
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:১৭
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়ণপুর পৌরসভার সারপার ও চারটভাঙ্গা গ্রামের পাঁচ শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বী বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে নারায়ণপুর পৌরসভার নারায়ণপুর ডিগ্রি কলেজ রোড সংলগ্ন মাঠে যোগদান উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
উপজেলার চারটভাঙ্গা গ্রামের রতন প্রধানীয়া, শাম দাস ও সারপার গ্রামের নগেন্দ্র চন্দ্র দাস, কাসি দাস, হরি দাস এবং রনজিত দাসের নেতৃত্বে পাঁচ শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বী সেই অনুষ্ঠানে এসে বিএনপিতে যোগ দেন। অনুষ্ঠানে সদ্য বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হওয়া উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া তাদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান।
অনুষ্ঠানে নগেন্দ্র চন্দ্র দাস বলেন, আমরা পাঁচ শতাধিক হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ আনোয়ার হোসেন ভাইয়ের হাত ধরে বিএনপিতে যোগ দিলাম। আমরা ওয়াদা দিচ্ছি- শতভাগ ভোট ধানের শীষে দেব এবং প্রিয় নেতা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করব।
মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া বলেন, আমার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, কেন্দ্রীয় নেতা এবং স্থানীয় নেতাকর্মীর প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমরা চাঁদপুর-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আলহাজ মো. জালাল উদ্দিনকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করব।
তিনি আরও বলেন, আমি ছাত্রদল করেছি, যুবদল করেছি, এখন বিএনপি করছি। আমার রক্তে বিএনপি। আমরা সবাই শান্তি চাই। আমরা একসঙ্গে তারেক রহমানের স্বপ্নের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলব। বিএনপি কোনো একক গোষ্ঠীর দল নয়। বিএনপি সব ধর্মের ও সব মানুষের ভালোবাসার দল। আপনারা বিএনপিকে ভোট দিয়ে জয়লাভ করলে দেশের মানুষ শান্তিতে থাকবে। দেশের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা একে অপরের ভাই। আমরা সবাই এ দেশের নাগরিক। বিএনপি প্রত্যেক ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সবার অধিকার রক্ষার জন্য সমান গুরুত্ব দিয়েছেন। একজনের বিপদে আরেকজন এগিয়ে আসব। আপনাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব দলের পক্ষ থেকে আমরা নিচ্ছি। দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা একটি সাম্যের, গণতান্ত্রিক ও শান্তির বাংলাদেশ গড়তে চাই।
মতলব দক্ষিণ উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. সোহেল রানা প্রধানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহ-মুক্তিযোদ্ধাবিষয়ক সম্পাদক মোল্লা জাকির, নারায়ণপুর পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আলী প্রমুখ।
এ সময় বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে। হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই, ধানের শীষে ভোট চাই।
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়ণপুর পৌরসভার সারপার ও চারটভাঙ্গা গ্রামের পাঁচ শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বী বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে নারায়ণপুর পৌরসভার নারায়ণপুর ডিগ্রি কলেজ রোড সংলগ্ন মাঠে যোগদান উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
উপজেলার চারটভাঙ্গা গ্রামের রতন প্রধানীয়া, শাম দাস ও সারপার গ্রামের নগেন্দ্র চন্দ্র দাস, কাসি দাস, হরি দাস এবং রনজিত দাসের নেতৃত্বে পাঁচ শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বী সেই অনুষ্ঠানে এসে বিএনপিতে যোগ দেন। অনুষ্ঠানে সদ্য বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হওয়া উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া তাদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান।
