Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৪ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:৪১
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চর সাইনবোর্ড, প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা এক বিশাল সবুজ প্রহরী। যেটা ঝড়-জলোচ্ছ্বাস আর নদীভাঙন থেকে বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী রাঙ্গাবালী জনপদকে রক্ষার প্রাকৃতিক বর্ম। সেই সংরক্ষিত বনেই এখন রাতের আঁধারে চলছে ভারী যন্ত্রের দাপট। তরমুজ চাষের প্রস্তুতি হিসেবে বনের বুক চিরে তৈরি হচ্ছে মাটির বাঁধ, উপড়ে ফেলা হচ্ছে শত শত ম্যানগ্রোভ গাছ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের বেলায় কাজ থেমে থাকলেও রাত নামলেই এক্সকাভেটর ঢুকে পড়ে বনে। গাছ কাটা, মাটি তোলা সবই চলে অন্ধকারে। বন বিভাগ বলছে, প্রাকৃতিক বনের এই অংশ পুরোপুরি সংরক্ষিত এলাকার মধ্যে পড়লেও জমির মালিকানা নিয়ে রাঙ্গাবালী উপজেলা প্রশাসন আর বন বিভাগের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে। এই দ্বন্দ্বের মাঝেই সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে পড়েছে উপকূলের প্রাকৃতিক বনাঞ্চল।
পরিবেশকর্মীরা বলছেন, চর সাইনবোর্ডের ম্যানগ্রোভ বেল্ট উপকূলীয় জনপদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বেল্ট ক্ষতিগ্রস্ত হলে রাঙ্গাবালীসহ আশপাশের এলাকার ওপর ঝুঁকি আরো বাড়বে।
স্থানীয়রা জানান, ১৮ নভেম্বর ঠিক মধ্যরাতে দুইটি এক্সকাভেটর মেশিন ঢুকে পড়ে সংরক্ষিত বনের ভেতর। শুরু হয় মাটি তোলা, বাঁধ কাটা, গাছ উপড়ে ফেলা। পরদিন যোগ হয় আরো একটি মেশিন।
তিনটি বুলডোজারের রাতভর ‘অপারেশনের’ চিহ্ন সকালে সূর্যের আলোয় স্পষ্ট হয়। দেখা যায় শতাধিক ঝাউ, কেওড়া, গেওড়া, বাইনগাছ কাটা কিংবা উল্টে রাখা। কোথাও মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে শেকড়, কোথাও পড়ে থাকা বিশাল গুঁড়ি সাক্ষ্য দিচ্ছে ধ্বংসযজ্ঞের। দিনের বেলায় সংরক্ষিত এই বনে বন্ধ থাকে ধ্বংসযজ্ঞ।
মানুষ নেই, আছে মেশিন, তাও বন্ধ। কিন্তু রাত নামলেই ফের শুরু হয় বন ধ্বংস। স্থানীয়রা জানান, রাতেই সব হয়, দিনে কেউ এদের ধরে না।
২০১০ সালের ৪ এপ্রিল চর সাইনবোর্ডকে ৪১৫ একর সংরক্ষিত বন ঘোষণা করে সরকার। পরের বছরে জেগে ওঠা পরিত্যক্ত চরগুলোও বন বিভাগের আওতায় এনে গেজেট প্রকাশিত হয়। এরপর ২০ হেক্টরে ঝাউবাগান, ১০ হেক্টরে করমজা, ৩০ হেক্টরে কেওড়া, গেওড়া, বাইন বনায়ন করা হয়। এখন তরমুজ চাষ করতে সেই গাছগুলো ধ্বংস করছে দখলদাররা।
উপকূলীয় বন বিভাগের কাউখালী বিট কর্মকর্তা মো. জালাল আহমেদ খান বলেন, এটা পুরোপুরি সংরক্ষিত বন। আমরা এক্সকাভেটরের কাজ বন্ধ করেছি। ইউএনও স্যারকে জানিয়েছি।
রেঞ্জ কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের ভাষ্য, কাগজপত্র দিয়ে এসেছি। রাতে ফের আরো একটি এক্সকাভেটর যুক্ত হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বন বিভাগের লোক নামলে কাজ থামে, তারা ফিরে গেলে আবার বন ধ্বংস শুরু হয়।
তরমুজ খেতের মূল উদ্যোক্তা হিসেবে উঠে আসছে স্থানীয় মানিক মোল্লার নাম। তিনি জানান, সংরক্ষিত বনে তরমুজ চাষের জন্য তহসিলদার অনুমতি দিয়েছেন।
কিন্তু তহসিলদার জাহিদুল ইসলাম এ বিষয়ে কিছু বলতে চাননি। তিনি বলেন, “ইউএনও স্যার সবকিছু জানেন।”
রাঙ্গাবালীর ইউএনও রাজীব দাস পুরকায়স্থ বন নিধনের কথা জানার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আগে জানতাম না। বন বিভাগ কাগজ দিয়েছে, ব্যবস্থা নেব।
উপকূলীয় পরিবেশকর্মী আরিফুর রহমান বহু বছর ধরে এই অঞ্চলে কাজ করছেন। তিনি বলেন, এই ম্যানগ্রোভ বেল্ট ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের ঢাল। নদীভাঙন রোধ করে চর ভূমিকে টিকিয়ে রাখে। এই বন উজাড় হলে রাঙ্গাবালীসহ আশপাশ পুরো অঞ্চল ঝুঁকিতে পড়ে যাবে।
আরিফুর রহমান আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে বলেন, সংরক্ষিত বনের ওপর তরমুজের একচেটিয়া দখল মানে উপকূলকে বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া।
