Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৩
চায়ের রাজ্যখ্যাত মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল লেবু ও আনারসের জন্যও দেশব্যাপী পরিচিত। তবে সেই ‘লেবুর রাজ্য’ শ্রীমঙ্গলে হঠাৎ করেই লেবুর দাম আকাশচুম্বি হয়ে উঠেছে। বড় সাইজের লেবু খুচরা বাজারে প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা পর্যন্ত। এতে রমজানকে সামনে রেখে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) শ্রীমঙ্গল বাজার ও বিভিন্ন আড়ত ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে লেবুর সরবরাহ তুলনামূলক কম। এক মাস আগেও যেখানে প্রতি হালি লেবু ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হতো, সেখানে বর্তমানে সাইজভেদে দাম দাঁড়িয়েছে ৮০ থেকে ২০০ টাকা। বড় সাইজের লেবু ২০০ টাকা, মাঝারি ১৫০-১৭৫ টাকা এবং ছোট সাইজ ৮০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
খুচরা বিক্রেতারা জানান, পাইকারি আড়তে লেবুর সংকট রয়েছে। প্রতি পিস লেবু কিনতে হচ্ছে ১৮ থেকে ৪৫ টাকা দরে। পরিবহন, শ্রমিক ও বাজার খরচ যোগ করে খুচরা পর্যায়ে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। সরবরাহ বাড়লে দাম কমবে বলে তারা আশা করছেন।
শ্রীমঙ্গল বাজারের খুচরা বিক্রেতা রহিম মিয়া বলেন, ‘চাহিদার তুলনায় সরবরাহ এক-চতুর্থাংশ। আড়তে লেবু পাওয়া যায় না। বেশি দামে কিনে এনে অল্প লাভে বিক্রি করছি।’
আরেক বিক্রেতা ছালেক মিয়া জানান, আগে যেখানে প্রতিদিন ৫০০-৬০০ পিস লেবু বিক্রি হতো, এখন তা নেমে এসেছে ১০০-১৫০ পিসে। ক্রেতারা জানান, রমজানে ইফতারে লেবুর সরবতের চাহিদা বেশি থাকে। দাম বেশি হওয়ায় অনেকেই লেবু কিনতে পারছেন না।
ক্রেতা মোস্তাক আহমদ বলেন, ‘লেবুর রাজ্যে থেকেও চাহিদামতো লেবু কিনতে পারছি না। এক হালি কিনতে গিয়ে ১৫০-২০০ টাকা চাওয়া হচ্ছে।’ আরেক ক্রেতা মুসলিম মিয়া বলেন, “দাম এত বেশি যে এবার হয়তো বিকল্প পানীয়েই ইফতার করতে হবে।’
স্থানীয় বাগান মালিকরা জানান, এ বছর বৃষ্টিপাত না হওয়ায় লেবুর ফলন কম হয়েছে। হোসনেবাদ এলাকার বাগান মালিক জুয়েল আহমদ চৌধুরী বলেন, ‘পানির অভাবে ফুল ঝরে গেছে। স্বাভাবিক ফলনের চার ভাগের এক ভাগও হয়নি।’
ব্যবসায়ী মালেক মিয়া বলেন, ‘ভরা মৌসুমে প্রতিটি গাছে ২৫০-৩০০টি লেবু হয়, কিন্তু এখন অনেক গাছে ১০-১৫টির বেশি নেই।’ শ্রীমঙ্গল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আলাউদ্দিন জানান, উপজেলায় ১ হাজার ২৩৫ হেক্টর জমিতে লেবু চাষ হয়। বৃষ্টিপাতের অভাবে ফলন কমেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসলাম উদ্দিন বলেন, ‘প্রশাসনের উদ্যোগে বাজার মনিটরিং করা হয়েছে। কিছু দোকানে মূল্যতালিকা না থাকায় জরিমানা করা হয়েছে।’ কৃত্রিম সংকট বা অতিরিক্ত মূল্য আদায় রোধে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে বলে তিনি জানান।
চায়ের রাজ্যখ্যাত মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল লেবু ও আনারসের জন্যও দেশব্যাপী পরিচিত। তবে সেই ‘লেবুর রাজ্য’ শ্রীমঙ্গলে হঠাৎ করেই লেবুর দাম আকাশচুম্বি হয়ে উঠেছে। বড় সাইজের লেবু খুচরা বাজারে প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা পর্যন্ত। এতে রমজানকে সামনে রেখে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) শ্রীমঙ্গল বাজার ও বিভিন্ন আড়ত ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে লেবুর সরবরাহ তুলনামূলক কম। এক মাস আগেও যেখানে প্রতি হালি লেবু ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হতো, সেখানে বর্তমানে সাইজভেদে দাম দাঁড়িয়েছে ৮০ থেকে ২০০ টাকা। বড় সাইজের লেবু ২০০ টাকা, মাঝারি ১৫০-১৭৫ টাকা এবং ছোট সাইজ ৮০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
