
১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৫
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) সাধারণ ভোটারদের মতামত সংগ্রহ করেছিল তদন্ত কমিশন। সর্বসাধারণের মতামত নিতে তদন্ত কমিশন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি প্রশ্নমালার মাধ্যমে মতামত সংগ্রহ করে।
সম্প্রতি এই তিনটি নির্বাচনে অনিয়ম, দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে গঠিত তদন্ত কমিশন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করে। হাইকোর্টের সাবেক বিচারক শামীম হাসনাইনকে কমিশন প্রধান করে গঠিত হয় কমিটি। ওই কমিটির তদন্ত প্রতিবেদনে জনমত জরিপের গুরুত্বপূর্ণ সমন্বিত ফলাফলও প্রকাশ করা হয়।
এতে দেখা যায়, বিগত তিন নির্বাচনে ৮০ শতাংশের বেশি ভোটার ভোট দেননি। এক্ষেত্রে তারা তৎকালীন প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থাহীনতাকে দায়ী করেন। পাশাপাশি জরিপে অংশ নেওয়া অর্ধেকের বেশি ভোটার জানান, তাদের ভোট অন্য কেউ দিয়ে দেন। অর্থাৎ তারা বুথে যাওয়ার আগেই তাদের ভোট অন্য কেউ দিয়ে দিয়েছিলেন।
২০১৪ নির্বাচনের জরিপ ফলাফল
২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে আপনি ভোট প্রদান করেছেন কি? এ প্রশ্নের জবাবে শতকরা ৮১ দশমিক ৮২ শতাংশ ভোটার না সূচক জবাব দেন। ভোট না দিয়ে থাকলে তার কারণ কী- এমন প্রশ্নের একাধিক উত্তর থাকলেও সর্বোচ্চ ২৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ জানিয়েছেন অন্য কেউ তার ভোট দিয়েছিল। এছাড়া ২৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ জানিয়েছেন নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর আস্থা ছিল না।
২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন কতটুকু অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে? এমন প্রশ্নের জবাবে ৮৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ জানিয়েছেস একদমই অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি। ওই নির্বাচনে তৎকালীন নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে আপনার অভিমত কী? এমন প্রশ্নের জবাবে ৮৭ দশমিক ৩২ শতাংশ জানিয়েছেন একদমই নিরপেক্ষ ছিল না।
২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৎকালীন প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও হতাশার কথা জানিয়েছেন ভোটাররা। ৮৪ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ জানিয়েছেন তখন প্রশাসন একদমই নিরপেক্ষ ছিল না।
প্রশ্ন ছিল ২০১৪ সালের নির্বাচনে ভোট প্রদানের সমস্যা নিয়েও। এ সংক্রান্ত প্রশ্নে সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোটার জানিয়েছেন ভোট দানের পরিবেশ সহিংসতা ও সংঘাতপূর্ণ ছিল। এছাড়া ভোট দিতে বাধা দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন অনেকে।
২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে আপনি ভোট দিয়েছেন কি? এ প্রশ্নের জবাবে ৮৪ শতাংশ ভোটার না সূচক জবাব দেন। ভোট না দিয়ে থাকলে তার কারণ কী? এ সংক্রান্ত একাধিক উত্তর থাকলেও সর্বোচ্চ সংখ্যক ৪৫ শতাংশ জানিয়েছেন অন্য কেউ তার ভোট দিয়েছিল। এছাড়া ৩২ শতাংশ জানিয়েছেন নির্বাচিত ব্যবস্থার ওপর আস্থা ছিল না।
২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন কতটুকু অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে? এমন প্রশ্নের জবাবে ৯০ দশমিক ১৪ শতাংশ জানিয়েছেন একদমই অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি। তৎকালীন নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ৯৩ শতাংশ জানিয়েছেন একদমই নিরপেক্ষ ছিল না। সেসময় প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও ৯০ দশমিক ১৪ শতাংশ জানিয়েছেন একদমই নিরপেক্ষ ছিল না।
বিগত ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন কতটুকু অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে? এমন প্রশ্নের উত্তরে ৯৩ শতাংশ জানিয়েছেন একদমই অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম দূর করার জন্য কী কী করা প্রয়োজন বলে মনে করেন? এমন প্রশ্নের একাধিক উত্তরে ৭১ দশমিক ৯৫ শতাংশ বলেছেন নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন ও শক্তিশালী করতে হবে। এছাড়া নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে জড়িত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে বলে অনেকে জানিয়েছেন।