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চর সাইনবোর্ড, প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা এক বিশাল সবুজ প্রহরী। যেটা ঝড়-জলোচ্ছ্বাস আর নদীভাঙন থেকে বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী রাঙ্গাবালী জনপদকে রক্ষার প্রাকৃতিক বর্ম। সেই সংরক্ষিত বনেই এখন রাতের আঁধারে চলছে ভারী যন্ত্রের দাপট। তরমুজ চাষের প্রস্তুতি হিসেবে বনের বুক চিরে তৈরি হচ্ছে মাটির বাঁধ, উপড়ে ফেলা হচ্ছে শত শত ম্যানগ্রোভ গাছ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের বেলায় কাজ থেমে থাকলেও রাত নামলেই এক্সকাভেটর ঢুকে পড়ে বনে। গাছ কাটা, মাটি তোলা সবই চলে অন্ধকারে। বন বিভাগ বলছে, প্রাকৃতিক বনের এই অংশ পুরোপুরি সংরক্ষিত এলাকার মধ্যে পড়লেও জমির মালিকানা নিয়ে রাঙ্গাবালী উপজেলা প্রশাসন আর বন বিভাগের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে। এই দ্বন্দ্বের মাঝেই সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে পড়েছে উপকূলের প্রাকৃতিক বনাঞ্চল।
পরিবেশকর্মীরা বলছেন, চর সাইনবোর্ডের ম্যানগ্রোভ বেল্ট উপকূলীয় জনপদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বেল্ট ক্ষতিগ্রস্ত হলে রাঙ্গাবালীসহ আশপাশের এলাকার ওপর ঝুঁকি আরো বাড়বে।
স্থানীয়রা জানান, ১৮ নভেম্বর ঠিক মধ্যরাতে দুইটি এক্সকাভেটর মেশিন ঢুকে পড়ে সংরক্ষিত বনের ভেতর। শুরু হয় মাটি তোলা, বাঁধ কাটা, গাছ উপড়ে ফেলা। পরদিন যোগ হয় আরো একটি মেশিন।
তিনটি বুলডোজারের রাতভর ‘অপারেশনের’ চিহ্ন সকালে সূর্যের আলোয় স্পষ্ট হয়। দেখা যায় শতাধিক ঝাউ, কেওড়া, গেওড়া, বাইনগাছ কাটা কিংবা উল্টে রাখা। কোথাও মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে শেকড়, কোথাও পড়ে থাকা বিশাল গুঁড়ি সাক্ষ্য দিচ্ছে ধ্বংসযজ্ঞের। দিনের বেলায় সংরক্ষিত এই বনে বন্ধ থাকে ধ্বংসযজ্ঞ।
মানুষ নেই, আছে মেশিন, তাও বন্ধ। কিন্তু রাত নামলেই ফের শুরু হয় বন ধ্বংস। স্থানীয়রা জানান, রাতেই সব হয়, দিনে কেউ এদের ধরে না।
২০১০ সালের ৪ এপ্রিল চর সাইনবোর্ডকে ৪১৫ একর সংরক্ষিত বন ঘোষণা করে সরকার। পরের বছরে জেগে ওঠা পরিত্যক্ত চরগুলোও বন বিভাগের আওতায় এনে গেজেট প্রকাশিত হয়। এরপর ২০ হেক্টরে ঝাউবাগান, ১০ হেক্টরে করমজা, ৩০ হেক্টরে কেওড়া, গেওড়া, বাইন বনায়ন করা হয়। এখন তরমুজ চাষ করতে সেই গাছগুলো ধ্বংস করছে দখলদাররা।
উপকূলীয় বন বিভাগের কাউখালী বিট কর্মকর্তা মো. জালাল আহমেদ খান বলেন, এটা পুরোপুরি সংরক্ষিত বন। আমরা এক্সকাভেটরের কাজ বন্ধ করেছি। ইউএনও স্যারকে জানিয়েছি।
রেঞ্জ কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের ভাষ্য, কাগজপত্র দিয়ে এসেছি। রাতে ফের আরো একটি এক্সকাভেটর যুক্ত হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বন বিভাগের লোক নামলে কাজ থামে, তারা ফিরে গেলে আবার বন ধ্বংস শুরু হয়।
তরমুজ খেতের মূল উদ্যোক্তা হিসেবে উঠে আসছে স্থানীয় মানিক মোল্লার নাম। তিনি জানান, সংরক্ষিত বনে তরমুজ চাষের জন্য তহসিলদার অনুমতি দিয়েছেন।
কিন্তু তহসিলদার জাহিদুল ইসলাম এ বিষয়ে কিছু বলতে চাননি। তিনি বলেন, “ইউএনও স্যার সবকিছু জানেন।”
রাঙ্গাবালীর ইউএনও রাজীব দাস পুরকায়স্থ বন নিধনের কথা জানার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আগে জানতাম না। বন বিভাগ কাগজ দিয়েছে, ব্যবস্থা নেব।
উপকূলীয় পরিবেশকর্মী আরিফুর রহমান বহু বছর ধরে এই অঞ্চলে কাজ করছেন। তিনি বলেন, এই ম্যানগ্রোভ বেল্ট ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের ঢাল। নদীভাঙন রোধ করে চর ভূমিকে টিকিয়ে রাখে। এই বন উজাড় হলে রাঙ্গাবালীসহ আশপাশ পুরো অঞ্চল ঝুঁকিতে পড়ে যাবে।
আরিফুর রহমান আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে বলেন, সংরক্ষিত বনের ওপর তরমুজের একচেটিয়া দখল মানে উপকূলকে বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া।

২৭ জুন, ২০২৬ ১৩:০০
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক সাংবাদিককে অকথ্য ভাষায় গালাগাল, মারধর এবং খুন-জখমের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নামধারী দুই সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক এএইচএম আবুবকর সিদ্দিক (৫৩) বাউফল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছন। জিডি নং- ১৬৮৩।
