
২৫ মে, ২০২৫ ২১:১১
জুলাই আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর চাঁনখানপুলে ছয়জনকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় পলাতক ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুলাল।
আজ রবিবার ট্রাইব্যুলাল এ আদেশ দেয়।
এদিন শুনানির শুরুতেই শেখ হাসিনার দুঃশাসনের ইতিহাস তুলে ধরেন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, চাঁনখারপুলের ওই হত্যায় সরাসরি নির্দেশ দিয়েছেন সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান। পুলিশের সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমারচক্রবর্তীসহ অন্য সাত আসামি মাঠ পর্যায়ে হত্যার নির্দেশনা বাস্তবায়ন করেন।
তাই আসামির সর্বোচ্চ সাজা প্রত্যাশা করেন চিফ প্রসিকিউটর।
পরে এ মামলায় আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আমলে নেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে পলাতক সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
এ মামলায় অভিযুক্তরা হলেন ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শাহ আলম, মো. আখতারুল ইসলাম, রমনা অঞ্চলের সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুল, শাহবাগ থানার সাবেক পরিদর্শক মো. আরশাদ হোসেন, কনস্টেবল মো. সুজন হোসেন, ইমাজ হোসেন ও মো. নাসিরুল ইসলাম। অভিযুক্তদের মধ্যে চারজন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন, বাকিরা পলাতক। গ্রেফতার ইন্সপেক্টর আরশাদ, কনস্টেবল মো. সুজন, ইমাজ হোসেন ইমন ও নাসিরুল ইসলামকে আজ সকালে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
জুলাই আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর চাঁনখানপুলে ছয়জনকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় পলাতক ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুলাল।
আজ রবিবার ট্রাইব্যুলাল এ আদেশ দেয়।
এদিন শুনানির শুরুতেই শেখ হাসিনার দুঃশাসনের ইতিহাস তুলে ধরেন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, চাঁনখারপুলের ওই হত্যায় সরাসরি নির্দেশ দিয়েছেন সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান। পুলিশের সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমারচক্রবর্তীসহ অন্য সাত আসামি মাঠ পর্যায়ে হত্যার নির্দেশনা বাস্তবায়ন করেন।
তাই আসামির সর্বোচ্চ সাজা প্রত্যাশা করেন চিফ প্রসিকিউটর।
পরে এ মামলায় আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আমলে নেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে পলাতক সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
এ মামলায় অভিযুক্তরা হলেন ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শাহ আলম, মো. আখতারুল ইসলাম, রমনা অঞ্চলের সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুল, শাহবাগ থানার সাবেক পরিদর্শক মো. আরশাদ হোসেন, কনস্টেবল মো. সুজন হোসেন, ইমাজ হোসেন ও মো. নাসিরুল ইসলাম। অভিযুক্তদের মধ্যে চারজন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন, বাকিরা পলাতক। গ্রেফতার ইন্সপেক্টর আরশাদ, কনস্টেবল মো. সুজন, ইমাজ হোসেন ইমন ও নাসিরুল ইসলামকে আজ সকালে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

১০ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৫১
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় কৃষি বিভাগের পরামর্শে পতিত জমিতে তরমুজ চাষ করে বাম্পার ফলন পেয়েছেন কৃষকরা। মেঘনা নদীর বুকে জেগে ওঠা বিভিন্ন চরের বিস্তীর্ণ জমি এখন সবুজ তরমুজ ক্ষেতে ভরে উঠেছে। ভালো ফলন ও বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকদের মুখে ফুটেছে স্বস্তির হাসি।
উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের চর জহির উদ্দিন, তেলিয়ার চর ও নাগর পাটওয়ারীর চরসহ বিভিন্ন এলাকায় এবার ব্যাপকভাবে তরমুজ চাষ হয়েছে। বড় আকারের তরমুজ ও ভালো ফলনের কারণে কৃষকরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্ষেত থেকে তরমুজ সংগ্রহ ও বাজারজাত করতে। স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি নোয়াখালী ও চট্টগ্রামের আড়তগুলোতেও তরমুজ পাঠানো হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে তজুমদ্দিনে তরমুজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৬০ হেক্টর জমি। তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে এবার ২৬৫ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় ১০টি প্রদর্শনী প্লট রয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আমন ধান কাটার পর প্রতিবছর চরাঞ্চলের অনেক জমি পতিত পড়ে থাকত। তবে এবার উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগ ও পরামর্শে কৃষকরা ওই জমিতে তরমুজ চাষে আগ্রহী হন। চারা রোপণের পর থেকে নিয়মিত সেচ, আগাছা দমন, সার ও কীটনাশক প্রয়োগের পাশাপাশি ক্ষেত পাহারা দিচ্ছেন তারা।
সোনাপুর ইউনিয়নের কৃষক তছলিম মাঝি, মো. হান্নান ও সালাউদ্দিন বলেন, এবার তরমুজের ফলন খুব ভালো হয়েছে। রমজান মাসে তরমুজের চাহিদা বাড়বে বলে আশা করছেন তারা। ইতোমধ্যে কিছু তরমুজ বিক্রি শুরু হয়েছে এবং ভালো দামও পাওয়া যাচ্ছে।
তারা আরও জানান, অনুকূল আবহাওয়ার কারণে পোকামাকড়ের আক্রমণ কম ছিল। ফলে সার ও কীটনাশকের খরচ তুলনামূলক কম হয়েছে। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া ও পরামর্শ দেওয়ায় তারা চাষে সফল হয়েছেন।
তজুমদ্দিন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইব্রাহিম বলেন, ভালো দাম ও অনুকূল আবহাওয়া থাকায় এবার কৃষকরা তরমুজ চাষে আগ্রহী হয়েছেন। সরকারি সহযোগিতা ও কৃষি বিভাগের পরামর্শে তারা সফলভাবে তরমুজ চাষ করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কৃষকরা পুরো ফসল ঘরে তুলতে পারবেন এবং এতে তারা আরও লাভবান হবেন।
বরিশাল টাইমস
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় কৃষি বিভাগের পরামর্শে পতিত জমিতে তরমুজ চাষ করে বাম্পার ফলন পেয়েছেন কৃষকরা। মেঘনা নদীর বুকে জেগে ওঠা বিভিন্ন চরের বিস্তীর্ণ জমি এখন সবুজ তরমুজ ক্ষেতে ভরে উঠেছে। ভালো ফলন ও বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকদের মুখে ফুটেছে স্বস্তির হাসি।
উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের চর জহির উদ্দিন, তেলিয়ার চর ও নাগর পাটওয়ারীর চরসহ বিভিন্ন এলাকায় এবার ব্যাপকভাবে তরমুজ চাষ হয়েছে। বড় আকারের তরমুজ ও ভালো ফলনের কারণে কৃষকরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্ষেত থেকে তরমুজ সংগ্রহ ও বাজারজাত করতে। স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি নোয়াখালী ও চট্টগ্রামের আড়তগুলোতেও তরমুজ পাঠানো হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে তজুমদ্দিনে তরমুজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৬০ হেক্টর জমি। তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে এবার ২৬৫ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় ১০টি প্রদর্শনী প্লট রয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আমন ধান কাটার পর প্রতিবছর চরাঞ্চলের অনেক জমি পতিত পড়ে থাকত। তবে এবার উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগ ও পরামর্শে কৃষকরা ওই জমিতে তরমুজ চাষে আগ্রহী হন। চারা রোপণের পর থেকে নিয়মিত সেচ, আগাছা দমন, সার ও কীটনাশক প্রয়োগের পাশাপাশি ক্ষেত পাহারা দিচ্ছেন তারা।
সোনাপুর ইউনিয়নের কৃষক তছলিম মাঝি, মো. হান্নান ও সালাউদ্দিন বলেন, এবার তরমুজের ফলন খুব ভালো হয়েছে। রমজান মাসে তরমুজের চাহিদা বাড়বে বলে আশা করছেন তারা। ইতোমধ্যে কিছু তরমুজ বিক্রি শুরু হয়েছে এবং ভালো দামও পাওয়া যাচ্ছে।
তারা আরও জানান, অনুকূল আবহাওয়ার কারণে পোকামাকড়ের আক্রমণ কম ছিল। ফলে সার ও কীটনাশকের খরচ তুলনামূলক কম হয়েছে। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া ও পরামর্শ দেওয়ায় তারা চাষে সফল হয়েছেন।
