
০৬ মে, ২০২৬ ১৯:২২
পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর শহরের আট নম্বর ওয়ার্ডের সবুজবাগ এলাকায় একটি ভাড়াটিয়া বাসা থেকে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৬ মে) বিকাল ৩টার দিকে এস এস ভিলা নামক ভবনের নিচতলা থেকে মাকসুদা বেগম (৩২) নামে ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মাকসুদা বেগম নীলগঞ্জ ইউনিয়নের আবুল কালাম মৃধার মেয়ে। তিনি তার দুই সন্তানকে নিয়ে ভাড়াটিয়া হিসেবে ওই বাসায় বসবাস করতেন। তার স্বামী মো. মিরাজ ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন।
কলাপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ ফোরকান মিয়া জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরের দরজা ভেঙে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে লাশ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর শহরের আট নম্বর ওয়ার্ডের সবুজবাগ এলাকায় একটি ভাড়াটিয়া বাসা থেকে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৬ মে) বিকাল ৩টার দিকে এস এস ভিলা নামক ভবনের নিচতলা থেকে মাকসুদা বেগম (৩২) নামে ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মাকসুদা বেগম নীলগঞ্জ ইউনিয়নের আবুল কালাম মৃধার মেয়ে। তিনি তার দুই সন্তানকে নিয়ে ভাড়াটিয়া হিসেবে ওই বাসায় বসবাস করতেন। তার স্বামী মো. মিরাজ ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন।
কলাপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ ফোরকান মিয়া জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরের দরজা ভেঙে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে লাশ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

০৬ মে, ২০২৬ ১৮:৩১
পটুয়াখালীর বাউফলে ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতির নেতার নেতৃত্বে এক মোবাইল ব্যবসায়ীর ওপর সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই শিবির নেতা মো. নোমান ইসলাম ওরফে নাজিম।
সে উপজেলার দাশপাড়া ইউনিয়ন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি। আর হামলার শিকার ব্যবসায়ীর নাম মো. শাওন খান। তার কালাইয়া বন্দরের বাজার রোড এলাকায় মোবাইল ফোনের দোকান রয়েছে।
বুধবার (৫ মে) বিকেল সারে ৫টার দিকে উপজেলার কালাইয়া বন্দরের বাজার রোড এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এদিকে, ব্যবসায়ীর ওপর হামলার হামলার একটি সিসিটিভি ফুটেজে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
ওই ভিডিওতে দেখা যায়, শিবির নেতা নাজিম শিবিরের লোকজন নিয়ে ব্যবসায়ীর ওপর হামলা চালায়। পরে স্থানীয়রা ব্যবসায়ী শাওনকে উদ্ধার করে।
হামলার শিকার ব্যবসায়ী শাওনের ভাষ্য ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিবির নেতা নাজিমের বাবা মো. মজিবর ওরফে বেকারি মজিবরের সাথে ব্যবসায়ী শাওনের খালু মো. নজরুল ইসলামের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছে।
ওই বিরোধ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠক চলছে। ঘটনার দিন বিকেল ৫টার দিকে শিবির নেতা নাজিম ব্যবসায়ী শাওনকে অকথ্যভাষায় গালিগালাজ করে এবং মারধরের হুমকি দেয়।
হুমকির দেওয়ার ৩০ মিনিট পর দলবল নিয়ে ব্যবসায়ীর দোকানের সামনে গিয়ে হামলা চালায়। হামলায় ওই শিবির নেতা, তার বাবা মজিবর, ভাই নাজমুল সহ শিবিরের ১০/১২জন নেতা কর্মী অংশ নেয়।
এলোপাতাড়ি পিটিয়ে ব্যবসায়ীকে গুরুতর আহত করে। এসময় হামলাকারীরা ব্যবসায়ীর নগদ ১০ হাজার ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
যদিও হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে শিবির নেতা নাজিম বলেন, জমিজমা বিরোধের সূত্র ধরে বাক বিতস্ডা হয়েছে। রাজনৈতিক কোন বিষয় নয়।
এবিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, জমিজমা বিরোধের সূত্র দু পক্ষের মধ্যে একটা ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থ্যা নেয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতির নেতার নেতৃত্বে এক মোবাইল ব্যবসায়ীর ওপর সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই শিবির নেতা মো. নোমান ইসলাম ওরফে নাজিম।
