সড়ক প্রশস্তকরণের জন্য গাছ কাটার অনুমোদন ছিল মাত্র ২৪টির। কিন্তু সেই অনুমোদনের তোয়াক্কা না করে কেটে ফেলা হয়েছে চার শতাধিক সরকারি গাছ। যার বাজারমূল্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। সরকারি সম্পদ ধ্বংসের এমন অভিযোগে দলীয় পদ হারিয়েছেন ভোলার লালমোহন উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। তিনি স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকও।
শনিবার রাতে ভোলা জেলা যুবদলের সভাপতি মো. জামাল উদ্দিন লিটন ও সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুল কাদের সেলিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাঁর বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্ট, দলের নীতি-আদর্শ ও সাংগঠনিক সংহতিবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে জসিম উদ্দিনকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর কোনো অপকর্মের দায় দল নেবে না বলে উল্লেখ করা হয়। দলের নেতাকর্মীদের তাঁর সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উদ্যোগে উপজেলার কর্তারহাট থেকে রমাগঞ্জ ইউনিয়নের রায়চাঁদ বাজার পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণের কাজ চলছে। এ কাজে সড়কের পাশের কিছু গাছ অপসারণের প্রয়োজন দেখা দিলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে রেঞ্জ কর্মকর্তাকে গাছের সংখ্যা ও সম্ভাব্য মূল্য নির্ধারণের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
পরে সরেজমিন পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সড়ক প্রশস্তকরণের জন্য ২৪টি গাছ কাটার প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করে। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, কোনো ধরনের দরপত্র বা নিলাম প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগেই রেইনট্রি, মেহগনি ও চাম্বলসহ বিভিন্ন প্রজাতির চার শতাধিক গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে। এসব গাছের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা।
তবে গাছ কাটার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জসিম উদ্দিন। তাঁর দাবি, তিনি এসব গাছ কাটার সঙ্গে জড়িত নন। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা তাঁর সুনাম ক্ষুণ্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, সড়কের পাশের গাছ কাটার জন্য কোনো দরপত্র দেওয়া হয়নি। এরপরও একটি চক্র গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন। তদন্তে যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে, তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকারি সড়কের উন্নয়নকাজকে ঘিরে বিপুলসংখ্যক গাছ কেটে নেওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। মাত্র ২৪টি গাছ অপসারণের প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণের পর কীভাবে চার শতাধিক গাছ কাটা হলো, কারা এর সঙ্গে জড়িত এবং সরকারি সম্পদের ক্ষতির দায় কে নেবে—এখন এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন সংশ্লিষ্টরা।

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:০০
বরিশালটাইমসের মনপুরা প্রতিনিধি ও মনপুরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সীমান্ত হেলালের পিতা হাজী মো. হানিফ মিয়া (৯০) আর নেই। শনিবার (৩১ অক্টোবর) ভোর রাত ৪টার দিকে ভোলার মনপুরা উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চরজ্ঞান গ্রামের নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মরহুম হাজী মো. হানিফ মিয়া মৃত্যুকালে চার ছেলে, চার মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সাংবাদিক সীমান্ত হেলালের পিতার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বরিশালটাইমসের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শাকিব বিপ্লব এবং প্রকাশক হাসিবুল ইসলাম। একই সঙ্গে শোক জানিয়েছেন পত্রিকাটির তজুমদ্দিন প্রতিনিধি হেলাল উদ্দিন লিটন, লালমোহন প্রতিনিধি হাসান পিন্টুসহ বরিশাল টাইমস পরিবারের সর্বস্তরের সদস্যরা।
এক শোকবার্তায় তাঁরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত সাংবাদিক সীমান্ত হেলাল ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
শোকবার্তায় বরিশাল টাইমসের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শাকিব বিপ্লব এবং প্রকাশক হাসিবুল ইসলাম বলেন, পিতাকে হারানো সন্তানের জীবনে এক অপূরণীয় বেদনা। এই শোক ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমরা মরহুমের মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই কঠিন শোক সহ্য করার শক্তি দিন।
মরহুম হাজী মো. হানিফ মিয়ার বড় ছেলে মো. মহিউদ্দিন ভোলার নাজিউর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত। তাঁর অন্য দুই ছেলে ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত এবং মেয়েরা গৃহিণী।
