
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৮:১৩
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ভানু বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধা নয় মাসের নাতি আরিয়ান হাসানকে নিয়ে বিপাকে রয়েছেন। উপজেলার কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ কাকড়াবুনিয়া গ্রামের মৃত মো: শাজাহান সরদারের স্ত্রী তিনি।
জানা যায়,তিন বছর পূর্বে গাজীপুরের হোতাপাড়া ভবানীপুরের মোঃ জাকির শেখের ছেলে মোঃ জায়েদুল শেখ এর সাথে ভানু বেগমের কন্যা আমেনা আক্তারের বিবাহ হয়। বিবাহের পরে তাঁদের দাম্পত্য জীবন বেশ সুখেই কাটছিল।
বছর দুই গড়াতেই তাদের ঘর আলোকিত করে জন্ম নেয় এক পুত্রসন্তানের। নাম রাখেন আরিয়ান হাসান। যার বর্তমান বয়স ৯ মাস। কিন্তু ভাগ্যের বিড়ম্বনায় পড়তে হয় আমেনা আক্তারকে।
হয়তোবা শিশু সন্তানটি কাল হয়ে দাঁড়ায় অথবা জায়েদুলের নতুন লালসা উঁকি মারে সংসারে। গোপনে আরেকটি নারীকে বিবাহ করে জায়েদুল শেখ। কৌশলে সন্তান সহ স্ত্রী আমেনা আক্তারকে কাকড়াবুনিয়ায় ভানু বেগমের কাছে রেখে যায়। অভাবের সংসার। তিন মানব প্রাণির ক্ষুধা নিবারণতো করতে হবে।
অবশেষে পেটের দায়ে আমেনা আক্তার পাড়ি জমায় সুদূর রাজধানী শহর ঢাকায়। অপারেটরের সহযোগী হিসেবে কাজ নেয় পোশাক কারখানায়। আরিয়ানকে রেখে যায় নানির কাছে। বৃদ্ধা ভানু বেগম ছাড়া আরিয়ানের আর কেউ রইলোনা। সেই থেকে নয় মাসের নাতিকে বুকে আগলে রাখা।
ভানু বেগম জানান,মুই বিভিন্ন জাগায় হাত পাইত্তা খাই। সরকারি ঘরে থাহি। মোর স্বামী মরে গেছে। মোর কোনো পোলা নাই। খয়রাত করে খাইলেও মুই কোনো সরকারি ভাতা পাইনা,হ্যা পায় ধনীরা।
এভাবে ভানু বেগম কেঁদে কেঁদে আক্ষেপ করে জানান, তাঁর নামে বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা বা কোনো চালের নাম নাই।"মুই এহোন কী খাওয়ামু মোর কইলজার টুকরাডারে।"
ভানু বেগম জানান, তিনি নয় বছরের শিশুটিকে নিয়ে চরম বিপাকে আছেন। তাঁর কন্যা আমেনা আক্তার হেল্পারের কাজ করেন। যে বেতন পান নিজে চলতে পারেননা। আরিয়ান বর্তমানে খুব অসুস্থ। ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ার মত টাকাও তাঁর কাছে নাই। এই বৃদ্ধ বয়সে মানুষের দ্বারে দ্বারে যেতে অনেক কষ্ট হয়।
মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ তরিকুল ইসলাম জানান, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে ভানু বেগমকে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ বিষয়ে যেন, তিনি একটি আবেদন করেন।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ভানু বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধা নয় মাসের নাতি আরিয়ান হাসানকে নিয়ে বিপাকে রয়েছেন। উপজেলার কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ কাকড়াবুনিয়া গ্রামের মৃত মো: শাজাহান সরদারের স্ত্রী তিনি।
জানা যায়,তিন বছর পূর্বে গাজীপুরের হোতাপাড়া ভবানীপুরের মোঃ জাকির শেখের ছেলে মোঃ জায়েদুল শেখ এর সাথে ভানু বেগমের কন্যা আমেনা আক্তারের বিবাহ হয়। বিবাহের পরে তাঁদের দাম্পত্য জীবন বেশ সুখেই কাটছিল।
বছর দুই গড়াতেই তাদের ঘর আলোকিত করে জন্ম নেয় এক পুত্রসন্তানের। নাম রাখেন আরিয়ান হাসান। যার বর্তমান বয়স ৯ মাস। কিন্তু ভাগ্যের বিড়ম্বনায় পড়তে হয় আমেনা আক্তারকে।
হয়তোবা শিশু সন্তানটি কাল হয়ে দাঁড়ায় অথবা জায়েদুলের নতুন লালসা উঁকি মারে সংসারে। গোপনে আরেকটি নারীকে বিবাহ করে জায়েদুল শেখ। কৌশলে সন্তান সহ স্ত্রী আমেনা আক্তারকে কাকড়াবুনিয়ায় ভানু বেগমের কাছে রেখে যায়। অভাবের সংসার। তিন মানব প্রাণির ক্ষুধা নিবারণতো করতে হবে।
অবশেষে পেটের দায়ে আমেনা আক্তার পাড়ি জমায় সুদূর রাজধানী শহর ঢাকায়। অপারেটরের সহযোগী হিসেবে কাজ নেয় পোশাক কারখানায়। আরিয়ানকে রেখে যায় নানির কাছে। বৃদ্ধা ভানু বেগম ছাড়া আরিয়ানের আর কেউ রইলোনা। সেই থেকে নয় মাসের নাতিকে বুকে আগলে রাখা।