২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে আপনি ভোট দিয়েছেন কি? এ প্রশ্নের জবাবে ৮৮ দশমিক ৭৩ শতাংশ ভোটার না সূচক জবাব দেন। ভোট না দিয়ে থাকলে তার কারণ কী? এ সংক্রান্ত একাধিক উত্তর থাকলেও সর্বোচ্চ সংখ্যক ৫৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ জানিয়েছেন অন্য কেউ তার ভোট দিয়েছিল। এছাড়া ৩০ দশমিক ১৬ শতাংশ জানিয়েছেন নির্বাচিত ব্যবস্থার ওপর আস্থা ছিল না।
২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন কতটুকু অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে? এমন প্রশ্নের জবাবে ৯২ শতাংশ জানিয়েছেন একদমই অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি। তৎকালীন নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে আপনার অভিমত কী? এমন প্রশ্নের জবাবে ৯২ শতাংশ জানিয়েছেন একদমই নিরপেক্ষ ছিল না।
জাতীয় নির্বাচনে অনিয়ম দূর করার জন্য কী কী প্রয়োজন ছিল বলে মনে করেন? এমন প্রশ্নের একাধিক উত্তরে সর্বোচ্চ প্রশাসনে নিরপেক্ষতা নিশ্চিতকরণ ও নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন ও শক্তিশালী করার কথা বলেছেন।
এছাড়া ভোটকেন্দ্রে যাওয়া-আসা ও কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত, নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে জড়িত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আইনের আওতায় আনা, নির্বাচনি আইনের সংস্কার, প্রতিটি নির্বাচনি অনিয়মের সঠিক তদন্ত ও বিচার যথাসময়ে করা, ঐকমত্যের ভিত্তিতে যোগ্যতা সম্পন্ন নিরপেক্ষ ব্যক্তিকে নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কোনো প্রার্থী যাতে নির্বাচিত না হতে পারে সে ব্যবস্থা করা ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার কথা অনেকে বলেছেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) সাধারণ ভোটারদের মতামত সংগ্রহ করেছিল তদন্ত কমিশন। সর্বসাধারণের মতামত নিতে তদন্ত কমিশন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি প্রশ্নমালার মাধ্যমে মতামত সংগ্রহ করে।
সম্প্রতি এই তিনটি নির্বাচনে অনিয়ম, দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে গঠিত তদন্ত কমিশন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন পেশ করে। হাইকোর্টের সাবেক বিচারক শামীম হাসনাইনকে কমিশন প্রধান করে গঠিত হয় কমিটি। ওই কমিটির তদন্ত প্রতিবেদনে জনমত জরিপের গুরুত্বপূর্ণ সমন্বিত ফলাফলও প্রকাশ করা হয়।
এতে দেখা যায়, বিগত তিন নির্বাচনে ৮০ শতাংশের বেশি ভোটার ভোট দেননি। এক্ষেত্রে তারা তৎকালীন প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থাহীনতাকে দায়ী করেন। পাশাপাশি জরিপে অংশ নেওয়া অর্ধেকের বেশি ভোটার জানান, তাদের ভোট অন্য কেউ দিয়ে দেন। অর্থাৎ তারা বুথে যাওয়ার আগেই তাদের ভোট অন্য কেউ দিয়ে দিয়েছিলেন।
২০১৪ নির্বাচনের জরিপ ফলাফল
২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে আপনি ভোট প্রদান করেছেন কি? এ প্রশ্নের জবাবে শতকরা ৮১ দশমিক ৮২ শতাংশ ভোটার না সূচক জবাব দেন। ভোট না দিয়ে থাকলে তার কারণ কী- এমন প্রশ্নের একাধিক উত্তর থাকলেও সর্বোচ্চ ২৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ জানিয়েছেন অন্য কেউ তার ভোট দিয়েছিল। এছাড়া ২৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ জানিয়েছেন নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর আস্থা ছিল না।
২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন কতটুকু অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে? এমন প্রশ্নের জবাবে ৮৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ জানিয়েছেস একদমই অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি। ওই নির্বাচনে তৎকালীন নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে আপনার অভিমত কী? এমন প্রশ্নের জবাবে ৮৭ দশমিক ৩২ শতাংশ জানিয়েছেন একদমই নিরপেক্ষ ছিল না।
