
১৫ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:৪৮
পটুয়াখালীতে সুদের টাকা চাইতে গিয়ে সরোয়ার হাওলাদার (৪০) নামে এক যুবককে রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) রাত ২টার দিকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড বানিয়াকাঠী গ্রামে ঘটে এমন ঘটনা। নিহত সরোয়ার হাওলাদার পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের গনি হাওলাদারের ছেলে।
স্থানীয়সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় ইলিয়াসকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করে একদল দুর্বৃত্ত। পরবর্তীতে গুরুতর জখম অবস্থায় তাকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে প্রেরণ করা হয়। আজ রাত আনুমানিক ২ টার দিকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান মুসা খাঁন বলেন, আমরা ডাকাডাকি শুনে ঘটনাস্থলে যাই। গিয়ে দেখি রক্তাক্ত অবস্থায় পরে আছে সরোয়ার। এরপরে তাকে হাসপাতালে পাঠাই। রাত ২টার দিকে সে মারা যায়।
নিহতের বোন বলেন, আমার ভাই পাওনা টাকা আনতে গেলে একদল সন্ত্রাসী তাকে তারা করে, তিনি দৌড়ে একটি ঘরে ঢুকলে সেখানে তাকে মারধর করা হয়। আমরা এর বিচার চাই।
নিহতের বড় ভাই দেলোয়ার হোসেন বলেন, “আমার ভাই নগদ টাকার ব্যবসা করেন। ইলিয়াস নামে একজনকে টাকা দিয়েছিলেন। সে টাকা দেওয়ার কথা বলে আমার ভাইকে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে বিভিন্নভাবে ঘুরানোর একপর্যায়ে চার-পাঁচজন মিলে দাও রড নিয়ে আমার ভাইয়ের ওপর হামলা করে। হাসপাতালে যাওয়ার আগে আমার ভাই জবানবন্দি দিয়ে গেছেন কারা হামলা করেছে এবং কেন করেছে।”
পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, “ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। মৃতদেহ বর্তমানে বরিশালে রয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা হলে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।”
পটুয়াখালীতে সুদের টাকা চাইতে গিয়ে সরোয়ার হাওলাদার (৪০) নামে এক যুবককে রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) রাত ২টার দিকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড বানিয়াকাঠী গ্রামে ঘটে এমন ঘটনা। নিহত সরোয়ার হাওলাদার পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের গনি হাওলাদারের ছেলে।
স্থানীয়সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় ইলিয়াসকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করে একদল দুর্বৃত্ত। পরবর্তীতে গুরুতর জখম অবস্থায় তাকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে প্রেরণ করা হয়। আজ রাত আনুমানিক ২ টার দিকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান মুসা খাঁন বলেন, আমরা ডাকাডাকি শুনে ঘটনাস্থলে যাই। গিয়ে দেখি রক্তাক্ত অবস্থায় পরে আছে সরোয়ার। এরপরে তাকে হাসপাতালে পাঠাই। রাত ২টার দিকে সে মারা যায়।
নিহতের বোন বলেন, আমার ভাই পাওনা টাকা আনতে গেলে একদল সন্ত্রাসী তাকে তারা করে, তিনি দৌড়ে একটি ঘরে ঢুকলে সেখানে তাকে মারধর করা হয়। আমরা এর বিচার চাই।
নিহতের বড় ভাই দেলোয়ার হোসেন বলেন, “আমার ভাই নগদ টাকার ব্যবসা করেন। ইলিয়াস নামে একজনকে টাকা দিয়েছিলেন। সে টাকা দেওয়ার কথা বলে আমার ভাইকে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে বিভিন্নভাবে ঘুরানোর একপর্যায়ে চার-পাঁচজন মিলে দাও রড নিয়ে আমার ভাইয়ের ওপর হামলা করে। হাসপাতালে যাওয়ার আগে আমার ভাই জবানবন্দি দিয়ে গেছেন কারা হামলা করেছে এবং কেন করেছে।”
পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, “ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। মৃতদেহ বর্তমানে বরিশালে রয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা হলে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।”

১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৪৭
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অশ্লীল ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় খেপুপাড়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আনোয়ার হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
রোববার (১৫ মার্চ) রাতে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে বরখাস্ত করা হয়। আদেশে জানানো হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড বরিশালের নির্দেশনা এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা–২০২৪ এর ৫৪(১) ধারা অনুযায়ী এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, গত ১১ মার্চ থেকে প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেনের অশ্লীল ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এতে সমাজের প্রচলিত শালীনতা, নৈতিকতা ও রুচিবোধে আঘাত লাগে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়দের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে।
বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোশ ভাতা প্রাপ্য হবেন। এ সময় বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক ও ভারপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিন রেজা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক আনোয়ার হোসেন নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় দাবি করেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, একটি চক্র উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।
কলাপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন ধরে খেপুপাড়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেনকে নিয়ে আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা যাচ্ছিল।
বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বরিশাল নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেয়। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অশ্লীল ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় খেপুপাড়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আনোয়ার হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
রোববার (১৫ মার্চ) রাতে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে বরখাস্ত করা হয়। আদেশে জানানো হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড বরিশালের নির্দেশনা এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা–২০২৪ এর ৫৪(১) ধারা অনুযায়ী এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, গত ১১ মার্চ থেকে প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেনের অশ্লীল ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এতে সমাজের প্রচলিত শালীনতা, নৈতিকতা ও রুচিবোধে আঘাত লাগে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়দের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে।
বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোশ ভাতা প্রাপ্য হবেন। এ সময় বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক ও ভারপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিন রেজা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক আনোয়ার হোসেন নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় দাবি করেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, একটি চক্র উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।
কলাপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন ধরে খেপুপাড়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেনকে নিয়ে আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা যাচ্ছিল।
বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বরিশাল নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেয়। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৪০
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় সরকারি খাসজমি থেকে একটি রেইন্ট্রি গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে শ্রমিক দল নেতাসহ চারজনের বিরুদ্ধে চুরির মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ৭-৮ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে।
মামলার বাদী মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসিফ নূর জানান, কুয়াকাটা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে হোটেল সীকুইন সংলগ্ন বিএস ১ নম্বর খাস খতিয়ানের ৩৪২১ ও ৩৪২৭ নম্বর দাগের সরকারি জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রয়েছে। ওই এলাকায় ডিসি বাংলোতে অবস্থানরত কর্মচারীরা সরকারি সম্পত্তি দেখাশোনা করেন।
অভিযোগে বলা হয়, গত ১১ মার্চ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে ওই সরকারি জমিতে একটি রেইন্ট্রি গাছ ছিল। কিন্তু রাত আনুমানিক ৯টার দিকে গাছটি আর সেখানে দেখা যায়নি। পরদিন বিষয়টি ভূমি অফিসকে জানানো হলে সংশ্লিষ্টরা ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজখবর নেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আসামিরা বেআইনিভাবে দলবদ্ধ হয়ে সরকারি জমিতে প্রবেশ করে গাছটি কেটে ভ্যানযোগে অন্যত্র নিয়ে যায়। চুরি হওয়া গাছটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৭ হাজার টাকা।
