Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২০:৪৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৬ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে গতকাল রোববার মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা মনিরুল হক (সাক্কু)। আজ সোমবার জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে তিনি বলেছেন, ‘আমি আবেগে পইড়া নমিনেশন কিনছি, এইডা আমার ঠিক হইছে না। আমি এই নমিনেশন জমা দিমু না।’
আজ সোমবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে নগরের নানুয়ার দিঘির পাড়ে অবস্থিত নিজ বাসভবনে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকে এ কথা বলেন মনিরুল হক। এর আগে গতকাল দুপুরে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানের কাছ থেকে মনিরুল হকের পক্ষে স্বতন্ত্র পদের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা। এ সময় তাঁর কয়েকজন অনুসারী সঙ্গে ছিলেন।
কুমিল্লা আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ উপজেলা, সিটি করপোরেশন এবং সেনানিবাস এলাকা নিয়ে গঠিত কুমিল্লা-৬ আসনটি ‘সদর আসন’ হিসেবে পরিচিত।
গত ৩ নভেম্বর কুমিল্লা-৬ আসনে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরীকে বিএনপি থেকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়। এর পর থেকে মনিরুল হক চৌধুরীর প্রচারে সরাসরি অংশ নিচ্ছেন সাক্কু ও তাঁর সমর্থকেরা। এর মধ্যে রোববার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।
দলীয় সূত্র জানায়, কুমিল্লা-৬ আসনে মনিরুল হক চৌধুরীর নাম ঘোষণার পর থেকেই চেয়ারপারসনের আরেক উপদেষ্টা আমিন-উর-রশিদকে (ইয়াছিন) দলীয় প্রার্থী ঘোষণার দাবিতে তাঁর অনুসারীরা নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছেন। মনিরুল হক চৌধুরী ২০১৮ সালে কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনী এলাকার সীমানার পুনর্নির্ধারণের চূড়ান্ত তালিকায় কুমিল্লা-১০ আসনের কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলাকে বর্তমান কুমিল্লা-৬ আসনে যুক্ত করা হয়। আমিন-উর-রশিদ ২০১৮ সালে বিএনপির অংশ নেওয়া নির্বাচনে কুমিল্লা-৬ আসনে দলীয় প্রার্থী ছিলেন। প্রায় দুই দশক ধরে এই আসনে বিএনপির নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে আমিন-উর-রশিদের সঙ্গে সাবেক সিটি মেয়র মনিরুল হকের রাজনৈতিক কোন্দল চলে আসছে। মূলত আমিন-উর-রশিদকে আটকানোর জন্য সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন মনিরুল হক (সাক্কু)।
আজকের সংবাদ সম্মেলনে মনিরুল হক (সাক্কু) বলেন, ‘বিভিন্নভাবে শুনতাছি, ইয়াছিন (আমিন-উর-রশিদ) ভাইয়ের সমর্থকেরা বলতাছে, তারা আজ নমিনেশন আনতাছে, কাল নমিনেশন আনতাছে, এসব দেখে আমি আর সহ্য করতে পারি না। আমি আবেগে পইড়া নমিনেশন কিনেছি। তবে গতকাল রাতে চিন্তা করছি এবং দল থেকেও আমারে বলছে, নমিনেশন কেনাটা আমার ভুল হয়েছে। আমি এই নমিনেশন জমা দিমু না এবং ইলেকশনও করমু না। মনিরুল হক চৌধুরীকে বিজয়ী করার জন্য আমি আপ্রাণ চেষ্টা করে যামু। তবে দল যদি ইয়াছিন সাহেবকে মনোনয়ন দেয়, তাহলে আমি স্বতন্ত্র ইলেকশন করমু।’
মনিরুল হক সংবাদ সম্মেলনে আরও বলেছেন, ‘ইয়াছিন সাহেব সব সময় আমার কার্যক্রমে বাধা দিয়েছেন। ২০২২ সালের সিটি নির্বাচনে উনার শ্যালক আমার বিরুদ্ধে প্রার্থী হইছে। উনার শ্যালক প্রার্থী না হলে আমি বিপুল ভোটে মেয়র হতাম। পরের উপনির্বাচনে আবারও প্রার্থী হইছে। তিনি সব সময় আমার বিপরীতে ছিলেন। তাই হাজি ইয়াছিন সাহেবকে নমিনেশন দিলে আমি স্বতন্ত্র থেকে হলেও নির্বাচন করমু।’ তিনি বলেন, ‘প্রার্থী ঘোষণার আগে দলের মহাসচিব আমাকে ডেকে নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করেছেন, নির্বাচন করার ঘোষণা কেন দিয়েছি। পরে আমি বিএনপির মহাসচিব সাহেবকে বলেছি, আমাকে যদি নমিনেশন দেন, তবে দিতে পারেন। আর যদি না দেন, তাহলে আমার দৃষ্টিতে মনিরুল হক চৌধুরী সাহেবকে দিলে ভালো হবে। দলের মহাসচিব আমার কথা রেখেছেন। মনির ভাই মনোনয়ন পেলেন, আমি প্রথম দিন থেকেই ওনার সঙ্গে কাজ করছি। প্রতিটি মিটিংয়ে কর্মীর মতো কাজ করছি মনিরুল হক চৌধুরীর জন্য।’
