
২৪ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:৪১
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চর সাইনবোর্ড, প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা এক বিশাল সবুজ প্রহরী। যেটা ঝড়-জলোচ্ছ্বাস আর নদীভাঙন থেকে বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী রাঙ্গাবালী জনপদকে রক্ষার প্রাকৃতিক বর্ম। সেই সংরক্ষিত বনেই এখন রাতের আঁধারে চলছে ভারী যন্ত্রের দাপট। তরমুজ চাষের প্রস্তুতি হিসেবে বনের বুক চিরে তৈরি হচ্ছে মাটির বাঁধ, উপড়ে ফেলা হচ্ছে শত শত ম্যানগ্রোভ গাছ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের বেলায় কাজ থেমে থাকলেও রাত নামলেই এক্সকাভেটর ঢুকে পড়ে বনে। গাছ কাটা, মাটি তোলা সবই চলে অন্ধকারে। বন বিভাগ বলছে, প্রাকৃতিক বনের এই অংশ পুরোপুরি সংরক্ষিত এলাকার মধ্যে পড়লেও জমির মালিকানা নিয়ে রাঙ্গাবালী উপজেলা প্রশাসন আর বন বিভাগের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে। এই দ্বন্দ্বের মাঝেই সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে পড়েছে উপকূলের প্রাকৃতিক বনাঞ্চল।
পরিবেশকর্মীরা বলছেন, চর সাইনবোর্ডের ম্যানগ্রোভ বেল্ট উপকূলীয় জনপদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বেল্ট ক্ষতিগ্রস্ত হলে রাঙ্গাবালীসহ আশপাশের এলাকার ওপর ঝুঁকি আরো বাড়বে।
স্থানীয়রা জানান, ১৮ নভেম্বর ঠিক মধ্যরাতে দুইটি এক্সকাভেটর মেশিন ঢুকে পড়ে সংরক্ষিত বনের ভেতর। শুরু হয় মাটি তোলা, বাঁধ কাটা, গাছ উপড়ে ফেলা। পরদিন যোগ হয় আরো একটি মেশিন।
তিনটি বুলডোজারের রাতভর ‘অপারেশনের’ চিহ্ন সকালে সূর্যের আলোয় স্পষ্ট হয়। দেখা যায় শতাধিক ঝাউ, কেওড়া, গেওড়া, বাইনগাছ কাটা কিংবা উল্টে রাখা। কোথাও মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে শেকড়, কোথাও পড়ে থাকা বিশাল গুঁড়ি সাক্ষ্য দিচ্ছে ধ্বংসযজ্ঞের। দিনের বেলায় সংরক্ষিত এই বনে বন্ধ থাকে ধ্বংসযজ্ঞ।
মানুষ নেই, আছে মেশিন, তাও বন্ধ। কিন্তু রাত নামলেই ফের শুরু হয় বন ধ্বংস। স্থানীয়রা জানান, রাতেই সব হয়, দিনে কেউ এদের ধরে না।
২০১০ সালের ৪ এপ্রিল চর সাইনবোর্ডকে ৪১৫ একর সংরক্ষিত বন ঘোষণা করে সরকার। পরের বছরে জেগে ওঠা পরিত্যক্ত চরগুলোও বন বিভাগের আওতায় এনে গেজেট প্রকাশিত হয়। এরপর ২০ হেক্টরে ঝাউবাগান, ১০ হেক্টরে করমজা, ৩০ হেক্টরে কেওড়া, গেওড়া, বাইন বনায়ন করা হয়। এখন তরমুজ চাষ করতে সেই গাছগুলো ধ্বংস করছে দখলদাররা।
উপকূলীয় বন বিভাগের কাউখালী বিট কর্মকর্তা মো. জালাল আহমেদ খান বলেন, এটা পুরোপুরি সংরক্ষিত বন। আমরা এক্সকাভেটরের কাজ বন্ধ করেছি। ইউএনও স্যারকে জানিয়েছি।
রেঞ্জ কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের ভাষ্য, কাগজপত্র দিয়ে এসেছি। রাতে ফের আরো একটি এক্সকাভেটর যুক্ত হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বন বিভাগের লোক নামলে কাজ থামে, তারা ফিরে গেলে আবার বন ধ্বংস শুরু হয়।
তরমুজ খেতের মূল উদ্যোক্তা হিসেবে উঠে আসছে স্থানীয় মানিক মোল্লার নাম। তিনি জানান, সংরক্ষিত বনে তরমুজ চাষের জন্য তহসিলদার অনুমতি দিয়েছেন।
কিন্তু তহসিলদার জাহিদুল ইসলাম এ বিষয়ে কিছু বলতে চাননি। তিনি বলেন, “ইউএনও স্যার সবকিছু জানেন।”
রাঙ্গাবালীর ইউএনও রাজীব দাস পুরকায়স্থ বন নিধনের কথা জানার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আগে জানতাম না। বন বিভাগ কাগজ দিয়েছে, ব্যবস্থা নেব।
উপকূলীয় পরিবেশকর্মী আরিফুর রহমান বহু বছর ধরে এই অঞ্চলে কাজ করছেন। তিনি বলেন, এই ম্যানগ্রোভ বেল্ট ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের ঢাল। নদীভাঙন রোধ করে চর ভূমিকে টিকিয়ে রাখে। এই বন উজাড় হলে রাঙ্গাবালীসহ আশপাশ পুরো অঞ্চল ঝুঁকিতে পড়ে যাবে।
আরিফুর রহমান আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে বলেন, সংরক্ষিত বনের ওপর তরমুজের একচেটিয়া দখল মানে উপকূলকে বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া।
