
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৫৬
মাদারীপুরে অবৈধভাবে মজুত করে ভোজ্য তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করার দায়ে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের বসত ভবনের গোডাউনে যৌথ অভিযান চালিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও র্যাব-৮।
রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম ইউনিয়নের ধুয়াশার বাজারে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। জানা যায়, ভোজ্য তেল অবৈধভাবে মজুত করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে এমন খবরে র্যাবকে সঙ্গে নিয়ে অভিযানে নামে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এ সময় ডাসার উপজেলার ধুয়াশার বাজারের সরদার ট্রেডার্স নামে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিক অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য বাচ্চু সরদারের বসত ভবনের নিচ তলা থেকে ৩৭ হাজার লিটার সয়াবিন তেল উদ্ধার করা হয়।
পরে তাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন মাদারীপুর ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সুচন্দন মন্ডল। পরে সোমবার দিনের মধ্যে জব্দ সয়াবিন তেল বাজারে ছাড়ার শর্তে মুচলেকা নেওয়া হয়। এই অভিযানে মাদারীপুর র্যাব-৮ এর সহকারী কমান্ডার (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) তারিখ হাসানসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মাদারীপুরের সহকারী পরিচালক সুচন্দ মন্ডল জানান, ভোজ্যতেলের বাজার অস্থির করতে এবং অধিক মুনাফার জন্য এসব তেল অবৈধভাবে মজুত করা হয়েছিল। এই অপরাধে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। মজুত তেল দ্রুত বাজারে সরবরাহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।
মাদারীপুরে অবৈধভাবে মজুত করে ভোজ্য তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করার দায়ে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের বসত ভবনের গোডাউনে যৌথ অভিযান চালিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও র্যাব-৮।
রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম ইউনিয়নের ধুয়াশার বাজারে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। জানা যায়, ভোজ্য তেল অবৈধভাবে মজুত করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে এমন খবরে র্যাবকে সঙ্গে নিয়ে অভিযানে নামে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এ সময় ডাসার উপজেলার ধুয়াশার বাজারের সরদার ট্রেডার্স নামে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিক অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য বাচ্চু সরদারের বসত ভবনের নিচ তলা থেকে ৩৭ হাজার লিটার সয়াবিন তেল উদ্ধার করা হয়।
পরে তাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন মাদারীপুর ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সুচন্দন মন্ডল। পরে সোমবার দিনের মধ্যে জব্দ সয়াবিন তেল বাজারে ছাড়ার শর্তে মুচলেকা নেওয়া হয়। এই অভিযানে মাদারীপুর র্যাব-৮ এর সহকারী কমান্ডার (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) তারিখ হাসানসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মাদারীপুরের সহকারী পরিচালক সুচন্দ মন্ডল জানান, ভোজ্যতেলের বাজার অস্থির করতে এবং অধিক মুনাফার জন্য এসব তেল অবৈধভাবে মজুত করা হয়েছিল। এই অপরাধে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। মজুত তেল দ্রুত বাজারে সরবরাহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০৯
শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করে এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে গিয়ে হলের ভেতর থেকে ফেসবুকে লাইভ করেছেন কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে কুমিল্লার হোমনা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে যান সংসদ সদস্য সেলিম ভূইয়া। এ সময় তিনি ‘অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া এমপি’ ফেসবুক পেজ থেকে লাইভ করেন।