অনুষ্ঠানে নগেন্দ্র চন্দ্র দাস বলেন, আমরা পাঁচ শতাধিক হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ আনোয়ার হোসেন ভাইয়ের হাত ধরে বিএনপিতে যোগ দিলাম। আমরা ওয়াদা দিচ্ছি- শতভাগ ভোট ধানের শীষে দেব এবং প্রিয় নেতা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করব।
মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া বলেন, আমার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, কেন্দ্রীয় নেতা এবং স্থানীয় নেতাকর্মীর প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমরা চাঁদপুর-২ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আলহাজ মো. জালাল উদ্দিনকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করব।
তিনি আরও বলেন, আমি ছাত্রদল করেছি, যুবদল করেছি, এখন বিএনপি করছি। আমার রক্তে বিএনপি। আমরা সবাই শান্তি চাই। আমরা একসঙ্গে তারেক রহমানের স্বপ্নের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলব। বিএনপি কোনো একক গোষ্ঠীর দল নয়। বিএনপি সব ধর্মের ও সব মানুষের ভালোবাসার দল। আপনারা বিএনপিকে ভোট দিয়ে জয়লাভ করলে দেশের মানুষ শান্তিতে থাকবে। দেশের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা একে অপরের ভাই। আমরা সবাই এ দেশের নাগরিক। বিএনপি প্রত্যেক ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সবার অধিকার রক্ষার জন্য সমান গুরুত্ব দিয়েছেন। একজনের বিপদে আরেকজন এগিয়ে আসব। আপনাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব দলের পক্ষ থেকে আমরা নিচ্ছি। দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা একটি সাম্যের, গণতান্ত্রিক ও শান্তির বাংলাদেশ গড়তে চাই।
মতলব দক্ষিণ উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. সোহেল রানা প্রধানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহ-মুক্তিযোদ্ধাবিষয়ক সম্পাদক মোল্লা জাকির, নারায়ণপুর পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আলী প্রমুখ।
এ সময় বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে। হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই, ধানের শীষে ভোট চাই।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:১৯
জামালপুর-৩ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী লিটন মিয়াকে অপহরণের পর মারধরের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে জামালপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন ফেসবুক পোস্টে এই তথ্য জানান। ওই পোস্টে তিনি লেখেন, ‘দুপুর থেকে লিটন মিয়ার খোঁজ মিলছে না। মোবাইল বন্ধ।’
নিখোঁজ হওয়া লিটন মিয়া মেলান্দহ উপজেলার ছবিলাপুর গ্রামের কোরবান আকন্দের ছেলে। তিনি জেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি বলে জানা গেছে।
এদিকে, রাত ১১টার দিকে মেলান্দহ উপজেলার মহিরামকুল এলাকা থেকে স্থানীয়রা তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবায়দুর রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তার সঙ্গে কথা বলেন।
এ সময় আহত লিটন মিয়া সাংবাদিকদের জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা থেকে জামালপুর ফিরে শহরের নয়াপাড়া পাঁচরাস্তা মোড়ে একটি স্পাইসি ড্রাগন নামে হোটেলে খাবার খেয়ে হেঁটে বিজয় চত্বরে গিয়ে দাঁড়ান। এরপর তিনি চত্বর থেকে একটু সামনে মেলান্দহ রোডে এগিয়ে হাঁটাহাঁটি করতে থাকেন।
এমন সময় হঠাৎ একটি মাইক্রোবাসে ৬/৭ যুবক এসে তাকে জোরপূর্বক তুলে চোখ-মুখ হাত বেধে মারধর এবং তাকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকি দিয়েছে। একপর্যায়ে আহত লিটন মিয়াকে মেলান্দহ উপজেলার মহিরামকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ফেলে যায়।
তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে তার ব্যবহৃত মোবাইল নিজে ইচ্ছে করে বন্ধ করে দেন বলে স্বীকার করেন। তার প্রাইভেটকার দুই ঘণ্টা পর ফেরার কথা থাকলেও ফিরেছে কি না বলতে পারেন না তিনি। সোমবার অপরিচিত কিছু ব্যক্তি তাকে হুমকি দিয়েছিল বলেও জানান।
