ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। দলটি এককভাবে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। আগামী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। একই দিনে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হতে পারে বলে জানা গেছে।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন এবং তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন, এটা প্রায় নিশ্চিত। বিএনপি নেতারা বলছেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন ভোরের অপেক্ষায় বাংলাদেশ। ১৭ বছরের নির্বাসন কাটিয়ে দেশে ফেরা তারেক রহমান এবার একটি ‘স্মার্ট ও জবাবদিহিমূলক’ সরকার গঠন করতে চান। তার মন্ত্রিসভায় নতুন মুখের পাশাপাশি পুরোনো মুখও স্থান পাবে, যা হবে ইনক্লুসিভ এবং ইউনিক।
বিশ্লেষকদের মতে, চব্বিশোত্তর নতুন বাংলাদেশে তরুণ প্রজন্মের চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে দেশ পরিচালনা করতে হবে। সে জায়গা থেকে তারেক রহমান এবারের মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞ প্রবীণ নেতাদের পাশাপাশি রাজপথের ত্যাগী এবং দক্ষ তরুণদের সংমিশ্রণ দেখা যেতে পারে। আর এটি হলে তারেক রহমানের জন্য সরকার ও দেশ পরিচালনা অত্যন্ত সহজ হবে। বর্তমানে সরকারের মন্ত্রণালয়-বিভাগ রয়েছে ৫৮টি।
তবে মন্ত্রীসভার আকার ছোট হবে। সদস্য সংখ্যা ৩০ জনের বেশি হবে না। এদিকে নতুন সরকারে কারা মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী হচ্ছেন—তা নিয়ে জনমনে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে।
বিএনপির হাইকমান্ড চায় নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করতে। পাশাপাশি সংসদ সদস্য নন, কিন্তু মেধাবী, অভিজ্ঞ এবং দেশ-বিদেশে নিজ নিজ পেশায় প্রতিষ্ঠিত—এমন বেশ কিছু নেতাকে টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী করা হতে পারে। তবে মন্ত্রিসভার আকার কেমন হবে, তা এখনই নির্দিষ্টভাবে কেউ বলতে পারছেন না। এ নিয়ে এরই মধ্যে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা শুরু করেছেন। তবে কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন, জানা যাবে তা শপথের পর।
বিএনপির বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পরদিন শুক্রবার সন্ধ্যার পর সিনিয়র নেতারা দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে তার গুলশান কার্যালয়ে দেখা করেন এবং ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন দলের চেয়ারম্যান। বৈঠকে তারেক রহমান সিনিয়র নেতাদের পরামর্শ নেন। বিশেষ করে মন্ত্রিসভায় কারা থাকতে পারেন, তা নিয়ে পরামর্শ করেন তিনি। এ ছাড়া সংসদ সদস্যদের শপথ, মন্ত্রিসভা গঠনসহ নির্বাচনের সার্বিক বিষয় নিয়ে ওই বৈঠকে আলোচনা হয়।
এ বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল বলেন, ‘নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে আমরা আলোচনা করছি। এবারের মন্ত্রিসভা কেমন হবে, তা এখনই নির্দিষ্টভাবে বলা কঠিন। তবে ভালো কিছু হবে, ইনশাআল্লাহ। এজন্য অপেক্ষা করতে হবে।’
মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য মুখ যারা: নতুন মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের জন্য আলোচনায় আছেন ঠাকুরগাঁও-১ আসনে নির্বাচিত বিএনপি মহাসচিব ও সাবেক মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তবে তাকে রাষ্ট্রপতি করার বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে। এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় পেতে পারেন কুমিল্লা-১ আসনে নির্বাচিত স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ঢাকা-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সিরাজগঞ্জ-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, নরসিংদী-২ আসনে নির্বাচিত স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, চট্টগ্রাম-১১ আসনে নির্বাচিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, কক্সবাজার-১ আসনে নির্বাচিত স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, দিনাজপুর-৬ আসনে নির্বাচিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, কুমিল্লা-৩ আসন থেকে নির্বাচিত দলের ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।
সম্ভাব্য মন্ত্রিসভার তালিকায় আরও আছেন কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী ড. ওসমান ফারুক, লালমনিরহাট-৩ আসনে নির্বাচিত রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু, নেত্রকোনা-৪ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, নেত্রকোনা-১ আসনে নির্বাচিত বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, জামালপুর-১ আসনে নির্বাচিত বিএনপির কোষাধ্যক্ষ রশিদ্দুজ্জামান মিল্লাত, শরীয়তপুর-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাবেক এপিএস মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, খুলনা-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা-৫ আসনে নির্বাচিত বিএনপি নেতা ও ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক সভাপতি আলী আজগর লবি, যশোর-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির খুলনা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ঝিনাইদহ-১ আসনে নির্বাচিত বিএনপির কেন্দ্রীয় মানবাধিকার সম্পাদক ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান।