জিডির বিবরণ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারী এএইচএম আবুবকর সিদ্দিক পেশায় একজন সাংবাদিক। শুক্রবার ( ২৬ জুন) বিকেল ৬টার দিকে তিনি (আবু বক্কর) সংবাদ সংগ্রহের জন্য বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে অবস্থান করছিলেন। এ সময় অভিযুক্ত মো. রিয়াজ (৩০), ‘জাগো জনতা’ পত্রিকার ‘বাউফল প্রতিনিধি’ ও মো.:এনামুল হক এনা (৩০) ‘বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)’ ও ‘এ দিন’ পত্রিকার প্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিক আবুবকর সিদ্দিককে দেখতে পেয়ে হঠাৎ অকথ্য ভাষায় গালাগাল শুরু করে।
এ সময় সাংবাদিক আবু সিদ্দিক গালাগাল করতে নিষেধ করলে, তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে টানা হেঁচড়া করে মারধর করার চেষ্টা করে। এ সময় সেখানে উপস্থিত স্থানীয় মো: মাসুম বিল্লাহ, মো জসিম, মো: বশারসহ কয়েকজন সাক্ষী এগিয়ে এসে বিবাদীদ্বয়কে নিবৃত্ত করেন। উপস্থিত সাক্ষীদের সামনেই বিবাদীদ্বয় ও তাদের সাথে থাকা অজ্ঞাতনামা আরও ২ জন সহযোগী ভুক্তভোগী সাংবাদিককে ভবিষ্যতে খুন ও জখম করার হুমকি প্রদান করে চলে যায়।
জিডিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিবাদীদ্বয় এলাকায় সংবাদকর্মীর পরিচয় দিয়ে প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন লোকজনকে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন ও হয়রানি করে আসছে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী সাংবাদিক স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে আলোচনা করে নিজের ভবিষ্যতের নিরাপত্তার স্বার্থে বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) আবেদন করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এনামুল হক এনা ও রিয়াজের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদের পাওয়া যায়নি।
বাউফল থানা পুলিশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জিডিটি গ্রহণ করেছে । থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জিডিটি নথিভুক্ত করে তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এসআই (নিরস্ত্র) খোরশেদ আলীকে দায়িত্ব প্রদান করেছেন। এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রকৃত সাংবাদিকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।’

২৫ জুন, ২০২৬ ২২:০১
কুয়াকাটার লেম্বুরবন সংলগ্ন সৈকত থেকে শাহাবুদ্দিন (৫৫) নামের এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টায় তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত ওই জেলের বাড়ি ভোলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুন গঙ্গামতি থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে ফাইবার ট্রলার যোগে গভীর সমুদ্রে যান জেলেরা। ওইদিন সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ঢেউয়ের তান্ডবে ট্রলার থেকে জেলে শাহাবুদ্দিন ছিকটে পরে। ঘটনার পর সহকর্মীরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
মহিপুর থানার ওসি শামীম হাওলাদার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

২৫ জুন, ২০২৬ ১৭:১৭
পটুয়াখালীতে মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ সময় তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পটুয়াখালীর দুমকি থানাধীন লেবুখালী টোলপ্লাজাসংলগ্ন এলাকায় কোস্টগার্ড স্টেশন পটুয়াখালী একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে সন্দেহজনক একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় ইয়াবা বহনের অভিযোগে এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়েছে।
কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, জব্দ ইয়াবা, নগদ অর্থ এবং আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বরিশালটাইমসকে বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক সাংবাদিককে অকথ্য ভাষায় গালাগাল, মারধর এবং খুন-জখমের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নামধারী দুই সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক এএইচএম আবুবকর সিদ্দিক (৫৩) বাউফল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছন। জিডি নং- ১৬৮৩।