২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৎকালীন প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও হতাশার কথা জানিয়েছেন ভোটাররা। ৮৪ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ জানিয়েছেন তখন প্রশাসন একদমই নিরপেক্ষ ছিল না।
প্রশ্ন ছিল ২০১৪ সালের নির্বাচনে ভোট প্রদানের সমস্যা নিয়েও। এ সংক্রান্ত প্রশ্নে সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোটার জানিয়েছেন ভোট দানের পরিবেশ সহিংসতা ও সংঘাতপূর্ণ ছিল। এছাড়া ভোট দিতে বাধা দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন অনেকে।
২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে আপনি ভোট দিয়েছেন কি? এ প্রশ্নের জবাবে ৮৪ শতাংশ ভোটার না সূচক জবাব দেন। ভোট না দিয়ে থাকলে তার কারণ কী? এ সংক্রান্ত একাধিক উত্তর থাকলেও সর্বোচ্চ সংখ্যক ৪৫ শতাংশ জানিয়েছেন অন্য কেউ তার ভোট দিয়েছিল। এছাড়া ৩২ শতাংশ জানিয়েছেন নির্বাচিত ব্যবস্থার ওপর আস্থা ছিল না।
২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন কতটুকু অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে? এমন প্রশ্নের জবাবে ৯০ দশমিক ১৪ শতাংশ জানিয়েছেন একদমই অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি। তৎকালীন নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ৯৩ শতাংশ জানিয়েছেন একদমই নিরপেক্ষ ছিল না। সেসময় প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও ৯০ দশমিক ১৪ শতাংশ জানিয়েছেন একদমই নিরপেক্ষ ছিল না।
বিগত ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন কতটুকু অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে? এমন প্রশ্নের উত্তরে ৯৩ শতাংশ জানিয়েছেন একদমই অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম দূর করার জন্য কী কী করা প্রয়োজন বলে মনে করেন? এমন প্রশ্নের একাধিক উত্তরে ৭১ দশমিক ৯৫ শতাংশ বলেছেন নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন ও শক্তিশালী করতে হবে। এছাড়া নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে জড়িত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে বলে অনেকে জানিয়েছেন।
২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে আপনি ভোট দিয়েছেন কি? এ প্রশ্নের জবাবে ৮৮ দশমিক ৭৩ শতাংশ ভোটার না সূচক জবাব দেন। ভোট না দিয়ে থাকলে তার কারণ কী? এ সংক্রান্ত একাধিক উত্তর থাকলেও সর্বোচ্চ সংখ্যক ৫৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ জানিয়েছেন অন্য কেউ তার ভোট দিয়েছিল। এছাড়া ৩০ দশমিক ১৬ শতাংশ জানিয়েছেন নির্বাচিত ব্যবস্থার ওপর আস্থা ছিল না।
২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন কতটুকু অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে? এমন প্রশ্নের জবাবে ৯২ শতাংশ জানিয়েছেন একদমই অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি। তৎকালীন নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে আপনার অভিমত কী? এমন প্রশ্নের জবাবে ৯২ শতাংশ জানিয়েছেন একদমই নিরপেক্ষ ছিল না।
জাতীয় নির্বাচনে অনিয়ম দূর করার জন্য কী কী প্রয়োজন ছিল বলে মনে করেন? এমন প্রশ্নের একাধিক উত্তরে সর্বোচ্চ প্রশাসনে নিরপেক্ষতা নিশ্চিতকরণ ও নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন ও শক্তিশালী করার কথা বলেছেন।
এছাড়া ভোটকেন্দ্রে যাওয়া-আসা ও কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত, নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে জড়িত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আইনের আওতায় আনা, নির্বাচনি আইনের সংস্কার, প্রতিটি নির্বাচনি অনিয়মের সঠিক তদন্ত ও বিচার যথাসময়ে করা, ঐকমত্যের ভিত্তিতে যোগ্যতা সম্পন্ন নিরপেক্ষ ব্যক্তিকে নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কোনো প্রার্থী যাতে নির্বাচিত না হতে পারে সে ব্যবস্থা করা ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার কথা অনেকে বলেছেন।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫০