সে উপজেলার দাশপাড়া ইউনিয়ন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি। আর হামলার শিকার ব্যবসায়ীর নাম মো. শাওন খান। তার কালাইয়া বন্দরের বাজার রোড এলাকায় মোবাইল ফোনের দোকান রয়েছে।
বুধবার (৫ মে) বিকেল সারে ৫টার দিকে উপজেলার কালাইয়া বন্দরের বাজার রোড এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এদিকে, ব্যবসায়ীর ওপর হামলার হামলার একটি সিসিটিভি ফুটেজে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
ওই ভিডিওতে দেখা যায়, শিবির নেতা নাজিম শিবিরের লোকজন নিয়ে ব্যবসায়ীর ওপর হামলা চালায়। পরে স্থানীয়রা ব্যবসায়ী শাওনকে উদ্ধার করে।
হামলার শিকার ব্যবসায়ী শাওনের ভাষ্য ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিবির নেতা নাজিমের বাবা মো. মজিবর ওরফে বেকারি মজিবরের সাথে ব্যবসায়ী শাওনের খালু মো. নজরুল ইসলামের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছে।
ওই বিরোধ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠক চলছে। ঘটনার দিন বিকেল ৫টার দিকে শিবির নেতা নাজিম ব্যবসায়ী শাওনকে অকথ্যভাষায় গালিগালাজ করে এবং মারধরের হুমকি দেয়।
হুমকির দেওয়ার ৩০ মিনিট পর দলবল নিয়ে ব্যবসায়ীর দোকানের সামনে গিয়ে হামলা চালায়। হামলায় ওই শিবির নেতা, তার বাবা মজিবর, ভাই নাজমুল সহ শিবিরের ১০/১২জন নেতা কর্মী অংশ নেয়।
এলোপাতাড়ি পিটিয়ে ব্যবসায়ীকে গুরুতর আহত করে। এসময় হামলাকারীরা ব্যবসায়ীর নগদ ১০ হাজার ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
যদিও হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে শিবির নেতা নাজিম বলেন, জমিজমা বিরোধের সূত্র ধরে বাক বিতস্ডা হয়েছে। রাজনৈতিক কোন বিষয় নয়।
এবিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, জমিজমা বিরোধের সূত্র দু পক্ষের মধ্যে একটা ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থ্যা নেয়া হবে।

০৬ মে, ২০২৬ ১৪:২০
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় এক মাদরাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে ১০ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে অভিযুক্ত শিক্ষক হাফেজ সফিকুল ইসলাম জিসানকে (২০) আটক করে পুলিশ। এর আগে একই দিনের দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব নেতা আকরামিয়া শিশু এতিমখানা ও হাফিজিয়া মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আকরামিয়া শিশু এতিমখানা ও হাফিজিয়া মাদরাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষক হাফেজ সফিকুল ইসলাম জিসান রাতে এক শিশু শিক্ষার্থীকে নিজের শয়নকক্ষে ডেকে নিয়ে যান। এরপর সেখানেই তাকে বলাৎকার করেন। বলাৎকারের পর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। বর্তমানে শিশুটি স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার পর সকালে শিশুটি বাড়িতে এসে এ বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের জানায়। এ ঘটনার খবর আশপাশে ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা মাদরাসায় গিয়ে অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে দুপুরে রাঙ্গাবালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
অভিযুক্ত শিক্ষক সফিকুল ইসলাম জিসান বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কাজলাকাঠী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি গত ২৮ এপ্রিল ওই মাদরাসায় শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। নির্যাতনের শিকার শিশুটি মাদরাসার হিফজ বিভাগের ছাত্র। তার বাড়ি উপজেলার জুগিরহাওলা গ্রামে।
শিশুটির বাবা বলেন, “ঘটনার পর আমার ছেলেকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখানো হয়, যাতে সে বাড়িতে এসে কাউকে কিছু না বলে।”
শিশুটির মা বলেন, “আমার ছেলেকে নিরাপদ ভেবে মাদরাসায় পড়তে দিয়েছিলাম। কিন্তু হুজুরে এমন করে তা কে জানতো। আমি এই শিক্ষকের বিচার চাই।”
এদিকে শিক্ষক আটকের কিছুক্ষণ পরেই মাদরাসা সংলগ্ন এলাকায় মানববন্ধন করে অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান স্থানীয়রা।
মাদরাসা পরিচালনা পরিষদের সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আমরা চাই, আইনের মাধ্যমে তদন্ত করে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। পাশাপাশি এই শিশুটির চিকিৎসার ব্যয়ভার আমরা বহন করব।
রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) ইলিয়াছ হোসেন মুন্সি বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশু ও তার পরিবারকে থানায় আনা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় এক মাদরাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে ১০ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে অভিযুক্ত শিক্ষক হাফেজ সফিকুল ইসলাম জিসানকে (২০) আটক করে পুলিশ। এর আগে একই দিনের দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব নেতা আকরামিয়া শিশু এতিমখানা ও হাফিজিয়া মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আকরামিয়া শিশু এতিমখানা ও হাফিজিয়া মাদরাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষক হাফেজ সফিকুল ইসলাম জিসান রাতে এক শিশু শিক্ষার্থীকে নিজের শয়নকক্ষে ডেকে নিয়ে যান। এরপর সেখানেই তাকে বলাৎকার করেন। বলাৎকারের পর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। বর্তমানে শিশুটি স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার পর সকালে শিশুটি বাড়িতে এসে এ বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের জানায়। এ ঘটনার খবর আশপাশে ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা মাদরাসায় গিয়ে অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে দুপুরে রাঙ্গাবালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
অভিযুক্ত শিক্ষক সফিকুল ইসলাম জিসান বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কাজলাকাঠী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি গত ২৮ এপ্রিল ওই মাদরাসায় শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। নির্যাতনের শিকার শিশুটি মাদরাসার হিফজ বিভাগের ছাত্র। তার বাড়ি উপজেলার জুগিরহাওলা গ্রামে।
শিশুটির বাবা বলেন, “ঘটনার পর আমার ছেলেকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখানো হয়, যাতে সে বাড়িতে এসে কাউকে কিছু না বলে।”
শিশুটির মা বলেন, “আমার ছেলেকে নিরাপদ ভেবে মাদরাসায় পড়তে দিয়েছিলাম। কিন্তু হুজুরে এমন করে তা কে জানতো। আমি এই শিক্ষকের বিচার চাই।”
এদিকে শিক্ষক আটকের কিছুক্ষণ পরেই মাদরাসা সংলগ্ন এলাকায় মানববন্ধন করে অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান স্থানীয়রা।
মাদরাসা পরিচালনা পরিষদের সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আমরা চাই, আইনের মাধ্যমে তদন্ত করে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। পাশাপাশি এই শিশুটির চিকিৎসার ব্যয়ভার আমরা বহন করব।
রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) ইলিয়াছ হোসেন মুন্সি বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশু ও তার পরিবারকে থানায় আনা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

০৬ মে, ২০২৬ ১২:০৩
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌর যুবদলের নতুন কমিটি ঘোষণা ঘিরে তীব্র বিতর্ক দেখা দিয়েছে। মদ্যপ অবস্থায় বার ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযুক্ত ও বহিষ্কৃত তিন নেতাকে পদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে ক্ষুব্ধ হয়ে পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৭টার দিকে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে পৌর এলাকার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
এর আগে গত ২৯ এপ্রিল যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপি কুয়াকাটা পৌর যুবদলের ৭১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করেন।
সংগঠনের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নতুন কমিটিতে সৈয়দ মো. ফারুককে সভাপতি এবং মো. জহিরুল ইসলাম মিরনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। এছাড়াও বহিষ্কৃত নেতা ইউসুফ ঘরামীকে সহসভাপতি হাসান হাওলাদারকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সোহেল মিয়াজীকে সদস্য করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর কাউন্সিলের মাধ্যমে একটি আংশিক (সুপার ফাইভ) কমিটি গঠন করা হয়েছিল, যা দীর্ঘ প্রায় তিন বছর দায়িত্ব পালন করে।
