
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৪৩
চট্টগ্রামে দাখিল পড়ুয়া কিশোর শিক্ষার্থীকে প্রাপ্তবয়স্ক দেখিয়ে আদালতে চালান করে বায়েজিদ থানা পুলিশ। আদালত পুলিশ রেকর্ড দেখে দুই কিশোরকে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড দিয়ে চট্টগ্রাম কারাগারে পাঠায়। আদালতে জমা দেওয়া রেকর্ডে পুলিশ দুই কিশোরের বয়স ১৮ বছর দেখালেও বাস্তবে তাদের বয়স ১৫ বছর ৩ মাস ও ১৫ বছর ৭ মাস।
গতকাল সোমবার অপ্রাপ্তবয়স্ক এ দুজনের জন্মনিবন্ধন এবং বিদ্যালয়ের রেকর্ড আদালতে জমা দিয়ে জামিন ও প্রবেশন চাইলেও আদালত তা নামঞ্জুর করেন। চট্টগ্রাম অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহিদুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন। ফলে দুই কিশোরকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রাপ্তবয়স্ক বন্দিদের সঙ্গে থাকতে হচ্ছে।
গত শনিবার চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ থানার এসআই সহিদুল ইসলাম দুই কিশোরকে প্রাপ্তবয়স্ক দেখিয়ে আদালতে পাঠান। তাদের আইনজীবী সৌরভ চৌধুরী জানান, শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় পুলিশ দুই কিশোরকে আদালতের হাজতখানায় নিয়ে আসে। বিচারক তাদের বক্তব্য না শুনে কেবল পুলিশের বক্তব্য শুনেই খাস কামরায় বসে ১৫ দিন করে সাজা দেন। ১১ জানুয়ারি দুই আসামি অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার বিষয়টি অবগত করলেও আদালত বক্তব্য আমলে নেননি।
বায়েজিদ থানার এসআই সহিদুল ইসলাম বলেন, আটকের পর দুই আসামিই বলেছে তাদের বয়স ১৮। তাই এ বয়স উল্লেখ করেই আদালতে পাঠানো হয়েছে। এখানে পুলিশের কোনো ভুল নেই।
আদালতে দাখিল করা নথিপত্রে দেখা যায়, এক কিশোর বায়েজিদ কুঞ্জছায়া আবাসিক এলাকার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার রোল নম্বর ২১। জন্মনিবন্ধন অনুযায়ী এ কিশোরের বর্তমান বয়স ১৫ বছর ৩ মাস। ২০১০ সালের ২০ অক্টোবর তার জন্ম। অপর কিশোরও একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী। জন্মনিবন্ধন অনুযায়ী তার বর্তমান বয়স ১৫ বছর ৭ মাস।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
চট্টগ্রামে দাখিল পড়ুয়া কিশোর শিক্ষার্থীকে প্রাপ্তবয়স্ক দেখিয়ে আদালতে চালান করে বায়েজিদ থানা পুলিশ। আদালত পুলিশ রেকর্ড দেখে দুই কিশোরকে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড দিয়ে চট্টগ্রাম কারাগারে পাঠায়। আদালতে জমা দেওয়া রেকর্ডে পুলিশ দুই কিশোরের বয়স ১৮ বছর দেখালেও বাস্তবে তাদের বয়স ১৫ বছর ৩ মাস ও ১৫ বছর ৭ মাস।
গতকাল সোমবার অপ্রাপ্তবয়স্ক এ দুজনের জন্মনিবন্ধন এবং বিদ্যালয়ের রেকর্ড আদালতে জমা দিয়ে জামিন ও প্রবেশন চাইলেও আদালত তা নামঞ্জুর করেন। চট্টগ্রাম অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহিদুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন। ফলে দুই কিশোরকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রাপ্তবয়স্ক বন্দিদের সঙ্গে থাকতে হচ্ছে।
গত শনিবার চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ থানার এসআই সহিদুল ইসলাম দুই কিশোরকে প্রাপ্তবয়স্ক দেখিয়ে আদালতে পাঠান। তাদের আইনজীবী সৌরভ চৌধুরী জানান, শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় পুলিশ দুই কিশোরকে আদালতের হাজতখানায় নিয়ে আসে। বিচারক তাদের বক্তব্য না শুনে কেবল পুলিশের বক্তব্য শুনেই খাস কামরায় বসে ১৫ দিন করে সাজা দেন। ১১ জানুয়ারি দুই আসামি অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার বিষয়টি অবগত করলেও আদালত বক্তব্য আমলে নেননি।
বায়েজিদ থানার এসআই সহিদুল ইসলাম বলেন, আটকের পর দুই আসামিই বলেছে তাদের বয়স ১৮। তাই এ বয়স উল্লেখ করেই আদালতে পাঠানো হয়েছে। এখানে পুলিশের কোনো ভুল নেই।
আদালতে দাখিল করা নথিপত্রে দেখা যায়, এক কিশোর বায়েজিদ কুঞ্জছায়া আবাসিক এলাকার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার রোল নম্বর ২১। জন্মনিবন্ধন অনুযায়ী এ কিশোরের বর্তমান বয়স ১৫ বছর ৩ মাস। ২০১০ সালের ২০ অক্টোবর তার জন্ম। অপর কিশোরও একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী। জন্মনিবন্ধন অনুযায়ী তার বর্তমান বয়স ১৫ বছর ৭ মাস।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:২৩