পাবনার ঈশ্বরদীতে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি লোডিং শুরু হয়েছে। এর মাধমে পারমানবিক শক্তি ব্যবহারকারীর আন্তর্জাতিক দেশের তালিকায় ৩৩তম দেশ হলো বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুর ৩ টার দিকে পদ্মার তীর ঘেষা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। এর থেকে আগামী আগস্ট মাসের মাঝামাঝিতে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হবে জাতীয় গ্রীডে। পরবর্তীতে নানা ধাপ পেরিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার পর আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে পূর্ণাঙ্গ বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেতে পারে রূপপুরের প্রথম ইউনিট।
ফকির মাহবুব আনাম বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। কারণ নিরাপত্তাই বাংলাদেশের প্রথম অগ্রাধিকার। এই পারমাণবিক কেন্দ্র ঢাকা ও মস্কোর মধ্যকার ঐতিহাসিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেবে।
প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, আজকের দিনটি বাংলাদেশের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে বাংলাদেশ আরও একধাপ এগিয়ে গেল।
রুশ পরমাণু শক্তি করপোরেশনের (রোসাটম) মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ বলেন, পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে বাংলাদেশকে যেভাবে সহযোগিতা করা হয়েছে, ভবিষ্যতেও সেভাবে পাশে থাকবে। বাংলাদেশের মানুষকে আশ্বস্থ করতে চাই নিরাপত্তা নিয়ে। সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও সর্বোচ্চ মানদন্ড বজায় রাখা হয়েছে। নিরাপদ পারমানবিক কেন্দ্র থেকেই সরবরাহ করা হবে বিদ্যুৎ। এমনকি বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ ভবিষ্যতের প্রয়োজনে সহযোগিতা থাকবে রোসাটমের।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের সচিব আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রযুক্তিগত রূপান্তরের সুযোগ এনে দিয়েছে রূপপুর। এই কেন্দ্র বাংলাদেশের বিজ্ঞান প্রযুক্তিকে আরও এগিয়ে নিবে।
অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি। এই জ্বালানি লোডিংয়ের মধ্য দিয়েই মূলত এই কেন্দ্র থেকে ধাপে ধাপে শুরু হবে বহুল কাঙ্ক্ষিত সেই বিদ্যুৎ উৎপাদন।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর আকাশপথে রাশিয়া থেকে ঢাকায় পৌঁছায় পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালান। এরপর আসে আরও কয়েকটি চালান। বিশেষ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সড়কপথে অক্টোবরে রূপপুরে নিয়ে যাওয়া হয় জ্বালানি। এরপর এটি মজুত করে রাখা হয়েছে রূপপুরে। অতিরিক্ত একটিসহ মোট ১৬৪টি বান্ডিল দেশে আনা হয়। রূপপুরে ব্যবহৃত প্রতিটি বান্ডিলে ৩১২টি জ্বালানি রড আছে ।
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি মূলত ইউরেনিয়াম থেকে তৈরি হয়। প্রথমে ইউরেনিয়াম অক্সাইড দিয়ে ছোট ট্যাবলেটের মতো জ্বালানি দানা (প্যালেট) বানানো হয়। এগুলোর ব্যাস সাধারণত ৮ থেকে ১৫ মিলিমিটার এবং দৈর্ঘ্য ১০ থেকে ১৫ মিলিমিটার। এমন অনেক জ্বালানি দানা প্রায় চার মিটার দীর্ঘ ধাতব নলের ভেতরে সাজিয়ে তৈরি হয় জ্বালানি রড। আবার নির্দিষ্ট কাঠামোতে অনেকগুলো রড একসঙ্গে যুক্ত করলে তৈরি হয় জ্বালানি বান্ডিল বা ফুয়েল অ্যাসেম্বলি।
বরিশাল টাইমস
পাবনার ঈশ্বরদীতে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি লোডিং শুরু হয়েছে। এর মাধমে পারমানবিক শক্তি ব্যবহারকারীর আন্তর্জাতিক দেশের তালিকায় ৩৩তম দেশ হলো বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুর ৩ টার দিকে পদ্মার তীর ঘেষা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। এর থেকে আগামী আগস্ট মাসের মাঝামাঝিতে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হবে জাতীয় গ্রীডে। পরবর্তীতে নানা ধাপ পেরিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার পর আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে পূর্ণাঙ্গ বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেতে পারে রূপপুরের প্রথম ইউনিট।
