সামনে নিয়ে যেতে হবে, জনগণকে কনভিন্স করতে হবে, জনগণকে বুঝাতে হবে… এই কঠিন কাজটি করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নাই। আদারওয়াইজ এই দেশ এবং জাতি ধ্বংস হয়ে যাবে। আমরা যদি সজাগ না হই, আমরা যদি এই যুদ্ধে মাঠে নেমে না পড়ি, এই দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে।’
তিনি বলেন, ‘এই দেশকে প্রতিবার আপনার দল বিএনপি রক্ষা করেছে। ইতিহাস ঘাটুন তাহলে দেখবেন প্রত্যেকটি বার রক্ষা করছে শহীদ জিয়া, খালেদা জিয়া যতবার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে তার আগে দেশের কি অবস্থা হয়েছে? এখন শহীদ জিয়া এবং খালেদা জিয়ার দায়িত্ব আপনাদের কাঁদে এসে পড়েছে। এই দেশকে আপনাদের রক্ষা করতে হবে। প্রত্যেককে উঠে দাঁড়াতে হবে, ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে হবে মানুষের কাছে যেতে হবে, দৌরগড়ায় যেতে হবে তাহলেই আমাদের পক্ষে সম্ভব। আসুন এই যুদ্ধ আমরা শুরু করি।’
বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফ্যামিলি কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ড, ফার্মাস কার্ড, পরিবেশ রক্ষা, বেকার সমস্যার সমাধান, শিক্ষার উন্নয়ন প্রভৃতি বিষয়ে দলের অগ্রাধিকার পরিকল্পনাগুলো কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে তার রূপরেখা যুবদল ও কৃষকদলের নেতাদের সামনে তুলে ধরেন।
দেশ গড়া পরিকল্পনা শীর্ষক কর্মসূচির বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে ও যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলের সঞ্চালনায় বিএনপির নেতারা অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন।’
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষকে জেতানোর মাধ্যমে দেশকে রক্ষা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গতকাল বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বিকেলে বিএনপির আয়োজিত ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক আলোচনায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এ মন্তব্য করেন।
রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির আয়োজনে ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনার কর্মসূচি’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠান হয়। যুবদল ও কৃষকদলের নেতারা এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
তিনি বলেন, ‘ধানের শীষকে জিতাতে হবে… এর কোনো বিকল্প নাই। ধানের শীষকে জিতানোর মাধ্যমে জনগণের যে পরিকল্পনা, জনগণের পক্ষের যে পরিকল্পনা সেটিকে বাস্তবায়ন করতে হবে… এর কোনো বিকল্প নাই। ধানের শীষকে জেতানোর মাধ্যমে দেশকে রক্ষা করতে হবে। প্রথম বাংলাদেশ, আমার শেষ বাংলাদেশ এবং সবার আগে বাংলাদেশ। নো কমপ্রোমাইজ।’
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘আপনার দল আপনার সামনে যে স্ট্রেইটকাট প্ল্যান উপস্থাপন করল দেখান তো আর কোনো রাজনৈতিক বাংলাদেশে আছে এ রকম প্ল্যানিং দিয়েছে কিনা। ইয়েস, কোনো রাজনৈতিক দল এ রকম প্ল্যান দিতে পারে নাই। দেশের মানুষকে কোনো পরিকল্পনা দিতে পারে নাই, দেশকে আমরা কীভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব। একমাত্র আপনার দল বিএনপি এই প্ল্যান দিয়েছে। কাজেই এখন আপনার বসে থাকার সময় নেই।’
তিনি বলেন, ‘আপনাকে যুদ্ধে নেমে পড়তে হবে… দিস ইজ এ ওয়ার, দিস ইজ এ ব্যাটেল। মানুষের পক্ষে মানুষের জন্য, দেশের পক্ষে দেশের জন্য। আমাদের কাছে সবার আগে বাংলাদেশ… এই যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে আমাদের।’
তারেক রহমান বলেন, ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা শুধু পরিকল্পনার মধ্যে রাখলে হবে না। বাংলাদেশে বহু পরিকল্পনা হয়েছে সেই পরিকল্পনা পরিকল্পনাতেই রয়ে গেছে। আমরা আমাদের প্লান বাস্তবায়ন করতে চাই। জনগণকে সাথে নিয়ে যেমন আমরা আন্দোলন করেছি, জনগণকে সাথে নিয়ে আমরা এই প্ল্যানিং বাস্তবায়ন করতে চাই। আমরা এই কাজটা শুরু করব, পরবর্তী জেনারেশন সেটা কনটিনিউ করবে। এটার শেষ নেই।’
দলে পরিকল্পনা ঘরে ঘরে গিয়ে জনগণের কাছে পৌঁছিয়ে দিতে হবে এমন নির্দেশনা দিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘দলের পরিকল্পনা মানুষের সামনে নিয়ে যেতে হবে, জনগণকে কনভিন্স করতে হবে, জনগণকে বুঝাতে হবে… এই কঠিন কাজটি করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নাই। আদারওয়াইজ এই দেশ এবং জাতি ধ্বংস হয়ে যাবে। আমরা যদি সজাগ না হই, আমরা যদি এই যুদ্ধে মাঠে নেমে না পড়ি, এই দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে।’
তিনি বলেন, ‘এই দেশকে প্রতিবার আপনার দল বিএনপি রক্ষা করেছে। ইতিহাস ঘাটুন তাহলে দেখবেন প্রত্যেকটি বার রক্ষা করছে শহীদ জিয়া, খালেদা জিয়া যতবার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে তার আগে দেশের কি অবস্থা হয়েছে? এখন শহীদ জিয়া এবং খালেদা জিয়ার দায়িত্ব আপনাদের কাঁদে এসে পড়েছে। এই দেশকে আপনাদের রক্ষা করতে হবে। প্রত্যেককে উঠে দাঁড়াতে হবে, ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে হবে মানুষের কাছে যেতে হবে, দৌরগড়ায় যেতে হবে তাহলেই আমাদের পক্ষে সম্ভব। আসুন এই যুদ্ধ আমরা শুরু করি।’
বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফ্যামিলি কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ড, ফার্মাস কার্ড, পরিবেশ রক্ষা, বেকার সমস্যার সমাধান, শিক্ষার উন্নয়ন প্রভৃতি বিষয়ে দলের অগ্রাধিকার পরিকল্পনাগুলো কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে তার রূপরেখা যুবদল ও কৃষকদলের নেতাদের সামনে তুলে ধরেন।