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চর সাইনবোর্ড, প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা এক বিশাল সবুজ প্রহরী। যেটা ঝড়-জলোচ্ছ্বাস আর নদীভাঙন থেকে বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী রাঙ্গাবালী জনপদকে রক্ষার প্রাকৃতিক বর্ম। সেই সংরক্ষিত বনেই এখন রাতের আঁধারে চলছে ভারী যন্ত্রের দাপট। তরমুজ চাষের প্রস্তুতি হিসেবে বনের বুক চিরে তৈরি হচ্ছে মাটির বাঁধ, উপড়ে ফেলা হচ্ছে শত শত ম্যানগ্রোভ গাছ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের বেলায় কাজ থেমে থাকলেও রাত নামলেই এক্সকাভেটর ঢুকে পড়ে বনে। গাছ কাটা, মাটি তোলা সবই চলে অন্ধকারে। বন বিভাগ বলছে, প্রাকৃতিক বনের এই অংশ পুরোপুরি সংরক্ষিত এলাকার মধ্যে পড়লেও জমির মালিকানা নিয়ে রাঙ্গাবালী উপজেলা প্রশাসন আর বন বিভাগের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে। এই দ্বন্দ্বের মাঝেই সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে পড়েছে উপকূলের প্রাকৃতিক বনাঞ্চল।
পরিবেশকর্মীরা বলছেন, চর সাইনবোর্ডের ম্যানগ্রোভ বেল্ট উপকূলীয় জনপদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বেল্ট ক্ষতিগ্রস্ত হলে রাঙ্গাবালীসহ আশপাশের এলাকার ওপর ঝুঁকি আরো বাড়বে।
স্থানীয়রা জানান, ১৮ নভেম্বর ঠিক মধ্যরাতে দুইটি এক্সকাভেটর মেশিন ঢুকে পড়ে সংরক্ষিত বনের ভেতর। শুরু হয় মাটি তোলা, বাঁধ কাটা, গাছ উপড়ে ফেলা। পরদিন যোগ হয় আরো একটি মেশিন।
তিনটি বুলডোজারের রাতভর ‘অপারেশনের’ চিহ্ন সকালে সূর্যের আলোয় স্পষ্ট হয়। দেখা যায় শতাধিক ঝাউ, কেওড়া, গেওড়া, বাইনগাছ কাটা কিংবা উল্টে রাখা। কোথাও মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে শেকড়, কোথাও পড়ে থাকা বিশাল গুঁড়ি সাক্ষ্য দিচ্ছে ধ্বংসযজ্ঞের। দিনের বেলায় সংরক্ষিত এই বনে বন্ধ থাকে ধ্বংসযজ্ঞ।
মানুষ নেই, আছে মেশিন, তাও বন্ধ। কিন্তু রাত নামলেই ফের শুরু হয় বন ধ্বংস। স্থানীয়রা জানান, রাতেই সব হয়, দিনে কেউ এদের ধরে না।
২০১০ সালের ৪ এপ্রিল চর সাইনবোর্ডকে ৪১৫ একর সংরক্ষিত বন ঘোষণা করে সরকার। পরের বছরে জেগে ওঠা পরিত্যক্ত চরগুলোও বন বিভাগের আওতায় এনে গেজেট প্রকাশিত হয়। এরপর ২০ হেক্টরে ঝাউবাগান, ১০ হেক্টরে করমজা, ৩০ হেক্টরে কেওড়া, গেওড়া, বাইন বনায়ন করা হয়। এখন তরমুজ চাষ করতে সেই গাছগুলো ধ্বংস করছে দখলদাররা।
উপকূলীয় বন বিভাগের কাউখালী বিট কর্মকর্তা মো. জালাল আহমেদ খান বলেন, এটা পুরোপুরি সংরক্ষিত বন। আমরা এক্সকাভেটরের কাজ বন্ধ করেছি। ইউএনও স্যারকে জানিয়েছি।
রেঞ্জ কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের ভাষ্য, কাগজপত্র দিয়ে এসেছি। রাতে ফের আরো একটি এক্সকাভেটর যুক্ত হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বন বিভাগের লোক নামলে কাজ থামে, তারা ফিরে গেলে আবার বন ধ্বংস শুরু হয়।
তরমুজ খেতের মূল উদ্যোক্তা হিসেবে উঠে আসছে স্থানীয় মানিক মোল্লার নাম। তিনি জানান, সংরক্ষিত বনে তরমুজ চাষের জন্য তহসিলদার অনুমতি দিয়েছেন।
কিন্তু তহসিলদার জাহিদুল ইসলাম এ বিষয়ে কিছু বলতে চাননি। তিনি বলেন, “ইউএনও স্যার সবকিছু জানেন।”
রাঙ্গাবালীর ইউএনও রাজীব দাস পুরকায়স্থ বন নিধনের কথা জানার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আগে জানতাম না। বন বিভাগ কাগজ দিয়েছে, ব্যবস্থা নেব।
উপকূলীয় পরিবেশকর্মী আরিফুর রহমান বহু বছর ধরে এই অঞ্চলে কাজ করছেন। তিনি বলেন, এই ম্যানগ্রোভ বেল্ট ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের ঢাল। নদীভাঙন রোধ করে চর ভূমিকে টিকিয়ে রাখে। এই বন উজাড় হলে রাঙ্গাবালীসহ আশপাশ পুরো অঞ্চল ঝুঁকিতে পড়ে যাবে।