নিজের বহিষ্কারাদেশ আদেশ প্রত্যাহার ইস্যু নিয়ে সাক্কু বলেন, ‘আমি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল সাহেব এবং চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেবের কাছে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার চেয়ে চিঠি দিয়েছিলাম। আর কোনো আবেদন করব না। আমি দলের জন্য কাজ করছি। দল ভালো মনে করলে আমাকে ফিরেয়ে নেবে।’
প্রসঙ্গত, দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে ২০২২ সালের ১৫ জুনের কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করায় মনিরুল হক সাক্কুকে ওই বছরের ১৯ মে বিএনপি থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়। সাক্কু কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এবং দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। তবে দল থেকে বহিষ্কৃত হলেও সাক্কুকে বিভিন্ন সময়ে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে দেখা গেছে। মনিরুল হক সাক্কু কুমিল্লা পৌরসভার চেয়ারম্যান এবং দুইবার সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৬ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে গতকাল রোববার মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা মনিরুল হক (সাক্কু)। আজ সোমবার জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে তিনি বলেছেন, ‘আমি আবেগে পইড়া নমিনেশন কিনছি, এইডা আমার ঠিক হইছে না। আমি এই নমিনেশন জমা দিমু না।’
আজ সোমবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে নগরের নানুয়ার দিঘির পাড়ে অবস্থিত নিজ বাসভবনে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকে এ কথা বলেন মনিরুল হক। এর আগে গতকাল দুপুরে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানের কাছ থেকে মনিরুল হকের পক্ষে স্বতন্ত্র পদের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা। এ সময় তাঁর কয়েকজন অনুসারী সঙ্গে ছিলেন।
কুমিল্লা আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ উপজেলা, সিটি করপোরেশন এবং সেনানিবাস এলাকা নিয়ে গঠিত কুমিল্লা-৬ আসনটি ‘সদর আসন’ হিসেবে পরিচিত।
গত ৩ নভেম্বর কুমিল্লা-৬ আসনে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরীকে বিএনপি থেকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়। এর পর থেকে মনিরুল হক চৌধুরীর প্রচারে সরাসরি অংশ নিচ্ছেন সাক্কু ও তাঁর সমর্থকেরা। এর মধ্যে রোববার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।
দলীয় সূত্র জানায়, কুমিল্লা-৬ আসনে মনিরুল হক চৌধুরীর নাম ঘোষণার পর থেকেই চেয়ারপারসনের আরেক উপদেষ্টা আমিন-উর-রশিদকে (ইয়াছিন) দলীয় প্রার্থী ঘোষণার দাবিতে তাঁর অনুসারীরা নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছেন। মনিরুল হক চৌধুরী ২০১৮ সালে কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনী এলাকার সীমানার পুনর্নির্ধারণের চূড়ান্ত তালিকায় কুমিল্লা-১০ আসনের কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলাকে বর্তমান কুমিল্লা-৬ আসনে যুক্ত করা হয়। আমিন-উর-রশিদ ২০১৮ সালে বিএনপির অংশ নেওয়া নির্বাচনে কুমিল্লা-৬ আসনে দলীয় প্রার্থী ছিলেন। প্রায় দুই দশক ধরে এই আসনে বিএনপির নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে আমিন-উর-রশিদের সঙ্গে সাবেক সিটি মেয়র মনিরুল হকের রাজনৈতিক কোন্দল চলে আসছে। মূলত আমিন-উর-রশিদকে আটকানোর জন্য সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন মনিরুল হক (সাক্কু)।