মহান আল্লাহ মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।
বরিশালটাইমসের মনপুরা প্রতিনিধি ও মনপুরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সীমান্ত হেলালের পিতা হাজী মো. হানিফ মিয়া (৯০) আর নেই। শনিবার (৩১ অক্টোবর) ভোর রাত ৪টার দিকে ভোলার মনপুরা উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চরজ্ঞান গ্রামের নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মরহুম হাজী মো. হানিফ মিয়া মৃত্যুকালে চার ছেলে, চার মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সাংবাদিক সীমান্ত হেলালের পিতার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বরিশালটাইমসের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শাকিব বিপ্লব এবং প্রকাশক হাসিবুল ইসলাম। একই সঙ্গে শোক জানিয়েছেন পত্রিকাটির তজুমদ্দিন প্রতিনিধি হেলাল উদ্দিন লিটন, লালমোহন প্রতিনিধি হাসান পিন্টুসহ বরিশাল টাইমস পরিবারের সর্বস্তরের সদস্যরা।
এক শোকবার্তায় তাঁরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত সাংবাদিক সীমান্ত হেলাল ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
শোকবার্তায় বরিশাল টাইমসের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক শাকিব বিপ্লব এবং প্রকাশক হাসিবুল ইসলাম বলেন, পিতাকে হারানো সন্তানের জীবনে এক অপূরণীয় বেদনা। এই শোক ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমরা মরহুমের মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই কঠিন শোক সহ্য করার শক্তি দিন।
মরহুম হাজী মো. হানিফ মিয়ার বড় ছেলে মো. মহিউদ্দিন ভোলার নাজিউর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত। তাঁর অন্য দুই ছেলে ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত এবং মেয়েরা গৃহিণী।
মহান আল্লাহ মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:০৮
ভোলার মনপুরায় উপজেলা পরিষদের সরকারি জমিতে নতুন বাজার নির্মাণের জন্য ভিটা বরাদ্দের উদ্যোগের প্রতিবাদে দোকানপাট বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন করেছেন হাজীর হাট বাজারের ব্যবসায়ীরা। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।
পরে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিল আহমেদ ও ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম আহমেদের মনপুরায় আগমন উপলক্ষে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেন ব্যবসায়ীরা। এ সময় তাঁরা বিভাগীয় কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি ও অভিযোগপত্র দিতে চাইলে তিনি তা গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মনপুরা উপজেলা সদরের সবচেয়ে বড় বাজার হাজীর হাটে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ ও অবকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যেও মন্দা চলছে। এর মধ্যে বাজার থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে উপজেলা পরিষদের সরকারি জমিতে নতুন বাজার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে বর্তমান বাজারের চার শতাধিক ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন।
ব্যবসায়ীরা দাবি করেন, মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে সরকারি জমি বরাদ্দ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁরা এ বরাদ্দ বন্ধের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খান সালমান হাবীবের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ ও তাঁকে বদলির দাবি জানান। দাবি মানা না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন তাঁরা।
ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রায় এক একর জমি দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে কেওড়া বাগান হিসেবে পরিত্যক্ত ছিল। প্রায় ২০ দিন আগে ওই জমিতে নতুন বাজার নির্মাণের জন্য ভিটা বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে উপজেলা প্রশাসন। বিজ্ঞপ্তিতে কিছু ভিটার জন্য এক লাখ টাকা এবং কিছু ভিটার জন্য ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করে পে-অর্ডার আহ্বান করা হয়।
বরাদ্দের এ উদ্যোগের খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবাদে সরব হন হাজীর হাট বাজারের ব্যবসায়ীরা। তাঁরা এর আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপিও দেন।
পরবর্তী সময়ে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য ওই জমির বরাদ্দ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন। এরপরও সরকারি জমিতে ভিটা বরাদ্দ বন্ধের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন ব্যবসায়ীরা।
বৃহস্পতিবারের ধর্মঘট ও বিক্ষোভের বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
ভোলার মনপুরায় উপজেলা পরিষদের সরকারি জমিতে নতুন বাজার নির্মাণের জন্য ভিটা বরাদ্দের উদ্যোগের প্রতিবাদে দোকানপাট বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন করেছেন হাজীর হাট বাজারের ব্যবসায়ীরা। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।