আরিফুর রহমান আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে বলেন, সংরক্ষিত বনের ওপর তরমুজের একচেটিয়া দখল মানে উপকূলকে বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া।

০৩ মে, ২০২৬ ১৪:১৬
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের বড়পাড়া গ্রামে হঠাৎ করে মাটির নিচ থেকে ভেসে আসা বিকট শব্দকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ।
স্থানীয় বাসিন্দা আশোক আলী মৃধা শনিবার (২ মে) নিজ জমিতে গরু চরাতে গিয়ে প্রথম এই অস্বাভাবিক শব্দ শুনতে পান। কয়েক দশক ধরে পরিচিত সেই জমিতে এমন অদ্ভুত শব্দে তিনি বিস্মিত হয়ে পড়েন।
বিষয়টি নিশ্চিত হতে আশপাশের লোকজনকে ডেকে আনেন তিনি। পরে কোদাল দিয়ে মাটি খুঁড়ে পরীক্ষা করতে গেলে শব্দের তীব্রতা আরও বেড়ে যায়।
একই সঙ্গে জমির বিভিন্ন স্থান থেকে বুদবুদের আকারে গ্যাসের মতো কিছু বের হতে দেখা যায় এবং নিরবচ্ছিন্ন শব্দ শোনা যেতে থাকে।
ঘটনাটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমে যায়। প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষ ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে কেউ মাটি খুঁড়ছেন, কেউ আবার গর্ত থেকে বের হওয়া পানি ও মাটির গন্ধ পরীক্ষা করছেন।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা জল্পনা-কল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। কেউ ধারণা করছেন, এটি কোনো খনিজ সম্পদের ইঙ্গিত; আবার কেউ মনে করছেন, মাটির নিচে প্রাকৃতিক গ্যাসের উপস্থিতি থাকতে পারে।
অন্যদিকে, অজানা এই ঘটনার কারণে আতঙ্কিত হয়ে গ্রামবাসীরা পুলিশের জরুরি সেবা নম্বরে কল করে বিষয়টি জানিয়েছেন। তবে এখনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসীন সাদেক বলেন, জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে অবহিত করা হবে। এ পরিপ্রেক্ষিতে তারা যদি সার্ভে পরিচালনা করেন, তাহলে এর প্রকৃতি সম্পর্কে জানা যাবে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের বড়পাড়া গ্রামে হঠাৎ করে মাটির নিচ থেকে ভেসে আসা বিকট শব্দকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ।
স্থানীয় বাসিন্দা আশোক আলী মৃধা শনিবার (২ মে) নিজ জমিতে গরু চরাতে গিয়ে প্রথম এই অস্বাভাবিক শব্দ শুনতে পান। কয়েক দশক ধরে পরিচিত সেই জমিতে এমন অদ্ভুত শব্দে তিনি বিস্মিত হয়ে পড়েন।
বিষয়টি নিশ্চিত হতে আশপাশের লোকজনকে ডেকে আনেন তিনি। পরে কোদাল দিয়ে মাটি খুঁড়ে পরীক্ষা করতে গেলে শব্দের তীব্রতা আরও বেড়ে যায়।
একই সঙ্গে জমির বিভিন্ন স্থান থেকে বুদবুদের আকারে গ্যাসের মতো কিছু বের হতে দেখা যায় এবং নিরবচ্ছিন্ন শব্দ শোনা যেতে থাকে।
ঘটনাটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমে যায়। প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষ ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে কেউ মাটি খুঁড়ছেন, কেউ আবার গর্ত থেকে বের হওয়া পানি ও মাটির গন্ধ পরীক্ষা করছেন।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা জল্পনা-কল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। কেউ ধারণা করছেন, এটি কোনো খনিজ সম্পদের ইঙ্গিত; আবার কেউ মনে করছেন, মাটির নিচে প্রাকৃতিক গ্যাসের উপস্থিতি থাকতে পারে।
অন্যদিকে, অজানা এই ঘটনার কারণে আতঙ্কিত হয়ে গ্রামবাসীরা পুলিশের জরুরি সেবা নম্বরে কল করে বিষয়টি জানিয়েছেন। তবে এখনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসীন সাদেক বলেন, জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে অবহিত করা হবে। এ পরিপ্রেক্ষিতে তারা যদি সার্ভে পরিচালনা করেন, তাহলে এর প্রকৃতি সম্পর্কে জানা যাবে।

০১ মে, ২০২৬ ১৮:৪৭