তজুমদ্দিন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইব্রাহিম বলেন, ভালো দাম ও অনুকূল আবহাওয়া থাকায় এবার কৃষকরা তরমুজ চাষে আগ্রহী হয়েছেন। সরকারি সহযোগিতা ও কৃষি বিভাগের পরামর্শে তারা সফলভাবে তরমুজ চাষ করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কৃষকরা পুরো ফসল ঘরে তুলতে পারবেন এবং এতে তারা আরও লাভবান হবেন।
বরিশাল টাইমস

০৯ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৫৪
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় সিএনজি চালকদের বিরুদ্ধে বাস শ্রমিকদের ওপর হামলা ও বাস ভাঙচুরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে জেলার পাঁচটি অভ্যন্তরীণ রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বাস শ্রমিক ইউনিয়ন।
সোমবার (৯ মার্চ) দুপুর ১টা থেকে এ ধর্মঘট শুরু হয়। হঠাৎ বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সংশ্লিষ্ট রুটের যাত্রীরা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। জরুরি কাজে বের হওয়া অনেক যাত্রীকে বিকল্প যানবাহনের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।
বাস শ্রমিকদের অভিযোগ, সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চরফ্যাশন উপজেলা শহরে সিএনজি চালকরা তাদের শ্রমিকদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় একটি বাস ও বাস কাউন্টারে ভাঙচুর করা হয়।
ঘটনার প্রতিবাদে এবং হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবিতে দুপুর ১টা থেকে জেলার পাঁচটি রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ করে দেন শ্রমিকরা।
সরেজমিনে ভোলা সদরের বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ডে দেখা যায়, বাস শ্রমিকরা বাস চলাচল বন্ধ রেখে বাসস্ট্যান্ডের সামনে ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
বেতন-বোনাসের দাবিতে শ্রমিকদের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ
বেতন-বোনাসের দাবিতে শ্রমিকদের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ
বিস্তারিত পড়ুন
পরে পুলিশ এসে সড়ক থেকে গাছের গুঁড়ি সরিয়ে অন্য যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করে। এ সময় সড়কে চলাচলকারী সিএনজি অটোরিকশা পেলেই সেগুলো থামিয়ে বাসস্ট্যান্ডের ভেতরে ঢুকিয়ে রাখতে দেখা যায় শ্রমিকদের।
ভোলা জেলা বাস, মিনিবাস ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. মিজানুর রহমান বলেন, চরফ্যাশন উপজেলা শহরে সিএনজি স্ট্যান্ড করে যাত্রী ওঠানামা করছিল চালকরা। আজ দুপুরে হঠাৎ সিএনজি শ্রমিকরা আমাদের বাস শ্রমিকদের ওপর হামলা চালায় এবং একটি বাস ও কাউন্টারে ভাঙচুর করে।
এর প্রতিবাদে এবং দোষীদের বিচারের দাবিতে পাঁচটি রুটে বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সিএনজি চালক ও মালিক সমিতির কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ভোলা জেলা পুলিশের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আব্দুল গনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কে অন্যান্য যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করেছে। তবে বাস চলাচল এখনও বন্ধ রয়েছে। বাস চলাচল স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে।
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় সিএনজি চালকদের বিরুদ্ধে বাস শ্রমিকদের ওপর হামলা ও বাস ভাঙচুরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে জেলার পাঁচটি অভ্যন্তরীণ রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বাস শ্রমিক ইউনিয়ন।
সোমবার (৯ মার্চ) দুপুর ১টা থেকে এ ধর্মঘট শুরু হয়। হঠাৎ বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সংশ্লিষ্ট রুটের যাত্রীরা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। জরুরি কাজে বের হওয়া অনেক যাত্রীকে বিকল্প যানবাহনের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।
বাস শ্রমিকদের অভিযোগ, সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চরফ্যাশন উপজেলা শহরে সিএনজি চালকরা তাদের শ্রমিকদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় একটি বাস ও বাস কাউন্টারে ভাঙচুর করা হয়।