আজকের সংবাদ সম্মেলনে মনিরুল হক (সাক্কু) বলেন, ‘বিভিন্নভাবে শুনতাছি, ইয়াছিন (আমিন-উর-রশিদ) ভাইয়ের সমর্থকেরা বলতাছে, তারা আজ নমিনেশন আনতাছে, কাল নমিনেশন আনতাছে, এসব দেখে আমি আর সহ্য করতে পারি না। আমি আবেগে পইড়া নমিনেশন কিনেছি। তবে গতকাল রাতে চিন্তা করছি এবং দল থেকেও আমারে বলছে, নমিনেশন কেনাটা আমার ভুল হয়েছে। আমি এই নমিনেশন জমা দিমু না এবং ইলেকশনও করমু না। মনিরুল হক চৌধুরীকে বিজয়ী করার জন্য আমি আপ্রাণ চেষ্টা করে যামু। তবে দল যদি ইয়াছিন সাহেবকে মনোনয়ন দেয়, তাহলে আমি স্বতন্ত্র ইলেকশন করমু।’
মনিরুল হক সংবাদ সম্মেলনে আরও বলেছেন, ‘ইয়াছিন সাহেব সব সময় আমার কার্যক্রমে বাধা দিয়েছেন। ২০২২ সালের সিটি নির্বাচনে উনার শ্যালক আমার বিরুদ্ধে প্রার্থী হইছে। উনার শ্যালক প্রার্থী না হলে আমি বিপুল ভোটে মেয়র হতাম। পরের উপনির্বাচনে আবারও প্রার্থী হইছে। তিনি সব সময় আমার বিপরীতে ছিলেন। তাই হাজি ইয়াছিন সাহেবকে নমিনেশন দিলে আমি স্বতন্ত্র থেকে হলেও নির্বাচন করমু।’ তিনি বলেন, ‘প্রার্থী ঘোষণার আগে দলের মহাসচিব আমাকে ডেকে নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করেছেন, নির্বাচন করার ঘোষণা কেন দিয়েছি। পরে আমি বিএনপির মহাসচিব সাহেবকে বলেছি, আমাকে যদি নমিনেশন দেন, তবে দিতে পারেন। আর যদি না দেন, তাহলে আমার দৃষ্টিতে মনিরুল হক চৌধুরী সাহেবকে দিলে ভালো হবে। দলের মহাসচিব আমার কথা রেখেছেন। মনির ভাই মনোনয়ন পেলেন, আমি প্রথম দিন থেকেই ওনার সঙ্গে কাজ করছি। প্রতিটি মিটিংয়ে কর্মীর মতো কাজ করছি মনিরুল হক চৌধুরীর জন্য।’
নিজের বহিষ্কারাদেশ আদেশ প্রত্যাহার ইস্যু নিয়ে সাক্কু বলেন, ‘আমি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল সাহেব এবং চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেবের কাছে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার চেয়ে চিঠি দিয়েছিলাম। আর কোনো আবেদন করব না। আমি দলের জন্য কাজ করছি। দল ভালো মনে করলে আমাকে ফিরেয়ে নেবে।’
প্রসঙ্গত, দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে ২০২২ সালের ১৫ জুনের কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করায় মনিরুল হক সাক্কুকে ওই বছরের ১৯ মে বিএনপি থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়। সাক্কু কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এবং দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। তবে দল থেকে বহিষ্কৃত হলেও সাক্কুকে বিভিন্ন সময়ে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে দেখা গেছে। মনিরুল হক সাক্কু কুমিল্লা পৌরসভার চেয়ারম্যান এবং দুইবার সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১৩
জুলাই সনদ আমরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব। তবে সেটা আইন-কানুন, বিধি-বিধান ও সংবিধানের মধ্য দিয়ে। রোববার দুপর সোয়া ১২টার দিকে জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দলের নেতা জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, এখানে ‘সংস্কার পরিষদ’ নামে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই। জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ বাস্তবায়ন করতে হলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, কোনো ‘সংস্কার পরিষদের’ অধিবেশন আহ্বান করেননি। আমরা এখন সাংবিধানিকভাবে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অংশ নিচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের আওতায় যে পরিষদের কথা বলা হচ্ছে, তার সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে ইতোমধ্যে আদালতে চ্যালেঞ্জ হয়েছে এবং এ বিষয়ে রুল জারি রয়েছে। বিষয়টি এখন বিচার বিভাগের বিবেচনায়।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান অনুযায়ী বর্তমানে এমন কোনো পরিষদের অস্তিত্ব নেই। যদি গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে এ ধরনের পরিষদ গঠন করতে হয়, তাহলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে।