ভানু বেগম জানান,মুই বিভিন্ন জাগায় হাত পাইত্তা খাই। সরকারি ঘরে থাহি। মোর স্বামী মরে গেছে। মোর কোনো পোলা নাই। খয়রাত করে খাইলেও মুই কোনো সরকারি ভাতা পাইনা,হ্যা পায় ধনীরা।
এভাবে ভানু বেগম কেঁদে কেঁদে আক্ষেপ করে জানান, তাঁর নামে বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা বা কোনো চালের নাম নাই।"মুই এহোন কী খাওয়ামু মোর কইলজার টুকরাডারে।"
ভানু বেগম জানান, তিনি নয় বছরের শিশুটিকে নিয়ে চরম বিপাকে আছেন। তাঁর কন্যা আমেনা আক্তার হেল্পারের কাজ করেন। যে বেতন পান নিজে চলতে পারেননা। আরিয়ান বর্তমানে খুব অসুস্থ। ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ার মত টাকাও তাঁর কাছে নাই। এই বৃদ্ধ বয়সে মানুষের দ্বারে দ্বারে যেতে অনেক কষ্ট হয়।
মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ তরিকুল ইসলাম জানান, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে ভানু বেগমকে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ বিষয়ে যেন, তিনি একটি আবেদন করেন।

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২৩
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড় ও টানা ভারি বৃষ্টিতে মুগ ডালসহ বিভিন্ন রবি ফসলের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে উপজেলার শতাধিক কৃষক চরম ক্ষতির আশঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার বিকেলে কালবৈশাখী ঝড়ের পর টানা দুই দিনের ভারি বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় উপজেলার নিচু জমিগুলোতে পানি জমে যায়। ফলে মুগ ডালের ক্ষেত সম্পূর্ণ ডুবে যায়।
পাশাপাশি মরিচ, আলু, চিনাবাদাম ও অন্যান্য রবি ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক ক্ষেতেই গাছ নষ্ট হওয়ার উপক্রম হওয়ায় ফলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
উত্তর শ্রীরামপুর গ্রামের কৃষক গোলাম মস্তফা, আমির হোসেন মৃধা ও সোহরাব মৃধা জানান, মৌসুমের শুরুতে ভালো ফলনের আশায় মুগ ডালের আবাদ করেছিলেন। কিছু কৃষক আংশিক ফসল তুলতে পারলেও অধিকাংশ ক্ষেতেই ফসল মাঠেই রয়ে গেছে। আকস্মিক দুর্যোগে তাদের সেই আশা ভেস্তে যেতে বসেছে। দ্রুত পানি না নামলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
গাবতলী এলাকার কৃষক গাফফার হোসেন বলেন, “আমাদের এলাকায় এমন কোনো কৃষক নেই, যার অন্তত ৫০ হাজার টাকার মুগডাল নষ্ট হয়নি। গ্রামের সবাই এখন দিশেহারা।”
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার বিস্তীর্ণ জমি পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। কৃষকরা নালা কেটে পানি নামানোর চেষ্টা করছেন। তবে স্লুইস গেট খোলা থাকায় জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন জানান, একটি স্লুইস গেটের কপাট খোলা থাকায় বৃষ্টির পানির সঙ্গে জোয়ারের পানি ঢুকে কৃষিজমি প্লাবিত হয়েছে।
মুগ ডালের ক্ষতি সবচেয়ে বেশি হলেও সূর্যমুখী ক্ষেতেও আংশিক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড় ও টানা ভারি বৃষ্টিতে মুগ ডালসহ বিভিন্ন রবি ফসলের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে উপজেলার শতাধিক কৃষক চরম ক্ষতির আশঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার বিকেলে কালবৈশাখী ঝড়ের পর টানা দুই দিনের ভারি বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় উপজেলার নিচু জমিগুলোতে পানি জমে যায়। ফলে মুগ ডালের ক্ষেত সম্পূর্ণ ডুবে যায়।
পাশাপাশি মরিচ, আলু, চিনাবাদাম ও অন্যান্য রবি ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক ক্ষেতেই গাছ নষ্ট হওয়ার উপক্রম হওয়ায় ফলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
