
০৬ অক্টোবর, ২০২৫ ১২:৫৬
নির্বাচন কমিশনের প্রতীক তালিকায় মুলা, বেগুনসহ হাস্যকর প্রতীক রাখা তাদের রুচিবোধের প্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
রোববার (৫ অক্টোবড়) বিকেলে পঞ্চগড়ের শের-ই-বাংলা পার্কে বিভিন্ন এলাকার মসজিদ কমিটির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সারজিস বলেন, যে ধরনের প্রতীক মানুষের হাসির খোরাক জোগায়, তা নির্বাচন কমিশনের তালিকায় কীভাবে থাকে? এটা তাদের রুচিবোধেরই প্রকাশ। নির্বাচন কমিশনেরই ঠিক করা উচিত কোন প্রতীক থাকা উচিত। আমাদের বলে দিতে হবে কেন? দেশে কি প্রতীকের অভাব পড়েছে?
এনসিপির এই নেতা বলেন, আমরা আশা করছি, কমিশন বিষয়টি সংশোধন করবে। আইনগত কোনো বাধা না থাকায় আমরা শাপলাই প্রতীক হিসেবে রাখছি। সাদা বা লাল যে শাপলাই হোক, এমনকি শাপলার সঙ্গে অন্য কিছু যুক্ত হলেও আমাদের আপত্তি নেই।
সারজিস আলম অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন এখন স্বেচ্ছাচারিতায় লিপ্ত হয়েছে এবং কারও প্রভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করছে। আমরা তা মেনে নেব না। প্রয়োজনে রাজনৈতিকভাবেই মোকাবিলা করবো।
আগামীর নির্বাচনে শাপলা প্রতীক নিয়েই অংশ নেব। ভারতের মহানন্দা নদীর উজানে হঠাৎ করে নয়টি স্লুইসগেট খুলে দেওয়ায় বাংলাবান্ধার একটি গ্রাম নদীভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে বলে অভিযোগ করেন সারজিস আলম।
তিনি বলেন, ভারত যদি প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে থাকতে চায়, তাহলে তাদের আচরণও হতে হবে প্রতিবেশীর মতো। মন চাইলে গেট খুলে দেওয়া বা আটকে রাখা বন্ধ করতে হবে। না হলে বাংলাদেশে অ্যান্টি-ইন্ডিয়ান সেন্টিমেন্ট আরও বাড়বে, যা দুদেশের সম্পর্কের জন্য শুভ নয়।
তিনি হুঁশিয়ার করে বলেন, সব দিন ভারতের নয়, বাংলাদেশেরও দিন আসবে। আমরা সমতা ও ভ্রাতৃত্বের আচরণ প্রত্যাশা করি। যতদিন শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে না দেওয়া হবে, ততদিন তারা বাংলাদেশের মানুষের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সাড়া পাবে না।
বাংলাবান্ধায় নদীর পাড়ে বাঁধ নির্মাণে বিএসএফের বাধা ও গুলির ঘটনার উল্লেখ করে সারজিস আলম বলেন, এর আগে বাংলাবান্ধার মহানন্দার পাড়ে বাঁধ দেওয়ার সময় বিএসএফ বাধা দিয়েছিল, এমনকি তারা গুলি ছুড়েছে।
বাংলাদেশের নদীর পাড়ে আমরা ব্লক দেব, আর ওরা গুলি করবে- এই সাহস যদি এবার বিএসএফ করে, তাহলে বিজিবি হোক বা বাংলাদেশের মানুষ, উপযুক্ত জবাব দেবে। ওরা ওদের পাশে যা করে আমরা তো কিছু বলতে যাই না, এখানেও তারা যেন কোনো স্পর্ধা না দেখায়।
তিনি জানান, ইতোমধ্যে তিনি পরিবেশ উপদেষ্টা ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। সারজিস আলম জানান, জেলার পাঁচটি উপজেলার ১২০টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের জন্য এনসিপির উদ্যোগে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার উন্নয়ন বরাদ্দ আনা হয়েছে।
পরে গণঅভ্যুত্থানসহ দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহত ও আহতদের স্মরণে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনসিপি পঞ্চগড় সদর উপজেলা সমন্বয়ক নয়ন তানবীরুল বারী, জাতীয় যুব শক্তির নেতৃবৃন্দসহ অন্যান্য স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।
নির্বাচন কমিশনের প্রতীক তালিকায় মুলা, বেগুনসহ হাস্যকর প্রতীক রাখা তাদের রুচিবোধের প্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
রোববার (৫ অক্টোবড়) বিকেলে পঞ্চগড়ের শের-ই-বাংলা পার্কে বিভিন্ন এলাকার মসজিদ কমিটির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সারজিস বলেন, যে ধরনের প্রতীক মানুষের হাসির খোরাক জোগায়, তা নির্বাচন কমিশনের তালিকায় কীভাবে থাকে? এটা তাদের রুচিবোধেরই প্রকাশ। নির্বাচন কমিশনেরই ঠিক করা উচিত কোন প্রতীক থাকা উচিত। আমাদের বলে দিতে হবে কেন? দেশে কি প্রতীকের অভাব পড়েছে?