ফেসবুক লাইভে দেখা গেছে, সংসদ সদস্য সেলিম ভূঁইয়া হোমনা সরকারি কলেজের সিঁড়ি বেয়ে দোতলায় উঠছেন। পরে পরীক্ষার হলের একটি কক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে শিক্ষক এবং পরীক্ষার্থীদের নির্দেশনা দিচ্ছেন। সেখান থেকে বেরিয়ে সামনের কক্ষের দিকে যাচ্ছেন।
এ সময় ক্যামেরার পেছনে থাকা কেউ একজন সংসদ সদস্যের পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শনের বর্ণনা করছেন। পরের কক্ষে সংসদ সদস্য সেলিম ভূইয়া প্রবেশ করে সামনের বেঞ্চে বসা এক শিক্ষার্থীর কাছে চলে যান।
এ সময় সেলিম ভূইয়াকে প্রশ্ন করতে শোনা যায়, পরীক্ষা সহজ হইছে নাকি? কিছুক্ষণ পর সেই কক্ষ থেকে বের হয়ে অন্য একটি কক্ষের দিকে যেতে থাকলে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক এসে সালাম দিয়ে ‘আমি প্রধান শিক্ষক’ বলেন।
এ সময় সংসদ সদস্য সেলিম ভূঁইয়া তাকে ‘আপনি আপনার কাজ করেন’ বলে তাকে চলে যেতে হাতে ইশারা দিতে দেখা যায়। কিছুক্ষণ পর আরেকটি কক্ষে প্রবেশ করে সোজা কক্ষের মাঝ বরাবর চলে যান। সেখানে পরীক্ষারত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেমন হয়েছে বলে প্রশ্ন করেন।
এভাবে ৮ মিনিট ৫৭ সেকেন্ড লাইভে সংযুক্ত থাকতে দেখা গেছে সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়াকে। এদিকে একজন সংসদ সদস্যের এমন আচরণে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন কুমিল্লার সচেতন মহল। সচেতন নাগরিকদের দাবি, মন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী একজন সংসদ সদস্য হয়ে তিনি পরীক্ষা পরিদর্শনই করতে পারেন না, সেখানে কক্ষ থেকে লাইভ করে ভালো কাজ করেননি।
জেলা সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) সাবেক সভাপতি মো. শাহ আলমগীর খান জানান, জনপ্রতিনিধি পরীক্ষার হলে প্রবেশ করলে এমনিতেই শিক্ষার্থীদের ওপর মানসিক চাপ বাড়ে। সে কারণে শিক্ষামন্ত্রী হয়তো নির্দেশনা দিয়েছেন।
সংসদ সদস্য হয়েও মন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করেছেন, এটা অপ্রত্যাশিত। মন্ত্রী মহোদয় নির্দেশনা দিয়ে বসে থাকলে চলবে না। এটার জন্য জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে। আমি আশা করব, জনপ্রতিনিধিরা বিষয়গুলো মাথায় রেখে ভবিষ্যতে এসব কাজ থেকে বিরত থাকবেন।
হোমনা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব, প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক তাজুল ইসলাম জানান, আমাকে একজন বলল এমপি স্যার এসেছেন, আমি তখন উনার সঙ্গে দেখা করতে যাই। পরে আমার প্রশ্নপত্রের কাজ ছিল বিধায় আমি চলে যাই। এরপর কী হয়েছে আর জানি না।
ফেসবুক লাইভের বিষয়টি আমার জানা নেই। সংসদ সদস্যের সঙ্গে দুজন ব্যক্তি ছিল, একজন সামনে থেকে ক্যামেরা ধরেছেন, আরেকজন পেছন থেকে ভিডিও করছেন এটা দেখেছেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, উনার (সংসদ সদস্য) সঙ্গে আর কে ছিল, তা আমি খেয়াল করিনি।
এ বিষয়ে সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মোবাইল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. শামছুল ইসলাম জানান, মন্ত্রী মহোদয়ের স্পষ্ট নির্দেশনা কোনো জনপ্রতিনিধি কাউকে সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষার হলে পরিদর্শনে যাবেন না। সেখানে ফেসবুক লাইভ তো দূরের কথা। সংসদ সদস্য মহোদয় যদি এটা করে থাকেন, আমরা বোর্ড থেকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করব।
শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করে এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে গিয়ে হলের ভেতর থেকে ফেসবুকে লাইভ করেছেন কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে কুমিল্লার হোমনা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে যান সংসদ সদস্য সেলিম ভূইয়া। এ সময় তিনি ‘অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া এমপি’ ফেসবুক পেজ থেকে লাইভ করেন।