যথাযোগ্য মর্যাদায় পটুয়াখালীর দুমকিতে আন্তর্জাতিক মে দিবস পালিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল দুমকি উপজেলা শাখার উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দুমকি উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মোঃ আবু জাফর আকন। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুমকি উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ খলিলুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইফুল মৃধা এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান মিন্টু।
এসময় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিতকরণ এবং শ্রমিক কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দুমকি উপজেলা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব মোঃ ফারুক মৃধা।
যথাযোগ্য মর্যাদায় পটুয়াখালীর দুমকিতে আন্তর্জাতিক মে দিবস পালিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল দুমকি উপজেলা শাখার উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দুমকি উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মোঃ আবু জাফর আকন। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুমকি উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ খলিলুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইফুল মৃধা এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান মিন্টু।
এসময় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিতকরণ এবং শ্রমিক কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দুমকি উপজেলা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব মোঃ ফারুক মৃধা।

০১ মে, ২০২৬ ০০:২৩
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় পৌর যুবদলের নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া নেতাকর্মীরা।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৭টার দিকে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে পৌর এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
মিছিলে পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি-সম্পাদকসহ শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।
এ সময় বিক্ষোভকারীরা পকেট কমিটি মানি না, মানবো না স্লোগান দেন এবং বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন করে গ্রহণযোগ্য কমিটি গঠনের দাবি জানান।
সমাবেশে বক্তব্য দেন ৯ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি শহিদ সিকদার, পৌর যুবদল নেতা হারুন মুসুল্লি, আবুবকরসহ আরও অনেকে। বক্তারা অভিযোগ করেন, ত্যাগী ও দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে গঠিত এই কমিটি দলীয় আদর্শ ও সাংগঠনিক নীতিমালার পরিপন্থী।
তাদের আরও অভিযোগ, নতুন কমিটিতে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং বহিষ্কৃত কয়েকজন নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা সংগঠনের জন্য বিব্রতকর ও প্রশ্নবিদ্ধ। ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি শহিদ শিকদার দাবি করেন, ছাত্রলীগের পদে থাকা শাকিব নামের একজনসহ বহিষ্কৃত তিনজনকে কমিটিতে রাখা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতা জানান, শাকিব পূর্বে ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন এবং জেলা কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
এদিকে পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক জুবায়ের আহমেদ রিয়াজ খানকে সাংগঠনিক পদ দেওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে বলেও জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপি কুয়াকাটা পৌর যুবদলের ৭১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করেন। সংগঠনের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। নতুন কমিটিতে সৈয়দ মো. ফারুককে সভাপতি ও মো. জহিরুল ইসলাম মিরনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া আহমেদ বলেন, সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী একজন ব্যক্তি একাধিক সংগঠনে দায়িত্বে থাকতে পারেন। তবে দল চাইলে যেকোনো একটি পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দিতে পারে।