এ বিষয়ে কেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করেননি, জানতে চাইলে তিনি কোন সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি। এ বিষয়ে মেলান্দহ থানার ওসি মো. ওবায়দুল রহমান বলেন, ‘ট্রাক মার্কার সংসদ সদস্য প্রার্থী লিটন মিয়াকে উদ্ধার করে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। কিছু প্রশ্নের উত্তর এখনো মিলছে না।’ পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
জামালপুর-৩ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী লিটন মিয়াকে অপহরণের পর মারধরের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে জামালপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন ফেসবুক পোস্টে এই তথ্য জানান। ওই পোস্টে তিনি লেখেন, ‘দুপুর থেকে লিটন মিয়ার খোঁজ মিলছে না। মোবাইল বন্ধ।’
নিখোঁজ হওয়া লিটন মিয়া মেলান্দহ উপজেলার ছবিলাপুর গ্রামের কোরবান আকন্দের ছেলে। তিনি জেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি বলে জানা গেছে।
এদিকে, রাত ১১টার দিকে মেলান্দহ উপজেলার মহিরামকুল এলাকা থেকে স্থানীয়রা তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবায়দুর রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তার সঙ্গে কথা বলেন।
এ সময় আহত লিটন মিয়া সাংবাদিকদের জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা থেকে জামালপুর ফিরে শহরের নয়াপাড়া পাঁচরাস্তা মোড়ে একটি স্পাইসি ড্রাগন নামে হোটেলে খাবার খেয়ে হেঁটে বিজয় চত্বরে গিয়ে দাঁড়ান। এরপর তিনি চত্বর থেকে একটু সামনে মেলান্দহ রোডে এগিয়ে হাঁটাহাঁটি করতে থাকেন।
এমন সময় হঠাৎ একটি মাইক্রোবাসে ৬/৭ যুবক এসে তাকে জোরপূর্বক তুলে চোখ-মুখ হাত বেধে মারধর এবং তাকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকি দিয়েছে। একপর্যায়ে আহত লিটন মিয়াকে মেলান্দহ উপজেলার মহিরামকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ফেলে যায়।
তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে তার ব্যবহৃত মোবাইল নিজে ইচ্ছে করে বন্ধ করে দেন বলে স্বীকার করেন। তার প্রাইভেটকার দুই ঘণ্টা পর ফেরার কথা থাকলেও ফিরেছে কি না বলতে পারেন না তিনি। সোমবার অপরিচিত কিছু ব্যক্তি তাকে হুমকি দিয়েছিল বলেও জানান।
এ বিষয়ে কেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করেননি, জানতে চাইলে তিনি কোন সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি। এ বিষয়ে মেলান্দহ থানার ওসি মো. ওবায়দুল রহমান বলেন, ‘ট্রাক মার্কার সংসদ সদস্য প্রার্থী লিটন মিয়াকে উদ্ধার করে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। কিছু প্রশ্নের উত্তর এখনো মিলছে না।’ পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৪
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিতে ময়মনসিংহে পৌঁছেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ ২২ বছর ময়মনসিংহের মাটিকে পা রাখলেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় ঢাকার গুলশান থেকে সড়কপথে রওনা হয়ে তিনি দুপুরে ময়মনসিংহ শহরে পৌঁছান। এদিন দুপুর ১২টা থেকে সমাবেশস্থলের মাইকে সমাবেশের জানান দেন আয়োজককারীরা। সভা সঞ্চালনায় রয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব রোকনুজ্জামান সরকার রোকন।
দুপুর সাড়ে ১২টায় দিকে দক্ষিণ জেলার বিএনপির সদ্যস্যসচিব রোকনুজ্জামান রোকন সরকারসহ অনেক নেতাদের উপস্থিতি দেখা যায়। এ ছাড়া সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত রয়েছেন ময়মনসিংহ বিভাগের বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা।
আয়োজিত সমাবেশকে প্রাণবন্ত করতে নেতাকর্মীরা হাতে দলীয় পতাকা মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে প্রবেশ শুরু করেন। এ সময় দলীয় প্রতীক ধানের শীষ নিয়েও সমাবেশস্থলে প্রবেশ করেছেন সমর্থকরা।
