দুর্গম চা বাগান থেকে বিদ্যালয়ে আসার জন্য বাইসাইকেল পেল মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী ৯ নম্বর ইসলামপুর ইউনিয়নের চাম্পারায় চা বাগানের ৫০ জন শিক্ষার্থী।
রোববার বাংলাদেশ শিশু উন্নয়ন প্রকল্পে আন্তর্জাতিক সংস্থা কম্প্যাশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর অর্থায়নে পরিচালিত মধ্য ও দক্ষিণ বাংলাদেশ শিশু উন্নয়ন প্রকল্পের আয়োজনে ন্যাশনওয়াইড কমিউনিটি ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় প্রকল্পের ২৬ জন মেয়ে ও ২৪ জন ছেলে মিলিয়ে মোট ৫০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে এ বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিশু উন্নয়ন প্রকল্পের এলসিসি সদস্য জেনিস বিশ্বাস, প্রকল্প ব্যবস্থাপক সাইমন দাস অনিক, হিসাবরক্ষক রনি দাস, প্রকল্পের কর্মী লিটন পাশ প্রমুখ।

০৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:৫৬
অতিরিক্ত বিলের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এ ধরনের প্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তারা বলেছে, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত যেসব অভিযোগ পাওয়া গেছে, সেগুলো বিদ্যুৎ বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট বিতরণ সংস্থাগুলো এরইমধ্যে নিষ্পত্তি করেছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বার্তায় বলা হয়, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। তবে কোনো গ্রাহকের অতিরিক্ত বিল সংক্রান্ত অভিযোগ থাকলে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্রসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করলে তা যাচাই করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এতে আরও বলা হয়, কোনো প্রমাণ ছাড়া শুধু বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে গ্রাহকদের গুজব বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে প্রয়োজনীয় অভিযোগ যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপনের আহ্বান জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
অতিরিক্ত বিলের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এ ধরনের প্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তারা বলেছে, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত যেসব অভিযোগ পাওয়া গেছে, সেগুলো বিদ্যুৎ বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট বিতরণ সংস্থাগুলো এরইমধ্যে নিষ্পত্তি করেছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বার্তায় বলা হয়, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। তবে কোনো গ্রাহকের অতিরিক্ত বিল সংক্রান্ত অভিযোগ থাকলে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্রসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করলে তা যাচাই করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এতে আরও বলা হয়, কোনো প্রমাণ ছাড়া শুধু বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে গ্রাহকদের গুজব বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে প্রয়োজনীয় অভিযোগ যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপনের আহ্বান জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

২৯ জুলাই, ২০২৬ ২৩:১৮
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্তের মাদকের টাকা লেনদেনের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এতে দেখা যায়, মদ কিনতে নিজ কার্যালয়ে বসে মানিব্যাগ থেকে টাকা বের করে কাউকে দিচ্ছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তোলপাড় শুরু হয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, সঞ্জয় কুমার মহন্ত তার কার্যালয়ে বসে কেরুসহ বিভিন্ন মাদকের বিষয়ে আলোচনা করছেন। একপর্যায়ে তাকে মানিব্যাগ থেকে তিন হাজার টাকা বের করে মদ কিনতে কারও হাতে দিতে দেখা যায়। শোনা যায় কেরু অ্যান্ড কোম্পানির নাম।
তবে ভিডিওর বিষয়ে জানতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্তের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠালেও সাড়া দেননি।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সঙ্গে ফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনিও ফোন ধরেননি।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তরুণ ইউসুফ জাগো নিউজকে বলেন, ‘রক্ষক যদি ভক্ষক হয়, সেটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার।’
বরিশাল টাইমস
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্তের মাদকের টাকা লেনদেনের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এতে দেখা যায়, মদ কিনতে নিজ কার্যালয়ে বসে মানিব্যাগ থেকে টাকা বের করে কাউকে দিচ্ছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তোলপাড় শুরু হয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, সঞ্জয় কুমার মহন্ত তার কার্যালয়ে বসে কেরুসহ বিভিন্ন মাদকের বিষয়ে আলোচনা করছেন। একপর্যায়ে তাকে মানিব্যাগ থেকে তিন হাজার টাকা বের করে মদ কিনতে কারও হাতে দিতে দেখা যায়। শোনা যায় কেরু অ্যান্ড কোম্পানির নাম।
তবে ভিডিওর বিষয়ে জানতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্তের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠালেও সাড়া দেননি।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সঙ্গে ফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনিও ফোন ধরেননি।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তরুণ ইউসুফ জাগো নিউজকে বলেন, ‘রক্ষক যদি ভক্ষক হয়, সেটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার।’
বরিশাল টাইমস

২৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:০৩
এইচএসসি পরীক্ষায় অভিন্ন প্রশ্নপত্র চালুর পর একের পর এক বিষয়ের প্রশ্নপত্রে ভুল ও অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের পর এবার জীববিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্রের ইংরেজি ভার্সনের নৈর্ব্যক্তিক অংশের তিনটি প্রশ্নে ভুল থাকার অভিযোগ করেছেন পরীক্ষার্থীরা।
বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বিশেষজ্ঞদের দিয়ে পর্যালোচনা শুরু করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। প্রশ্নে কোনো ভুল প্রমাণিত হলে পরীক্ষার্থীরা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বোর্ডের কর্মকর্তারা।
বুধবার (২৯ জুলাই) ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জীববিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা শেষে ইংরেজি ভার্সনের পরীক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, নৈর্ব্যক্তিক অংশের তিনটি প্রশ্নে বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনের মধ্যে অসামঞ্জস্য ছিল। এতে তারা পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তির মুখে পড়েন।
পরীক্ষার্থী মৃদুল রহমান জানান, ইংরেজি সংস্করণের ‘গ’ সেটের ১৫, ১৮ ও ২৫ নম্বর নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নে ভুল ছিল। এসব প্রশ্নের কারণে অনেক পরীক্ষার্থী কাঙ্ক্ষিত ফল থেকে বঞ্চিত হতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানু বলেন, অভিযোগ যাচাইয়ে ছয়জন বিশেষজ্ঞ কাজ করছেন। ইংরেজি সংস্করণের প্রশ্নে ভুল পাওয়া গেলে তারা (বুধবার) রাতের মধ্যেই প্রতিবেদন দেবেন।
তিনি বলেন, বিশেষজ্ঞদের প্রতিবেদনে প্রশ্নে ভুলের বিষয়টি নিশ্চিত হলে ইংরেজি সংস্করণের পরীক্ষার্থীদের ওই তিনটি নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নের নম্বর দেওয়ার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে গত ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিত রসায়ন প্রথম পত্রের ইংরেজি সংস্করণের সৃজনশীল অংশের চার নম্বর প্রশ্নেও অসঙ্গতির অভিযোগ ওঠে। এছাড়া পদার্থবিজ্ঞান প্রথমপত্রের দুটি প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুই প্রশ্নে সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
এইচএসসি পরীক্ষায় অভিন্ন প্রশ্নপত্র চালুর পর একের পর এক বিষয়ের প্রশ্নপত্রে ভুল ও অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের পর এবার জীববিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্রের ইংরেজি ভার্সনের নৈর্ব্যক্তিক অংশের তিনটি প্রশ্নে ভুল থাকার অভিযোগ করেছেন পরীক্ষার্থীরা।
বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বিশেষজ্ঞদের দিয়ে পর্যালোচনা শুরু করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। প্রশ্নে কোনো ভুল প্রমাণিত হলে পরীক্ষার্থীরা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বোর্ডের কর্মকর্তারা।
বুধবার (২৯ জুলাই) ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জীববিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা শেষে ইংরেজি ভার্সনের পরীক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, নৈর্ব্যক্তিক অংশের তিনটি প্রশ্নে বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনের মধ্যে অসামঞ্জস্য ছিল। এতে তারা পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তির মুখে পড়েন।
পরীক্ষার্থী মৃদুল রহমান জানান, ইংরেজি সংস্করণের ‘গ’ সেটের ১৫, ১৮ ও ২৫ নম্বর নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নে ভুল ছিল। এসব প্রশ্নের কারণে অনেক পরীক্ষার্থী কাঙ্ক্ষিত ফল থেকে বঞ্চিত হতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানু বলেন, অভিযোগ যাচাইয়ে ছয়জন বিশেষজ্ঞ কাজ করছেন। ইংরেজি সংস্করণের প্রশ্নে ভুল পাওয়া গেলে তারা (বুধবার) রাতের মধ্যেই প্রতিবেদন দেবেন।
তিনি বলেন, বিশেষজ্ঞদের প্রতিবেদনে প্রশ্নে ভুলের বিষয়টি নিশ্চিত হলে ইংরেজি সংস্করণের পরীক্ষার্থীদের ওই তিনটি নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নের নম্বর দেওয়ার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে গত ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিত রসায়ন প্রথম পত্রের ইংরেজি সংস্করণের সৃজনশীল অংশের চার নম্বর প্রশ্নেও অসঙ্গতির অভিযোগ ওঠে। এছাড়া পদার্থবিজ্ঞান প্রথমপত্রের দুটি প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুই প্রশ্নে সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

২৫ মে, ২০২৫ ২১:৩৩
দুর্গম চা বাগান থেকে বিদ্যালয়ে আসার জন্য বাইসাইকেল পেল মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী ৯ নম্বর ইসলামপুর ইউনিয়নের চাম্পারায় চা বাগানের ৫০ জন শিক্ষার্থী।
রোববার বাংলাদেশ শিশু উন্নয়ন প্রকল্পে আন্তর্জাতিক সংস্থা কম্প্যাশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর অর্থায়নে পরিচালিত মধ্য ও দক্ষিণ বাংলাদেশ শিশু উন্নয়ন প্রকল্পের আয়োজনে ন্যাশনওয়াইড কমিউনিটি ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় প্রকল্পের ২৬ জন মেয়ে ও ২৪ জন ছেলে মিলিয়ে মোট ৫০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে এ বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিশু উন্নয়ন প্রকল্পের এলসিসি সদস্য জেনিস বিশ্বাস, প্রকল্প ব্যবস্থাপক সাইমন দাস অনিক, হিসাবরক্ষক রনি দাস, প্রকল্পের কর্মী লিটন পাশ প্রমুখ।
০৭ আগস্ট, ২০২৬ ০০:২৬
০৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৫৪
০৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৪৭
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ২০:২৪