এ ঘটনায় কুয়াকাটা পৌর শ্রমিক দলের সহসভাপতি মো. জসিম মৃধা, আ. কাদের, পৌর কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আলমাস ও রাসেলসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে শনিবার (১৪ মার্চ) মহিপুর থানায় একটি চুরির মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিযুক্ত শ্রমিক দল নেতা মো. জসিম মৃধা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
পটুয়াখালী জেলা শ্রমিক দলের সহসভাপতি জাহিদুর রহমান বাবু খান বলেন, ঘটনার সত্যতা যাচাই করে সাংগঠনিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মহিপুর থানার ওসি মো. মহব্বত খান জানান, সরকারি সম্পত্তি চুরির অভিযোগে একটি মামলা রুজু হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় সরকারি খাসজমি থেকে একটি রেইন্ট্রি গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে শ্রমিক দল নেতাসহ চারজনের বিরুদ্ধে চুরির মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ৭-৮ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে।
মামলার বাদী মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসিফ নূর জানান, কুয়াকাটা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে হোটেল সীকুইন সংলগ্ন বিএস ১ নম্বর খাস খতিয়ানের ৩৪২১ ও ৩৪২৭ নম্বর দাগের সরকারি জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রয়েছে। ওই এলাকায় ডিসি বাংলোতে অবস্থানরত কর্মচারীরা সরকারি সম্পত্তি দেখাশোনা করেন।
অভিযোগে বলা হয়, গত ১১ মার্চ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে ওই সরকারি জমিতে একটি রেইন্ট্রি গাছ ছিল। কিন্তু রাত আনুমানিক ৯টার দিকে গাছটি আর সেখানে দেখা যায়নি। পরদিন বিষয়টি ভূমি অফিসকে জানানো হলে সংশ্লিষ্টরা ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজখবর নেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আসামিরা বেআইনিভাবে দলবদ্ধ হয়ে সরকারি জমিতে প্রবেশ করে গাছটি কেটে ভ্যানযোগে অন্যত্র নিয়ে যায়। চুরি হওয়া গাছটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৭ হাজার টাকা।
এ ঘটনায় কুয়াকাটা পৌর শ্রমিক দলের সহসভাপতি মো. জসিম মৃধা, আ. কাদের, পৌর কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আলমাস ও রাসেলসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে শনিবার (১৪ মার্চ) মহিপুর থানায় একটি চুরির মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিযুক্ত শ্রমিক দল নেতা মো. জসিম মৃধা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
পটুয়াখালী জেলা শ্রমিক দলের সহসভাপতি জাহিদুর রহমান বাবু খান বলেন, ঘটনার সত্যতা যাচাই করে সাংগঠনিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মহিপুর থানার ওসি মো. মহব্বত খান জানান, সরকারি সম্পত্তি চুরির অভিযোগে একটি মামলা রুজু হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৫
দেশের অন্যতম মৎস্য বন্দর পটুয়াখালীর আলীপুর-মহিপুর বন্দর। প্রতিদিন জেলেরা এই বন্দরে মাছ বিক্রি করে ট্রলারে রসদ সামগ্রী নিয়ে ছুটে যায় গভির বঙ্গোপসাগরে।
গত এক সপ্তাহ ধরে কৃত্রিম তৈল (ডিজেল) সংকটের কারণে শত শত ট্রলার গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারে যেতে পারছেন না। ঈদের ঠিক আগ মূহর্তে এই সংকট মৎস্যজীবীদের মাঝে হতাশা দেখা দিয়েছে।
তেলের ডিপোগুলোতে প্রসাশনের নজরদারী বাড়ানোর দাবী জানিয়েছেন জেলেরা। কুয়াকাটায় প্রতি সপ্তাহে ডিজেল চাহিদা তিন লাখ থেকে সাড়ে তিন লাখ লিটার সেখানে ফিলিং ষ্টেশন ডিজেল পায় ৭০-৭৫ হাজার লিটার।
আন্তর্জাতিক বাজারে ইরান-ইসরাইল-আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার খবরে দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই সুযোগে কুয়াকাটার উপকূলীয় বাজারে তেল ব্যবসায়ীরা চরা দামে তেল বেচার জন্য মজুতদারী শুরু করেছে।
গত কয়েকদিন ধরে কোন মহাজনের কাছে ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে উপকূলের বিভিন্ন নদ-নদীতে শত শত ট্রলার মাছ নোঙর করে আছে। এদিকে দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ার কারণে গত তিন মাস ধরে সাগরে মাছ না পেয়ে দেনাগ্রস্থ জেলেরা আসন্ন ঈদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে। রমজানের শেষ মুহূর্তে আবহাওয়ায় কিছু পরিবর্তন এসেছে, প্রতিদিন আকাশে মেঘা দেখা যায়। বাতাসের গতি কিছুটা বেড়েছে, এখন সমুদ্রে মাছ ধরা পরার উপর্যুক্ত হয়েছে। জেলেদের আশা শেষ মুহূর্তে মাছে পেয়ে ঈদ আনন্দ উৎযাপন করবেন। কিন্তু এই মুর্হুতে জ¦ালানি সংকটের কারণে সমুদ্রে যেতে পারছেন না উপজেলার প্রায় ৩০ হাজার জেলে। ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী তৈল পাচ্ছে না পাম্পগুলো। যার কারণে তেলের পাম্প থেকে সমুদ্রগামী কোন ট্রলারে তৈল দেয়া হচ্ছে না।