খুচরা বিক্রেতারা জানান, পাইকারি আড়তে লেবুর সংকট রয়েছে। প্রতি পিস লেবু কিনতে হচ্ছে ১৮ থেকে ৪৫ টাকা দরে। পরিবহন, শ্রমিক ও বাজার খরচ যোগ করে খুচরা পর্যায়ে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। সরবরাহ বাড়লে দাম কমবে বলে তারা আশা করছেন।
শ্রীমঙ্গল বাজারের খুচরা বিক্রেতা রহিম মিয়া বলেন, ‘চাহিদার তুলনায় সরবরাহ এক-চতুর্থাংশ। আড়তে লেবু পাওয়া যায় না। বেশি দামে কিনে এনে অল্প লাভে বিক্রি করছি।’
আরেক বিক্রেতা ছালেক মিয়া জানান, আগে যেখানে প্রতিদিন ৫০০-৬০০ পিস লেবু বিক্রি হতো, এখন তা নেমে এসেছে ১০০-১৫০ পিসে। ক্রেতারা জানান, রমজানে ইফতারে লেবুর সরবতের চাহিদা বেশি থাকে। দাম বেশি হওয়ায় অনেকেই লেবু কিনতে পারছেন না।
ক্রেতা মোস্তাক আহমদ বলেন, ‘লেবুর রাজ্যে থেকেও চাহিদামতো লেবু কিনতে পারছি না। এক হালি কিনতে গিয়ে ১৫০-২০০ টাকা চাওয়া হচ্ছে।’ আরেক ক্রেতা মুসলিম মিয়া বলেন, “দাম এত বেশি যে এবার হয়তো বিকল্প পানীয়েই ইফতার করতে হবে।’
স্থানীয় বাগান মালিকরা জানান, এ বছর বৃষ্টিপাত না হওয়ায় লেবুর ফলন কম হয়েছে। হোসনেবাদ এলাকার বাগান মালিক জুয়েল আহমদ চৌধুরী বলেন, ‘পানির অভাবে ফুল ঝরে গেছে। স্বাভাবিক ফলনের চার ভাগের এক ভাগও হয়নি।’
ব্যবসায়ী মালেক মিয়া বলেন, ‘ভরা মৌসুমে প্রতিটি গাছে ২৫০-৩০০টি লেবু হয়, কিন্তু এখন অনেক গাছে ১০-১৫টির বেশি নেই।’ শ্রীমঙ্গল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আলাউদ্দিন জানান, উপজেলায় ১ হাজার ২৩৫ হেক্টর জমিতে লেবু চাষ হয়। বৃষ্টিপাতের অভাবে ফলন কমেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসলাম উদ্দিন বলেন, ‘প্রশাসনের উদ্যোগে বাজার মনিটরিং করা হয়েছে। কিছু দোকানে মূল্যতালিকা না থাকায় জরিমানা করা হয়েছে।’ কৃত্রিম সংকট বা অতিরিক্ত মূল্য আদায় রোধে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে বলে তিনি জানান।

২৬ মে, ২০২৬ ১৬:২৩
সাভারে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে বিরুলিয়া ইউনিয়নের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম ইজারা ছাড়াই গরুর হাট বসিয়েছেন।
এতে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ক্রেতাদের কাছ থেকে হাসিলের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র। তবে, ইজারা ছাড়া হাট বসানোর দুইদিন পার হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।
সরেজমিনে দেখা যায়, সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নে সাদুল্ল্যাপুর বাজারে বাসানো হয়েছে ওই অবৈধ পশুর হাটটি। সাভার থেকে গরু কিনতে এসেছেন হামিদুল ইসলাম। তিনি জানান, সাভারের বিরুলিয়ার সাদুল্ল্যাপুর বাজারের হাটে অনেক গরু ও ছাগল ওঠেছে। সেখানে তুলনামূলক দাম ঠিক আছে।
এ সময় ক্রেতাদের থেকে হাসিল কত করে নেওয়া হচ্ছে এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, হাটের সামনেই হাসিল ঘর বসিয়েছে। সেখানে শতকরা ৪ শতাংশ করে হাসিল নিচ্ছে হাট কর্তৃপক্ষ।
অপরদিকে শরীফ নামে আরও এক ক্রেতা জানান, এ বছর এই হাটের কোনো ইজারা হয়নি। স্থানীয় বিএনপি নেতা খোরশেদ আলম ও তার ছেলে জাহাঙ্গীর আলমসহ কয়েকজন মিলে হাট বসিয়েছে।
পশু কিনে বের হওয়ার সময় হাটের সামনেই গেটে হাসিল ঘরে বসিয়ে জাহাঙ্গীর হাসিলের টাকা নিচ্ছেন। এসময় তিনি আরও বলেন, তারা প্রভাবশালী তাই ক্রেতা ও বিক্রেতারা কেউ হাটে কিছু বলতে পারে না বলে জানান তিনি।
হাটের বিষয়ে বিরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সহ-সভাপতি খোরশেদ আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই হাটের কোনো ইজারা আমরা নেইনি। তবে, আমরা র্দীঘ ১৭ বছর পালিয়ে ছিলাম।
অনেক মামলার শিকার হয়েছি। এখন আমাদের দল ক্ষমতায়। তারপরেও যদি আমরা হাট না করতে পারি, তাহলে আর কি হল। উপজেলায় পরে আমরা হাটের বিষয়টি জানিয়ে দিব বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি আমরা অবহিত হয়েছি। ওইখানে কোনো হাটের ইজারা দেওয়া হয়নি। তবে, ওই হাট থেকে খাস কালেকশন করা হবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

