
২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২০:৪৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৬ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে গতকাল রোববার মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা মনিরুল হক (সাক্কু)। আজ সোমবার জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে তিনি বলেছেন, ‘আমি আবেগে পইড়া নমিনেশন কিনছি, এইডা আমার ঠিক হইছে না। আমি এই নমিনেশন জমা দিমু না।’
আজ সোমবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে নগরের নানুয়ার দিঘির পাড়ে অবস্থিত নিজ বাসভবনে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকে এ কথা বলেন মনিরুল হক। এর আগে গতকাল দুপুরে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানের কাছ থেকে মনিরুল হকের পক্ষে স্বতন্ত্র পদের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা। এ সময় তাঁর কয়েকজন অনুসারী সঙ্গে ছিলেন।
কুমিল্লা আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ উপজেলা, সিটি করপোরেশন এবং সেনানিবাস এলাকা নিয়ে গঠিত কুমিল্লা-৬ আসনটি ‘সদর আসন’ হিসেবে পরিচিত।
গত ৩ নভেম্বর কুমিল্লা-৬ আসনে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরীকে বিএনপি থেকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়। এর পর থেকে মনিরুল হক চৌধুরীর প্রচারে সরাসরি অংশ নিচ্ছেন সাক্কু ও তাঁর সমর্থকেরা। এর মধ্যে রোববার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।
দলীয় সূত্র জানায়, কুমিল্লা-৬ আসনে মনিরুল হক চৌধুরীর নাম ঘোষণার পর থেকেই চেয়ারপারসনের আরেক উপদেষ্টা আমিন-উর-রশিদকে (ইয়াছিন) দলীয় প্রার্থী ঘোষণার দাবিতে তাঁর অনুসারীরা নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছেন। মনিরুল হক চৌধুরী ২০১৮ সালে কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনী এলাকার সীমানার পুনর্নির্ধারণের চূড়ান্ত তালিকায় কুমিল্লা-১০ আসনের কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলাকে বর্তমান কুমিল্লা-৬ আসনে যুক্ত করা হয়। আমিন-উর-রশিদ ২০১৮ সালে বিএনপির অংশ নেওয়া নির্বাচনে কুমিল্লা-৬ আসনে দলীয় প্রার্থী ছিলেন। প্রায় দুই দশক ধরে এই আসনে বিএনপির নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে আমিন-উর-রশিদের সঙ্গে সাবেক সিটি মেয়র মনিরুল হকের রাজনৈতিক কোন্দল চলে আসছে। মূলত আমিন-উর-রশিদকে আটকানোর জন্য সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন মনিরুল হক (সাক্কু)।
আজকের সংবাদ সম্মেলনে মনিরুল হক (সাক্কু) বলেন, ‘বিভিন্নভাবে শুনতাছি, ইয়াছিন (আমিন-উর-রশিদ) ভাইয়ের সমর্থকেরা বলতাছে, তারা আজ নমিনেশন আনতাছে, কাল নমিনেশন আনতাছে, এসব দেখে আমি আর সহ্য করতে পারি না। আমি আবেগে পইড়া নমিনেশন কিনেছি। তবে গতকাল রাতে চিন্তা করছি এবং দল থেকেও আমারে বলছে, নমিনেশন কেনাটা আমার ভুল হয়েছে। আমি এই নমিনেশন জমা দিমু না এবং ইলেকশনও করমু না। মনিরুল হক চৌধুরীকে বিজয়ী করার জন্য আমি আপ্রাণ চেষ্টা করে যামু। তবে দল যদি ইয়াছিন সাহেবকে মনোনয়ন দেয়, তাহলে আমি স্বতন্ত্র ইলেকশন করমু।’
মনিরুল হক সংবাদ সম্মেলনে আরও বলেছেন, ‘ইয়াছিন সাহেব সব সময় আমার কার্যক্রমে বাধা দিয়েছেন। ২০২২ সালের সিটি নির্বাচনে উনার শ্যালক আমার বিরুদ্ধে প্রার্থী হইছে। উনার শ্যালক প্রার্থী না হলে আমি বিপুল ভোটে মেয়র হতাম। পরের উপনির্বাচনে আবারও প্রার্থী হইছে। তিনি সব সময় আমার বিপরীতে ছিলেন। তাই হাজি ইয়াছিন সাহেবকে নমিনেশন দিলে আমি স্বতন্ত্র থেকে হলেও নির্বাচন করমু।’ তিনি বলেন, ‘প্রার্থী ঘোষণার আগে দলের মহাসচিব আমাকে ডেকে নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করেছেন, নির্বাচন করার ঘোষণা কেন দিয়েছি। পরে আমি বিএনপির মহাসচিব সাহেবকে বলেছি, আমাকে যদি নমিনেশন দেন, তবে দিতে পারেন। আর যদি না দেন, তাহলে আমার দৃষ্টিতে মনিরুল হক চৌধুরী সাহেবকে দিলে ভালো হবে। দলের মহাসচিব আমার কথা রেখেছেন। মনির ভাই মনোনয়ন পেলেন, আমি প্রথম দিন থেকেই ওনার সঙ্গে কাজ করছি। প্রতিটি মিটিংয়ে কর্মীর মতো কাজ করছি মনিরুল হক চৌধুরীর জন্য।’