দেশ গড়া পরিকল্পনা শীর্ষক কর্মসূচির বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে ও যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলের সঞ্চালনায় বিএনপির নেতারা অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন।’
১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৩১
১৫ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৩
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৭
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৫

১৩ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৫৭
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ-সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সংসদের প্রথম অধিবেশনে সদস্যদের কণ্ঠভোটে তাকে ডেপুটি স্পিকার হিসাবে নির্বাচিত করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথ পড়ান। এ খবরে তার নিজ জেলা নেত্রকোনায় আনন্দ-উচ্ছ্বাস বইছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কায়সার কামালের বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর ছিলেন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। বাবার সেই জনপ্রতিনিধিত্বের ধারাবাহিকতায় ছেলে এখন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। তার ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেই নির্বাচনি এলাকা ছাড়াও জেলাজুড়ে আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে। এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন।
বিজ্ঞাপন
কলমাকান্দার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারী বলেন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অত্যন্ত মানবিক মানুষ। তিনি ডেপুটি স্পিকার হওয়ায় আমরা খুবই আনন্দিত।
স্বাধীনতার পর এই আসন থেকে প্রথমবারের মতো একজন ডেপুটি স্পিকার পেয়েছি। তার বাবাও জনপ্রতিনিধি ছিলেন। বাবাকে ছাড়িয়ে ছেলে এখন ডেপুটি স্পিকার হয়েছেন-এটা আমাদের জন্য গর্বের।
তিনি আরও বলেন, এই পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে জনসেবা করে আসছে। কায়সার কামালের দাদা ও নানাও পঞ্চায়েতের সভাপতি ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কায়সার কামাল দীর্ঘদিন ধরে নিজ উদ্যোগ ও অর্থায়নে কয়েক হাজার দরিদ্র ও চিকিৎসাবঞ্চিত জটিল রোগীর (হৃদরোগ, ক্যানসার, থ্যালাসেমিয়া, কিডনি, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও মানসিক রোগী) চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা, অস্থায়ী সেতু, গির্জা ও মন্দিরসহ ধর্মীয় উপাসনালয়, শ্মশান ও কবরস্থান নির্মাণ ও সংস্কার করেছেন।
কায়সার কামালের জন্ম ১৯৭২ সালের ৩১ ডিসেম্বর কলমাকান্দার চত্রংপুর গ্রামে এক ঐতিহ্যবাহী মুসলিম পরিবারে। বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর ছিলেন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং মা প্রয়াত বেগম যোবাইদা কামাল ছিলেন গৃহিণী। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি মেজো। ব্যক্তি জীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক।
শিক্ষাজীবনে তিনি ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে এসএসসি, আনন্দমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
পরে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে গিয়ে ইউনিভার্সিটি অব লভারহ্যাম্পটন থেকে এলএলবি (অনার্স) সম্পন্ন করেন এবং লিংকন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেন।
১৯৮৮ সালে ছাত্র রাজনীতিতে প্রবেশের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য হন এবং একই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য নির্বাচিত হন।
২০০৯ সালে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য পদ লাভ করেন। ২০১৬ সাল থেকে তিনি দলের আইনবিষয়ক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। জরুরি অবস্থার সময় তিনি জিয়া পরিবারের আইনজীবী হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ-সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সংসদের প্রথম অধিবেশনে সদস্যদের কণ্ঠভোটে তাকে ডেপুটি স্পিকার হিসাবে নির্বাচিত করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথ পড়ান। এ খবরে তার নিজ জেলা নেত্রকোনায় আনন্দ-উচ্ছ্বাস বইছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কায়সার কামালের বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর ছিলেন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। বাবার সেই জনপ্রতিনিধিত্বের ধারাবাহিকতায় ছেলে এখন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। তার ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেই নির্বাচনি এলাকা ছাড়াও জেলাজুড়ে আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে। এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন।
বিজ্ঞাপন
কলমাকান্দার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারী বলেন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অত্যন্ত মানবিক মানুষ। তিনি ডেপুটি স্পিকার হওয়ায় আমরা খুবই আনন্দিত।