২৬ মে, ২০২৬ ১৩:৩১
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূতি হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ মে) বেলা ১১টা ৪১ মিনিটের দিকে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়।
ইউরোপিয়ান মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমসিএস) এরই মধ্যে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৩ দশমিক ৬।
ইএমসিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থেকে ২৯ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। আর ময়মনসিংহ থেকে উৎপত্তিস্থল ৪৭ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং সখিপুর থেকে ২২ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। এর ভৌগোলিক অবস্থান ছিল ২৪ দশমিক ৩৩ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০ দশমিক ৩৯ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।
ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে এই কম্পনের সৃষ্টি হয় বলেও জানায় সংস্থাটি। বাংলাদেশ ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পেশাগত সহকারী নিজাম উদ্দীন আহমেদ জানান, ময়মনসিংহের ভালুকার আমতলীতে একটি মৃদু কম্পন হয়েছে। ঢাকা থেকে স্থানটি ৬১ কিমি উত্তরে অবস্থিত।

২৫ মে, ২০২৬ ১৪:০৬
পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে সৌদি আরবে। আজ সোমবার, ৮ জিলহজ থেকে হজের মূল কার্যক্রম শুরু হওয়ায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা হজযাত্রীরা মক্কা থেকে মিনার দিকে যাত্রা শুরু করেছেন। খবর সৌদি গেজেটের।
গতকাল রোববার রাত থেকেই হজযাত্রীরা আল্লাহর মেহমান হিসেবে তালবিয়া পাঠ করতে করতে মিনার দিকে রওনা হন। মিনাকে তাঁবুর নগরী বলা হয়, যেখানে হজের প্রাথমিক পর্যায়ের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ১৫ লাখের বেশি হজযাত্রী ইতোমধ্যে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। তাদের সঙ্গে সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ হজযাত্রীরাও যুক্ত হয়েছেন।
মন্ত্রণালয় জানায়, হজযাত্রীদের মিনায় স্থানান্তর, থাকা-খাওয়া এবং পরিবহন ব্যবস্থা আগে থেকেই সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা হয়েছে। তাঁবুতে প্রবেশ, নির্দেশনা প্রদান এবং সেবা ব্যবস্থাপনার জন্য বিশেষ সমন্বিত ব্যবস্থা চালু রয়েছে।
এছাড়া মাঠপর্যায়ে নিয়মিত পরিদর্শন ও নজরদারি চালানো হচ্ছে, যাতে হজযাত্রীদের কোনো ধরনের সমস্যা না হয় এবং সব সেবা নির্বিঘ্নে নিশ্চিত করা যায়।
ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী, ‘ইয়াওমুত তারবিয়া’ দিন থেকে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়, যা পরবর্তী কয়েক দিনে হজের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় কার্যক্রমের দিকে এগিয়ে যাবে।
সাভারে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে বিরুলিয়া ইউনিয়নের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম ইজারা ছাড়াই গরুর হাট বসিয়েছেন।
এতে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ক্রেতাদের কাছ থেকে হাসিলের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র। তবে, ইজারা ছাড়া হাট বসানোর দুইদিন পার হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।
সরেজমিনে দেখা যায়, সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নে সাদুল্ল্যাপুর বাজারে বাসানো হয়েছে ওই অবৈধ পশুর হাটটি। সাভার থেকে গরু কিনতে এসেছেন হামিদুল ইসলাম। তিনি জানান, সাভারের বিরুলিয়ার সাদুল্ল্যাপুর বাজারের হাটে অনেক গরু ও ছাগল ওঠেছে। সেখানে তুলনামূলক দাম ঠিক আছে।
এ সময় ক্রেতাদের থেকে হাসিল কত করে নেওয়া হচ্ছে এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, হাটের সামনেই হাসিল ঘর বসিয়েছে। সেখানে শতকরা ৪ শতাংশ করে হাসিল নিচ্ছে হাট কর্তৃপক্ষ।