উত্তর শ্রীরামপুর গ্রামের কৃষক গোলাম মস্তফা, আমির হোসেন মৃধা ও সোহরাব মৃধা জানান, মৌসুমের শুরুতে ভালো ফলনের আশায় মুগ ডালের আবাদ করেছিলেন। কিছু কৃষক আংশিক ফসল তুলতে পারলেও অধিকাংশ ক্ষেতেই ফসল মাঠেই রয়ে গেছে। আকস্মিক দুর্যোগে তাদের সেই আশা ভেস্তে যেতে বসেছে। দ্রুত পানি না নামলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
গাবতলী এলাকার কৃষক গাফফার হোসেন বলেন, “আমাদের এলাকায় এমন কোনো কৃষক নেই, যার অন্তত ৫০ হাজার টাকার মুগডাল নষ্ট হয়নি। গ্রামের সবাই এখন দিশেহারা।”
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার বিস্তীর্ণ জমি পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। কৃষকরা নালা কেটে পানি নামানোর চেষ্টা করছেন। তবে স্লুইস গেট খোলা থাকায় জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন জানান, একটি স্লুইস গেটের কপাট খোলা থাকায় বৃষ্টির পানির সঙ্গে জোয়ারের পানি ঢুকে কৃষিজমি প্লাবিত হয়েছে।
মুগ ডালের ক্ষতি সবচেয়ে বেশি হলেও সূর্যমুখী ক্ষেতেও আংশিক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হবে।

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:১৭
দীর্ঘ ১০৪ বছর পর কলাপাড়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে যুগ্ম জেলা জজ ও যুগ্ম জেলা দায়রা জজ আদালতের কার্যক্রম।
বৃহস্পতিবার সকালে কলাপাড়ার চৌকি আদালত ভবনে আদালত দুটির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ভারপ্রাপ্ত বিচারক মেহেদী হাসান।
এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আদালত দুটি পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়ায় স্থানান্তর করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপজেলার সকল আইনজীবী ও সাধারণ বিচারপ্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আইনজীবীরা জানান, কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবের লক্ষ্যে এই দুটি আদালত স্থাপন করা হয়েছে। এখন থেকে এই দুই উপজেলার দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার বিচারকার্য এই আদালতেই নিষ্পত্তি হবে। ফলে বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষকে আর দূরে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হবে না। এই উদ্যোগে এলাকার মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের সঞ্চার হয়েছে।
দীর্ঘ ১০৪ বছর পর কলাপাড়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে যুগ্ম জেলা জজ ও যুগ্ম জেলা দায়রা জজ আদালতের কার্যক্রম।
বৃহস্পতিবার সকালে কলাপাড়ার চৌকি আদালত ভবনে আদালত দুটির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ভারপ্রাপ্ত বিচারক মেহেদী হাসান।
এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আদালত দুটি পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়ায় স্থানান্তর করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপজেলার সকল আইনজীবী ও সাধারণ বিচারপ্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আইনজীবীরা জানান, কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবের লক্ষ্যে এই দুটি আদালত স্থাপন করা হয়েছে। এখন থেকে এই দুই উপজেলার দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার বিচারকার্য এই আদালতেই নিষ্পত্তি হবে। ফলে বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষকে আর দূরে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হবে না। এই উদ্যোগে এলাকার মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের সঞ্চার হয়েছে।

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০৯
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২৩
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৬
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩৩
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:১৭