ফেনী-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল আউয়াল মিন্টু, নোয়াখালী-৪ আসনে নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান, নোয়াখালী-৩ আসনে নির্বাচিত দলের ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী বরকত উল্লাহ বুলু, নোয়াখালী-১ আসনে নির্বাচিত বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, নরসিংদী-১ আসনে নির্বাচিত বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবীর খোকন, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ, ঢাকা-১ আসনে নির্বাচিত ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক, মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ।
মানিকগঞ্জ-৩ আসনে নির্বাচিত দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আফরোজা খানম রিতা, পাবনা-৫ আসনে বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, টাঙ্গাইল-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টু ও টাঙ্গাইল-৫ আসনে নির্বাচিত বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, মাগুরা-১ আসনে নির্বাচিত জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মনোয়ার হোসেন, ফরিদপুর-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ফরিদপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, গাজীপুর-২ আসন থেকে নির্বাচিত সাবেক মেয়র আব্দুল মান্নানের ছেলে মঞ্জুরুল করিম রনি, পঞ্চগড়-১ আসনে নির্বাচিত ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে নির্বাচিত ড্যাবের সাবেক মহাসচিব ডা. মো. আব্দুস সালাম, নাটোর-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপি নেতা ও সাবেক উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, রাজশাহী-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, বগুড়া-৫ আসনে নির্বাচিত বিএনপি নেতা জি এম সিরাজ, হবিগঞ্জ-১ আসনে নির্বাচিত ড. রেজা কিবরিয়া, সিলেট-৪ আসনে নির্বাচিত ও সিলেট সিটির সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, মৌলভীবাজার-৩ আসনে নির্বাচিত সাবেক অর্থমন্ত্রী মরহুম এম সাইফুর রহমানের ছেলে নাসের রহমান, সিলেট-৩ আসনে নির্বাচিত ও যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ মালেক।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে নির্বাচিত বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের শরিক ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকী, ভোলা-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ, বরগুনা-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম মনি, বরিশাল-১ আসনে বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন, ভোলা-১ আসনে বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের শরিক বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ এবং পটুয়াখালী-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের শরিক গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর।
টেকনোক্র্যাট: বিএনপির মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট হিসেবে অন্তত ছয়জনের নাম জোরালোভাবে আলোচনায় রয়েছে। তারা হলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব (আন্তর্জাতিক) হুমায়ুন কবির, বিএনপি চেয়ারম্যানের অন্যতম উপদেষ্টা ও দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন, বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও আমেরিকা-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান গিয়াস আহমেদ এবং বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিজন কান্তি সরকার।
জাতীয় সংসদে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি বা সংসদ সদস্য না হয়ে যারা মন্ত্রিসভায় স্থান পান বা মন্ত্রী হন, তাদের বলা হয় টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী। এ বিষয়ে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৬-এর ২ ধারায় বলা রয়েছে, ‘প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করবেন। তবে শর্ত থাকে যে, তাহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ সদস্যদের মধ্য হতে নিযুক্ত হবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের মধ্য থেকে মনোনীত হতে পারবেন।’ মন্ত্রিসভা ৪০ জনের হলে সে হিসাবে টেকনোক্র্যাট কোটায় চারজনকে মন্ত্রী করা যাবে।