এনসিপির এই নেতা বলেন, আমরা আশা করছি, কমিশন বিষয়টি সংশোধন করবে। আইনগত কোনো বাধা না থাকায় আমরা শাপলাই প্রতীক হিসেবে রাখছি। সাদা বা লাল যে শাপলাই হোক, এমনকি শাপলার সঙ্গে অন্য কিছু যুক্ত হলেও আমাদের আপত্তি নেই।
সারজিস আলম অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন এখন স্বেচ্ছাচারিতায় লিপ্ত হয়েছে এবং কারও প্রভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করছে। আমরা তা মেনে নেব না। প্রয়োজনে রাজনৈতিকভাবেই মোকাবিলা করবো।
আগামীর নির্বাচনে শাপলা প্রতীক নিয়েই অংশ নেব। ভারতের মহানন্দা নদীর উজানে হঠাৎ করে নয়টি স্লুইসগেট খুলে দেওয়ায় বাংলাবান্ধার একটি গ্রাম নদীভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে বলে অভিযোগ করেন সারজিস আলম।
তিনি বলেন, ভারত যদি প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে থাকতে চায়, তাহলে তাদের আচরণও হতে হবে প্রতিবেশীর মতো। মন চাইলে গেট খুলে দেওয়া বা আটকে রাখা বন্ধ করতে হবে। না হলে বাংলাদেশে অ্যান্টি-ইন্ডিয়ান সেন্টিমেন্ট আরও বাড়বে, যা দুদেশের সম্পর্কের জন্য শুভ নয়।
তিনি হুঁশিয়ার করে বলেন, সব দিন ভারতের নয়, বাংলাদেশেরও দিন আসবে। আমরা সমতা ও ভ্রাতৃত্বের আচরণ প্রত্যাশা করি। যতদিন শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে না দেওয়া হবে, ততদিন তারা বাংলাদেশের মানুষের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সাড়া পাবে না।
বাংলাবান্ধায় নদীর পাড়ে বাঁধ নির্মাণে বিএসএফের বাধা ও গুলির ঘটনার উল্লেখ করে সারজিস আলম বলেন, এর আগে বাংলাবান্ধার মহানন্দার পাড়ে বাঁধ দেওয়ার সময় বিএসএফ বাধা দিয়েছিল, এমনকি তারা গুলি ছুড়েছে।
বাংলাদেশের নদীর পাড়ে আমরা ব্লক দেব, আর ওরা গুলি করবে- এই সাহস যদি এবার বিএসএফ করে, তাহলে বিজিবি হোক বা বাংলাদেশের মানুষ, উপযুক্ত জবাব দেবে। ওরা ওদের পাশে যা করে আমরা তো কিছু বলতে যাই না, এখানেও তারা যেন কোনো স্পর্ধা না দেখায়।
তিনি জানান, ইতোমধ্যে তিনি পরিবেশ উপদেষ্টা ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। সারজিস আলম জানান, জেলার পাঁচটি উপজেলার ১২০টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের জন্য এনসিপির উদ্যোগে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার উন্নয়ন বরাদ্দ আনা হয়েছে।
পরে গণঅভ্যুত্থানসহ দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহত ও আহতদের স্মরণে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনসিপি পঞ্চগড় সদর উপজেলা সমন্বয়ক নয়ন তানবীরুল বারী, জাতীয় যুব শক্তির নেতৃবৃন্দসহ অন্যান্য স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।

১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৪:১৪
স্বাধীনতার ৫৪ বছর উদযাপনে একসঙ্গে ৫৪ জন প্যারাট্রুপার পতাকা হাতে স্কাই ডাইভিং করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁও পুরোনো বিমানবন্দর সংলগ্ন প্যারেড গ্রাউন্ডে সশস্ত্র বাহিনীর উদ্যোগে এ ব্যতিক্রমী আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। এটি বিশ্বের বুকে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং করার রেকর্ড।
প্যারাট্রুপার প্রদর্শনীতে অংশ নেন ‘টিম বাংলাদেশ’-এর ৫৪ জন প্যারাট্রুপার। এই ঐতিহাসিক আয়োজন প্রত্যক্ষ করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে ফ্লাইপাস্ট মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর বিভিন্ন বিমান ও হেলিকপ্টার আকাশে মহড়া প্রদর্শন করে।
অন্যদিকে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই ‘এয়ার শো’ দেখতে ঢাকার তেজগাঁওয়ের পুরোনো বিমানবন্দরে সাধারণ মানুষের ঢল নেমেছে।