ফেসবুক লাইভে দেখা গেছে, সংসদ সদস্য সেলিম ভূঁইয়া হোমনা সরকারি কলেজের সিঁড়ি বেয়ে দোতলায় উঠছেন। পরে পরীক্ষার হলের একটি কক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে শিক্ষক এবং পরীক্ষার্থীদের নির্দেশনা দিচ্ছেন। সেখান থেকে বেরিয়ে সামনের কক্ষের দিকে যাচ্ছেন।
এ সময় ক্যামেরার পেছনে থাকা কেউ একজন সংসদ সদস্যের পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শনের বর্ণনা করছেন। পরের কক্ষে সংসদ সদস্য সেলিম ভূইয়া প্রবেশ করে সামনের বেঞ্চে বসা এক শিক্ষার্থীর কাছে চলে যান।
এ সময় সেলিম ভূইয়াকে প্রশ্ন করতে শোনা যায়, পরীক্ষা সহজ হইছে নাকি? কিছুক্ষণ পর সেই কক্ষ থেকে বের হয়ে অন্য একটি কক্ষের দিকে যেতে থাকলে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক এসে সালাম দিয়ে ‘আমি প্রধান শিক্ষক’ বলেন।
এ সময় সংসদ সদস্য সেলিম ভূঁইয়া তাকে ‘আপনি আপনার কাজ করেন’ বলে তাকে চলে যেতে হাতে ইশারা দিতে দেখা যায়। কিছুক্ষণ পর আরেকটি কক্ষে প্রবেশ করে সোজা কক্ষের মাঝ বরাবর চলে যান। সেখানে পরীক্ষারত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেমন হয়েছে বলে প্রশ্ন করেন।
এভাবে ৮ মিনিট ৫৭ সেকেন্ড লাইভে সংযুক্ত থাকতে দেখা গেছে সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়াকে। এদিকে একজন সংসদ সদস্যের এমন আচরণে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন কুমিল্লার সচেতন মহল। সচেতন নাগরিকদের দাবি, মন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী একজন সংসদ সদস্য হয়ে তিনি পরীক্ষা পরিদর্শনই করতে পারেন না, সেখানে কক্ষ থেকে লাইভ করে ভালো কাজ করেননি।
জেলা সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) সাবেক সভাপতি মো. শাহ আলমগীর খান জানান, জনপ্রতিনিধি পরীক্ষার হলে প্রবেশ করলে এমনিতেই শিক্ষার্থীদের ওপর মানসিক চাপ বাড়ে। সে কারণে শিক্ষামন্ত্রী হয়তো নির্দেশনা দিয়েছেন।
সংসদ সদস্য হয়েও মন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করেছেন, এটা অপ্রত্যাশিত। মন্ত্রী মহোদয় নির্দেশনা দিয়ে বসে থাকলে চলবে না। এটার জন্য জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে। আমি আশা করব, জনপ্রতিনিধিরা বিষয়গুলো মাথায় রেখে ভবিষ্যতে এসব কাজ থেকে বিরত থাকবেন।
হোমনা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব, প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক তাজুল ইসলাম জানান, আমাকে একজন বলল এমপি স্যার এসেছেন, আমি তখন উনার সঙ্গে দেখা করতে যাই। পরে আমার প্রশ্নপত্রের কাজ ছিল বিধায় আমি চলে যাই। এরপর কী হয়েছে আর জানি না।
ফেসবুক লাইভের বিষয়টি আমার জানা নেই। সংসদ সদস্যের সঙ্গে দুজন ব্যক্তি ছিল, একজন সামনে থেকে ক্যামেরা ধরেছেন, আরেকজন পেছন থেকে ভিডিও করছেন এটা দেখেছেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, উনার (সংসদ সদস্য) সঙ্গে আর কে ছিল, তা আমি খেয়াল করিনি।
এ বিষয়ে সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মোবাইল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. শামছুল ইসলাম জানান, মন্ত্রী মহোদয়ের স্পষ্ট নির্দেশনা কোনো জনপ্রতিনিধি কাউকে সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষার হলে পরিদর্শনে যাবেন না। সেখানে ফেসবুক লাইভ তো দূরের কথা। সংসদ সদস্য মহোদয় যদি এটা করে থাকেন, আমরা বোর্ড থেকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করব।

২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০৪
নওগাঁ ও কক্সবাজারে সাতজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে নিয়ামতপুর উপজেলায় চারজন ও টেকনাফে তিনজনকে হত্যা করা হয়।
নওগাঁ : জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে গতকাল রাতে একই পরিবারের স্বামী, স্ত্রী ও দুই সন্তানকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। নিহতরা হলেন— বাহাদুরপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান (৩৫), তার স্ত্রী পপি খাতুন (৩০) এবং তাদের ছেলে পারভেজ হোসেন (১০) ও মেয়ে সাদিয়া খাতুন (৩)।