জানতে চাইলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. শামছুল আলম সেলিম বলেন, ‘দীর্ঘ আন্দোলনের পর একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে। এটি চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের ফসল, তাই বিএনপির মন্ত্রিসভায় চমক থাকাটা স্বাভাবিক। মন্ত্রিসভায় যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের রাখা না রাখার বিষয়টিও আলোচনা হচ্ছে। তবে নির্বাচনের প্রাথমিক ফল অনুযায়ী বিএনপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় নিজেদের দলের সংহতি বজায় রাখাই হবে তারেক রহমানের প্রথম চ্যালেঞ্জ। যারা শাসন নয়, মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করবেন—এমন কাউকে নিয়ে বিএনপিকে মন্ত্রিসভা গঠন করতে হবে।'

০১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩৪
সংসদের ছোটখাটো বিষয়কে রাজপথে আনাসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অস্থিরতা ও বিভ্রান্তি তৈরির অপচেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। শনিবার (০১ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজেএ) ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর যৌথ উদ্যোগে ‘ফ্যাসিবাদের ১৫ বছর ও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান’ শীর্ষক ফটো অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন এবং বিশেষ আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে আমরা যখন গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিচর্চা করতে চাই এবং জাতীয় সংসদকে একটি কার্যকর সংসদীয় সংস্কৃতির ধারায় এগিয়ে নিতে চাই, তখন দেখা যায় কেউ কেউ সংসদের চেয়ে রাজপথকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন।সরকার ষড়যন্ত্রের গভীরতা সম্পর্কে সচেতন। তবে দায়িত্বশীল সরকার হিসেবে তারা উত্তেজনা নয়, বরং গঠনমূলক সমাধানেই বিশ্বাসী।’
তিনি বলেন, ‘আমরা বুঝি বলেই দায়িত্বশীল আচরণ করি, অভিভাবকের ভাষায় কথা বলি। সংসদের ছোটখাটো বিষয়কে রাজপথে আনাসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অস্থিরতা ও বিভ্রান্তি তৈরির অপচেষ্টা চলছে। প্রতিক্রিয়াশীল ও উসকানিমূলক বক্তব্য কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দূষিত পরিবেশ সৃষ্টি করে রাষ্ট্র পরিচালনা করা যায় না।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল মানুষের ভোটাধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার এবং একটি স্বাধীন, স্বনির্ভর ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। সেই আন্দোলনের পর্ব শেষ হয়েছে। এখন দেশ গঠনের সময়।’
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘এখন আমাদের প্রধান দায়িত্ব দেশ গড়া। যারা সমস্যা তৈরি করবে, তাদের সঙ্গে প্রথমে গঠনমূলকভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। তবে রাষ্ট্র, দেশ ও জনগণের স্বার্থে প্রয়োজনে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতেও পিছপা হবে না।’
তিনি বলেন, দীর্ঘ গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে আলোকচিত্র গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে কাজ করবে। এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গণতন্ত্র ও আন্দোলনের ইতিহাস জানতে সহায়তা করবে।
অনুষ্ঠানে আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, গত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ছিল বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম। এই আন্দোলনের ত্যাগ, নির্যাতন ও আত্মদানের বাস্তব চিত্র তিন দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে ফুটে উঠেছে।
তিনি বলেন, এই প্রদর্শনী অতীতের নির্মমতা স্মরণ করিয়ে দেবে এবং ভবিষ্যতে যেন দেশে আর কোনো স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির ভিত্তিতে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল ১৬ বছরের আন্দোলন, শোষণ, নিপীড়ন ও ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ। তিনি শহিদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের পরিবারের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
বিপিজেএর সভাপতি এ কে এম মহসীন বলেন, ফটোসাংবাদিকরা ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে, এমনকি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বুলেটের সামনে দাঁড়িয়েও ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো ক্যামেরাবন্দি করেন। অথচ তাদের প্রাপ্য সম্মান ও মূল্যায়ন অনেক সময় করা হয় না, যা দুঃখজনক।
তিনি বলেন, ফটোসাংবাদিকদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া উচিত। তাদের মূল্যায়ন করা উচিত। এ সময় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিগত ১৭ বছরের আন্দোলনে আহত ফটোসাংবাদিকদের যথাযথ মূল্যায়ন করেছেন।