পরে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিল আহমেদ ও ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম আহমেদের মনপুরায় আগমন উপলক্ষে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেন ব্যবসায়ীরা। এ সময় তাঁরা বিভাগীয় কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি ও অভিযোগপত্র দিতে চাইলে তিনি তা গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মনপুরা উপজেলা সদরের সবচেয়ে বড় বাজার হাজীর হাটে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ ও অবকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যেও মন্দা চলছে। এর মধ্যে বাজার থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে উপজেলা পরিষদের সরকারি জমিতে নতুন বাজার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে বর্তমান বাজারের চার শতাধিক ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন।
ব্যবসায়ীরা দাবি করেন, মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে সরকারি জমি বরাদ্দ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁরা এ বরাদ্দ বন্ধের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খান সালমান হাবীবের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ ও তাঁকে বদলির দাবি জানান। দাবি মানা না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন তাঁরা।
ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রায় এক একর জমি দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে কেওড়া বাগান হিসেবে পরিত্যক্ত ছিল। প্রায় ২০ দিন আগে ওই জমিতে নতুন বাজার নির্মাণের জন্য ভিটা বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে উপজেলা প্রশাসন। বিজ্ঞপ্তিতে কিছু ভিটার জন্য এক লাখ টাকা এবং কিছু ভিটার জন্য ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করে পে-অর্ডার আহ্বান করা হয়।
বরাদ্দের এ উদ্যোগের খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবাদে সরব হন হাজীর হাট বাজারের ব্যবসায়ীরা। তাঁরা এর আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপিও দেন।
পরবর্তী সময়ে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য ওই জমির বরাদ্দ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন। এরপরও সরকারি জমিতে ভিটা বরাদ্দ বন্ধের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন ব্যবসায়ীরা।
বৃহস্পতিবারের ধর্মঘট ও বিক্ষোভের বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৪০
ভোলার গ্যাস ভোলার উন্নয়নে ব্যবহারের দাবি হাফিজ উদ্দিন আহমেদের
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার দেশে ফেরার কোনো সম্ভাবনা নেই। বৃহস্পতিবার ভোলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে এমন একটি রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করেছিল, যেখানে যোগ্যতা ও দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও অনেক মানুষ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সাহস পেতেন না। অর্থ-সম্পদ, জনপ্রিয়তা ও যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অযোগ্য ও অসৎ ব্যক্তিদের দাপটে সৎ ও যোগ্য মানুষেরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারতেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে স্পিকার বলেন, বিগত ১৭ বছরে মানুষ সুষ্ঠু নির্বাচন দেখেনি। তাই নির্বাচন কমিশনকে এমন পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে, যাতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত হয় এবং নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়মের সুযোগ না থাকে।
ভোলার প্রাকৃতিক গ্যাস প্রসঙ্গে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, জেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত রয়েছে। বর্তমানে দেশজুড়ে জ্বালানি সংকটের কারণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে ভোলার গ্যাস ভোলার মানুষের কাজে লাগানো তাদের ন্যায্য অধিকার।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে ভোলার গ্যাস স্থানীয় উন্নয়নে ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি করা উচিত।
এ সময় ভোলার জেলা প্রশাসক ড. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার শহীদুল্লাহ কাওসারসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ভোলার গ্যাস ভোলার উন্নয়নে ব্যবহারের দাবি হাফিজ উদ্দিন আহমেদের