নিহতদের মধ্যে হাবিবুর ও তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তাদের সন্তান পারভেজ ও সাদিয়াকে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। পারভেজ বাহাদুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে হাবিবুর রহমানের বাবা নমির হোসেন ছেলের ঘরের দরজার সামনে রক্ত দেখতে পান। সন্দেহ হলে তিনি ভেতরে প্রবেশ করে খাটের ওপর চাদর দিয়ে ঢাকা অবস্থায় চারজনের লাশ দেখতে পান। পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হন এবং পুলিশে খবর দেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হাবিবুর রহমান পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী ছিলেন। মান্দার চৌবাড়িয়া হাটে গরু বিক্রি করে সোমবার রাত ৮টার দিকে বাড়িতে আসেন। তার কাছে গরু বিক্রির দুই লাখ ৮০ হাজার টাকা ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা হাবিবুরের টাকা লুটের জন্য তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করেছে। এছাড়া বাড়িতে থাকা স্বর্ণালঙ্কারও লুট করে নিয়ে গেছে। হাবিবুরের স্ত্রী পপি খাতুনের কানের রিং ছিনিয়ে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।
নিয়ামতপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিহতদের মধ্যে বাড়ির কর্তা হাবিবুর ও স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তাদের সন্তানদের মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ডাকাতি করার উদ্দেশে দুর্বৃত্তরা ওই বাড়িতে প্রবেশ করেছিল। ডাকাতি করার পর পরিচয় প্রকাশ হওয়ার ভয়ে ওই বাড়ির কর্তাসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের হত্যা করেছে।
কক্সবাজার : কক্সবাজারের টেকনাফে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় উপকূলীয় বাহারছড়া উত্তর শীলখালী এলাকার গহিন পাহাড় থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে।
স্থানীয়রা জানান, বুধবার রাতে উত্তর শীলখালীতে পাহাড়ের পাদদেশে একটি বাসায় চারজনকে গলা কেটে ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন— নুরুল কবিরের ছেলে মজিদ, নুরুল ইসলামের ছেলে নুরুল বশর এবং রুহুল আমিনের ছেলে রবি।
নওগাঁ ও কক্সবাজারে সাতজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে নিয়ামতপুর উপজেলায় চারজন ও টেকনাফে তিনজনকে হত্যা করা হয়।
নওগাঁ : জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে গতকাল রাতে একই পরিবারের স্বামী, স্ত্রী ও দুই সন্তানকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। নিহতরা হলেন— বাহাদুরপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান (৩৫), তার স্ত্রী পপি খাতুন (৩০) এবং তাদের ছেলে পারভেজ হোসেন (১০) ও মেয়ে সাদিয়া খাতুন (৩)।
নিহতদের মধ্যে হাবিবুর ও তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তাদের সন্তান পারভেজ ও সাদিয়াকে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। পারভেজ বাহাদুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে হাবিবুর রহমানের বাবা নমির হোসেন ছেলের ঘরের দরজার সামনে রক্ত দেখতে পান। সন্দেহ হলে তিনি ভেতরে প্রবেশ করে খাটের ওপর চাদর দিয়ে ঢাকা অবস্থায় চারজনের লাশ দেখতে পান। পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হন এবং পুলিশে খবর দেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হাবিবুর রহমান পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী ছিলেন। মান্দার চৌবাড়িয়া হাটে গরু বিক্রি করে সোমবার রাত ৮টার দিকে বাড়িতে আসেন। তার কাছে গরু বিক্রির দুই লাখ ৮০ হাজার টাকা ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা হাবিবুরের টাকা লুটের জন্য তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করেছে। এছাড়া বাড়িতে থাকা স্বর্ণালঙ্কারও লুট করে নিয়ে গেছে। হাবিবুরের স্ত্রী পপি খাতুনের কানের রিং ছিনিয়ে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।