সভাপতির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন বলেন, জুলাই আন্দোলন কোনো ব্যক্তি বা একক গোষ্ঠীর অর্জন নয়; এটি ছিল সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত সংগ্রাম। তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমানে কেউ কেউ জুলাই আন্দোলনের কৃতিত্ব এককভাবে দাবি করে বিভাজন সৃষ্টি করছেন, যা আন্দোলনের চেতনার পরিপন্থি।
তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্যাতনের শিকার হলেও তা নিয়ে কখনো রাজনৈতিক প্রচারণা করেননি।’
সংসদের ছোটখাটো বিষয়কে রাজপথে আনাসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অস্থিরতা ও বিভ্রান্তি তৈরির অপচেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। শনিবার (০১ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজেএ) ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর যৌথ উদ্যোগে ‘ফ্যাসিবাদের ১৫ বছর ও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান’ শীর্ষক ফটো অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন এবং বিশেষ আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে আমরা যখন গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিচর্চা করতে চাই এবং জাতীয় সংসদকে একটি কার্যকর সংসদীয় সংস্কৃতির ধারায় এগিয়ে নিতে চাই, তখন দেখা যায় কেউ কেউ সংসদের চেয়ে রাজপথকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন।সরকার ষড়যন্ত্রের গভীরতা সম্পর্কে সচেতন। তবে দায়িত্বশীল সরকার হিসেবে তারা উত্তেজনা নয়, বরং গঠনমূলক সমাধানেই বিশ্বাসী।’
তিনি বলেন, ‘আমরা বুঝি বলেই দায়িত্বশীল আচরণ করি, অভিভাবকের ভাষায় কথা বলি। সংসদের ছোটখাটো বিষয়কে রাজপথে আনাসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অস্থিরতা ও বিভ্রান্তি তৈরির অপচেষ্টা চলছে। প্রতিক্রিয়াশীল ও উসকানিমূলক বক্তব্য কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দূষিত পরিবেশ সৃষ্টি করে রাষ্ট্র পরিচালনা করা যায় না।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল মানুষের ভোটাধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার এবং একটি স্বাধীন, স্বনির্ভর ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। সেই আন্দোলনের পর্ব শেষ হয়েছে। এখন দেশ গঠনের সময়।’
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘এখন আমাদের প্রধান দায়িত্ব দেশ গড়া। যারা সমস্যা তৈরি করবে, তাদের সঙ্গে প্রথমে গঠনমূলকভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। তবে রাষ্ট্র, দেশ ও জনগণের স্বার্থে প্রয়োজনে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতেও পিছপা হবে না।’
তিনি বলেন, দীর্ঘ গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে আলোকচিত্র গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে কাজ করবে। এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গণতন্ত্র ও আন্দোলনের ইতিহাস জানতে সহায়তা করবে।
অনুষ্ঠানে আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, গত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ছিল বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম। এই আন্দোলনের ত্যাগ, নির্যাতন ও আত্মদানের বাস্তব চিত্র তিন দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে ফুটে উঠেছে।
তিনি বলেন, এই প্রদর্শনী অতীতের নির্মমতা স্মরণ করিয়ে দেবে এবং ভবিষ্যতে যেন দেশে আর কোনো স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির ভিত্তিতে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল ১৬ বছরের আন্দোলন, শোষণ, নিপীড়ন ও ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ। তিনি শহিদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের পরিবারের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
বিপিজেএর সভাপতি এ কে এম মহসীন বলেন, ফটোসাংবাদিকরা ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে, এমনকি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বুলেটের সামনে দাঁড়িয়েও ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো ক্যামেরাবন্দি করেন। অথচ তাদের প্রাপ্য সম্মান ও মূল্যায়ন অনেক সময় করা হয় না, যা দুঃখজনক।
তিনি বলেন, ফটোসাংবাদিকদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া উচিত। তাদের মূল্যায়ন করা উচিত। এ সময় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিগত ১৭ বছরের আন্দোলনে আহত ফটোসাংবাদিকদের যথাযথ মূল্যায়ন করেছেন।
সভাপতির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন বলেন, জুলাই আন্দোলন কোনো ব্যক্তি বা একক গোষ্ঠীর অর্জন নয়; এটি ছিল সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত সংগ্রাম। তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমানে কেউ কেউ জুলাই আন্দোলনের কৃতিত্ব এককভাবে দাবি করে বিভাজন সৃষ্টি করছেন, যা আন্দোলনের চেতনার পরিপন্থি।
তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্যাতনের শিকার হলেও তা নিয়ে কখনো রাজনৈতিক প্রচারণা করেননি।’

