
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:২৩
পিরোজপুরের নেছারাবাদে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন মহিলা দল নেত্রী।
এ ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে তিনি তার ফেসবুকে এ সংক্রান্ত একটি স্ট্যাটাস দেন।
সুলতানা রাজিয়া নেছারাবাদ উপজেলা মহিলা দলের সদস্য ও জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) পিরোজপুর জেলা শাখার সদস্য সচিব। নির্বাচনী সেন্টারের খরচ না পেয়ে হতাশ হয়ে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
জানা গেছে, পিরোজপুর-২ (কাউখালী, ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ) আসনের বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের জলাবাড়ি, সুটিয়াকাঠি ও গুয়ারেখা ইউনিয়নের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ৩ নম্বর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
ফেসবুক পোস্টে রাজিয়া লেখেন, ‘জলাবাড়ি, সুটিয়াকাঠি, গুয়ারেখা ইউনিয়নের নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিলাম। সামর্থ্য অনুযায়ী খরচ করেছি। আর ক্ষমতা নাই। কারো কোনো সহযোগিতা পাইনি।’
সুলতানা রাজিয়া বলেন, ‘আমি নিজের টাকা-পয়সা খরচ করে নির্বাচন পরিচালনার কাজ করেছি। এখন আর পারছি না। আমাদের কোনো খরচ দেওয়া হচ্ছে না। তাই অত্যন্ত কষ্টের সঙ্গে স্বেচ্ছায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছি। তবে যতদিন বেঁচে আছি, বিএনপি করে যাব।’
এ বিষয়ে নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নাসির উদ্দীন তালুকদার বলেন, ‘সে সৈকত সাহেবের লোক। আমি এত পারি না।’
নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মো. আব্দুল্লাহ আল বেরুনী সৈকত বলেন, ‘মূলত সব ইউনিয়ন থেকে মহিলা নেত্রীদের একটি তালিকা ও কাগজপত্র দিতে হবে। এরপর ন্যূনতম একটি সেন্টার খরচ দেওয়া হবে। হয়ত কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। বিষয়টি আমরা দেখছি।’
পিরোজপুরের নেছারাবাদে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন মহিলা দল নেত্রী।
এ ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে তিনি তার ফেসবুকে এ সংক্রান্ত একটি স্ট্যাটাস দেন।
সুলতানা রাজিয়া নেছারাবাদ উপজেলা মহিলা দলের সদস্য ও জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) পিরোজপুর জেলা শাখার সদস্য সচিব। নির্বাচনী সেন্টারের খরচ না পেয়ে হতাশ হয়ে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
জানা গেছে, পিরোজপুর-২ (কাউখালী, ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ) আসনের বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের জলাবাড়ি, সুটিয়াকাঠি ও গুয়ারেখা ইউনিয়নের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ৩ নম্বর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
ফেসবুক পোস্টে রাজিয়া লেখেন, ‘জলাবাড়ি, সুটিয়াকাঠি, গুয়ারেখা ইউনিয়নের নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিলাম। সামর্থ্য অনুযায়ী খরচ করেছি। আর ক্ষমতা নাই। কারো কোনো সহযোগিতা পাইনি।’
সুলতানা রাজিয়া বলেন, ‘আমি নিজের টাকা-পয়সা খরচ করে নির্বাচন পরিচালনার কাজ করেছি। এখন আর পারছি না। আমাদের কোনো খরচ দেওয়া হচ্ছে না। তাই অত্যন্ত কষ্টের সঙ্গে স্বেচ্ছায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছি। তবে যতদিন বেঁচে আছি, বিএনপি করে যাব।’
এ বিষয়ে নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নাসির উদ্দীন তালুকদার বলেন, ‘সে সৈকত সাহেবের লোক। আমি এত পারি না।’
নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মো. আব্দুল্লাহ আল বেরুনী সৈকত বলেন, ‘মূলত সব ইউনিয়ন থেকে মহিলা নেত্রীদের একটি তালিকা ও কাগজপত্র দিতে হবে। এরপর ন্যূনতম একটি সেন্টার খরচ দেওয়া হবে। হয়ত কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। বিষয়টি আমরা দেখছি।’

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪১
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় অতিরিক্ত দামে অকটেন বিক্রির অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে অভিযান চালিয়ে বাইকারদের মধ্যে সরকার নির্ধারিত দামে তেল বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়। এতে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় তেল গ্রাহকরা।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জিয়ানগর উপজেলার বিভিন্ন বাজারে বেশ কিছুদিন ধরে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে জ্বালানি তেল বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করে।
এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (৬ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে উপজেলার চন্ডিপুর বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় অকটেন প্রতি লিটার ১৭০ টাকায় বিক্রির অভিযোগে মেসার্স তুহিন হার্ডওয়্যার স্টেশনের মালিক দেলোয়ারকে ভোক্তা অধিকার আইনে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান চলাকালে সেখানে উপস্থিত বাইকারদের মধ্যে সরকার নির্ধারিত মূল্যে তেল বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়।
জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে অকটেন বিক্রির অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে ভোক্তা অধিকার আইনে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গ্রাহকদের সরকারি দামে তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাজারে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা অতিরিক্ত দামে বিক্রির বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় অতিরিক্ত দামে অকটেন বিক্রির অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে অভিযান চালিয়ে বাইকারদের মধ্যে সরকার নির্ধারিত দামে তেল বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়। এতে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় তেল গ্রাহকরা।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মো. হাফিজুর রহমান।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জিয়ানগর উপজেলার বিভিন্ন বাজারে বেশ কিছুদিন ধরে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে জ্বালানি তেল বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করে।
এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (৬ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে উপজেলার চন্ডিপুর বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় অকটেন প্রতি লিটার ১৭০ টাকায় বিক্রির অভিযোগে মেসার্স তুহিন হার্ডওয়্যার স্টেশনের মালিক দেলোয়ারকে ভোক্তা অধিকার আইনে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান চলাকালে সেখানে উপস্থিত বাইকারদের মধ্যে সরকার নির্ধারিত মূল্যে তেল বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়।
জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে অকটেন বিক্রির অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে ভোক্তা অধিকার আইনে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গ্রাহকদের সরকারি দামে তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাজারে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা অতিরিক্ত দামে বিক্রির বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
বরিশাল টাইমস

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:১৭
পিরোজপুরের নেছারাবাদে পিতৃপরিচয়ের দাবিতে মো. নাহিদ (২৪) নামের এক যুবক বিভিন্ন দপ্তরে গিয়েও জাতীয় পরিচয়পত্র করতে পারছেন না বলে জানা গেছে। ২৪ বছর পর পিতৃত্বের দাবিতে মা-ছেলে ঘুরছেন দ্বারে দ্বারে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) বিকেলে নেছারাবাদ উপজেলার জলাবাড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ কামারকাঠী গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত পিতা মিজান বালী উপজেলার জলাবাড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ কামারকাঠী গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সোহরাব বালীর ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, ২০০১ সালে ওই গ্রামের সোহরাব হোসেনের ছেলে মিজান বালীর সঙ্গে একই গ্রামের মৃত হাতেম আলীর মেয়ে নাসিমা বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের এক বছরের মধ্যে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। বিচ্ছেদের সময় নাসিমা বেগম পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। ২০০২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি তার গর্ভে থাকা সন্তানের জন্ম হয়। তবে জন্মের পর থেকেই সন্তান নাহিদকে অস্বীকার করেন মিজান। নিরুপায় হয়ে নাসিমা বেগম সন্তানসহ নানা বাড়িতে আশ্রয় নেন। বর্তমানে পিতৃপরিচয় না থাকায় জন্মনিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র করতে পারছেন না নাহিদ।
ভুক্তভোগী যুবক নাহিদ বলেন, ২০০১ সালে আমার মা-বাবার বিয়ে হয়। ২০০২ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের সময় আমি মায়ের গর্ভে ছিলাম। এখন আমার বাবা আমাকে অস্বীকার করছেন। পিতৃত্বের দাবিতে সমাজপতিদের কাছে গিয়েছি, বাবার কাছেও গিয়েছি। তবে কোনো সাড়া পাইনি। জন্মনিবন্ধন করতে গেলেও বাবার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি চাওয়া হয়। সমাজে নানা কটূক্তির শিকার হচ্ছি। আমি কি পিতৃত্বের পরিচয় পাব না? আমি আমার পিতৃত্বের স্বীকৃতি চাই।
নাসিমা বেগম বলেন, ২০০১ সালে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলাম। দরিদ্রতার কারণে এক বছরের মধ্যেই বিবাহবিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের সময় আমি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলাম। সন্তান জন্মের পর তার বাবা কোনো খোঁজখবর নেয়নি, বরং অস্বীকার করেছে। আমি অন্যের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালাই। এখন আমার সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য পিতৃপরিচয় খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে গিয়েও কোনো সমাধান পাইনি। আমার ছেলে কি পিতার পরিচয় পাবে না?