জানা গেছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ২০২৪ সালের ৯ ডিসেম্বর কুয়াকাটা পৌর যুবদলের তিন নেতা— ইউসুফ ঘরামি, সোহেল মিয়াজিকে বহিষ্কার করে পটুয়াখালী জেলা যুবদল।
জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক অ্যাড. মো. আব্দুল্লাহ আল-নোমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। পরে একই অভিযোগে আরও এক নেতা, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হাসানকেও বহিষ্কার করা হয়।
জানা গেছে, ২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর রাতে কুয়াকাটার একটি হোটেল হ্যান্ডি কড়াই (বার) ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে।বহিষ্কৃত নেতা ইউসুফ ঘরামি বলেন, কেন বহিষ্কার করা হয়েছে, তা আমার জানা নেই। আমরা কোনো অপরাধ করিনি।
অন্যদিকে বহিষ্কৃত নেতা মো. হাসান দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমূলক এবং রাজনৈতিক চক্রান্ত। এদিকে কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ ফারুক মীর দাবি করেছেন, নতুন কমিটিতে কোনো বহিষ্কৃত নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। বরং কমিটি ত্যাগ ও যোগ্যতার ভিত্তিতে হয়েছে।
তবে সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিরন বলেন, কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর বহিষ্কারাদেশ কার্যত অকার্যকর হয়ে যায়। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের (এমপি) সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌর যুবদলের নতুন কমিটি ঘোষণা ঘিরে তীব্র বিতর্ক দেখা দিয়েছে। মদ্যপ অবস্থায় বার ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযুক্ত ও বহিষ্কৃত তিন নেতাকে পদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে ক্ষুব্ধ হয়ে পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৭টার দিকে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে পৌর এলাকার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
এর আগে গত ২৯ এপ্রিল যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপি কুয়াকাটা পৌর যুবদলের ৭১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করেন।
সংগঠনের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নতুন কমিটিতে সৈয়দ মো. ফারুককে সভাপতি এবং মো. জহিরুল ইসলাম মিরনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। এছাড়াও বহিষ্কৃত নেতা ইউসুফ ঘরামীকে সহসভাপতি হাসান হাওলাদারকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সোহেল মিয়াজীকে সদস্য করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর কাউন্সিলের মাধ্যমে একটি আংশিক (সুপার ফাইভ) কমিটি গঠন করা হয়েছিল, যা দীর্ঘ প্রায় তিন বছর দায়িত্ব পালন করে।
জানা গেছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ২০২৪ সালের ৯ ডিসেম্বর কুয়াকাটা পৌর যুবদলের তিন নেতা— ইউসুফ ঘরামি, সোহেল মিয়াজিকে বহিষ্কার করে পটুয়াখালী জেলা যুবদল।
জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক অ্যাড. মো. আব্দুল্লাহ আল-নোমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। পরে একই অভিযোগে আরও এক নেতা, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হাসানকেও বহিষ্কার করা হয়।
জানা গেছে, ২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর রাতে কুয়াকাটার একটি হোটেল হ্যান্ডি কড়াই (বার) ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে।বহিষ্কৃত নেতা ইউসুফ ঘরামি বলেন, কেন বহিষ্কার করা হয়েছে, তা আমার জানা নেই। আমরা কোনো অপরাধ করিনি।
অন্যদিকে বহিষ্কৃত নেতা মো. হাসান দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমূলক এবং রাজনৈতিক চক্রান্ত। এদিকে কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ ফারুক মীর দাবি করেছেন, নতুন কমিটিতে কোনো বহিষ্কৃত নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। বরং কমিটি ত্যাগ ও যোগ্যতার ভিত্তিতে হয়েছে।
তবে সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিরন বলেন, কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর বহিষ্কারাদেশ কার্যত অকার্যকর হয়ে যায়। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের (এমপি) সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.