২৯ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৫৮
সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসের একটি ফ্ল্যাট জব্দ ও সেখানে থাকা মালামালের তালিকা তৈরির কার্যক্রম চালাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (২৯ জুলাই) দুদকের উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল এ অভিযান শুরু করে। অভিযানে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন।দুদকের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্তিচিত করেন।
তিনি জানান, মিরপুর ডিওএইচএসের ৩১ নম্বর সড়কের ৫৪১ নম্বর প্লটের এল-৩ নম্বর ফ্ল্যাটে অভিযান চলছে। ফ্ল্যাটটি জব্দ করার পাশাপাশি সেখানে থাকা আসবাবপত্র, মূল্যবান সামগ্রী ও অন্যান্য মালামালের তালিকা তৈরি করছেন দুদকের কর্মকর্তারা।
তবে অভিযান চলমান থাকায় ফ্ল্যাটটিতে কী পরিমাণ সম্পদ বা কী ধরনের মালামাল পাওয়া গেছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।’
সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসের একটি ফ্ল্যাট জব্দ ও সেখানে থাকা মালামালের তালিকা তৈরির কার্যক্রম চালাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (২৯ জুলাই) দুদকের উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল এ অভিযান শুরু করে। অভিযানে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন।দুদকের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্তিচিত করেন।
তিনি জানান, মিরপুর ডিওএইচএসের ৩১ নম্বর সড়কের ৫৪১ নম্বর প্লটের এল-৩ নম্বর ফ্ল্যাটে অভিযান চলছে। ফ্ল্যাটটি জব্দ করার পাশাপাশি সেখানে থাকা আসবাবপত্র, মূল্যবান সামগ্রী ও অন্যান্য মালামালের তালিকা তৈরি করছেন দুদকের কর্মকর্তারা।
তবে অভিযান চলমান থাকায় ফ্ল্যাটটিতে কী পরিমাণ সম্পদ বা কী ধরনের মালামাল পাওয়া গেছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।’

২৫ জুলাই, ২০২৬ ০০:৫৭
রাজধানী ঢাকার মিরপুর ১৩ নম্বরে যুবদল নেতাসহ দুইজন গুলিবিদ্ধি হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে কাফরুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধরা হলেন, কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুর রহমান এবং বিএনপি কর্মী মো. ইউসুফ। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
গোলাগুলির ঘটনায় অস্ত্রধারী একজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
মিরপুর ১৩ নম্বরের বাসিন্দা ও বিএনপির কর্মী মো. সুজন সাংবাদিকদের জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে যুবদল নেতা হাফিজুরসহ ৭ থেকে ৮ জন ওই এলাকায় আড্ডা দিচ্ছিলেন। ওই সময় হঠাৎ ৩ জন অস্ত্রধারী ব্যক্তি তাদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুর রহমানের শরীরে ২টি গুলি লাগে।
কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গোলাগুলির ঘটনায় দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
রাজধানী ঢাকার মিরপুর ১৩ নম্বরে যুবদল নেতাসহ দুইজন গুলিবিদ্ধি হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে কাফরুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধরা হলেন, কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুর রহমান এবং বিএনপি কর্মী মো. ইউসুফ। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
গোলাগুলির ঘটনায় অস্ত্রধারী একজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
মিরপুর ১৩ নম্বরের বাসিন্দা ও বিএনপির কর্মী মো. সুজন সাংবাদিকদের জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে যুবদল নেতা হাফিজুরসহ ৭ থেকে ৮ জন ওই এলাকায় আড্ডা দিচ্ছিলেন। ওই সময় হঠাৎ ৩ জন অস্ত্রধারী ব্যক্তি তাদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুর রহমানের শরীরে ২টি গুলি লাগে।
কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গোলাগুলির ঘটনায় দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:৪০
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। দলটি এককভাবে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। আগামী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। একই দিনে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হতে পারে বলে জানা গেছে।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন এবং তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন, এটা প্রায় নিশ্চিত। বিএনপি নেতারা বলছেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন ভোরের অপেক্ষায় বাংলাদেশ। ১৭ বছরের নির্বাসন কাটিয়ে দেশে ফেরা তারেক রহমান এবার একটি ‘স্মার্ট ও জবাবদিহিমূলক’ সরকার গঠন করতে চান। তার মন্ত্রিসভায় নতুন মুখের পাশাপাশি পুরোনো মুখও স্থান পাবে, যা হবে ইনক্লুসিভ এবং ইউনিক।