ফকির মাহবুব আনাম বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। কারণ নিরাপত্তাই বাংলাদেশের প্রথম অগ্রাধিকার। এই পারমাণবিক কেন্দ্র ঢাকা ও মস্কোর মধ্যকার ঐতিহাসিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেবে।
প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, আজকের দিনটি বাংলাদেশের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে বাংলাদেশ আরও একধাপ এগিয়ে গেল।
রুশ পরমাণু শক্তি করপোরেশনের (রোসাটম) মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ বলেন, পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে বাংলাদেশকে যেভাবে সহযোগিতা করা হয়েছে, ভবিষ্যতেও সেভাবে পাশে থাকবে। বাংলাদেশের মানুষকে আশ্বস্থ করতে চাই নিরাপত্তা নিয়ে। সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও সর্বোচ্চ মানদন্ড বজায় রাখা হয়েছে। নিরাপদ পারমানবিক কেন্দ্র থেকেই সরবরাহ করা হবে বিদ্যুৎ। এমনকি বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ ভবিষ্যতের প্রয়োজনে সহযোগিতা থাকবে রোসাটমের।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের সচিব আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রযুক্তিগত রূপান্তরের সুযোগ এনে দিয়েছে রূপপুর। এই কেন্দ্র বাংলাদেশের বিজ্ঞান প্রযুক্তিকে আরও এগিয়ে নিবে।
অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি। এই জ্বালানি লোডিংয়ের মধ্য দিয়েই মূলত এই কেন্দ্র থেকে ধাপে ধাপে শুরু হবে বহুল কাঙ্ক্ষিত সেই বিদ্যুৎ উৎপাদন।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর আকাশপথে রাশিয়া থেকে ঢাকায় পৌঁছায় পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালান। এরপর আসে আরও কয়েকটি চালান। বিশেষ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সড়কপথে অক্টোবরে রূপপুরে নিয়ে যাওয়া হয় জ্বালানি। এরপর এটি মজুত করে রাখা হয়েছে রূপপুরে। অতিরিক্ত একটিসহ মোট ১৬৪টি বান্ডিল দেশে আনা হয়। রূপপুরে ব্যবহৃত প্রতিটি বান্ডিলে ৩১২টি জ্বালানি রড আছে ।
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি মূলত ইউরেনিয়াম থেকে তৈরি হয়। প্রথমে ইউরেনিয়াম অক্সাইড দিয়ে ছোট ট্যাবলেটের মতো জ্বালানি দানা (প্যালেট) বানানো হয়। এগুলোর ব্যাস সাধারণত ৮ থেকে ১৫ মিলিমিটার এবং দৈর্ঘ্য ১০ থেকে ১৫ মিলিমিটার। এমন অনেক জ্বালানি দানা প্রায় চার মিটার দীর্ঘ ধাতব নলের ভেতরে সাজিয়ে তৈরি হয় জ্বালানি রড। আবার নির্দিষ্ট কাঠামোতে অনেকগুলো রড একসঙ্গে যুক্ত করলে তৈরি হয় জ্বালানি বান্ডিল বা ফুয়েল অ্যাসেম্বলি।
বরিশাল টাইমস

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১৮
চলমান এপ্রিল মাসের প্রথম ২৬ দিনেই দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে ২৭১ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৩ হাজার ১৫৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসেবে)।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রোববার প্রবাসী আয় এসেছে এক হাজার ৬৯৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা। গত বছরের এপ্রিল মাসের প্রথম ২৬ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ২২৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৯ দশমিক ৬০ শতাংশ।
চলতি অর্থবছরের (১ জুলাই থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত) সামগ্রিক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত দেশে দুই হাজার ৮৯২ কোটি ৬০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল দুই হাজার ৪০৫ কোটি ৬০ লাখ ডলার। অর্থাৎ গত অর্থবছরের তুলনায় এ বছর একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২০ দশমিক ২০ শতাংশ