জিডির বিবরণ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারী এএইচএম আবুবকর সিদ্দিক পেশায় একজন সাংবাদিক। শুক্রবার ( ২৬ জুন) বিকেল ৬টার দিকে তিনি (আবু বক্কর) সংবাদ সংগ্রহের জন্য বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে অবস্থান করছিলেন। এ সময় অভিযুক্ত মো. রিয়াজ (৩০), ‘জাগো জনতা’ পত্রিকার ‘বাউফল প্রতিনিধি’ ও মো.:এনামুল হক এনা (৩০) ‘বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)’ ও ‘এ দিন’ পত্রিকার প্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিক আবুবকর সিদ্দিককে দেখতে পেয়ে হঠাৎ অকথ্য ভাষায় গালাগাল শুরু করে।
এ সময় সাংবাদিক আবু সিদ্দিক গালাগাল করতে নিষেধ করলে, তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে টানা হেঁচড়া করে মারধর করার চেষ্টা করে। এ সময় সেখানে উপস্থিত স্থানীয় মো: মাসুম বিল্লাহ, মো জসিম, মো: বশারসহ কয়েকজন সাক্ষী এগিয়ে এসে বিবাদীদ্বয়কে নিবৃত্ত করেন। উপস্থিত সাক্ষীদের সামনেই বিবাদীদ্বয় ও তাদের সাথে থাকা অজ্ঞাতনামা আরও ২ জন সহযোগী ভুক্তভোগী সাংবাদিককে ভবিষ্যতে খুন ও জখম করার হুমকি প্রদান করে চলে যায়।
জিডিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিবাদীদ্বয় এলাকায় সংবাদকর্মীর পরিচয় দিয়ে প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন লোকজনকে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন ও হয়রানি করে আসছে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী সাংবাদিক স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে আলোচনা করে নিজের ভবিষ্যতের নিরাপত্তার স্বার্থে বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) আবেদন করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এনামুল হক এনা ও রিয়াজের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদের পাওয়া যায়নি।
বাউফল থানা পুলিশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জিডিটি গ্রহণ করেছে । থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জিডিটি নথিভুক্ত করে তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এসআই (নিরস্ত্র) খোরশেদ আলীকে দায়িত্ব প্রদান করেছেন। এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রকৃত সাংবাদিকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।’
কুয়াকাটার লেম্বুরবন সংলগ্ন সৈকত থেকে শাহাবুদ্দিন (৫৫) নামের এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টায় তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত ওই জেলের বাড়ি ভোলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুন গঙ্গামতি থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে ফাইবার ট্রলার যোগে গভীর সমুদ্রে যান জেলেরা। ওইদিন সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ঢেউয়ের তান্ডবে ট্রলার থেকে জেলে শাহাবুদ্দিন ছিকটে পরে। ঘটনার পর সহকর্মীরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
মহিপুর থানার ওসি শামীম হাওলাদার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
পটুয়াখালীতে মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ সময় তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পটুয়াখালীর দুমকি থানাধীন লেবুখালী টোলপ্লাজাসংলগ্ন এলাকায় কোস্টগার্ড স্টেশন পটুয়াখালী একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে সন্দেহজনক একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় ইয়াবা বহনের অভিযোগে এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়েছে।
কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, জব্দ ইয়াবা, নগদ অর্থ এবং আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বরিশালটাইমসকে বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’