
১১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০১:০৪
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষকে জেতানোর মাধ্যমে দেশকে রক্ষা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গতকাল বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বিকেলে বিএনপির আয়োজিত ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক আলোচনায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এ মন্তব্য করেন।
রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির আয়োজনে ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনার কর্মসূচি’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠান হয়। যুবদল ও কৃষকদলের নেতারা এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
তিনি বলেন, ‘ধানের শীষকে জিতাতে হবে… এর কোনো বিকল্প নাই। ধানের শীষকে জিতানোর মাধ্যমে জনগণের যে পরিকল্পনা, জনগণের পক্ষের যে পরিকল্পনা সেটিকে বাস্তবায়ন করতে হবে… এর কোনো বিকল্প নাই। ধানের শীষকে জেতানোর মাধ্যমে দেশকে রক্ষা করতে হবে। প্রথম বাংলাদেশ, আমার শেষ বাংলাদেশ এবং সবার আগে বাংলাদেশ। নো কমপ্রোমাইজ।’
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘আপনার দল আপনার সামনে যে স্ট্রেইটকাট প্ল্যান উপস্থাপন করল দেখান তো আর কোনো রাজনৈতিক বাংলাদেশে আছে এ রকম প্ল্যানিং দিয়েছে কিনা। ইয়েস, কোনো রাজনৈতিক দল এ রকম প্ল্যান দিতে পারে নাই। দেশের মানুষকে কোনো পরিকল্পনা দিতে পারে নাই, দেশকে আমরা কীভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব। একমাত্র আপনার দল বিএনপি এই প্ল্যান দিয়েছে। কাজেই এখন আপনার বসে থাকার সময় নেই।’
তিনি বলেন, ‘আপনাকে যুদ্ধে নেমে পড়তে হবে… দিস ইজ এ ওয়ার, দিস ইজ এ ব্যাটেল। মানুষের পক্ষে মানুষের জন্য, দেশের পক্ষে দেশের জন্য। আমাদের কাছে সবার আগে বাংলাদেশ… এই যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে আমাদের।’
তারেক রহমান বলেন, ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা শুধু পরিকল্পনার মধ্যে রাখলে হবে না। বাংলাদেশে বহু পরিকল্পনা হয়েছে সেই পরিকল্পনা পরিকল্পনাতেই রয়ে গেছে। আমরা আমাদের প্লান বাস্তবায়ন করতে চাই। জনগণকে সাথে নিয়ে যেমন আমরা আন্দোলন করেছি, জনগণকে সাথে নিয়ে আমরা এই প্ল্যানিং বাস্তবায়ন করতে চাই। আমরা এই কাজটা শুরু করব, পরবর্তী জেনারেশন সেটা কনটিনিউ করবে। এটার শেষ নেই।’
দলে পরিকল্পনা ঘরে ঘরে গিয়ে জনগণের কাছে পৌঁছিয়ে দিতে হবে এমন নির্দেশনা দিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘দলের পরিকল্পনা মানুষের সামনে নিয়ে যেতে হবে, জনগণকে কনভিন্স করতে হবে, জনগণকে বুঝাতে হবে… এই কঠিন কাজটি করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নাই। আদারওয়াইজ এই দেশ এবং জাতি ধ্বংস হয়ে যাবে। আমরা যদি সজাগ না হই, আমরা যদি এই যুদ্ধে মাঠে নেমে না পড়ি, এই দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে।’
তিনি বলেন, ‘এই দেশকে প্রতিবার আপনার দল বিএনপি রক্ষা করেছে। ইতিহাস ঘাটুন তাহলে দেখবেন প্রত্যেকটি বার রক্ষা করছে শহীদ জিয়া, খালেদা জিয়া যতবার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে তার আগে দেশের কি অবস্থা হয়েছে? এখন শহীদ জিয়া এবং খালেদা জিয়ার দায়িত্ব আপনাদের কাঁদে এসে পড়েছে। এই দেশকে আপনাদের রক্ষা করতে হবে। প্রত্যেককে উঠে দাঁড়াতে হবে, ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে হবে মানুষের কাছে যেতে হবে, দৌরগড়ায় যেতে হবে তাহলেই আমাদের পক্ষে সম্ভব। আসুন এই যুদ্ধ আমরা শুরু করি।’
বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফ্যামিলি কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ড, ফার্মাস কার্ড, পরিবেশ রক্ষা, বেকার সমস্যার সমাধান, শিক্ষার উন্নয়ন প্রভৃতি বিষয়ে দলের অগ্রাধিকার পরিকল্পনাগুলো কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে তার রূপরেখা যুবদল ও কৃষকদলের নেতাদের সামনে তুলে ধরেন।