সংসদে আলোচনা শেষে সংবিধান সংশোধন হলে তবেই সেটি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে এবং পরে প্রয়োজন হলে পরিষদ গঠন ও শপথ গ্রহণের বিষয়টি আসতে পারে।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:১১
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
রোববার (১৫ মার্চ) তাকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সকাল ৯টা১০ মিনিটে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। সকাল ১১টায় তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।Maps
মির্জা আব্বাসকে বহনকারী এয়ার এম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে ১১টা ২০ মিনিট নাগাদ উড্ডয়ন করেছে। মির্জা আব্বাসের ভাগ্নে ও ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ জামাল চৌধুরী আদিত্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মির্জা আব্বাসকে বহনকারী এয়ার এ্যাম্বুলেন্স এসময় তিনি পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়ার আবেদন করেছেন। মির্জা আব্বাসের সঙ্গে এয়ার এম্বুলেন্সে তার স্ত্রী জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস ও বড় ছেলে মির্জা ইয়াসির আব্বাস রয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার ইফতারের পর মাগরিবের নামাজ পড়ার সময় হঠাৎ জ্ঞান হারান মির্জা আব্বাস। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সিটি স্ক্যান রিপোর্টে জটিলতা ধরা পড়লে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে ভার্চুয়াল মেডিক্যাল বোর্ড বসে এবং অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেয়।
গত শুক্রবার তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের পর তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। শনিবার সকালে করা মস্তিষ্কের সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট ভালো এসেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম।

১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৭
মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে।
এর প্রভাবে গত কয়েকদিনে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪৭৭টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে আজ (শনিবার, ১৪ মার্চ) শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে বাতিল হয়েছে ২৬টি ফ্লাইট।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জনসংযোগ দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আজ কুয়েত এয়ারলাইন্সের ২টি, জাজিরার (কুয়েত) ৪টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার (শারজাহ, ইউএইউ) ২টি, গালফ এয়ারের (বাহরাইন) ৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের (কাতার) ৪টি, ফ্লাইদুবাই ৪টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ২টি ও এমিরেটস এয়ারলাইনসের (সংযুক্ত আরব আমিরাত) ৪টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
এর আগে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ২৮টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি, ৭ মার্চ ২৮টি, ৮ মার্চ ২৮টি, ৯ মার্চ ৩৩টি, ১০ মার্চ ৩২টি ১১ মার্চ ২৭টি, ১২মার্চ ২৮টি ও ১৩মার্চ ২৫টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।
জুলাই সনদ আমরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব। তবে সেটা আইন-কানুন, বিধি-বিধান ও সংবিধানের মধ্য দিয়ে। রোববার দুপর সোয়া ১২টার দিকে জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দলের নেতা জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, এখানে ‘সংস্কার পরিষদ’ নামে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই। জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ বাস্তবায়ন করতে হলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, কোনো ‘সংস্কার পরিষদের’ অধিবেশন আহ্বান করেননি। আমরা এখন সাংবিধানিকভাবে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অংশ নিচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের আওতায় যে পরিষদের কথা বলা হচ্ছে, তার সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে ইতোমধ্যে আদালতে চ্যালেঞ্জ হয়েছে এবং এ বিষয়ে রুল জারি রয়েছে। বিষয়টি এখন বিচার বিভাগের বিবেচনায়।