বিশ্লেষকদের মতে, চব্বিশোত্তর নতুন বাংলাদেশে তরুণ প্রজন্মের চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে দেশ পরিচালনা করতে হবে। সে জায়গা থেকে তারেক রহমান এবারের মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞ প্রবীণ নেতাদের পাশাপাশি রাজপথের ত্যাগী এবং দক্ষ তরুণদের সংমিশ্রণ দেখা যেতে পারে। আর এটি হলে তারেক রহমানের জন্য সরকার ও দেশ পরিচালনা অত্যন্ত সহজ হবে। বর্তমানে সরকারের মন্ত্রণালয়-বিভাগ রয়েছে ৫৮টি।
তবে মন্ত্রীসভার আকার ছোট হবে। সদস্য সংখ্যা ৩০ জনের বেশি হবে না। এদিকে নতুন সরকারে কারা মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী হচ্ছেন—তা নিয়ে জনমনে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে।
বিএনপির হাইকমান্ড চায় নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করতে। পাশাপাশি সংসদ সদস্য নন, কিন্তু মেধাবী, অভিজ্ঞ এবং দেশ-বিদেশে নিজ নিজ পেশায় প্রতিষ্ঠিত—এমন বেশ কিছু নেতাকে টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী করা হতে পারে। তবে মন্ত্রিসভার আকার কেমন হবে, তা এখনই নির্দিষ্টভাবে কেউ বলতে পারছেন না। এ নিয়ে এরই মধ্যে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা শুরু করেছেন। তবে কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন, জানা যাবে তা শপথের পর।
বিএনপির বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পরদিন শুক্রবার সন্ধ্যার পর সিনিয়র নেতারা দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে তার গুলশান কার্যালয়ে দেখা করেন এবং ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন দলের চেয়ারম্যান। বৈঠকে তারেক রহমান সিনিয়র নেতাদের পরামর্শ নেন। বিশেষ করে মন্ত্রিসভায় কারা থাকতে পারেন, তা নিয়ে পরামর্শ করেন তিনি। এ ছাড়া সংসদ সদস্যদের শপথ, মন্ত্রিসভা গঠনসহ নির্বাচনের সার্বিক বিষয় নিয়ে ওই বৈঠকে আলোচনা হয়।
এ বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল বলেন, ‘নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে আমরা আলোচনা করছি। এবারের মন্ত্রিসভা কেমন হবে, তা এখনই নির্দিষ্টভাবে বলা কঠিন। তবে ভালো কিছু হবে, ইনশাআল্লাহ। এজন্য অপেক্ষা করতে হবে।’
মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য মুখ যারা: নতুন মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের জন্য আলোচনায় আছেন ঠাকুরগাঁও-১ আসনে নির্বাচিত বিএনপি মহাসচিব ও সাবেক মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তবে তাকে রাষ্ট্রপতি করার বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে। এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় পেতে পারেন কুমিল্লা-১ আসনে নির্বাচিত স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ঢাকা-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সিরাজগঞ্জ-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, নরসিংদী-২ আসনে নির্বাচিত স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, চট্টগ্রাম-১১ আসনে নির্বাচিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, কক্সবাজার-১ আসনে নির্বাচিত স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, দিনাজপুর-৬ আসনে নির্বাচিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, কুমিল্লা-৩ আসন থেকে নির্বাচিত দলের ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।
সম্ভাব্য মন্ত্রিসভার তালিকায় আরও আছেন কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী ড. ওসমান ফারুক, লালমনিরহাট-৩ আসনে নির্বাচিত রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু, নেত্রকোনা-৪ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, নেত্রকোনা-১ আসনে নির্বাচিত বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, জামালপুর-১ আসনে নির্বাচিত বিএনপির কোষাধ্যক্ষ রশিদ্দুজ্জামান মিল্লাত, শরীয়তপুর-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাবেক এপিএস মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, খুলনা-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা-৫ আসনে নির্বাচিত বিএনপি নেতা ও ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক সভাপতি আলী আজগর লবি, যশোর-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির খুলনা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ঝিনাইদহ-১ আসনে নির্বাচিত বিএনপির কেন্দ্রীয় মানবাধিকার সম্পাদক ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান।
ফেনী-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল আউয়াল মিন্টু, নোয়াখালী-৪ আসনে নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান, নোয়াখালী-৩ আসনে নির্বাচিত দলের ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী বরকত উল্লাহ বুলু, নোয়াখালী-১ আসনে নির্বাচিত বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, নরসিংদী-১ আসনে নির্বাচিত বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবীর খোকন, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ, ঢাকা-১ আসনে নির্বাচিত ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক, মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ।
