
১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:৪০
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। দলটি এককভাবে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। আগামী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। একই দিনে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হতে পারে বলে জানা গেছে।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন এবং তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন, এটা প্রায় নিশ্চিত। বিএনপি নেতারা বলছেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন ভোরের অপেক্ষায় বাংলাদেশ। ১৭ বছরের নির্বাসন কাটিয়ে দেশে ফেরা তারেক রহমান এবার একটি ‘স্মার্ট ও জবাবদিহিমূলক’ সরকার গঠন করতে চান। তার মন্ত্রিসভায় নতুন মুখের পাশাপাশি পুরোনো মুখও স্থান পাবে, যা হবে ইনক্লুসিভ এবং ইউনিক।
বিশ্লেষকদের মতে, চব্বিশোত্তর নতুন বাংলাদেশে তরুণ প্রজন্মের চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে দেশ পরিচালনা করতে হবে। সে জায়গা থেকে তারেক রহমান এবারের মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞ প্রবীণ নেতাদের পাশাপাশি রাজপথের ত্যাগী এবং দক্ষ তরুণদের সংমিশ্রণ দেখা যেতে পারে। আর এটি হলে তারেক রহমানের জন্য সরকার ও দেশ পরিচালনা অত্যন্ত সহজ হবে। বর্তমানে সরকারের মন্ত্রণালয়-বিভাগ রয়েছে ৫৮টি।
তবে মন্ত্রীসভার আকার ছোট হবে। সদস্য সংখ্যা ৩০ জনের বেশি হবে না। এদিকে নতুন সরকারে কারা মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী হচ্ছেন—তা নিয়ে জনমনে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে।
বিএনপির হাইকমান্ড চায় নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করতে। পাশাপাশি সংসদ সদস্য নন, কিন্তু মেধাবী, অভিজ্ঞ এবং দেশ-বিদেশে নিজ নিজ পেশায় প্রতিষ্ঠিত—এমন বেশ কিছু নেতাকে টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী করা হতে পারে। তবে মন্ত্রিসভার আকার কেমন হবে, তা এখনই নির্দিষ্টভাবে কেউ বলতে পারছেন না। এ নিয়ে এরই মধ্যে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা শুরু করেছেন। তবে কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন, জানা যাবে তা শপথের পর।
বিএনপির বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পরদিন শুক্রবার সন্ধ্যার পর সিনিয়র নেতারা দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে তার গুলশান কার্যালয়ে দেখা করেন এবং ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন দলের চেয়ারম্যান। বৈঠকে তারেক রহমান সিনিয়র নেতাদের পরামর্শ নেন। বিশেষ করে মন্ত্রিসভায় কারা থাকতে পারেন, তা নিয়ে পরামর্শ করেন তিনি। এ ছাড়া সংসদ সদস্যদের শপথ, মন্ত্রিসভা গঠনসহ নির্বাচনের সার্বিক বিষয় নিয়ে ওই বৈঠকে আলোচনা হয়।
এ বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল বলেন, ‘নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে আমরা আলোচনা করছি। এবারের মন্ত্রিসভা কেমন হবে, তা এখনই নির্দিষ্টভাবে বলা কঠিন। তবে ভালো কিছু হবে, ইনশাআল্লাহ। এজন্য অপেক্ষা করতে হবে।’
মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য মুখ যারা: নতুন মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের জন্য আলোচনায় আছেন ঠাকুরগাঁও-১ আসনে নির্বাচিত বিএনপি মহাসচিব ও সাবেক মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তবে তাকে রাষ্ট্রপতি করার বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে। এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় পেতে পারেন কুমিল্লা-১ আসনে নির্বাচিত স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ঢাকা-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সিরাজগঞ্জ-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, নরসিংদী-২ আসনে নির্বাচিত স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, চট্টগ্রাম-১১ আসনে নির্বাচিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, কক্সবাজার-১ আসনে নির্বাচিত স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, দিনাজপুর-৬ আসনে নির্বাচিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, কুমিল্লা-৩ আসন থেকে নির্বাচিত দলের ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।
সম্ভাব্য মন্ত্রিসভার তালিকায় আরও আছেন কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী ড. ওসমান ফারুক, লালমনিরহাট-৩ আসনে নির্বাচিত রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু, নেত্রকোনা-৪ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, নেত্রকোনা-১ আসনে নির্বাচিত বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, জামালপুর-১ আসনে নির্বাচিত বিএনপির কোষাধ্যক্ষ রশিদ্দুজ্জামান মিল্লাত, শরীয়তপুর-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাবেক এপিএস মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, খুলনা-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা-৫ আসনে নির্বাচিত বিএনপি নেতা ও ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক সভাপতি আলী আজগর লবি, যশোর-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির খুলনা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ঝিনাইদহ-১ আসনে নির্বাচিত বিএনপির কেন্দ্রীয় মানবাধিকার সম্পাদক ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান।