সকাল ১১টার দিকে দেখা যায়, আগারগাঁও-সংলগ্ন পুরোনো বিমানবন্দরের ফটকে দর্শনার্থীদের দীর্ঘ সারি। নিরাপত্তাতল্লাশি করে সবাইকে প্রবেশ করানো হচ্ছে। সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী ও বিজিবির সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন।
স্বাধীনতার ৫৪ বছর উদযাপনে একসঙ্গে ৫৪ জন প্যারাট্রুপার পতাকা হাতে স্কাই ডাইভিং করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁও পুরোনো বিমানবন্দর সংলগ্ন প্যারেড গ্রাউন্ডে সশস্ত্র বাহিনীর উদ্যোগে এ ব্যতিক্রমী আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। এটি বিশ্বের বুকে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং করার রেকর্ড।
প্যারাট্রুপার প্রদর্শনীতে অংশ নেন ‘টিম বাংলাদেশ’-এর ৫৪ জন প্যারাট্রুপার। এই ঐতিহাসিক আয়োজন প্রত্যক্ষ করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে ফ্লাইপাস্ট মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর বিভিন্ন বিমান ও হেলিকপ্টার আকাশে মহড়া প্রদর্শন করে।
অন্যদিকে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই ‘এয়ার শো’ দেখতে ঢাকার তেজগাঁওয়ের পুরোনো বিমানবন্দরে সাধারণ মানুষের ঢল নেমেছে।
সকাল ১১টার দিকে দেখা যায়, আগারগাঁও-সংলগ্ন পুরোনো বিমানবন্দরের ফটকে দর্শনার্থীদের দীর্ঘ সারি। নিরাপত্তাতল্লাশি করে সবাইকে প্রবেশ করানো হচ্ছে। সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী ও বিজিবির সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন।

১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:৫২
মহান বিজয় দিবসে জাতীর সূর্য সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে নেমেছে সর্বস্তরের মানুষের ঢল। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ বীর শহীদদের স্মরণ করতে ভিড় করছেন জাতীয় স্মৃতিসৌধে।
এদিন রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদনের পর, সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ। বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতির সূর্য সন্তানদের স্মরণ করছেন সর্বস্তরের জনতা।
বিভিন্ন সংগঠন ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সদস্যরা স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে ভিড় করছে। এদের হাতে ফুল, ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে আসছেন শ্রদ্ধা ও ফুলের পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বীর সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে। এতে ফুলে ফুলে ভরে উঠেছে বীর শহীদদের বেদী।
এদিকে বেলা বাড়ার সঙ্গে হাজারো মানুষ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি আনন্দে মেতে উঠেছেন।
শিশুদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। মুখে, হাতে জাতীয় পতাকার ছবির পাশাপাশি স্মৃতিসৌধের ছবি এঁকেছেন কেউ কেউ।
শীতকে উপেক্ষা করে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে স্মৃতিসৌধে আসেন যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধারাও। এসময় অনেকের কপালে লাল-সবুজ রঙে জাতীয় পতাকা অঙ্কনসহ হাতেও উড়ছিল জাতীয় পতাকা।
পোশাকেও লাল-সবুজের বাহারি উপস্থিতি। এসব বীর মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে অনেকে দেখা করতে আসেন। তাদের সালাম জানান।
এর আগে, মহান বিজয় দিবসে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে স্বাধীনতার জন্য প্রাণ উৎসর্গ করা শহীদদের শ্রদ্ধা জানান প্রধান উপদেষ্টা।
মহান বিজয় দিবসে জাতীর সূর্য সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে নেমেছে সর্বস্তরের মানুষের ঢল। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ বীর শহীদদের স্মরণ করতে ভিড় করছেন জাতীয় স্মৃতিসৌধে।
এদিন রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদনের পর, সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ। বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতির সূর্য সন্তানদের স্মরণ করছেন সর্বস্তরের জনতা।