দেশ গড়া পরিকল্পনা শীর্ষক কর্মসূচির বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে ও যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলের সঞ্চালনায় বিএনপির নেতারা অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন।’
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষকে জেতানোর মাধ্যমে দেশকে রক্ষা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গতকাল বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বিকেলে বিএনপির আয়োজিত ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক আলোচনায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এ মন্তব্য করেন।
রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির আয়োজনে ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনার কর্মসূচি’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠান হয়। যুবদল ও কৃষকদলের নেতারা এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
তিনি বলেন, ‘ধানের শীষকে জিতাতে হবে… এর কোনো বিকল্প নাই। ধানের শীষকে জিতানোর মাধ্যমে জনগণের যে পরিকল্পনা, জনগণের পক্ষের যে পরিকল্পনা সেটিকে বাস্তবায়ন করতে হবে… এর কোনো বিকল্প নাই। ধানের শীষকে জেতানোর মাধ্যমে দেশকে রক্ষা করতে হবে। প্রথম বাংলাদেশ, আমার শেষ বাংলাদেশ এবং সবার আগে বাংলাদেশ। নো কমপ্রোমাইজ।’
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘আপনার দল আপনার সামনে যে স্ট্রেইটকাট প্ল্যান উপস্থাপন করল দেখান তো আর কোনো রাজনৈতিক বাংলাদেশে আছে এ রকম প্ল্যানিং দিয়েছে কিনা। ইয়েস, কোনো রাজনৈতিক দল এ রকম প্ল্যান দিতে পারে নাই। দেশের মানুষকে কোনো পরিকল্পনা দিতে পারে নাই, দেশকে আমরা কীভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব। একমাত্র আপনার দল বিএনপি এই প্ল্যান দিয়েছে। কাজেই এখন আপনার বসে থাকার সময় নেই।’
তিনি বলেন, ‘আপনাকে যুদ্ধে নেমে পড়তে হবে… দিস ইজ এ ওয়ার, দিস ইজ এ ব্যাটেল। মানুষের পক্ষে মানুষের জন্য, দেশের পক্ষে দেশের জন্য। আমাদের কাছে সবার আগে বাংলাদেশ… এই যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে আমাদের।’
তারেক রহমান বলেন, ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা শুধু পরিকল্পনার মধ্যে রাখলে হবে না। বাংলাদেশে বহু পরিকল্পনা হয়েছে সেই পরিকল্পনা পরিকল্পনাতেই রয়ে গেছে। আমরা আমাদের প্লান বাস্তবায়ন করতে চাই। জনগণকে সাথে নিয়ে যেমন আমরা আন্দোলন করেছি, জনগণকে সাথে নিয়ে আমরা এই প্ল্যানিং বাস্তবায়ন করতে চাই। আমরা এই কাজটা শুরু করব, পরবর্তী জেনারেশন সেটা কনটিনিউ করবে। এটার শেষ নেই।’
দলে পরিকল্পনা ঘরে ঘরে গিয়ে জনগণের কাছে পৌঁছিয়ে দিতে হবে এমন নির্দেশনা দিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘দলের পরিকল্পনা মানুষের সামনে নিয়ে যেতে হবে, জনগণকে কনভিন্স করতে হবে, জনগণকে বুঝাতে হবে… এই কঠিন কাজটি করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নাই। আদারওয়াইজ এই দেশ এবং জাতি ধ্বংস হয়ে যাবে। আমরা যদি সজাগ না হই, আমরা যদি এই যুদ্ধে মাঠে নেমে না পড়ি, এই দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে।’
তিনি বলেন, ‘এই দেশকে প্রতিবার আপনার দল বিএনপি রক্ষা করেছে। ইতিহাস ঘাটুন তাহলে দেখবেন প্রত্যেকটি বার রক্ষা করছে শহীদ জিয়া, খালেদা জিয়া যতবার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে তার আগে দেশের কি অবস্থা হয়েছে? এখন শহীদ জিয়া এবং খালেদা জিয়ার দায়িত্ব আপনাদের কাঁদে এসে পড়েছে। এই দেশকে আপনাদের রক্ষা করতে হবে। প্রত্যেককে উঠে দাঁড়াতে হবে, ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে হবে মানুষের কাছে যেতে হবে, দৌরগড়ায় যেতে হবে তাহলেই আমাদের পক্ষে সম্ভব। আসুন এই যুদ্ধ আমরা শুরু করি।’
বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফ্যামিলি কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ড, ফার্মাস কার্ড, পরিবেশ রক্ষা, বেকার সমস্যার সমাধান, শিক্ষার উন্নয়ন প্রভৃতি বিষয়ে দলের অগ্রাধিকার পরিকল্পনাগুলো কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে তার রূপরেখা যুবদল ও কৃষকদলের নেতাদের সামনে তুলে ধরেন।
দেশ গড়া পরিকল্পনা শীর্ষক কর্মসূচির বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে ও যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলের সঞ্চালনায় বিএনপির নেতারা অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন।’

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০০
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রেখে জাতীয় সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী অধ্যাদেশ বিল ২০২৬ পাস হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে বিলটি পাস হয়।
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রেখে জাতীয় সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী অধ্যাদেশ বিল ২০২৬ পাস হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে বিলটি পাস হয়।

০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৭
বগুড়ার শিবগঞ্জে জানাজায় অংশ নিতে গিয়ে চুরির কবলে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেতা। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার শিবগঞ্জ ইউনিয়নের গুজিয়া বালা বত্রিশ গ্রামে জানাজা চলাকালীন তার ব্যবহৃত পালসার মোটরসাইকেলটি চুরি হয়।
ভুক্তভোগী ইঞ্জিনিয়ার এমএসএ মাহমুদ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বগুড়া জেলা শাখার আহ্বায়ক। এ ঘটনায় তিনি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিবগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ইঞ্জিনিয়ার এমএসএ মাহমুদ তার দুলাভাই ফারুক হোসেনের একটি কালো রঙের ‘পালসার ডাবল ডিস্ক’ মোটরসাইকেল নিয়ে বালা বত্রিশ গ্রামে এক আত্মীয়ের জানাজায় অংশ নিতে যান। মসজিদের পাশে মোটরসাইকেলটি রেখে তিনি নামাজে দাঁড়ান। নামাজ শেষ করে এসে দেখেন নির্ধারিত স্থানে মোটরসাইকেলটি নেই। দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজি করেও সেটির কোনো সন্ধান মেলেনি।
এ বিষয়ে এনসিপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার এমএসএ মাহমুদ বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত চুরি বলে আমার ধারণা। চোর চক্র সম্ভবত আগে থেকেই আমাকে লক্ষ করছিল। দিনের আলোতে জনসমাগমের মধ্যে এমন চুরির ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুজ্জামান শাহীন জানান, মোটরসাইকেল চুরির বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ আমরা পেয়েছি। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং মোটরসাইকেলটি উদ্ধারসহ চোর চক্রকে শনাক্ত করতে অভিযান শুরু হয়েছে।
বগুড়ার শিবগঞ্জে জানাজায় অংশ নিতে গিয়ে চুরির কবলে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেতা। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার শিবগঞ্জ ইউনিয়নের গুজিয়া বালা বত্রিশ গ্রামে জানাজা চলাকালীন তার ব্যবহৃত পালসার মোটরসাইকেলটি চুরি হয়।
ভুক্তভোগী ইঞ্জিনিয়ার এমএসএ মাহমুদ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বগুড়া জেলা শাখার আহ্বায়ক। এ ঘটনায় তিনি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিবগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ইঞ্জিনিয়ার এমএসএ মাহমুদ তার দুলাভাই ফারুক হোসেনের একটি কালো রঙের ‘পালসার ডাবল ডিস্ক’ মোটরসাইকেল নিয়ে বালা বত্রিশ গ্রামে এক আত্মীয়ের জানাজায় অংশ নিতে যান। মসজিদের পাশে মোটরসাইকেলটি রেখে তিনি নামাজে দাঁড়ান। নামাজ শেষ করে এসে দেখেন নির্ধারিত স্থানে মোটরসাইকেলটি নেই। দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজি করেও সেটির কোনো সন্ধান মেলেনি।