বিক্ষোভকারীরা দ্রুত কমিটি পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে সতর্ক করে বলেন, দাবি মানা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ ফারুক মীর বলেন, ত্যাগী ও যোগ্য নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করেই ৭১ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সবাইকে পদ দেওয়া সম্ভব নয়। যারা পদ পাননি, তাদের অনেকেই ওয়ার্ড পর্যায়ে দায়িত্বে আছেন। এছাড়া অভিযোগকারীদের মধ্যে কেউ কেউ বহিষ্কৃতও রয়েছেন।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় পৌর যুবদলের নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া নেতাকর্মীরা।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৭টার দিকে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে পৌর এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
মিছিলে পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি-সম্পাদকসহ শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।
এ সময় বিক্ষোভকারীরা পকেট কমিটি মানি না, মানবো না স্লোগান দেন এবং বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন করে গ্রহণযোগ্য কমিটি গঠনের দাবি জানান।
সমাবেশে বক্তব্য দেন ৯ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি শহিদ সিকদার, পৌর যুবদল নেতা হারুন মুসুল্লি, আবুবকরসহ আরও অনেকে। বক্তারা অভিযোগ করেন, ত্যাগী ও দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে গঠিত এই কমিটি দলীয় আদর্শ ও সাংগঠনিক নীতিমালার পরিপন্থী।
তাদের আরও অভিযোগ, নতুন কমিটিতে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং বহিষ্কৃত কয়েকজন নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা সংগঠনের জন্য বিব্রতকর ও প্রশ্নবিদ্ধ। ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি শহিদ শিকদার দাবি করেন, ছাত্রলীগের পদে থাকা শাকিব নামের একজনসহ বহিষ্কৃত তিনজনকে কমিটিতে রাখা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতা জানান, শাকিব পূর্বে ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন এবং জেলা কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
এদিকে পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক জুবায়ের আহমেদ রিয়াজ খানকে সাংগঠনিক পদ দেওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে বলেও জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপি কুয়াকাটা পৌর যুবদলের ৭১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করেন। সংগঠনের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। নতুন কমিটিতে সৈয়দ মো. ফারুককে সভাপতি ও মো. জহিরুল ইসলাম মিরনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া আহমেদ বলেন, সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী একজন ব্যক্তি একাধিক সংগঠনে দায়িত্বে থাকতে পারেন। তবে দল চাইলে যেকোনো একটি পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দিতে পারে।
বিক্ষোভকারীরা দ্রুত কমিটি পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে সতর্ক করে বলেন, দাবি মানা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ ফারুক মীর বলেন, ত্যাগী ও যোগ্য নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করেই ৭১ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সবাইকে পদ দেওয়া সম্ভব নয়। যারা পদ পাননি, তাদের অনেকেই ওয়ার্ড পর্যায়ে দায়িত্বে আছেন। এছাড়া অভিযোগকারীদের মধ্যে কেউ কেউ বহিষ্কৃতও রয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.