বিভিন্ন সংগঠন ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সদস্যরা স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে ভিড় করছে। এদের হাতে ফুল, ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে আসছেন শ্রদ্ধা ও ফুলের পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বীর সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে। এতে ফুলে ফুলে ভরে উঠেছে বীর শহীদদের বেদী।
এদিকে বেলা বাড়ার সঙ্গে হাজারো মানুষ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি আনন্দে মেতে উঠেছেন।
শিশুদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। মুখে, হাতে জাতীয় পতাকার ছবির পাশাপাশি স্মৃতিসৌধের ছবি এঁকেছেন কেউ কেউ।
শীতকে উপেক্ষা করে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে স্মৃতিসৌধে আসেন যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধারাও। এসময় অনেকের কপালে লাল-সবুজ রঙে জাতীয় পতাকা অঙ্কনসহ হাতেও উড়ছিল জাতীয় পতাকা।
পোশাকেও লাল-সবুজের বাহারি উপস্থিতি। এসব বীর মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে অনেকে দেখা করতে আসেন। তাদের সালাম জানান।
এর আগে, মহান বিজয় দিবসে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে স্বাধীনতার জন্য প্রাণ উৎসর্গ করা শহীদদের শ্রদ্ধা জানান প্রধান উপদেষ্টা।

১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০০:৫৯
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মো. কবিরকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। তিনি ঘটনার কয়েক দিন আগে ফয়সালের সঙ্গে বাংলামোটরে হাদির প্রতিষ্ঠিত ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী সোমবার রাতে গণমাধ্যমে বলেন, আগের দিন রাতে নারায়গঞ্জ থেকে কবিরকে গ্রেফতার করা হয়। আজ (সোমবার) তাকে পল্টন থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হচ্ছে।
র্যাবের দেওয়া তথ্য মতে, কবিরের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার সদর থানার বড় বিঘাই গ্রামে। ফয়সাল করিমের গ্রামের বাড়িও পটুয়াখালীতে।
র্যাব কর্মকর্তা ইন্তেখাব চৌধুরী গণমাধ্যমে বলেছেন, কবির গত ৫ ডিসেম্বর ফয়সাল করিমের সঙ্গে বাংলামোটরে ওসমান হাদির প্রতিষ্ঠিত ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারে গিয়েছিলেন। প্রথমে তিনি স্বীকার করেননি। কিন্তু সিসি ক্যামেরার ফুটেজে তাকে দেখা গেছে। ওই ফুটেজ দেখানোর পর কবির স্বীকার করেছেন ফয়সাল করিম ও তিনি সেদিন ওই প্রতিষ্ঠান দেখে আসতে সেখানে গিয়েছিলেন।
হাদিকে গুলির ঘটনায় এ পর্যন্ত সাতজনকে গ্রেফতারের তথ্য দিয়েছে পুলিশ; যাদের মধ্যে চারজনকে রিমান্ডে পেয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা।
এর হাদিকে গুলির সময় যে মোটরসাইকেল ব্যবহার করা হয়েছিল সেটির মালিক আব্দুল হান্নানকে প্রথম আটক করে র্যাব। পরে তাকে পুলিশে হস্তান্তরের পর ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখানো হয়।
পরে হত্যাচেষ্টার মামলায় সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদের স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু ও ঘনিষ্ঠ বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমাকে গ্রেফতার করে র্যাব।
এছাড়া হাদিকে গুলিবর্ষণকারীদের পালানো ঠেকাতে সীমান্তে কঠোর নজরদারির মধ্যে শেরপুরের নালিতাবাড়ী এলাকা থেকে দুইজনকে গ্রেফতারের তথ্য দিয়েছিল ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।
শুক্রবার ঢাকার বিজয়নগর এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন জুলাই অভ্যুত্থান এবং আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পরিচিতি পাওয়া হাদি। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি। গত শুক্রবার গণসংযোগের জন্য বিজয়নগর এলাকায় গিয়ে তিনি আক্রান্ত হন।