এ বিষয়ে এনসিপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার এমএসএ মাহমুদ বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত চুরি বলে আমার ধারণা। চোর চক্র সম্ভবত আগে থেকেই আমাকে লক্ষ করছিল। দিনের আলোতে জনসমাগমের মধ্যে এমন চুরির ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুজ্জামান শাহীন জানান, মোটরসাইকেল চুরির বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ আমরা পেয়েছি। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং মোটরসাইকেলটি উদ্ধারসহ চোর চক্রকে শনাক্ত করতে অভিযান শুরু হয়েছে।

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৩
রাজধানীর মিরপুর চিড়িয়াখানা এলাকা থেকে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিমকে আটক করেছে একদল শিক্ষার্থী। রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে চিড়িয়াখানার সামনে অবস্থানকালে তাকে শিক্ষার্থীরা ঘিরে ধরেন এবং সেখান থেকেই তাকে আটকে রাখা হয়। পরে তাকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহ আলী থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর আলম।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা বলেন, আর এস ফাহিমের বিতর্কিত বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও বিগত সময়ে ছাত্র আন্দোলনের বিপক্ষ অবস্থান বা উসকানিমূলক ভূমিকার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে। আটকের পর শিক্ষার্থীরা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করেন। পরে সেখানে পুলিশের একটি গাড়ি উপস্থিত হয়।
তারা বলেন, তারা ফাহিমকে নিজেদের হেফাজতে রেখে পুলিশকে খবর দিয়েছেন। পুলিশ আসার পর তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শাহ আলী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘মিরপুর চিড়িয়াখানার সামনে থেকে স্থানীয় জনতা তাকে আটকে রেখেছিল। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তার বিরুদ্ধে জুলাইয়ের ঘটনাবলি নিয়ে বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। সেগুলো আমরা খোঁজ নিচ্ছি।’
রাজধানীর মিরপুর চিড়িয়াখানা এলাকা থেকে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিমকে আটক করেছে একদল শিক্ষার্থী। রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে চিড়িয়াখানার সামনে অবস্থানকালে তাকে শিক্ষার্থীরা ঘিরে ধরেন এবং সেখান থেকেই তাকে আটকে রাখা হয়। পরে তাকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহ আলী থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর আলম।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা বলেন, আর এস ফাহিমের বিতর্কিত বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও বিগত সময়ে ছাত্র আন্দোলনের বিপক্ষ অবস্থান বা উসকানিমূলক ভূমিকার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে। আটকের পর শিক্ষার্থীরা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করেন। পরে সেখানে পুলিশের একটি গাড়ি উপস্থিত হয়।
তারা বলেন, তারা ফাহিমকে নিজেদের হেফাজতে রেখে পুলিশকে খবর দিয়েছেন। পুলিশ আসার পর তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শাহ আলী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘মিরপুর চিড়িয়াখানার সামনে থেকে স্থানীয় জনতা তাকে আটকে রেখেছিল। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তার বিরুদ্ধে জুলাইয়ের ঘটনাবলি নিয়ে বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। সেগুলো আমরা খোঁজ নিচ্ছি।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.