ঘটনার প্রতিবাদে এবং হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবিতে দুপুর ১টা থেকে জেলার পাঁচটি রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ করে দেন শ্রমিকরা।
সরেজমিনে ভোলা সদরের বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ডে দেখা যায়, বাস শ্রমিকরা বাস চলাচল বন্ধ রেখে বাসস্ট্যান্ডের সামনে ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন।
বেতন-বোনাসের দাবিতে শ্রমিকদের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ
বেতন-বোনাসের দাবিতে শ্রমিকদের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ
বিস্তারিত পড়ুন
পরে পুলিশ এসে সড়ক থেকে গাছের গুঁড়ি সরিয়ে অন্য যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করে। এ সময় সড়কে চলাচলকারী সিএনজি অটোরিকশা পেলেই সেগুলো থামিয়ে বাসস্ট্যান্ডের ভেতরে ঢুকিয়ে রাখতে দেখা যায় শ্রমিকদের।
ভোলা জেলা বাস, মিনিবাস ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. মিজানুর রহমান বলেন, চরফ্যাশন উপজেলা শহরে সিএনজি স্ট্যান্ড করে যাত্রী ওঠানামা করছিল চালকরা। আজ দুপুরে হঠাৎ সিএনজি শ্রমিকরা আমাদের বাস শ্রমিকদের ওপর হামলা চালায় এবং একটি বাস ও কাউন্টারে ভাঙচুর করে।
এর প্রতিবাদে এবং দোষীদের বিচারের দাবিতে পাঁচটি রুটে বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সিএনজি চালক ও মালিক সমিতির কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ভোলা জেলা পুলিশের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আব্দুল গনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কে অন্যান্য যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করেছে। তবে বাস চলাচল এখনও বন্ধ রয়েছে। বাস চলাচল স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে।

০৮ মার্চ, ২০২৬ ১৪:১৮
ভোলা সদর উপজেলার বিচ্ছিন্ন মেঘনা নদীর বুকে জেগে উঠা একটি চরে গরু চড়াতে গিয়ে মো. সুমন (৩০) নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। স্বজনরা উদ্ধার করে তাকে চিকিৎসার জন্য ভোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
রোববার (৮ মার্চ) ভোরে উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়ন সংলগ্ন ভোলারচরে এ ঘটনা ঘটে। আহত সুমন রাজাপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের নাসির সর্দারের ছেলে।
আহত ও তার স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন, নদী গর্ভে বিলীন হয়ে বেশ কয়েক বছর আগে মেঘনা নদীর বুকে জেগে উঠে ‘ভোলারচর’ নামক চরটি।
এরপর সেখানে চরের প্রকৃত ভূমি মালিক নিজেরা এবং কেউ কেউ তাদের জমি নগদ খাজনায় চাষিদের কাছে লিজ দেন। এভাবে চলছিল চাষাবাদ। সম্প্রতি সেখানের প্রায় ২০০ একর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে।
কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে চরটি দখল ও চাষিদের থেকে চাঁদা দাবি করে আসছিল একদল স্থানীয় প্রভাবশালী চক্র।
আজ সকালে আহত সুমনসহ তার চাচাতো ভাইয়েরা চরে গরু চড়াতে গেলে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে গুলিবিদ্ধ সুমনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান স্বজনরা।
এর আগে, গতকাল চরটি দখলের আশঙ্কায় ভুক্তভোগীর চাচাতো ভাই মো. রুবেল ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করলে চর পরিদর্শন করে সদর থানা পুলিশের একটি টিম।
আহত সুমন অভিযোগ করে বলেন, চরে আমাদের পরিবার ও স্থানীয় লোকজনের জমি রয়েছে। নিজেরা সেখানে চাষাবাদ করছি এবং অন্যান্য জমি মালিকদের থেকে নগদ খাজনায় জমি লিজ নিয়ে সেখানে চাষিরা তরমুজের চাষ করেছেন।
এখন তরমুজ কাটার সময় হয়েছে। গত ৫ আগস্টের পর থেকে স্থানীয় প্রভাবশালী আংটি সেলিম, মিন্টু খাঁ, হালিম খাঁ, ইকরামসহ অন্যান্যরা আমাদের থেকে চাঁদা দাবি করে আসছিল।
আজ ভোরে আমিসহ আমার অন্যান্য চাচাতো ভাইয়েরা ফয়সাল, রিয়াজ জুয়েল, সিরাজ রিপন একত্রিত হয়ে চরে গরু চড়াতে গেলে সেখানে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা
আংটি সেলিম, মিন্টু খাঁ, হালিম খাঁ, ইকরামসহ তাদের সঙ্গে থাকা লোকজন আমাদের ওপর গুলি চালায়। তাদের গুলি ছোড়া দেখে আমরা একেকজন একেকদিকে দৌড় দিলে আমার শরীরে ৪টি গুলি লাগে। আমি এর বিচার চাই।
তবে এ ঘটনায় অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে জানতে চাইলে ভোলা সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, শুনেছি চরের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একজন ছররা গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছে। জমিজমা বিরোধের অবসান হলে এসব বিরোধ থাকবে না।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, গতকাল পুলিশকে জানানো হয়েছিল চরে বিভিন্ন গ্রুপের লোকজন অবস্থান নিয়েছে- এমন খবরে সেখানে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি।
তবে গুলিবিদ্ধের ঘটনায় থানায় এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ভোলা সদর উপজেলার বিচ্ছিন্ন মেঘনা নদীর বুকে জেগে উঠা একটি চরে গরু চড়াতে গিয়ে মো. সুমন (৩০) নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। স্বজনরা উদ্ধার করে তাকে চিকিৎসার জন্য ভোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
রোববার (৮ মার্চ) ভোরে উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়ন সংলগ্ন ভোলারচরে এ ঘটনা ঘটে। আহত সুমন রাজাপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের নাসির সর্দারের ছেলে।
আহত ও তার স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন, নদী গর্ভে বিলীন হয়ে বেশ কয়েক বছর আগে মেঘনা নদীর বুকে জেগে উঠে ‘ভোলারচর’ নামক চরটি।
এরপর সেখানে চরের প্রকৃত ভূমি মালিক নিজেরা এবং কেউ কেউ তাদের জমি নগদ খাজনায় চাষিদের কাছে লিজ দেন। এভাবে চলছিল চাষাবাদ। সম্প্রতি সেখানের প্রায় ২০০ একর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে।
কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে চরটি দখল ও চাষিদের থেকে চাঁদা দাবি করে আসছিল একদল স্থানীয় প্রভাবশালী চক্র।
আজ সকালে আহত সুমনসহ তার চাচাতো ভাইয়েরা চরে গরু চড়াতে গেলে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে গুলিবিদ্ধ সুমনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান স্বজনরা।
এর আগে, গতকাল চরটি দখলের আশঙ্কায় ভুক্তভোগীর চাচাতো ভাই মো. রুবেল ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করলে চর পরিদর্শন করে সদর থানা পুলিশের একটি টিম।
আহত সুমন অভিযোগ করে বলেন, চরে আমাদের পরিবার ও স্থানীয় লোকজনের জমি রয়েছে। নিজেরা সেখানে চাষাবাদ করছি এবং অন্যান্য জমি মালিকদের থেকে নগদ খাজনায় জমি লিজ নিয়ে সেখানে চাষিরা তরমুজের চাষ করেছেন।
এখন তরমুজ কাটার সময় হয়েছে। গত ৫ আগস্টের পর থেকে স্থানীয় প্রভাবশালী আংটি সেলিম, মিন্টু খাঁ, হালিম খাঁ, ইকরামসহ অন্যান্যরা আমাদের থেকে চাঁদা দাবি করে আসছিল।
আজ ভোরে আমিসহ আমার অন্যান্য চাচাতো ভাইয়েরা ফয়সাল, রিয়াজ জুয়েল, সিরাজ রিপন একত্রিত হয়ে চরে গরু চড়াতে গেলে সেখানে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা
আংটি সেলিম, মিন্টু খাঁ, হালিম খাঁ, ইকরামসহ তাদের সঙ্গে থাকা লোকজন আমাদের ওপর গুলি চালায়। তাদের গুলি ছোড়া দেখে আমরা একেকজন একেকদিকে দৌড় দিলে আমার শরীরে ৪টি গুলি লাগে। আমি এর বিচার চাই।
তবে এ ঘটনায় অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে জানতে চাইলে ভোলা সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, শুনেছি চরের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একজন ছররা গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছে। জমিজমা বিরোধের অবসান হলে এসব বিরোধ থাকবে না।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, গতকাল পুলিশকে জানানো হয়েছিল চরে বিভিন্ন গ্রুপের লোকজন অবস্থান নিয়েছে- এমন খবরে সেখানে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি।
তবে গুলিবিদ্ধের ঘটনায় থানায় এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.