অপরদিকে শরীফ নামে আরও এক ক্রেতা জানান, এ বছর এই হাটের কোনো ইজারা হয়নি। স্থানীয় বিএনপি নেতা খোরশেদ আলম ও তার ছেলে জাহাঙ্গীর আলমসহ কয়েকজন মিলে হাট বসিয়েছে।
পশু কিনে বের হওয়ার সময় হাটের সামনেই গেটে হাসিল ঘরে বসিয়ে জাহাঙ্গীর হাসিলের টাকা নিচ্ছেন। এসময় তিনি আরও বলেন, তারা প্রভাবশালী তাই ক্রেতা ও বিক্রেতারা কেউ হাটে কিছু বলতে পারে না বলে জানান তিনি।
হাটের বিষয়ে বিরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সহ-সভাপতি খোরশেদ আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই হাটের কোনো ইজারা আমরা নেইনি। তবে, আমরা র্দীঘ ১৭ বছর পালিয়ে ছিলাম।
অনেক মামলার শিকার হয়েছি। এখন আমাদের দল ক্ষমতায়। তারপরেও যদি আমরা হাট না করতে পারি, তাহলে আর কি হল। উপজেলায় পরে আমরা হাটের বিষয়টি জানিয়ে দিব বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি আমরা অবহিত হয়েছি। ওইখানে কোনো হাটের ইজারা দেওয়া হয়নি। তবে, ওই হাট থেকে খাস কালেকশন করা হবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূতি হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ মে) বেলা ১১টা ৪১ মিনিটের দিকে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়।
ইউরোপিয়ান মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমসিএস) এরই মধ্যে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৩ দশমিক ৬।
ইএমসিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থেকে ২৯ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। আর ময়মনসিংহ থেকে উৎপত্তিস্থল ৪৭ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং সখিপুর থেকে ২২ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। এর ভৌগোলিক অবস্থান ছিল ২৪ দশমিক ৩৩ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০ দশমিক ৩৯ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।
ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে এই কম্পনের সৃষ্টি হয় বলেও জানায় সংস্থাটি। বাংলাদেশ ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পেশাগত সহকারী নিজাম উদ্দীন আহমেদ জানান, ময়মনসিংহের ভালুকার আমতলীতে একটি মৃদু কম্পন হয়েছে। ঢাকা থেকে স্থানটি ৬১ কিমি উত্তরে অবস্থিত।
পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে সৌদি আরবে। আজ সোমবার, ৮ জিলহজ থেকে হজের মূল কার্যক্রম শুরু হওয়ায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা হজযাত্রীরা মক্কা থেকে মিনার দিকে যাত্রা শুরু করেছেন। খবর সৌদি গেজেটের।
গতকাল রোববার রাত থেকেই হজযাত্রীরা আল্লাহর মেহমান হিসেবে তালবিয়া পাঠ করতে করতে মিনার দিকে রওনা হন। মিনাকে তাঁবুর নগরী বলা হয়, যেখানে হজের প্রাথমিক পর্যায়ের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ১৫ লাখের বেশি হজযাত্রী ইতোমধ্যে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। তাদের সঙ্গে সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ হজযাত্রীরাও যুক্ত হয়েছেন।
মন্ত্রণালয় জানায়, হজযাত্রীদের মিনায় স্থানান্তর, থাকা-খাওয়া এবং পরিবহন ব্যবস্থা আগে থেকেই সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা হয়েছে। তাঁবুতে প্রবেশ, নির্দেশনা প্রদান এবং সেবা ব্যবস্থাপনার জন্য বিশেষ সমন্বিত ব্যবস্থা চালু রয়েছে।
এছাড়া মাঠপর্যায়ে নিয়মিত পরিদর্শন ও নজরদারি চালানো হচ্ছে, যাতে হজযাত্রীদের কোনো ধরনের সমস্যা না হয় এবং সব সেবা নির্বিঘ্নে নিশ্চিত করা যায়।
ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী, ‘ইয়াওমুত তারবিয়া’ দিন থেকে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়, যা পরবর্তী কয়েক দিনে হজের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় কার্যক্রমের দিকে এগিয়ে যাবে।