দলীয় সূত্র জানিয়েছে, আজকের সমাবেশকে সাফল্যমণ্ডিত করতে ময়মনসিংহ বিভাগ ও বিভিন্ন থানা থেকে ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল, শ্রমিক দল, মহিলা দল ও তাঁতী দলের নেতাকর্মী এবং সমর্থকরা হাজির হবেন।
এ বিষয়ে বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু ওয়াহাব আকন্দ বলেন, ময়মনসিংহ বিভাগ এবং জেলার বাইরে থেকে তাদের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে প্রবেশ শুরু করেছেন। আশা করছি, আজকের সমাবেশ স্মরণকালের স্মরণীয় সমাবেশ হবে। সমাবেশের সভাপতিত্ব করবেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলার বিএপির আহ্বায়ক জকির হোসেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিতে ময়মনসিংহে পৌঁছেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ ২২ বছর ময়মনসিংহের মাটিকে পা রাখলেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় ঢাকার গুলশান থেকে সড়কপথে রওনা হয়ে তিনি দুপুরে ময়মনসিংহ শহরে পৌঁছান। এদিন দুপুর ১২টা থেকে সমাবেশস্থলের মাইকে সমাবেশের জানান দেন আয়োজককারীরা। সভা সঞ্চালনায় রয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব রোকনুজ্জামান সরকার রোকন।
দুপুর সাড়ে ১২টায় দিকে দক্ষিণ জেলার বিএনপির সদ্যস্যসচিব রোকনুজ্জামান রোকন সরকারসহ অনেক নেতাদের উপস্থিতি দেখা যায়। এ ছাড়া সমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত রয়েছেন ময়মনসিংহ বিভাগের বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা।
আয়োজিত সমাবেশকে প্রাণবন্ত করতে নেতাকর্মীরা হাতে দলীয় পতাকা মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে প্রবেশ শুরু করেন। এ সময় দলীয় প্রতীক ধানের শীষ নিয়েও সমাবেশস্থলে প্রবেশ করেছেন সমর্থকরা।
দলীয় সূত্র জানিয়েছে, আজকের সমাবেশকে সাফল্যমণ্ডিত করতে ময়মনসিংহ বিভাগ ও বিভিন্ন থানা থেকে ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল, শ্রমিক দল, মহিলা দল ও তাঁতী দলের নেতাকর্মী এবং সমর্থকরা হাজির হবেন।
এ বিষয়ে বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু ওয়াহাব আকন্দ বলেন, ময়মনসিংহ বিভাগ এবং জেলার বাইরে থেকে তাদের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে প্রবেশ শুরু করেছেন। আশা করছি, আজকের সমাবেশ স্মরণকালের স্মরণীয় সমাবেশ হবে। সমাবেশের সভাপতিত্ব করবেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলার বিএপির আহ্বায়ক জকির হোসেন।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:০৮
টাঙ্গাইলের সখীপুরে নির্বাচনী পথসভায় বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে কেঁদেকেটে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ভোট চাওয়ার ঘটনায় যুবদল নেতা নূর-ই-আজমকে শোকজ করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি। গতকাল সোমবার ঢাকায় গিয়ে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে তিনি শোকজের জবাবও দিয়েছেন। পরে রাতে ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে নূর-ই-আজম নিজেই আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। নূর-ই-আজম সখীপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় নেতা-কর্মী সূত্রে জানা গেছে, ২৪ জানুয়ারি বিকেলে উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের খুইংগারচালা এলাকায় বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানের নির্বাচনী পথসভা ছিল।
ওই পথসভায় নূর-ই-আজম বক্তব্য দিতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। আহমেদ আযম খানকে নিজের রাজনৈতিক ‘বাবা’ উল্লেখ করে তিনি এলাকাবাসীর কাছে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চাইতে গিয়ে কাঁদতে কাঁদতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ভোট চেয়ে কান্নাকাটির ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই তাঁর এমনভাবে আবেগ প্রকাশকে ‘অভিনয়’ বলে মন্তব্য করেন।