অভিযুক্ত মিজান বালী বলেন, প্রায় ২৪ বছর আগে নাসিমার সঙ্গে আমার বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের তিন মাস পর তালাক হয়। পরে শুনেছি তিনি অন্যত্র বিয়ে করেছেন। যে ছেলেটি পিতৃত্বের দাবি করছে, সে আমার সন্তান নয়। এটি তার দ্বিতীয় স্বামীর সন্তান। আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করতে একটি মহল চক্রান্ত করছে।
গ্রামচৌকিদার বিপুল হালদার বলেন, মিজান বালী ও নাসিমা বেগমের বিয়েটি আমরা করিয়ে দিয়েছিলাম। দাম্পত্য কলহের কারণে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর মিজান দীর্ঘদিন এলাকায় ছিলেন না। এখন নাহিদ নামের এক যুবক পিতৃত্বের দাবি করছে বলে শুনেছি।
ওয়ার্ড সদস্য লিটন খান বলেন, মিজান ও নাসিমার বিয়ের বিষয়টি সবাই জানে। বিচ্ছেদের পর সন্তানের জন্ম হওয়ায় মিজান অস্বীকার করছেন। তবে নাহিদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় পিতৃপরিচয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পিতার পরিচয় না থাকায় সে সরকারি সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে।
জলাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ বলেন, নাহিদ নামের এক যুবক জন্মনিবন্ধনের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে এসেছিল। তার কাছ থেকে সমস্যার কথা শুনেছি। ঘটনাটি অনেক পুরোনো হওয়ায় উভয় পক্ষের কথা না শুনে সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে নাহিদের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে সমাধানের চেষ্টা করা হবে।
পিরোজপুরের নেছারাবাদে পিতৃপরিচয়ের দাবিতে মো. নাহিদ (২৪) নামের এক যুবক বিভিন্ন দপ্তরে গিয়েও জাতীয় পরিচয়পত্র করতে পারছেন না বলে জানা গেছে। ২৪ বছর পর পিতৃত্বের দাবিতে মা-ছেলে ঘুরছেন দ্বারে দ্বারে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) বিকেলে নেছারাবাদ উপজেলার জলাবাড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ কামারকাঠী গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত পিতা মিজান বালী উপজেলার জলাবাড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ কামারকাঠী গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সোহরাব বালীর ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, ২০০১ সালে ওই গ্রামের সোহরাব হোসেনের ছেলে মিজান বালীর সঙ্গে একই গ্রামের মৃত হাতেম আলীর মেয়ে নাসিমা বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের এক বছরের মধ্যে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। বিচ্ছেদের সময় নাসিমা বেগম পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। ২০০২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি তার গর্ভে থাকা সন্তানের জন্ম হয়। তবে জন্মের পর থেকেই সন্তান নাহিদকে অস্বীকার করেন মিজান। নিরুপায় হয়ে নাসিমা বেগম সন্তানসহ নানা বাড়িতে আশ্রয় নেন। বর্তমানে পিতৃপরিচয় না থাকায় জন্মনিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র করতে পারছেন না নাহিদ।
ভুক্তভোগী যুবক নাহিদ বলেন, ২০০১ সালে আমার মা-বাবার বিয়ে হয়। ২০০২ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের সময় আমি মায়ের গর্ভে ছিলাম। এখন আমার বাবা আমাকে অস্বীকার করছেন। পিতৃত্বের দাবিতে সমাজপতিদের কাছে গিয়েছি, বাবার কাছেও গিয়েছি। তবে কোনো সাড়া পাইনি। জন্মনিবন্ধন করতে গেলেও বাবার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি চাওয়া হয়। সমাজে নানা কটূক্তির শিকার হচ্ছি। আমি কি পিতৃত্বের পরিচয় পাব না? আমি আমার পিতৃত্বের স্বীকৃতি চাই।
নাসিমা বেগম বলেন, ২০০১ সালে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলাম। দরিদ্রতার কারণে এক বছরের মধ্যেই বিবাহবিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের সময় আমি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলাম। সন্তান জন্মের পর তার বাবা কোনো খোঁজখবর নেয়নি, বরং অস্বীকার করেছে। আমি অন্যের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালাই। এখন আমার সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য পিতৃপরিচয় খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে গিয়েও কোনো সমাধান পাইনি। আমার ছেলে কি পিতার পরিচয় পাবে না?