স্বাধীনতার পর এই আসন থেকে প্রথমবারের মতো একজন ডেপুটি স্পিকার পেয়েছি। তার বাবাও জনপ্রতিনিধি ছিলেন। বাবাকে ছাড়িয়ে ছেলে এখন ডেপুটি স্পিকার হয়েছেন-এটা আমাদের জন্য গর্বের।
তিনি আরও বলেন, এই পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে জনসেবা করে আসছে। কায়সার কামালের দাদা ও নানাও পঞ্চায়েতের সভাপতি ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কায়সার কামাল দীর্ঘদিন ধরে নিজ উদ্যোগ ও অর্থায়নে কয়েক হাজার দরিদ্র ও চিকিৎসাবঞ্চিত জটিল রোগীর (হৃদরোগ, ক্যানসার, থ্যালাসেমিয়া, কিডনি, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও মানসিক রোগী) চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা, অস্থায়ী সেতু, গির্জা ও মন্দিরসহ ধর্মীয় উপাসনালয়, শ্মশান ও কবরস্থান নির্মাণ ও সংস্কার করেছেন।
কায়সার কামালের জন্ম ১৯৭২ সালের ৩১ ডিসেম্বর কলমাকান্দার চত্রংপুর গ্রামে এক ঐতিহ্যবাহী মুসলিম পরিবারে। বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর ছিলেন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং মা প্রয়াত বেগম যোবাইদা কামাল ছিলেন গৃহিণী। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি মেজো। ব্যক্তি জীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক।
শিক্ষাজীবনে তিনি ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে এসএসসি, আনন্দমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
পরে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে গিয়ে ইউনিভার্সিটি অব লভারহ্যাম্পটন থেকে এলএলবি (অনার্স) সম্পন্ন করেন এবং লিংকন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেন।
১৯৮৮ সালে ছাত্র রাজনীতিতে প্রবেশের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য হন এবং একই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য নির্বাচিত হন।
২০০৯ সালে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য পদ লাভ করেন। ২০১৬ সাল থেকে তিনি দলের আইনবিষয়ক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। জরুরি অবস্থার সময় তিনি জিয়া পরিবারের আইনজীবী হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

০৩ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১১
বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচন সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পূর্বনির্ধারিত বগুড়া সফর স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ সদর উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল তার।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) জেলা প্রশাসন এই সফর বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ১০ মার্চের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিটি স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে নতুন কোনো তারিখ ঠিক করা হলে তা জানিয়ে দেওয়া হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তারেক রহমান। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী শপথ গ্রহণের আগে তিনি বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন। ওই শূন্য আসনে আগামী ৯ এপ্রিল উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের জেলা কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা এই সফর স্থগিতের বিষয়ে বলেন, বগুড়া সদর আসনে বর্তমানে নির্বাচনী তফসিল চলছে। এ সময়ে সরকারের কোনো বিশেষ কর্মসূচি বা ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের মতো অনুষ্ঠান হলে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের প্রশ্ন উঠতে পারে। প্রধানমন্ত্রী সব সময় নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তাই বিধি ভঙ্গের সুযোগ না দিতেই তিনি এই সফর স্থগিত করেছেন।
এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সরকারের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম শিবগঞ্জ সফরে এসে জানিয়েছিলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করতে প্রধানমন্ত্রী ১০ মার্চ বগুড়ায় আসবেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল। তবে নির্বাচনী বিধিনিষেধের কারণে শেষ মুহূর্তে সফরটি পিছিয়ে দেওয়া হলো।
বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে ইতিমধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির রেজাউল করিম বাদশাসহ ৩ জন। এই আসনে বিএনপি চেয়ারম্যানের ছেড়ে দেওয়া আসন হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ রয়েছে।
বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচন সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পূর্বনির্ধারিত বগুড়া সফর স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ সদর উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল তার।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) জেলা প্রশাসন এই সফর বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ১০ মার্চের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিটি স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে নতুন কোনো তারিখ ঠিক করা হলে তা জানিয়ে দেওয়া হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তারেক রহমান। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী শপথ গ্রহণের আগে তিনি বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন। ওই শূন্য আসনে আগামী ৯ এপ্রিল উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের জেলা কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা এই সফর স্থগিতের বিষয়ে বলেন, বগুড়া সদর আসনে বর্তমানে নির্বাচনী তফসিল চলছে। এ সময়ে সরকারের কোনো বিশেষ কর্মসূচি বা ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের মতো অনুষ্ঠান হলে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের প্রশ্ন উঠতে পারে। প্রধানমন্ত্রী সব সময় নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তাই বিধি ভঙ্গের সুযোগ না দিতেই তিনি এই সফর স্থগিত করেছেন।
এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সরকারের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম শিবগঞ্জ সফরে এসে জানিয়েছিলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করতে প্রধানমন্ত্রী ১০ মার্চ বগুড়ায় আসবেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল। তবে নির্বাচনী বিধিনিষেধের কারণে শেষ মুহূর্তে সফরটি পিছিয়ে দেওয়া হলো।
বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে ইতিমধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির রেজাউল করিম বাদশাসহ ৩ জন। এই আসনে বিএনপি চেয়ারম্যানের ছেড়ে দেওয়া আসন হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ রয়েছে।

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৪
কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলাে আওয়ামী লীগ নেতার জামিনে মুক্তির পর তার বাসায় মিষ্টি নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ছবি ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
গতকাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আখলাক হায়দার কুমিল্লা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পর তার বাসায় ফুল ও মিষ্টি নিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে যান উপজেলা বিএনপির আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক সোহেল আহমেদ।
বুধবার রাতে তাদের একসঙ্গে তোলা কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহেল আহমেদ অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপিতে সক্রিয় থাকলেও আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত যোগাযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে।
বুড়িচং উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ সুমন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লেখেন, “আলহামদুলিল্লাহ, বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আখলাক হায়দার ভাই জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। সাথে কফি হাউজের সোহেল ভাইও আছে। উনি থানা বিএনপির নেতা হইলেও আখলাক ভাইয়ের কলিজার লোক। বিএনপির বড় ডোনার।”
কারাগার থেকে মুক্তির পর আখলাক হায়দারের বাসায় যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সোহেল আহমেদ বলেন, “বাসায় যাওয়া কি অন্যায়? এবার আওয়ামী লীগ ছাড়া বিএনপি পাস করতে পারত না।
আমার কাছে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সব সমান।” তার এই বক্তব্য ঘিরে বুড়িচংয়ের রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ এটিকে ব্যক্তিগত সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ রাজনৈতিক সমঝোতার ইঙ্গিত খুঁজছেন।
কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলাে আওয়ামী লীগ নেতার জামিনে মুক্তির পর তার বাসায় মিষ্টি নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ছবি ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
গতকাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আখলাক হায়দার কুমিল্লা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পর তার বাসায় ফুল ও মিষ্টি নিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে যান উপজেলা বিএনপির আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক সোহেল আহমেদ।
বুধবার রাতে তাদের একসঙ্গে তোলা কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহেল আহমেদ অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপিতে সক্রিয় থাকলেও আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত যোগাযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে।
বুড়িচং উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ সুমন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লেখেন, “আলহামদুলিল্লাহ, বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আখলাক হায়দার ভাই জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। সাথে কফি হাউজের সোহেল ভাইও আছে। উনি থানা বিএনপির নেতা হইলেও আখলাক ভাইয়ের কলিজার লোক। বিএনপির বড় ডোনার।”
কারাগার থেকে মুক্তির পর আখলাক হায়দারের বাসায় যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সোহেল আহমেদ বলেন, “বাসায় যাওয়া কি অন্যায়? এবার আওয়ামী লীগ ছাড়া বিএনপি পাস করতে পারত না।
আমার কাছে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সব সমান।” তার এই বক্তব্য ঘিরে বুড়িচংয়ের রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ এটিকে ব্যক্তিগত সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ রাজনৈতিক সমঝোতার ইঙ্গিত খুঁজছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.