জানতে চাইলে নূর-ই-আজম বলেন, ‘শোকজ এবং ভিডিওতে করা মন্তব্যগুলো অত্যন্ত দুঃখজনক। আমার নামে ১১টি রাজনৈতিক মামলা হয়েছে। কয়েকবার জেল খেটেছি। ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলাম, সভাপতি ছিলাম।
আমি অভিনয় করে কোনো বক্তব্য দিইনি। যা বলেছি, সব মন থেকেই বলেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভিডিওর মন্তব্যগুলো প্রতিপক্ষরা ভুয়া আইডি দিয়ে করেছে। তারপরও যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশে আমি নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছি।’
সখীপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ফরহাদ ইকবাল বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নূর-ই-আজমের বক্তব্যের ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল। মূলত প্রতিপক্ষের লোকজন ভুয়া আইডি ব্যবহার করে ওই ভিডিওতে অধিকহারে নেতিবাচক মন্তব্য করে। এসব বিষয় কেন্দ্রীয় কমিটির নজরে আসার কারণে সম্ভবত তাঁকে শোকজ নোটিশ দিয়েছিল। পরে কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশে নূর-ই-আজম নিজের ফেসবুকের মাধ্যমে ভিডিও বার্তায় নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।
টাঙ্গাইলের সখীপুরে নির্বাচনী পথসভায় বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে কেঁদেকেটে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ভোট চাওয়ার ঘটনায় যুবদল নেতা নূর-ই-আজমকে শোকজ করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি। গতকাল সোমবার ঢাকায় গিয়ে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে তিনি শোকজের জবাবও দিয়েছেন। পরে রাতে ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে নূর-ই-আজম নিজেই আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। নূর-ই-আজম সখীপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় নেতা-কর্মী সূত্রে জানা গেছে, ২৪ জানুয়ারি বিকেলে উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের খুইংগারচালা এলাকায় বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানের নির্বাচনী পথসভা ছিল।
ওই পথসভায় নূর-ই-আজম বক্তব্য দিতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। আহমেদ আযম খানকে নিজের রাজনৈতিক ‘বাবা’ উল্লেখ করে তিনি এলাকাবাসীর কাছে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চাইতে গিয়ে কাঁদতে কাঁদতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ভোট চেয়ে কান্নাকাটির ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই তাঁর এমনভাবে আবেগ প্রকাশকে ‘অভিনয়’ বলে মন্তব্য করেন।
জানতে চাইলে নূর-ই-আজম বলেন, ‘শোকজ এবং ভিডিওতে করা মন্তব্যগুলো অত্যন্ত দুঃখজনক। আমার নামে ১১টি রাজনৈতিক মামলা হয়েছে। কয়েকবার জেল খেটেছি। ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলাম, সভাপতি ছিলাম।
আমি অভিনয় করে কোনো বক্তব্য দিইনি। যা বলেছি, সব মন থেকেই বলেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভিডিওর মন্তব্যগুলো প্রতিপক্ষরা ভুয়া আইডি দিয়ে করেছে। তারপরও যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশে আমি নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছি।’
সখীপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ফরহাদ ইকবাল বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নূর-ই-আজমের বক্তব্যের ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল। মূলত প্রতিপক্ষের লোকজন ভুয়া আইডি ব্যবহার করে ওই ভিডিওতে অধিকহারে নেতিবাচক মন্তব্য করে। এসব বিষয় কেন্দ্রীয় কমিটির নজরে আসার কারণে সম্ভবত তাঁকে শোকজ নোটিশ দিয়েছিল। পরে কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশে নূর-ই-আজম নিজের ফেসবুকের মাধ্যমে ভিডিও বার্তায় নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৫
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৩৫
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:২৬
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:১৯