চলমান এপ্রিল মাসের প্রথম ২৬ দিনেই দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে ২৭১ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৩ হাজার ১৫৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসেবে)।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রোববার প্রবাসী আয় এসেছে এক হাজার ৬৯৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা। গত বছরের এপ্রিল মাসের প্রথম ২৬ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ২২৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৯ দশমিক ৬০ শতাংশ।
চলতি অর্থবছরের (১ জুলাই থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত) সামগ্রিক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত দেশে দুই হাজার ৮৯২ কোটি ৬০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল দুই হাজার ৪০৫ কোটি ৬০ লাখ ডলার। অর্থাৎ গত অর্থবছরের তুলনায় এ বছর একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২০ দশমিক ২০ শতাংশ

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫২
হত্যা মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক পরিচালক ও ইউনাইটেড গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক (অ্যাডমিন) অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আফজাল নাছের ভূঁইয়াকে দ্বিতীয় দফায় দুদিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চারদিনের রিমান্ড শেষে তাকে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আরও সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন আসামির দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ২৩ এপ্রিল ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ একই মামলায় তার চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জুলাই আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানাধীন আজমপুর এলাকায় ছাত্র-জনতার একটি মিছিলে হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এসময় মাহমুদুল হাসান (২৬) নামের একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর উত্তরা পূর্ব থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, গত ৩০ মার্চ রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে আফজাল নাছের ভূঁইয়াকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরপর থেকে মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে তাকে দফায় দফায় রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
হত্যা মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক পরিচালক ও ইউনাইটেড গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক (অ্যাডমিন) অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আফজাল নাছের ভূঁইয়াকে দ্বিতীয় দফায় দুদিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চারদিনের রিমান্ড শেষে তাকে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আরও সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন আসামির দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ২৩ এপ্রিল ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ একই মামলায় তার চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জুলাই আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানাধীন আজমপুর এলাকায় ছাত্র-জনতার একটি মিছিলে হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এসময় মাহমুদুল হাসান (২৬) নামের একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর উত্তরা পূর্ব থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, গত ৩০ মার্চ রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে আফজাল নাছের ভূঁইয়াকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরপর থেকে মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে তাকে দফায় দফায় রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৭
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫৮
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১০:৫৭
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:০১