নিয়ামতপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিহতদের মধ্যে বাড়ির কর্তা হাবিবুর ও স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তাদের সন্তানদের মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ডাকাতি করার উদ্দেশে দুর্বৃত্তরা ওই বাড়িতে প্রবেশ করেছিল। ডাকাতি করার পর পরিচয় প্রকাশ হওয়ার ভয়ে ওই বাড়ির কর্তাসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের হত্যা করেছে।
কক্সবাজার : কক্সবাজারের টেকনাফে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় উপকূলীয় বাহারছড়া উত্তর শীলখালী এলাকার গহিন পাহাড় থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে।
স্থানীয়রা জানান, বুধবার রাতে উত্তর শীলখালীতে পাহাড়ের পাদদেশে একটি বাসায় চারজনকে গলা কেটে ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন— নুরুল কবিরের ছেলে মজিদ, নুরুল ইসলামের ছেলে নুরুল বশর এবং রুহুল আমিনের ছেলে রবি।

২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৪১
একই দিনে জন্ম, একই ছন্দে বেড়ে ওঠা। আর এবার জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাতেও একসঙ্গে অংশ নিচ্ছেন তিন বোন। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর গ্রামের স্বপ্নীল বর্মন, স্বর্ণালী বর্মন ও সেঁজুতি বর্মন ২০০৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর একসঙ্গে জন্ম নেন। ছোটোবেলা থেকে একসঙ্গে পড়াশোনা আর বেড়ে ওঠা এই তিন বোন মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন।
তাদের বাবা ঠান্ডারাম বর্মন ও মা ময়না রানী সেন। পরিবারে বড় মেয়ে মৃদুলা বর্মন ও ছোট ছেলে প্রদ্যুৎ বর্মনের পাশাপাশি এই তিন বোনই পরিবারের মূল আকর্ষণ।
সোমবার (২০ এপ্রিল) তাদের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, তিনজনই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। পড়ার টেবিলে পাশাপাশি বসে মনোযোগ দিয়ে পড়ছে তারা। লক্ষ্য একটাই, ভালো ফল করে বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণ করা।
তিন বোন জানান, ছোটোবেলা থেকেই তারা একসঙ্গে পড়াশোনা করছেন। প্রথমে একটি কিন্ডারগার্টেনে ভর্তি হয়ে পরে স্থানীয় আরাজী কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। সেখানে শিক্ষক-সহপাঠীদের জন্য তাদের আলাদা করে চেনা ছিল বেশ কঠিন।
২০১৮ সালে স্বপ্নীল ও স্বর্ণালী ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হন। পরে একই বিদ্যালয়ে ভর্তি হন সেঁজুতি। তিনজনই একই শিফটে পড়লেও স্বর্ণালীকে পড়তে হয়েছে আলাদা শাখায়। এবার তারা বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন।
পড়াশোনায় তিনজনই মনোযোগী এবং বরাবরই ভালো ফল করে এসেছেন। তবে পছন্দের বিষয়ে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। স্বপ্নীলের প্রিয় জীববিজ্ঞান ও বাংলা সাহিত্য, স্বর্ণালীর জীববিজ্ঞান ও রসায়ন, আর সেঁজুতির পছন্দ জীববিজ্ঞান। খাবারের ক্ষেত্রে তিনজনেরই প্রিয় বিরিয়ানি। যদিও অন্যান্য খাবারে ভিন্নতা আছে। পোশাকে আগে একরকম হলেও এখন আলাদা পছন্দ তৈরি হয়েছে। থ্রি-পিস তাদের সবার প্রিয়, আর বিশেষ আয়োজনে শাড়ি পরতে ভালোবাসেন।
পড়াশোনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও সক্রিয় তারা। তিনজনই বেতারের ঠাকুরগাঁও কেন্দ্রের তালিকাভুক্ত শিশুশিল্পী এবং দেশাত্মবোধক গান গাইতে পছন্দ করেন। অবসর সময়ে উপন্যাস ও সায়েন্স ফিকশন বই পড়া, গান শোনা ও গাওয়া—এসবই তাদের প্রিয় সময় কাটানোর মাধ্যম।
ভবিষ্যৎ নিয়ে তাদের স্বপ্নও আলাদা। স্বপ্নীল চায় বিসিএস ক্যাডার হতে, স্বর্ণালীর লক্ষ্য চিকিৎসক হওয়া এবং সেঁজুতি হতে চান শিক্ষক। তাদের জীবনযাপনও অনেকটাই একসঙ্গে। একই ঘরে থাকা, একসঙ্গে স্কুলে যাওয়া, পড়াশোনা করা ও খেলাধুলা। ছোটোখাটো ঝগড়া হলেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না, মুহূর্তেই মিল হয়ে যায়।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক তাপস দেবনাথ জানান, একই ইউনিফর্মে তাদের আলাদা করা অনেক সময় কঠিন হয়ে যেত। তাই মাঝে মাঝে আলাদা চিহ্ন ব্যবহার করতে হতো।