নিজের বহিষ্কারাদেশ আদেশ প্রত্যাহার ইস্যু নিয়ে সাক্কু বলেন, ‘আমি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল সাহেব এবং চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেবের কাছে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার চেয়ে চিঠি দিয়েছিলাম। আর কোনো আবেদন করব না। আমি দলের জন্য কাজ করছি। দল ভালো মনে করলে আমাকে ফিরেয়ে নেবে।’
প্রসঙ্গত, দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে ২০২২ সালের ১৫ জুনের কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করায় মনিরুল হক সাক্কুকে ওই বছরের ১৯ মে বিএনপি থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়। সাক্কু কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এবং দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। তবে দল থেকে বহিষ্কৃত হলেও সাক্কুকে বিভিন্ন সময়ে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে দেখা গেছে। মনিরুল হক সাক্কু কুমিল্লা পৌরসভার চেয়ারম্যান এবং দুইবার সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৬ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে গতকাল রোববার মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা মনিরুল হক (সাক্কু)। আজ সোমবার জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে তিনি বলেছেন, ‘আমি আবেগে পইড়া নমিনেশন কিনছি, এইডা আমার ঠিক হইছে না। আমি এই নমিনেশন জমা দিমু না।’
আজ সোমবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে নগরের নানুয়ার দিঘির পাড়ে অবস্থিত নিজ বাসভবনে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকে এ কথা বলেন মনিরুল হক। এর আগে গতকাল দুপুরে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানের কাছ থেকে মনিরুল হকের পক্ষে স্বতন্ত্র পদের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা। এ সময় তাঁর কয়েকজন অনুসারী সঙ্গে ছিলেন।
কুমিল্লা আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ উপজেলা, সিটি করপোরেশন এবং সেনানিবাস এলাকা নিয়ে গঠিত কুমিল্লা-৬ আসনটি ‘সদর আসন’ হিসেবে পরিচিত।
গত ৩ নভেম্বর কুমিল্লা-৬ আসনে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরীকে বিএনপি থেকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়। এর পর থেকে মনিরুল হক চৌধুরীর প্রচারে সরাসরি অংশ নিচ্ছেন সাক্কু ও তাঁর সমর্থকেরা। এর মধ্যে রোববার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।
দলীয় সূত্র জানায়, কুমিল্লা-৬ আসনে মনিরুল হক চৌধুরীর নাম ঘোষণার পর থেকেই চেয়ারপারসনের আরেক উপদেষ্টা আমিন-উর-রশিদকে (ইয়াছিন) দলীয় প্রার্থী ঘোষণার দাবিতে তাঁর অনুসারীরা নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছেন। মনিরুল হক চৌধুরী ২০১৮ সালে কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনী এলাকার সীমানার পুনর্নির্ধারণের চূড়ান্ত তালিকায় কুমিল্লা-১০ আসনের কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলাকে বর্তমান কুমিল্লা-৬ আসনে যুক্ত করা হয়। আমিন-উর-রশিদ ২০১৮ সালে বিএনপির অংশ নেওয়া নির্বাচনে কুমিল্লা-৬ আসনে দলীয় প্রার্থী ছিলেন। প্রায় দুই দশক ধরে এই আসনে বিএনপির নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে আমিন-উর-রশিদের সঙ্গে সাবেক সিটি মেয়র মনিরুল হকের রাজনৈতিক কোন্দল চলে আসছে। মূলত আমিন-উর-রশিদকে আটকানোর জন্য সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন মনিরুল হক (সাক্কু)।
আজকের সংবাদ সম্মেলনে মনিরুল হক (সাক্কু) বলেন, ‘বিভিন্নভাবে শুনতাছি, ইয়াছিন (আমিন-উর-রশিদ) ভাইয়ের সমর্থকেরা বলতাছে, তারা আজ নমিনেশন আনতাছে, কাল নমিনেশন আনতাছে, এসব দেখে আমি আর সহ্য করতে পারি না। আমি আবেগে পইড়া নমিনেশন কিনেছি। তবে গতকাল রাতে চিন্তা করছি এবং দল থেকেও আমারে বলছে, নমিনেশন কেনাটা আমার ভুল হয়েছে। আমি এই নমিনেশন জমা দিমু না এবং ইলেকশনও করমু না। মনিরুল হক চৌধুরীকে বিজয়ী করার জন্য আমি আপ্রাণ চেষ্টা করে যামু। তবে দল যদি ইয়াছিন সাহেবকে মনোনয়ন দেয়, তাহলে আমি স্বতন্ত্র ইলেকশন করমু।’