ফেনী-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল আউয়াল মিন্টু, নোয়াখালী-৪ আসনে নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান, নোয়াখালী-৩ আসনে নির্বাচিত দলের ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী বরকত উল্লাহ বুলু, নোয়াখালী-১ আসনে নির্বাচিত বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, নরসিংদী-১ আসনে নির্বাচিত বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবীর খোকন, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ, ঢাকা-১ আসনে নির্বাচিত ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক, মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ।
মানিকগঞ্জ-৩ আসনে নির্বাচিত দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আফরোজা খানম রিতা, পাবনা-৫ আসনে বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, টাঙ্গাইল-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টু ও টাঙ্গাইল-৫ আসনে নির্বাচিত বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, মাগুরা-১ আসনে নির্বাচিত জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মনোয়ার হোসেন, ফরিদপুর-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ফরিদপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, গাজীপুর-২ আসন থেকে নির্বাচিত সাবেক মেয়র আব্দুল মান্নানের ছেলে মঞ্জুরুল করিম রনি, পঞ্চগড়-১ আসনে নির্বাচিত ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে নির্বাচিত ড্যাবের সাবেক মহাসচিব ডা. মো. আব্দুস সালাম, নাটোর-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপি নেতা ও সাবেক উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, রাজশাহী-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, বগুড়া-৫ আসনে নির্বাচিত বিএনপি নেতা জি এম সিরাজ, হবিগঞ্জ-১ আসনে নির্বাচিত ড. রেজা কিবরিয়া, সিলেট-৪ আসনে নির্বাচিত ও সিলেট সিটির সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, মৌলভীবাজার-৩ আসনে নির্বাচিত সাবেক অর্থমন্ত্রী মরহুম এম সাইফুর রহমানের ছেলে নাসের রহমান, সিলেট-৩ আসনে নির্বাচিত ও যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ মালেক।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে নির্বাচিত বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের শরিক ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকী, ভোলা-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ, বরগুনা-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম মনি, বরিশাল-১ আসনে বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন, ভোলা-১ আসনে বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের শরিক বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ এবং পটুয়াখালী-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের শরিক গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর।
টেকনোক্র্যাট: বিএনপির মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট হিসেবে অন্তত ছয়জনের নাম জোরালোভাবে আলোচনায় রয়েছে। তারা হলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব (আন্তর্জাতিক) হুমায়ুন কবির, বিএনপি চেয়ারম্যানের অন্যতম উপদেষ্টা ও দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন, বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও আমেরিকা-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান গিয়াস আহমেদ এবং বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিজন কান্তি সরকার।
জাতীয় সংসদে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি বা সংসদ সদস্য না হয়ে যারা মন্ত্রিসভায় স্থান পান বা মন্ত্রী হন, তাদের বলা হয় টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী। এ বিষয়ে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৬-এর ২ ধারায় বলা রয়েছে, ‘প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করবেন। তবে শর্ত থাকে যে, তাহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ সদস্যদের মধ্য হতে নিযুক্ত হবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের মধ্য থেকে মনোনীত হতে পারবেন।’ মন্ত্রিসভা ৪০ জনের হলে সে হিসাবে টেকনোক্র্যাট কোটায় চারজনকে মন্ত্রী করা যাবে।
জানতে চাইলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. শামছুল আলম সেলিম বলেন, ‘দীর্ঘ আন্দোলনের পর একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে। এটি চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের ফসল, তাই বিএনপির মন্ত্রিসভায় চমক থাকাটা স্বাভাবিক। মন্ত্রিসভায় যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের রাখা না রাখার বিষয়টিও আলোচনা হচ্ছে। তবে নির্বাচনের প্রাথমিক ফল অনুযায়ী বিএনপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় নিজেদের দলের সংহতি বজায় রাখাই হবে তারেক রহমানের প্রথম চ্যালেঞ্জ। যারা শাসন নয়, মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করবেন—এমন কাউকে নিয়ে বিএনপিকে মন্ত্রিসভা গঠন করতে হবে।'
