Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৭:৪৯
পটুয়াখালীর মহিপুরে ট্রলারের মাঝি শহিদুল ইসলাম হত্যা মামলার দীর্ঘদিনের পলাতক প্রধান আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী সোহেল ফকিরকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল মহিপুর থানাধীন লতাচাপলী ইউনিয়নের পশ্চিম খাজুরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।
গ্রেফতার সোহেল ফকির (৩৪) পশ্চিম খাজুরা এলাকার মৃত আমজেদ আলী ফকিরের ছেলে। তার বিরুদ্ধে হত্যা, মাদকসহ ডজন খানেক মামলা রয়েছে।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, নিহত শহিদুল ইসলাম পেশায় ট্রলারের মাঝি ছিলেন। আসামিরা শহিদুলের ট্রলারের জেলে ইব্রাহিমের কাছে ২ হাজার ৪০০ টাকা পাওনা দাবি করলে তা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। বিষয়টি শহিদুল স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানালে সোহেল ফকির ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।
পরবর্তী সময়ে গত ২৬ জুন খাজুরা আবাসনে নিজ ঘরের সামনে কাজ করার সময় শহিদুল ইসলামের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় সোহেল ফকির ও তার সহযোগীরা। সোহেলের হাতে থাকা লোহার রডের আঘাতে শহিদুল গুরুতর আহত হন। পরে তাকে কুয়াকাটা ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর নিহতের ছোট ভাই রাসেল হাওলাদার বাদী হয়ে মহিপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকেই প্রধান আসামি সোহেল ফকির পলাতক ছিলেন।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারের পর সোহেল ফকিরকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মহিপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘শহিদুল হত্যা মামলার প্রধান আসামি সোহেল ফকিরকে র্যাব আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। সোহেল ফকির অনেক মামলার আসামি।
পটুয়াখালীর মহিপুরে ট্রলারের মাঝি শহিদুল ইসলাম হত্যা মামলার দীর্ঘদিনের পলাতক প্রধান আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী সোহেল ফকিরকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল মহিপুর থানাধীন লতাচাপলী ইউনিয়নের পশ্চিম খাজুরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।
গ্রেফতার সোহেল ফকির (৩৪) পশ্চিম খাজুরা এলাকার মৃত আমজেদ আলী ফকিরের ছেলে। তার বিরুদ্ধে হত্যা, মাদকসহ ডজন খানেক মামলা রয়েছে।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, নিহত শহিদুল ইসলাম পেশায় ট্রলারের মাঝি ছিলেন। আসামিরা শহিদুলের ট্রলারের জেলে ইব্রাহিমের কাছে ২ হাজার ৪০০ টাকা পাওনা দাবি করলে তা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। বিষয়টি শহিদুল স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানালে সোহেল ফকির ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।
পরবর্তী সময়ে গত ২৬ জুন খাজুরা আবাসনে নিজ ঘরের সামনে কাজ করার সময় শহিদুল ইসলামের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় সোহেল ফকির ও তার সহযোগীরা। সোহেলের হাতে থাকা লোহার রডের আঘাতে শহিদুল গুরুতর আহত হন। পরে তাকে কুয়াকাটা ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর নিহতের ছোট ভাই রাসেল হাওলাদার বাদী হয়ে মহিপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকেই প্রধান আসামি সোহেল ফকির পলাতক ছিলেন।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারের পর সোহেল ফকিরকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মহিপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘শহিদুল হত্যা মামলার প্রধান আসামি সোহেল ফকিরকে র্যাব আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। সোহেল ফকির অনেক মামলার আসামি।

০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩২
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় রুমানা আক্তার (১৯) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২ মার্চ) সকালে উপজেলার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের বরকুতিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকালে রুমানা আক্তার বাবার বাড়ি যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তার স্বামী রাব্বি হাওলাদার কয়েক দিন পর রাজমিস্ত্রীর কাজ শেষে নিয়ে যাবেন বলে জানালে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়।
পরে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে রুমানা ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ওড়না প্যাঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন দাবি করেছেন শশুর বাড়ির লোকজন। এদিকে রুমানার পরিবার থেকে দাবি করা হচ্ছে শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাকে মেরে ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রেখেছে।