মনিরুল হক সংবাদ সম্মেলনে আরও বলেছেন, ‘ইয়াছিন সাহেব সব সময় আমার কার্যক্রমে বাধা দিয়েছেন। ২০২২ সালের সিটি নির্বাচনে উনার শ্যালক আমার বিরুদ্ধে প্রার্থী হইছে। উনার শ্যালক প্রার্থী না হলে আমি বিপুল ভোটে মেয়র হতাম। পরের উপনির্বাচনে আবারও প্রার্থী হইছে। তিনি সব সময় আমার বিপরীতে ছিলেন। তাই হাজি ইয়াছিন সাহেবকে নমিনেশন দিলে আমি স্বতন্ত্র থেকে হলেও নির্বাচন করমু।’ তিনি বলেন, ‘প্রার্থী ঘোষণার আগে দলের মহাসচিব আমাকে ডেকে নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করেছেন, নির্বাচন করার ঘোষণা কেন দিয়েছি। পরে আমি বিএনপির মহাসচিব সাহেবকে বলেছি, আমাকে যদি নমিনেশন দেন, তবে দিতে পারেন। আর যদি না দেন, তাহলে আমার দৃষ্টিতে মনিরুল হক চৌধুরী সাহেবকে দিলে ভালো হবে। দলের মহাসচিব আমার কথা রেখেছেন। মনির ভাই মনোনয়ন পেলেন, আমি প্রথম দিন থেকেই ওনার সঙ্গে কাজ করছি। প্রতিটি মিটিংয়ে কর্মীর মতো কাজ করছি মনিরুল হক চৌধুরীর জন্য।’
নিজের বহিষ্কারাদেশ আদেশ প্রত্যাহার ইস্যু নিয়ে সাক্কু বলেন, ‘আমি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল সাহেব এবং চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেবের কাছে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার চেয়ে চিঠি দিয়েছিলাম। আর কোনো আবেদন করব না। আমি দলের জন্য কাজ করছি। দল ভালো মনে করলে আমাকে ফিরেয়ে নেবে।’
প্রসঙ্গত, দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে ২০২২ সালের ১৫ জুনের কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করায় মনিরুল হক সাক্কুকে ওই বছরের ১৯ মে বিএনপি থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়। সাক্কু কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এবং দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। তবে দল থেকে বহিষ্কৃত হলেও সাক্কুকে বিভিন্ন সময়ে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে দেখা গেছে। মনিরুল হক সাক্কু কুমিল্লা পৌরসভার চেয়ারম্যান এবং দুইবার সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৩:২২
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করবে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সবাইকে সম্পৃক্ত করেই সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, “প্রথমবারের মতো গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে আনা সম্ভব হয়েছে। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব থাকবে। আমাদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। এখন আমরা লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট পথরেখা তৈরি করতে পারব।”
জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ খাতের সংস্কারে অংশীজনদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
কর্মশালায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নন। তাই দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরা প্রয়োজন, যাতে সেগুলো সংশোধনের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
তিনি বলেন, সমালোচনা হতে হবে তথ্যভিত্তিক এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট। এর মাধ্যমে সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে জবাবদিহিতা ও আস্থার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