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। দলটি এককভাবে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। আগামী মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)। একই দিনে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হতে পারে বলে জানা গেছে।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন এবং তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন, এটা প্রায় নিশ্চিত। বিএনপি নেতারা বলছেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন ভোরের অপেক্ষায় বাংলাদেশ। ১৭ বছরের নির্বাসন কাটিয়ে দেশে ফেরা তারেক রহমান এবার একটি ‘স্মার্ট ও জবাবদিহিমূলক’ সরকার গঠন করতে চান। তার মন্ত্রিসভায় নতুন মুখের পাশাপাশি পুরোনো মুখও স্থান পাবে, যা হবে ইনক্লুসিভ এবং ইউনিক।
বিশ্লেষকদের মতে, চব্বিশোত্তর নতুন বাংলাদেশে তরুণ প্রজন্মের চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে দেশ পরিচালনা করতে হবে। সে জায়গা থেকে তারেক রহমান এবারের মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞ প্রবীণ নেতাদের পাশাপাশি রাজপথের ত্যাগী এবং দক্ষ তরুণদের সংমিশ্রণ দেখা যেতে পারে। আর এটি হলে তারেক রহমানের জন্য সরকার ও দেশ পরিচালনা অত্যন্ত সহজ হবে। বর্তমানে সরকারের মন্ত্রণালয়-বিভাগ রয়েছে ৫৮টি।
তবে মন্ত্রীসভার আকার ছোট হবে। সদস্য সংখ্যা ৩০ জনের বেশি হবে না। এদিকে নতুন সরকারে কারা মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী হচ্ছেন—তা নিয়ে জনমনে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে।
বিএনপির হাইকমান্ড চায় নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করতে। পাশাপাশি সংসদ সদস্য নন, কিন্তু মেধাবী, অভিজ্ঞ এবং দেশ-বিদেশে নিজ নিজ পেশায় প্রতিষ্ঠিত—এমন বেশ কিছু নেতাকে টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী করা হতে পারে। তবে মন্ত্রিসভার আকার কেমন হবে, তা এখনই নির্দিষ্টভাবে কেউ বলতে পারছেন না। এ নিয়ে এরই মধ্যে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা শুরু করেছেন। তবে কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন, জানা যাবে তা শপথের পর।
বিএনপির বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পরদিন শুক্রবার সন্ধ্যার পর সিনিয়র নেতারা দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে তার গুলশান কার্যালয়ে দেখা করেন এবং ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন দলের চেয়ারম্যান। বৈঠকে তারেক রহমান সিনিয়র নেতাদের পরামর্শ নেন। বিশেষ করে মন্ত্রিসভায় কারা থাকতে পারেন, তা নিয়ে পরামর্শ করেন তিনি। এ ছাড়া সংসদ সদস্যদের শপথ, মন্ত্রিসভা গঠনসহ নির্বাচনের সার্বিক বিষয় নিয়ে ওই বৈঠকে আলোচনা হয়।
এ বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল বলেন, ‘নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে আমরা আলোচনা করছি। এবারের মন্ত্রিসভা কেমন হবে, তা এখনই নির্দিষ্টভাবে বলা কঠিন। তবে ভালো কিছু হবে, ইনশাআল্লাহ। এজন্য অপেক্ষা করতে হবে।’
মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য মুখ যারা: নতুন মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের জন্য আলোচনায় আছেন ঠাকুরগাঁও-১ আসনে নির্বাচিত বিএনপি মহাসচিব ও সাবেক মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তবে তাকে রাষ্ট্রপতি করার বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে। এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় পেতে পারেন কুমিল্লা-১ আসনে নির্বাচিত স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ঢাকা-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সিরাজগঞ্জ-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, নরসিংদী-২ আসনে নির্বাচিত স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, চট্টগ্রাম-১১ আসনে নির্বাচিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, কক্সবাজার-১ আসনে নির্বাচিত স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, দিনাজপুর-৬ আসনে নির্বাচিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, কুমিল্লা-৩ আসন থেকে নির্বাচিত দলের ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।
সম্ভাব্য মন্ত্রিসভার তালিকায় আরও আছেন কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী ড. ওসমান ফারুক, লালমনিরহাট-৩ আসনে নির্বাচিত রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু, নেত্রকোনা-৪ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, নেত্রকোনা-১ আসনে নির্বাচিত বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, জামালপুর-১ আসনে নির্বাচিত বিএনপির কোষাধ্যক্ষ রশিদ্দুজ্জামান মিল্লাত, শরীয়তপুর-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাবেক এপিএস মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, খুলনা-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা-৫ আসনে নির্বাচিত বিএনপি নেতা ও ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক সভাপতি আলী আজগর লবি, যশোর-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির খুলনা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ঝিনাইদহ-১ আসনে নির্বাচিত বিএনপির কেন্দ্রীয় মানবাধিকার সম্পাদক ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান।