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান অনুযায়ী বর্তমানে এমন কোনো পরিষদের অস্তিত্ব নেই। যদি গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে এ ধরনের পরিষদ গঠন করতে হয়, তাহলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে।
সংসদে আলোচনা শেষে সংবিধান সংশোধন হলে তবেই সেটি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে এবং পরে প্রয়োজন হলে পরিষদ গঠন ও শপথ গ্রহণের বিষয়টি আসতে পারে।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
রোববার (১৫ মার্চ) তাকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সকাল ৯টা১০ মিনিটে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। সকাল ১১টায় তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।Maps
মির্জা আব্বাসকে বহনকারী এয়ার এম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে ১১টা ২০ মিনিট নাগাদ উড্ডয়ন করেছে। মির্জা আব্বাসের ভাগ্নে ও ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ জামাল চৌধুরী আদিত্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মির্জা আব্বাসকে বহনকারী এয়ার এ্যাম্বুলেন্স এসময় তিনি পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়ার আবেদন করেছেন। মির্জা আব্বাসের সঙ্গে এয়ার এম্বুলেন্সে তার স্ত্রী জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস ও বড় ছেলে মির্জা ইয়াসির আব্বাস রয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার ইফতারের পর মাগরিবের নামাজ পড়ার সময় হঠাৎ জ্ঞান হারান মির্জা আব্বাস। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সিটি স্ক্যান রিপোর্টে জটিলতা ধরা পড়লে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে ভার্চুয়াল মেডিক্যাল বোর্ড বসে এবং অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেয়।
গত শুক্রবার তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের পর তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। শনিবার সকালে করা মস্তিষ্কের সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট ভালো এসেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম।
মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে।
এর প্রভাবে গত কয়েকদিনে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪৭৭টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে আজ (শনিবার, ১৪ মার্চ) শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে বাতিল হয়েছে ২৬টি ফ্লাইট।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জনসংযোগ দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আজ কুয়েত এয়ারলাইন্সের ২টি, জাজিরার (কুয়েত) ৪টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার (শারজাহ, ইউএইউ) ২টি, গালফ এয়ারের (বাহরাইন) ৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের (কাতার) ৪টি, ফ্লাইদুবাই ৪টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ২টি ও এমিরেটস এয়ারলাইনসের (সংযুক্ত আরব আমিরাত) ৪টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
এর আগে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ২৮টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি, ৭ মার্চ ২৮টি, ৮ মার্চ ২৮টি, ৯ মার্চ ৩৩টি, ১০ মার্চ ৩২টি ১১ মার্চ ২৭টি, ১২মার্চ ২৮টি ও ১৩মার্চ ২৫টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।