কর্মশালায় গণমাধ্যম সংস্কার, সম্পাদকীয় স্বাধীনতা, জবাবদিহিতা এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের সম্ভাব্য কাঠামো নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীরা।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করবে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সবাইকে সম্পৃক্ত করেই সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, “প্রথমবারের মতো গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে আনা সম্ভব হয়েছে। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব থাকবে। আমাদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। এখন আমরা লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট পথরেখা তৈরি করতে পারব।”
জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ খাতের সংস্কারে অংশীজনদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
কর্মশালায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নন। তাই দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরা প্রয়োজন, যাতে সেগুলো সংশোধনের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
তিনি বলেন, সমালোচনা হতে হবে তথ্যভিত্তিক এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট। এর মাধ্যমে সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে জবাবদিহিতা ও আস্থার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
কর্মশালায় গণমাধ্যম সংস্কার, সম্পাদকীয় স্বাধীনতা, জবাবদিহিতা এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের সম্ভাব্য কাঠামো নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীরা।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৭:১২
আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহণে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ডিভাইস সংযুক্ত করা এবং তা সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। বাংলাদেশ অর্থনীতি
সোমবার (১৫ জুন) এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিআরটিএ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণপরিবহণ ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশের সব গণপরিবহণে ১ আগস্ট থেকে জিপিএস সংযুক্ত ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিআরটিএ জানায়, এ বিষয়ে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১১ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি বিবরণ (স্পেসিফিকেশন) বিআরটিএর স্থানীয় কার্যালয় থেকে সরাসরি অথবা বিআরটিএর ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট গণপরিবহণে জিপিএস সংযুক্ত করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার পর রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে। গণপরিবহণ মালিক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে বিআরটিএ।
আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহণে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ডিভাইস সংযুক্ত করা এবং তা সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। বাংলাদেশ অর্থনীতি
সোমবার (১৫ জুন) এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিআরটিএ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণপরিবহণ ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশের সব গণপরিবহণে ১ আগস্ট থেকে জিপিএস সংযুক্ত ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিআরটিএ জানায়, এ বিষয়ে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১১ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি বিবরণ (স্পেসিফিকেশন) বিআরটিএর স্থানীয় কার্যালয় থেকে সরাসরি অথবা বিআরটিএর ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট গণপরিবহণে জিপিএস সংযুক্ত করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার পর রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে। গণপরিবহণ মালিক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে বিআরটিএ।

১৪ জুন, ২০২৬ ১৫:৫৪
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৯ জুন, ২০২৬ ১৬:১১
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১