অভিযুক্ত মিজান বালী বলেন, প্রায় ২৪ বছর আগে নাসিমার সঙ্গে আমার বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের তিন মাস পর তালাক হয়। পরে শুনেছি তিনি অন্যত্র বিয়ে করেছেন। যে ছেলেটি পিতৃত্বের দাবি করছে, সে আমার সন্তান নয়। এটি তার দ্বিতীয় স্বামীর সন্তান। আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করতে একটি মহল চক্রান্ত করছে।
গ্রামচৌকিদার বিপুল হালদার বলেন, মিজান বালী ও নাসিমা বেগমের বিয়েটি আমরা করিয়ে দিয়েছিলাম। দাম্পত্য কলহের কারণে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর মিজান দীর্ঘদিন এলাকায় ছিলেন না। এখন নাহিদ নামের এক যুবক পিতৃত্বের দাবি করছে বলে শুনেছি।
ওয়ার্ড সদস্য লিটন খান বলেন, মিজান ও নাসিমার বিয়ের বিষয়টি সবাই জানে। বিচ্ছেদের পর সন্তানের জন্ম হওয়ায় মিজান অস্বীকার করছেন। তবে নাহিদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় পিতৃপরিচয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পিতার পরিচয় না থাকায় সে সরকারি সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে।
জলাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ বলেন, নাহিদ নামের এক যুবক জন্মনিবন্ধনের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে এসেছিল। তার কাছ থেকে সমস্যার কথা শুনেছি। ঘটনাটি অনেক পুরোনো হওয়ায় উভয় পক্ষের কথা না শুনে সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে নাহিদের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে সমাধানের চেষ্টা করা হবে।

০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৭
পিরোজপুরে হাম রোগের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এ কর্মসূচির আওতায় ৯ মাস থেকে ১৫ মাস বয়সি শিশুদের টিকা প্রদান করা হবে।
পিরোজপুরের সিভিল সার্জন মো. মতিউর রহমান বলেন, ‘এ কর্মসূচির আওতায় আমরা জেলার ৯ থেকে ১৫ মাস বয়সি প্রায় ৬০ হাজার শিশুকে টিকা প্রদান করব। পর্যায়ক্রমে সকল শিশুকে এ টিকার আওতায় আনা হবে। তবে পিরোজপুরে হাম রোগের তেমন কোনো প্রাদুর্ভাব নেই। গতকাল দুইজন শিশু আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, তারা আমাদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে।’
এ সময় পিরোজপুরের সিভিল সার্জন মো. মতিউর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আলাউদ্দিন ভূঁইয়া জনি, জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. আলমগীর হোসেন এবং পিরোজপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এস. এম. রেজাউল ইসলাম শামীম উপস্থিত ছিলেন।
পিরোজপুরে হাম রোগের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এ কর্মসূচির আওতায় ৯ মাস থেকে ১৫ মাস বয়সি শিশুদের টিকা প্রদান করা হবে।
পিরোজপুরের সিভিল সার্জন মো. মতিউর রহমান বলেন, ‘এ কর্মসূচির আওতায় আমরা জেলার ৯ থেকে ১৫ মাস বয়সি প্রায় ৬০ হাজার শিশুকে টিকা প্রদান করব। পর্যায়ক্রমে সকল শিশুকে এ টিকার আওতায় আনা হবে। তবে পিরোজপুরে হাম রোগের তেমন কোনো প্রাদুর্ভাব নেই। গতকাল দুইজন শিশু আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, তারা আমাদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে।’
এ সময় পিরোজপুরের সিভিল সার্জন মো. মতিউর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আলাউদ্দিন ভূঁইয়া জনি, জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. আলমগীর হোসেন এবং পিরোজপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এস. এম. রেজাউল ইসলাম শামীম উপস্থিত ছিলেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.