শুধুমাত্র পরিবহনে ডিজেল দেয়া হচ্ছে। মৎস্য আলীপুরের জেলে হোসেন বলেন, গত তিন মাস ধরে সমুদ্রে মাছ নেই। বর্তমানে আবহাওয়া কিছুটা পরিবর্তন হচ্ছে। এখন সাগরে মাছ ধরা পরার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু তেলের অভাবে সাগরে যেতে পারছি না। দ্রুত তেলের ব্যবস্থা করার দাবি আমাদের। ট্রলার মালিক কামাল হোসেন বলেন, আমরা কিছুই বুঝতে পারছি না।
আসলেই কি তেল নেই, নাকি সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে। ট্রলার ঘাটে নোঙর করে রেখেছি। তৈল পেলেই সমুদ্রে যাবে। আড়তদার ব্যবসায়ী আঃ জলিল ঘরামী বলেন, তেলে অভাবে ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ হয়ে আছে।
তেলের ডিপোগুলোতে প্রসাশনের নজরদারী বাড়ানোর জোর দাবী জানাচ্ছি। মহিপুর রাজা ফিলিং ষ্টেশনের পরিচালক আসিফ মাহমুদ বলেন, আমাদের চাহিদা অনুযায়ী ডিপো থেকে তেল দিতে পারছে না। আমরাও সংরবরাহ করতে পারছি না।
আমাদের পাম্প থেকে সমুদ্রগামী যানে তেল সরবারহ করা হচ্ছে না। শুধু পরিবহনে তেল দিচ্ছি। এ প্রসঙ্গে কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, আমরা শুনছি জ¦ালানী তেলের সংকটের কারণে অনেক জেলে সমুদ্র যেতে পারছেন না। সমুদ্রগামী জেলেদের জন্য আগামী দুই এক দিনের মধ্যে ডিজেল সংকট কেটে যাবে।
দেশের অন্যতম মৎস্য বন্দর পটুয়াখালীর আলীপুর-মহিপুর বন্দর। প্রতিদিন জেলেরা এই বন্দরে মাছ বিক্রি করে ট্রলারে রসদ সামগ্রী নিয়ে ছুটে যায় গভির বঙ্গোপসাগরে।
গত এক সপ্তাহ ধরে কৃত্রিম তৈল (ডিজেল) সংকটের কারণে শত শত ট্রলার গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারে যেতে পারছেন না। ঈদের ঠিক আগ মূহর্তে এই সংকট মৎস্যজীবীদের মাঝে হতাশা দেখা দিয়েছে।
তেলের ডিপোগুলোতে প্রসাশনের নজরদারী বাড়ানোর দাবী জানিয়েছেন জেলেরা। কুয়াকাটায় প্রতি সপ্তাহে ডিজেল চাহিদা তিন লাখ থেকে সাড়ে তিন লাখ লিটার সেখানে ফিলিং ষ্টেশন ডিজেল পায় ৭০-৭৫ হাজার লিটার।
আন্তর্জাতিক বাজারে ইরান-ইসরাইল-আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার খবরে দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই সুযোগে কুয়াকাটার উপকূলীয় বাজারে তেল ব্যবসায়ীরা চরা দামে তেল বেচার জন্য মজুতদারী শুরু করেছে।
গত কয়েকদিন ধরে কোন মহাজনের কাছে ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে উপকূলের বিভিন্ন নদ-নদীতে শত শত ট্রলার মাছ নোঙর করে আছে। এদিকে দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ার কারণে গত তিন মাস ধরে সাগরে মাছ না পেয়ে দেনাগ্রস্থ জেলেরা আসন্ন ঈদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে। রমজানের শেষ মুহূর্তে আবহাওয়ায় কিছু পরিবর্তন এসেছে, প্রতিদিন আকাশে মেঘা দেখা যায়। বাতাসের গতি কিছুটা বেড়েছে, এখন সমুদ্রে মাছ ধরা পরার উপর্যুক্ত হয়েছে। জেলেদের আশা শেষ মুহূর্তে মাছে পেয়ে ঈদ আনন্দ উৎযাপন করবেন। কিন্তু এই মুর্হুতে জ¦ালানি সংকটের কারণে সমুদ্রে যেতে পারছেন না উপজেলার প্রায় ৩০ হাজার জেলে। ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী তৈল পাচ্ছে না পাম্পগুলো। যার কারণে তেলের পাম্প থেকে সমুদ্রগামী কোন ট্রলারে তৈল দেয়া হচ্ছে না।
শুধুমাত্র পরিবহনে ডিজেল দেয়া হচ্ছে। মৎস্য আলীপুরের জেলে হোসেন বলেন, গত তিন মাস ধরে সমুদ্রে মাছ নেই। বর্তমানে আবহাওয়া কিছুটা পরিবর্তন হচ্ছে। এখন সাগরে মাছ ধরা পরার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু তেলের অভাবে সাগরে যেতে পারছি না। দ্রুত তেলের ব্যবস্থা করার দাবি আমাদের। ট্রলার মালিক কামাল হোসেন বলেন, আমরা কিছুই বুঝতে পারছি না।
আসলেই কি তেল নেই, নাকি সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে। ট্রলার ঘাটে নোঙর করে রেখেছি। তৈল পেলেই সমুদ্রে যাবে। আড়তদার ব্যবসায়ী আঃ জলিল ঘরামী বলেন, তেলে অভাবে ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ হয়ে আছে।
তেলের ডিপোগুলোতে প্রসাশনের নজরদারী বাড়ানোর জোর দাবী জানাচ্ছি। মহিপুর রাজা ফিলিং ষ্টেশনের পরিচালক আসিফ মাহমুদ বলেন, আমাদের চাহিদা অনুযায়ী ডিপো থেকে তেল দিতে পারছে না। আমরাও সংরবরাহ করতে পারছি না।
আমাদের পাম্প থেকে সমুদ্রগামী যানে তেল সরবারহ করা হচ্ছে না। শুধু পরিবহনে তেল দিচ্ছি। এ প্রসঙ্গে কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, আমরা শুনছি জ¦ালানী তেলের সংকটের কারণে অনেক জেলে সমুদ্র যেতে পারছেন না। সমুদ্রগামী জেলেদের জন্য আগামী দুই এক দিনের মধ্যে ডিজেল সংকট কেটে যাবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.