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার দেশে ফেরার কোনো সম্ভাবনা নেই। বৃহস্পতিবার ভোলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে এমন একটি রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করেছিল, যেখানে যোগ্যতা ও দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও অনেক মানুষ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সাহস পেতেন না। অর্থ-সম্পদ, জনপ্রিয়তা ও যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অযোগ্য ও অসৎ ব্যক্তিদের দাপটে সৎ ও যোগ্য মানুষেরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারতেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে স্পিকার বলেন, বিগত ১৭ বছরে মানুষ সুষ্ঠু নির্বাচন দেখেনি। তাই নির্বাচন কমিশনকে এমন পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে, যাতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত হয় এবং নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়মের সুযোগ না থাকে।
ভোলার প্রাকৃতিক গ্যাস প্রসঙ্গে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, জেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত রয়েছে। বর্তমানে দেশজুড়ে জ্বালানি সংকটের কারণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে ভোলার গ্যাস ভোলার মানুষের কাজে লাগানো তাদের ন্যায্য অধিকার।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে ভোলার গ্যাস স্থানীয় উন্নয়নে ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি করা উচিত।
এ সময় ভোলার জেলা প্রশাসক ড. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার শহীদুল্লাহ কাওসারসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

০১ নভেম্বর, ২০২৬ ২০:২৯
সড়ক প্রশস্তকরণের জন্য গাছ কাটার অনুমোদন ছিল মাত্র ২৪টির। কিন্তু সেই অনুমোদনের তোয়াক্কা না করে কেটে ফেলা হয়েছে চার শতাধিক সরকারি গাছ। যার বাজারমূল্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। সরকারি সম্পদ ধ্বংসের এমন অভিযোগে দলীয় পদ হারিয়েছেন ভোলার লালমোহন উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। তিনি স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকও।
শনিবার রাতে ভোলা জেলা যুবদলের সভাপতি মো. জামাল উদ্দিন লিটন ও সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুল কাদের সেলিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাঁর বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্ট, দলের নীতি-আদর্শ ও সাংগঠনিক সংহতিবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে জসিম উদ্দিনকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর কোনো অপকর্মের দায় দল নেবে না বলে উল্লেখ করা হয়। দলের নেতাকর্মীদের তাঁর সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উদ্যোগে উপজেলার কর্তারহাট থেকে রমাগঞ্জ ইউনিয়নের রায়চাঁদ বাজার পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণের কাজ চলছে। এ কাজে সড়কের পাশের কিছু গাছ অপসারণের প্রয়োজন দেখা দিলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে রেঞ্জ কর্মকর্তাকে গাছের সংখ্যা ও সম্ভাব্য মূল্য নির্ধারণের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
পরে সরেজমিন পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সড়ক প্রশস্তকরণের জন্য ২৪টি গাছ কাটার প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করে। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, কোনো ধরনের দরপত্র বা নিলাম প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগেই রেইনট্রি, মেহগনি ও চাম্বলসহ বিভিন্ন প্রজাতির চার শতাধিক গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে। এসব গাছের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা।
তবে গাছ কাটার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জসিম উদ্দিন। তাঁর দাবি, তিনি এসব গাছ কাটার সঙ্গে জড়িত নন। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা তাঁর সুনাম ক্ষুণ্ন করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, সড়কের পাশের গাছ কাটার জন্য কোনো দরপত্র দেওয়া হয়নি। এরপরও একটি চক্র গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন। তদন্তে যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে, তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকারি সড়কের উন্নয়নকাজকে ঘিরে বিপুলসংখ্যক গাছ কেটে নেওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। মাত্র ২৪টি গাছ অপসারণের প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণের পর কীভাবে চার শতাধিক গাছ কাটা হলো, কারা এর সঙ্গে জড়িত এবং সরকারি সম্পদের ক্ষতির দায় কে নেবে—এখন এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন সংশ্লিষ্টরা।
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ২০:২৯
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১৯:৫৯
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১৯:৫৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬ ১৯:১৬