মা ময়না রানী সেন বলেন, ‘একসঙ্গে তিন মেয়েকে বড় করা সহজ ছিল না। তবে, তাদের ভালোবাসা সব কষ্ট ভুলিয়ে দেয়।’ বাবা ঠান্ডারাম বর্মন জানান, প্রথমে যমজ সন্তান হবে ভেবেছিলেন। কিন্তু তিন মেয়ে হওয়ায় দুশ্চিন্তা ছিল। এখন তাদের সাফল্যে গর্ব অনুভব করেন এবং তাদের জন্য সর্বোচ্চ দিতে চান।
একই দিনে জন্ম, একই ছন্দে বেড়ে ওঠা। আর এবার জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাতেও একসঙ্গে অংশ নিচ্ছেন তিন বোন। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর গ্রামের স্বপ্নীল বর্মন, স্বর্ণালী বর্মন ও সেঁজুতি বর্মন ২০০৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর একসঙ্গে জন্ম নেন। ছোটোবেলা থেকে একসঙ্গে পড়াশোনা আর বেড়ে ওঠা এই তিন বোন মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন।
তাদের বাবা ঠান্ডারাম বর্মন ও মা ময়না রানী সেন। পরিবারে বড় মেয়ে মৃদুলা বর্মন ও ছোট ছেলে প্রদ্যুৎ বর্মনের পাশাপাশি এই তিন বোনই পরিবারের মূল আকর্ষণ।
সোমবার (২০ এপ্রিল) তাদের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, তিনজনই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। পড়ার টেবিলে পাশাপাশি বসে মনোযোগ দিয়ে পড়ছে তারা। লক্ষ্য একটাই, ভালো ফল করে বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণ করা।
তিন বোন জানান, ছোটোবেলা থেকেই তারা একসঙ্গে পড়াশোনা করছেন। প্রথমে একটি কিন্ডারগার্টেনে ভর্তি হয়ে পরে স্থানীয় আরাজী কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। সেখানে শিক্ষক-সহপাঠীদের জন্য তাদের আলাদা করে চেনা ছিল বেশ কঠিন।
২০১৮ সালে স্বপ্নীল ও স্বর্ণালী ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হন। পরে একই বিদ্যালয়ে ভর্তি হন সেঁজুতি। তিনজনই একই শিফটে পড়লেও স্বর্ণালীকে পড়তে হয়েছে আলাদা শাখায়। এবার তারা বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন।
পড়াশোনায় তিনজনই মনোযোগী এবং বরাবরই ভালো ফল করে এসেছেন। তবে পছন্দের বিষয়ে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। স্বপ্নীলের প্রিয় জীববিজ্ঞান ও বাংলা সাহিত্য, স্বর্ণালীর জীববিজ্ঞান ও রসায়ন, আর সেঁজুতির পছন্দ জীববিজ্ঞান। খাবারের ক্ষেত্রে তিনজনেরই প্রিয় বিরিয়ানি। যদিও অন্যান্য খাবারে ভিন্নতা আছে। পোশাকে আগে একরকম হলেও এখন আলাদা পছন্দ তৈরি হয়েছে। থ্রি-পিস তাদের সবার প্রিয়, আর বিশেষ আয়োজনে শাড়ি পরতে ভালোবাসেন।
পড়াশোনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও সক্রিয় তারা। তিনজনই বেতারের ঠাকুরগাঁও কেন্দ্রের তালিকাভুক্ত শিশুশিল্পী এবং দেশাত্মবোধক গান গাইতে পছন্দ করেন। অবসর সময়ে উপন্যাস ও সায়েন্স ফিকশন বই পড়া, গান শোনা ও গাওয়া—এসবই তাদের প্রিয় সময় কাটানোর মাধ্যম।
ভবিষ্যৎ নিয়ে তাদের স্বপ্নও আলাদা। স্বপ্নীল চায় বিসিএস ক্যাডার হতে, স্বর্ণালীর লক্ষ্য চিকিৎসক হওয়া এবং সেঁজুতি হতে চান শিক্ষক। তাদের জীবনযাপনও অনেকটাই একসঙ্গে। একই ঘরে থাকা, একসঙ্গে স্কুলে যাওয়া, পড়াশোনা করা ও খেলাধুলা। ছোটোখাটো ঝগড়া হলেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না, মুহূর্তেই মিল হয়ে যায়।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক তাপস দেবনাথ জানান, একই ইউনিফর্মে তাদের আলাদা করা অনেক সময় কঠিন হয়ে যেত। তাই মাঝে মাঝে আলাদা চিহ্ন ব্যবহার করতে হতো।
মা ময়না রানী সেন বলেন, ‘একসঙ্গে তিন মেয়েকে বড় করা সহজ ছিল না। তবে, তাদের ভালোবাসা সব কষ্ট ভুলিয়ে দেয়।’ বাবা ঠান্ডারাম বর্মন জানান, প্রথমে যমজ সন্তান হবে ভেবেছিলেন। কিন্তু তিন মেয়ে হওয়ায় দুশ্চিন্তা ছিল। এখন তাদের সাফল্যে গর্ব অনুভব করেন এবং তাদের জন্য সর্বোচ্চ দিতে চান।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.