ফেনী-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল আউয়াল মিন্টু, নোয়াখালী-৪ আসনে নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান, নোয়াখালী-৩ আসনে নির্বাচিত দলের ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী বরকত উল্লাহ বুলু, নোয়াখালী-১ আসনে নির্বাচিত বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, নরসিংদী-১ আসনে নির্বাচিত বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবীর খোকন, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ, ঢাকা-১ আসনে নির্বাচিত ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক, মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ।
মানিকগঞ্জ-৩ আসনে নির্বাচিত দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আফরোজা খানম রিতা, পাবনা-৫ আসনে বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, টাঙ্গাইল-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টু ও টাঙ্গাইল-৫ আসনে নির্বাচিত বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, মাগুরা-১ আসনে নির্বাচিত জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মনোয়ার হোসেন, ফরিদপুর-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ফরিদপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, গাজীপুর-২ আসন থেকে নির্বাচিত সাবেক মেয়র আব্দুল মান্নানের ছেলে মঞ্জুরুল করিম রনি, পঞ্চগড়-১ আসনে নির্বাচিত ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে নির্বাচিত ড্যাবের সাবেক মহাসচিব ডা. মো. আব্দুস সালাম, নাটোর-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপি নেতা ও সাবেক উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, রাজশাহী-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, বগুড়া-৫ আসনে নির্বাচিত বিএনপি নেতা জি এম সিরাজ, হবিগঞ্জ-১ আসনে নির্বাচিত ড. রেজা কিবরিয়া, সিলেট-৪ আসনে নির্বাচিত ও সিলেট সিটির সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, মৌলভীবাজার-৩ আসনে নির্বাচিত সাবেক অর্থমন্ত্রী মরহুম এম সাইফুর রহমানের ছেলে নাসের রহমান, সিলেট-৩ আসনে নির্বাচিত ও যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ মালেক।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে নির্বাচিত বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের শরিক ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকী, ভোলা-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ, বরগুনা-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম মনি, বরিশাল-১ আসনে বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন, ভোলা-১ আসনে বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের শরিক বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ এবং পটুয়াখালী-৩ আসনে নির্বাচিত বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের শরিক গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর।
টেকনোক্র্যাট: বিএনপির মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট হিসেবে অন্তত ছয়জনের নাম জোরালোভাবে আলোচনায় রয়েছে। তারা হলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব (আন্তর্জাতিক) হুমায়ুন কবির, বিএনপি চেয়ারম্যানের অন্যতম উপদেষ্টা ও দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন, বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও আমেরিকা-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান গিয়াস আহমেদ এবং বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিজন কান্তি সরকার।
জাতীয় সংসদে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি বা সংসদ সদস্য না হয়ে যারা মন্ত্রিসভায় স্থান পান বা মন্ত্রী হন, তাদের বলা হয় টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী। এ বিষয়ে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৬-এর ২ ধারায় বলা রয়েছে, ‘প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করবেন। তবে শর্ত থাকে যে, তাহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ সদস্যদের মধ্য হতে নিযুক্ত হবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের মধ্য থেকে মনোনীত হতে পারবেন।’ মন্ত্রিসভা ৪০ জনের হলে সে হিসাবে টেকনোক্র্যাট কোটায় চারজনকে মন্ত্রী করা যাবে।
জানতে চাইলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. শামছুল আলম সেলিম বলেন, ‘দীর্ঘ আন্দোলনের পর একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে। এটি চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের ফসল, তাই বিএনপির মন্ত্রিসভায় চমক থাকাটা স্বাভাবিক। মন্ত্রিসভায় যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের রাখা না রাখার বিষয়টিও আলোচনা হচ্ছে। তবে নির্বাচনের প্রাথমিক ফল অনুযায়ী বিএনপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় নিজেদের দলের সংহতি বজায় রাখাই হবে তারেক রহমানের প্রথম চ্যালেঞ্জ। যারা শাসন নয়, মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করবেন—এমন কাউকে নিয়ে বিএনপিকে মন্ত্রিসভা গঠন করতে হবে।'

১৮ জুন, ২০২৬ ১৩:২২