প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘ সময় তাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করলে তার শাশুড়ি ঘরের ভেতর ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসেন এবং থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নিয়ে যায়।
নিহত রুমানার বাবার বাড়ি পার্শ্ববর্তী ধূলাসার ইউনিয়নের বড়হরপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম আব্দুল মন্নান হাওলাদার।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন। তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে মহিপুর থানার ওসি মহব্বত খান বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’
বরিশাল টাইমস

০২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৬
দুমকি উপজেলার পাংগাশিয়া এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৭টি পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে। আলতাফ হোসেন চৌধুরীর পক্ষ থেকে এ সহায়তা প্রদান করা হয়।
সোমবার (২ মার্চ) বিকেল ৩টায় দুমকি উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. ফরিদা সুলতানার সভাপতিত্বে চেক হস্তান্তর কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শহিদুল হাসান শাহীন, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান, পটুয়াখালী জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তৌফিক আলী খান কবির, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান, দুমকি উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন হাওলাদার, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মতিউর রহমান দিপু এবং দুমকি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুর রহমান খানসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

০২ মার্চ, ২০২৬ ১৯:১১
পটুয়াখালীর বাউফলে ৯ বছরের নাতনিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে নানার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তি সম্পর্কে ভুক্তভোগী শিশুর চাচাতো নানা হন। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত লালু শাহ আত্মগোপনে রয়েছেন।
রবিবার (১ মার্চ) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে উপজেলার নাজিরপুর-তাঁতেরকাঠি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটেছে। এদিকে ভুক্তভোগী শিশুকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে পটুয়াখালী মেডিকেলের ভিকটিম সাপোর্ট শেল্টারে পাঠিয়েছেন দায়িত্বরত চিকিৎসক। ভুক্তভোগীর মায়ের দাবি, শিশু সন্তানকে নিয়ে তিনি বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান।
শেষ বিকেলে তিনি ইফতারি তৈরিতে ব্যস্ত ছিলেন এবং ভুক্তভোগী শিশু বাড়ির উঠানে খেলাধুলা করছিল। এ সময় লালু শাহ ভুক্তভোগী শিশুকে বাড়ির একটি খালি ঘরে নিয়ে যান এবং ভুক্তভোগীর পোশাক খুলে শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন।
ভয় পেয়ে ভুক্তভোগী শিশু চিৎকার করলে অভিযুক্ত তার মুখ চেপে ধরেন। অভিযুক্তের হাতে কামড় দিয়ে কান্নারত অবস্থায় ঘরে ফিরে ভুক্তভোগী শিশু তার মায়ের কাছে সবকিছু খুলে বলে। পরে স্বজনরা ভুক্তভোগী শিশুকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে ভর্তি করেন। এ বিষয়ে তারা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান তিনি।
বাউফল উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. শাহরিয়ার আল কাউয়ুম বলেন, ‘ভুক্তভোগী শিশুকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে ভুক্তভোগী শিশু হওয়ায় বিষয়টি বিস্তারিত প্রকাশের সুযোগ নেই।
ঘটনাটি আরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য আমরা তাকে পটুয়াখালী মেডিকেলের ভিকটিম সাপোর্ট শেল্টারে নেওয়ার জন্য স্বজনদের পরামর্শ দিয়েছি।’ এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহম্মদ সিদ্দিকুর রহমার জানান, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাইনি। ঘটনা স্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক রয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুর মেডিকেল রিপোর্ট অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় রুমানা আক্তার (১৯) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২ মার্চ) সকালে উপজেলার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের বরকুতিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকালে রুমানা আক্তার বাবার বাড়ি যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তার স্বামী রাব্বি হাওলাদার কয়েক দিন পর রাজমিস্ত্রীর কাজ শেষে নিয়ে যাবেন বলে জানালে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়।