চলন্ত রিকশায় থাকা তাকে গুলি করেন চলন্ত মোটরসাইকেলের পেছনে বসে থাকা আততায়ী। গুলিটি লাগে হাদির মাথায়।
গুরুতর আহত হাদিকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে অস্ত্রোপচার করার পর রাতেই তাকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। তার অবস্থা ‘অত্যন্ত আশঙ্কাজনক’ বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। সোমবার তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়েছে।
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মো. কবিরকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। তিনি ঘটনার কয়েক দিন আগে ফয়সালের সঙ্গে বাংলামোটরে হাদির প্রতিষ্ঠিত ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী সোমবার রাতে গণমাধ্যমে বলেন, আগের দিন রাতে নারায়গঞ্জ থেকে কবিরকে গ্রেফতার করা হয়। আজ (সোমবার) তাকে পল্টন থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হচ্ছে।
র্যাবের দেওয়া তথ্য মতে, কবিরের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার সদর থানার বড় বিঘাই গ্রামে। ফয়সাল করিমের গ্রামের বাড়িও পটুয়াখালীতে।
র্যাব কর্মকর্তা ইন্তেখাব চৌধুরী গণমাধ্যমে বলেছেন, কবির গত ৫ ডিসেম্বর ফয়সাল করিমের সঙ্গে বাংলামোটরে ওসমান হাদির প্রতিষ্ঠিত ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারে গিয়েছিলেন। প্রথমে তিনি স্বীকার করেননি। কিন্তু সিসি ক্যামেরার ফুটেজে তাকে দেখা গেছে। ওই ফুটেজ দেখানোর পর কবির স্বীকার করেছেন ফয়সাল করিম ও তিনি সেদিন ওই প্রতিষ্ঠান দেখে আসতে সেখানে গিয়েছিলেন।
হাদিকে গুলির ঘটনায় এ পর্যন্ত সাতজনকে গ্রেফতারের তথ্য দিয়েছে পুলিশ; যাদের মধ্যে চারজনকে রিমান্ডে পেয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা।
এর হাদিকে গুলির সময় যে মোটরসাইকেল ব্যবহার করা হয়েছিল সেটির মালিক আব্দুল হান্নানকে প্রথম আটক করে র্যাব। পরে তাকে পুলিশে হস্তান্তরের পর ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখানো হয়।
পরে হত্যাচেষ্টার মামলায় সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদের স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু ও ঘনিষ্ঠ বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমাকে গ্রেফতার করে র্যাব।
এছাড়া হাদিকে গুলিবর্ষণকারীদের পালানো ঠেকাতে সীমান্তে কঠোর নজরদারির মধ্যে শেরপুরের নালিতাবাড়ী এলাকা থেকে দুইজনকে গ্রেফতারের তথ্য দিয়েছিল ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।
শুক্রবার ঢাকার বিজয়নগর এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন জুলাই অভ্যুত্থান এবং আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পরিচিতি পাওয়া হাদি। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি। গত শুক্রবার গণসংযোগের জন্য বিজয়নগর এলাকায় গিয়ে তিনি আক্রান্ত হন।
চলন্ত রিকশায় থাকা তাকে গুলি করেন চলন্ত মোটরসাইকেলের পেছনে বসে থাকা আততায়ী। গুলিটি লাগে হাদির মাথায়।
গুরুতর আহত হাদিকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে অস্ত্রোপচার করার পর রাতেই তাকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। তার অবস্থা ‘অত্যন্ত আশঙ্কাজনক’ বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। সোমবার তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়েছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০২:১৮
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২১:১২
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৯:০১
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৮:৪৯