নীলফামারী সদর উপজেলায় জমি লিখে না দেওয়ায় নিজের মায়ের ঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নুর আলম (৪০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার টুপামারী ইউনিয়নের মোজামের মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত নুর আলম ওই এলাকার জয়নাল হোসেন ও নূরজাহান দম্পতির ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নুর আলম দীর্ঘদিন ধরে অনলাইন জুয়ায় আসক্ত। জুয়ার টাকার জন্য তিনি বাড়ির বিভিন্ন জিনিসপত্র বিক্রি করে আসছিলেন। বাবার সূত্রে পাওয়া মা ও বোনের অংশের জমি লিখে নেওয়ার জন্য তিনি দীর্ঘদিন ধরে তাদের চাপ দিয়ে আসছিলেন।
মঙ্গলবার সকালে ফের জমি লিখে দিতে বললে মা নূরজাহান বেগম অস্বীকৃতি জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বিকেলে নুর আলম তার মায়ের ঘরে আগুন ধরিয়ে দেন। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে ঘরসহ যাবতীয় আসবাবপত্র ভস্মীভূত হয়। পরে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
নুরজাহান বেগম বলেন, আমার ছেলে নুর আলম দীর্ঘদিন ধরে অনলাইন জুয়া খেলায় আসক্ত। সে লম্পট টাইপের ছেলে, জুয়ায় আসক্ত হয়ে সবকিছু বিক্রি করে দিয়েছে। এখন সে আমার কাছে আমার জমির অংশ এবং আমার মেয়ের জমির অংশ লিখে চায়।
সেটি না দেওয়ার কারণে দীর্ঘদিন ধরে আমাদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছে। সকালে জমি লিখে নেওয়ার জন্য চাপ দিয়েছে, না দেওয়ার কারণে বিকেলে আমার ঘর পুড়ে দিলো আগুন দিয়েছে।
নীলফামারী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক বাদশা মাউদস আলম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে, তদন্ত শেষে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা যাবে।
এ বিষয়ে সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বলেন, আগুনে ঘর পুড়িয়ে দেওয়ার একটি খবর পেয়েছি। সেখানে পুলিশের একটি টিম গেছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
নীলফামারী সদর উপজেলায় জমি লিখে না দেওয়ায় নিজের মায়ের ঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নুর আলম (৪০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার টুপামারী ইউনিয়নের মোজামের মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত নুর আলম ওই এলাকার জয়নাল হোসেন ও নূরজাহান দম্পতির ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নুর আলম দীর্ঘদিন ধরে অনলাইন জুয়ায় আসক্ত। জুয়ার টাকার জন্য তিনি বাড়ির বিভিন্ন জিনিসপত্র বিক্রি করে আসছিলেন। বাবার সূত্রে পাওয়া মা ও বোনের অংশের জমি লিখে নেওয়ার জন্য তিনি দীর্ঘদিন ধরে তাদের চাপ দিয়ে আসছিলেন।
মঙ্গলবার সকালে ফের জমি লিখে দিতে বললে মা নূরজাহান বেগম অস্বীকৃতি জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বিকেলে নুর আলম তার মায়ের ঘরে আগুন ধরিয়ে দেন। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে ঘরসহ যাবতীয় আসবাবপত্র ভস্মীভূত হয়। পরে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
নুরজাহান বেগম বলেন, আমার ছেলে নুর আলম দীর্ঘদিন ধরে অনলাইন জুয়া খেলায় আসক্ত। সে লম্পট টাইপের ছেলে, জুয়ায় আসক্ত হয়ে সবকিছু বিক্রি করে দিয়েছে। এখন সে আমার কাছে আমার জমির অংশ এবং আমার মেয়ের জমির অংশ লিখে চায়।
সেটি না দেওয়ার কারণে দীর্ঘদিন ধরে আমাদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছে। সকালে জমি লিখে নেওয়ার জন্য চাপ দিয়েছে, না দেওয়ার কারণে বিকেলে আমার ঘর পুড়ে দিলো আগুন দিয়েছে।
নীলফামারী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক বাদশা মাউদস আলম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে, তদন্ত শেষে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা যাবে।
এ বিষয়ে সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বলেন, আগুনে ঘর পুড়িয়ে দেওয়ার একটি খবর পেয়েছি। সেখানে পুলিশের একটি টিম গেছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০২
নরসিংদীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বিপুল শিক্ষা উপকরণ ও মালামাল চুরি করে নিয়েছে চোর চক্র। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) গভীর রাতে সদর উপজেলার মেহেরপাড়া ইউনিয়নের ভগীরথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ চুরির ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, চোর চক্র বিদ্যালয়ের বারান্দার গ্রিল কেটে শিশুদের অনলাইন শিক্ষাদানের জন্য ল্যাপটপ, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, স্পিকার, এলইডি মনিটর, চারটি সিলিংফ্যান, টেবিল ফ্যান, সিসি ক্যামেরা, ছুটির কাজে ব্যবহৃত পিতলের ঘণ্টা চুরির পাশাপাশি বিদ্যালয়টির জরুরি কাগজপত্র তছনছ করে।
এছাড়াও স্কুলের নিরাপত্তার জন্য লাগানো সিসি ক্যামেরা ও সিসি ক্যামেরার ডিভিআরও নিয়ে যায়। ফলে বিদ্যালয়ের প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিক সাবিকুন্নাহার বলেন, ভগীরথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টিতে ১৮২ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। সুনামের সঙ্গেই শিশু শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে আসছে এ প্রতিষ্ঠান। ফলে সরকারি এ প্রতিষ্ঠানে পাঠদানের জন্য ল্যাপটপ, প্রজেক্টরসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সামগ্রী ব্যবহৃত হতো। পাশাপাশি সিলিং ফ্যান, টেবিল ফ্যান ছিল ক্লাসরুমসহ প্রধান শিক্ষকের কক্ষে। বুধবার নির্ধারিত সময়ে বিদ্যালয়ে এসে দেখতে পাই মঙ্গলবার রাতের কোনো এক সময় দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে।
তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয়টির অবস্থান মহাসড়কের পাশে হওয়ায় সিসিটিভি ক্যামেরাও স্থাপন করা ছিল, চোর চক্রটি চুরির পাশাপাশি বিদ্যালয়ে স্থাপন করা সিসি ক্যামেরাও খুলে নিয়ে গেছে। এতে করে বিদ্যালয়ের প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। মাধবদী থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
মাধবদী থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, চুরির ঘটনায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। চোর চক্রটিকে ধরতে পুলিশ কাজ করছে।
নরসিংদীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বিপুল শিক্ষা উপকরণ ও মালামাল চুরি করে নিয়েছে চোর চক্র। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) গভীর রাতে সদর উপজেলার মেহেরপাড়া ইউনিয়নের ভগীরথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ চুরির ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, চোর চক্র বিদ্যালয়ের বারান্দার গ্রিল কেটে শিশুদের অনলাইন শিক্ষাদানের জন্য ল্যাপটপ, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, স্পিকার, এলইডি মনিটর, চারটি সিলিংফ্যান, টেবিল ফ্যান, সিসি ক্যামেরা, ছুটির কাজে ব্যবহৃত পিতলের ঘণ্টা চুরির পাশাপাশি বিদ্যালয়টির জরুরি কাগজপত্র তছনছ করে।
এছাড়াও স্কুলের নিরাপত্তার জন্য লাগানো সিসি ক্যামেরা ও সিসি ক্যামেরার ডিভিআরও নিয়ে যায়। ফলে বিদ্যালয়ের প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিক সাবিকুন্নাহার বলেন, ভগীরথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টিতে ১৮২ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। সুনামের সঙ্গেই শিশু শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে আসছে এ প্রতিষ্ঠান। ফলে সরকারি এ প্রতিষ্ঠানে পাঠদানের জন্য ল্যাপটপ, প্রজেক্টরসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সামগ্রী ব্যবহৃত হতো। পাশাপাশি সিলিং ফ্যান, টেবিল ফ্যান ছিল ক্লাসরুমসহ প্রধান শিক্ষকের কক্ষে। বুধবার নির্ধারিত সময়ে বিদ্যালয়ে এসে দেখতে পাই মঙ্গলবার রাতের কোনো এক সময় দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে।
তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয়টির অবস্থান মহাসড়কের পাশে হওয়ায় সিসিটিভি ক্যামেরাও স্থাপন করা ছিল, চোর চক্রটি চুরির পাশাপাশি বিদ্যালয়ে স্থাপন করা সিসি ক্যামেরাও খুলে নিয়ে গেছে। এতে করে বিদ্যালয়ের প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। মাধবদী থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
মাধবদী থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, চুরির ঘটনায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। চোর চক্রটিকে ধরতে পুলিশ কাজ করছে।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৪৬
চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখীর ঝড়-বৃষ্টির সময় পা পিচলে তিনতলা ভবন থেকে পড়ে এক বৃদ্ধের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে ঝড়ের দাপটে গাছ ভেঙে সড়কে যান চলাচলে ব্যাঘাত ঘটেছে এবং ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাত ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত জেলায় ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি হয়। এ সময় প্রবল বাতাসে পা পিছলে তিনতলা থেকে পড়ে মকলেছুর রহমান (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউনিয়নের দৌলতদিয়াড় গ্রামের সরদারপাড়ার মৃত মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার পর ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে বাড়ির তিনতলার ছাদ থেকে টিন নামাচ্ছিলেন মকলেছুর রহমান। এ সময় হঠাৎ প্রবল বাতাসে ভারসাম্য হারিয়ে নিচে পড়ে যান তিনি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে ঝড়ের কারণে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের ডিঙ্গেদহ ও বিজিবি ক্যাম্প এলাকায় সড়কের পাশের বেশ কিছু গাছ ভেঙে পড়ে। এতে সাময়িকভাবে যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় গাছ অপসারণে কাজ শুরু করেন।
এছাড়া জেলার বিভিন্ন স্থানে গাছপালা ভেঙে পড়া ও ফসলের ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। তবে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সকালে নিরূপণ করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, রাত ৭টা ৫৫ মিনিট থেকে ৯টা ০৫ মিনিট পর্যন্ত জেলায় ২৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২০ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হয়।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, তিনতলা ছাদ থেকে পড়ে এক বৃদ্ধ মারা গেছেন। বিস্তারিত জানতে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখীর ঝড়-বৃষ্টির সময় পা পিচলে তিনতলা ভবন থেকে পড়ে এক বৃদ্ধের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে ঝড়ের দাপটে গাছ ভেঙে সড়কে যান চলাচলে ব্যাঘাত ঘটেছে এবং ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাত ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত জেলায় ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি হয়। এ সময় প্রবল বাতাসে পা পিছলে তিনতলা থেকে পড়ে মকলেছুর রহমান (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউনিয়নের দৌলতদিয়াড় গ্রামের সরদারপাড়ার মৃত মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার পর ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে বাড়ির তিনতলার ছাদ থেকে টিন নামাচ্ছিলেন মকলেছুর রহমান। এ সময় হঠাৎ প্রবল বাতাসে ভারসাম্য হারিয়ে নিচে পড়ে যান তিনি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে ঝড়ের কারণে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের ডিঙ্গেদহ ও বিজিবি ক্যাম্প এলাকায় সড়কের পাশের বেশ কিছু গাছ ভেঙে পড়ে। এতে সাময়িকভাবে যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় গাছ অপসারণে কাজ শুরু করেন।
এছাড়া জেলার বিভিন্ন স্থানে গাছপালা ভেঙে পড়া ও ফসলের ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। তবে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সকালে নিরূপণ করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, রাত ৭টা ৫৫ মিনিট থেকে ৯টা ০৫ মিনিট পর্যন্ত জেলায় ২৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২০ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হয়।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, তিনতলা ছাদ থেকে পড়ে এক বৃদ্ধ মারা গেছেন। বিস্তারিত জানতে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে।
০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:২৩
০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০২
০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০০
০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১২