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করবে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সবাইকে সম্পৃক্ত করেই সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, “প্রথমবারের মতো গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে আনা সম্ভব হয়েছে। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব থাকবে। আমাদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। এখন আমরা লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট পথরেখা তৈরি করতে পারব।”
জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ খাতের সংস্কারে অংশীজনদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
কর্মশালায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নন। তাই দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরা প্রয়োজন, যাতে সেগুলো সংশোধনের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
তিনি বলেন, সমালোচনা হতে হবে তথ্যভিত্তিক এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট। এর মাধ্যমে সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে জবাবদিহিতা ও আস্থার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
কর্মশালায় গণমাধ্যম সংস্কার, সম্পাদকীয় স্বাধীনতা, জবাবদিহিতা এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের সম্ভাব্য কাঠামো নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীরা।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করবে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সবাইকে সম্পৃক্ত করেই সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, “প্রথমবারের মতো গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে আনা সম্ভব হয়েছে। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব থাকবে। আমাদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। এখন আমরা লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট পথরেখা তৈরি করতে পারব।”
জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ খাতের সংস্কারে অংশীজনদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
কর্মশালায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নন। তাই দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরা প্রয়োজন, যাতে সেগুলো সংশোধনের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
তিনি বলেন, সমালোচনা হতে হবে তথ্যভিত্তিক এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট। এর মাধ্যমে সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে জবাবদিহিতা ও আস্থার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
কর্মশালায় গণমাধ্যম সংস্কার, সম্পাদকীয় স্বাধীনতা, জবাবদিহিতা এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের সম্ভাব্য কাঠামো নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীরা।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৭:১২
আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহণে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ডিভাইস সংযুক্ত করা এবং তা সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। বাংলাদেশ অর্থনীতি
সোমবার (১৫ জুন) এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিআরটিএ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণপরিবহণ ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশের সব গণপরিবহণে ১ আগস্ট থেকে জিপিএস সংযুক্ত ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিআরটিএ জানায়, এ বিষয়ে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১১ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি বিবরণ (স্পেসিফিকেশন) বিআরটিএর স্থানীয় কার্যালয় থেকে সরাসরি অথবা বিআরটিএর ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট গণপরিবহণে জিপিএস সংযুক্ত করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার পর রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে। গণপরিবহণ মালিক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে বিআরটিএ।
আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহণে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ডিভাইস সংযুক্ত করা এবং তা সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। বাংলাদেশ অর্থনীতি
সোমবার (১৫ জুন) এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিআরটিএ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণপরিবহণ ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশের সব গণপরিবহণে ১ আগস্ট থেকে জিপিএস সংযুক্ত ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিআরটিএ জানায়, এ বিষয়ে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১১ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি বিবরণ (স্পেসিফিকেশন) বিআরটিএর স্থানীয় কার্যালয় থেকে সরাসরি অথবা বিআরটিএর ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট গণপরিবহণে জিপিএস সংযুক্ত করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার পর রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে। গণপরিবহণ মালিক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে বিআরটিএ।

১৪ জুন, ২০২৬ ১৫:৫৪
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৯ জুন, ২০২৬ ১৬:১১
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১