পরে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে রুমানা ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ওড়না প্যাঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন দাবি করেছেন শশুর বাড়ির লোকজন। এদিকে রুমানার পরিবার থেকে দাবি করা হচ্ছে শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাকে মেরে ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রেখেছে।
প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘ সময় তাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করলে তার শাশুড়ি ঘরের ভেতর ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসেন এবং থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নিয়ে যায়।
নিহত রুমানার বাবার বাড়ি পার্শ্ববর্তী ধূলাসার ইউনিয়নের বড়হরপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম আব্দুল মন্নান হাওলাদার।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন। তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে মহিপুর থানার ওসি মহব্বত খান বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’
বরিশাল টাইমস
দুমকি উপজেলার পাংগাশিয়া এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৭টি পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে। আলতাফ হোসেন চৌধুরীর পক্ষ থেকে এ সহায়তা প্রদান করা হয়।
সোমবার (২ মার্চ) বিকেল ৩টায় দুমকি উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. ফরিদা সুলতানার সভাপতিত্বে চেক হস্তান্তর কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শহিদুল হাসান শাহীন, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান, পটুয়াখালী জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তৌফিক আলী খান কবির, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান, দুমকি উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন হাওলাদার, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মতিউর রহমান দিপু এবং দুমকি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুর রহমান খানসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
পটুয়াখালীর বাউফলে ৯ বছরের নাতনিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে নানার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তি সম্পর্কে ভুক্তভোগী শিশুর চাচাতো নানা হন। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত লালু শাহ আত্মগোপনে রয়েছেন।
রবিবার (১ মার্চ) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে উপজেলার নাজিরপুর-তাঁতেরকাঠি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটেছে। এদিকে ভুক্তভোগী শিশুকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে পটুয়াখালী মেডিকেলের ভিকটিম সাপোর্ট শেল্টারে পাঠিয়েছেন দায়িত্বরত চিকিৎসক। ভুক্তভোগীর মায়ের দাবি, শিশু সন্তানকে নিয়ে তিনি বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান।
শেষ বিকেলে তিনি ইফতারি তৈরিতে ব্যস্ত ছিলেন এবং ভুক্তভোগী শিশু বাড়ির উঠানে খেলাধুলা করছিল। এ সময় লালু শাহ ভুক্তভোগী শিশুকে বাড়ির একটি খালি ঘরে নিয়ে যান এবং ভুক্তভোগীর পোশাক খুলে শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন।
ভয় পেয়ে ভুক্তভোগী শিশু চিৎকার করলে অভিযুক্ত তার মুখ চেপে ধরেন। অভিযুক্তের হাতে কামড় দিয়ে কান্নারত অবস্থায় ঘরে ফিরে ভুক্তভোগী শিশু তার মায়ের কাছে সবকিছু খুলে বলে। পরে স্বজনরা ভুক্তভোগী শিশুকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে ভর্তি করেন। এ বিষয়ে তারা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান তিনি।
বাউফল উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. শাহরিয়ার আল কাউয়ুম বলেন, ‘ভুক্তভোগী শিশুকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে ভুক্তভোগী শিশু হওয়ায় বিষয়টি বিস্তারিত প্রকাশের সুযোগ নেই।
ঘটনাটি আরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য আমরা তাকে পটুয়াখালী মেডিকেলের ভিকটিম সাপোর্ট শেল্টারে নেওয়ার জন্য স্বজনদের পরামর্শ দিয়েছি।’ এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহম্মদ সিদ্দিকুর রহমার জানান, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাইনি। ঘটনা স্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক রয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুর মেডিকেল রিপোর্ট অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:২০
০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০৮
০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৯
০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৫