মানিকগঞ্জ-৩ আসনে নির্বাচিত দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আফরোজা খানম রিতা, পাবনা-৫ আসনে বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, টাঙ্গাইল-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টু ও টাঙ্গাইল-৫ আসনে নির্বাচিত বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, মাগুরা-১ আসনে নির্বাচিত জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মনোয়ার হোসেন, ফরিদপুর-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ফরিদপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, গাজীপুর-২ আসন থেকে নির্বাচিত সাবেক মেয়র আব্দুল মান্নানের ছেলে মঞ্জুরুল করিম রনি, পঞ্চগড়-১ আসনে নির্বাচিত ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে নির্বাচিত ড্যাবের সাবেক মহাসচিব ডা. মো. আব্দুস সালাম, নাটোর-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপি নেতা ও সাবেক উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, রাজশাহী-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, বগুড়া-৫ আসনে নির্বাচিত বিএনপি নেতা জি এম সিরাজ, হবিগঞ্জ-১ আসনে নির্বাচিত ড. রেজা কিবরিয়া, সিলেট-৪ আসনে নির্বাচিত ও সিলেট সিটির সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, মৌলভীবাজার-৩ আসনে নির্বাচিত সাবেক অর্থমন্ত্রী মরহুম এম সাইফুর রহমানের ছেলে নাসের রহমান, সিলেট-৩ আসনে নির্বাচিত ও যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ মালেক।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে নির্বাচিত বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের শরিক ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকী, ভোলা-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ, বরগুনা-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম মনি, বরিশাল-১ আসনে বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন, ভোলা-১ আসনে বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের শরিক বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ এবং পটুয়াখালী-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের শরিক গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর।
টেকনোক্র্যাট: বিএনপির মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট হিসেবে অন্তত ছয়জনের নাম জোরালোভাবে আলোচনায় রয়েছে। তারা হলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব (আন্তর্জাতিক) হুমায়ুন কবির, বিএনপি চেয়ারম্যানের অন্যতম উপদেষ্টা ও দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন, বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও আমেরিকা-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান গিয়াস আহমেদ এবং বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিজন কান্তি সরকার।
জাতীয় সংসদে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি বা সংসদ সদস্য না হয়ে যারা মন্ত্রিসভায় স্থান পান বা মন্ত্রী হন, তাদের বলা হয় টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী। এ বিষয়ে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৬-এর ২ ধারায় বলা রয়েছে, ‘প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করবেন। তবে শর্ত থাকে যে, তাহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ সদস্যদের মধ্য হতে নিযুক্ত হবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের মধ্য থেকে মনোনীত হতে পারবেন।’ মন্ত্রিসভা ৪০ জনের হলে সে হিসাবে টেকনোক্র্যাট কোটায় চারজনকে মন্ত্রী করা যাবে।
জানতে চাইলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. শামছুল আলম সেলিম বলেন, ‘দীর্ঘ আন্দোলনের পর একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে। এটি চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের ফসল, তাই বিএনপির মন্ত্রিসভায় চমক থাকাটা স্বাভাবিক। মন্ত্রিসভায় যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের রাখা না রাখার বিষয়টিও আলোচনা হচ্ছে। তবে নির্বাচনের প্রাথমিক ফল অনুযায়ী বিএনপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় নিজেদের দলের সংহতি বজায় রাখাই হবে তারেক রহমানের প্রথম চ্যালেঞ্জ। যারা শাসন নয়, মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করবেন—এমন কাউকে নিয়ে বিএনপিকে মন্ত্রিসভা গঠন করতে হবে।'
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:৩৮
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:৫৬
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:০৪
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪৬