
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৩৮
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনে অনুষ্ঠিত আপিল শুনানিতে তার মনোনয়নপত্র বৈধ করে কমিশন।
ইসির অডিটোরিয়ামে শুনানি শেষে এ সিদ্ধান্ত দেয় কমিশন। এ সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য কমিশনার উপস্থিত ছিলেন।
আপিল শুনানি শেষে সাংবাদিকদের ডা. তাসনিম জারা বলেন, নির্বাচন কমিশনে শুনানি শেষে আপিল মঞ্জুর হয়েছে। আমার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। গত এক সপ্তাহ অন্যরকম একটা অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে গিয়েছি, দেশে-বিদেশে সবাই অনেক শুভকামনা জানিয়েছেন, অনেক দোয়া করেছেন। যখন রাস্তায় অনেকের সঙ্গে কথা বলেছি তখন তারা হতাশা প্রকাশ করেছেন, কষ্ট পেয়েছেন, বলেছেন দোয়া করছেন। আইনজীবী টিমসহ দেশ-বিদেশ থেকে যারা শুভকামনা জানিয়েছেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। সবার জনসমর্থনেই আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে লড়াই করতে পারব।
তাসনিম জারা আরও বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে আমরা এখন পছন্দের মার্কা নিয়ে আবেদন করতে পারব। সেই প্রক্রিয়ায় আমাদের পছন্দের মার্কা ফুটবল। তারপর নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত থাকবে, আসন্ন নির্বাচনে ঢাকা–৯ আসনে জনগণের সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে আমি অংশগ্রহণ করছি।
উল্লেখ্য, শনিবার (৩ জানুয়ারি) মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তখন তাসনিম জারা ইসিতে আপিলের ঘোষণা দেন। এরপর সোমবার (৫ জানুয়ারি) মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে তিনি ইসিতে আপিল করেছিলেন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনে অনুষ্ঠিত আপিল শুনানিতে তার মনোনয়নপত্র বৈধ করে কমিশন।
ইসির অডিটোরিয়ামে শুনানি শেষে এ সিদ্ধান্ত দেয় কমিশন। এ সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য কমিশনার উপস্থিত ছিলেন।
আপিল শুনানি শেষে সাংবাদিকদের ডা. তাসনিম জারা বলেন, নির্বাচন কমিশনে শুনানি শেষে আপিল মঞ্জুর হয়েছে। আমার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। গত এক সপ্তাহ অন্যরকম একটা অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে গিয়েছি, দেশে-বিদেশে সবাই অনেক শুভকামনা জানিয়েছেন, অনেক দোয়া করেছেন। যখন রাস্তায় অনেকের সঙ্গে কথা বলেছি তখন তারা হতাশা প্রকাশ করেছেন, কষ্ট পেয়েছেন, বলেছেন দোয়া করছেন। আইনজীবী টিমসহ দেশ-বিদেশ থেকে যারা শুভকামনা জানিয়েছেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। সবার জনসমর্থনেই আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে লড়াই করতে পারব।
তাসনিম জারা আরও বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে আমরা এখন পছন্দের মার্কা নিয়ে আবেদন করতে পারব। সেই প্রক্রিয়ায় আমাদের পছন্দের মার্কা ফুটবল। তারপর নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত থাকবে, আসন্ন নির্বাচনে ঢাকা–৯ আসনে জনগণের সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে আমি অংশগ্রহণ করছি।
উল্লেখ্য, শনিবার (৩ জানুয়ারি) মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তখন তাসনিম জারা ইসিতে আপিলের ঘোষণা দেন। এরপর সোমবার (৫ জানুয়ারি) মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে তিনি ইসিতে আপিল করেছিলেন।

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২১

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২১
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার ও জমির সীমানা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের নারী-পুরুষসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) ভোর ৭টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দীর্ঘ তিন ঘণ্টা পর পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
বর্তমানে উক্ত এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
জানা গেছে, ভাঙ্গা উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে হাবিবুর রহমান তালুকদার ও কবির খান গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। গত দুদিন আগে কবির খানের পক্ষের লোক শহীদ খানকে গ্রামের রাস্তার ওপরে প্রতিপক্ষ বেদম মারধর করে।
এ ঘটনায় গত দুদিন এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করে। এ সময় বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। গত দুদিনের উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে আজ মঙ্গলবার ভোর ৭টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত দুপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র, ঢাল-সড়কি নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়।
তুজারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওলিউর রহমান বলেন, ‘জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সরইবাড়ী গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে আজকের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে আমরা প্রশাসনকে অবহিত করি। পরে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ও স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।’
ভাঙ্গা থানার ওসি আব্দুল আলিম জানান, তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিস্তার ও জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সকালে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৯
‘মুজিব কোট আমার ঘরে আছে, আয়রন করে তুলে রেখেছি। কাল যদি আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে, তাহলে আবার আওয়ামী লীগে যাব। কিন্তু এখন তো আওয়ামী লীগ নেই। ভোট তো এক জায়গায় দিতে হবে, ঘরে বসে থাকলে চলবে না। তাই এবার ধানের শীষে ভোট দেবো।’
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় বিএনপি আয়োজিত এক দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক কর্মী ও এলাকার মাতব্বর কাজী আতিয়ার রহমান রবি। তবে তিনি বর্তমানে বিএনপির সঙ্গে আছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ১ মিনিট ১৮ সেকেন্ডের এই বক্তব্যটি ভাইরাল হয়েছে।আওয়ামী লীগ কর্মী কাজী আতিয়ার রহমান রবি ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার কদমী গ্রামের বাসিন্দা।
গত শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার রূপাপাত এলাকায় এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির সাবেক চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। সেখানেই সভাপতির বক্তব্যে কাজী আতিয়ার রহমান রবি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, অনেকে বলে আপনিতো আওয়ামী লীগ করতেন তাহলে এখন বিএনপিতে কেন আসলেন? আমি ময়রার মাঠে মুশা মিয়ার (বোয়ালমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি) হাত ধরে আওয়ামী লীগে যোগদান করি। এখনতো আওয়ামী লীগের কেউ নাই। আমাদের ভোট তো দিতে হবে। ঘরে বসে থাকলে তো হবে না। দীর্ঘ ১৭-১৮ বছর তো অনেক দেখলাম। আমরা যারা গ্রামে আছি আমাদের একসাথেই থাকতে হবে।
ওই দোয়া মাহফিলে ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী আলফাডাঙ্গা ও মধুখালি উপজেলা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী খন্দকার নাসিরুল ইসলামের স্ত্রী আনজুমান বানু উপস্থিত ছিলেন। তার এই বক্তব্য চলাকালীন মঞ্চে বসা অতিথিদের অনেকে এবং দর্শকসাড়িতে বসে থাকা বিএনপি কর্মীরাও হাসাহাসি করেন।
কাজী আতিউর রহমান রবির সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির সহ-কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হাসিবুজ্জামান শাহিন, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক জহুর ইকবাল পিন্টু ঠাকুর, জেসমিন খান, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক শেখ মৌসুমী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে কাজী আতিয়ার রহমান রবি বলেন, আমি আগে আওয়ামী লীগ করতাম এটা সবারই জানা। তবে বর্তমানে বিএনপির সাথে আছি। সেদিন জনসম্মুখে যেভাবে বলেছি সেভাবে বলাটা ঠিক হয়নি। এখন তো আর কিছু করার নেই।
উপজেলা বিএনপির সহ-কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহমান বলেন, এ ব্যাপারে আমার কাছে নানান জায়গা থেকে ফোন আসতেছে। বিষয়টি একটু বিব্রতকরই হয়ে গেছে। উনি (কাজী আতিয়ার) তো আমাদের বিএনপির কোনো পদধারী নেতা নন। এলাকার সম্মানিত মুরব্বি হিসেবে বক্তব্য দিয়েছিলেন সেদিন।
‘মুজিব কোট আমার ঘরে আছে, আয়রন করে তুলে রেখেছি। কাল যদি আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে, তাহলে আবার আওয়ামী লীগে যাব। কিন্তু এখন তো আওয়ামী লীগ নেই। ভোট তো এক জায়গায় দিতে হবে, ঘরে বসে থাকলে চলবে না। তাই এবার ধানের শীষে ভোট দেবো।’
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় বিএনপি আয়োজিত এক দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক কর্মী ও এলাকার মাতব্বর কাজী আতিয়ার রহমান রবি। তবে তিনি বর্তমানে বিএনপির সঙ্গে আছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ১ মিনিট ১৮ সেকেন্ডের এই বক্তব্যটি ভাইরাল হয়েছে।আওয়ামী লীগ কর্মী কাজী আতিয়ার রহমান রবি ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার কদমী গ্রামের বাসিন্দা।
গত শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার রূপাপাত এলাকায় এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির সাবেক চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। সেখানেই সভাপতির বক্তব্যে কাজী আতিয়ার রহমান রবি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, অনেকে বলে আপনিতো আওয়ামী লীগ করতেন তাহলে এখন বিএনপিতে কেন আসলেন? আমি ময়রার মাঠে মুশা মিয়ার (বোয়ালমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি) হাত ধরে আওয়ামী লীগে যোগদান করি। এখনতো আওয়ামী লীগের কেউ নাই। আমাদের ভোট তো দিতে হবে। ঘরে বসে থাকলে তো হবে না। দীর্ঘ ১৭-১৮ বছর তো অনেক দেখলাম। আমরা যারা গ্রামে আছি আমাদের একসাথেই থাকতে হবে।
ওই দোয়া মাহফিলে ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী আলফাডাঙ্গা ও মধুখালি উপজেলা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী খন্দকার নাসিরুল ইসলামের স্ত্রী আনজুমান বানু উপস্থিত ছিলেন। তার এই বক্তব্য চলাকালীন মঞ্চে বসা অতিথিদের অনেকে এবং দর্শকসাড়িতে বসে থাকা বিএনপি কর্মীরাও হাসাহাসি করেন।
কাজী আতিউর রহমান রবির সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির সহ-কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হাসিবুজ্জামান শাহিন, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক জহুর ইকবাল পিন্টু ঠাকুর, জেসমিন খান, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক শেখ মৌসুমী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে কাজী আতিয়ার রহমান রবি বলেন, আমি আগে আওয়ামী লীগ করতাম এটা সবারই জানা। তবে বর্তমানে বিএনপির সাথে আছি। সেদিন জনসম্মুখে যেভাবে বলেছি সেভাবে বলাটা ঠিক হয়নি। এখন তো আর কিছু করার নেই।
উপজেলা বিএনপির সহ-কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহমান বলেন, এ ব্যাপারে আমার কাছে নানান জায়গা থেকে ফোন আসতেছে। বিষয়টি একটু বিব্রতকরই হয়ে গেছে। উনি (কাজী আতিয়ার) তো আমাদের বিএনপির কোনো পদধারী নেতা নন। এলাকার সম্মানিত মুরব্বি হিসেবে বক্তব্য দিয়েছিলেন সেদিন।
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার ও জমির সীমানা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের নারী-পুরুষসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) ভোর ৭টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দীর্ঘ তিন ঘণ্টা পর পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
বর্তমানে উক্ত এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
জানা গেছে, ভাঙ্গা উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে হাবিবুর রহমান তালুকদার ও কবির খান গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। গত দুদিন আগে কবির খানের পক্ষের লোক শহীদ খানকে গ্রামের রাস্তার ওপরে প্রতিপক্ষ বেদম মারধর করে।
এ ঘটনায় গত দুদিন এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করে। এ সময় বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। গত দুদিনের উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে আজ মঙ্গলবার ভোর ৭টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত দুপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র, ঢাল-সড়কি নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়।
তুজারপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওলিউর রহমান বলেন, ‘জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সরইবাড়ী গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে আজকের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে আমরা প্রশাসনকে অবহিত করি। পরে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ও স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।’
ভাঙ্গা থানার ওসি আব্দুল আলিম জানান, তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিস্তার ও জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সকালে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী ফাতেমা আক্তার লিলি (১৭) হত্যা মামলার প্রধান আসামি হোটেল কর্মচারী মিলনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তি দেওয়ার পাশাপাশি ওই তরুণীকে প্রেমের প্রস্তাব দেওয়ার কথাও জানিয়েছে সে।
মিলনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে র্যাব-৩ জানায়, গ্রেপ্তার মিলন মল্লিকের সঙ্গে নিহত স্কুলছাত্রী লিলির সুসম্পর্ক ছিল। তবে এই সম্পর্কের সুবাদে সে বিভিন্ন সময় আকার-ইঙ্গিতে লিলির কাছে প্রেমের বহিঃপ্রকাশ করত এবং লিলির পরিবার বাসা থেকে গ্রামের বাড়িতে গেলে মিলন লিলিকে নিয়ে পালিয়ে যাবে বলে তাকে জানায়।
পরবর্তী সময়ে সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর ২টা ২৫ মিনিটের দিকে বাসায় একা পেয়ে মিলন লিলিকে তার সঙ্গে পালিয়ে যেতে প্রস্তাব দেয়। কিন্তু সেই প্রস্তাবে রাজি না হয়ে লিলি তাকে জানায়, রেস্তোরাঁ মালিকের মেয়ে হয়ে সে কর্মচারীর সঙ্গে যাবে না। সেই সঙ্গে লিলি মিলনকে ‘বামন হয়ে চাঁদের দিকে হাত বাড়াতে’ নিষেধ করে। নিজের এমন অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ার কারণেই মিলন এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
তবে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ ও বিস্তর তদন্তে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসবে বলেও জানিয়েছে র্যাব।
এর আগে সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে মিলনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানায় র্যাব। বাগেরহাট সদর থানা এলাকায় র্যাব-৩ ও র্যাব-৬-এর যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিহত লিলি স্থানীয় রেডিয়েন্ট স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল। সে হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার বামৈন গ্রামের সজীব মিয়ার মেয়ে।
নিহতের বড় বোন সোভা বলেন, ‘আমাদের একটি খাবারের হোটেল আছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে হোটেলের কর্মচারী মিলন খাবার নেওয়ার জন্য আমাদের বাসায় আসে। এত রাতে বাসায় আসা নিয়ে লিলি তার সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ায়। শনিবার দুপুরেও মিলন খাবার নিতে বাসায় এসেছিল। তবে তার আচরণ একটু অন্যরকম মনে হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘দুপুর দেড়টার দিকে জিমের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হই। যাওয়ার সময় লিলিকে দরজা লক করে দিতে বলি। তখন ওই কর্মচারী মিলনও বাসা থেকে বের হয়েছিল। কিন্তু সে রাস্তা পার হয়ে চলে গিয়েছিল কি না, তা আমি দেখিনি। পরে বাসায় ফিরে দেখি দরজা খোলা। ভেতরে সব কিছু এলোমেলো। আমার বোনকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখি। প্রথমে ভেবেছিলাম সে হয়তো কোনোভাবে আঘাত পেয়েছে। বাড়িওয়ালাকে ডাকলে তারা হাসপাতালে নিতে সহযোগিতা করেননি। পরে এক বন্ধুর মাধ্যমে লিলিকে বনশ্রীর ফরাজী হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে হিজাব খুলে দেখি তার গলায় রশি পেঁচানো এবং গলা কাটা।’
রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী ফাতেমা আক্তার লিলি (১৭) হত্যা মামলার প্রধান আসামি হোটেল কর্মচারী মিলনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তি দেওয়ার পাশাপাশি ওই তরুণীকে প্রেমের প্রস্তাব দেওয়ার কথাও জানিয়েছে সে।
মিলনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে র্যাব-৩ জানায়, গ্রেপ্তার মিলন মল্লিকের সঙ্গে নিহত স্কুলছাত্রী লিলির সুসম্পর্ক ছিল। তবে এই সম্পর্কের সুবাদে সে বিভিন্ন সময় আকার-ইঙ্গিতে লিলির কাছে প্রেমের বহিঃপ্রকাশ করত এবং লিলির পরিবার বাসা থেকে গ্রামের বাড়িতে গেলে মিলন লিলিকে নিয়ে পালিয়ে যাবে বলে তাকে জানায়।
পরবর্তী সময়ে সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর ২টা ২৫ মিনিটের দিকে বাসায় একা পেয়ে মিলন লিলিকে তার সঙ্গে পালিয়ে যেতে প্রস্তাব দেয়। কিন্তু সেই প্রস্তাবে রাজি না হয়ে লিলি তাকে জানায়, রেস্তোরাঁ মালিকের মেয়ে হয়ে সে কর্মচারীর সঙ্গে যাবে না। সেই সঙ্গে লিলি মিলনকে ‘বামন হয়ে চাঁদের দিকে হাত বাড়াতে’ নিষেধ করে। নিজের এমন অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ার কারণেই মিলন এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
তবে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ ও বিস্তর তদন্তে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসবে বলেও জানিয়েছে র্যাব।
এর আগে সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে মিলনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানায় র্যাব। বাগেরহাট সদর থানা এলাকায় র্যাব-৩ ও র্যাব-৬-এর যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিহত লিলি স্থানীয় রেডিয়েন্ট স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল। সে হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার বামৈন গ্রামের সজীব মিয়ার মেয়ে।
নিহতের বড় বোন সোভা বলেন, ‘আমাদের একটি খাবারের হোটেল আছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে হোটেলের কর্মচারী মিলন খাবার নেওয়ার জন্য আমাদের বাসায় আসে। এত রাতে বাসায় আসা নিয়ে লিলি তার সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ায়। শনিবার দুপুরেও মিলন খাবার নিতে বাসায় এসেছিল। তবে তার আচরণ একটু অন্যরকম মনে হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘দুপুর দেড়টার দিকে জিমের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হই। যাওয়ার সময় লিলিকে দরজা লক করে দিতে বলি। তখন ওই কর্মচারী মিলনও বাসা থেকে বের হয়েছিল। কিন্তু সে রাস্তা পার হয়ে চলে গিয়েছিল কি না, তা আমি দেখিনি। পরে বাসায় ফিরে দেখি দরজা খোলা। ভেতরে সব কিছু এলোমেলো। আমার বোনকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখি। প্রথমে ভেবেছিলাম সে হয়তো কোনোভাবে আঘাত পেয়েছে। বাড়িওয়ালাকে ডাকলে তারা হাসপাতালে নিতে সহযোগিতা করেননি। পরে এক বন্ধুর মাধ্যমে লিলিকে বনশ্রীর ফরাজী হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে হিজাব খুলে দেখি তার গলায় রশি পেঁচানো এবং গলা কাটা।’